What Ashiq Thinks

What Ashiq Thinks Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from What Ashiq Thinks, Digital creator, AWOJBALIYA, NOAKHALI SADAR, Noakhali Sadar Upazila.

একজন ফুলস্ট্যাক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, বাবা-মায়ের সন্তান, একজন স্বামী, একজন বাবা কিংবা দেশের একজন নাগরিক হিসেবে জীবনের যত সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সবকিছু নিয়ে আমার চিন্তা-ভাবনার উন্মুক্ত ডায়েরি। একজন ফুলস্ট্যাক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রোগ্রামিং বিভিন্ন সমস্যা গুলো নিয়ে আমি কিভাবে ভাবছি, তার সমাধান কিভাবে খুজে পেয়েছি, নতুন নতুন টেকনিক্যাল সব রিভোল্যুশন আমাকে কেমন ভাবাচ্ছে, নতুন নতুন টেক ইনোভেশন কে আ

মি কিভাবে নিচ্ছি তা সবার সাথে শেয়ার করার প্রয়োজন মনে করছি। তার জন্য শুর করলাম "What Ashiq Thinks" এই ফেসবুক পেইজ।
তাছাড়া বাবা-মায়ের সন্তান হিসেবে, একজন স্বামী হিসেবে, একজন বাবা হিসেবে কিংবা দেশের একজন নাগরিক হিসেবে জীবনের সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ গুলো নিয়ে আমার ভাবনা ও চিন্তা-চেতনা কে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা থাকবে এই পেইজে।
আশা করছি বিন্দু মাত্র হইলেও কারো উপকারে আসতে পারবো। সাথেই থাকুন।

আমি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামে থেকে রিমোট জব করি। চলার পথে অনেকেই আমার প্রফেশন নিয়ে জানতে চাইলে সহজ করে বলি ঘরে বসে অন...
12/04/2026

আমি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামে থেকে রিমোট জব করি। চলার পথে অনেকেই আমার প্রফেশন নিয়ে জানতে চাইলে সহজ করে বলি ঘরে বসে অনলাইনে চাকুরি করি। এটা জেনে অনেকেই আবার মনে করেন এত পড়ালেখা আমি যেটা করি, এলাকার গান্ডু পোলাপাইন ও সেই একই ভাবে ঘরে বসে মোবাইলেও আয় করে 😐 এই তফাৎ বুঝানোর জন্য আমি এই পোস্ট লিখতে বসিনি, জুয়াড়িদের অনলাইন আয় যে কত ভয়াবহ সেটার ব্যাপারে কিছু সতর্কতা বা সচেতনতার জন্য আজ লিখতে বসলাম।
বর্তমান সমাজে মারাত্মক এক ব্যাধি ছড়িয়ে গেছে অনলাইন জুয়া।
একটা সময় ছোট বেলায় গ্রামে আমরা দেখতাম যারা জুয়া খেলতো, বাগানে চিপা চাপায় লুকিয়ে খেলতো, আর মুরুব্বিদের দেখলেই দৌড়ে পালায় যেতো। কিন্তু ডিজিটালের ছোঁয়ায় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে গেছে যে মানুষ এখন নির্ভয়ে নিরবে এই ব্যাধিতে খুব সহজে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রতিটা কিশোর, তরুণ, যুবক সবার হাতে হাতে এখন জুয়া খেলার মেশিন। কেউ বুঝতেই পারছে না যে মোবাইলে জুয়া খেলার এই আসক্তি তাকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে।
অনেকেই ত এটাকে অনলাইনে আয় বা ফ্রিল্যান্সিং মনে করেন।
আপনারা যারা অনলাইনে বেটিং এপ্সে আয় করেন, তাদের অনেকেই জানেন ই না এই সফটওয়্যার গুলা যে কোন মানুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আপনাদের খেলায় মাতিয়ে রাখার জন্য কখনো আপনাকে জিতাবে কখনো হারাবে, এই হারজিতের নেশায় আপনাদের পাগল বানিয়ে মাঝাখান দিয়ে যে এই সফটওয়্যার মালিক রা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। হার-জিতের প্লাস-মাইনাস করে যেটা পান সেটা আপনার পকেটের কি উন্নতি করছে একটু বিবেক খরচ করে ভাবেন একদিন। খুব একটা আহামরি কিছু না, কিন্তু বিনিময়ে আপনি পাচ্ছেন হতাশা, মানসিক অশান্তি, ঋণের বোঝা, সম্পর্কের অবনতি, সংসারের অশান্তি, ব্যাবসায়ে লস, চাকুরিতে অমনোযোগী নানা সমস্যা দেখবেন আপনার চারপাশে। এই সমস্যা গুলা একদিনে তৈরি হয় না, ধীরে ধীরে আপনাকে এমন ভাবে গ্রাস করবে হঠাৎ দেখবেন আপনার পাশে আর কেউ নেই। আপনার বাবা মা, ভাই বোন, বউ সংসার বন্ধু আত্নীয় স্বজন সবার কাছে আপনি একটা বোঝা। সবার কাছে আপনার মূল্য তখন আর ২ পয়সাও নেই, আপনার বাচেন বা মরেন কারো কিচ্ছু যায় আসে না। এসব দেখতে দেখতে আপনার হটাৎ একদিন মনে হতে পারে এই পৃথিবীতে আপনার আর বেচে থাকার কোন পরিবেশ নেই, এভাবেই হয়ত আপনার নিজেকে শেষ করে দিয়ে সব কিছু থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করবেন।
জুয়ার মত মাদকাসক্তিও এভাবে আপনাকে জীবনে এই পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারে খুব সহজে।
তাই সময় থাকতে সচেতন হউন, জীবন অনেক সুন্দর যদি আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন৷ নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে অন্য কে বলুন, সাহায্য নিন। তবুও হাল ছেড়ে হাতছাড়া কইরেন না। জীবন ত একটাই, ধংস করে লাভ কি। জীবন আসলে একটা না, আপনি যদি পরিবারের দায়িত্বশীল কেউ হন তবে আপনার জীবনের সাথে আরো কয়েকটা জীবন জড়িত। তাই তাদের বাচানোর জন্য হলেও নিজেকে বাঁচান।

