Muslimbongo Dawah Center

Muslimbongo Dawah Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muslimbongo Dawah Center, Digital creator, pabna, Pabna.

Muslimbongo Dawah Center
Our goal and purpose is to present the correct understanding of the religion to every Muslim brother and sister, and to reach the invitation of the religion to non-Muslims.

Eid Mubarak
20/03/2026

Eid Mubarak

⭕গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতেদেশীয় সেনা পাঠানোর মার্কিন চক্রান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ।ইনশাল্লাহ যাদের...
16/01/2026

⭕গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে
দেশীয় সেনা পাঠানোর মার্কিন চক্রান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ।

ইনশাল্লাহ যাদের সময় আসে তারা আমরা যেন শরিক হই।

🗓 ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ - বাদ জুমা
📍 বাইতুল মোকাররম, উত্তর গেইট

আয়োজনে: ইন্তিফাদা বাংলাদেশ

➡️এই অপকর্ম করতে আমাদের সেনাবাহিনীকে কেন পাঠাতে হবে?তারা এখন শর্ত আলাপ চলছে কিছুদিন পরে শোনা যাবে তারা শর্ত মেনে নিয়েছে...
13/01/2026

➡️এই অপকর্ম করতে আমাদের সেনাবাহিনীকে কেন পাঠাতে হবে?
তারা এখন শর্ত আলাপ চলছে কিছুদিন পরে শোনা যাবে তারা শর্ত মেনে নিয়েছে। বাংলাদেশ সেনা পাঠানো শুরু করেছে এরপর ধীরে ধীরে ইসরাইলের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে শুরু করবে, এবং ট্রাম্পের আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে । এটা শুধু স্বাক্ষর নয় এটা গাজা মুজাহিদ ভাইদের উপরে জুলুম করতে সাহায্য করা। ফিলিস্তিন কে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানো। কোন মুসলিম দেশ কোন ঈমানদার সৈনিক এই কাজে সহযোগিতা করতে পারে না।

➡️পুরো ব্যাপারটা বেইসিকালি গ||য||কে সরাসরি যায়ো-দের নিয়ন্ত্রনে আনার আগের ধাপ। এই নির্লজ্জ মিশনে নাম লেখাতে এই শাসকদের প্রবল আগ্রহ!

⭕এ ব্যাপারে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি—এর প্রতিবাদ কই?

⭕বিএনপি-জামাত-এনসিপি এখনো এ ব্যাপারে চুপ কেন?

ভোটের আগে মাথায় টুপি আর ঘোমটা দেয়া সিসনাল মুসলিম নেতানেত্রীরা কোথায়?

⭕বিভিন্ন ইসলামী দলের রাজনৈতিক আলেম নেতারা কোথায়?

⭕এরকম একটা ইস্যু তারা জানেন না, তাদের কারো চোখে পড়ে নাই, এমন হবার সু্যোগ নেই। যারা চুপ আছে তারা নিশ্চয় ইচ্ছা করেই চুপ থাকছে।

⭕যারাই চুপ থাকবে জনগণ ধরে নেবে—তাদের কেবলা দুনিয়াবী ক্ষমতা জনপ্রিয়তা এগুলো তাদের বসেছে,

➡️শর্তগুলো হলো,
১। আন্তর্জাতিক ফোর্স অস্থায়ী হতে হবে
২। স্থায়ী যুদ্ধা বিরতি
৩। গাজা থেকে ইজরালি সেনা প্রত্যাহার

সুন্দর শর্ত। কিন্তু বাস্তবতা কী?

১। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইজরাল হত্যাযজ্ঞ থামায় নাই
২। আন্তর্জাতিক ফোর্সের প্রধান কাজই হলো হা মাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা
৩৷ এর নেতৃত্বে থাকবে আমেরিকা ও ইজরাল
৪। ইজরাল যাকে থ্রেট মনে করে এমন কোন দেশের সেনাবাহিনী এই ফোর্সে থাকবে না৷

➡️এখন বলেন,
১। এই ফোর্স ইজরালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভাড়া খাটা ছাড়া আর কিছু করতে পারবে?
২। ইজরাল ভুয়া ইস্যু তুলে গাজায় হামলা চালালে এই ফোর্স ইজরালের বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করবে?
৩৷ হা মাসকে নিরস্ত্রীকরণের সময় হা মাস প্রতিরোধ করলে এই ফোর্স হা মাসের সাথে যুদ্ধে জড়াবে না?

➡️উত্তর আপনারা সবাই জানেন।
এরপরও আগবাড়ায়ে মার্কিন দালাল রজার খলিল গাজায় আমাদের সেনাবাহিনী পাঠাতে আমেরিকার কাছে লবিং করে কেন? বাস্তবতা জানার পরও প্রেস সচিব শর্ত শর্ত খেলতেছে কেন?

➡️এরকম একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো চুপ কেন?

➡️ইজরালের ভাড়া খাটতে আমাদের সেনাবাহিনীকে পাঠানোর অপচেষ্টা কেন?

