Md. Zahirul islam

Md. Zahirul islam ...

এই যুদ্ধের জন্য ইরান যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা এখন তাদের রণকৌশল দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরা...
07/03/2026

এই যুদ্ধের জন্য ইরান যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা এখন তাদের রণকৌশল দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরানের মূল সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার ধ্বংস করে দিলেও তাদের দমানো যাচ্ছে না। এর পেছনে থাকা আসল রহস্য এবং ইরানের বিশেষ যুদ্ধকৌশল।

ইরান: কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ছাড়াই যুদ্ধের এক মাস্টারপ্ল্যান!

আমরা সাধারণত জানি, কোনো দেশের সেনাবাহিনীর মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বা হেডকোয়ার্টার ধ্বংস হয়ে গেলে পুরো বাহিনী ভেঙে পড়ে। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে হিসাবটা সম্পূর্ণ আলাদা। তারা গত কয়েক দশক ধরে এমন এক যুদ্ধকৌশল সাজিয়েছে যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় কমান্ড বা সদর দপ্তরের প্রয়োজনই নেই।

যখন আমেরিকা ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বড় একটি অংশ নিহত হলো, তখন ইরান তাদের সেই বহু বছরের পুরোনো পরিকল্পনা সচল করে দিয়েছে। একে বলা হয়—‘বিকেন্দ্রীভূত যুদ্ধ’ (Decentralized Warfare)।

এই কৌশলের মূল ভিত্তিগুলো হলো:

স্বয়ংসম্পূর্ণ মিসাইল ও ড্রোন ইউনিট: ইরানের শত শত ছোট ছোট মিসাইল এবং ড্রোন ইউনিটকে অনেক আগেই 'স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন' বা স্থায়ী নির্দেশ দিয়ে রাখা হয়েছে।

নেতৃত্বহীন লড়াই: যদি কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বা বড় নেতারা নিহত হন, তবে এই ইউনিটগুলোকে কারো আদেশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

স্বাধীন সিদ্ধান্ত: প্রতিটি ইউনিটকে আলাদাভাবে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। তারা জানে ঠিক কখন এবং কোথায় আঘাত করতে হবে। তাদের কাজ শুধু পরিকল্পনা অনুযায়ী মিশন সম্পন্ন করা।

কেন এই যুদ্ধ থামানো কঠিন?

এই মডেলটি প্রচলিত যুদ্ধের ধারণা পুরোপুরি বদলে দেয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে 'মাথা' কেটে দিলে শরীর অচল হয়ে যায়, কিন্তু ইরানি মডেলে কোনো একটি নির্দিষ্ট 'কেন্দ্র' নেই যা ধ্বংস করলে সব থেমে যাবে।

১. একটি ইউনিট থামলেও অন্যটি সক্রিয়: ৩০০ কিলোমিটার দূরের একটি ইউনিট হয়তো ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু অন্য একটি ইউনিট সেই খবর না জেনেই নিজের মতো লড়াই চালিয়ে যাবে। এমনকি একটি ইউনিট অন্যটির অস্তিত্ব সম্পর্কেও হয়তো জানে না।

২. শত্রুকে বিভ্রান্ত করা: এই কৌশলের ফলে আমেরিকা বা ইসরায়েলকে একটি বড় শক্তির বদলে শত শত ক্ষুদ্র ও স্বাধীন শক্তির মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

৩. অজ্ঞাত হামলা: অনেক সময় খোদ ইরানিরাও হয়তো জানে না যে ঠিক কোন ইউনিট থেকে কোন হামলাটি চালানো হয়েছে। কারণ সিস্টেমটি এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে নেতৃত্বের অবর্তমানেও যুদ্ধ চলতে থাকে।

প্রযুক্তির বিপরীতে টিকে থাকার লড়াই:

