Mohammad Rashed

Mohammad Rashed অনলাইনে দ্বীন প্রচার হোক কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। online dawah happiness only for Allah .

31/03/2026

💼Alhamdulillah long time after go…….

❤️Shei sad😄😃😆Malaysia airlines
31/03/2026

❤️Shei sad😄😃😆Malaysia airlines

24/03/2026

ছেলেরা কেন ওড়না ব্যবহার করে পাঞ্জাবির সঙ্গে?

23/03/2026

ফিলিস্তিনের জন্য আমার কি করার আছে? আমরা তো majlum, আমাদের ক্ষমতা নাই, সামর্থ্য নাই, কিছুই নাই।

❤️🇦🇪তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম 🇦🇪❣️Eid Mubarak
20/03/2026

❤️🇦🇪তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম 🇦🇪❣️
Eid Mubarak

➡️বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিত...
09/03/2026

➡️বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের ভূমিকা কেবল ব্যক্তিগত সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং সামষ্টিক কল্যাণ ও ধর্মীয় নির্দেশনার আলোকে হওয়া প্রয়োজন।
তেলের বাজারে প্রকৃত সংকট না থাকলেও গুজব এবং অহেতুক আতঙ্ক সংকট তৈরি করছে।

➡️আতঙ্ক থেকে আমরা প্রায় প্রত্যেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনার প্রতিযোগিতায় নেমেছি। এমন প্রবণতা শুধু যুদ্ধ-পরিস্থিতি না, স্বাভাবিক সময়েও সংকট তৈরি করে।

➡️* অপ্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাইক ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের চেষ্টা করা।
* বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সচেতন হওয়া, কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনেও তেলের বড় ভূমিকা থাকে।

➡️. আতঙ্কিত হয়ে মজুতদারি (ইহতিকার) না করা
সংকটের আশঙ্কায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে ঘরে মজুত করা বা পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি করা ইসলামি নৈতিকতার পরিপন্থী। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি পণ্য মজুত করে সে পাপী" (সহীহ মুসলিম)। অতিরিক্ত মজুতদারি বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়।

➡️ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল
যেকোনো সংকট মুমিনের জন্য একটি পরীক্ষা। তেলের দাম বৃদ্ধি বা অভাবের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা উচিত। হযরত ইউসুফ (আ.)-এর সময়কার দুর্ভিক্ষের সাত বছরের পরিকল্পনা আমাদের শেখায় যে, বিপদের সময় ধৈর্য ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

➡️ মিতব্যয়ী জীবনযাপন
রাসূলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত সাদামাটা ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। আধুনিক এই সংকটে আমাদের ভোগবাদী মানসিকতা ত্যাগ করে জীবনের মৌলিক চাহিদার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ বা বিলাসবহুল আয়োজন কমিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা ঈমানের দাবি।

আপনি ফুল ট্যাঙ্ক তেল নিচ্ছেন, কিন্তু যুদ্ধ যদি প্রলম্বিত হয়, এই তেল দিয়ে কয়দিন চলতে পারবেন?

সামান্য কিছুতেই আতঙ্কিত ও বিচলিত হওয়া—এটা আমাদের মানসিক দীনতারই বহির্প্রকাশ। মুসলমান, যিনি সবকিছুতে আল্লাহর ওপর ভরসা করেন, এটা তার চরিত্র হতে পারে না।

আমরা অতিরিক্তি তেলে ট্যাঙ্ক ভরে ঘরে বসে আছি আর ওদিকে তেল সংকটে খাদ্য-কৃষি-ওষুধ সহ জরুরি পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কালোবাজারি, মজুতদারির পথও উন্মুক্ত হচ্ছে।

তারমানে এই সংকটের জন্য আমাদের আতঙ্কিত মনোভাব ও আচরণই প্রধানত দায়ী।

সেই সাথে ব্যবসায়ী ভাইদের বলব, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এই সংকটপূর্ণ সময়ে তেল মজুদ করবেন না। এটা ভয়াবহ অন্যায় ও গুনাহ।

আশা করছি, সংকট দূরীকরণে সরকার জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

আমাদের এই সকল ভোগবাদী মনমানসিকতা বের হয়ে এসে সকল পরিস্থিতিতে একমাত্র আল্লাহর উপরে দাখিল করতে হবে