➡️ট্রাম্প গ|| য||| তে মোতায়েনের জন্য ISF নামে যে বাহিনী প্রস্তাব করেছে, সেটা গঠন হবে অ্যামেরিকার প্রস্তাবে। কাজ করে য||য়ো আর সিসি-র সেনাবাহিনীর অধীনে।

➡️সোজা কথায়, এই বাহিনী কাজ করবে সরাসরি নেতানিয়াহুর লাঠিয়াল হিসেবে।

➡️আসল উদ্দেশ্য হলো পবিত্র ভূমির প্রতিরোধকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া। মুজ||হিদিনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, একটা দালাল বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া।

⭕২০২০ সালে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords) মূলত ইসরায়েল এবং কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের (সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদান) মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
এই চুক্তিতে মূলত যা লেখা আছে বা যে বিষয়গুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে,

১. কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন
চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দেশগুলোর মধ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা। এর আওতায় দেশগুলো একে অপরের দেশে দূতাবাস স্থাপন এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

২. শান্তি ও স্থিতিশীলতা
চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে দেশগুলো একে অপরকে সহযোগিতা করবে। সংঘাত এড়িয়ে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সমাধানের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

৩. অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা
চুক্তিতে বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
* পর্যটন ও বিমান চলাচল: সরাসরি বিমান চলাচল শুরু করা।
* প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন: সাইবার নিরাপত্তা এবং উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়।
* স্বাস্থ্যসেবা: চিকিৎসা গবেষণা এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে একযোগে কাজ করা।
* জ্বালানি ও পানি: নিরাপদ পানি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ।
৪. ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সহনশীলতা
আব্রাহাম চুক্তির একটি বড় দিক হলো ধর্মীয় মেলবন্ধন। এতে বলা হয়েছে যে, মুসলিম, ইহুদি এবং খ্রিস্টান—সবাই একই "আব্রাহামিক" ঐতিহ্যের অংশ। তাই ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা দূর করে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
৫. আঞ্চলিক নিরাপত্তা
সন্ত্রাসবাদ দমন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ শত্রু (বিশেষ করে ইরান কেন্দ্রিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে) মোকাবিলায় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের একটি অলিখিত বোঝাপড়া এই চুক্তির অন্যতম স্তম্ভ।
> একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: এই চুক্তির একটি বড় শর্ত ছিল যে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরের (West Bank) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের মানচিত্রভুক্ত করা বা সংযুক্তি (Annexation) করার পরিকল্পনা স্থগিত রাখবে।
>
এই চুক্তির মাধ্যমে গত ৩০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো আরব দেশ ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

➡️আপনি যদি খুব সহজেই পশ্চিমাদের যাতে উঠতে    চান , কিসু সংবাদ মাধ্যম আপনাকে নিয়ে লেখালেখি করুক, সুশীল নারীবাদী শাহবাগীর...
12/01/2026

➡️আপনি যদি খুব সহজেই পশ্চিমাদের যাতে উঠতে চান , কিসু সংবাদ মাধ্যম আপনাকে নিয়ে লেখালেখি করুক, সুশীল নারীবাদী শাহবাগীরা এবং কিছু ডারোটপন্থী আপনাকে বাহবা দিক ,সবচেয়ে শর্টকাট মাধ্যম হল ইসলামের প্রমাণিত সাব্যস্ত বিষয় কে নিয়ে বাজে কুরুচি মন্তব্য করা

,➡️কোনো তথাকথিত বুদ্ধিজীবি, রাজনৈতিক নেতা কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি নারীর হিজাব নিক্বাব নিয়ে নোংরা কটাক্ষ করেন, তখন তথাকথিত এলিট নারী অধিকারবাদীদের মুখে কুলুপ পড়ে থাকে। তারা নারীর পোশাকের স্বাধীনতার বুলি আওড়ায় ঠিকই, কিন্তু কেউ যদি একজন মুসলিম নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাবের স্বাধীনতা নিয়ে ট্রল করে, তখন তাদের কাছে এটাকে ‘নিপীড়ন’ মনে হয় না। তাদের এমন নির্লিপ্ত দ্বিমুখী আচরণ স্পষ্ট করে দেয়, তাদের বুলি আওড়ানো ‘নারী অধিকার’ আসলে ট্রান্সজেন্ডার পশ্চিমা ও ইসলামবিদ্বেষী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার একটা কৌশল মাত্র!

➡️আমাদের দেশে 'তথাকথিত এলিট’ হয়ে উঠার খুব সস্তা আর সহজ শর্টকাট মনে হয় ইসলামমোফোবিক আচরণ। ইসলাম, নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাব নিয়ে দুই-একটা উল্টাপাল্টা নোংরা কথা বললেই এই দেশে একাডেমিক হিসেবে বিশেষ সম্মান পাওয়া যায়। সম্প্রতি জনৈক রাজনৈতিক নেতার নিক্বাবকে কুরুচিকর ইতিহাসের সাথে তুলনা করা এবং ইহুদি নারীদের অশালীন পেশার সাথে গুলিয়ে ফেলা, সেই সস্তা মানসিকতা ও চরম ধৃষ্টতারই বহিঃপ্রকাশ।