প্রযুক্তির দিক থেকে আমেরিকা ও ইসরায়েল হয়তো যোজন যোজন এগিয়ে, কিন্তু ইরানের কৌশল হলো টিকে থাকার লড়াই। তারা এমন এক সামরিক কাঠামো তৈরি করেছে যা ‘নেতৃত্বের মস্তকচ্ছেদ’ (Leadership Decapitation) হওয়ার পরও লড়ে যেতে সক্ষম।

সোজা কথায়, ইরান তাদের সেনাবাহিনীর ‘মাথা’ কেটে ফেলার পরও শরীর যাতে সচল থাকে, সেই অবিশ্বাস্য এবং ভয়ংকর প্রস্তুতি নিয়েই এই যুদ্ধে নেমেছে।

আপনার কি মনে হয়, এই গেরিলা ধাঁচের আধুনিক যুদ্ধকৌশল দিয়ে ইরান দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারবে? আপনার মতামত জানাতে পারেন।

১০ ডলারে পেইন্টিং করা যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে ইসরায়েল ১০০ মিলিয়ন ডলারের মিসাইল ব্যবহার করেছে 😂
06/03/2026

১০ ডলারে পেইন্টিং করা যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে ইসরায়েল ১০০ মিলিয়ন ডলারের মিসাইল ব্যবহার করেছে 😂

🚨 ইরান যুদ্ধ —: আপনার জানা প্রয়োজন এমন ১০টি সর্বশেষ আপডেট১. বাহরাইনের তেল শোধনাগারে সরাসরি ইরানের হামলাযুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে...
06/03/2026

🚨 ইরান যুদ্ধ —: আপনার জানা প্রয়োজন এমন ১০টি সর্বশেষ আপডেট

১. বাহরাইনের তেল শোধনাগারে সরাসরি ইরানের হামলা
যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে ইরানের একটি মিসাইল বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারে সরাসরি আঘাত হেনেছে। সেখানে আগুন ধরে গেলেও শোধনাগারটি কোনোমতে সচল রয়েছে। ইরান এখন শুধু মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেই সীমাবদ্ধ নেই, তারা পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

২. অ্যামাজনের তিনটি ডেটা সেন্টার অচল
ইরান পরিকল্পিতভাবে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের (AWS) তিনটি ডেটা সেন্টারে হামলা চালিয়েছে (২টি সংযুক্ত আরব আমিরাতে, ১টি বাহরাইনে)। বর্তমানে তিনটিই অচল। ইরান জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে সহায়তা করার অপরাধে তারা AWS-কে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন টেক জায়ান্টের ডেটা সেন্টার সামরিক হামলার শিকার হলো। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাংক ও সরকারি ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে।

৩. ট্রাম্পকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল কংগ্রেস
মার্কিন সিনেট ও প্রতিনিধি সভা—উভয় কক্ষেই ট্রাম্পের যুদ্ধ করার ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাবটি পাস হতে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ, ক্যাপিটল হিল থেকে ট্রাম্প এখন এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছেন।

৪. শ্রীলঙ্কায় ইরানি যুদ্ধজাহাজ আটক
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো নিরপেক্ষ দেশ ইরানি যুদ্ধজাহাজ আটক করল। শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি ফ্রিগেট 'IRIS Dena' ডুবিয়ে দেওয়ার পর, ২০৮ জন ক্রুসহ 'IRIS Bushehr' নামক ইরানি ট্যাঙ্কারটিকে শ্রীলঙ্কান নৌবাহিনী তাদের হেফাজতে নিয়েছে।

৫. আজারবাইজানে হামলা এবং তুরস্কের দিকে আসা মিসাইল প্রতিহত
ইরান আজারবাইজানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে, অথচ দেশটি এই যুদ্ধে সরাসরি জড়িত নয়। অন্যদিকে, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ন্যাটোর (NATO) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ব্যালিস্টিক মিসাইল ভূপাতিত করেছে। যুদ্ধ এখন ন্যাটোর সীমানায় পৌঁছে গেছে।