মানুষ সৃষ্টির মূল লক্ষ্য হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত (দাসত্ব) করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন:> "আমি জিন ও মা...
14/02/2026

মানুষ সৃষ্টির মূল লক্ষ্য হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত (দাসত্ব) করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন:
> "আমি জিন ও মানুষকে কেবল আমারই ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।" (সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ৫৬)
>
এখানে ইবাদত বলতে কেবল নামায-রোযা নয়, বরং জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তাঁর নির্দেশ মেনে চলাকে বোঝানো হয়েছে।
২. খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন
আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে তাঁর 'খলিফা' বা প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছেন। মানুষের কাজ হলো আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং পৃথিবীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
* সূরা আল-বাকারাহ (আয়াত ৩০): যেখানে আল্লাহ ফেরেশতাদের বলেন যে, তিনি পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি (মানুষ) পাঠাতে যাচ্ছেন।
৩. পরীক্ষা করা (The Test of Life)
এই পৃথিবী মানুষের জন্য একটি পরীক্ষাগার। কে ভালো কাজ করে আর কে মন্দ, তা যাচাই করার জন্যই এই সংক্ষিপ্ত জীবন।
* সূরা আল-মুলক (আয়াত ২): "যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, যাতে তোমাদের পরীক্ষা করেন—কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম।"
৪. আল্লাহর পরিচয় জানা
মানুষ যেন সৃষ্টিজগত দেখার মাধ্যমে স্রষ্টাকে চিনতে পারে এবং তাঁর অসীম ক্ষমতা ও রহমত সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে। মহাবিশ্বের নিখুঁত কারুকাজ দেখে একজন বিশ্বাসী যেন আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করে।

| একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা | আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করে তাঁর দাসত্ব করা। |

| পৃথিবী সংস্কার | আল্লাহর দেওয়া সম্পদ ব্যবহার করে পৃথিবীর উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখা। |
| আখেরাতের প্রস্তুতি | দুনিয়ার পরীক্ষার মাধ্যমে জান্নাত লাভের যোগ্যতা অর্জন করা। |

দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য এবং একটি শক্তিশালী মুসলিম উম্মাহ গঠনের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) যুবকদের যে নসিহতগুলো দিয়েছেন, তা মূলত ঈমান, আমল এবং নেতৃত্বের সমন্বয়। ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, দ্বীন প্রচার ও প্রতিষ্ঠার কঠিন সময়ে যুবকরাই ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রধান সেনাপতি ও সহযোগী।

রাসুল (সা.) যুবকদের বড় বড় দায়িত্ব দিয়ে তাদের নেতৃত্বের জন্য তৈরি করতেন।
* উদাহরণ: তিনি মাত্র ১৮-২০ বছর বয়সী উসামা বিন জায়েদ (রা.)-কে রোমানদের বিরুদ্ধে বিশাল বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন, যেখানে আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.)-এর মতো প্রবীণ সাহাবীরাও ছিলেন।
* শিক্ষা: দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য যুবকদের কেবল আবেগ নয়, বরং রণকৌশল ও প্রশাসনিক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

দ্বীন বিজয়ের প্রথম ধাপ হলো জ্ঞান। রাসুল (সা.) যুবকদের কুরআন, সুন্নাহ এবং তৎকালীন সমসাময়িক প্রয়োজনীয় বিদ্যায় পারদর্শী হতে বলতেন।

* তিনি জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.)-কে হিব্রু ও সিরিয়াক ভাষা শিখতে বলেছিলেন যাতে তিনি বিদেশের রাজাদের চিঠি পড়তে ও লিখতে পারেন।
* নসিহত: ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যুবকদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে দক্ষ হতে হবে।
*
চারিত্রিক শক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণ
চরিত্রহীন যুবক দিয়ে দ্বীন বিজয় সম্ভব নয়। রাসুল (সা.) যুবকদের নফস বা প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার তাগিদ দিয়েছেন।


সাহস ও আপসহীনতা
দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথে বাধা আসবেই। রাসুল (সা.) যুবকদের শিখিয়েছেন হকের ওপর অটল থাকতে।
* মক্কার কঠিন সময়ে আরকাম ইবনে আবিল আরকাম (রা.) নামক এক যুবকের বাড়িতে (দারুল আরকাম) বসে দ্বীনের গোপন কার্যক্রম চলত।
* মুসআব ইবনে উমায়ের (রা.)-কে তিনি মদিনার প্রথম দূত হিসেবে পাঠিয়েছিলেন, যার অসামান্য ধৈর্য ও দাওয়াতের ফলে পুরো মদিনা ইসলামের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল।

ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব
দ্বীন বিজয়ের জন্য মুসলিম যুবকদের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য প্রয়োজন। রাসুল (সা.) নসিহত করেছেন:
> "মুমিনরা একটি ইমারত বা দেয়ালের মতো, যার এক অংশ অন্য অংশকে শক্তিশালী করে।" (বুখারি)

শুরা গনতন্ত্র ইসলাম রাজনীতি নিয়ে যারা সততার সাথে চিন্তা করেন, তাদেরকে একটু শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে পড়ার অনুরোধ!ইসলাম, গণতন...
13/02/2026

শুরা গনতন্ত্র ইসলাম রাজনীতি নিয়ে যারা সততার সাথে চিন্তা করেন, তাদেরকে একটু শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে পড়ার অনুরোধ!

ইসলাম, গণতন্ত্র, বাংলাদেশ!
_________
ব্রিটিশরা চলে যাবার পর, তাদেরই রেখে যাওয়া ওয়েস্টমিনিস্টার গণতন্ত্রের (প্রধানমন্ত্রী শাসিত সংসদীয় গণতন্ত্র) আদলেই ১৯৪৭ সালে ভারত, পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সরকার গঠিত হয়। আমরা জানি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সরকার তিনটি বিভাগ নিয়ে গঠিত হয়- ১) নির্বাহী ২) আইন ও ৩) বিচার বিভাগ।

√ নির্বাহী বিভাগ, যার নের্তৃত্বে মন্ত্রীসভা ও প্রেসিডেন্ট। সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবিভাগের অধীনে। যেমন- সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র, এনবিআর, দুদক, ইলেকশন কমিশন ইত্যাদি।
√ আইন বিভাগ বা সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্বে।
√ বিচার বিভাগ, প্রধান বিচারপতির অধীনে।

তন্মধ্যে, কেবল আইনবিভাগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। আর নির্বাহী বিভাগের অধীনে থাকা বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন, উপজেলা, ওয়ার্ড ইত্যাদি) জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়।
আরো অনেক কথা বলা যায়। সংক্ষেপে বাংলাদেশ সরকারের সাংগঠনিক কাঠামো এরূপ।

অত:পর,
এখন ইসলামী রাস্ট্রের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে গিয়ে জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধাণ তাত্ত্বিক উস্তাদ আবুল আলা মওদুদি রহ. বলেন-
"ইসলামের মহান আদর্শের ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় অট্টালিকা তার মূল ও কান্ড থেকে আরম্ভ করে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর শাখা প্রশাখা পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে ধর্মহীন রাষ্ট্র (Secular States) থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নতর হয়ে থাকে। তার গঠন প্রক্রিয়া, স্বভাব প্রকৃতি সবকিছুই সেক্যুলার রাষ্ট্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্যে প্রয়োজন এক বিশেষ ধরণের মানসিকতা। এক স্বাতন্ত্রধর্মী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। এক অনুপম কর্মনৈপূণ্য।

এ রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, কোর্ট কাচারী, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, আইন কানুন, কর ও খাজন পরিচালনা পদ্ধতি, পররাষ্ট্রনীতি, যুদ্ধ, সন্ধি প্রভৃতি সব বিষয়ই ধর্মহীন রাষ্ট্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নতর। সেক্যুলার রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি ইসলামী রাষ্ট্রের কেরানী, এমনকি চাপরাশী হবারও যোগ্য নয়। সে রাষ্ট্রের পুলিশ ইনস্পেক্টর জেনারেল (ওএচ) ইসলামী রাষ্ট্রের একজন সাধারণ কনস্টেবল হবারও যোগ্যতা রাখেনা। ধর্মহীন রাষ্ট্রের ফিল্ড মার্শাল এবং জেনারেলরা ইসলামী রাষ্ট্রে সাধারণ সিপাহী পদেও ভর্তি হবার যোগ্যতা রাখেনা। তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইসলামী রাষ্ট্রে কোনো পদ পাওয়া তো দূরের কথা, তার মিথ্যাচার, ধোকাবাজি এবং বিশ্বসাঘাতকতার কারণে হয়তো কারাগারে নিক্ষিপ্ত হওয়া থেকেও সে রক্ষা পাবেনা।

