LEDP Marketer Debashish

LEDP Marketer Debashish Digital Marketing Trainer at - Learning And Earning Development Project ( LEDP )

লিংকডইন ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে প্রোফাইল কিভাবে সাজাবেন?লিংকডইন শুধু জব খোঁজার জায়গা না—এটা আপনার জন্য এক অসাধা...
16/04/2025

লিংকডইন ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে প্রোফাইল কিভাবে সাজাবেন?
লিংকডইন শুধু জব খোঁজার জায়গা না—এটা আপনার জন্য এক অসাধারণ ক্লায়েন্ট হান্টিং প্ল্যাটফর্ম!
কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রোফাইলটাই যদি সাজানো না থাকে, তাহলে ক্লায়েন্ট খুঁজবেই বা কীভাবে?
LinkedIn প্রোফাইল সাজানোর ৫টি ধাপ (যা ক্লায়েন্টকে আকর্ষণ করে):
1. Professional Profile Picture: পরিষ্কার, হাসিমুখে তোলা একটি প্রোফেশনাল ছবি দিন।
2. Powerful Headline: শুধু "Graphic Designer" না, লিখুন – Helping Brands Stand Out with Unique Logo Designs | Freelance Graphic Designer*
3. About Section = Your Elevator Pitch: আপনি কে, কী কাজ করেন, কী সমস্যার সমাধান দেন—সংক্ষেপে এবং স্পষ্টভাবে লিখুন।
4. Featured Section: আপনার Behance/Portfolio বা কাজের স্যাম্পল এখানে যুক্ত করুন।
5. Skill & Endorsements: নিজের স্কিল অ্যাড করুন, এবং যাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তাদের endorsement নিতে বলুন।
Bonus Tip:
রেগুলার পোস্ট করুন আপনার কাজ নিয়ে, ক্লায়েন্ট কীভাবে উপকার পাচ্ছে সেটা শেয়ার করুন—visibility বাড়বে।
এই পোস্টটা যারা LinkedIn ব্যবহার করছেন কিন্তু কনফিউশন আছেন কীভাবে ক্লায়েন্ট পাবেন—তাদের সঙ্গে শেয়ার করুন!
আপনার চাইলে আমি পোস্টটার জন্য একটা eye-catching থাম্বনেইল আইডিয়াও দিতে পারি

15/04/2025

কীভাবে একটি পেশাদার ব্র্যান্ড গড়ে তুলবেন ?
একটি শক্তিশালী, টেকসই এবং কাস্টমার-সেন্ট্রিক ব্র্যান্ড তৈরির কার্যকর রোডম্যাপ !

✅ ১. ব্র্যান্ডের ভিশন ও মিশন নির্ধারণ করুন-
একটি সফল ব্র্যান্ডের প্রথম ধাপ হচ্ছে এর উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা।
১.ভিশন (Vision): আপনার ব্র্যান্ড ভবিষ্যতে কী পরিবর্তন আনতে চায়
২.মিশন (Mission): ব্র্যান্ডটি কীভাবে সেই ভিশন বাস্তবায়ন করবে
🔹 উদাহরণ:
ভিশন: প্রাকৃতিক উপাদানে সৌন্দর্যের নতুন সংজ্ঞা তৈরি করা।
মিশন: নিরাপদ ও কার্যকর স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টের মাধ্যমে মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো।

✅ ২. টার্গেট অডিয়েন্স নির্ধারণ করুন-
আপনার গ্রাহক কে? তাদের চাহিদা, ব্যথার জায়গা ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যগুলো বুঝতে হবে।
১.বয়স, পেশা, অবস্থান
২.তাদের সমস্যাগুলো কী?
৩.তারা কী ধরনের সমাধান খুঁজছে?
🎯 টিপস: Buyer Persona তৈরি করলে গ্রাহকদের আচরণ আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।

✅ ৩. ইউনিক ভ্যালু প্রোপোজিশন (UVP) তৈরি করুন
আপনার ব্র্যান্ড কেন আলাদা?
আপনি কী দিচ্ছেন যা অন্য কেউ দিচ্ছে না?
🔹 উদাহরণ: “বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ১০০% স্থানীয় ভেষজ উপাদানে তৈরি স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড।”

✅ ৪. ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি গড়ে তুলুন-
আপনার ব্র্যান্ড কেমন দেখতে ও শুনতে হবে, তা নির্ধারণ করুন।
১.নাম: সহজে মনে রাখার মতো এবং অর্থবহ
২.লোগো: ব্র্যান্ডের দর্শন ও পেশাদারিত্ব প্রকাশ করে
৩.রঙ ও টাইপোগ্রাফি: ব্র্যান্ডের মুড প্রকাশ করে
টোন অব ভয়েস: বন্ধুসুলভ, প্রফেশনাল, আত্মবিশ্বাসী – যা ব্র্যান্ডের সঙ্গে মানানসই
📘 ব্র্যান্ড স্টাইল গাইড তৈরি করুন – সব প্ল্যাটফর্মে একইরকম ব্র্যান্ড এক্সপ্রেশন বজায় রাখতে।

✅ ৫. ব্র্যান্ড স্টোরি তৈরি করুন-
আপনার ব্র্যান্ডের পেছনের মানবিক গল্প বলুন—যা মানুষকে সংযুক্ত করে।
১.আপনি কেন এই ব্র্যান্ড শুরু করেছেন
২.কী চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এসেছেন
৩.কাস্টমারদের জীবনে আপনার ব্র্যান্ড কী পরিবর্তন আনছে
৪.মানুষ গল্পে সংযোগ তৈরি করে, শুধু পণ্য নয়।

✅ ৬. ডিজিটাল উপস্থিতি শক্তিশালী করুন-
বর্তমান যুগে ব্র্যান্ডের অনলাইন প্রেজেন্স অপরিহার্য।
১.ওয়েবসাইট: মোবাইল ফ্রেন্ডলি, SEO অপটিমাইজড ও ইউজার-ফ্রেন্ডলি
২.সোশ্যাল মিডিয়া: কনটেন্ট কনসিস্টেন্ট, ভিজ্যুয়ালি ব্র্যান্ডেড
৩.ইমেইল মার্কেটিং: সাবস্ক্রাইবারদের সঙ্গে নিয়মিত পেশাদার যোগাযোগ
💡 প্রতিমাসে কনটেন্ট প্ল্যান তৈরি রাখলে কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায়।

✅ ৭. কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ে ফোকাস করুন-
মানসম্পন্ন কনটেন্ট দিয়ে ব্র্যান্ডের ওপর বিশ্বাস তৈরি করুন।
কনটেন্টের ধরন:
১.ইনফরমেটিভ ভিডিও ও রিলস
২.ইউজার রিভিউ ও কেস স্টাডি
৩.ব্লগ, কুইজ, ইনফোগ্রাফিক
৪.ব্র্যান্ডের পিছনের গল্প ও লাইভ সেশন
🎯 Consistency is key. নিয়মিত উপস্থিতি আপনাকে আলাদা করবে।

