Raj Digital Hut

Raj Digital Hut I am new in here's, I am just simple person, my dreams is not big I will try to get..................

প্রতিদিন $20 আয় করতে চাইলে এই লিংকে জয়েন করুন আর ভিডিও দেখে $ আয় করুন
03/05/2026

প্রতিদিন $20 আয় করতে চাইলে এই লিংকে জয়েন করুন আর ভিডিও দেখে $ আয় করুন

Earn Money by Watching Youtube Videos. Withdraw Money Instantly via Paypal,Cahapp etc..

05/04/2026

Nice play

04/04/2026
04/04/2026

Fillings

বারান্দায় কিছু একটা হাটছে (প্রথম পর্ব)সেদিন বিকেলের ট্রেনেই আমরা ঢাকা রওনা দিলাম। অরুন সকাল থেকেই মন গম্ভীর করে রেখেছে আ...
07/07/2025

বারান্দায় কিছু একটা হাটছে (প্রথম পর্ব)

সেদিন বিকেলের ট্রেনেই আমরা ঢাকা রওনা দিলাম। অরুন সকাল থেকেই মন গম্ভীর করে রেখেছে আমার সাথে কোন কথা বলছে না। অরুন এমনিতে হাসি খুশি থাকে। এমন গম্ভীর মুখ তাকে কখনো দেখিনি। আমি অনেক বার তাকে জিজ্ঞাস করেছি সে একবারো উত্তর দেইনি।

রাত তখন আট্টা কি নয়টা। আমি আর অরুন ট্রেনের করিডোরের সামনে বসেছি। ট্রেনের কামড়াটা অপেক্ষাকৃত নির্জন। ট্রেনের সকল বাতি আগে থেকেই নিভানো। পাশের জানালা খোলা। জানালা দিয়ে শীথল হাওয়া ঢুকছে। চাদের আলো খানিক টা এসে পরেছে অরুনের মুখে। আর এতেই আমি তাকে আবছা ভাবে দেখছি। এ অদ্ভুদ পরিবেশে অরুন আমার দিকে ফিরে আচমকা বলল। আচ্ছা শহিদ তুই আত্মায় বিশ্বাস করিস। আলো ছায়াময় সেই নির্জন ট্রেনের কামরায় এমন প্রশ্ন শুনে শিউরে উঠে বলি। না আমি বিশ্বাস করি না। হঠাত এ প্রশ্ন করলি যে। অরুন কিছুক্ষন চুপ করে থেকে কি যেন ভাবতে লাগল।

তাহলে শোন,

তোকে একটা ঘটনা বলি। অনেক দিন আগে মধুপুর গ্রামে দুজন মানুষ মারা যায়। একজন কে মসজিদের পাশে আমগাছে ফাসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এর মাস খানিক পরে একি গাছে ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করে। গ্রামঞ্চলে এ নিয়ে খুব তোলপাড় হয়। তখন থেকে গ্রামের মানুষ এই গাছ টি এড়িয়ে চলে। পারতপক্ষে কেউ রাতে ভুলেও আমগাছটির তলা দিয়ে যাইনা। আমি গতকাল রাতে নামাজ পড়ে গাছটির নিচ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখনো অন্ধকার কাটেনি। চাদের আলো হয়ত ছিল কিন্তু আমি যখন যাচ্ছি তখন ঘোর অন্ধকার। এমনিতে আমি খুব সাহসী কিন্তু আমগাছের তলা দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম, তখন খেয়াল করলাম আমি আসলে ভয় পাচ্ছি। সম্পূর্ন বিনা কারনে ভয়। নির্জন একটা রাস্তা দিয়ে গেলে যে কেও ভয় পেতে পারে। কিন্তু আমার ভয় টা সম্পূর্ন অন্যরকম। আমার মনে হল আমগাছ টির গোড়ায় কিছু একটা দাড়িয়ে আছে। আমি কিছুই দেখিনি। তবুও মনে হল কিছু একটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার অস্তিত্ব নেই শরীর নেই, কিছুই নেই তবুও মনে হল কিছু একটা আমার পাশে আছে। ঠিক তখনি অন্ধকারে দেখলাম ঠিক মানুষ বলা যায় না। তবুও অনেক টা মানুষের অবয়ব আম গাছে গোড়ায় দাড়িয়ে আছে। তখন এক জান্তব ভয় আমাকে গ্রাস করল। এমন তীব্রভয় আমি আগে কখনো পাইনি। আমি খেয়াল করলাম আমার পা কাপছে। আমি এক চিতকার দিয়ে মসজিদের বারান্দায় এসে অজ্ঞান হয়ে যায়। তারপর কি হয় জানিনা। জ্ঞান ফিরলে দেখি মসজিদের বারান্দায় শুয়ে আছি আর অনেক মানুষ ভিড় হয়ে আছে।

