OMAR FARUK TV

OMAR FARUK TV Islamic page

04/03/2026

পবিত্র রমজানের কোরআন তেলাওয়াতের নেকি অনেক বেশি||ওমর ফারুক||২০২৬||

22/02/2026

☘️যে আমলে পরিপূর্ণ রোজার সাওয়াব পাওয়া যায়||ওমর ফারুক|| ২০২৬||

19/02/2026

এ রমাজানে আমাদের টার্গেট হওয়া উচিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা। এবং সাধ্যমত কোরআন তেলাওয়াত করা। মিথ্যা পরিহার করা ।বেশি বেশি দান সদকা করা ।পাশাপাশি আল্লাহর সমস্ত বিধান পালন করা।

07/02/2026

রিযিক খুব অদ্ভুত ,আপনি চাইলেই বাড়াতে পারবেন না, কমাতেও পারবেন না, অন‍্যেরটা নষ্ট করবেন, নিজেরটা নষ্ট হবে, যা পূর্ব নির্ধারিত, আপনি না চাইলেও আসবে, যা আপনার না, যতই চান পাবেন না!
তবে দোয়া এবং আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখলে রিযিক বৃদ্ধি হতে পারে।

এই শহরে কাকে বিশ্বাস করবেন? শিক্ষা নগরী  রাজশাহী আজ পা*পে*র নগরীহিজাব আর বোরখা দিয়ে ঢাকা না*রী*রাও প*র*কী*য়া অথবা প্রে...
02/02/2026

এই শহরে কাকে বিশ্বাস করবেন? শিক্ষা নগরী রাজশাহী আজ পা*পে*র নগরী

হিজাব আর বোরখা দিয়ে ঢাকা না*রী*রাও প*র*কী*য়া অথবা প্রে*ম করে ব*য়*ফ্রে*ন্ড নামক প"র পু*রু*ষে*র সাথে।

এইসব প্রেমিক-প্রেমিকাকে পাহারা দেওয়ার জন্য থাকে তথাকথিত জাস্ট ফ্রেন্ড বা বেস্ট ফ্রেন্ড।

এসব জাস্ট ফ্রেন্ড ও বেস্ট ফ্রেন্ডরাও সুযোগ বুঝে খেলাধুলা করে সেই মে*য়েটির সাথে

দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী বে-দ্বীন নারীর চেয়ে, সবচেয়ে অসুন্দরী দ্বীনদার স্ত্রী উত্তম৷ কেননা সে-ই জান্নাতের অসীমকালের সঙ্গী ...
19/01/2026

দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী বে-দ্বীন নারীর চেয়ে, সবচেয়ে অসুন্দরী দ্বীনদার স্ত্রী উত্তম৷ কেননা সে-ই জান্নাতের অসীমকালের সঙ্গী হবে!!

বিয়ে করুন পড়ুয়া মেয়ে দেখে। এই কথা টা ধোঁকা ছাড়া কিছু না। ইসলামী বইয়ের স্তুপ সাজিয়ে, শুধু বই পড়ুয়া হলেই সে বিবাহের উপর্যু...
18/01/2026

বিয়ে করুন পড়ুয়া মেয়ে দেখে।
এই কথা টা ধোঁকা ছাড়া কিছু না।
ইসলামী বইয়ের স্তুপ সাজিয়ে, শুধু বই পড়ুয়া হলেই সে বিবাহের উপর্যুক্ত না।

এই জামানায় একটা মেয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পর্দা করা। কো এডুকেশন থেকে বেরিয়ে আসা। স্বামীর আনুগত্য করা। গৃহে অবস্থান করা।

এমন একটা নারী নিজেই গাইরতের লাইব্রেরী। তার বই পড়ার প্রয়োজন নেই (পড়লেও অসুবিধা নেই)।
স্বমীর আনুগত্য করে না, গৃহে অবস্থান করে না। ঐ নারীরা হলো হাজারো বইয়ের মাঝে অঙ্কুরিত হওয়া এক অবাধ্য বৃক্ষ৷

যে বইয়ের জ্ঞান শুষে, দ্বীনের সবুজ পাতা কে। বিষাক্ত পাকা পাতায় পরিণত করেছে।
স্বামীর আনুগত্য নাই। ঐ মেয়ে হাজারো বই পড়ুয়া হতে পারে। তার মন বইয়ের জগতে হলেও৷ তার ঈমান স্বামীর অবাধ্য জগতে।

- Waraqah WQ (ঈষৎ পরিমার্জিত)

☞ প্রশ্নঃ ছেলেরা মেয়েদের সাথে ও মেয়েরা ছেলেদের সাথে ইনবক্সে কথা বলা     জায়েয কি না?☞ উত্তরঃ-  ছেলেরা মেয়েদের সাথে ও মেয়...
18/01/2026

☞ প্রশ্নঃ ছেলেরা মেয়েদের সাথে ও মেয়েরা ছেলেদের সাথে ইনবক্সে কথা বলা
জায়েয কি না?
☞ উত্তরঃ- ছেলেরা মেয়েদের সাথে ও মেয়েরা ছেলেদের সাথে ইনবক্সে দ্বীনি বিষয়েও কথা বলা যাবে না। কেননা, এগুলো নেক সূরতে শয়তানের ধোঁকা।

রেফারেন্সঃ- যেখানে দু'জন বেগানা নারী-পুরুষ নির্জনে একত্রিত হয়, সেখানে তৃতীয়জন হয় শয়তান।
[সহীহ্ : তিরমিযী: ১১৭১]