✅ ৮. কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স ও সার্ভিস উন্নত করুন-
আপনার পণ্যের মান, প্যাকেজিং, কমিউনিকেশন—সব জায়গায় ব্র্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স দিতে হবে।
১.দ্রুত রেসপন্স
২.পরিষ্কার নির্দেশনা
৩.বিক্রয় পরবর্তী সাপোর্ট
💬 একজন সন্তুষ্ট গ্রাহকই সবচেয়ে শক্তিশালী ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।

✅ ৯. সোশ্যাল প্রুফ ও কমিউনিটি বিল্ড করুন-
রিভিউ ও টেস্টিমোনিয়াল সংগ্রহ ও প্রকাশ করুন
১.ইউজার জেনারেটেড কনটেন্টকে গুরুত্ব দিন।
২.কমিউনিটি বিল্ড করুন যেখানে আপনার কাস্টমাররা কথা বলবে

✅ ১০. বিজ্ঞাপন ও ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে স্কেল করুন-
ফেসবুক/গুগল/ইনস্টাগ্রামে টার্গেটেড অ্যাড চালান
১.ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে কাজ করুন।
২.রেজাল্ট মাপুন ও প্রয়োজনে টিউন করুন
📊 ডেটা-বেইজড সিদ্ধান্তই ব্র্যান্ডকে দীর্ঘস্থায়ী করে।

শেষ কথা-
একটি ব্র্যান্ড গড়ে তোলার অর্থ শুধু একটি নাম তৈরি করা নয়, বরং একটি বিশ্বাস, মূল্যবোধ এবং অভিজ্ঞতা গড়ে তোলা।
যদি সঠিক কৌশল অনুসরণ করেন, তাহলে আপনার ব্র্যান্ড হয়ে উঠবে কেবল একটি ব্যবসা নয়—একটি চেতনার নাম

Here is a list of AI chat bots that you can use from the web:1. ChatGPT - chatgpt.com2. Deepseek Chat - chat.deepseek.co...
28/01/2025

Here is a list of AI chat bots that you can use from the web:

1. ChatGPT - chatgpt.com
2. Deepseek Chat - chat.deepseek.com
3. Perplexity AI - perplexity.ai (Note: Not usable with VPNs)
4. GitHub Copilot - github.com/copilot (for programmers)
5. Mistral AI - chat.mistral.ai
6. Claude AI - claude.ai
7. Blackbox AI - blackbox.ai
8. Meta AI - meta.ai (Note: Not available in all countries)
9. Google Gemini - gemini.google.com
10. Pi AI - pi.ai (it's more like your vent buddy)
11. Microsoft Copilot - copilot.microsoft.com
12. Grok by xAI - x.com/i/grok

Enjoy exploring these AI chat bots! 🤖💬

👇 If you know some interesting AI chatbot links, please share them in the comments below.

A conversational AI system that listens, learns, and challenges

Fiverr-ফ্রিল্যান্সারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ  নতুন আপডেট: আপনার একাউন্ট সুরক্ষিত রাখুন Fiverr সম্প্রতি তাদের প্ল্যাটফর্মে ন...
23/01/2025

Fiverr-ফ্রিল্যান্সারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নতুন আপডেট: আপনার একাউন্ট সুরক্ষিত রাখুন
Fiverr সম্প্রতি তাদের প্ল্যাটফর্মে নতুন নিয়ম ও গাইডলাইন আপডেট করেছে। এই আপডেটের মূল লক্ষ্য হলো একটি সুরক্ষিত, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য মার্কেটপ্লেস নিশ্চিত করা। আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে এবং Fiverr-এ সফল হতে চাইলে, নিচের বিষয়গুলো জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। 👇

🔒 অ্যাকাউন্ট ইন্টেগ্রিটি: একাধিক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ
Fiverr-এ কাজ করার জন্য আপনার শুধুমাত্র একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে পারবে।
একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করলে আপনার অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে প্রতারণা, মেসেজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, বা রেফারেল প্রোগ্রামের অপব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

🤝 ফেইক আইডেন্টিটি ব্যবহার করবেন না
আপনার অ্যাকাউন্টে সঠিক নাম, ছবি এবং পরিচয় ব্যবহার করুন।
ফেইক ডকুমেন্ট বা AI-জেনারেটেড ছবি দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন করা নিষিদ্ধ।
অন্য কারো পরিচয়ে কাজ করা বা নিজেকে মিথ্যা পরিচিতি দেওয়া Fiverr-এর নীতিমালার পরিপন্থী।

📣 স্প্যামিং করবেন না
Fiverr-এর মেসেজিং সিস্টেম ব্যবহার করে অনাকাঙ্ক্ষিত অফার বা লিঙ্ক শেয়ার করবেন না।
ক্লায়েন্টদের বারবার বিরক্ত করা, মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা ফ্রি কাজের জন্য অনুরোধ করা নিষিদ্ধ।
Fiverr-এর কমিউনিকেশন টুলস ব্যবহার করে সঠিক এবং পেশাদার আচরণ করুন।

🌟 রিভিউ ম্যানিপুলেশন: সতর্ক থাকুন
মিথ্যা রিভিউ নেওয়া বা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।
ক্লায়েন্টদের জোর করে ৫-স্টার রিভিউ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া নিষিদ্ধ।
রিভিউ ব্যবস্থা হল Fiverr-এর অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য অংশ, যা সঠিকভাবে মেনে চলা আবশ্যক।

💳 অফ-প্ল্যাটফর্ম লেনদেন নিষিদ্ধ
Fiverr-এর বাইরের কোনো পেমেন্ট পদ্ধতি বা যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করবেন না।
Fiverr-এর পেমেন্ট সিস্টেমের বাইরে লেনদেন করলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে।
সব ধরণের কাজ এবং লেনদেন Fiverr প্ল্যাটফর্মের মধ্যে রাখুন যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

🚨 মিসইউজ ও রিপোর্টিং এভেইড করুন
কোনো ভিত্তিহীন অভিযোগ বা প্রতিবেদন Fiverr-এ জমা দেবেন না।
একই বিষয়ে বারবার রিপোর্ট করার পরিবর্তে Fiverr-এর টিমের উত্তর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন।

আপনার Fiverr অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখুন এবং নিয়ম মেনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন। সফল ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ!