এক নিশ্বাসে কথা গুলো বলে অরুন হাপাতে লাগলো।

গভীর রাতের অতিথিপাহাড়ী অঞ্চলে বর্ষাকাল বড় ভয়ংকর। প্রায়শ সে ধ্বংসের বার্তা নিয়ে আসে। এইসময় রাত্রিবেলা পেট্রোলিং করা যে কি...
07/07/2025

গভীর রাতের অতিথি

পাহাড়ী অঞ্চলে বর্ষাকাল বড় ভয়ংকর। প্রায়শ সে ধ্বংসের বার্তা নিয়ে আসে। এইসময় রাত্রিবেলা পেট্রোলিং করা যে কি কষ্টদায়ক কাজ সে যাকে করতে হয় শুধু সেই বোঝে।

“ টিটু গাড়ি সাইড মে লাগাও। বারিষ বহত হ রাহি হ্যায়। আগে তো রাস্তা ভি খারাব হ্যায়। ”

“ জি স্যারজি। ”

তরুণ পুলিশ ইন্সপেক্টর মোহিত রাও আর কনস্টেবল টিটু থাপা এই দুজনের আজ পেট্রোলিং এর ডিউটি। অন্যসময় হলে এমন দুর্যোগের রাতে কেউ বেরোয় না কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনুকূল নয়। শহরে চাপা অশান্তির আগুন ধিকিধিকি জ্বলছে। একটু হাওয়া পেলেই সেই সুপ্ত অঙ্গার তার লেলিহান বাহু বিস্তার করে সারা শহরকে দগ্ধ করবে তাই ওপর থেকে নির্দেশ আছে কোনও রকম শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না। বৃষ্টির বেগ ক্রমশ বাড়ছে আর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না। পুরনো গির্জার মাঠের পাশে বোলেরোর কাঁচ তুলে দিয়ে বসে রইল দুজনে। একটু তন্দ্রা মত এসে গিয়েছিল। গাড়ির কাঁচে উপর্যুপরি আঘাতের শব্দে নিদ্রাচ্ছন্ন ভাব দূর হয়ে সচকিত হয়ে উঠল দুজনে। গাড়ির ভেতরের আলোয় অনুমান করল কেউ হাত দিয়ে ক্রমাগত চাপড়ে চলেছে। বিস্মিত মোহিত টিটুর দিকে তাকালো।

“ স্যারজি, লাগতা হ্যায় কোই মুসিবত মে হ্যায়। মাদত মাঙ্গ রাহা হ্যায়। ”

“ ইউ আর রাইট। ”

গাড়ির কাঁচ নামিয়ে মোহিত বলল, “ কৌন হ্যায়? ”

প্রতুত্তরে ঝোড়ো বাতাসের শনশন আওয়াজ ছাড়া কিছুই ফেরত পেল না সে। বাইরে রাতের গহন অন্ধকার ভেদ করে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। বৃষ্টির ঝাঁট এসে ভিজিয়ে দিচ্ছে তার চোখমুখ। হঠাৎ করে মোহিতের দমবন্ধ হয়ে এল। একটা বজ্র মুষ্টি তার গলায় চেপে বসেছে।

“ স্যারজি ক্যায়া হুয়া? ক্যায়া হুয়া? ” টিটু চিৎকার করে উঠে মোহিতকে বাঁচবার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ল কিন্তু পরমুহূর্তেই সেও বাকরুদ্ধ হয়ে গেল। আঁধার রাতের আগন্তুক তার অন্য হাতটা দিয়ে চেপে ধরেছে টিটুর গলা। তার লম্বা তীক্ষ্ণ নখ বিদীর্ণ করে দিচ্ছে টিটুর গলার চামড়া। অমানুষিক শক্তি তার শরীরে। দুই শক্ত সামর্থ্য যুবক ছটফট করতে করতে এগিয়ে যেতে লাগলো মৃত্যুর দিকে।

