Lit Line BD

Lit Line BD চলো লিখি...

09/07/2022
03/05/2022

-تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ :
‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া" মিনকুম।
(‘আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেকা আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন।’)

ঈদ মুবারক 😊

21/02/2022

Mind Castle কতৃক আয়োজিত 'পুস্তক পথ ২০২২' এ কিছুক্ষণ... অসম্ভব সুন্দর আয়োজন।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারীআমি কি ভুলিতে পারি...সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা!
20/02/2022

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি...

সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা!

"বিবেক"-এস. এম. তামিমলাঞ্চ ব্রেকের আগে একজন ফিটফাট , মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক এক কর্মচারীকে জিজ্ঞাসা করলেন,- শওকত সাহেবের রুম ...
14/02/2022

"বিবেক"
-এস. এম. তামিম

লাঞ্চ ব্রেকের আগে একজন ফিটফাট , মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক এক কর্মচারীকে জিজ্ঞাসা করলেন,

- শওকত সাহেবের রুম কোনদিকে?
- স্যারের রুম ঐদিকে , কিন্তু স্যার এখন দেখা করবেন না। আপনি ব্রেকের পরে আসুন।
- তোমার স্যারকে বলো মনিরুল হক নামের কেউ দেখা করতে চায়। আর্জেন্ট।

দেড় মিনিট পর কর্মচারী ফিরে এসে উনাকে নিয়ে গেলেন শওকত হোসেনের অফিসে। টেলিফোনে কথা বলতে থাকা শওকত হোসেনের চোখ ভদ্রলোককে দেখেই জ্বলজ্বল করে উঠলো। ফোন রেখে দিলেন।

- আসসালামুয়ালাইকুম শওকত সাহেব।
- ওয়ালাইকুমুসসালাম। আপনার সব কাগজ তো তৈরি , আপনার অপেক্ষাতেই প্রহর গুনছিলাম।
- আর বলবেন না , যা ব্যস্ত থাকি সারাদিন। জানেনই তো।
- তা আর বলতে... দেখে নিন সব ঠিক আছে কিনা।

ভদ্রলোক শওকত সাহেবের দেওয়া কাগজগুলো দেখলেন না। আশেপাশে একবার চোখ ফিরিয়ে তার হাতে থাকা কালো রঙের ব্রিফকেসটি শওকত সাহেবের হাতে দিলেন। শওকত সাহেব সামান্য অজানা ভয়ের সাথে ব্রিফকেসটি নিয়ে নিজের টেবিলের নিচে রাখলেন। পরক্ষণে মনিরুল নামক ভদ্রলোকটি উনার সাথে আরো দুইয়েক বাক্য খরচ করে এরপর যাবার জন্য উঠে দাড়ালেন। দরজার সামনে গিয়ে মৃদু কন্ঠে বললেন ,

- PIN : 8883

মুহুর্তের মাঝেই কক্ষে শুধু শওকত সাহেব আর কালো ব্রিফকেস। ভদ্রলোকটি চলে গিয়েছে।

সন্ধে বেলা , শওকত সাহেব সযত্নে ব্রিফকেস নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। প্রতিদিনের মত CNG তে যাবার সাহস পেলেন না। আজ Uber ডেকে পাঠালেন।
পড়ন্ত সন্ধ্যা , মাগরিবের আজানের সময় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে Uber এর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন। রাস্তার সোডিয়াম বাতিগুলো তখনো জ্বলেনি। ব্যস্ত শহরের মাঝেও রাস্তাটি বেশ ফাঁকা। Uber আরো ৭ মিনিট আগে আসার কথা , এখনও এসে পৌঁছায়নি। তার মনে হলো হঠাৎ কেউ এসে ঠিক তার পেছনে দাড়িয়েছে। তিনি পেছনে ফিরে তাকানোর আগেই হঠাৎ কে একজন আচমকা সজোড়ে আঘাত করলো তার ঘাড়ে। উনি মুহুর্তের মাঝেই জ্ঞান হারালেন , জ্ঞান হারানোর ঠিক আগ মুহূর্তেই দেখলেন এক এক করে সোডিয়াম বাতি গুলো জ্বলে উঠছে।

- শওকত সাহেব! শওকত সাহেব!
- কে? কে?
- উঠুন।
- আমার চোখ বেধে রেখেছন কেন? কোথায় এনেছেন আমাকে?
- সেটা জানা জরুরী নয় , তা কেমন আছেন আপনি?
- আপনি কি চান?
- আপাতত জানতে চাই আপনি কেমন আছেন।
- দেখুন , আমার সাথে রসিকতা করবেন না দয়া করে। আমাকে কেন নিয়ে এসেছেন আপনি?
- ব্রিফকেস টায় কি আছে ?
- কোন ব্রিফকেস?