17/04/2022

গুগল এডসেন্স একাউন্টের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ
-------------------------------------------------
আমরা জানি গুগল এডসেন্স বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পি.পি.সি. এডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম কারণ তারা পাবলিশারদের সবচেয়ে বেশি পে করে থাকে। প্রায় সকল ব্লগার এবং ওয়েবমাষ্টাররাই চায় গুগল এডসেন্স দিয়ে তাদের সাইট/ব্লগ মনিটাইজেশন করার জন্য কিন্তু অনেকেই এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না আবার অনেকে পেলেও কিছুদিনের মধ্যেই তাদের একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বলে যে তারা এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না।
কিন্তু আপনি যদি এডসেন্স একাউন্ট এর আবেদন এর পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নজর রাখেন তাহলে খুব সহজেই একাউন্ট এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন সাথে সাথে আপনার একাউন্ট ব্যান হবারও কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

চলুন দেখে নেওয়া যাক এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

১. নিজস্ব এবং টপ লেভেল ডোমেইন নেম
এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ডোমেইন নাম অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক নতুন ব্লগাররা দেখা যায় যে ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, উইবলী ইত্যাদিতে সাব-ডোমেইন দিয়ে একটি ব্লগ করে তার জন্য এডসেন্স এর অনুমোদন চায় কিন্তু তারা পান না। তাই আপনাকে অবশ্যই একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ব্লগ/সাইট বিল্ডাপ করে তারপর এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আর টপ লেভেল ডোমেইন বলতে মূলত .কম, .নেট, .ওআরজি কে বুঝায়।
২. ডোমেইন এর বয়স
এডসেন্স একাউন্ট পেতে ডোমেইন এর বয়স আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেতে আপনার ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩-৪ মাস হতে হবে (৬ মাস হলে ভালো হয়)। ৩-৪ মাসের মধ্যে আপনি আপনার ব্লগ/সাইটে ভালো কিছু কন্টেন্ট দিন আর সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনার জন্য ভালোভাবে এস.ই.ও. এর কাজ করুন।
৩. ইউজার ফ্রেন্ডলী ব্লগ/সাইট ডিজাইন এবং নেভিগেশন
আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলী হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই গুগল এর ওয়েব ডিজাইন গাইডলাইন অনুযায়ী আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন করতে হবে। অন্যথায় আপনি এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরী করুন
একটি ব্লগ বা সাইটের জন্য কিছু পেজ (যেমনঃ প্রাইভেসি পলিসি পেজ, এবাউট পেজ, কন্টাক্ট পেজ ইত্যাদি) অনেক গুরুত্ব বহন করে যা অনেক নতুন ব্লগাররাই তাদের ব্লগ সাইটে পাবলিশ করতে ভুলে যান। এই পেজগুলো গুগল অনেক পছন্দ করে এবং আপনার ব্লগকে আরো বেশী ইউজার ফ্রেন্ডলী করে তোলে।
৫. কন্টেন্ট সম্পর্কে সচেতন থাকুন
গুগল এডসেন্স পলিসি অনুযায়ী আপনি আপনার সাইট/ব্লগে কোন কপিরাইটেড কন্টেন্ট, ইমেজ বা ভিডিও পাবলিশ করতে পারবেন না। এতে করে আপনি এডসেন্স এর অনুমতি পাবেন না, আর যদিও পান তাহলে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। তাই ব্লগে কপিরাইটেড কোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. পোষ্ট লিমিট
এডসেন্স এ আবেদন করার পূর্বে আপনার ব্লগে কমপক্ষে ৪০-৫০টি পোষ্ট থাকলে খুব সহজেই আপনি এডসেন্স এর অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন পোষ্টগুলো যাতে কমপক্ষে ৫০০-৬০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয় এবং কিছু পোষ্ট যাতে ১০০০-১৫০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয়।
৭. নাম, ইমেল এবং বয়স এর ভেরিফিকেশন
অনেকেই নাম এবং ইমেল ভেরিফিকেশন কে গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু এটাও এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য একটি ফ্যাক্টর। আপনার ব্লগের এবাউট এবং কন্টাক্ট পেজ এ অবশ্যই আপনার আসল নাম আর ইমেইল আইডি দিবেন।
এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে আপনার বয়স অবশ্যই কমপক্ষে ১৮+ হতে হবে।
৮. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনুন
এডসেন্স থেকে ভালো পরিমান উপার্জন করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অবশ্যই ভালো পরিমান ভিজিটর আপনার ব্লগে আসতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০-৩০০ ভিজিটর হলে খুব সহজেই এডসেন্স এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন।
৯. অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক অপসারণ করুন
আপনি যদি বর্তমানে ব্লগে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক (যেমনঃ ইনফোলিঙ্কস, চিঠিকা ইত্যাদি) ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই ঐ এড নেটওয়ার্কগুলো ব্লগ থেকে অপসারণ করতে হবে।
১০. পেইড ট্রাফিক
এডসেন্স এর পলিসি অনুযায়ী আপনার ব্লগের জন্য পেইড ট্রাফিক ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি ব্যবহার করে তাহলে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাবেন না।