07/02/2026

যারা নিজ দলের প্রচারণার চাইতে অন্য দলের সমালোচনায় বেশি মনযোগী তাদের আমি ভোট পাওয়ার অযোগ্য বলে মনে করি। যৌক্তিক সমালোচনা গ্রহণযোগ্য কিন্তু তিল কে তাল বানিয়ে সেটার পিছনে লেগে থাকা মূর্খতা, এগুলা ছাপড়ি নেতার লক্ষণ।
যারা এসব করছেন তারা এখনি সংযত হওয়া উচিত। আপনার দল সরকার হবে কি না আপনি ১০০% নিশ্চিত নয়, তাই অতি উৎসাহী হয়ে ভিন্ন দলের উপর মিথ্যাচার, গালাগালির মত জুলুমে আসক্ত হয়ে জালিম হয়ে যাইয়েন না। এই ইস্যুগুলো নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বাড়ায়। তাই অহেতুক কাঁদাছোড়াড়ি থেকে বিরত থাকুন।
আমার পরামর্শ হইলো, অন্য দল কে কেন ভোট দেয়া উচিত নয় সেই আলোচনায় না গিয়ে আপনার দল কে কেন ভোট দেয়া উচিত সেই প্রচারণায় মনযোগ দিন। নিজের দল কে জেতানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন, হেরে গেলে সেটা মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরি করুন।
খেলা যেই লেভেলেই চলুক, দেশটা যেই গড়ুক,
এই দেশ সবার, সবার আগে বাংলাদেশ।

07/02/2026

এই যে দলগুলো এত এত ইশতেহার ঘোষণা দিচ্ছে, এটা সেটা আশা দিয়ে জনগণ কে প্রলোভিত করার চেষ্টা করতেছে এগুলা সব জনগণ বুঝে।
জনগণকে খুশি করার জন্য এত এত প্রতিশ্রুতির প্রয়োজন হয় না। আমার কাছে মনে হয় কোন দল যদি শুধু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে হাইকোর্ট পর্যন্ত সব সরকারি অফিসের সব দালালি, হয়রানী, ঘুষ বাণিজ্য দূর করে সুষ্ঠু সেবা নিশ্চিত করতে পারে তাতেই সেই দল ভোট পাওয়ার যোগ্য হওয়ার কথা।
আগের সরকার যে উন্নয়ন করে গেছে নতুন করে আর কোন উন্নয়নের প্রয়োজন হওয়ার কথা না অন্তত আগামী ৫ বছর। শুধু ধজভঙ্গ এই সিষ্টেম টা যে দল ঠিক করতে পারবে, জনগন জান দিয়ে হলেও সেই দল টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করবে আশা করি