➡️"হিজাব আমার কেবল পোশাক নয়, এটি আমার ইবাদত এবং পরিচয়।"
* "পর্দা করা মানে পিছিয়ে পড়া নয়, বরং নিজেকে আড়ালে রেখে নিজের মূল্য বৃদ্ধি করা।"
* "আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে আবৃত রাখাটাই হলো প্রকৃত সৌন্দর্য।"
* "হিজাব আমার অহংকার, নিকাব আমার আড়াল।"
* "শালীনতার মাঝেও রাজকীয়তা থাকে।"
* "আমার হিজাব, আমার স্বাধীনতা।"
* "চোখের ভাষায় কথা বলি, কারণ চেহারাটা শুধু প্রিয়জনের জন্য সংরক্ষিত।"
* "দুনিয়ার আকর্ষণের চেয়ে জান্নাতের আকর্ষণ
* অনেক বেশি।"
* "সৌন্দর্য দেখার জন্য উন্মুক্ত হতে হয় না, পবিত্র থাকাই আসল সৌন্দর্য।"

➡️ইসলামে 'জিলবাব' এবং 'খিমার' (ওড়না বা বড় চাদর) এর বিধান সরাসরি ক্বুরআন থেকে এসেছে।[১] জাহেলি যুগে আরব নারীরা ওড়না পরত ঠিকই, কিন্তু তারা তা ঘাড়ের পেছনে ফেলে রাখতো, যার কারনে বুক ও কান অনাবৃত থাকতো।[২] ইসলাম এসে সেই পোশাকের ধরনে আমূল পরিবর্তন আনে এবং পুরো শরীর আবৃত করার নির্দেশনা দেয়। 'নিক্বাব মুসলমানদের পোশাক না', এধরনের ঘৃণ্য বক্তব্য যারা ছড়ায়। তাদের এসব বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে ইসলামের শ্রেষ্ঠযুগের নারী সাহাবিয়াতগনের কয়েকটা ঘটনা মাধ্যমে নিক্বাবের সত্যতা একটু যাচাই করি।

➡️ হযরত আ'ইশা (রা.) থেকে বর্ণিত, "আল্লাহ্ তা‘আলা প্রাথমিক যুগের মুহাজির মহিলাদের উপর রহম করুন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা এ আয়াত 'তাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন ওড়না দ্বারা আবৃত করে'[৩] অবতীর্ণ করলেন, তখন তারা নিজ চাদর ছিঁড়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল ঢাকল"[৪]। যদি নিক্বাব (মুখমন্ডল ঢাকা) ইসলামের অংশ না হতো, তবে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নারীগণ এই কাজ করতেন না।

➡️হজের ইহরাম অবস্থায় আলাদা সেলাই করা নিক্বাব পরা নিষেধ। কিন্তু এর মানে এই না সাহাবিয়াতগণ পুরুষদের সামনে মুখ খোলা রাখতেন। হজরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) এবং ফাতেমা বিনতে মুনযির (রহ.) বর্ণনা করেন, "আমরা ইহরাম অবস্থায় থাকতাম। যখন পুরুষদের কাফেলা আমাদের পাশ দিয়ে যেতো, তখন আমরা আমাদের মাথার ওপর থেকে চাদর টেনে মুখ ঢেকে নিতাম, তারা চলে গেলে আবার খুলে দিতাম"[৬]। অর্থাৎ, ইবাদতের বিশেষ অবস্থায়ও তাঁরা চেহারা আবৃত রাখতেন।

➡️রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের চেয়ে বিশুদ্ধ আর নির্মল ইসলাম আর কারোর কাছে নেই। সেই সময় সাহাবীরা সরাসরি ওয়াহীর নিখুঁত জ্ঞানের মাধ্যমে জীবন পরিচালিত করতেন। তাদের প্রত্যেকটি কর্মকান্ডের মানদণ্ড ছিলো, ওয়াহী ও রিসালাত। সেই সময়কার নারীরা ইবাদাতের বিশেষ মুহুর্তে, সফর কিংবা সন্তান শহীদ হওয়ার মতো কঠিন মুহুর্তেও তাঁদের চেহারা আবৃত রাখতেন। কিন্তু দেড় হাজার বছর পর এসে, ইসলামের মিনিমাম জ্ঞান রাখে না এমন পলিটিক্যাল এলিটরা মুসলিমদের পোশাকের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয়!

➡️বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দল পতিত ফ্যাসিস্টদের সিফাত অনুসরণ করে যদি এই ভূখণ্ডে ইসলামমোফোবিয়ার চাষাবাদ করতে চায়। তাহলে সেসব ধৃষ্টতা দেখানো ব্যক্তিদের জেনে রাখা উচিত, এই জমিনের তৌহিদী জনতা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এসব মনে রাখছে।

⭕অভিজাতদের নিয়ে আসা হয় এসি বাসে করে, রাখা হয় বিশেষ সেলে। জালিম সরকারের আমলে শত শত মানুষ খুন করা আসামিদেরকে কখনো থাপ্পর ম...
12/01/2026

⭕অভিজাতদের নিয়ে আসা হয় এসি বাসে করে, রাখা হয় বিশেষ সেলে। জালিম সরকারের আমলে শত শত মানুষ খুন করা আসামিদেরকে কখনো থাপ্পর মারা হয় না তাদেরকে জামাই আদরে ডেকে নেয়া হয় সম্মানের সাথে।
শত শত মানুষকে গু*ম করে হ*ত্যা করেছে জিয়াউল আহসান। তাকে কোর্টে তোলার সময় কখনো কি পুলিশ থাপ্পর দিয়েছিল?
অথচ একজন আলিমকে কোর্টে তোলার সময় পুলিশ ঠিকই প্রকাশ্যে থাপ্পর মেরেছিল।
এটাই স্পষ্ট আলেমদের প্রতি বিদ্বেষ, এন্টি ইসলাম বিদ্বেষ, এই জমিনে যতদিন না শরিয়া দারা শাসিত হচ্ছে ততদিন এরকম ইসলামবিদ্বেষ
আলেম ওলামাদের উপরে জুলুম নির্যাতন
ভুমখুন এবং নিজের দিন নিয়ে ঈমান নিয়ে বাঁচতে চাই এবং ইসলামিক ধারণা লালন করে ও মানার চেষ্টা করে, এদেরকে এমন অসংখ্য জুলুম নির্যাতন সহ্য করতে হবে, যেটা রেখে গেছে লেডি জাহেল,

দুঃখিত থার্টি ফার্স্ট নাইট তুমি আমার জন্য না কারণ আমি একজন মুসলিম১. বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরণ (তাশাব্বুহ)ইসলামে অন্য ধর্...
31/12/2025

দুঃখিত থার্টি ফার্স্ট নাইট তুমি আমার জন্য না
কারণ আমি একজন মুসলিম
১. বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরণ (তাশাব্বুহ)
ইসলামে অন্য ধর্মের বা সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও কৃষ্টিগত আচার-আচরণ হুবহু নকল করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
> "যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে (কিয়ামতের দিন) তাদের দলভুক্ত হবে।" (সুনানে আবু দাউদ: ৪০৩১)
>
'হ্যাপি নিউ ইয়ার' পালন মূলত পাশ্চাত্য ও খ্রিস্টান সংস্কৃতির অংশ। এটি ইসলামি সংস্কৃতির বা ইবাদতের অংশ নয়। তাই এটি পালন করা বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ হিসেবে গণ্য হয়।
২. শিরক ও পৌত্তলিক ইতিহাস (Pagan Origins)
জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে নববর্ষ পালনের ইতিহাস মূলত পৌত্তলিক বা মূর্তিপূজক বিশ্বাসের সাথে জড়িত।
* জানুস (Janus) দেবতা: 'জানুয়ারি' (January) মাসের নামকরণ করা হয়েছে রোমান দেবতা 'জানুস'-এর নামানুসারে। রোমান বিশ্বাস অনুযায়ী, জানুস ছিলেন 'সূচনা ও শেষের দেবতা'। তার দুটি মুখ ছিল—একটি পেছনের দিকে (অতীত) এবং অন্যটি সামনের দিকে (ভবিষ্যৎ)।
* প্রাচীন রোমানরা এই দেবতার সন্তুষ্টির জন্য বছরের প্রথম দিনে উৎসব করত, যা সম্পূর্ণ শিরক (আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করা)। একজন মুসলিম হিসেবে তাওহীদে বিশ্বাস রেখে এমন একটি দিনের উদযাপন করা ঈমানের পরিপন্থী।
৩. নিজস্ব উৎসবের স্বকীয়তা
আল্লাহ তা'আলা মুসলিমদের জন্য আনন্দের ও উৎসবের জন্য দুটি দিন নির্ধারণ করে দিয়েছেন—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় এসে দেখলেন সেখানকার মানুষ দুটি বিশেষ দিনে খেলাধুলা ও আনন্দ করে। তিনি বললেন:
> "আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য ওই দুটি দিনের পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন—ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর।" (সুনানে আবু দাউদ: ১১৩৪)
>
অন্য ধর্মের বা সংস্কৃতির উৎসব পালন করা ইসলামি উৎসবের স্বকীয়তা নষ্ট করে এবং দ্বীনের মধ্যে নতুন প্রথা (বিদ'আত) চালু করার শামিল।
৪. অশ্লীলতা ও পাপ কাজের লিপ্ত হওয়া
বর্তমানে 'থার্টি ফার্স্ট নাইট' বা নববর্ষ উদযাপনের নামে যা হয়, তা ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ। যেমন:
* অবাধে নারী-পুরুষের মেলামেশা।
* মদ্যপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার।
* অশ্লীল গান-বাজনা ও নর্তন-কুর্দন।
* আতশবাজি ফুটিয়ে অর্থের অপচয়।
কুরআনে আল্লাহ তা'আলা অপচয়কারীদের 'শয়তানের ভাই' বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং অশ্লীলতার ধারের কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন।
৫. শুভেচ্ছা বিনিময় (Happy New Year বলা)
অনেক স্কলারের মতে, কোনো অমুসলিম বা অনৈসলামিক ধর্মীয় উৎসবের শুভেচ্ছা জানানো (যেমন—'শুভ নববর্ষ' বা 'Merry Christmas' বলা) সেই মিথ্যা বিশ্বাস বা কুফরকে স্বীকৃতি দেওয়ার নামান্তর। ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেন, এটি মদ্যপান বা হত্যার চেয়েও জঘন্য পাপ হতে পারে কারণ এর মাধ্যমে আল্লাহর অপছন্দনীয় একটি রীতিকে সমর্থন জানানো হয়।
সারসংক্ষেপ
একজন মুসলিমের জন্য সময় বা কাল আল্লাহর দান। কোনো নির্দিষ্ট দিন বা রাতকে কেন্দ্র করে আতশবাজি বা পার্টির আয়োজন না করে, মুমিনের উচিত প্রতিদিন নিজের জীবনের হিসাব (মুহাসাবা) করা এবং পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা। হিজরি নববর্ষও মুসলিমরা উৎসব হিসেবে পালন করে না, বরং দোয়ার মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।

⭕নির্বাচন যত ঘন নিয়ে আসবে ততই এদের খোলস পরিবর্তন হতে দেখবেন , মাথায় টুপি উঠবে ,গায়ে পাঞ্জাবি এবং হাতে তসবি সঙ্গে থাকত...
28/12/2025

⭕নির্বাচন যত ঘন নিয়ে আসবে ততই এদের খোলস পরিবর্তন হতে দেখবেন ,
মাথায় টুপি উঠবে ,গায়ে পাঞ্জাবি এবং হাতে তসবি সঙ্গে থাকতে পারে জায়নামাজও, ভোটের আগ পর্যন্ত তাদের বুলিওর পরিবর্তন হয়ে যাবে।আর সাধারণ মানুষজন এগুলা দেখে তাদের সাফাই গাইবে ,তাদের সমর্থকরা নম নম করবে ।

কিন্তু বাস্তবটা বড়ই ভিন্ন

ক্ষমতায় আসার পরেই
সংসদে দাঁড়িয়ে শপথ নেবে পশ্চিমা সভ্যতার গড়ে দেওয়া এক সেকুলার সংবিধানের.
যেটা পুরোটাই কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী

তখন এই মানুষগুলো ভুলে যাবে কোরআন ভুলে যাবে ভুলে যাবে তাদের রব কে ভুলে যাবে সাধারণ মানুষকে আপামর জনতাকে,

এদের মত একই সাফাই গাইছিল

কাঁঠাল রানী
সে ক্ষমতায় আসলে মদিনার আদলে দেশ চলবে

কিন্তু দেশ চালাইছে ভারতের আদলে

ক্ষমতা কাতর সেক্যুলাররা ধোকা দেয়
যেকোনো কাতরতা মানুষকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে। ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিকদের কাতরতার কেন্দ্রবিন্দু হলো ক্ষমতা। এরা ক্ষমতার জন্য স্ত্রীকে মা ডাকতে কিংবা ভাইকে বাপ ডাকতে পারে।

ক্ষমতাকেন্দ্রিকতার কারণে পাড় সেক্যুলারকে যেমন শরিয়ার কথা বলতে দেখা যায়, তেমনি ক্ষমতাকেন্দ্রিক ইসলামি রাজনীতিকদেরকেও দেখা যায় নানারকম আপোষ করতে, এমনকি সেক্যুলার রাজনৈতিক দলের সাথে জোট। দুই পাশে নারী বসিয়ে সংবাদ সম্মেলন কিংবা সারাজীবন যাদের সাথে আদর্শিক বিরোধিতা করে আসছে তাদের সাথে জোট বাধা।

⭕এইসব নাটক বন্ধ করে, হাদী ভাই হত্যার সাথে যারা জড়িত এদের নাম প্রকাশ করে দিব কেন বলছেন ?দ্রুত তাদের নাম প্রকাশ করেন এবং ...
28/12/2025

⭕এইসব নাটক বন্ধ করে, হাদী ভাই হত্যার সাথে যারা জড়িত এদের নাম প্রকাশ করে দিব কেন বলছেন ?
দ্রুত তাদের নাম প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বিচার করেন ,বাংলাদেশের আপামর জনতা এটা দেখতে চাই

এই রকম আল্টিমেটাম আমরা লীগের আমলে অনেক শুনেছি। এগুলোর পুনরাবৃত্তি চাই না। সত্যিকার পুরুষ হয়ে থাকলে জাতির সামনে সব স্পষ্ট করুন।
এই করবো সেই করবো-- ফ্যাসিবাদের আমলে বহুবার শুনেছি।
কাজেই, ধানাইপানাই বাদ দিয়ে জাতিকে সব স্পষ্ট করে বলুন। অন্তত মানুষ জানুক, হাদির ঘাতক আসলে কারা। নয়তো জনতা আপনাদেরকে কোনোদিনও ক্ষমা করবে না।

⭕ইউনুস সরকার এখনো হাদি ভাইয়ের খুনিকে ধরতে পারি নাই , আলিফ হত্যার ৩৯ জনের মধ্যে 17 জনকে  এখনো ধরতে পারি নাই আতাউর রহমান ...
25/12/2025