৬. পারস্য উপসাগরে হাজার হাজার মানুষ আটকা
আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (IMO) নিশ্চিত করেছে যে, ২০,০০০ নাবিক এবং ১৫,০০০ ক্রুজ যাত্রী বর্তমানে পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছেন। সংস্থাটি সব শিপিং কোম্পানিকে এই অঞ্চল এড়িয়ে চলার জরুরি নির্দেশ দিয়েছে।

৭. ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নিজেই নির্বাচন করতে চান ট্রাম্প রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে ভূমিকা রাখতে চান। তিনি বিষয়টিকে ভেনিজুয়েলার মাদুরোকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টার সাথে তুলনা করেছেন। বিপরীতে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (IRGC) আগামী দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছে।

৮. নিজস্ব জরুরি তেলের মজুত ব্যবহার করছে জাপান
জাপানের ৯০% তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাপানি রিফাইনারিগুলো তাদের সরকারকে রাষ্ট্রীয় জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার অনুরোধ করেছে। এশিয়ার জ্বালানি বাজারে এর চরম প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

৯. প্রতিদিন ১ বিলিয়ন ডলার খরচ করছে আমেরিকা
এনবিসি নিউজের তথ্যমতে, এই যুদ্ধে আমেরিকার প্রতিদিন ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার ব্যয় হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম এক সপ্তাহেই ৭৩ ডলার থেকে বেড়ে ৮২.৭৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

১০. পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার ইঙ্গিত
ইরানের আইআরজিসি (IRGC) কমান্ডার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানিয়েছেন, সামনের দিনগুলোতে হামলা আরও তীব্র ও ব্যাপক হবে। অন্যদিকে ইরানের একজন আয়াতুল্লাহ ইসরায়েলি ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রক্ত ঝরানোর ডাক দিয়েছেন। এটি স্পষ্ট যে, কোনো পক্ষই এখন পিছু হটার কথা ভাবছে না।

যুদ্ধের বর্তমান সারসংক্ষেপ:
* হরমুজ প্রণালী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ।
* অ্যামাজনের ডেটা সেন্টার অফলাইন।
* জাপান তাদের তেলের মজুত ব্যবহার শুরু করেছে।
* ন্যাটো সরাসরি মিসাইল প্রতিহত করছে।
* প্রতিদিন যুদ্ধের খরচ ১ বিলিয়ন ডলার।

পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে কেবল দর্শক হয়ে থাকার সময় নেই। এই যুদ্ধ ভারত, আমেরিকা, জাপান বা ইউরোপ কিংবা বাংলাদেশ—আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎ ও জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে। তাই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখুন এবং মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিন।

20/02/2026
সাগরে ভাসমান 'গুদাম' বনাম ডুবে যাওয়া মধ্যবিত্ত: প্রতিবাদটা আসলে কার বিরুদ্ধে?​ছবিটার দিকে একটু ভালো করে তাকান। সাগরের মো...
27/01/2026

সাগরে ভাসমান 'গুদাম' বনাম ডুবে যাওয়া মধ্যবিত্ত: প্রতিবাদটা আসলে কার বিরুদ্ধে?

​ছবিটার দিকে একটু ভালো করে তাকান। সাগরের মোহনায় ভাসছে ৭২০টি লাইটার জাহাজ। কোনোটা তেল, কোনোটা চিনি, আবার কোনোটা ডালে বোঝাই। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো, মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে খাতুনগঞ্জে নাকি পণ্যের তীব্র সংকট! হু হু করে বাড়ছে দাম।

​শুনেছি টিকে গ্রুপ, মেঘনা, আকিজ, নাবিল, সিটি ও বসুন্ধরা গ্রুপের মতো বড় বড় রাঘববোয়ালরা নাকি সামনের রোজাকে 'টার্গেট' করে এই কৃত্রিম সংকট তৈরির খেলায় মেতেছে। সাগরে পণ্য ভাসে, আর বাজারে আগুন জ্বলে— কী দারুণ ব্যবসা!