27/12/2025

এই দেশে রাজনৈতিক নেতাদের সাধারণ মানুষ সামনা সামনি সালাম দিলেও পিছন থেকে ঠিকই গালি দেয় এইটা মোটামুটি কম বেশি সবাই জানে। দূর্নীতি, অন্যায়, অনিয়ম, জুলুম এই রকম নানান অভিযোগে এই দেশের রাজনীতি অনেক আগেই পঁচে গেছে, সেই দূর্গন্ধে সাধারণ মানুষ নেতাদের বিশ্বাস করতে পারে না। সবাই মনে করে কোন দলের সাথে রাজনীতি করা মানেই মানুষ কে চুষে খাওয়ার ধান্দা।
এই চিন্তা থেকে আমি অনেক আগেই বলেছিলাম, জুলাই'২৪ এর প্রথম সারির নেতাদের রাজনীতি দল গঠন করা টা একটা ভুল সিদ্ধান্ত। অতি শীগ্রই তারা মানুষের আস্থা হারাবে। দেশের বড় বড় মাফিয়াদের সাথে এদের রাজনৈতিক দল হয়ে টিকে থাকা অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে।
বর্তমান পরিস্থিতি দেখে ত তাই মনে হচ্ছে। যার সাথেই জোট করুক, দলের ভিতর কোন্দল এদের হবেই। আর জোট না করলে ত ভোটের মাঠে এদের অস্তিত্ব খুব একটা দেখাই যাবে না।
অতচ, দল না বানিয়ে এরা চাইলে একেকটা হাদি হয়ে মানুষের পাশে থাকতে পারতো। রাজনৈতিক মাঠে এরা সবাই ওয়াচম্যান হয়ে থাকাটাই এদের ভালো মানাইতো।

18/08/2025

ঘটনা-১
গতকাল নোয়াখালীর এক স্বনামধন্য হসপিটালে গিয়েছিলাম ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার কিছু টেস্ট দিলো। টেস্ট গুলা দেয়ার পর নিজেই আবার সেই লিস্টের উপর ৩৫% ডিসকাউন্টের একটা সীল মেরে দিলো। এই ডিস্কাউন্টের সীল যে একটা স্ক্যাম এইটা বুঝেছিলাম আমি কয়মাস আগে যখন পাঁয়ের গোড়ালি ব্যাথা নিয়ে আসছিলাম। সেই কথা আর না বলি।
যাই হোক, সব টেস্টের বিল পে করে স্যাম্পল দিয়ে অপেক্ষা করছিলাম। ২০০ টাকা ডিউ ছিলো ভাংতি না থাকায়। রিপোর্ট ডেলিভারির স্টাফ এর কাছে কিছুক্ষণ পর যাওয়ার পর বলল একটা রিপোর্ট হয়ে গেছে, বাকি ৩ টা সাড়ে তিনটার মধ্যে পাবেন। আর আরেকটা টেস্ট আজ হবে না, কাল নিতে হবে। যে রিপোর্ট দুই আড়াই ঘন্টায় হয়ে যাওয়ার কথা সেটার জন্য কেন কাল আসা লাগবে জিজ্ঞাস করায় বলল যেখানে স্যাম্পল দিয়েছিলেন সেখানে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। দো তলায় গিয়ে সেই টেস্ট টা ক্যান্সেল করে রিটার্ন চাইলাম, বলল ৬ তলায় ল্যাবে গিয়ে বলেন। ৬ তালায় গিয়ে বলার পর বলল নিচ তলায় অফিসে গিয়ে বলেন। আবার আসলাম নিচ তলার অফিসে। এই অফিস টা রিপোর্ট ডেলিভারির পাশেই। উনার কাছে আসার পর উনি বলল আপনার এইটা রিটার্ন করার সম্ভব না, আপনার টেস্ট হয়ে গেছে যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে প্রিন্ট হচ্ছে না, আপনি সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন না হলে কাল সন্ধ্যার ভিতর পেয়ে যাবেন। এই অনিশ্চয়তার ভিতর অপেক্ষা করা কোনমতেই সম্ভব না। অনেককেই শুনলাম সেইম সমস্যা নিয়ে রিটার্ন চাইতে আসছে সবাইকে এভাবে বুঝ দেয়ার চেষ্টা করছে। অথচ তারা বিল করার সময় যদি এই বিষয় জানিয়ে দিতো কেউ আর এই ভোগান্তিতে পড়তো না। আমি কিছুক্ষণ এ নিয়ে তর্ক করার পর উনি কল দিয়ে সব স্টাফ কে জানালেন যেন এই টেস্ট নেয়ার আগে বিষয়টা রুগিদের জানিয়ে দেয়। তারপর আমাকে বলল আপনি বাকি রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে নেন, বাকিটা আজ সম্বব না হলে কাল আসি নিয়েন। গেলাম বাকি রিপোর্ট আনতে কিন্তু তারা ফুল পেমেন্ট ছাড়া পার্শিয়াল রিপোর্ট দিবে না। বললাম ২০০ টাকা ডিউ এর চাইতে ত আমার আরো বেশি টাকার রিপোর্ট এখনো দিতে পারেননি। এইটা নাকি তাদের পলিসি তে নেই। আবার পাঠালো অফিসে, উনার ও সেইম কথা। কথা আর বাড়াতে পারলাম না চুপ চাপ মেনে নিতে হলো তাদের যান্ত্রিক ক্রুটি আর পলিসি।

ঘটনা-২
হসপিটাল থেকে বের হয়ে গিয়েছিলাম BRTA অফিসে৷ ২ তারিখ মোটর সাইকেল রেজিস্ট্রেশনের আবেদন করেছিলাম। যে আবেদন ৪-১৫ দিনে এপ্রুভ হওয়ার কথা ১৬ দিন পার হওয়ার পরও কোন রেসপন্স আসেনি তাই জানতে গেলাম কি সমস্যা। জিজ্ঞেস করার পর বলল আমি গাড়ি দেখাইছি কি না, ফাইল সাবমিট করছি কি না, পেমেন্ট করছি কি না। বললাম না এইটা ত নতুন রেজিস্ট্রেশন, প্রাইমারি এপ্রুভাল হলেই ত পেমেন্ট করব, সেটাই ত হয়নি। তারপর ছোট্ট একটা কাগজ নিয়ে আমাদের এপলিকেশন আইডি লিখে নিলো, পরের দিন হয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিছিলো, হয়নি। আমি জানি না উনি কি এই কাগজ টা পরে আর দেখেছিলেন নাকি ছিড়ে ফেলে দিয়েছেন। কাস্টমার সার্ভিস কল দেয়ার পর বলল সহকারি অফিসার কে গিয়ে জানাতে। নেক্সট উইক আবার যাবো, দেখি কয়দিন লাগায়।

ঘটনা-৩
BRTA অফিস থেকে বের হয়ে দিঘির পাড়ে বসে হাওয়া খাচ্ছিলাম। হঠাৎ পোস্ট অফিস থেকে এক ভদ্রলোক কল দিয়ে বলল আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স আসছে, আসি নিয়ে যান। ৯ দিন আগে মাইজদী হেড অফিসে আসার মেসেজ পাওয়ার পর আমি প্রতিনিয়ত আমার বাড়ির কাছে পোস্ট অফিসে গিয়ে খোজ নিয়েছি, আসেনি। তারা বলল সোনাপুর অফিস থেকে কল দিয়ে যাইয়েন না, এখানেই আসবে। যেহেতু মাইজদিই ছিলাম তাই গেলাম সোনাপুর অফিসে। খাম টা দেখায়ে বলে কিছু চা নাস্তার পয়সা দিয়েন আমাদের৷ বললাম এইটা ত বাড়িতে পৌছে দেয় জানি এখন আমি যে নিজে চলে আসলাম উলটা ত আপনি আমাকে আসা যাওয়ার ভাড়া দেয়া দরকার। তারপর খাম টা উল্টায় দেখি লেখা আছে কোন টাকা দাবী করলে ১০৬ নাম্বারে কল দিয়ে জানাতে। বললাম দিব নাকি কল? তারপর বলে ঠিক আছে যান তাইলে।

22/07/2025

সমস্যা অনেক, কয়টা নিয়ে বলব! সবাই সমস্যার কথা বলে, জানে কিন্তু কেউ সঠিক সমাধান খুজে না।
আমরা সবাই ত নিজেকে সেইফ রাখতে স্রোতের অনুকুলে নিজেকে ভাসিয়ে দিই। কিন্তু আমি স্রোতের বিপরীতে গিয়ে কিছু কথা বলি অনেকের হয়ত ভালো নাও লাগতে পারে।
১। প্রথমত দূর্ঘটনা মৃতের সংখ্যা জানার জন্য মানুষের অস্থিরতা দেখে অবাক লাগে আমার। মানুষ সেখানে এতটাই বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে যে সেনাবাহিনী লাঠি চার্জ করতে বাধ্য হয়। পাবলিক চাই একটা একটা করে লাশ বের হবে আর সবাই জড়ো হয়ে ভিডিও করবে। কিছু কিছু সাংবাদিকের আচরন দেখে মনে হচ্ছে তারা সরাসরি লাশের কাছে জানতে চায় কিভাবে মরেছিলো। মানুষের বিবেকবোধের কি ভয়াবহ অবস্থা। আমরা সাধারণ পাবলিক যারা বসে শুধু ফেসবুক স্ক্রল করি তারাও দেখি ভিডিও করতে না পারা লোকদের কথা মত সেনাবাহিনীর সমালোচনা শুরু করে দিয়েছি, রাষ্ট্র লাশ গোপন করছে বলে গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছি। মনে রাখবেন আপনারা এই লোক গুলার ভিডিও দেখেন, শেয়ার করেন বলেই এরা যেকোনো দুর্ঘটনায় গিয়ে ভিড় জমায়। এভাবে ভিডিও করা লোকদের থামাতে হবে। এদের ব্যাপারে সেনাবাহিনীর আরো কঠোর অবস্থান প্রয়োজন ছিলো। লাশ গোপন করার ত কোন সুযোগ নেই। স্কুলের প্রতিটা স্টূডেন্ট এর রেকর্ড আছে, অভিভাবক আছে। এই তথ্য ত গোপন করার সুযোগ নেই। শুধু শুধু কেন এসব করে সরকার/সেনাবাহিনীর কাজে বিঘ্ন ঘটাচ্ছেন। এই যুগে এসে রক্তদানের জন্য হাসপাতালের গিয়েও ভিড় জমানো লাগে না।

২। শিবিরের অনেক পোলাপাইন দেখি জামায়েতের আমিরের তৎক্ষনাৎ আহতদের দেখতে যাওয়ার ব্যাপারটাকে খুব বাহবা দিচ্ছে। এইটা যে ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো এইটা ত তারা স্বীকার করছেই না উলটো এইটাকে ডিফেন্ড করার ট্রাই করতেছে। উনি ডাক্তার ঠিকাছে, কিন্তু উনাকে ত কেউ চিকিৎসা করার জন্য ডাকে নাই। আর টাকা দেয়ার জন্য ত বস্তা ভরে দলবল নিয়ে যাওয়া লাগে না। জামায়েতের মত বিচক্ষণ দলের কাছে এইটা আশা করিনি।
একটা শরীরের চামড়া পুড়ে যাওয়া মানে শরীরের জীবাণু প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া। এই ধরণের সিচুয়েশনে রূগীরা খুব সহজে বাইরের জীবানু দ্বারা সংক্রমণ হয়ে যেতে পারে তাই তাদের খুব সতর্ক অবস্থানে রাখতে হয়। কিন্তু আমরা রাজনীতি দল গুলা গিয়ে সেখানে ভিড় জমাই, দায়িত্বরত ব্যাক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করি। এইটা ত কোন মিউজিয়াম না যে আপনি পর্যটক হয়ে আসছেন আপনাকে ধরে ধরে দেখাবে সব।

