09/10/2025
সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত (আয়াত 285-286) অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। অনেক হাদীসে এসেছে, এই আয়াতগুলো রাতের শেষে বা ঘুমানোর আগে পড়লে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাকে সুরক্ষা ও রহমত দান করেন।
তবে, ফজরের নামাজের পূর্বে পড়াও উত্তম — বিশেষত রাতের ইবাদতের অংশ হিসেবে, তাহাজ্জুদ বা ফজরের আগ মুহূর্তে।
আয়াতসমূহ (সূরা আল-বাকারা: 285-286):
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ
كُلٌّ آمَنَ بِاللّٰهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ، لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ ۚ
وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ
لَا يُكَلِّفُ اللّٰهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ
رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ
رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ
وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ
أَنْتَ مَوْلَانَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
বাংলা অনুবাদ:
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশ্বাস করেছেন তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি যা নাযিল হয়েছে, আর মুমিনগণও।
তারা সবাই বিশ্বাস করেছে আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, তাঁর কিতাব এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি।
তারা বলে, “আমরা শুনেছি ও মান্য করেছি। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার ক্ষমা চাই, আর তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন।”
আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা দেন না।
সে যা অর্জন করে তা তার জন্য, আর যা করে তা তার বিপক্ষে।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করি, তুমি আমাদের ধরো না।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ওপর সেই বোঝা দিও না, যা তুমি আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর দিয়েছিলে।
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন ভার দিও না, যা বহন করার ক্ষমতা আমাদের নেই।
আমাদেরকে ক্ষমা করো, মার্জনা করো, আর দয়া করো।
তুমিই আমাদের অভিভাবক, অতএব অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো।
ফজিলত (সহিহ হাদীস অনুযায়ী):
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।”
(সহিহ বুখারি, মুসলিম)
অর্থাৎ, আল্লাহ তায়ালা তাকে রাতের বিপদ, শয়তানের কুমন্ত্রণা এবং অকল্যাণ থেকে রক্ষা করবেন।
সুন্নতভাবে পড়ার সময়:
রাতের শেষে বা ঘুমানোর আগে
ফজরের পূর্বে তাহাজ্জুদের পর
নামাজ শেষে দোয়ার আগে বা পরে