​কিন্তু এই আগুনের আঁচটা কাদের গায়ে লাগে?
​আমাদের মতো 'ছাপোষা' সরকারি চাকরিজীবীদের কথাই ধরুন। আমরা সেই ২০১৫ সালের পে-স্কেলে আটকে আছি। কিন্তু বাজার তো ২০১৫ সালে আটকে নেই। বাজার তার নিজস্ব গতিতে আকাশছোঁয়া। অথচ পে-স্কেলের একটু আলোচনা শুরু হলেই মিডিয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবাই এমনভাবে প্রতিবাদ শুরু করেন, যেন আমাদের বেতন বাড়াটাই দেশের প্রধান সমস্যা। সেই প্রতিবাদের তোড়ে নতুন পে-স্কেল আর আলোর মুখ দেখে না।

​অথচ দেখুন, সরকারিভাবে ১২ কেজি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হলেও, গতকালও আমাকে কিনতে হয়েছে ১৬০০ টাকা দিয়ে। কদিন আগে তো ঢাকায় গ্যাসই পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন কিন্তু ভোক্তাদের কোনো জোরালো প্রতিবাদ দেখিনি!

​ব্যবসায়ী বা বেসরকারি চাকরিজীবী যে বাজার থেকে চাল-ডাল কেনেন, আমরাও সেখান থেকেই কিনি। আমাদের বাড়তি কোনো সুবিধা নেই। নিত্যপণ্যের এই সিন্ডিকেট আর আকাশচুম্বী মূল্যের বিরুদ্ধে কারো কোনো রা নেই, কিন্তু যত ক্ষোভ সব সরকারি কর্মচারীদের বেতনের ওপর।

​সত্যি বলতে, আমাদের বেতন বাড়ানোর দরকার নেই। শুধু দয়া করে ২০১৫ সালের সেই ১০০০ টাকার নোটের 'ক্রয়ক্ষমতা'টা ফিরিয়ে দিন। তাতেই আমরা খুশি।

​আসলে সমস্যা হলো, আমরা জানিই না আসল প্রতিবাদটা কোথায় করতে হয়। চোখের সামনে শত শত জাহাজভর্তি পণ্য সাগরে ভাসিয়ে রেখে যারা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াই না। আমরা লড়ছি একে অপরের সাথে।
​ফলাফল: সিন্ডিকেট হাসছে, আর আমরা সাধারণ মানুষ (সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে) দীর্ঘশ্বাস ফেলছি।

22/12/2025

পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও হুলুদের উপকারিতা তাদের মুখ থেকেই শুনুন।

আপনি কি জানেন?চুরি, দাঙ্গা, বা ঝগড়া-বিবাদ, ​প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গ, ​মারামারি, ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি, ​নারীর শ্লীলতাহা...
22/12/2025

আপনি কি জানেন?

চুরি, দাঙ্গা, বা ঝগড়া-বিবাদ, ​প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গ, ​মারামারি, ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি, ​নারীর শ্লীলতাহানি বা অঙ্গভঙ্গি, ​পাওনা টাকা বা ঋণ আদায় ইত্যাদির প্রতিকার পেতে গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন।


গ্রাম আদালত: স্বল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে সঠিক বিচার
​গ্রামের ছোটখাটো বিরোধ বা বিবাদ মেটানোর জন্য আদালতে ছোটাছুটি না করে ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থিত গ্রাম আদালত হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান।

​১. গ্রাম আদালত কী ও কেন যাবেন?

👉​সহজ বিচার ব্যবস্থা: ২০০৬ সালের আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে গঠিত আদালত।

👉​দ্রুত ও সাশ্রয়ী: খুব অল্প সময়ে এবং নামমাত্র খরচে বিচার পাওয়া যায়।

👉​উকিল লাগে না: এখানে কোনো আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না, পক্ষগণ নিজেরাই নিজেদের কথা বলতে পারেন।

👉​সম্পর্ক উন্নয়ন: হার-জিতের চেয়ে সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়, ফলে প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো থাকে।

👉​নারীদের অংশগ্রহণ: বিচার প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ ও অধিকার নিশ্চিত করা হয়।