⭕ইউনুস সরকার এখনো হাদি ভাইয়ের খুনিকে ধরতে পারি নাই , আলিফ হত্যার ৩৯ জনের মধ্যে 17 জনকে এখনো ধরতে পারি নাই

আতাউর রহমান বিক্রমপুরী এবং তার আগে Ainul Haque Qasimi, একজনকে মুজিব এর আইন দিয়ে তুলে নিয়ে গেল আরেকজন দিল্লি স্টার আর আলুর বিরুদ্ধে লেখালেখি করার জন্য।

উস্কানি কিন্তু বিভিন্ন নতুন দলও দিয়েছিল, তারা এখন পুরাই চুপচাপ। প্রশাসনের তাদেরকে নিয়ে কোন কিছু বলছে না।

হাসিনার নোংরা সিস্টেম সংস্কার এরা কেউ কখনও করবেনা কারণ সবাই হাসিনার মতো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শাসন করতে চায় আর ভাবে আমরা সবাই ভয় পেয়ে চুপ হয়ে যাবো।

বিক্রমপুরীর ভায়ের প্রতি গাজীপুর পুলিশের ক্ষোভ ছিলো অনেক আগে থেকে,আশামনি আর মহিবুল্লাহ ইস্যুতে।

প্রথমালো ইস্যুকে কেন্দ্র করে সেই ক্ষোভটা তারা মেটালো মনে হচ্ছে। জিএমপির রিকোয়েস্টেই বিক্রমপুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাওলানা বিক্রমপুরীকে বন্দি রাখার জন্য শেষমেশ মুজিবের জামানার কালা কানুন প্রয়োগ করল এই সরকার।

লীগের যারা বিদেশে বসে উস্কানি দেয়, তাদের পেজগুলো বন্ধ করার বিষয়ে সরকার কোন পদক্ষেপ নেয় না কেন?

❌মেরি ক্রিসমাস ডে বা বড়দিনের শুভেচ্ছা জানানো মানে আপনি কত বড় পাপ করলেন আপনি নিজেও জানেন না আপনার এই কথার কারণে আকাশ ফে...
24/12/2025

❌মেরি ক্রিসমাস ডে বা বড়দিনের শুভেচ্ছা জানানো মানে আপনি কত বড় পাপ করলেন আপনি নিজেও জানেন না

আপনার এই কথার কারণে আকাশ ফেটে পড়তে চায়, পৃথিবী বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং পাহাড়সমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়ে—
এই কারণে যে তারা দয়াময়ের জন্য সন্তান আরোপ করেছ

আল্লাহর প্রতি সন্তান আরোপ করা এত বড় কুফরি কথা যে, কোরআনের ভাষায়—তার ভয়াবহতায় আকাশ-জমিন পর্যন্ত কেঁপে ওঠে

সূরা মারইয়াম (১৯:৯০–৯১)
আরবি:
تَكَادُ السَّمَاوَاتُ يَتَفَطَّرْنَ مِنْهُ وَتَنشَقُّ الْأَرْضُ وَتَخِرُّ الْجِبَالُ هَدًّا
أَنْ دَعَوْا لِلرَّحْمَٰنِ وَلَدًا
বাংলা অর্থ:
এর কারণে আকাশসমূহ ফেটে পড়তে চায়, পৃথিবী বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং পাহাড়সমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়ে—
এই কারণে যে তারা দয়াময়ের জন্য সন্তান আরোপ করেছ

আল্লাহর প্রতি সন্তান আরোপ করা এত বড় কুফরি কথা যে, কোরআনের ভাষায়—তার ভয়াবহতায় আকাশ-জমিন পর্যন্ত কেঁপে ওঠে।
এটা কোন উদারতা নয়
এটা ধর্ম সম্পর্কে উদাসীনতা
আপনি কয়েকটি মানুষকে মাত্র খুশি করতে গিয়ে ,
আপনি আপনার রব কে অসন্তুষ্ট করতেছেন যেটা আপনার ঈমানের সঙ্গে সংঘর্ষিক এবং কুফরী।

📌 ১. ক্রিসমাস একটি খ্রিস্টান ধর্মীয় উৎসব
এতে স্পষ্টভাবে খ্রিস্টান আকিদা জড়িত —
ঈসা আ. আল্লাহর পুত্র — (তারা বিশ্বাস করে)
জন্মদিন উদযাপন ধর্মীয় অনুষ্ঠান
Trinity (Father–Son–Holy Spirit) ধারণা
ইসলামে এই বিশ্বাসগুলো শিরক।
📌 ২. কুরআনে বলা হয়েছে: মুসলিমরা অন্য ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না
সূরা আল-কাফিরুন স্পষ্ট করে বলে:
“তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য, আমার ধর্ম আমার জন্য।”
📌 ৩. রাসুল (সা.) বলেছেন অন্য ধর্মের বিশেষ উৎসব অনুকরণ করা হারাম
হাদিস: “যে জাতির অনুকরণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” — (আবু দাউদ)
ক্রিসমাস মূলত খ্রিস্টান ধর্মীয় অনুষ্ঠান হওয়ায় মুসলিমদের জন্য এতে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ।

