23/07/2016
বাদাম বিক্রি করে খায় এই গরিব
ছেলেটি,
আর বড় লোকের একটি মেয়ে তার
বাদাম খাওয়ার জন্য প্রতিদিন দোকানে আসে;
হটাৎ একদিন ছেলেটি বলল, ম্যাডাম টাকা লাগবেনা
মেয়েটি বলল কেনো,
ছেলেটি বলল না ম্যাডাম এমনি,
মেয়েটি হেসে হেসে বলল আরে
বোকা তুমি টাকা
না নিলে খাবে কি,
ছেলেটি বলল , ম্যাডাম আপনি বেশ
কিছু দিন যাবত আমার দোকানে
আসছেন বাদাম খাওয়ার জন্য , আপনি
যখন থেকে এই দোকানে বাদাম
কিনছেন তখন থেকে আল্লাহ আমার
ভাগ্যকে বদলে দিয়েছে,
আমার
বাবসা আগের চাইতে অনেক বেশি
হচ্ছে তাই আমি আপনাকে ফ্রিতে
বাদাম খাওয়াব ,
মেয়েটি বলল তাহলে তুমি যদি
বিনিময় কিছু না নাও তাহলে আমি
তোমার দোকানে আর আসবোনা।
ছেলেটি : তাহলে আমি
বিনিময় নিবো কিন্তু আমি যা চাই
তা দিতে হবে,
মেয়ে : তুমি বল কি চাও
ছেলে : আপনি প্রতি দিন আমার
দোকানে এসে ২ মিনিট দাড়াবেন
আর আপনার সেই ভাগ্যবান হাতে
আমার বাদাম নাড়া দেওয়ার
চামচটা এক মিনিট দড়ে বাদাম
নেড়ে নেড়ে দিবেন, তাহলেই হবে
মেয়েটি আবারো হাসতে হাসতে
বলে ঠিক আছে আমি তোমার কথায়
রাজি আছি।
তো মেয়েটি প্রতি দিন আসে,
এভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর হটাৎ ২
দিন ধরে মেয়েটা আসছেনা
দোকানে
ছেলেটি খোজ নিয়ে দেখে যে সে
হসপিটালে আছে
তার একটা কিডনি নষ্ট।
তার
পর দিন ছেলেটি
ঐ হসপিটাল গিয়েছিলো,
তার কিছু দিন পর মেয়েটি, সুস্থ হয়ে
আবার সেই দোকানে বাদাম খেতে
আসলো,
ছেলেটি মেয়েটিকে বলল ম্যাডাম
কেমন আছেন,
এতো দিন আসেনি কেনো?
মেয়েটি:
আমি হসপিটালে ছিলাম, আমার
কিডনি নষ্ট হয়ে গেছিল।
ছেলে : তার পর কি হলো?
মেয়ে: তার পর কে আমাকে তার
কিডনি দান করলো আমি তাকে
খুজে পাইনি।
ছেলে: তাহলে একটা কাজ করেন
হসপিটালে
আপনাকে যেই নার্স সেবা করেছে
সেই নার্স সব জানে,
তখন মেয়েটি পাগল হয়ে নার্সের
কাছে গিয়ে বলল আপনি বলেন
আমাকে কিডনি কে দিলো নইলে
আমি আত্মহত্যা করবো।
নার্স হেসে
হেসে বলল, "চলেন আমার সাথে"।
তখন তাকে নিয়ে একটা রিক্সা
করে একটি গরিব মহল্লায় গেলো।
ছোট্ট একটি ঘরে মেয়েটিকে
নিয়ে
ঢুকলো কিন্তু ছোট্ট ঘরে ঢুকে দেখে
সেই বাদাম ওয়ালা ছেলেটি বসে
আছে,
মেয়েট নার্স কে জিজ্ঞাসা করলো
আমাকে কিডনি দিয়েছে কে,
নার্স বলল এই সেই বাদাম ওয়ালা
যিনি আপনাকে নিজের কিডনি
দান করেছে,
মেয়েটি কোন কথা না বলেই
ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে বলল তুমি
চাইলে আমি সারা জীবন তোমার
বাদাম ওয়ালি হতে চাই,
আর মেয়েটি তখনি নার্স কে বলল
যান এখন এই ঘর
থেকে বের হয়ে যান একজন
কাজি ডেকে আনেন