শওকত সাহেব ব্রিফকেসের কথা এতক্ষণ আসলেই ভুলে গিয়েছিলেন। হঠাৎ ব্রিফকেসের কথা মাথায় এলে তার হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। মৃদু কাশি শুরু হয় শওকত সাহেবের। উনার অ্যাজমা সহ আরো নানা রোগ আছে।

- উহহু! উহহু!
- আজ পকেটে নেই?
- উহহু! আপনি কিসের কথা বলছেন?
- ইনহেলার , যেইটা প্রতিদিন বাম পকেটে রাখেন , "Salbutamol"

শওকত সাহেবের কাশি আচমকা থেমে গেলো। ঘামে ভেজা শরীর কেমন যেন ঠান্ডা হয়ে গেলো। ঠান্ডা শরীরে ঘাম থাকায় উনার যেন শীত আরেকটু বেশি করতে লাগলো।

- আপনি জানলেন কিভাবে?

অজ্ঞাত লোকটি উত্তর দিলো না।

- তা শওকত সাহেব , আপনার ব্রিফকেসে তো ১২ লাখ থাকার কথা। ৩ হাজার কম আছে দেখছি।

- আপনি কিভাবে জানেন আমার কাছে ১২ লাখ থাকার কথা? আপনি PIN কিভাবে পেলেন?

প্রতিবারের মত এবারও কোনো উত্তর এলো না অজ্ঞাত লোকটির পক্ষ হতে।

- শওকত সাহেব! এত টাকা দিয়ে কি করতেন?
- মানে?
- বলছি , এত টাকা দিয়ে কি করবেন?

শওকত সাহেব কথা খুঁজে পেলো না। খানিকটা অসহায় লাগলো নিজেকে।
শওকত সাহেবের ক্রমে ক্রমে দম বন্ধ লাগছে। তিনি লোকটার আওয়াজ ব্যতীত আশেপাশে আর কোনো আওয়াজ পাচ্ছেন না। বিষয়টা তিনি অনেক দেরীতে লক্ষ্য করলেন।

- ভাই , দয়া করে বলবেন? আমাকে কেন তুলে এনেছেন? আমি আপনার কি ক্ষতি করছি?

- ক্ষতি করেন নাই? আপনি তো আমাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন।

- মানে? কি বলছেন এসব?

প্রতিবারের মতো লোকটি এবারও চুপ রইলো।

- শওকত সাহেব। আপনার স্ত্রী তো মারা গিয়েছে তাও ৯ বছর হয়ে গেলো। ছেলেটাকে নিজের সাথে রাখেন না কেন?
- আমি রাখতে চাই , ওই থাকতে চায়না।
- মা মরা ছেলে , বাবার সাথে থাকতে চায়না কেন বলুন তো?
- ও চায়না আমি...
- বলুন.. বলুন.. সত্যি স্বীকার করতে লজ্জা হলে বুঝতে হবে কাজটা ভুল।

শওকত সাহেবের বুকে কিঞ্চিৎ ব্যথা শুরু হলো। তিনি আবারও কাশতে শুরু করলেন।

অজ্ঞাত লোকটা Salbutamol নামক ইনহেলার শওকত সাহেবের মুখে ধরলেন। এরপর একটা ঔষধ দিয়ে গিলে নিতে বললেন। লোকটার হাতে ঔষধ গেলার জন্য পানির গ্লাস।

- আপনি কি ঔষধ দিচ্ছেন এটা?
- আপনার অ্যাজমার ঔষধ।
- আপনি আমার সম্পর্কে এত কিছু কিভাবে জানেন?

লোকটি এইবার কঠিন গলায় বললো ,
- সময় হলেই জানতে পারবেন!