​২. কী কী বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে? (এখতিয়ার সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা)

​🔴 ফৌজদারী (Criminal):
​চুরি, দাঙ্গা, বা ঝগড়া-বিবাদ।

​প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গ।

​মারামারি, ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি।

​নারীর শ্লীলতাহানি বা অঙ্গভঙ্গি।

​অন্যায়ভাবে আটকে রাখা ইত্যাদি।

​🟢 দেওয়ানী (Civil):

​পাওনা টাকা বা ঋণ আদায়।

​অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার বা তার মূল্য আদায়।

​গবাদিপশু দ্বারা ফসলের ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ।

​কৃষি শ্রমিকের বকেয়া মজুরি।

​স্ত্রীর বকেয়া ভরণপোষণ আদায়।

​৩. কোন বিষয়গুলো গ্রাম আদালত বিচার করতে পারে না?
​❌ গুরুতর অপরাধ: খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি, নারী ও শিশু নির্যাতন।
❌ পারিবারিক বিষয়: তালাক, বহুবিবাহ, অভিভাবকত্ব, যৌতুক।
❌ জমিজমা: স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা বা স্বত্ব (Title) সংক্রান্ত বিরোধ।
❌ আর্থিক সীমা: ৩ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যের কোনো বিরোধ।

​৪. বিচার পাওয়ার প্রক্রিয়া ও খরচ

​আবেদন: ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ফরম নিয়ে তা পূরণ করে চেয়ারম্যান বরাবর জমা দিতে হয়।

​ফি (Fees):
​ফৌজদারী মামলা: ১০ টাকা।
​দেওয়ানী মামলা: ২০ টাকা।

​সময়সীমা: বিরোধ ঘটার ৩০ দিনের মধ্যে (ফৌজদারী) এবং ৬০ দিনের মধ্যে (দেওয়ানী) আবেদন করতে হয়। (স্থাবর সম্পত্তি বেদখলের ক্ষেত্রে ১ বছরের মধ্যে)।

​৫. আদালত গঠন

​মোট ৫ জন সদস্য নিয়ে আদালত গঠিত হয়:
​১ জন চেয়ারম্যান।
​আবেদনকারীর মনোনীত ২ জন সদস্য।
​প্রতিবাদীর মনোনীত ২ জন সদস্য।
(নারী সংক্রান্ত মামলায় প্যানেলে একজন নারী সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক)।

​৬. জরিমানা ও শাস্তি
​গ্রাম আদালত কিছু ক্ষেত্রে জরিমানা করতে পারে:

​মিথ্যা মামলা: ইচ্ছাকৃত মিথ্যা মামলা করলে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা জরিমানা।

​সাক্ষীর অনুপস্থিতি: সমন পেয়েও সাক্ষী না আসলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা।

​আদালত অবমাননা: আদালতের কাজে বাধা বা খারাপ আচরণ করলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা।

21/12/2025

Cute little animals.

09/12/2025

কোন কাজগুলো এআই দ্বারা রিপ্লেস হবে না বলে মনে করেন।
👇

এসব দেখে আর আশ্চর্য হই না। এটাই আমাদের দেশ প্রেম।
10/11/2025

এসব দেখে আর আশ্চর্য হই না।
এটাই আমাদের দেশ প্রেম।

10/11/2025

বাংলার অপার সৌন্দর্যের অনেকটাই ছড়িয়ে আছে রেললাইনের দুই পাশে 🌿☘️

ওনারা স্থলে থেকেও লাইফ জ্যাকেট পরেছেআর আমরা জলে গেলেও পরি না🤣🤣আমাদের থেকে ওদের জীবনের মায়া বেশি 🙏
26/10/2025

ওনারা স্থলে থেকেও লাইফ জ্যাকেট পরেছে
আর আমরা জলে গেলেও পরি না🤣🤣

আমাদের থেকে ওদের জীবনের মায়া বেশি 🙏

Address

Pabna

Telephone

+8801762020005

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Zahirul islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share