Noakhali Times নোয়াখালী টাইমস্

Noakhali Times নোয়াখালী টাইমস্ Noakhali Times is a local news page

ছিলো শ্রমিকলীগের নেতা এখন সে নোয়াখালী সদর উপজেলা তাঁতি দলের সাধারণ সম্পাদকমোঃ জহিরুল হোক মনু, জামালপুর, সরিষার বাড়ি, উপজ...
12/07/2025

ছিলো শ্রমিকলীগের নেতা এখন সে নোয়াখালী সদর উপজেলা তাঁতি দলের সাধারণ সম্পাদক

মোঃ জহিরুল হোক মনু, জামালপুর, সরিষার বাড়ি, উপজেলা, শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক।

এইলোক একটা চোর , সাধারণ ট্রাক ড্রাইভার হয়ে ও আওয়ামীলীগের সময়, মন্ত্রী টাকলা মুরাদের সাথে সম্পর্ক করে যমুনা ফ্যার্টিলাইজার এর শত শত ট্রাক সার চুরি করেছে এবং মন্ত্রীর ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে মানুষের জায়গা জমি আত্মশাত করেছে।

আর নোয়াখালী তে এসে BNP র লোক জনের সাথে BNP সেজে মিশে BNP র অভন্তরীণ সাংগঠনিক ও নেতা কর্মীদের তথ্য নিয়ে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতাদের কাছে প্রাচার করেছে,

সে BNP র মিটিং মিছিলের আগেই মিটিং মিছিল কখন হবে কোথায় হবে তার অবস্থান ও সময় আওয়ামীলীগ এবং পুলিশ কে জানিয়ে দিতো,

রাতের আঁধারে BNP কর্মীদের বাড়ি ঘর পুলিশ কে চিনিয়ে দিতো,

তার জন্য নোয়াখালী BNP কত শত কর্মী যে জেল খেটেছে এবং হত্যার শিকার হয়েছে।

সে যে আওয়ামীলীগের গুপ্তচর হয়ে BNP র ভিতর ঢুকে কাজ করতেছে কেউ বুঝতে পারেনি

এলাকায় খবর নিলে দেখবেন এই লোক আওয়ামীলীগ এর আমলে বহু মানুষের জায়গা জমি আত্মসাত করেছে

আওয়ামীলীগ ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর সে BNP র নেতা হিসাবে এলাকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছে

এইধরণের লোক যে কোন দল, সমাজ ও দেশের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর

একে রিমান্ডে নিলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে

এর উপযুক্ত বিচার ও শাস্তি চাই ✊✊

গার্মেন্টস মালিকরা যে চোর ৯০% সত্যি এরা টেক্স ফ্রি back to back LC করে পণ্য এনে local market e সেল করে মোটা অংকের টাকা ল...
23/09/2024

গার্মেন্টস মালিকরা যে চোর ৯০% সত্যি

এরা টেক্স ফ্রি back to back LC করে পণ্য এনে local market e সেল করে মোটা অংকের টাকা লুট করে,
যে পরিমান পণ্য এক্সপোর্ট করে,সে পরিমান টাকা দেশে ফেরত আনেনা,
বেশিরভাগ ব্যাবসায়ী অর্থ পাচারের সাথে জড়িত,
কিছু কিছু ব্যাবসায়ী ইচ্ছে করে তারা শ্রমিকদের বেতন না দিয়ে,
তাদের অমানবিক কষ্ট দিচ্ছে, এবং দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছে।

কারণ তাদের কারখানা বন্ধ হয়ে গেলেও তাদের ১ টাকাও লস হবেনা, তারা নিজের পকেট থেকে যা বিনিয়োগ করেছে তার থেকে বহু গুন সাধারণ মানুষের টাকা ব্যাংক থেকে লোনের নামে নিয়ে গেছে,

বেশির ভাগ ব্যাবসায়ীর সব কারখানা বিক্রি করলেও লোনের টাকা পরিশোধ হবেনা।

তাই তারা হুমকি দেয় কারখানা বন্ধ করে দিবে, কারণ এখন আর লুটপাট করতে পারবেনা তাই কারখানা বন্ধ করলেই তাদের বেশি লাভ হবে।

সরকারের উচিত সকল কারখানা অডিট করে স্বচ্ছতার মাধ্যমে কর্মীদের বেতন নিশ্চিত করা এবং মালিকদের কোনো গাফিলতি থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা

দেশে এখনো কোটি কোটি মানুষ বেকার আছে তাদের কে চাইলে আপনাদের সাহায্যে কাজে লাগাতে পারেন।

শ্রমিকদের বলবো আমপনারা আপনাদের নেজ্য দাবিগুলো লিখিত আকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিন, আমি আশা করি আপনারদের শ্রমের মূল্য আপনারা পাবেন,

কারো উস্কানি তে কান দিবেন না, ওরা আপনাদের মাঠে নামিয়ে ব্যবহার করে বিপদে ফেলে তাদের স্বার্থ আদায় করবে, আর আপনি আপনার রুটি রুজি হারাবেন

কিছু ভুল বলে থাকলে ক্ষমা করবেন

নতুন বাংলাদেশ ২. ০ ইনকিলাব জিন্দাবাদ

পাহাড়ে হচ্ছেটা কী?  যারা সাজানো ভিডিও দেখে আবেগ মারাচ্ছেন, তাদের জন্য আমার পাহাড়ে বেড়ে উঠার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম৷  আমার ...
20/09/2024

পাহাড়ে হচ্ছেটা কী?

যারা সাজানো ভিডিও দেখে আবেগ মারাচ্ছেন, তাদের জন্য আমার পাহাড়ে বেড়ে উঠার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম৷

আমার জন্ম পার্বত্য অঞ্চলের রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলায়। সে সুবাদে আমি ছোট থেকে একটা শব্দের সাথে পরিচিত ছিলাম "শান্তিবাহিনী"। মা ছোট বেলায় দূরে কোথাও যেনো না যাই সেজন্য ভয় দেখাতো "ঐ খানে শান্তিবাহিনী আসছে, যাইস নাহ।" আরেকটা শব্দ শুনতাম "শান্তি চুক্তি!" কিন্তু এসবের কিছুই বুঝতাম নাহ।

ঘটনা-০১ঃ
আমার সম্ভবত বয়স খুব হলে ৬ কিংবা ৭ বছর চলে। রাত হলে হাতি এবং শান্তিবাহিনীর ভয় পেতাম আমরা। প্রবীণরা তাদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শেয়ার করতো যা থেকে একটা ভীষণ ভয় ঢুকে গিয়েছিলো। পাশের বাড়ির লোকেরা ইয়া বড় ড্রেন খুঁড়তে লাগলো। জিজ্ঞেস করতাম- কেন? কেউ কিছু বলতো না। খুঁড়তো প্রতিদিনই।

একদিন হঠাৎ করে গুলাগুলির আওয়াজ। আব্বা-মা আমাকে আর ভাইকে নিয়ে দৌড়ে চলে যায় ঐ পাশের বাড়ির গর্ত করা ড্রেনে। এক পর্যায়ে মনে পড়ে আমার বোনকে ঘরে রেখে আসছে। আবার দৌড়ে যায় মা-বাবা। এরপর আমরা শুধু এলোপাতাড়ি গুলির আওয়াজ শুনি। একটু মাথা উঁচিয়ে সবাই দেখছিলো, আমিও দেখতে লাগলাম। গুলির আগুন এর ঝাটকা বুঝা যাচ্ছে, ব্রিজের ওপার থেকে গুলি ছুড়তে থাকে অনবরত। এরপর এক পর্যায়ে তারা চলে যায়। সেই যে ভয় পেয়েছিলাম৷ তারপর থেকে দূরে কোথাও যেতাম নাহ সচরাচর৷

ঘটনা-০২ঃ
স্কুল থেকে এসে দেখি আমাদের এলাকায় খুব হৈ-হুল্লোড়। যা আমি কখনোই দেখিনি৷ সবাই বলাবলি করছে, "সাবেদ আলী রে মারছে, কী নির্মম কইরা মারছে রে"। যেহেতু আমাদের বাড়ি হয়ে পাহাড়ে যায় মানুষ ঝাড়ুর ফুল, বাঁশ কাটতে এবং সাবেদ আলীকে পাহাড়ে হত্যা করা হয়েছে; সেহেতু লাশ বাড়ির সামনে দিয়েই যাবে৷