- আপনি মনিরুল সাহেবকে ৪ বছর হলো বেআইনি ভাবে ভবন নির্মাণের অনুমতি দিয়ে যাচ্ছেন। উনিও আপনাকে মোটা টাকা দিচ্ছে। ফুলে ফেপে উঠছেন দিনে দিনে। বয়স কত আপনার?
- ৫৩
- ৫৮!!

শওকত সাহেব বুঝলেন , ইনাকে মিথ্যা বলা ঠিক হচ্ছেনা।

- ভাই , দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে কেন এনেছেন?
- গল্প করতে
- গল্প?!
- হুম , গল্প। আচ্ছা , আপনার কি ধারণা আপনি আর কতদিন বাঁচবেন?

শওকত সাহেব চমকে উঠলেন। উত্তর দিলেন না।
লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলো,
- এইযে সপ্তাহে ২ বার হাসপাতালে দৌড়ান। ছেলে আপনাকে ত্যাগ করে আলাদা থাকে আপনার ঘুষের টাকায় কেনা আহার মুখ দিয়ে নামাবেনা বলে , এরপরেও কেন দুর্নীতি করেন? কি লাভ?

শওকত সাহেব এবারও উত্তর দিতে পারলেন না।

- আমি যদি আজ আপনাকে এইখানে মেরে ফেলি , স্রষ্টার কাছে যাবার জন্য প্রস্তুত?

শওকত সাহেবের বুকের ব্যথা ক্রমশই বাড়তে শুরু করলো। উনি সাহস নিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন ,

- আপনি কি চান স্পষ্ট করে বলুন , আমাকে ছেড়ে দিন।

লোকটা চিৎকার করে বললো ,
- আমার খুনের প্রতিশোধ নিতে চাই!!

শওকত সাহেবের বুকের মাঝে ধুক ধুক করতে শুরু করলো। হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলো। আশেপাশের সব ভয় যেন ক্রমশ তার দিকে ব্যাপিত হচ্ছে।
তার কন্ঠ এতক্ষণ বেশ শক্ত থাকলেও , এইবার বেশ ক্ষীণ হয়ে গেলো।

- আমি কারো কোনো ক্ষতি করিনি। আমাকে দয়া করে ছেড়ে দিন।
- আপনি আমাকে দিনে দিনে নিঃশেষ করে দিয়েছেন।
- আপনি কে? আমি কেন আপনার ক্ষতি করবো? আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা।
- আপনি আর খুব বেশিদিন নেই জেনেও ক্রমাগত নিজের উপর জুলুম করে যাচ্ছেন। একবারও নিজের ছেলেটার জন্যও ভাবলেন না , মা মরা ছেলেটা শুধু চেয়েছিল তার নিষ্ঠাবান বাবার সাথে থাকতে। আপনি তার সেই জায়গা টুকুও নিঃশেষ করে দিয়েছেন। প্রতিনিয়ত অন্যায়ের পাশে থেকেছেন। প্রবৃত্তি কে অনুসরণ করেছেন।

শওকত সাহেব নিজের অজান্তেই কেঁদে উঠলেন। তার মাথায় ঝিম ধরে যাচ্ছিল , শরীর অবশ হয়ে আসছিল। তার মনে হচ্ছিল ক্রমান্বয়ে তার চোখের আধার যেন আরো গভীর হচ্ছে। মৃত্যু হয়তো তাকে কাছে টেনে নিচ্ছে

- আপনি কে? আমি আপনার কি ক্ষতি করেছি?

লোকটি আচমকা শওকত সাহেবের গলা চেপে ধরে চিৎকার করে বলতে লাগলো,

- আমিই তোমার বিবেক!!! আমিই তোমার বিবেক!!!

শওকত সাহেব মুহূর্তের মাঝেই জ্ঞান হারালেন।

পরেরদিন সকালে শওকত সাহেব নিজেকে হাসপাতালের বেডে আবিষ্কার করলেন। লাঞ্চ ব্রেকে লাঞ্চ দিতে এসে কর্মচারী অফিসের ফ্লোরে অজ্ঞান অবস্থায় উনাকে পান। উনার ব্রিফকেসটা উনার পাশেই ফ্লোরে অবহেলায় পড়ে ছিলো...