মোট কথা, ধর্মহীন সেক্যুলার রাষ্ট্র পরিচালনার উপযোগী করে যেসব লোক তৈরি করা হয়েছে এবং সে ধরণের রাষ্ট্রের স্বভাব প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে নৈতিক ও মানসিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তারা সম্পূর্ণ অযোগ্য। ইসলামী রাষ্ট্রের নাগরিক, ভোটার, কাউন্সিলার, কর্মকর্তা, সিপাহী, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট, বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, সেনা প্রধান, রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রীবর্গ, মোটকথা নিজেদের সমজা জীবনের প্রতিটি বিভাগ, পরিচালিকা যন্ত্রের প্রতিটি অংশ সম্পূর্ণ নতুনভাবে নিজস্ব আদর্শের ভিত্তিতে ঢেলে সাজাতে হবে।
("ইসলামী বিপ্লবের পথ" শীর্ষক বই থেকে গৃহীত)

এখন আমি বলি,
বাংলাদেশ সরকার (যা নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত) যে অবস্থায় আছে, সেই রাস্ট্রের এমন আমূল বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা কি ৩০০ আসন লাভ করেও সম্ভব?!

শুধুমাত্র সংসদীয় গণতন্ত্রে অগ্রসরমান হয়ে -মাওলানার বক্তব্য মোতাবেক- রাস্ট্রযন্ত্রের আমূল পরিবর্তন যে অসম্ভব তা সাধারণ মানের রাজনীতি-সচেতন ও শিক্ষিত লোকেরও বোঝার কথা। তাই শরিয়াহ তো বটেই, নিজ বোধবুদ্ধির সাথে প্রতারণা না করে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেক্যুলার রাস্ট্রকে ইসলামী রাস্ট্রে পরিণত করার দাবী করা আসলে অসম্ভব। আল্লাহই ভালো জানেন।

এছাড়াও অনেক গণতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের পক্ষ বলা হয়ে থাকে"গণতন্ত্র শুরা ব্যাবস্থার অস্থায়ী বিকল্প হতে পারে।"

এটি একটি প্রচলিত কথা। একটি জনপ্রিয়, নিস্ক্রিয়তামুখী ওজর। এবং অজ্ঞতাপ্রসূত, কাল্পনিক বক্তব্য।
এমন বক্তব্যের সাধারণ কারণ হিসেবে বলা হয়,
"মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাস্ট্রের অধিকাংশ জনগণের নির্বাচিত নের্তৃস্থানীয় প্রতিনিধিরা সংসদে জমা হয় এবং পরামর্শ ও আলোচনা সাপেক্ষে অধ্যাদেশ ও আইনের মাধ্যমে রাস্ট্র পরিচালনা করে- তাই একে 'শুরা'র মতই বলা যায়।"

প্রথমত, গণতন্ত্র বলতে মূলত বোঝানো হয় সাংবিধানিক গণতন্ত্রকে। এটি এমন এক ব্যবস্থা, যা একটি সুনির্দিষ্ট শাসনকাঠামোকে ধরে রাখে। আর সেই শাসনকাঠামোটি হচ্ছে, সেক্যুলার রাস্ট্র। সেক্যুলারিজমের ভিত্তির উপর রচিত সংবিধানকে কেন্দ্রে রেখেই সংসদ আবর্তিত হয়। পপুলিস্ট, ডানপন্থী বা ইসলামপন্থীরা যদিও নিজেদের সেক্যুলার দাবী করে না, তথাপি রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় তারা এই কাঠামোর বাইরে যেতে সক্ষম না। সংসদে আসলেও, তারা সেক্যুলার ব্যবস্থাকেই কেবল শক্তিশালী করার কাজে নিজেদের মেধা, শ্রম ও সময় ব্যয় করেন, করবেন।