14 জুন, 2018

রাত প্রায় বারোটা। মুখ তুলে একবার ওপরের দিকে তাকিয়ে অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করল কদম। আকাশের অবস্থা ভালো নয় যেকোনো মুহূর্তে আবার বৃষ্টি নামবে। কয় দিন ধরে ক্রমাগত বৃষ্টি হয়ে চলেছে। এই দুর্যোগ কবে থামবে কে জানে। রাস্তাঘাট স্বাভাবিক ভাবেই শুনশান। এই দুর্যোগের মধ্যে বেরিয়ে দুজন পুলিশের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটায় এই কদিন আর পুলিশ পেট্র

গভীর রাতের অতিথি পর্ব 1819 জুন, 2018 ঘুমিয়ে ছিলেন সিরিল ডিসুজা। স্বামী মারা যাবার পর থেকে একাই থাকেন এই ছোট্ট একতলা বাড়ি...
20/06/2025

গভীর রাতের অতিথি পর্ব 18
19 জুন, 2018

ঘুমিয়ে ছিলেন সিরিল ডিসুজা। স্বামী মারা যাবার পর থেকে একাই থাকেন এই ছোট্ট একতলা বাড়িটায়। আগামী বছর হসপিটালের নার্সের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর দিল্লিতে ছেলের কাছে চলে যাবেন ঠিক করে রেখেছেন। “ ভো উ উ উ” নিজের পোষ্য আলসেশিয়ান রকির চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে গেল সিরিলের। রকি সারারাত বাগানে ঘুরে বাড়ি পাহারা দেয়। রকি ক্রমাগত চিৎকার করে চলেছে। সিরিলের মনটা কু ডাকলো। নিশ্চয় কিছু একটা হয়েছে। হয়ত কোনও চোর বাগানে ঢুকেছে নাহলে রকি এরকম করবে না। এমনিতে সিরিল বেশ সাহসী মহিলা। হাতে একটা লাঠি আর ছাতা নিয়ে বেরিয়ে এলেন। বাগানের আলোটা সারা রাতই জ্বলে। টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। হিসেব মত রকি ওর জন্য বাগানে যে শেডটা করা আছে সেখানে থাকার কথা। রকির চিৎকারটা আচমকা বন্ধ হয়ে গেছে। ওকে আশেপাশে দেখতে পাচ্ছেন না সিরিল। বাগানের ভেজা মাটিতে পূর্ণবয়স্ক মানুষের পায়ের ছাপ অনুসরণ করে গোলঞ্চ গাছটার কাছে পৌঁছে শিউরে উঠলেন সিরিল।

“ রকি মাই চাইল্ড!” কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন তিনি। তাঁর নিঃসঙ্গ একাকী জীবনের একমাত্র সাথীর রক্তাক্ত মৃতদেহটা কাদার মধ্যে পড়ে আছে। রকি ছিল তাঁর পুত্রসম। অবলা জীবটাকে কে এমন করে মারল? ধড়-মুন্ডু আলাদা হয়ে গেছে রকির। হাঁটু মুড়ে বসে পড়লেন সিরিল। শোকে কাতর সিরিল কয়েক মুহূর্ত বাহ্যজ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে ছিলেন। সম্বিৎ ফিরল তাঁর ঠিক পেছনেই কারুর অস্তিত্ব অনুভব করে। বাগানেই স্বল্প আলোয় অনুপ্রবেশকারীর চেহারা দেখেই চিৎকার করে উঠলেন সিরিল। কালো লং কোট পরিহিত আগন্তুক যে ইহজগতের বাসিন্দা নয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তার বুকে ছোট্ট একটা বুলেটের সাইজের গোল ফুটো। সিরিল কাঁপতে কাঁপতে বাগানের মাটিতে থেবরে বসে পড়লেন। তাঁর অন্তিম প্রহরের দিকে যে ঘড়ির কাঁটা ছুটে চলেছে সে বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে সে। সিরিল ঈশ্বরের নাম নিয়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদূতের কাছে। রকি আর তার আশ্রয়দাত্রীর ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন দেহ দুটোর দিকে তাকিয়ে একটা পৈশাচিক হাসি খেলে গেল মধ্য রাতের আগন্তুকের মুখে।

Address

Pabna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raj Digital Hut posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share