৩। এইচএসসি পরিক্ষা স্থগিত করার ব্যাপারটাও আমার কাছে একটু অদ্ভুত লাগলো। এই দুর্ঘটনায় কোন এইচ এসসি পরিক্ষার্থী আহত/নিহত হয় নাই এইটা নিশ্চিত, তাই হয়ত পরিক্ষার ব্যাপারর সরকারের পক্ষ থেকে কোন সিদ্ধান্ত দেয় নাই। আমরা সবাই শোকাহত ঠিকাছে সেই শোকে আমরা সরকারকে বাধ্য করেছি পরিক্ষা স্থগিত করতে। এতদিন প্রস্তুতি নিয়ে রাতভর রিভিশন দিয়ে সকালে উঠে জানতে পারে তাদের পরিক্ষা হবে না এইটা তাদের জন্য অনেক বড় একটা ধাক্কা। আমি পরিক্ষার্থী হলে এইটা আমার জন্য আরেকটা এক্সিডেন্ট হতো। মেনে নিতে পারতাম না। এই পয়েন্টে এসে অনেকেই আমাকে নিয়ে ভিন্ন ভাবে ভাবতে পারে। কিন্তু আপনার অফিস, বাজার, যাতায়াত সব ঠিকঠাক চললে পরিক্ষায় অসুবিধা কি, পরিক্ষার্থীদের এই ধাক্কাটা দেয়া কি খুব প্রয়োজন ছিলো? স্রেফ আবেগের বশবর্তী হয়ে আমরা এই কাজটা করেছি।
এইসব সিচুয়েশনে এসেও যদি আমরা সরকারের সাথে এমন আচরণ করি, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করি তবে এই গনতন্ত্র সরকারকে দুর্বল করে ফেলবে। কোন কাজেই সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। নানান কাজে নানান দল চাইবে তাদের হস্তক্ষেপ প্রয়োগ করতে। এভাবেই হয়ত গনতন্ত্র একটা দেশকে ধজভঙ্গ করে দেয়।
তাই এইধরনের বিষয়েও সরকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ উচিত নয়। এইসব কারণেও শাসক স্বৈরশাসক হতে বাধ্য হয়।

৪। ২/১ দিনের মধ্যে মাইলোস্টোন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের কিছু দাবী নিয়ে রাস্তায় নেমে গেলে অবাক হবো না। কিন্তু এভাবে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের চাইতে প্রয়োজন ঘরে ঘরে আন্দোলন। কোন সন্তান তার বাবাকে বলে না, বাবা তুমি আর দূর্নীতি করো না, ঘুষ নিয়ো না, যা বেতন পাও তা দিয়ে আমাদের সংসার চালাও। আমাদের চাহিদা গুলো আপনার বেতনের ভিতরের সীমাবদ্ধ রাখবো।
কোন বাবা তার সন্তান কে বলে না ঘুষ দিয়ে চাকুরি নেয়ার দরকার নেই। জমি বিক্রির টাকা দিয়ে চাকরি নিয়ে দেয়। চাকুরি হয়ে গেলে বাড়ি করতে হবে, ফ্ল্যাট কিনতে হবে, জমি কিনতে হবে নানান চাহিদা সেই বাবাদের।
কোন বউ তার স্বামীকে, কোন বোন তার ভাই কে দুর্নীতির জন্য নিষেধ করে না। সবার শুধু এটা লাগবে, ওটা লাগবে, কেউ বেতনের হিসেব নেয় না। এই ধরনের পরিবর্তন গুলো পরিবার থেকে হয়ে আসলে আমাদের আর রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন হয় না। কারণ এদেশের সব সমস্যার মূল সমস্যা ঘুষ/দূর্নীতি। দূর্নীতি আর ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ হলে আমাদের সব সিষ্টেম ই অটো টিক হয়ে যাবে।