এ বাস্তবতা বিবেচনা করার পর প্রশ্ন আসে-
▪ উপকরণ কি উদ্দেশ্য হতে পারে?
▪ মাশোয়ারা করা হলেই কি সেটা শুরা হবে?
▪ মাশোয়ারা যদি দীনের মাসলাহাতে না হয়ে সেক্যুলার শাসনের শক্তিশালীকরণে হয়, তাহলেও কি সেটা "শুরা" হবে?
তাহলে একই দলীলে, বিয়ের দরকার কী? যিনার মাধ্যমেই তো প্রয়োজন পূরণ ও সন্তান উৎপাদন সম্ভব।

ক্রিটিক্যালি চিন্তা করতে গিয়ে সরল চিন্তা ভুলে যাওয়াটাই কেমন যেন এখন সবচেয়ে বড় বিপদে পরিণত হয়েছে। আল্লাহর কাছেই আশ্রয়। দিন শেষে ফলাফলের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত আসে, আভ্যন্তরীণ জগতের “রুহানী ঢেউ” বা অতিবিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনো মাসলাহা ধর্তব্য হয় না।

গণতন্ত্রকে যারা কেবল সরকার পরিবর্তন প্রক্রিয়া মনে করেন, তারা এক্ষেত্রে ভুল করেন। আর যারা একথাটি জেনেশুনে বলেন, তারা হয় প্রতারণার শিকার বা প্রবঞ্চনার বাহক।

দ্বিতীয়ত, এক অর্থে কোনো রাস্ট্রই আসলে গণতান্ত্রিক না। আর হওয়া সম্ভবও না। জনভোটে নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার পূর্ণ প্রতিফলন কখনোই এসব রাস্ট্রে সম্ভব না।

চলমান রাস্ট্রীয় কাঠামোর মূল অংশ ধরা যায়-
ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলসমূহ, আমলাতন্ত্র বা সিভিল সার্ভিস (যার রয়েছে বহুমুখী স্বার্থ ও শাখাপ্রশাখা), সামরিক বাহিনী ও বিচার বিভাগ। আর এই বিশাল ও মারাত্মক প্রভাবশালী কাঠামোটির কোনো অংশই নির্বাচিত নয়, বরং নিয়োগপ্রাপ্ত।

ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বা বিরোধী দল চাইলেও শাসনযন্ত্রের উঠানামায় অন্যতম নিয়ন্ত্রক অংশগুলোকে উপেক্ষা করতে পারে না। বরং, অধিকাংশ পলিসি নির্ধারণে সিদ্ধান্ত হয় তাদের স্বার্থ ও উদ্দেশ্যকে সমুন্নত ও অক্ষুণ্ণ রেখেই। এর অনেক উদাহরণ আমাদের নিজেদের দেশেই আছে।

'৭১ এর পর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মুজিব সরকার, ব্রিটিশ উপনিবেশিক ধারায় গড়ে ওঠা নিপীড়নমূলক আমলাতন্ত্রিক কাঠামোর কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি। যদিও, পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচীর অন্যতম ছিল, ব্রিটিশ আদলে গড়ে ওঠা উন্নাসিক আমলাতন্ত্রের পরিবর্তন ঘটানো!

'৯৬ এ প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপিকে পুনরায় নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হয়। এর পেছনে অন্যতম ভূমিকা রাখে 'জনতার মঞ্চ'কে কেন্দ্র করে, ডাকসাইটের আমলা নেতা, প্রাক্তন সচিব মহিউদ্দিন খান আলমগীদের নের্তৃত্বে সচিবালয়ের বড় একটি অংশের বিদ্রোহাত্মক অবস্থান!

আর অজস্র সেনা অভ্যুথানের সাক্ষী বাংলাদেশীদেরকে সেনাবাহিনীর প্রভাব ও দাপটের কথা খুব বেশি কিছু বলার নেই।
পাশাপাশি ২০১৭ তে এস কে সিনহার জুডিশিয়াল ক্যুয়ের ব্যার্থ প্রচেষ্টাও আমাদের প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে।

কাজেই শাসনযন্ত্রের প্রধাণতম কয়েকটি নিয়ামক—আমলাতন্ত্র, বিচার বিভাগ ও সেনাবাহিনী (যাকে একত্রে ডিপ স্টেইট বলা যায়)- জনগণের ভোটে নির্বাচিত না।

জেনে রাখা ভালো,
▪ সহকারী সচিব থেকে নূন্যতম প্রভাবসম্পন্ন অতিরিক্ত সচিব বা সচিব হতে ৩০ বছর লেগে যায়।
▪ সহকারী জজ বা দক্ষ আইনজীবি থেকে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হতেও ২৫-৩০ বছর লেগে যায়।
▪ সেকেন্ড লেফট্যনেন্ট থেকে নূন্যতম প্রভাবসম্পন্ন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হতেও লাগে প্রায় এমনই

দীর্ঘদিন সেক্যুলার সরকারের অনুগত থাকা এসব কর্মকর্তাদের রাতারাতি ইসলামী সরকারের অনুগত বানানোর প্রক্রিয়া তাহলে কী হবে? এটাও জানা দরকার।
গণতন্ত্রপন্থীরা যেহেতু আকস্মিক আঘাত বা ঢালাও পদচ্যুত করার নীতিতে যেতে পারবেন না, সেক্ষেত্রে এ ময়দানে তারা আসলে কোনোদিনও সফল হতে পারবেন না।

যারা যুগের পর যুগ সেক্যুলার আইনকানুনের মাধ্যমে মাত্রাতিরিক্ত বেতন-ভাতা আর ওয়ারেন্ট অফ প্রিসেডেন্সির আলোকে অধীনস্তদের চাটুকারিতা আর বিলাস-ব্যাসন উপভোগ করতে অভ্যস্ত, তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে শুধু শুধু সংসদে অধ্যাদেশ আর আইন পাশ করে কিভাবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব?

তুরস্ক যেখানে সামরিক অভ্যুথানের অজুহাতে ৩০,০০০ সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী পদচ্যুত করেও শরিয়া বাস্তবায়নের ধারেকাছেও যেতে সক্ষম হলো না, সেখানে এ দেশীয়দের ভবিষ্যৎ কী, তা সহজেই অনুমেয়। জামাতে ইসলামী এই ডিপ স্টেইটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের কিছু চেষ্টা করেছে এবং ব্যর্থ হয়েছে। অনুসন্ধান করে দেখা যেতে পারে, তাদের হতভাগ্যজনক ফলাফলের ব্যাপারে।

সামান্য কিছু ব্যাক্তির স্বার্থ আর মতের কাছে কুক্ষিগত এই শাসনব্যাবস্থাকে বাহ্যত গণতন্ত্র বলা হলেও, এটি বাস্তবে অলিগার্কি বা অভিজাততন্ত্র। যারা বলেন, ভোটের মাধ্যমে সংসদে গেলে পরিবর্তন সম্ভব, তারাও অগণতান্ত্রিক দেনদরবারের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ও আমলাতন্ত্রে প্রভাব বিস্তার না করে ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হবেন না।

তাই, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে "শুরা" সাব্যস্ত করা বুদ্ধিজীবী ও বিশ্লেষকদের প্রতি নিবেদন হল, শরঈ পর্যালোচনা, সমালোচনা যদি আপনাদের কাচে অতিসরল, গৎবাঁধা ও 'ক্রিটিক্যালি থিংকিং'মুক্ত মনে হয়; তাহলে অন্তত বাস্তবতার আলোকে হলেও গণতন্ত্রে সাথে তুলনা করে "শুরা" নামক ইসলামী পরিভাষাকে বিকৃত করা থেকে আপনাদের বিরত থাকা দরকার।

মোটকথা, সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ জাতীয় সংসদের ৩৩০টি আসনের সবকটিও যদি ইসলামপন্থীরা অর্জন করে, তবু এভাবে আমাদের রাস্ট্রব্যাবস্থার ইসলামীকরণ কখনই সম্ভব না।