❗ এটার সাথে ঈমানের সম্পর্ক কী?
এটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ইমানের ভিত্তি:
আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়
ঈসা (আ.) আল্লাহর নবী, দেব-মানব নন
কিন্তু ক্রিসমাসে:
ঈসাকে (আ.) “Son of God” বলা হয়
ঈশ্বরের জন্মদিন বলা হয়
যদি কোনো মুসলিম:
ক্রিসমাস ধর্মীয়ভাবে উদযাপন করে,
বা এর আকিদায় অংশ নেয়,
বা এটাকে সঠিক বিশ্বাস মনে করে

ইসলামি শরিয়াহ আলেমদের মতামতের ভিত্তিতে মুসলিমদের জন্য ক্রিসমাস বা বড়দিন পালন করা নিষিদ্ধ বা হারাম। এর পেছনে মূলত আকিদা (বিশ্বাস) এবং ধর্মীয় স্বকীয়তার সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে।

​১. তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ববাদের সাথে সাংঘর্ষিক
​ক্রিসমাসের মূল উদযাপনটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে, যিশু (ঈসা আ.) হলেন ঈশ্বরের পুত্র (নাউজুবিল্লাহ)। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী এটি শিরক (আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা), যা ইসলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় গুনাহ।
​কুরআনের ঘোষণা: আল্লাহ তাআলা সুরা আল-ইখলাসে স্পষ্টভাবে বলেছেন, ​"তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।" (সুরা ইখলাস: ৩)
​"তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।" (সুরা ইখলাস: ৩)
​ক্রিসমাস পালন করার অর্থ হলো পরোক্ষভাবে খ্রিস্টানদের এই ত্রিত্ববাদ (Trinity) বা যিশুকে আল্লাহর পুত্র মানার আকিদাকে সমর্থন করা, যা ইসলামের মূল ভিত্তি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর পরিপন্থী।

শিরক-এর ঝুঁকি: এটি এমন বিশ্বাসকে সমর্থন করে যা ইসলামের মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক, যেমন 'আল্লাহর সন্তান আছে' বলা।
অন্যান্য উৎসব: শুধু ক্রিসমাস নয়, নববর্ষ বা হ্যালোউইনের মতো অন্যান্য অমুসলিম ধর্মীয় উৎসবেও অংশগ্রহণ করা মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ।
কী করা উচিত?

মুসলমানদের জন্য ক্রিসমাস উদযাপন করা বা এতে অংশগ্রহণ করা হারাম (নিষিদ্ধ), কারণ এটি অমুসলিমদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অনুকরণ এবং ইসলামি বিশ্বাসের পরিপন্থী, যা শিরক (আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন) এর দিকে পরিচালিত করতে পারে; তাই ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা জানানো, উপহার দেওয়া বা উৎসবে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এর পরিবর্তে,

অনুকরণ নিষিদ্ধ: নবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।
ঈমান বিরোধী: ক্রিসমাস উদযাপন ঈসা (আঃ)-কে আল্লাহর পুত্র হিসেবে বিশ্বাস করার খ্রিস্টান ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে জড়িত, যা তাওহিদের (একত্ববাদ) পরিপন্থী।

​২. বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরণ (তাশাব্বুহ) ​ইসলামে অন্য ধর্মের ধর্মীয় রীতিনীতি বা উৎসব হুবহু অনুকরণ করা নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) কঠোরভাবে মুসলিমদের নিজস্ব ধর্মীয় স্বকীয়তা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন।

​হাদিস: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ​"যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে (ধর্মীয় রীতিতে), সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।" (সুনানে আবু দাউদ: ৪০৩১)

​"যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে (ধর্মীয় রীতিতে), সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।" (সুনানে আবু দাউদ: ৪০৩১)

​ক্রিসমাস একটি সম্পূর্ণ ধর্মীয় উৎসব, কোনো সামাজিক বা জাতীয় উৎসব নয়। তাই এটি পালন করা অন্য ধর্মের ইবাদতের রীতি পালনের শামিল।

​৩. ইসলামে নির্ধারিত উৎসব ​ইসলামে উৎসবের ধারণা অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর দেখলেন সেখানকার মানুষ দুটি উৎসব পালন করছে। তিনি তখন বলেছিলেন: ​"আল্লাহ তোমাদের এই দুটি দিনের পরিবর্তে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন: একটি হলো ঈদুল ফিতর এবং অপরটি ঈদুল আজহা।" (সুনানে নাসায়ী) ​এর বাইরে অন্য কোনো ধর্মীয় উৎসব পালন করা ইসলামি শরিয়তে বিদআত বা নবআবিষ্কৃত বিষয় হিসেবে গণ্য হতে
পারে।

​৪. ঈসা (আ.) এর প্রতি মুসলিমদের দৃষ্টিভঙ্গি ​মুসলিমরা ঈসা (আ.)-কে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে এবং ভালোবাসে, তবে তা আল্লাহর নবী হিসেবে, আল্লাহর পুত্র হিসেবে নয়।