06/07/2025

গ্রামে থেকে রিমোট জব করার চ্যালেঞ্জ গুলোর মধ্যে বড় এক চ্যালেঞ্জ হলো মানুষ কে বুঝানো যে আমি আসলে কি করি।
কেউ ভাবে আমি হয়ত কোন এপ্স এ ইনভেস্ট করে ঘরে বসে এড দেখি আর টাকা আর্ন করি, কেউ ভাবে আমি জুয়াড়ি এপ্সের পাক্কা খেলোয়াড়।
মোটামুটি সাধারণ শিক্ষিতরা ভাবে আমি ফ্রিল্যান্স্যার, অনলাইনে রাত জেগে কাজ খুজি আর টাকা কামাই।
ঢাকায় থাকতে আমার বাসার ভুয়া একদিন আমাকে বলে আপনি যে অনলাইনে কাজ করেন আপনার প্রোডাক্ট কই, বাসায় ত কিছু দেখি না। পরে বুঝতে পারলাম এই বাসায় আগে যে ভাড়া থাকতো সেই মহিলা নিউমার্কেট থেকে কাপড় এনে অনলাইনে বিক্রি করত। উনি সেইরকম কিছুই খুজছিলেন আমার বাসায়।
ঘরে বসে যে মান্থলি স্যালারি তে ফুলটাইম কোন পার্মানেন্ট জব করা যায় এটা অনেকে বুঝতে বা বিশ্বাস করতে পারে না।
আমার আত্নীয় স্বজনের অনেকেও আমার এই জব কে খুব সাধারণ ভাবেই দেখে, মনে করে আমি একেবারে স্বাধীন। আমি যে বড় একটা টিমের সাথে নিয়মিত কানেক্টেড থাকতে হয়, সারাদিন আমি কিসের ভিতর থাকি এইটা আসলে কেউ বাইর থেকে দেখে না। শুধু দেখে আমি ছোট একটা রুমে সারাদিন বসে থাকি। এর ভিতর কি হচ্ছে সেটা আসলে কেউ বুঝার কথাও না তাই যে যার মত জাজ করে এইটা স্বাভাবিক।
তাই এখন আর কাউকে বুঝানোর চেষ্টা করি না, নিজের মত কাজ করে যাই। খুব বেশি জানতে চাইলে সিম্পলি বলি দেশের বাইরে একটা কোম্পানির সফটওয়্যার বানাই। কৌতহলী কেউ বলে বেতন কি দেয় ঠিক মত? ক্যাম্নে দেয় হুন্ডি তে নাকি? এত সুযোগ সুবিধা দেখে কেউ কেউ আবার বায়না ধরে তার আন্ডার মেট্টিক ছেলে কে কোন ভাবে ঢুকিয়ে দেয়া যায় কি না চেষ্টা করার জন্য।
তারপর বলি, আট বছর কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশোনা করে যে চাকুরি পাইছি সেটা আপনার ছেলের সহজ সরল ব্রেইনে চাপিয়ে দেয়া অনেক বড় অত্যাচার হয়ে যাবে।

29/06/2025

আপনার যে বোন কিংবা বান্ধুবি অবৈধ সম্পর্কের প্রেমে জড়িত, রাত জেগে সিক্সচ্যাট করে সেও প্রতি নিয়ত ভার্চুয়াল ধর্ষনের স্বীকার। সেইটা মামলার পরিস্থিতি তে আসার আগেই আপনার যে বন্ধু কিংবা ভাই এসবে জড়িত তাদের থামান, পারলে এখনই শোধরাইয়া নিন। তাদের বাঁচান।
ঘটনা ঘটার পর প্রশাসনের কাছে বিচার চাইয়া ত আর লাভ হচ্ছে না, প্রতিটা ধর্ষণ মামলাই কোন এক অদ্ভুৎ কারণে বিচারের আগেই আটকে যায়। বিচার দেখার সুযোগ আমাদের আর হয় না। আমরা যেটা দেখি আসামীর সাথে ভিক্টিমের বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়, এইটা কেমন শাস্তি রে ভাই? একজন ভিক্টিম কিভাবে ধর্ষক কে স্বামী হিসেবে মেনে নেয়? এ কেমন ভিক্টিম! এ কেমন বিচার!!
এইসব দেখে ধর্ষকের বিচার চাওয়াটা হতাশাজনক, আমরা আশা হারিয়ে ফেলি।
মুরাদনগরের ঘটনার পুরো সত্যতা আমার জানা নেই। তবে আমার দেখা অধিকাংশ বাবু-চড়ুই ফাইনাল রাউন্ডে এসে ধরা খাওয়ার পর আমরা সেটাকে ধর্ষক আর ভিক্টিম নাম দিয়ে দিই। তাই যেকোন ভাইরাল ঘটনায় আমি একটু সময় নিই, ধৈর্য ধরি। প্রতিটা ভাইরাল ঘটনার পিছনে কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে, ধর্ষকের বিচারের জন্য আসলে ভিক্টিম কে ভাইরাল করার কোন প্রয়োজন নেই, এমন করা মূর্খতা।