08/07/2021

এ বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর জন্য কিছু তথ্য:-

ফাইভারে নতুন প্রোফাইল এবং গিগ তৈরি করে পাবলিশ করার পর সেটা সার্চ লিস্টে শো করতে কম বেশি সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে ভাগ্য ভাল হলে অনেকের টা সাথে সাথেই সার্চ রেজাল্টে চলে আসে। সার্চ রেজাল্টে আসার পর সেটা রেঙ্কিং ঠিক করা এবং সেখান থেকে প্রথম অর্ডার পাওয়ার জন্য একটু বেশিই অপেক্ষা করা লাগে। কারো জন্য সেই অপেক্ষা ১-২ দিন, কারো ১০-১৫ দিন বা কারো হয়তো ৬ মাসের বেশি। সব কিছু আপনার ভাগ্য এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য বিষয় মিলে বিবেচিত হয়।
আপনি ইচ্ছে করলেই এতদিন অপেক্ষা না করেও যেদিন গিগ পাবলিশ করেছেন সেদিন থেকেই হয়তো আপনার অর্ডার পাওয়া শুরু করতে পারেন। আর সেটা হল Buyer Request এ Apply করার মাধ্যমে। আমার প্রথম অর্ডার Buyer Request থেকেই পেয়েছিলাম। Buyer Request এ কিভাবে Apply করবেন সেটা জানার জন্য ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও আছে। একটু খুঁজে দেখে নিতে পারেন। How to apply buyer request in fiverr লিখে সার্চ দিলেই হবে। তবে সেই ভিডিও গুলোতে যে জিনিসটা শিখানো হয় সেটা হল নিজে ফেক বায়ার সেজে ফেক জব পোষ্ট করা এবং অন্য সেলারদের রেসপন্স থেকে ম্যাসেজ লিখার আইডিয়া কপি করা। আমার কাছে এটা ফালতু একটা বিষয় মনে হয়। আমি নিজে এরকম বায়ার রিকুয়েস্ট পেলে Apply করার পর যদি দেখি সে একজন নতুন সেলার, আমি তার আইডিতে রিপোর্ট মেরে দেই।
Buyer Request এ ম্যাসেজ লেখা নতুনদের জন্য বিরাট একটা সমস্যা! আমি নিজেও যখন নতুন ছিলাম তখন অনেক কিনফিউসনে থাকতাম এই বিষয় নিয়ে। তাই নতুনদের জন্য কিছু লিখলাম নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। আশাকরি অনেকের উপকারে আসবে।
প্রথমে বলি বায়ার রিকুয়েস্ট পাবেন কখন?
সাধারনত বাইরের দেশে সকালে, দুপুরে, সন্ধায় বায়াররা জব পোষ্ট করে। সেই অনুযায়ী ওদের সকাল মানে আমাদের সন্ধ্যা ৬-৯ টা, ওদের দুপুর বা লাঞ্চ আওয়ার মানে আমাদের রাত ১-৩ টা, ওদের সন্ধ্যা বা রাত মানে আমাদের সকালে ৯-১১ টা। এই সময় গুলো ছাড়াও অন্য সময়েও দেখতে পারেন যদি কোন Buyer Request পাওয়া যায়।এবার আসি বায়ার কে কি ম্যাসেজ লিখবেন সে বিষয়ে। বায়ার রিকুয়েস্টে কখনোই রবোটিক টাইপ কিছু লিখবেন না। মানে টেক্সট পড়লেই যেন মনে না হয় যে এটা রোবট লিখছে। এরকম রিকুয়েস্ট হাজারটা পাঠালেও লাভ হবে না।
সবার আগে মনোযোগ দিয়ে বায়ার কি লিখেছে সেটা পড়ুন। সে কি কাজ করাতে চাচ্ছে সেটা আগে বুঝুন। আপনি সেই কাজ ভাল মতো পারেন কিনা সেটা দেখুন। কাজ টি তার কতদিনের মধ্যে লাগবে সেটা দেখুন। সব কিছু দেখে যদি বুঝেন যে আপনি পারবেন তাহলে এবার রিকুয়েস্টে এপ্লাই করেন।
কি লিখবেন?
এমন কিছু যেটা আর বাকি ১০ জনের থেকে আলাদা। এমন কিছু যেটা চোখে পড়া মাত্র রবোটিক মনে হবে না। এমন কিছু যেটা পরে বায়ার আপনার প্রোফাইলে আসতে বাধ্য হবে। যেটা দেখে মনে হবে আপনি আসলেই বায়ারের কি রিকুয়েস্ট ছিল সেটা মনোযোগ দিয়ে পড়েই তার কাজের জন্য এপ্লাই করেছেন।
এগুলোর যথাযথ না থাকলেই বায়ার আপনার পাঠানো প্রপোজাল না পড়েই বাদ দিয়ে দিবে। কারন আপনি বাকিদের মতই একই ধরনের মুখস্ত করা কমন লেখা লিখছেন।
নিচের Buyer Request টি খেয়াল করেন-
I am looking for someone who can collect at least 700 leads for my agency, I need business owners contact information who lives in California.
Delivery time- 7 Days
Budget- 300 USD
এখানে বলা হচ্ছে যে তার এজেন্সির জন্য ৭০০ লিড লাগবে এবং সেগুলো California অবস্থিত business owners দের। সেটা তার ৭ দিনের মধ্যেই লাগবে।
এখন আপনি কি লিখবেন?
Hi Sir/Madam, I am তমুক। I can do your work. please give me the order. I am new please give the order. I will satisfy you with my work. হেন তেন হাবি যাবি ব্লা ব্লা ব্লা... লাভ নাই। এভাবে লিখি বলেই ঘোড়ার ডিম পাই। কাজ আর পাই না।
আপনি লিখতে পারেন এভাবে...
Hi, I just saw your job post that you are looking for business owners leads for your agency. I can provide your targeted leads like business owners NAME, EMAIL, PHONE NUMBER, POSITION, WEBSITE LINK, SOCIAL MEDIA PROFILES LINK, EMPLOYEE TYPE, EMPLOYEE SIZE, BUSINESS LOCATION etc within your FIXED TIME. And I will charge (আপনার বাজেট লিখবেন) for that. If its ok for you then please INBOX ME for further discussion. I will be happy to help you. Here’s my portfolio: (আপনার পোর্টফলিও লিঙ্ক দিবেন) Thank you.
এরকম ভাবে লিখলে বায়ার বুঝবে যে আপনি আসলেই তার লিখা ভাল মতো পড়েছেন। তখন সে আপনাকে নক করতে বাধ্য যদি আপনার কপাল ভাল হয়। আপনার লেখায় প্রধান যে বিষয় গুলো সেগুলো Capital Letter এ লিখে দিবেন যেমন টা আমার উপরের লেখায় আছে। তাতে মেইন জিনিস গুলো বায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। যেমন- সময়, বাজেট, কি কি দিচ্ছেন, আপনাকে ইনবক্স করতে বলা এসব জিনিস Capital করে দিবেন।
আরেকটা সমস্যা হল ফাইভারে বায়ার রিকুয়েস্ট বেশিক্ষণ থাকে না। তাই এত কিছু লিখে সাথে সাথে সেন্ড করা সম্ভব হবে না। তাই আপনি আগে থেকেই এরকম ৩/৪ টা ডেমো টেক্সট লিখে ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করে রাখতে পারেন। রিকুয়েস্ট পড়ে সেই মতো শুধু service এর নাম আর সময় বা বাজেট এগুলো পরিবর্তন করে সেন্ড করে দিবেন কপি পেস্ট করে। কিভাবে সেন্ড করবেন সেটার জন্য ভিডিও দেখার কথা শুরুতেই বলেছিলাম।
তবে একই টেক্সট এক নাগারে অনেক দিন ব্যাবহার করবেন না। লেখার ধরন চেঞ্জ করবেন। একই কথা অন্য ভাবে ঘুরায় লিখে নতুন করে আবার ৩/৪ টা তৈরি করবেন।
বায়ার কে Sir/ Madam কিছু বলার দরকার নাই। সে আপনার Boss না যে তাকে Sir/Madam ডেকে ডেকে মুখে ফেনা তুলে ফেলবেন। Hi বা Hi there বা Hello দিয়ে শুরু করতে পারেন। বায়ার কে Boss নয় বন্ধুর মতো ভাবুন। তাহলে কাজ করতে সুবিধা হবে।
সবশেষে বলবো ইংলিশে ভাল হতে হবে। ইংলিশ বোঝা এবং ইংলিশে লেখার জন্য যত টুক ভাল হওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটুকই ভাল হতে হবে। তার চেয়ে বেশি হতে পারলে আরও ভাল। কারন আপনি সুন্দর বায়ার রিকুয়েস্ট লিখলেন কিন্তু তাতে ১০১ টা গ্রামাটিকেল ভুল করে আছেন। তখন কোন লাভ হবে না কিন্তু। বায়ার আপনার ভুল ইংলিশ দেখেই দৌড় দিবে সে আপনি তারে কাজ ফ্রি করে দেয়ার অফার ই দেন না কেন! সো ইংলিশ এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আরেকটা কথা আমি যে ডেমো টেক্সট লিখে দিলাম এটাই আবার সবাই কপি পেস্ট করে দেয়া শুরু করবেন না কিন্তু। এটার মতো করে নিজের ব্রেইন কাজে লাগিয়ে নিজের মতো করে কিছু লিখবেন।
সব কিছু আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। সো ভুল থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কমেন্ট বক্স তো খোলাই আছে...লিখতে পারেন!



ফাইভারে গিগ ইমেজ আপনাকে ক্লায়েন্ট/বায়ার পেতে অনেক সহযোগিতা করবে।একজন বায়ার প্রথমে আপনার দেয়া ফিচার ইমেজ এবং টাইটেল দেখে...
22/06/2021

ফাইভারে গিগ ইমেজ আপনাকে ক্লায়েন্ট/বায়ার পেতে অনেক সহযোগিতা করবে।একজন বায়ার প্রথমে আপনার দেয়া ফিচার ইমেজ এবং টাইটেল দেখেই সিদ্ধান্ত নেবে, যে সে আপনার গিগে ক্লিক করবে কি না। এছাড়াও আপনি নিজে যখন রিসার্চের জন্য অন্য কারো গিগ ভিজিট করেন তখন কি দেখে একটা গিগে প্রবেশ করেন? নিশ্চয়ই টাইটেল এবং ইমেজ। ঠিক একইভাবে বায়ার/ ক্লায়েন্ট আপনার গিগ ইমেজ দেখে আকর্ষিত হয়ে গিগে প্রবেশ করবে। (কেননা কথায় আছে আগে দর্শনদারী তারপর গুণবিচারী) ভাগ্য ভালো থাকলে অর্ডারও পেয়ে যেতে পারেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনার গিগ তৈরির ক্ষেত্রে থাম্বেল ইমেজের প্রতি আলাদা নজর দিতে হবে।

✅✅ফাইভারে গিগ ইমেজে তৈরির ক্ষেত্রে যা যা করা উচিত এবং যা যা করা উচিত নয় তা নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

☑️গিগ ইমেজ তৈরির করার সময় আপনাকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলতে হবে। আর আপনি এই বিষয়গুলো সঠিক ভাবে করতে পারলে অবশ্যই আশা করা যায় আপনার গিগ র‍্যাঙ্ক হবে।

➡️ Quality:
গিগের ফিচার ইমেজের জন্য আপনি যে ইমেজটি পছন্দ বা তৈরি করবেন তার কোয়ালিটি(high-resolution images) অবশ্যই ভালো হতে হবে। অর্থাৎ কোন রকম low quality image ব্যবহার করা যাবে না। অনেক সেলারকে দেখা যায় গিগের ইমেজ কোয়ালিটির দিকে বিশেষ নজর রাখে না। এতে বায়ার আপনার সার্ভিসের ব্যপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারে। ভাবতে পারে আপনার সার্ভিসও হয়ত ইমেজের মতোই লো- কোয়ালিটির। তাই গিগ ইমেজ তৈরি করার সময় হাই কোয়ালিটি বজায় রাখুন।

➡️ Copyright:
কপিরাইট ইমেজ অর্থাৎ Stock Image ব্যবহার করবেন না। এমনকি অন্য কারো ডিজাইন করা ইমেজ বা গুগল থেকে ডাউনলোড করেও ব্যবহার করবেন না। ফাইভার তাদের Terms & Conditions এ Copyright এর ব্যাপারটি খুব কঠোরভাবে পালন করে। সুতরাং Copyright Image ব্যবহারের ফলে আপনার গিগ র‍্যাঙ্ক তো করবেই না, বরং একাউন্ট ব্যান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

➡️ Clickbait:
ইমেজের মাঝে কোন ক্লিক লেখা বা সিম্বল বা আইকন ব্যবহারকে Clickbait বলা হয়। এই ধরেনের কোন Clickbait Symble ব্যবহার করা যাবে না। এতে গিগ র‍্যাংকিং কমে যায়।

➡️ ইমেজের সাইজ ও অনুপাত ঠিক রাখুন:
গিগের ফিচার ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক সাইজ ও Proportions অনুসরণ করুন। ইমেজের অনুপাত ঠিক রাখতে বর্তমান (Recommended image size is 1280 x 769 px, 72 Dots Per Inch (DPI).
Minimum: 712 x 430 px)
পূর্বে ছিল ( 550 Pixels by 370 Pixels) রেশিও মেইন্টেইন করে গিগ ইমেজ তৈরি করুন। এই মাপের ইমেজ তৈরি করলে তা আপনার গিগে সুন্দরভাবে মানানসই এবং ফিট হবে।

➡️ Badges:
সেলারদের সেল অনুযায়ী ফাইবার badge (level 1, level 2,top rated) প্রদান করে। কিন্তু আপনি ফাইভারে কত নম্বর সেলার এটা badge হিসেবে গিগ বা প্রোফাইল ইমেজে ব্যবহার করা যাবে না। আপনি ফাইভারে কোন পজিসনের সেলার সেটা বায়ার আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবে। তাই গিগ ইমেজে এই ধরনের badge এর ছবি যুক্ত করা উচিত না।

➡️ ছবিতে অতিরিক্ত লেখা পরিহার করুন:
অনেককেই ইমেজের মাঝে অনেক বেশি পরিমাণে টেক্সট ব্যবহার করেন। ফলে বায়ার কনফিউসড হয়ে যায়। তাছাড়া এতে করে গিগের ইম্প্রেশন ভালো হয় না। সর্বদা চেষ্টা করবেন গিগ ইমেজ যতটুকু পারা যায় ক্লিন রাখা। অর্থাৎ খুবই অল্প কথায় আপনার সার্ভিস সম্পর্কে ক্লায়েন্টকে বোঝানো।

