31/03/2026
ইতিহাসের পাতা উল্টালে আমরা দেখি, একজন সত্যিকারের রাজা বা শাসক কেবল ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন না; তিনি ছিলেন জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আলোকবর্তিকা। তাঁদের মাঝে ছিল গভীর শিক্ষা-দীক্ষা, সুদূরপ্রসারী চিন্তা-চেতনা, তীক্ষ্ণ বিচক্ষণতা, দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা, এবং দায়িত্ব পালনে অক্লান্ত কর্মস্পৃহা। তারা জাতির দিশারী হয়ে নিজেদের গড়ে তুলতেন, আর সেই আলোয় আলোকিত হতো পুরো সমাজ।
কিন্তু আজকের বাস্তবতা অনেক ক্ষেত্রেই ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। এখন অনেকেই নেতৃত্বের আসনে পৌঁছে গেলেও, তাদের মাঝে সেই পূর্ণতা চোখে পড়ে না। কারও মধ্যে হয়তো শিক্ষা আছে, কিন্তু দূরদর্শিতা নেই; কারও চিন্তা আছে, কিন্তু কর্মঠতা নেই; আবার কেউ তৎপর, কিন্তু বিচক্ষণতার অভাব । যেন একেকজন একেক দিক থেকে অসম্পূর্ণ, যেখানে নেতৃত্ব হওয়া উচিত ছিল পরিপূর্ণতার প্রতিচ্ছবি।
এই জায়গাতেই
শাহ ইফতেকার তারিক ভাই
শেখ ফজলুল করীম মারুফ ভাই
শরিফুল ইসলাম রিয়াদ ভাই
নূরুল করিম আকরাম ভাইদের মতো যোগ্য, ভারসাম্যপূর্ণ, আদর্শবান মানুষের প্রয়োজন আমাদের সমাজে। যারা শুধু নেতৃত্ব পাবে না, বরং নেতৃত্বের যোগ্যতাও ধারণ করবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এমন মানুষ তৈরি করছে কে? কোথায় সেই গড়ার কারখানা, যেখানে একজন মানুষকে শুধু পড়াশোনা নয়, বরং নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বগুণ, সবকিছুর সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়?
সময়ের দাবি এখন একটাই, নেতৃত্ব পাওয়ার আগে নিজেকে নেতা হিসেবে তৈরি করা। আর সমাজের দায়িত্ব, সেই তৈরির পথকে শক্তিশালী করা। কারণ, সঠিক মানুষ তৈরি না হলে, সঠিক নেতৃত্ব কখনোই আসবে না।
-কপি পোস্ট