07/02/2026
কিছু মাস আগের ঘটনা:
এই ব্যাপারটি নিয়ে হয়তো অনেকেই অবগত নয়।
গত ১৬ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে পাবনা জিলা স্কুলের প্রশাসনিক ভবনের সংস্কার কাজের উদ্ভোবন করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, প্রশাসনিক ভবনের এই সংস্কার কাজের প্রধান অতিথি ছিলেন একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান! অথচ মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিশেষ অতিথির স্থান দেওয়া হয়েছিল!
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেনো পাবনা জিলা স্কুলের সংস্কার কাজের জন্য একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অথচ তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো প্রতিনিধি নন; একজন রাজনৈতিক দলের নেতা! একই সাথে দলের বহু বহিরাগতদের প্রবেশ ঘটে!
এর জন্য দায়ী বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কয়েকজন রাজনৈতিক সমর্থনকারী শিক্ষকবৃন্দ। যাদের মধ্যে সবার নজড়ে আসে, জনাব আসাদুজ্জামান খান স্যার। তিনি শুধুমাত্র তার নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য গৌরবের জায়গা, ঐতিহ্যের স্থান, হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের আবেগের জায়গা পাবনা জিলা স্কুলকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং মর্যাদা ক্ষুন্ন করছে৷ শুধু একবার নয়; তিনি বহুবার একই কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন বা চেষ্টা করেছেন। সেটা নিয়ে সবাই অবগত।
গত ৫ই আগস্টের পরে, পাবনা জিলা স্কুলে রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্মদিনের কেক কাটা এবং সেই সাথে স্লোগান দেওয়া, গত রমজানে স্কুলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দলের ইফতার মাহফিল আয়োজনের ব্যর্থ প্রচেষ্টা, প্রশাসনিক ভবনের সংস্কার কাজে রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো।
এবং সবশেষে কয়েকদিন পূর্বের ঘটনা,
স্কুলের শিক্ষার্থীদের শহীদ মিনারের সামনে দাঁড় করিয়ে ক্যালেন্ডার বিতরণের মাধ্যমে একটি দলের পক্ষে শো-ডাউন করানো হয়! সেখানে স্পর্শভাবে একটি দলের প্রার্থীর ছবির মাধ্যমে নির্বাচনের পক্ষে সুপরিকল্পিতভাবে প্রচারণা করানো হয়!
এই সবকিছুতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একজন শিক্ষকের নাম সবার সামনে চলে আসে!
আজকেও এক রাজনৈতিক কর্মকান্ডে বিদ্যালয় আবার প্রশ্নবিদ্ধ! এর চর্চা ৫ই আগস্টের পরবর্তী সর্বপ্রথম কার/কাদের মাধ্যমে শুরু হয়? তারাই আজকের এই প্রশ্নবিদ্ধের জন্য দায়ী!
পরিশেষে, আমরা বিদ্যালয়কে সকল প্রকার রাজনৈতিক স্বার্থহাসিল থেকে মুক্ত দেখতে চাই; রাজনৈতিক নিরপেক্ষ দেখতে চাই।