➡️ কম কনটেন্ট ব্যবহার করুন:
গিগ ইমেজে অতিরিক্ত কনটেন্ট ব্যবহার পরিহার করুন। যেমন, আপনি আপনার বায়ারকে যে সার্ভিস দিচ্ছেন সেই সার্ভিস এর মূল কয়েকটি টপিক উল্লেখ করাই শ্রেয়। কখনোই একটি ইমেজ অতিরিক্ত কনটেন্ট দিয়ে হিজিবিজি করে ফেলবেন না। মূল কথা, যতটুকু জায়গা খালি রেখে মিনিমাল ইমেজ তৈরি করা যায় ততই ভালো।

➡️ একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না:
আপনার যদি একাধিক গিগ থাকে তাহলে একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি গিগের জন্য ইউনিক ফিচার ইমেজ ডিজাইন করার চেষ্টার করুন এবং আপার সার্ভিসকে আলাদাভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন।

➡️ নিজের সত্যিকারের ও প্রফেশনাল ছবি দিন:
ইমেজে নিজের ছবি দেয়াটা বাধ্যতামূলক কোন শর্ত নয়। কিন্তু আপনি যদি নিজের ছবি আপনার গিগের ফিচার ইমেজে যুক্ত করতে চান, তাহলে রিয়েল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রফেশনাল মানের ইমেজ ব্যবহার করুন।

➡️ অপ্রাঙ্গিক ইমেজ ব্যবহার করবেন না:
আপনার সার্ভিসের সাথে সামঞ্জস্যতা আছে এমন ইমেজ সর্বদা ব্যবহার করবেন। ধরুন, আপনি দিচ্ছেন Digital Marketing এর সার্ভিস, কিন্তু ইমেজে ব্যবহার করেছেন লোগোর আইকন। এর ফলে বায়ার আপনার সার্ভিস নিয়ে সন্দেহ পোষণ করবে। সুতারং এই ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।

Debashish Karmaker


20/06/2021

নিজে নিজে কিভাবে ডিজিটাল মার্কটিং কিভাবে শিখবেন?
আপনি অনেকভাবেই শিখতে পারবেন। এখন কথা হল, কিভাবে শিখলে আপনি সহজেই শিখতে পারবেন। তাই প্রথমে নিজে নিজে একটু ধারণা নেয়া ভাল।

গুগলের প্রফেশনাল ফ্রি কোর্সটি করতে পারেন।
https://learndigital.withgoogle.com/digitalgarage/course/digital-marketing

➡️নিজে নিজে শিখাঃ

নিজে নিজে শিখার জন্য আপনাকে গুগল এবং ইউটিউব থেকে একটা একটা সার্চ করে খুজে খুজে শিখতে হবে। আপনার অজানা সবকিছুই গুগল এবং ইউটিউব থেকে শিখে নিতে পারবেন।

নিজে নিজে শিখার ক্ষেত্রে যেভাবে শিখবেন।
তাদের জন্য আমার ছোট একটা টিপস, নিচে দেখেন প্রায় ৪০টা প্রশ্ন দিয়েছি। প্রশ্ন গুলো প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে একটা একটা করে রিসার্চ করতে হবে, গুগল, ইউটিউবে।

উদাহরণসরূপ –
=> What is Digital Marketing? এই কীওয়ার্ড টা প্রথমে নিবেন, তারপর গুগলে সার্চ দিবেন, যে ওয়েবসাইট গুলো আসবে, সেগুলো থেকে প্রথম ৫/৬ টা সাইটে ভিজিট করবেন এবং মনোযোগ সহকারে প্রতিটা কন্টেন্ট পড়ার চেষ্টা করবেন।

=> গুগলে রিসার্চ করার পর ইউটিউবে যাবেন, একই ভাবে সার্চ করবেন, ইউটিউব থেকেও ৫-৬ টা ভিডিও দেখার চেষ্টা করবেন। আশা করি, অনেকটা ধারণা পেয়ে যাবেন। অন্নতপক্ষে বেসিক একটা স্বচ্ছ ধারণা পাবেন।

=> এইভাবে ৪০টা প্রশ্ন রিসার্চ করুন, ধাপে ধাপে।
01. What is Digital Marketing?
02. What is the difference between digital marketing and internet marketing?
03. What is the difference between digital marketing and traditional marketing?
04. What are the types of digital marketing?
05. What are the benefits of digital marketing
06. Why digital marketing is so important?
07. Is Digital Marketing the future?
08. What jobs are in digital marketing?
09. What skills do you need for digital marketing?
10. How to become a digital marketer?
11. What is the Website?
12. What are domain and hosting?
13. How to buy domain and hosting?
14. What is a niche?
15. What is Blog?
16. What is the difference between website and blog?
17. Blog or website which is better?
18. What is the difference between blog and vlog?
19. How to start an online blog?
20. The free website creates the list.
21. What is SEO?
22. What is SEM?
23. What is SMM?
24. What is PPC?
25. What is CPC?
26. What is Email Marketing?
27. What is Affiliate Marketing?
28. What is CPA Marketing
29. What is Content Marketing?
30. What is Inbound Marketing?
31. What is E-commerce marketing?
32. What is the difference between SEO and SEM
33. What is the difference between SEO and SMM
34. What is the difference between SEO and PPC
35. What is the difference between PPC and CPC
36. Which is better SEO or SEM?
37. Why SEO and SMM are more important?
38. Digital Marketing glossary.
39. Introduce Digital Marketing experts in the world.
40. Some important websites for learning Digital Marketing update.

যে ওয়েবসাইট গুলো ফলে করবেন।

SmartBlogger.com
Copyblogger.com
https://neilpatel.com/
https://blog.hubspot.com/
https://moz.com/blog
http://www.seobook.com/blog
https://cognitiveseo.com/blog/
https://www.wordtracker.com/blog
https://yoast.com/seo-blog/
https://www.crazyegg.com/blog/
https://backlinko.com/blog
https://buffer.com/resources/
https://www.socialmediaexaminer.com/

➡️ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আপনি কি কি করতে পারবেন?:-
প্রথমেই বলেছি, এই সেক্টরটা অনেক বড় এক্ষেত্রে আপনার কাজের কখনো অভাব হবে না। তারপরও কয়েকটা মাধ্যম সম্পর্কে জেনে নিই।

✅✅মার্কেটার হিসেবে কাজ করা:-

প্রত্যেক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, কোম্পানির প্রচারণা করার জন্য একজন মার্কেটার এর প্রয়োজন হয়। তারা প্রতিনিয়ত একজন প্রফেশনাল মার্কেটার খুঁজে থাকে। এতে আপনি যদি একজন প্রফেশনাল মার্কেটার হন তাহলে আপনি এদের হয়ে কাজ করতে পারবেন।

✅✅ফ্রিলান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেস এ কাজ করা:-

ফাইভার, আপওয়ার্ক এর মত ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে ডিজিটাল মার্কটিং এর অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি একজন ফ্রিলান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে পারবেন।

