11/04/2026
তখন হাইস্কুলে পড়ি। আমাদের স্কুলটির তখন পাকা বাউন্ডারি ছিলো না।
ক্লাসে বসেই রাস্তার দৃশ্য দেখা যেতো। তবে অনেক সময় না তাকিয়েও অনুমান করা যেতো রাস্তা দিয়ে এখন কি নিয়ে যাচ্ছে, কারণ নাকে আসতো বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ।
ভ্যান গাড়িতে করে মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যেতো। মুরগির এই বিষ্ঠা মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
তবে পরে শুনেছি এই বিষ্ঠা মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা নিষেধ করা হয়েছে।
গত শুক্রবার বাজারে মুরগি কিনতে গিয়েছিলাম। যদিও সাধারণত চেষ্টা করি মুরগি এড়িয়ে চলতে। কারণ মুরগির খাবারের এন্টিবায়োটিক ও অপদ্রব্যের অবশিষ্টাংশ মুরগির হাড়, কলিজা, চামড়া ইত্যাদিতে জমা হয় যা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।
তবে মজার বিষয় হলো আমি যখন মুরগি নিচ্ছিলাম তখন ছবির এই ড্রাম নিয়ে একজন লোক এসে মুরগির নাড়িভুঁড়ি ও রক্ত নিয়ে গেলেন।
আমি মুরগির দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম, 'এগুলো কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?'
ওনি বললেন এগুলো মাছের খাবার হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে।
আমি বললাম এগুলোতো ক্ষতিকর। এসব খাবার মাছ খেলে ক্ষতিকর উপাদান আমাদের শরীরে প্রবেশ করবে।
ওনি বললেন , 'কি যে বলেন,,,এগুলো তো ভালো খাবার। একদম টাটকা রক্ত, নাড়িভুঁড়ি। মাছের ফিড তো ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে বানায়।'
আমি আর কিছু বললাম না। শুধু একটু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে মুরগি নিয়ে চলে এলাম।
আমি যে মুরগি নিয়ে এলাম সেটাও নিরাপদ নয়। কেন নিরাপদ না সেটা মনে হয় আমরা অনেকেই জানি।
আমরা কেমন করে বেঁচে আছি সেটাই গবেষণার বিষয়।