​ইসলামে কোনো নবীর জন্মদিন পালন করার বিধান নেই (এমনকি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্মদিনও সাহাবায়ে কেরাম উৎসব হিসেবে পালন করেননি)।
​ঈসা (আ.)-এর জন্মদিন পালন করা খ্রিস্টান ধর্মের একটি প্রথা, যা পরবর্তী সময়ে সংযোজিত হয়েছে। মুসলিম হিসেবে ঈসা (আ.)-এর প্রতি সম্মান দেখানোর উপায় হলো তাঁর প্রকৃত শিক্ষা (তাওহীদ) মেনে চলা, তাঁর নামে কেক কাটা বা উৎসব করা নয়।

​৫. শুভেচ্ছা জানানো বা "মেরি ক্রিসমাস" বলা ​
অধিকাংশ ফকিহ বা ইসলামি পণ্ডিতের মতে, "মেরি ক্রিসমাস" বা "শুভ বড়দিন" বলাও জায়েজ নয়। কারণ, "মেরি ক্রিসমাস" বলার মাধ্যমে আপনি তাদের এই ধর্মীয় বিশ্বাসকে (যে আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন) অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এটি কুফরি আকিদায় সম্মতি জানানোর মতো গুরুতর বিষয়। প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার ইবনুল কাইয়িম (রহ.) এ বিষয়ে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। ​

✅ ক্রিসমাস ডে কবে থেকে শুরু হয়েছে?
২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস ডে হিসেবে পালন করা হয়। ইতিহাসবিদদের মতে:
📌 ক্রিসমাস পালন শুরু হয় আনুমানিক ৪র্থ শতাব্দীতে (৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে)
এ সময় রোমান খ্রিস্টানদের মধ্যে প্রথম ২৫ ডিসেম্বরকে যিশু (ঈসা আ.)-এর জন্মদিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

✅ কে শুরু করেছে?
ক্রিসমাস শুরু করেন রোমান খ্রিস্টান গির্জা (Church of Rome)।
কারণ:
খ্রিস্টান নেতারা যিশুর (ঈসা আ.) জন্মদিন নির্দিষ্ট করতে পারেননি।
পরে তারা রোমানদের পৌত্তলিক উৎসব—"Sol Invictus" (সূর্য-দেব উৎসব)—এর তারিখ ২৫ ডিসেম্বরকে গ্রহণ করে সেটিকে “Jesus’ birth day” হিসেবে ঘোষণা করে।

✅ কিভাবে শুরু হয়েছে?
প্রথম দিকে:
ধর্মীয় প্রার্থনা
গির্জায় উপাসনা
যিশুর জন্ম স্মরণ এসব ছিল মূল অনুষ্ঠান।
পরে:
ক্রিসমাস ট্রি
সান্তা ক্লজ
উপহার বিনিময়
পার্টি, লাইটিং, উৎসব এসব ধীরে ধীরে যোগ হয়। এসবের অনেক কিছুই খ্রিস্টধর্ম নয়, বরং ইউরোপীয় পৌত্তলিক ঐতিহ্য থেকে এসেছে।

সামাজিক আচরণ ও শিষ্টাচার ​মনে রাখা জরুরি, ক্রিসমাস পালন না করার অর্থ এই নয় যে অমুসলিম বা খ্রিস্টান প্রতিবেশীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে হবে। ইসলাম সবসময় অমুসলিমদের সাথে ন্যায়বিচার, সদ্ব্যবহার এবং দয়া প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়।

⭕জামাতের লোক বলছে তাদের ভোট দিলে জান্নাত পাবে বিএনপির লোক বলছে বিএনপিতে ভোট দিলে জান্নাত পাবে। জামায়াতে ইসলামী না করলে জ...
18/12/2025

⭕জামাতের লোক বলছে তাদের ভোট দিলে জান্নাত পাবে
বিএনপির লোক বলছে বিএনপিতে ভোট দিলে জান্নাত পাবে।

জামায়াতে ইসলামী না করলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না, এটা চরম ভ্রান্ত কথা। শুধু জামায়াতে ইসলামী না, দুনিয়াতে এমন কোনো সংগঠন নেই যার সঙ্গে যুক্ত হওয়া জান্নাতে যাওয়ার শর্ত।

জান্নাত কি কোন দলীয় সম্পত্তি ,না কারো বাপ-দাদা সম্পত্তি ,না কারো পৈতৃক সম্পত্তি ।
নাকি জান্নাতের কোনো টিকিট আছে যেটা বাজারে বিমানের বা বাসের টিকিটের মতো কিনতে পাওয়া যায়।

যারা সামান্য ভোটের জন্য, সামান্য ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতার জন্য নিজের দিন সম্পর্কে উল্টাপাল্টা কথা বলছেন, তাদেরকে বলছি অবশ্যই কথা বলার সময় আপনাদেরকে বুদ্ধিমত্তা পরিচয় দিতে হবে।

অবশ্যই যারা এ ধরনের কথা বলছে তারা সমাজের মুচ এবং দাড়িওয়ালা দলীয় বড় বড় নেতাও পদপ্রাপ্ত।

Address

Pabna
Pabna
6600

Telephone

+601112161540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslimbongo Dawah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share