07/06/2026
আগামী ১২জুন দেশে ফিরছেন শিমুল বিশ্বাস, যোগদান করবেন সংসদের বাজেট অধিবেশনে
------------------------------------------------------------
স্টাফ রিপোর্টারঃ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনে অংশগ্রহণের জন্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থান করছেন পাবনার কৃতিসন্তান প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ও পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। আগামী ১২জুন তিনি দেশে ফিরবেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সম্মেলনে তাঁর এই অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়।
দেশে ফিরে তিনি জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। পাবনাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ. কে. এম. সেলিম রেজা হাবিব বাজেট অধিবেশনে পাবনার ন্যায্য দাবি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা রাখবেন বলে।
পাবনার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন—‘Y’ টাইপ যমুনা সেতু নির্মাণ, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন, পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু, কাজিরহাট ঘাট উন্নয়ন, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর পুনরায় চালু, কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠা, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবন এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন—এসব দাবির বাস্তবায়নে প্রয়োজন শক্তিশালী রাজনৈতিক উদ্যোগ ও কার্যকর নেতৃত্ব। এক্ষেত্রে পাবনার কৃতিসন্তান এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি ও একেএম সেলিম রেজা হাবিব এমপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলেছেন। তাই বলে পাবনা বাসীর চুপচাপ বসে থাকা ঠিক হবেনা।
পাবনার এই দুই কৃতী সংসদ সদস্য জেলার উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থে করনীয় কাজগুলো বাস্তবায়নের দাবি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করে যাতে গুরুত্ব পান তার জন্য পাবলিক সাপোর্টের প্রয়োজন রয়েছে। "Y" প্যাটার্ন সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ দুটোই অনেক বড় প্রকল্প। এ দুটি প্রকল্পের সাথে দেশের উত্তর-দক্ষিনের পদ্মানদী বিধৌত ভুখন্ড অঞ্চল ও যমুনার পুর্ব-উত্তর ভুখন্ড অঞ্চলের সমস্ত মানুষের জীবনমান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কলকারখানা গড়ে উঠার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ইত্যাদির সম্পর্ক জড়িত। বিশেষ করে আরিচা-দৌলতদিয়া-কাজীর হাট "Y" প্যাটার্ন সেতু বাস্তবায়িত হলে দেশের উত্তর-পুর্ব- দক্ষিণ তিনটি ভুখন্ড, যা নদীর কারনে খন্ডিত হয়ে আছে,তার মধ্যে মিলবন্ধন সৃষ্টি হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়ে যাবে। রাজধানীর সাথেও মানুষের যোগাযোগ সহজ হবে। যমুনা ও পদ্মা সেতুর উপর চাপ কমে যাবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের ভাগ্যের চাকাও ঘুরে যাবে। ইতিমধ্যে পাবনার কৃতিসন্তান এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস কতৃক জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দ বড় কথা নয়,বড় কথা হলো প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে জনতার চাপ থাকলে সরকারেরও সেদিকে দৃষ্টিপাত থাকে। তাই শুধু নেতাদের মুখের দিকে তাকিয়ে না থেকে পাবনাসহ পদ্মা ব্যারেজ ও Y প্যাটার্ন সেতুর সাথে স্বার্থ জড়িত সকল জেলার মানুষের প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের দাবিতে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত।