Travel & Sagor

Travel & Sagor This page created for Explore, Travel & Food blogging videos.

03/03/2026
19/02/2026

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রম (পাবনা) — ইতিহাস ও পরিচিতি

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ১৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮ সালে অবিভক্ত বাংলার পাবনা জেলার হিমাইতপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শিবচন্দ্র চক্রবর্তী এবং মাতার নাম মনমোহিনী দেবী। এই আশ্রম বা সৎসঙ্গ আশ্রম বাংলাদেশের পাবনা জেলার হেমায়েতপুর গ্রামে অবস্থিত, পাবনা শহর থেকে প্রায় ২-২.৫ কিমি পশ্চিমে। এটি শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র-এর জন্মস্থান ও প্রাথমিক কার্যক্রম কেন্দ্র ছিল।

তিনি একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান হলেও শৈশব থেকেই আধ্যাত্মিক ও মানবিক গুণাবলীতে অনন্য ছিলেন। পরবর্তীতে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিপ্লোমা নিয়ে নিজ গ্রামে চিকিৎসা শুরু করেন এবং মানসিক ও শারীরিক রোগীদের আরোগ্যে বিশেষ গুরুত্ব দেন। অনুকূলচন্দ্রের দর্শন "সৎসঙ্গ" “যজন”, “ইষ্টভৃতি” ইত্যাদি কৌশলে মানুষের জীবন, চিন্তা ও সমাজ উন্নয়নের দিকে মনোনিবেশ করে।

সৎসঙ্গ আশ্রমটি আদিতে সাদামাঠা বৈশিষ্টে নির্মিত হয়েছিল; এতে কোন উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য বৈশিষ্ট পরিলক্ষিত হয়নি। তবে বর্গাকৃতির ভবনটির শীর্ষদেশ চারটি ত্রিভূজ আকৃতির ক্রমহ্রাসমান ছাদে আচ্ছাদিত ছিল। এ মন্দিরের শিখর ক্ষুদ্রাকৃতির কলস ফিনিয়ালে আকর্ষনীয় বৈশিষ্টমন্ডিত ছিল। মন্দিরের পাশেই শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের পূজার ঘর অবস্থিত। এ ক্ষুদ্র ভবনটি গম্বুজবিশিষ্ট এবং ধনুক বক্র কার্নিশ ও গম্বুজের চারকোণে চারটি দৃষ্টিনন্দন শিখর ধারণ করে এক বৈচিত্রময় বৈশিষ্টের অবতারনা করেছে।

শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দ্রের পিতা-মাতার স্মৃতিরক্ষার্থে এই মন্দির নির্মিত। মন্দিরের সম্মুখ প্রাসাদে ‘স্মৃতি মন্দির’ কথাটি পাথরের উপরে উৎকীর্ণ করা আছে। অনুকূলচন্দ্র ‘সৎসঙ্গ’ নামে একটি জনহিতকর সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। প্রকৃত অর্থে অনুকূল ঠাকুর মানবকল্যাণে তাঁর জায়গা-জমি যথাসর্বস্ব উৎসর্গ করে গেছেন। স্মৃতিমন্দিরটি অন্যান্য ইমারতের তুলনায় এখনো সুসংরক্ষিত অবস্থায় আছে। সম্প্রতি নব নির্মিত সৎসঙ্গ-আশ্রম-মন্দির সমন্বয়ে গঠিত স্থাপত্য নিদর্শনটি সহজেই সবার দৃষ্টি আকর্ষন করে।

এখানে শ্রী শ্রী অনুকূল চন্দের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঐ সময় এখানে প্রচুর লোক/অতিথির সমাগম হয়। প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাগম হয় বলে জানা যায়। ভারত হতেও লোকজন এখানে আসেন। এ সম্পদের প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ জরুরী। সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাধ্যমে আশ্রম এলাকায় প্রয়োজনীয় পর্যটন সুবিধাদি প্রবর্তন করা হলে সারা বছরই এখানে দেশী/বিদেশী পর্যটকগণ আসা/যাওয়া করবেন। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য একটি টুরিষ্ট স্পট হিসেবে বিবেচিত হবে ও সংশ্লিষ্ট খাতে আয়ের পথ সুগম করবে।

#ঠাকুরঅনুকূলচন্দ্র #শ্রীশ্রীঠাকুরঅনুকূলচন্দ্র

15/02/2026

ঈশ্বরদী এয়ারপোর্ট | এক নীরব ইতিহাস

এক সময় পাবনার আকাশে উড়তো যাত্রীবাহী বিমান। আজ সেই বিমানবন্দর দাঁড়িয়ে আছে নিঃশব্দে, স্মৃতির ভার নিয়ে। ঈশ্বরদী এয়ারপোর্ট পাবনা অঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা, যার ইতিহাস প্রায় এক শতাব্দীর কাছাকাছি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪০-এর দশক) ব্রিটিশ শাসনামলে এই বিমানবন্দরটি নির্মাণ করা হয়।
মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক বিমান চলাচল ও জরুরি যোগাযোগ। তখন ঈশ্বরদী ছিল রেল ও স্থল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র—এই কৌশলগত কারণেই জায়গাটি নির্বাচন করা হয়। পাকিস্তান আমলে ঈশ্বরদী এয়ারপোর্ট থেকে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল শুরু হয়। ১৯৬০-এর দশকে Pakistan International Airlines (PIA) এখান থেকে ঢাকা ও অন্যান্য রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে। এ সময় এটি উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঈশ্বরদী থেকে নিয়মিত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে।১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত এখানে যাত্রীবাহী বিমান নামতো-উড়তো।

বন্ধ হয়ে যাওয়ার সময় ১৯৮৯ সালের পর যাত্রী সংকট, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং বিকল্প সড়ক ও রেল যোগাযোগ উন্নত হওয়ার কারণে ধীরে ধীরে ফ্লাইট কমে যায়। ১৯৯০-এর দশকে একাধিকবার চালুর চেষ্টা হলেও তা টেকসই হয়নি ২০১৩ সালে স্বল্প সময়ের জন্য আবার ফ্লাইট চালু হয় ২০১৪ সালের পর আবার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় বাণিজ্যিক ফ্লাইট। বর্তমানে ঈশ্বরদী এয়ারপোর্টে কোনো নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট নেই। তবে বিশেষ প্রয়োজনে সরকারি ও প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে ব্যবহার হয়। আজ এখানে নেই কোনো যাত্রী কোলাহল, তবে রানওয়ে আর টার্মিনাল এখনো সাক্ষী হয়ে আছে এক গৌরবময় অতীতের।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্পাঞ্চল ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ায় অনেকেই মনে করছেন—ঈশ্বরদী এয়ারপোর্ট আবার চালু হওয়া উচিত।

#ঈশ্বরদী_এয়ারপোর্ট #ঈশ্বরদী #পরিত্যক্ত_এয়ারপোর্ট

07/02/2026

পাবনার জোড় বাংলা মন্দির — ইতিহাস, স্থাপত্য ও ঐতিহ্য

জোড় বাংলা মন্দির বাংলাদেশের পাবনা শহরের কালাচাঁদপাড়া এলাকায় অত্যন্ত পরিচিত ও পুরাতন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে খ্যাত। এটি বাংলাদেশের স্থাপত্য ঐতিহ্যের একটি অনন্য উদাহরণ এবং দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান।

মন্দিরটি “জোড় বাংলা” আর্কিটেকচার শৈলীতে নির্মিত — অর্থাৎ দু’টি দোচালা (পিচ-ছাদ) ধাঁচের ঘর একসঙ্গে জোড়া করে বানানো হয়েছে, যা বাংলা স্থাপত্যের একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ধরন।

পশ্চিমদিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকা মন্দিরটির সামনের দিকের বারান্দা, খিলান এবং ছাদের নকশা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি স্থাপত্য দক্ষতার পরিচায়ক।

জোড় বাংলা শৈলীর মন্দিরটিতে দুটি দোচালা অংশ রয়েছে — পূর্ব দিকটি মন্ডপ (বারান্দা/গোষ্ঠের ঘর), আর পশ্চিম দিকটি গর্ভগৃহ/প্রধান মন্দির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত।

মন্দিরটি বলা হয় ১৮শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নির্মিত। যদিও শিলালিপি না থাকায় সঠিক নির্মাণ তারিখ পাওয়া যায়নি, স্থানীয় ঐতিহাসিক ঐতিহাসিক বই অনুযায়ী এটি মুর্শিদাবাদ নবাবের তহশিলদার ব্রজমোহন ক্রোরী কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল বলে জানা যায়।

সময়ের সাথে বিভিন্ন স্থানে মন্দিরের টেরাকোটা ফলক ও ইটের নকশা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, তবে আগে এখানে দেবদেবীর নানা মূর্তিসহ ইটের কারুকাজ ছিল যা এর আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি করত।

1897 সালের ভূমিকম্পে মন্দিরের অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।1971 সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় মন্দির থেকে রাধা-কৃষ্ণের কৃত্রিম মূর্তি চুরি হয়ে যায়, যার ফলে বহু স্থানীয় ঐতিহ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বর্তমানে মন্দিরে নিয়মিত আর পূজা আরাধনা হয় না, এবং এটি অনেকাংশে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন।

#জোড়বাংলামন্দির #বাংলারঐতিহ্য #ঐতিহাসিকস্থাপনা

04/02/2026

দুলাই (সুজানগর উপজেলা) পাবনা জেলার ঐতিহাসিক আজিম চৌধুরীর জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের জমিদারি যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ইতিহাসে সমৃদ্ধ একটি জায়গা। এটি এক-সময় এ অঞ্চলের মুসলিম জমিদারদের মধ্যে সবচেয়ে প্রতাপশালী ও স্বনামধন্য বাড়ি হিসেবে খ্যাত ছিল। আজ তা অতীতের গৌরব ধারণ করে ধ্বংসের পথে থাকা ঐতিহাসিক নিদর্শনেরূপে দাঁড়িয়ে আছে।

এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ২৫০-৩০০ বছর আগে দুলাই গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। মূল প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুনশি রহিমউদ্দিন সারকার, যিনি পরবর্তীতে চৌধুরী উপাধি লাভ করেন। তাঁর পিতা শারফউদ্দিন সারকার মধ্য এশিয়ার সামারকন্দ (Turkestan) থেকে আগত হয়ে দুলাইতে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলেন।

এই জমিদার বাড়ি আজিম চৌধুরীর নামে বেশি পরিচিত, কারণ তার সময়েই এটি সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও খ্যাতি অর্জন করে। আজিম চৌধুরী (ফখরউদ্দিন আহলে আহসান আজিম চৌধুরী) ছিলেন জমিদার হিসেবে গ্রামের অর্থনৈতিক ও সমাজিক কেন্দ্রবিন্দু। তিনি দুলাইতে তিনটি ইন্ডিগো (নিল) কারখানা স্থাপন করেন, যা সেই সময়কার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। তার দান-উদান ও সমাজসেবার জন্য এলাকার মানুষ তাকে সম্মান করত, ও তিনি চিকিৎসা-সহায়তায় স্থানীয় একটি ডিসপেন্সারিও প্রতিষ্ঠা করেন।

জমিদার বাড়িটি ছিল বিশাল এক সম্পত্তি, যেখানে
দুইতলা ভবন, বিশাল পুকুর, বহু দরজা ও ১১টি দ্বার ছিল। মূল গেটের আগ্রভাগে দুটি হাতি ও একটি কামান নিরাপত্তা হিসেবে রাখা হয়েছিল।
বাড়ির মধ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন রহিমউদ্দিন সারকার-যা আজও স্থায়ী আছে।
জমিদারের পরিবারের আভিজাত্য, অতিথি-আয়োজন ও প্রশাসনিক কাজের জন্য আলাদা স্থাপনা ছিল।

জমিদারি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পর ১৯৫০ সালে East Bengal State Acquisition and Tenancy Act-এর মাধ্যমে জমিদারিত্ব বাতিল হলে বাড়িটির ভূমিকা ও অবস্থান ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। পরে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে বিরোধ ও দখল-দাবিতে জটিলতা হয়, আর তা-ই বাড়ির পরম্পরাগত সংরক্ষণে বিঘ্ন ঘটায়। কিছু জায়গা স্থানীয় প্রভাবশালীদের দ্বারা দখলও হয়েছে। ফলে বাড়িটি আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও পরিপূর্ণ অবস্থায় নেই, শুধু অপ্রতুল অবশিষ্টাংশ রয়ে গেছে।

#আজিমচৌধুরীরজমিদারবাড়ি
#দুলাইজমিদারবাড়ি #পাবনাইতিহাস

02/02/2026

পাকশি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ (Hardinge Bridge) – ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশের উত্তর–দক্ষিণ রেল যোগাযোগের এক অবিস্মরণীয় নিদর্শন হলো পাকশি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশি, পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত এই ঐতিহাসিক রেলসেতুটি শুধু একটি সেতু নয়—এটি আমাদের উপমহাদেশের প্রকৌশল ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়।

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১০ সালে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৫ সালে তা সম্পন্ন হয়। তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)–এর নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয় Hardinge Bridge।

প্রায় ১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল অত্যাধুনিক (তৎকালীন সময়ে) ইস্পাত কাঠামো দিয়ে। প্রবল স্রোত ও প্রশস্ত পদ্মা নদীর ওপর এমন শক্তপোক্ত রেলসেতু নির্মাণ ছিল সে সময়ের এক বিরাট চ্যালেঞ্জ—যা সফলভাবে মোকাবিলা করেছিলেন ব্রিটিশ প্রকৌশলীরা।

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ চালু হওয়ার ফলে কলকাতা থেকে আসাম ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ সহজ হয়। আজও এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় এর অবদান অপরিসীম।

পদ্মা নদীর বুকে দাঁড়িয়ে থাকা এই সেতু সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময় অসাধারণ সৌন্দর্য ধারণ করে। তাই ইতিহাসপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে পাকশি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ একটি বিশেষ আকর্ষণ।

বাংলার ইতিহাস, প্রকৌশল আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব মিলন—পাকশি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।

#পাকশি #হার্ডিঞ্জব্রিজ

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩
16/12/2025

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩

পাবনার ভাইরাল কমলা বাগান 🍊🔥
13/12/2025

পাবনার ভাইরাল কমলা বাগান 🍊🔥

পাহাড়-জঙ্গল, মেঘের আনাগোনা, দূর দূরান্তের রিজলাইন—এক কথায় দারুণ!
07/12/2025

পাহাড়-জঙ্গল, মেঘের আনাগোনা, দূর দূরান্তের রিজলাইন—এক কথায় দারুণ!

কাটা পাহাড় এলাকা, বান্দরবান।
03/12/2025

কাটা পাহাড় এলাকা, বান্দরবান।

“Keokradong: where the sky feels touchable.”🇧🇩⛰️
02/12/2025

“Keokradong: where the sky feels touchable.”🇧🇩⛰️

Address

Pabna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel & Sagor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travel & Sagor:

Share

Category