যেহেতু সেক্যুলার ডিসিপ্লিনের আলোচনা গনতান্ত্রিক ইসলামপন্থীরা বিশেষ গুরুত্ব দেন, তাই মাওলানা ভাসানির হক কথা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে শেষ করছি-
"প্রতিটি রাস্ট্র বিপ্লবের অর্থ হচ্ছে সাবেক রাস্ট্রযন্ত্রকে ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন ভিত্তি ও মূল্যবোধ দিয়ে নতুন রাস্ট্রের পত্তন করা। অতীতের আইন-কানুন, অর্ডিন্যান্স, অর্ডার সবকিছু বর্জন করে সম্পূর্ণ বিপ্লবী রীতিতে নতুন ভিত্তি রচনাই হোল বিপ্লবী সরকারের করণীয়।"

অতএব, বাংলাদেশে ইসলাম বা বিপ্লব কোনোটাই যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্ভব না- তা শরঈ, বাস্তব ও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
❌গণতন্ত্রের মূল সমস্যা❌
সার্বভৌমত্ব: জনগণ।
আইনের উৎস: সংবিধান ও পার্লামেন্ট।
শাসক নির্বাচন: নিয়মিত নির্বাচন।
আইন পরিবর্তন: সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পরিবর্তনযোগ্য।

➡️শরিয় ও গণতন্ত্রের মূল পার্থক
১. আইন প্রণয়নের চূড়ান্ত ক্ষমতা
খেলাফতে শরিয়াহ সীমা নির্ধারণ করে।
গণতন্ত্রে পার্লামেন্ট সীমা নির্ধারণ করে।
২. স্থির বনাম পরিবর্তনযোগ্য কাঠামো
শরিয়াহর মৌলিক অংশ অপরিবর্তনীয়।
আধুনিক আইনে পরিবর্তন সম্ভব।
৩. রাষ্ট্রের ধারণা
খেলাফত ছিল ধর্মভিত্তিক সাম্রাজ্য।
আধুনিক রাষ্ট্র জাতিরাষ্ট্র, নির্দিষ্ট সীমানা ও নাগরিকত্বভিত

⭕কেউ  যদি ইসলামকে বাদ দিয়ে চলতে চান, চলতে পারেন এতে করে আপনি পশ্চিমা সভ্যতার কাছে কিছু আশা করতে পারেন। আর যদি ইসলামকে আঁ...
13/02/2026

⭕কেউ যদি ইসলামকে বাদ দিয়ে চলতে চান, চলতে পারেন এতে করে আপনি পশ্চিমা সভ্যতার কাছে কিছু আশা করতে পারেন।

আর যদি ইসলামকে আঁকড়ে ধরতে চান, তবে পরিপূর্ণভাবে আঁকড়ে ধরুন। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সাহায্য পাবেন।

আপনার সুবিধামতো আপনি কিছু জায়গায় ইসলাম মানবেন কিছু জায়গায় জাহিলাত মানবেন
এতে করে আপনি না আল্লাহর কাছে প্রিয় হতে পারবেন না ,জাহিলিয়াত শয়তানদের কাছে প্রিয় হতে পারবেন।
বরং একূল ওকূল, দুকূলই হারাবেন

12/02/2026

❌১১ দলীয় জোটের সঙ্গে যত আলেম-ওলামা এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা আছে যারা এদেরকে পছন্দ করে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিবে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য।
⭕এই মানুষগুলোই যদি শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার জন্য দাঁড়িয়ে যেত ইনশাল্লাহ শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠিত হয়ে যেত

⭕ মুসলিম বঙ্গে একদিন ইসলাম ঠিকই বিজয়ী হবে তোমাকে নিয়ে অথবা তোমাকে ছাড়া কিন্তু ইসলাম ছাড়া তুমি হেরে যাবে।

⭕অন্যায়কে রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে ইনশাআল্লাহ ।গজাই ইজরাইল দখলদারি...
16/01/2026

⭕অন্যায়কে রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে ইনশাআল্লাহ ।
গজাই ইজরাইল দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে
দেশীয় সোনা পাঠানোর সিদ্ধান্তে, পশ্চিমা চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ

🗓 ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ - বাদ জুমা
📍 বাইতুল মোকাররম, উত্তর গেইট

আয়োজনে: ইন্তিফাদা বাংলাদেশ

Address

Dhaka
Pabna
6600

Telephone

+601112161540

Website

https://youtube.com/@mohammadrashed01?si=fiREOpEoMCKMrYHC, ht

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Rashed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammad Rashed:

Share