Our Mission

Our Mission Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Our Mission, Digital creator, pabna, Pabna.

Muslimbongo Dawah Center
Our goal and purpose is to present the correct understanding of the religion to every Muslim brother and sister, and to reach the invitation of the religion to non-Muslims.

মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও স্টুডেন্ট ভিসাসাবটাইটেল: আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয...
24/07/2026

মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও স্টুডেন্ট ভিসা
সাবটাইটেল: আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্টুডেন্ট ভিসায় সহজে ভর্তির সুবর্ণ সুযোগ।

স্লাইড ২: কেন মালয়েশিয়া বেছে নেবেন?
* বিশ্বমানের শিক্ষা: বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ।

* সাশ্রয়ী খরচ: ইউরোপ বা আমেরিকার তুলনায় টিউশন ফি এবং জীবনযাত্রার খরচ অত্যন্ত কম।
* পার্ট-টাইম জব: পড়াশোনার পাশাপাশি নির্দিষ্ট নিয়মে বৈধভাবে কাজ করার চমৎকার সুযোগ।

স্লাইড ৩: আমাদের বিশেষ সুবিধাসমূহ
* ১০০% ভিসা প্রসেসিং গ্যারান্টি এবং দ্রুত পেপারওয়ার্ক।
* IELTS ছাড়াই ভর্তির সুযোগ প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়।
* এয়ারপোর্ট পিক-আপ ও আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।
* টিউশন ফি তে বিশেষ স্কলারশিপ ও ছাড়ের সুবিধা।

স্লাইড ৪: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
* এসএসসি ও এইচএসসি-র মূল সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট।
* পাসপোর্ট (কমপক্ষে ১৮ মাসের মেয়াদ থাকতে হবে)।
* সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
* মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট।
* ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
* পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।

* ডিপ্লোমা কোর্স: মেয়াদ: ২.৫ - ৩ বছর |
| ভিসা প্রসেসিং সময়: ৪ - ৬ সপ্তাহ

আজই যোগাযোগ করুন
আপনার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা আছি আপনার পাশে।
📞 হটলাইন:+60178316792

🚀মালয়েশিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসায় আসতে চাচ্ছেন কিন্তু বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য  কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ কর...
23/07/2026

🚀মালয়েশিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসায় আসতে চাচ্ছেন কিন্তু বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

EMGS ফি লস হবে কিনা সেটা নিয়ে টেনশনে আছেন?

আমাদের মাধ্যমে EMGS ফি ছাড়াই ফুল EMGS প্রসেস কমপ্লিট করুন। EMGS ফি EMGS কমপ্লিট হওয়ার পরে। টিউশন ফি ই-ভিসা আসার পরে। নো এক্সট্রা ফি। শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটির নির্ধারিত টিউশন ফি ভিসার পরে পরিশোধ করতে হবে।

🌏 মালয়েশিয়া এখন স্টুডেন্টদের জন্য স্মার্ট চয়েস!
✅ কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের পড়াশোনার সুযোগ
✅ ফুল ফ্যামিলি সাথে নিয়ে আসা যাবে
✅ পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম / ফুলটাইম জব
✅ মালয়েশিয়া থেকে ইউরোপের সহজ ভিসা

☎️ 𝐎𝐮𝐫 𝐖𝐡𝐚𝐭𝐬𝐚𝐩𝐩: +𝟔𝟎178316792

14/07/2026

শুভেন্দু অধিকারীর জন্য 500 কেজি আম পাটাল বাংলাদেশ

13/07/2026

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলাকে ঘিরে সারা বাংলাদেশে ১২ জন নিহত ও শতাধিক আহত। #

12/07/2026

কালেমার পতাকা দেখলে পুলিশের কাছে জঙ্গি মনে হয়।

03/05/2026

Up to see airport Dhaka Bangladesh

Eid Mubarak
20/03/2026

Eid Mubarak

⭕গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতেদেশীয় সেনা পাঠানোর মার্কিন চক্রান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ।ইনশাল্লাহ যাদের...
16/01/2026

⭕গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে
দেশীয় সেনা পাঠানোর মার্কিন চক্রান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ।

ইনশাল্লাহ যাদের সময় আসে তারা আমরা যেন শরিক হই।

🗓 ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ - বাদ জুমা
📍 বাইতুল মোকাররম, উত্তর গেইট

আয়োজনে: ইন্তিফাদা বাংলাদেশ

➡️এই অপকর্ম করতে আমাদের সেনাবাহিনীকে কেন পাঠাতে হবে?তারা এখন শর্ত আলাপ চলছে কিছুদিন পরে শোনা যাবে তারা শর্ত মেনে নিয়েছে...
13/01/2026