✅✅সার্ভিস দেওয়া:-

আপনার যে দক্ষতা গুলো আছে সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন সার্ভিস দিতে পারেন। যেমন: এসইও সার্ভিস, মার্কেটিং সার্ভিস, কনটেন্ট তৈরি সার্ভিস ইত্যাদি। আপনি পার্টটাইম বা নির্দিষ্ট কাজের পরিমাণ অনুযায়ী পেমেন্ট ধার্য করে দিতে পারেন।

✅✅কোর্স করানো:-

এই সেক্টর এ আপনি যখন একেবারে মাস্টার হয়ে যাবেন তখন আপনি অনলাইনে বা অফলাইনে কোর্স করাতে পারেন। এতে নিজের ব্র্যান্ড ভালো বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি নিজের দক্ষতা আরো বাড়বে।

✅✅নিজে ব্যবসা করা:-

আপনার যখন মার্কেটিং সম্পর্কে ধারনা তাকবে, আপনি নিজেই যখন মার্কেটিং করবেন তখন আপনি সহজেই সামান্য পুঁজি দিয়ে অনলাইন বা অফলাইনে যেকোন একটা ব্যবসা করতে পারবেন। এরপর আপনি নিজেই সঠিকভাবে প্রচারণা করে ব্যবসাটাকে আরো করে নিতে পােবেন।

Debashish Karmaker



20/06/2021

আজকে আমারা জানবো ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে কেননা একমাত্র ডিজিটাল মার্কেটিং করেই সবথেকে কম সময়ে অনলাইনে উপার্জন করা সম্ভবঃ-

➡️ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল ডিভাইস এবং প্রযুক্তি (মোবাইল, কম্পিউটার, ইন্টারনেট ইত্যাদি) ব্যবহার করে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণা করাই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। যেটাকে অনলাইন প্রচারণা ও বলা হয়।

উইকিপিডিয়ার মতে,
Digital marketing is the marketing of products or services using digital technologies, mainly on the Internet, but also including mobile phones, display advertising, and any other digital medium.

➡️ডিজিটাল মার্কেটিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একসময় ছিল যখন বাজারে নতুন কোন পণ্য আসলে তাদের কিছু কর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে সেই পণ্য সম্পূর্ন সবাইকে জানিয়ে দিত এবং তাদেরকে কেনার আকৃষ্ট করত। বর্তমানে সেই প্রচারণা গুলো অনলাইনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব সহজেই করা যাচ্ছে। গ্রাহকের কাছে পণ্যের গুণাগুণ, প্রয়োজনীয়তা সবকিছুই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে।

এছাড়া বর্তমান সময়ে ৪০০ কোটির বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতেছে এবং এই ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাহলে আপনি একবার ভেবে দেখুন আপনার ব্যবসার বা পণ্যের মার্কেটিং টা যদি অনলাইনে করেন তাহলে কি পরিমান কাস্টমার আপনি পেতে পারেন। এজন্য প্রতিটা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে অনলাইন প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ।

➡️ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

ডিজিটাল পদ্ধতিতে মার্কেটিং করার অনেক মেথড আছে। আপনার ব্যবসায়ের জন্য কোন মেথডটা বেশি কার্যকর, আপনার পণ্যটি কোন মেথডে সহজে গ্রাহকের কাছে পৌছাতে পারবেন তা আপনাকে খুজে বের করতে হবে। এরপর আপনাকে সেই মেথডেই মার্কেটিং করতে হবে।

➡️সেরা কয়েকটি মেথডঃ-

✅Search Engine Optimization
✅Search Engine Merketing
✅Social Media Merketing
✅Social Media advertising
✅Music promotion
✅Affiliate Merketing
✅Content Merketing
✅Email Merketing
✅Display Advertising
✅Viral Merketing

✅✅Search Engine Optimization:-

Search Engine Optimization এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল SEO.
গুগল, ইয়াহু, বিং এর মত সার্চ ইজ্ঞিন গুলোতে নিজের ওয়েবসাইটকে, নিজের প্রোডাক্ট গুলোতে সবার প্রথমে নিয়ে আসাটাই হল এসইও এর কাজ। বর্তমানে প্রত্যেকে কম-বেশি ব্রাউজার ব্যবহার করে। এখন প্রত্যেকে কোন একটা প্রোডাক্ট নেওয়ার আগে গুগল এ সার্চ করে জেনে নেই ঐ প্রোডাক্টটি সম্পর্কে বিস্তারিত। এরপর তার প্রোডাক্টটি ভাল লাগলে সে অর্ডার করে দেয়।

এখন আপনার সাইটটি যদি সার্চইজ্ঞিন এর প্রথমে না থাকে তাহলে আপনি কখনো ভিজিটর পাবেন না। আর ভিজিটর নেই মানে আপনার বিক্রি নেই। এজন্য আপনার ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্ট পেইজ গুলোকে এসইও করা প্রয়োজন এবং গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এই সেক্টর এর ভ্যালো মার্কেটে সবচেয়ে বেশি।

✅✅Search Engine Merketing:-

Search Engine Merketing এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল SEM. যাকে পেইড মার্কেটিং ও বলা হয়।
নিজেদের ওয়েবসাইট বা প্রোডাক্ট পেইজ গুলোকে টাকা ব্যায়ের মাধ্যমে যখন সবার সামনে মার্কেটিং করাই হল এসইএম। আমরা যখন গুগলে সার্চ করি তখন আর্গনিক রেজাল্ট এর উপরে কয়েকটা রেজাল্ট থাকে যা পেইড রেজাল্ট। যেগুলোতে এ্যাড লেখা থাকে। এই কাজটি সঠিকভাবে করতে একজন মার্কেটার এর প্রয়োজন হয়। অন্যতায় সঠিকভাবে করতে না পারলে আপনার টাকা এবং শ্রম দুইটাই ব্যার্থ।

✅✅Social Media Merketing:-

Social Media Merketing কে সংক্ষেপে SMM বলা হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, পিন্টারেস্ট) ব্যবহার করে যে মার্কেটিং করা হয় তা হল সোশিয়াল মিডিয়া মার্কেটিং।
বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে ৩০০ কোটির বেশি সোশিয়াল মিডিয়া ব্যবহারকারী রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত সোশিয়াল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করতেছে।

এই ব্যাপক পরিমাণ ব্যবহারকারীর কাছে যদি আপনি সঠিকভাবে আপনার পণ্যের প্রচারণাটা করতে পারেন তাহলে আপনার কাস্টমার এর অভাব হবে না।
এছাড়া অনেক কোম্পানি সোশিয়াল মিডিয়াকে তাদের প্রচারণার প্রধান মাধ্যম হিসেবে নিয়েছে। শুধুমাত্র সোশিয়াল মিডিয়ার মাধ্যমেই নতুন একটি ব্যবসা চালু করা সম্ভব এবং অনেকেই করতেছে। এজন্য মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সোশিয়াল মিডিয়া সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