ঘন্টাখানেক পর দেখলাম একটা বাঁশে হাত পা বেঁধে ঝুলিয়ে আনা হচ্ছে লাশ। দৌড়ে গেলাম বাজারের মাঠে। চোখেমুখে জেদ আর আতঙ্ক আমার। এতোশত মানুষের ভীড়ে কোনরকম ভেতরে ঢুকতে পারলাম৷ দেখলাম জিহ্বাটা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ গুণ বাহিরে বের হয়ে আছে! সারা শরীর সিগারেটের আগুনে পোড়া হয়েছে, চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে৷ এই দৃশ্য দেখার পর ঘুমাইনি বহু রাত৷ ভাবতাম কিভাবে যে এলাকা ছেড়ে পালাতে পারি, কিভাবে! সে বিচার আজ পর্যন্ত নিহতের স্বজনরা পায়নি৷

ঘটনা-০৩ঃ

আমি তখন আলফেসানী স্কুলে পড়ি। পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের ঘরগুলো সেদিকে কাছে হওয়ায় তারা সেখানে প্রভাব বিস্তার করে। স্কুলে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তারা তুলকালাম মারামারি করতো। একবার বসে আছি টিফিন টাইমে। সবগুলো পাহাড়ি এক সাথে হলো আর কি যেনো বিড়বিড় করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর তারা এক বাঙ্গালী ছেলেকে ডিরেক্ট হুমকি দিল- "তুই আজকে গেট থেকে বের হ, তোরে আজকে লাশ করবো।"

এরপর আমি যেহেতু নিজ কানে শব্দটা শুনলাম; আমি একদম শুরুর দিকে বের হয়ে গেইটের সামনে একটা সিঙ্গারার দোকান ছিলো, সেখানে বসলাম। ছেলেটা বের হতেই তাকে ১৫-২০ জন মারতে লাগলো। ভাগ্যক্রমে সেদিন কাঁঠালতলির ছেলেরা এসে ঐ ছেলেকে বাঁচিয়ে নেয়। কিন্তু তৎক্ষণাৎ ছেলের নাক ফেটে যায় এবং সমস্ত শরীর রক্তে লাল হয়৷

পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কি পরিমাণ সাহস হলে এরা সরাসরি সেনাবাহিনী হত্যা করে? তাহলে আপনি আমি সাধারণ মানুষ নিরাপদ কোন চিন্তায় ভাবেন? আপনি তাদের সহজেই বন্ধু বানিয়ে ফেললেও তারা আপনাকে কখনো কোন ভাবেই বন্ধু বানাবে না মন থেকে৷ উপরে উপরে খুব খাতির রাখবে৷ আপনার খুব ভালো বন্ধু। বন্ডিং ভালো কিন্তু তাদের কথাকথিত আদিবাসী দিবস এলে দেখবেন তাদের আসল রূপ৷ তাদের প্লেকার্ডগুলোতে কি লিখা হয়।

তারা সরাসরি স্লোগান দেয়- "সেনাবাহিনীর চামড়া, তুলে নিবো আমরা!" ৩ পার্বত্য অঞ্চলকে (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরান) নিয়ে আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। সেটার নামকরণ তারা করেও রেখেছে- "জুম্মল্যান্ড।"

পাহাড়ে নব্য মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করা ওমর ফারুককে গুলি করে মসজিদে হত্যা, কিংবা ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যা, কিংবা সেনাবাহিনী হত্যার বিচার কই? সে নিয়ে শহরের পাব্লিকগুলোর প্লেকার্ড কই? পোস্ট কই? কিচ্ছু নেই। কিন্তু তারা বানোয়াট ইমোশনাল ভিডিও দিতেই পাব্লিক হুমড়ি খেয়ে শেয়ার দিয়ে লিখছে, "পাহাড় ভালো নেই!"

আমি বলি- "আপনার মস্তিষ্ক ভালো নেই৷ এদের সংখ্যা এখন কম নয়৷ এরা সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায়৷ তাহলে ভাবুন কি পরিমাণ অস্ত্র থাকলে এমন চিন্তা ভাবনা সম্ভব? আবেগী না হয়ে আগে জানুন পাহাড়ে কি হয় সব সময়। কেন সেনাবাহিনীর মতো এতো শক্তিশালী বাহিনীর সদস্য নিহত হচ্ছে পাহাড়ে? এদের অপকর্ম সম্পর্কে ধারণা না থাকলে আবেগ না মারিয়ে ঘুমান৷ কাজে দিবে৷"

প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্প পুনরায় বহাল চাই। পাহাড়ে নিয়মিত যৌথ বাহিনীর অভিযান চালনা করে সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা প্রয়োজন। নয়তো অচিরেই ৩ পার্বত্য অঞ্চলকে বাংলাদেশ বলার আর কোন উপায় থাকবে না।

