27/05/2026
✅তাকবীরে তাশরীক কী?
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণঃ
“Allahu Akbar Allahu Akbar, La ilaha illallahu wallahu Akbar, Allahu Akbar wa lillahil hamd.”
কতদিন পড়তে হবে?
👉 ৯ জিলহজ ফজরের নামাজ থেকে
👉 ১৩ জিলহজ আসরের নামাজ পর্যন্ত.।
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব। অর্থাৎ মোট ২৩ ওয়াক্ত নামাজের পর পড়তে হবে।
✅সাহাবায়ে কেরামের আমল।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত—
أَنَّهُ كَانَ يُكَبِّرُ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ عَرَفَةَ إِلَى صَلَاةِ الْعَصْرِ مِنْ يَوْمِ النَّحْرِ
“তিনি আরাফার দিন (৯ জিলহজ) ফজর থেকে শুরু করে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত তাকবীর বলতেন।”
—[ মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, হাদিস : ৫৬২১]
আরেক বর্ণনায় এসেছে—
كَانَ عَلِيٌّ وَابْنُ مَسْعُودٍ يُكَبِّرَانِ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ عَرَفَةَ إِلَى صَلَاةِ الْعَصْرِ مِنْ آخِرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ
“হযরত আলী রা. ও ইবনে মাসউদ রা. আরাফার দিন ফজর থেকে আইয়্যামে তাশরীকের শেষ দিন আসর পর্যন্ত তাকবীর বলতেন।”
— [সুনানে দারাকুতনী : ১৭২৮]
✅কার উপর ওয়াজিব?
★প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারী-পুরুষের উপর, যারা ফরজ নামাজ আদায় করে।
★নামাজ জামাতে হোক বা একাকী— উভয় অবস্থাতেই পড়তে হবে।
✅গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসআলা।
★ফরজ নামাজের সালাম ফিরানোর সাথে সাথে পড়তে হবে।
★ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে।
★নারীরাও পড়বেন, তবে আস্তে পড়বেন।
★সুন্নত বা নফল নামাজের পরে নয়; শুধুমাত্র ফরজ নামাজের পরে।
আসুন, এই বরকতময় দিনগুলোতে আল্লাহর তাকবীর, তাহলীল ও ইবাদতে নিজেদের ব্যস্ত রাখি। আল্লাহ তাআলা আমাদের আমল কবুল করুন। আমীন।🤍