©️S. M. Tamim

আমার সাহসী বোন। হজরত আয়শা, খাদিজা রা.দের যোগ্য উত্তরসূরী।শত শত লোকের জয় শ্রীরাম ধ্বনির সম্মুখে যার আল্লাহু আকবার শ্লোগাণ...
09/02/2022

আমার সাহসী বোন। হজরত আয়শা, খাদিজা রা.দের যোগ্য উত্তরসূরী।শত শত লোকের জয় শ্রীরাম ধ্বনির সম্মুখে যার আল্লাহু আকবার শ্লোগাণ হয়ে উঠেছে পারমাণবিক বোমার চেয়েও তীব্র।
কোথায় সেই নারীবাদীরা! যারা নারী স্বাধীনতার বুলি আউরে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের ধান্দায় থাকে!
অন্যায় যেখান আছড়ে পড়ে! এমন সাহসী প্রতিবাদ সেখানে কর্তব্য হয়ে যায়।
স্যালুট সেই ভারতীয় বোনকে।
সাহসী তাকবীর শুনে একজন মুসলিম হিসেবে গর্বে মন ভরে উঠলো। আনন্দে চোখ ভিজে গেলো।

আল্লাহু আকবার!
আল্লাহু আকবার!!
©️ Sadikur Rahman Azhari
Picture ©️ Sohan's creations














🥺
19/01/2022

🥺

চিরনিদ্রায় ভালো থাকুন। দোয়া রইল।

প্যারালাল ইউনিভার্স বা সামান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কিত সবচেয়ে চমৎকার ও বিখ্যাত তত্ত্বটি হলো স্রোডিঞ্জারের বেড়াল তত্ত্ব (S...
10/01/2022

প্যারালাল ইউনিভার্স বা সামান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কিত সবচেয়ে চমৎকার ও বিখ্যাত তত্ত্বটি হলো স্রোডিঞ্জারের বেড়াল তত্ত্ব (Schrodinger's Cat Theory). এ তত্ত্বটি খুবই চমকপ্রদ। প্যারালাল ইউনিভার্সের অস্তিত্ত্ব যে রয়েছে তা এ তত্ত্বটি দ্ধারা সহজেই বোঝা যায়।
কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনুসারে, একটি ইলেকট্রন (Electron) একই সাথে একই সময়ে দু দিকেই ঘুরতে পারে অর্থাৎ একই সময়ে ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে দু দিকেই ঘুরতে পারে। যেমন একটা মার্বেল, ক্রিকেট বল, ফুটবল থেকে শুরু করে গ্রহ-নক্ষত্রগুলোও ঘোরার সময় নির্দিষ্ট এক দিক অনুসরণ করলেও সাধারণত ইলেকট্রন তা করে না। এটি একই সময়ে দুই দিকেই স্পিন করতে পারে। শুধু তাই ই নয় একটি ইলেকট্রন কনিকা একই সাথে একই সময়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতে পারে। শুধু ইলেকট্রন নয় প্রতিটি কোয়ান্টাম কনিকার এ দুটি বিশেষ গুন রয়েছে। কোয়ান্টাম কনিকাদের এ বিশেষ গুন কে সুপারপজিশন (Superposition) বলে।

এবার ধরুন, একটি আবদ্ধ কক্ষে একটি ঘূর্নায়মান ইলেকট্রন রাখা আছে (চিত্রের মতো) যেটি একই সাথে ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরছে। ইলেকট্রন টি একটি "স্পিন ডিটেক্টর (Spin detector)" এর সাথে সংযোগ করা রয়েছে এবং এর শেষ প্রান্তে একটি হাতুড়ি রাখা আছে। হাতুড়ির সামনে বিষাক্ত এসিড ভর্তি একটি কাঁচের বোতল রয়েছে।

এখন, ইলেকট্রনটি যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে, তাহলে ডিটেক্টর যন্ত্রটি তা ডিটেক্ট করতে পারবে এবং হাতুড়ির আঘাতে কাঁচের বোতল টি ভেঙে যাবে এতে বিষাক্ত এসিড ছড়িয়ে পড়বে ও বিড়ালটি মারা যাবে। ইলেকট্রনটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরলে ডিটেক্টরে কোনো সংকেত পৌঁছাবে না, সুতরাং হাতুড়িও নড়বে না, কাঁচের বোতল টি অক্ষত থাকবে, ফলে বিড়ালটিও বেঁচে থাকবে। কিন্তু ইলেকট্রন তো একই সাথে দু দিকে ঘুরে তাহলে এক্ষেত্রে কি ঘটবে?