#®© Asif

31/08/2024

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ না
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই

11/04/2023

Zakir Naik

আদনান_মেন্দেরেসসেনা অভ্যুত্থানের বলী এক দেশপ্রেমিক।একটানা ১০ বছর গণতান্ত্রিক তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ও আধুনিক তুরস্...
07/04/2023

আদনান_মেন্দেরেস
সেনা অভ্যুত্থানের বলী এক দেশপ্রেমিক।

একটানা ১০ বছর গণতান্ত্রিক তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ও আধুনিক তুরস্কের রূপকারও তিনি। সমকালীন অন্যান্য মুসলিম অধ্যুষিত দেশের নেতাদের তুলনায় বিদ্যান্বেষী এবং জনগণের শুভাকাংখী ছিলেন। যদিও রাজনৈতিক অঙ্গনে মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের দলে এসে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন তবুও আইন বিষয়ে পড়াশোনা করার সুবাদে পলিটিক্সে ছাত্রাবস্থায়ই জড়িত ছিলেন। আতাতুর্কের মতের সাথে মিল না হওয়াতে স্বাধীনচেতা এই নেতা একসময় বহিঃষ্কৃত হন।

১৯৫০ সালের ১৪ মে তুরস্কের প্রথম স্বাধীন নির্বাচনে তাদের দল ৫২% ভোট পায়। এরপর মেন্দেরেস প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৫৫ সালে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও গ্রহণ করেন। ১৯৫৪ ও ১৯৫৭ সালের নির্বা‌চনেও তিনি জয়ী হন।

তার ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে তুরস্কের অর্থনীতি বার্ষিক ৯% হারে বৃদ্ধি পায়। এসময় তুরস্ক ন্যাটোতে যোগ দেয়। মার্শাল পরিকল্পনার মাধ্যমে মার্কিন আর্থিক সমর্থনে কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি করা হয়; যোগাযোগ, শক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ইনসুরেন্স ও ব্যাংকিং খাতে উন্নতি হয়।

আতাতুর্ক‌ ও তার দলের তুলনায় আদনান মেন্দেরেস ঐতিহ্যবাহী জীবনপদ্ধতি এবং ইসলাম চর্চার প্রতি সহনশীল ছিলেন। ১৯৫০ সালের নির্বাচনের সময় তিনি আরবি ভাষায় আজান দেয়ার অনুমতি প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ইতিপূর্বে তুরস্কে আরবিতে আজান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তিনি ইতিপূর্বে বন্ধ করা কয়েক হাজার মসজিদ পুনরায় চালু করেন। এজন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে দোষারোপ করে। পূর্বসূরিদের চেয়ে আদনান মেন্দেরেস মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে তৎপর ছিলেন। তার অর্থনৈতিক নীতির কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে তিনি জনপ্রিয় হয়েছিলেন।

১৯৬০ সালের ২৭ মে তুরস্কে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয় এবং আদনান মেন্দেরেসকে দলের অন্যান্য নেতাদের সাথে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে তুরস্কের সংবিধান লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়। ইয়াসিয়াদা দ্বীপে স্থাপিত সামরিক আদালতে তাদের বিচার অনুষ্ঠিত হয়। বিচারে তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। দেশে বিদেশে বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯৬১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইমরালি দ্বীপে তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।

১৯৯০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তার ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তুরস্কের সংসদ তার মরণোত্তর ক্ষমা ঘোষণা করে। তার কবর স্থানান্তর করে ইস্তানবুলে তার নামে একই মাজারে দাফন করা হয়।

আইদিনের আদনান মেন্দেরেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইজমিরের আদনান মেন্দেরেস বিমানবন্দর তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে। তার নামে দুইটি উচ্চ বিদ্যালয়ও রয়েছে। এছাড়াও তুরস্কে তার নামে বিভিন্ন স্থান, সড়ক রয়েছে।

সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

#আদনান_মেন্দেরেস

07/04/2023

যখন সবাই রাস্তা বন্ধ।

06/04/2023

এক বিস্ময়কর যাত্রা

23/03/2023

Address

Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
3800

Telephone

+8801786002224

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Noakhali Times নোয়াখালী টাইমস্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Noakhali Times নোয়াখালী টাইমস্:

Share