18/01/2026
আমি কী লিখব, কী দিয়ে শুরু করব—তা জানি না।
তবে এটুকু বলতে পারি, মুভিটা দেখার পর থেকেই আমি mentally disturbed….
আমি আমার নিজের মতো করে বলছি,,,,,,,,,
মুভিতে আব্বাস সাজিয়াকে এত বিশ্রী ভাবে ঠকানোর পরও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা ছিল না।
সাজিয়া সংসার টিকিয়ে রাখতে স্বামীকে ভাগ করে নিতে পর্যন্ত প্রস্তুত ছিল।
কিন্তু আব্বাস সাজিয়াকে পাওয়ার পরই তার কাছ থেকে সরে যায়।
সাজিয়ার জন্য তার দিক থেকে আর কিছুই ছিল না।
সে কখনো জানতে চায়নি—নিজের মানুষকে অন্যের পাশে দেখতে ভেতরটা ঠিক কতটা পুড়ে,
বিশেষ করে যখন সে মানুষটি তার তিন সন্তানের বাবা।
প্রথম অবস্থায় ধর্মের দোহাই দিলেও,
পরে সাজিয়ার সামনে আব্বাস নিজেই তার বিশ্বাসঘাতকতার কথা স্বীকার করে
এবং তাকে তিন তালাক দেয়। 💔😅
শেষ বেলায় যখন কোর্টে সাজিয়া নিজের বক্তব্য দেয়,
তখন সে একটা কথা বলে—
তাকে দেওয়া তালাক যদি শরিয়ত মোতাবেক হয়,
তাহলে তার অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করা এবং
বিয়ের আগেই আব্বাস ও সায়রার সম্পর্ক কি জেনা ছিল না? কিন্তু সেটা নিয়ে কেন কেউ প্রশ্ন করছেন না?
আর যদি বলি আব্বাস ও সায়রার ভালোবাসার কথা বা সায়রা চরিত্রের কথা—
সে খুব সহজেই যেটা মেনে নিতে পেরেছিল।
কিন্তু এটা সাজিয়াত জন্য সম্ভব ছিল না।
সায়রা জেনে–শুনেই আব্বাসের জীবনে আসে।
তার বিয়ে হয়েছে, দুইটি সন্তান আছে, এমনকি অনাগত সন্তানও আছে—সবই সে জানত।
তার আগেও একটি বিয়ে হয়েছিল; স্বামীর মৃত্যুর পর সে আব্বাসকে বিয়ে করে।
কিন্তু সাজিয়া……………… 💔😅
সে জানত, আব্বাসের জীবনের প্রথম ভালোবাসা সে।
আর সাজিয়া আব্বাসকে কতটা ভালোবাসত—তা বলার ভাষা নেই। 💔😅
মারিয়া অরিন---