➡️এই অপকর্ম করতে আমাদের সেনাবাহিনীকে কেন পাঠাতে হবে?
তারা এখন শর্ত আলাপ চলছে কিছুদিন পরে শোনা যাবে তারা শর্ত মেনে নিয়েছে। বাংলাদেশ সেনা পাঠানো শুরু করেছে এরপর ধীরে ধীরে ইসরাইলের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে শুরু করবে, এবং ট্রাম্পের আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে । এটা শুধু স্বাক্ষর নয় এটা গাজা মুজাহিদ ভাইদের উপরে জুলুম করতে সাহায্য করা। ফিলিস্তিন কে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানো। কোন মুসলিম দেশ কোন ঈমানদার সৈনিক এই কাজে সহযোগিতা করতে পারে না।

➡️পুরো ব্যাপারটা বেইসিকালি গ||য||কে সরাসরি যায়ো-দের নিয়ন্ত্রনে আনার আগের ধাপ। এই নির্লজ্জ মিশনে নাম লেখাতে এই শাসকদের প্রবল আগ্রহ!

⭕এ ব্যাপারে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি—এর প্রতিবাদ কই?

⭕বিএনপি-জামাত-এনসিপি এখনো এ ব্যাপারে চুপ কেন?

ভোটের আগে মাথায় টুপি আর ঘোমটা দেয়া সিসনাল মুসলিম নেতানেত্রীরা কোথায়?

⭕বিভিন্ন ইসলামী দলের রাজনৈতিক আলেম নেতারা কোথায়?

⭕এরকম একটা ইস্যু তারা জানেন না, তাদের কারো চোখে পড়ে নাই, এমন হবার সু্যোগ নেই। যারা চুপ আছে তারা নিশ্চয় ইচ্ছা করেই চুপ থাকছে।

⭕যারাই চুপ থাকবে জনগণ ধরে নেবে—তাদের কেবলা দুনিয়াবী ক্ষমতা জনপ্রিয়তা এগুলো তাদের বসেছে,

➡️শর্তগুলো হলো,
১। আন্তর্জাতিক ফোর্স অস্থায়ী হতে হবে
২। স্থায়ী যুদ্ধা বিরতি
৩। গাজা থেকে ইজরালি সেনা প্রত্যাহার

সুন্দর শর্ত। কিন্তু বাস্তবতা কী?

১। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইজরাল হত্যাযজ্ঞ থামায় নাই
২। আন্তর্জাতিক ফোর্সের প্রধান কাজই হলো হা মাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা
৩৷ এর নেতৃত্বে থাকবে আমেরিকা ও ইজরাল
৪। ইজরাল যাকে থ্রেট মনে করে এমন কোন দেশের সেনাবাহিনী এই ফোর্সে থাকবে না৷

➡️এখন বলেন,
১। এই ফোর্স ইজরালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভাড়া খাটা ছাড়া আর কিছু করতে পারবে?
২। ইজরাল ভুয়া ইস্যু তুলে গাজায় হামলা চালালে এই ফোর্স ইজরালের বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করবে?
৩৷ হা মাসকে নিরস্ত্রীকরণের সময় হা মাস প্রতিরোধ করলে এই ফোর্স হা মাসের সাথে যুদ্ধে জড়াবে না?

➡️উত্তর আপনারা সবাই জানেন।
এরপরও আগবাড়ায়ে মার্কিন দালাল রজার খলিল গাজায় আমাদের সেনাবাহিনী পাঠাতে আমেরিকার কাছে লবিং করে কেন? বাস্তবতা জানার পরও প্রেস সচিব শর্ত শর্ত খেলতেছে কেন?

➡️এরকম একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো চুপ কেন?

➡️ইজরালের ভাড়া খাটতে আমাদের সেনাবাহিনীকে পাঠানোর অপচেষ্টা কেন?

➡️ট্রাম্প গ|| য||| তে মোতায়েনের জন্য ISF নামে যে বাহিনী প্রস্তাব করেছে, সেটা গঠন হবে অ্যামেরিকার প্রস্তাবে। কাজ করে য||য়ো আর সিসি-র সেনাবাহিনীর অধীনে।

➡️সোজা কথায়, এই বাহিনী কাজ করবে সরাসরি নেতানিয়াহুর লাঠিয়াল হিসেবে।

➡️আসল উদ্দেশ্য হলো পবিত্র ভূমির প্রতিরোধকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া। মুজ||হিদিনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, একটা দালাল বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া।

⭕২০২০ সালে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords) মূলত ইসরায়েল এবং কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের (সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদান) মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
এই চুক্তিতে মূলত যা লেখা আছে বা যে বিষয়গুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে,

১. কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন
চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দেশগুলোর মধ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা। এর আওতায় দেশগুলো একে অপরের দেশে দূতাবাস স্থাপন এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

২. শান্তি ও স্থিতিশীলতা
চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে দেশগুলো একে অপরকে সহযোগিতা করবে। সংঘাত এড়িয়ে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সমাধানের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

৩. অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা
চুক্তিতে বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
* পর্যটন ও বিমান চলাচল: সরাসরি বিমান চলাচল শুরু করা।
* প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন: সাইবার নিরাপত্তা এবং উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়।
* স্বাস্থ্যসেবা: চিকিৎসা গবেষণা এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে একযোগে কাজ করা।
* জ্বালানি ও পানি: নিরাপদ পানি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ।
৪. ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সহনশীলতা
আব্রাহাম চুক্তির একটি বড় দিক হলো ধর্মীয় মেলবন্ধন। এতে বলা হয়েছে যে, মুসলিম, ইহুদি এবং খ্রিস্টান—সবাই একই "আব্রাহামিক" ঐতিহ্যের অংশ। তাই ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা দূর করে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
৫. আঞ্চলিক নিরাপত্তা
সন্ত্রাসবাদ দমন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ শত্রু (বিশেষ করে ইরান কেন্দ্রিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে) মোকাবিলায় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের একটি অলিখিত বোঝাপড়া এই চুক্তির অন্যতম স্তম্ভ।
> একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: এই চুক্তির একটি বড় শর্ত ছিল যে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরের (West Bank) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের মানচিত্রভুক্ত করা বা সংযুক্তি (Annexation) করার পরিকল্পনা স্থগিত রাখবে।
>
এই চুক্তির মাধ্যমে গত ৩০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো আরব দেশ ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

➡️আপনি যদি খুব সহজেই পশ্চিমাদের যাতে উঠতে    চান , কিসু সংবাদ মাধ্যম আপনাকে নিয়ে লেখালেখি করুক, সুশীল নারীবাদী শাহবাগীর...
12/01/2026

➡️আপনি যদি খুব সহজেই পশ্চিমাদের যাতে উঠতে চান , কিসু সংবাদ মাধ্যম আপনাকে নিয়ে লেখালেখি করুক, সুশীল নারীবাদী শাহবাগীরা এবং কিছু ডারোটপন্থী আপনাকে বাহবা দিক ,সবচেয়ে শর্টকাট মাধ্যম হল ইসলামের প্রমাণিত সাব্যস্ত বিষয় কে নিয়ে বাজে কুরুচি মন্তব্য করা

,➡️কোনো তথাকথিত বুদ্ধিজীবি, রাজনৈতিক নেতা কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি নারীর হিজাব নিক্বাব নিয়ে নোংরা কটাক্ষ করেন, তখন তথাকথিত এলিট নারী অধিকারবাদীদের মুখে কুলুপ পড়ে থাকে। তারা নারীর পোশাকের স্বাধীনতার বুলি আওড়ায় ঠিকই, কিন্তু কেউ যদি একজন মুসলিম নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাবের স্বাধীনতা নিয়ে ট্রল করে, তখন তাদের কাছে এটাকে ‘নিপীড়ন’ মনে হয় না। তাদের এমন নির্লিপ্ত দ্বিমুখী আচরণ স্পষ্ট করে দেয়, তাদের বুলি আওড়ানো ‘নারী অধিকার’ আসলে ট্রান্সজেন্ডার পশ্চিমা ও ইসলামবিদ্বেষী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার একটা কৌশল মাত্র!

➡️আমাদের দেশে 'তথাকথিত এলিট’ হয়ে উঠার খুব সস্তা আর সহজ শর্টকাট মনে হয় ইসলামমোফোবিক আচরণ। ইসলাম, নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাব নিয়ে দুই-একটা উল্টাপাল্টা নোংরা কথা বললেই এই দেশে একাডেমিক হিসেবে বিশেষ সম্মান পাওয়া যায়। সম্প্রতি জনৈক রাজনৈতিক নেতার নিক্বাবকে কুরুচিকর ইতিহাসের সাথে তুলনা করা এবং ইহুদি নারীদের অশালীন পেশার সাথে গুলিয়ে ফেলা, সেই সস্তা মানসিকতা ও চরম ধৃষ্টতারই বহিঃপ্রকাশ।

