Md. Zahirul islam

Md. Zahirul islam ...

11/04/2026

তখন হাইস্কুলে পড়ি। আমাদের স্কুলটির তখন পাকা বাউন্ডারি ছিলো না।

ক্লাসে বসেই রাস্তার দৃশ্য দেখা যেতো। তবে অনেক সময় না তাকিয়েও অনুমান করা যেতো রাস্তা দিয়ে এখন কি নিয়ে যাচ্ছে, কারণ নাকে আসতো বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ।

ভ্যান গাড়িতে করে মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যেতো। মুরগির এই বিষ্ঠা মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

তবে পরে শুনেছি এই বিষ্ঠা মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা নিষেধ করা হয়েছে।

গত শুক্রবার বাজারে মুরগি কিনতে গিয়েছিলাম। যদিও সাধারণত চেষ্টা করি মুরগি এড়িয়ে চলতে। কারণ মুরগির খাবারের এন্টিবায়োটিক ও অপদ্রব্যের অবশিষ্টাংশ মুরগির হাড়, কলিজা, চামড়া ইত্যাদিতে জমা হয় যা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।

তবে মজার বিষয় হলো আমি যখন মুরগি নিচ্ছিলাম তখন ছবির এই ড্রাম নিয়ে একজন লোক এসে মুরগির নাড়িভুঁড়ি ও রক্ত নিয়ে গেলেন।

আমি মুরগির দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম, 'এগুলো কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?'

ওনি বললেন এগুলো মাছের খাবার হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে।

আমি বললাম এগুলোতো ক্ষতিকর। এসব খাবার মাছ খেলে ক্ষতিকর উপাদান আমাদের শরীরে প্রবেশ করবে।

ওনি বললেন , 'কি যে বলেন,,,এগুলো তো ভালো খাবার। একদম টাটকা রক্ত, নাড়িভুঁড়ি। মাছের ফিড তো ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে বানায়।'

আমি আর কিছু বললাম না। শুধু একটু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে মুরগি নিয়ে চলে এলাম।

আমি যে মুরগি নিয়ে এলাম সেটাও নিরাপদ নয়। কেন নিরাপদ না সেটা মনে হয় আমরা অনেকেই জানি।

আমরা কেমন করে বেঁচে আছি সেটাই গবেষণার বিষয়।

সম্প্রতি নাসার আর্টেমিস ২ এর মাধ্যমে পৃথিবী থেকে প্রায় চার লাখ ছয় হাজার ৭৭১ কিলোমিটার বা দুই লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরে ...
09/04/2026

সম্প্রতি নাসার আর্টেমিস ২ এর মাধ্যমে পৃথিবী থেকে প্রায় চার লাখ ছয় হাজার ৭৭১ কিলোমিটার বা দুই লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। এতো দূরবর্তী স্থানে আগে কেউ পৌঁছাতে পারেনি।

নভোচারীরা চাদ অভিযানে গিয়ে অনেক ছবি তুলেন তার মধ্যে কিছু ছবি মোবাইলের ওয়ালপেপার হিসেবে প্রকাশ করে। চাইলে কমেন্টের লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

আজ রাতেই নাকি একটা সভ্যতা ধ্বংস করে দিবে। একটা সভু পৃথিবীতে এরকম অসভ্য কথা বলে কেমনে?
07/04/2026

আজ রাতেই নাকি একটা সভ্যতা ধ্বংস করে দিবে। একটা সভু পৃথিবীতে এরকম অসভ্য কথা বলে কেমনে?

একটা দেশের জিওগ্রাফিক্যাল অবস্থান ঐ দেশকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অনেকে বেশি সাহায্য করে।যেমন ইরান তার অবস্থানের কারণে হ...
06/04/2026

একটা দেশের জিওগ্রাফিক্যাল অবস্থান ঐ দেশকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অনেকে বেশি সাহায্য করে।

যেমন ইরান তার অবস্থানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতে সক্ষম হইসে।

এই এক হরমুজ প্রণালী শুধু যে বৈশ্বিক মোট তেলের ২০ ভাগ পরিবহন করে তাই না।

ঐ অঞ্চলের একেবারেই মৌলিক ভোগ্যপণ্য যেমন খাবারও কিন্তু আমদানি করে এই প্রণালী দিয়ে।

আর এ জন্যই ইরান এই যুদ্ধে সামরিকভাবে খুব ভালো অবস্থানে না থেকেও শক্ত অবস্থানে আছে।

বলা হচ্ছে ইতিহাসে এই প্রথম এতো বেশি জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে আমেরিকা পৃথিবীর পরাশক্তি হয়ে উঠার পেছেনেও কিন্তু এর ভৌগোলিক অবস্থানই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে।

যদি আমেরিকার মূল ভূখন্ডে বহি আক্রমণ এর কথা বলি তবে,

১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের সাবমেরিন থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার একটা তেলক্ষেত্রে গোলাবর্ষণ করা হয়েছিলো।

২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে হামলা।

এর বাদে এই দীর্ঘ সময়ে ওদের মূল ভূখন্ডে কেউ আঘাত করতে পারেনি।

কারণ এই দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান। এতো দূরে থেকে দুইপাশে দুটি মহাসাগর পেরিয়ে আক্রমণ করাটা এতো সহজ কাজ না।

আর অন্যদিকে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের ঘাটি স্থাপন করে যুদ্ধ করেই যাচ্ছে।

আর আমার দেশের সাধারণ জনগন যুদ্ধের কাফফারা দিচ্ছে। জনজীবন একেবারে বিপর্যস্ত।

এর মধ্যেই অনেক দেশে জ্বালানি রেশনিং শুরু হইসে। আর এক মাস যদি এই যুদ্ধ চলে তবে আমাদের মতো দেশের হাতে হারিকেনও থাকবে না।

হারিকেন জ্বালাতেও তেল লাগে। আর তেলে না থাকলে হারিকেন বন্ধের পাশাপাশি ট্রান্সপোর্ট বন্ধ, কারখানা বন্ধ, মালমাল পরিবহন বন্ধ, পণ্যের দাম বৃদ্ধি, কারখানার উৎপাদন ব্যহত, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যহতসহ শত শত সমস্যার উদ্ভব হবে।

05/04/2026

এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে ১৭২৮ টাকা। আজকে সেই সিলিন্ডার নিলাম ১৮৫০ টাকায়। এর মধ্যে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৫০ টাকা ইনক্লুড আছে।

জিজ্ঞেস করলাম সরকারি রেইট কতো? সাপ্লায়ার বললেন সরকারি রেটে আগে পরে কখনো বিক্রি করি নাই। কথা ঠিক, সরকার নির্ধারিত রেইটে গ্যাস ভোক্তারা কখনো কিনতে পেরেছে কিনা জানি না।

ভোক্তার অভিযান হইলে এনারা আবার গোস্যা করে বলে গ্যাস বিক্রি করা বন্ধ কইরা দিমু।

সরকার নির্ধারিত রেইটে যদি এরা বিক্রি না'ই করে তবে রেইট নির্ধারণ করার প্রয়োজন কী?

জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে সকল জেলায়  ভিজিলেন্স টিম গঠন করেছে সরকার : অবৈধ মজুদদারি বন্ধে তথ্য প্রদানকারীর জন্য আসছে...
30/03/2026

জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে সকল জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করেছে সরকার : অবৈধ মজুদদারি বন্ধে তথ্য প্রদানকারীর জন্য আসছে পুরস্কারের ঘোষণা;সচেতন নাগরিকগণকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ / পরামর্শ প্রদানের অনুরোধ
-
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ

দেশের প্রতিটি পাম্পে এমন তালিকা প্রদর্শন করতে হবে।
29/03/2026

দেশের প্রতিটি পাম্পে এমন তালিকা প্রদর্শন করতে হবে।

25/03/2026

কি অসহায় আমরা, কি মূল্যহীন আমাদের জীবন

এই যুদ্ধের জন্য ইরান যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা এখন তাদের রণকৌশল দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরা...
07/03/2026

এই যুদ্ধের জন্য ইরান যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা এখন তাদের রণকৌশল দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরানের মূল সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার ধ্বংস করে দিলেও তাদের দমানো যাচ্ছে না। এর পেছনে থাকা আসল রহস্য এবং ইরানের বিশেষ যুদ্ধকৌশল।

ইরান: কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ছাড়াই যুদ্ধের এক মাস্টারপ্ল্যান!

আমরা সাধারণত জানি, কোনো দেশের সেনাবাহিনীর মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বা হেডকোয়ার্টার ধ্বংস হয়ে গেলে পুরো বাহিনী ভেঙে পড়ে। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে হিসাবটা সম্পূর্ণ আলাদা। তারা গত কয়েক দশক ধরে এমন এক যুদ্ধকৌশল সাজিয়েছে যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় কমান্ড বা সদর দপ্তরের প্রয়োজনই নেই।

যখন আমেরিকা ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের বড় একটি অংশ নিহত হলো, তখন ইরান তাদের সেই বহু বছরের পুরোনো পরিকল্পনা সচল করে দিয়েছে। একে বলা হয়—‘বিকেন্দ্রীভূত যুদ্ধ’ (Decentralized Warfare)।

এই কৌশলের মূল ভিত্তিগুলো হলো:

স্বয়ংসম্পূর্ণ মিসাইল ও ড্রোন ইউনিট: ইরানের শত শত ছোট ছোট মিসাইল এবং ড্রোন ইউনিটকে অনেক আগেই 'স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন' বা স্থায়ী নির্দেশ দিয়ে রাখা হয়েছে।

নেতৃত্বহীন লড়াই: যদি কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বা বড় নেতারা নিহত হন, তবে এই ইউনিটগুলোকে কারো আদেশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

স্বাধীন সিদ্ধান্ত: প্রতিটি ইউনিটকে আলাদাভাবে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। তারা জানে ঠিক কখন এবং কোথায় আঘাত করতে হবে। তাদের কাজ শুধু পরিকল্পনা অনুযায়ী মিশন সম্পন্ন করা।

কেন এই যুদ্ধ থামানো কঠিন?

এই মডেলটি প্রচলিত যুদ্ধের ধারণা পুরোপুরি বদলে দেয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে 'মাথা' কেটে দিলে শরীর অচল হয়ে যায়, কিন্তু ইরানি মডেলে কোনো একটি নির্দিষ্ট 'কেন্দ্র' নেই যা ধ্বংস করলে সব থেমে যাবে।

১. একটি ইউনিট থামলেও অন্যটি সক্রিয়: ৩০০ কিলোমিটার দূরের একটি ইউনিট হয়তো ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু অন্য একটি ইউনিট সেই খবর না জেনেই নিজের মতো লড়াই চালিয়ে যাবে। এমনকি একটি ইউনিট অন্যটির অস্তিত্ব সম্পর্কেও হয়তো জানে না।

২. শত্রুকে বিভ্রান্ত করা: এই কৌশলের ফলে আমেরিকা বা ইসরায়েলকে একটি বড় শক্তির বদলে শত শত ক্ষুদ্র ও স্বাধীন শক্তির মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

৩. অজ্ঞাত হামলা: অনেক সময় খোদ ইরানিরাও হয়তো জানে না যে ঠিক কোন ইউনিট থেকে কোন হামলাটি চালানো হয়েছে। কারণ সিস্টেমটি এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে নেতৃত্বের অবর্তমানেও যুদ্ধ চলতে থাকে।

প্রযুক্তির বিপরীতে টিকে থাকার লড়াই:

প্রযুক্তির দিক থেকে আমেরিকা ও ইসরায়েল হয়তো যোজন যোজন এগিয়ে, কিন্তু ইরানের কৌশল হলো টিকে থাকার লড়াই। তারা এমন এক সামরিক কাঠামো তৈরি করেছে যা ‘নেতৃত্বের মস্তকচ্ছেদ’ (Leadership Decapitation) হওয়ার পরও লড়ে যেতে সক্ষম।

সোজা কথায়, ইরান তাদের সেনাবাহিনীর ‘মাথা’ কেটে ফেলার পরও শরীর যাতে সচল থাকে, সেই অবিশ্বাস্য এবং ভয়ংকর প্রস্তুতি নিয়েই এই যুদ্ধে নেমেছে।

আপনার কি মনে হয়, এই গেরিলা ধাঁচের আধুনিক যুদ্ধকৌশল দিয়ে ইরান দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারবে? আপনার মতামত জানাতে পারেন।

১০ ডলারে পেইন্টিং করা যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে ইসরায়েল ১০০ মিলিয়ন ডলারের মিসাইল ব্যবহার করেছে 😂
06/03/2026

১০ ডলারে পেইন্টিং করা যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে ইসরায়েল ১০০ মিলিয়ন ডলারের মিসাইল ব্যবহার করেছে 😂

Address

Pabna

Telephone

+8801762020005

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Zahirul islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share