✅✅Social Media advertising:-

Social Media advertising হচ্ছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া দ্বারা নিজের সার্ভিস অথবা পণ্য অথবা যে কোন কিছুকে প্রচার করা বা সবার মাঝে শেয়ার করা।

✅✅Music promotion:-

বর্তমান সময়ে অনলাইন মিউজিক বেশি প্রচলিত। কেননা মানুষ ডিজিটাল হয়ে পূর্বের ন্যায় রেডিও কিংবা টেলিভিশন কিংবা অন্যান্য মিউজিক্যাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেনা। বর্তমান সময়ে সবাই অনলাইনে মিউজিক শুনে বা শুনতে পছন্দ করে আপনি যদি ইচ্ছা করেন এই মিউজিক প্রমোশন নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে পারেন এবং খুব সহজেই উপার্জন করতে পারেন।

✅✅Affiliate Merketing:-

বড় বড় কোম্পানি গুলো তাদের ব্যবসায়ের বিক্রি বৃদ্ধির জন্য তারা অ্যাফিলিয়েট সিস্টেম চালু করে রাখে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল নিজেদের পণ্য গুলো অন্যের মাধ্যমে বিক্রি করা। অর্থাৎ আপনি ঐ কোম্পানির তৃতীয় ব্যাক্তি হয়ে দ্বিতীয় ব্যাক্তির কাছে তাদের পন্য বিক্রি করা। বিক্রয়টি আপনার মাধ্যমে হওয়াই আপনি নির্দিষ্ট পরিমানের কমিশন আপনাকে দেওয়া হবে। এতে কোম্পানি এবং তৃতীয় ব্যাক্তি দুজনেই লাভবান।

বর্তমানে প্রত্যেকটা কোম্পানিই তাদের ব্যবসায়ে অ্যাফিলিয়েট সিস্টেম রাখে। একটা ব্যবসায়ের ব্র্যান্ড তৈরির ক্ষেত্রে, পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অ্যাফিলিয়েট সিস্টেমটা অনেক বেশি কার্যকর। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাফিলিয়েট কোম্পানি হচ্ছে এমাজন। এমাজন এর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করেও আপনি ভালো কমিশন অর্জন করতে পারবেন।

✅✅Content Merketing:-

মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল কনটেন্ট। কনটেন্ট হল আমরা যেকোন কিছু হতে পারে, যেমন: ছবি, অডিও, ভিডিও, টেক্স ইত্যাদি। আপনি যখন প্রচারণা করবেন তখন আপনাকে কনটেন্ট গুলো সঠিকভাবে, সঠিক যায়গায়, সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার ফলাফলও সঠিকভাবে পাবেন। সুতরাং, আপনার পণ্যের প্রচারণার ক্ষেত্রে আপনার কনটেন্ট কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

✅✅Email Merketing:-

ইমেইল এর মাধ্যমে নিজেদের পন্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহকদের জানিয়ে দেওয়ায় হল ইমেইল মার্কেটিং।
ডিজিটাল প্রযুক্তির এই সময়ে প্রত্যেকের একটা দুইটা ইমেইল এড্রেস থাকে এবং সবাই প্রতিদিন কম-বেশি তাদের ইমেইল বক্স চেক করে। এতে আপনার পাঠানো মেইলটি চেক করে তারা নতুন পণ্য সম্পর্কে বা বিভিন্ন অফার সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনার গ্রাহকদেরকে ইমেইল মার্কেটিং করতে বিভিন্ন ফর্ম ফিল-আপ বক্স এর মাধ্যমে তাদের ইমেইর গুলো সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

✅✅Display Advertising:-

প্রচারণার মাধ্যম গুলোর মধ্যে এটিও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় আমারা বিভিন্ন ধরনের পণ্যের বা সার্ভিসের এ্যাড দেখতে পায়, তাই হলো ডিসপ্লে এ্যাডভারটাইজিং।
প্রতিনিয়ত প্রত্যেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এতে আপনার প্রচার এ্যাড গুলোর মাধ্যম তারা আপনার কোম্পানি, সেবা বা পণ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

✅✅Viral Merketing:-

এই মাধ্যমটি অন্যসব মাধ্যম গুলো থেকে আলাদা এবং সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। ভাইরাল মার্কেটিং এমন একটা পদ্ধতি যার ফলে মুহুর্তের মধ্যেই আপনার প্রচার করা বস্তুটি সবার কাছে পৌছে যাবে। এই ধরনের প্রচারণা গুলো বাতাসের সাথে সাথে সবার কাছে গিয়ে পৌছায়। এগুলো সাধারনত গ্রাহকের ধারায় হয়ে থাকে। এই মাধ্যমে মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে সবার থেকে আলাদা ভাবে করতে হবে। এমন কিছু করতে হবে যাতে সবাই সেটা নিয়ে একজন অন্যজনের সাথে শেয়ার করে। আর এটাই হল ভাইরাল মার্কেটিং।

উপরের বর্ণিত সবগুলো মেথড ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহারিত হয়। এছাড়া আরো অনেক মেথড রয়েছে, এগুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহারিত।

➡️ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে?

ডিজিটাল প্রযুক্তির এই সময়ে সবকিছু ডিজিটাল ভাবেই সংগঠিত হচ্ছে। আপনি এই আর্টিকেল টা পড়তেছেন তাও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে। প্রতিদিন নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে, নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। এই নতুন সবকিছু মানুষের কাছে জানানোর জন্য একজন মার্কেটার এর প্রয়োজন। এছাড়া পুরাতন ব্যবসায় গুলোতে বিভিন্ন ধরনের নতুন পণ্য আসে। তার জন্য ও মার্কেটিং প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে ৮৬% কোম্পানি তাদের মার্কেটিং এর জন্য ডিজিটাল পদ্ধতি কেই বেচে নিয়েছে। অন্যদিকে এই সেক্টরটা অনেক বড়সড়, তাই এতে কাজের কোন শেষ হবে না। এখন, আপনি নিজেই ভেবে দেখুন ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং কেমন হবে।

☑️☑️কয়েকটি পরিসংখ্যান:-

এটাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়ার কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে,
যেমনঃ বিশ্বে শেরা একশটা চাকরির মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং ৩১ তম।😎
এছাড়া একজন ডিজিটাল মার্কেটার এর বাৎসরিক আয় ৮৯ লক্ষ টাকা।🤑
ডিজিটাল মার্কেটার এর বেকারত্বের হার ১.৮%

Debashish Karmaker



Address

Panchagarh
5000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LEDP Marketer Debashish posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to LEDP Marketer Debashish:

Share