➡️"হিজাব আমার কেবল পোশাক নয়, এটি আমার ইবাদত এবং পরিচয়।"
* "পর্দা করা মানে পিছিয়ে পড়া নয়, বরং নিজেকে আড়ালে রেখে নিজের মূল্য বৃদ্ধি করা।"
* "আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে আবৃত রাখাটাই হলো প্রকৃত সৌন্দর্য।"
* "হিজাব আমার অহংকার, নিকাব আমার আড়াল।"
* "শালীনতার মাঝেও রাজকীয়তা থাকে।"
* "আমার হিজাব, আমার স্বাধীনতা।"
* "চোখের ভাষায় কথা বলি, কারণ চেহারাটা শুধু প্রিয়জনের জন্য সংরক্ষিত।"
* "দুনিয়ার আকর্ষণের চেয়ে জান্নাতের আকর্ষণ
* অনেক বেশি।"
* "সৌন্দর্য দেখার জন্য উন্মুক্ত হতে হয় না, পবিত্র থাকাই আসল সৌন্দর্য।"

➡️ইসলামে 'জিলবাব' এবং 'খিমার' (ওড়না বা বড় চাদর) এর বিধান সরাসরি ক্বুরআন থেকে এসেছে।[১] জাহেলি যুগে আরব নারীরা ওড়না পরত ঠিকই, কিন্তু তারা তা ঘাড়ের পেছনে ফেলে রাখতো, যার কারনে বুক ও কান অনাবৃত থাকতো।[২] ইসলাম এসে সেই পোশাকের ধরনে আমূল পরিবর্তন আনে এবং পুরো শরীর আবৃত করার নির্দেশনা দেয়। 'নিক্বাব মুসলমানদের পোশাক না', এধরনের ঘৃণ্য বক্তব্য যারা ছড়ায়। তাদের এসব বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে ইসলামের শ্রেষ্ঠযুগের নারী সাহাবিয়াতগনের কয়েকটা ঘটনা মাধ্যমে নিক্বাবের সত্যতা একটু যাচাই করি।

➡️ হযরত আ'ইশা (রা.) থেকে বর্ণিত, "আল্লাহ্ তা‘আলা প্রাথমিক যুগের মুহাজির মহিলাদের উপর রহম করুন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা এ আয়াত 'তাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন ওড়না দ্বারা আবৃত করে'[৩] অবতীর্ণ করলেন, তখন তারা নিজ চাদর ছিঁড়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল ঢাকল"[৪]। যদি নিক্বাব (মুখমন্ডল ঢাকা) ইসলামের অংশ না হতো, তবে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নারীগণ এই কাজ করতেন না।

➡️হজের ইহরাম অবস্থায় আলাদা সেলাই করা নিক্বাব পরা নিষেধ। কিন্তু এর মানে এই না সাহাবিয়াতগণ পুরুষদের সামনে মুখ খোলা রাখতেন। হজরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) এবং ফাতেমা বিনতে মুনযির (রহ.) বর্ণনা করেন, "আমরা ইহরাম অবস্থায় থাকতাম। যখন পুরুষদের কাফেলা আমাদের পাশ দিয়ে যেতো, তখন আমরা আমাদের মাথার ওপর থেকে চাদর টেনে মুখ ঢেকে নিতাম, তারা চলে গেলে আবার খুলে দিতাম"[৬]। অর্থাৎ, ইবাদতের বিশেষ অবস্থায়ও তাঁরা চেহারা আবৃত রাখতেন।

➡️রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের চেয়ে বিশুদ্ধ আর নির্মল ইসলাম আর কারোর কাছে নেই। সেই সময় সাহাবীরা সরাসরি ওয়াহীর নিখুঁত জ্ঞানের মাধ্যমে জীবন পরিচালিত করতেন। তাদের প্রত্যেকটি কর্মকান্ডের মানদণ্ড ছিলো, ওয়াহী ও রিসালাত। সেই সময়কার নারীরা ইবাদাতের বিশেষ মুহুর্তে, সফর কিংবা সন্তান শহীদ হওয়ার মতো কঠিন মুহুর্তেও তাঁদের চেহারা আবৃত রাখতেন। কিন্তু দেড় হাজার বছর পর এসে, ইসলামের মিনিমাম জ্ঞান রাখে না এমন পলিটিক্যাল এলিটরা মুসলিমদের পোশাকের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয়!

➡️বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দল পতিত ফ্যাসিস্টদের সিফাত অনুসরণ করে যদি এই ভূখণ্ডে ইসলামমোফোবিয়ার চাষাবাদ করতে চায়। তাহলে সেসব ধৃষ্টতা দেখানো ব্যক্তিদের জেনে রাখা উচিত, এই জমিনের তৌহিদী জনতা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এসব মনে রাখছে।

Address

Pabna
Pabna
6600

Telephone

+601112161540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Our Mission posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share