উত্তর টি শুনলে আপনার মাথা ঘুরবে, যদি ইলেকট্রনটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে থাকে, তার মানে রুমটিতে একটি মৃত বিড়াল পড়ে আছে। যদি এর উল্টোটা হয়, অর্থাৎ ইলেকট্রনটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুরে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে রুমটিতে একটি জীবিত বিড়াল আছে। কিন্তু ইলেকট্রনটি যেহেতু একই সময়ে দুই দিকেই ঘুরছে, সুতরাং তত্ত্বমতে ঐ রুমে এখন এমন একটি বিড়াল রয়েছে যা একই সঙ্গে জীবিত ও মৃত!!!!!! আশ্চর্য হচ্ছেন তাই না? এই ধরনের আশ্চর্যজনক সম্ভাবনার কারনে একে জম্বি-ক্যাট থিওরীও বলা হয়।

এখন প্রশ্ন জাগতে পারে কেউ যদি এ ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে তাহলে সে কি দেখবে? সে কি বেড়ালটিকে জীবিত ও মৃত দু অবস্থাতেই দেখবে? উত্তর হচ্ছে না।

এ পরীক্ষার জন্য যদি দু জন পর্যবেক্ষক দুই ভিন্ন স্থান-কাল থেকে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেন তাহলে একই সময়ে দু জন দু রকম ঘটনা দেখতে পাবেন একজন দেখবেন বিড়াল টি এসিডে জ্বলসে মরে গেছে অন্যজন দেখবেন বিড়াল টি বেঁচে আছে স্বাভাবিক ভাবেই। কিন্তু একে অন্যেরটা দেখতে পাবেন না।

এ কারণ হচ্ছে, ঐ দু জন পর্যবেক্ষক একই সময়ে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করলেও ভিন্ন স্থান-কালে অবস্থান করার কারণে তাদের দুজনের ক্ষেত্রে সময় সামান্তরাল ভাবে বিভক্ত হয়ে যাবে। দুটি সামান্তরাল রেখা যেমন অসীম দুরত্বে গিয়েও পরস্পর মিলিত হয় না তেমনি সময় সামান্তরাল ভাবে বিভক্ত হওয়ার কারণে এ ঘটনা দুটি ও কখনোই পরস্পর মিলিত হবে না। কিন্তু একই সময়ে দুটো ঘটনাই ঘটছে। দুটি ভিন্ন বা বিপরীত ঘটনা একই সময়ে একই স্থানে ঘটার এই সম্ভাবনা আমাদের প্যারালাল ইউনিভার্সের দিকে ইঙ্গিত প্রদান করে!!!!!

এ তত্ত্ব থেকে সহজে বোঝা যায় যে, আমাদের ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোও অন্য আরেকটি বা একাধিক সামান্তরাল মহাবিশ্বে বিপরীতভাবে ঘটে যাচ্ছে।

বিখ্যাত অস্ট্রিয়ান নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী আরউইন স্রডিঞ্জার (1887 - 1961) এ তত্ত্ব প্রদান করেন তাই তার নামানুসারে এ তত্ত্বটির নাম দেয়া হয় স্রোডিঞ্জারের বেড়াল তত্ত্ব।

আশা করি সবাই তত্ত্বটি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।
©talha


মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আকাঙ্খা /আফসোস :● "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।" (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)● "হায়! যদি পরকালের জ...
08/01/2022

মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আকাঙ্খা /আফসোস :

● "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।" (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)

● "হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।" (সূরাহ ফজর, আয়াত : ২৪)

● "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।" (সূরাহ আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)

● "হায়! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৮)

● "হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম।" (সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)

● "হায়! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৭)

● "হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।" (সূরাহ আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)

● "হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।" (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)

● "হায়! এমন যদি কোনো সুরত হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের শামিল।" (সূরাহ আনআম, আয়াত : ২৭)

হে আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুন আমিন ।

Address

Nawabganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lit Line BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category