20/06/2025

এ আই এর আর্লি স্টেইজ এ পোলাপাইন এ আই কে যে পরিমাণ অপব্যবহার করতেছে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কি পরিমাণ খারাফ দিন অপেক্ষা করতেছে তা এখনই আন্দাজ করা যাচ্ছে।
মোটামুটি ফেসবুকের ৯০℅ ভিডিওর উপর বিশ্বাস উঠে গেছে আমার। নিউজফিডে যা দেখি সব কিছুই এ আই জেনারেটেড মনে হয়। উলটা পালটা ভিডিও বানায়ে শেয়ার দিচ্ছে আর বোকা সোকা মানুষ সেটা খাচ্ছেও রীতিমতো। এখন টিভি সাংবাদিকরা সত্য নিউজ করলেও সেইটা খুব একটা গুরুত্ব পায় না তাই মানুষ যেটা খায় সেটাই করে। দেখলাম এ আই জেনারেটেড নিউজ ও ছাড়ে এখন মানুষ। আজ দেখলাম শেখাসিনা কে সমুদ্রে নিয়ে নাচাচ্ছে। এর আগের দিন দেখলাম ইযড়ায়েলের মানুষ্কে সমবেত করে সরি বলাচ্ছে। মানুষ সেটা শেয়ার ও দিচ্ছে। শেয়ার করা মানুষদের দোষ দিয়েও লাভ নাই আসলে, কোনটা রিয়েল আর কোনটা এ আই দিয়ে তৈরি সেটা ডিফারেনশিয়েট করাও মুশকিল।
সচেতন হতে হবে আমরা যারা এ আই ইউজ করছি তাদের। আমাদের এই নৈতিকতা শিখাবে কে, আমরা ত জাতিগত ভাবে নীতি-নৈতিকতার বাইরে বাস করি।
এ আই এর ব্যাবহার হোক জ্ঞানার্জন আর জীবনকে সহজ করার জন্য্য, কাউকে ধোকা বা প্রতারণার জন্য নয়। আপনার আশেপাশে যারা এই ধরনের ভিডিও বানায় বা শেয়ার করে তাদের বুঝান।

19/06/2025

ভুল জায়গায়, ভুল মানুষের সাথে, ভুল পরিস্থিতিতে ভুলভাবে নিজেকে তুলনা করাটাই আমাদের ডিপ্রেসড হয়ে যাওয়ার মূল কারণ।
ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় এই ফেসবুকের সুবাধে আমরা আমাদের চেয়ে উঁচু কিংবা নিচু সব লেভেলের মানুষদের জীবনধারা দেখতে পাই। আশপাশের মানুষগুলো কি খায়, কই যায়, কি করে এসবই আমাদের দেখার সুযোগ হয় রীতিমতো। এসব দেখে কেউ ইন্সফায়ার্ড হয় আবার কেউ কেউ হয় ঈর্ষান্বিত। আমি কেন এমন হতে পারলাম না, আমার সাথে কেন এমন হয়, আমার ভাগ্য এমন কেন এমন হাজারো প্রশ্ন তুলে সৃষ্টিকর্তাকে দোষারোপ করে আমরা পাপের বোঝাটা বাড়িয়ে তুলেছি দিন কে দিন।
জীবনটা কোন নাটক সিনেমা নয় যে এর প্রতিটা স্টেপ কেউ সাজিয়ে গুছিয়ে শিখিয়ে দিয়ে যাবে। বাস্তবতা অনেক কঠিন। অনেকেই এটা মেনে নিতে চায় না। চারপাশ টা যতটা রঙিন মনে হয় বাস্তবে ততটা রঙিন নয়। প্রত্যেকেই কোন না কোন দিক দিয়ে একটা চাপা কষ্ট নিয়ে দিন শেষে বিবর্ণ হয়ে ঘুমায়। তাই হাহাকার না করে এটা বিশ্বাস করুন যে আপনার এই সাদা কালো জীবন আপনাকেই রাঙিয়ে তুলতে হবে। এর প্রতিটা মুহুর্ত নিয়ে আপনাকেই ভাবতে হবে, খাটতে হবে। সব খাঁটুনির পর যাই ঘটুক আপনাকে মেনে নিতে হবে। যে সৃষ্টিকর্তার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারে না সে কখনো সুখি হতে পারে না।

Address

AWOJBALIYA, NOAKHALI SADAR
Noakhali Sadar Upazila
3802

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when What Ashiq Thinks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share