এখানে নির্জনে নারী-পুরুষ কে একত্রিত হলে স্পষ্ট শয়তানের কথা বলা হয়েছে।

এখন ধরুন, আপনি বা আমি যদি কারো সাথে মোবাইলে কথা বলি, সেটাও নির্জনে একত্রিত হওয়া নয় কি?
কারণ, আমরা মোবাইলে কথা বলার সময় নির্জনেই কথা বলি।
নির্জনে চ্যাটিং/SMS আদান-প্রদান করি। তখন দু'জনের মধ্যে কোনোরুপ বাঁধা থাকে না।

চ্যাটিং করে কথা বল্লে তা থেকে ফিতনা হয় এবং অশ্লীলতার প্রথম ধাপ।
এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক বলেন: "তোমরা অশ্লীলতার ধারে কাছেও যেও না"
[সূরা আল ইসরা ১৭:৩২]

এ বিষয়ে আরো দ্রষ্টব্য—
[সহীহ্ বুখারী: ৬৩৪৩ ও সহীহ্ মুসলিম: ২৬৫৭]

অশ্লীলতা তো দূরের কথা, এক্ষেত্রে বিনা প্রয়োজনে শালীন ভাবে কথাবার্তা বলারও বৈধতা নেই, নন-মাহরাম নারী-পুরুষের মধ্যে। না প্রেম হিসেবে, না বন্ধুত্ব আর না দোস্ত-দোস্ত বলে ডাকা। কোনোটার ই বৈধতা নেই।

এ বিষয়ে আল্লাহ আল্লাহ পাক বলেছেনঃ- ❝পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে,যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে।
তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।
তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে।
মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন
করবে না।❞
[সূরা আহযাব সূরা নং ৩৩: দেখে নিন ৩২ ও ৩৩ নং আয়াত]

চ্যাটিং এ মূলত কথা হয়, ভাইয়া বা আপু কেমন আছো? কি করো? খাবার খেয়েছো? ফ্যামেলির সবাই কেমন আছে?

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝা গেলো এমন আলাপ করা যা স্পষ্ট হারাম।

প্রাসঙ্গিক আলোচনাঃ- ছেলেরা ছেলেদের ইনবক্সে দ্বীনের দাওয়াতি কথা বলতে পারবে বা দ্বীনের দাওয়াত দিতে পারবে ও মেয়েরা মেয়েদের ইনবক্সে দ্বীনি দাওয়াতি কথা বলতে পারবে বা দ্বীনের দাওয়াত দিতে পারবে।
তবে হ্যাঁ যদি একান্ত বিশেষ প্রয়োজন হয় (কোনো উপায় নেই বা মাধ্যমে নেই), (বিশেষ একান্ত কোন প্রয়োজনে) যদি ফিতনা হওয়ার সম্ভাবনা নূন্যতমও না থাকে সেক্ষেত্রে। তাহলে কথা বলা জায়েয যতটুক প্রয়োজন ঠিক ততটুক। পরপুরুষের সাথে কথা বলার সময় আকর্ষণীয় ভঙ্গীতে কথা না বলে, যথাসম্ভব জরুরী কথা সংক্ষেপে তাড়াতাড়ি শেষ করা।
✪ আশা করি বিষয়টা বুঝতে পারছেন।
জাঝাকাল্লাহু খাইরান।

প্রিয় বোন আপনি কার জন্য সাজগোজ করেন?নিজের স্বামীর জন্য, নাকি পরপুরুষকে দেখানোর জন্য?⬇️যদি বলেন, স্বামীর জন্য সাজি—তাহলে ...
18/01/2026

প্রিয় বোন আপনি কার জন্য সাজগোজ করেন?
নিজের স্বামীর জন্য, নাকি পরপুরুষকে দেখানোর জন্য?⬇️
যদি বলেন, স্বামীর জন্য সাজি—তাহলে প্রশ্ন জাগে, কেন শুধু অনুষ্ঠান আসলেই সাজগোজ করেন?

আর যদি বলেন, অনুষ্ঠানের জন্য, তাহলে বলতে হয়—স্বামীর হক নষ্ট করে, দাম্পত্য-জীবন কীভাবে টিকাবেন?

এটা আজকাল বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক নারীরাই সাজগোজ করেন, সাজতে পছন্দ করেন, কিন্তু সেটা নিজের স্বামীর জন্য নয়; বরং বাইরের লোকজনের প্রশংসা কুড়াতে। এমন সাজ, যেন কেউ বলে—'ওয়াও! তোমাকে দারুণ লাগছে!'

আপনি নিজেই একবার খোঁজ নিন—কয়জন নারী আছে, যারা শুধু নিজের স্বামীর জন্য সাজে? খুব বেশি না, হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র। কিন্তু যখন কেউ কারো বাসায় দাওয়াত খেতে যায়, বিয়ের অনুষ্ঠান যায়, কিংবা শপিং -এ—তখন কি কেউ না সেজে বের হয়?

সাজ কি শুধু বাইরের লোকজনের জন্যই হবে? যে মানুষটা আপনার সবচেয়ে কাছের, সবচেয়ে আপন, তার জন্য কি সাজার প্রয়োজন নেই?

আমরা অনেক সময় দেখি, স্ত্রী অভিযোগ করছেন—স্বামী নাকি অন্য মেয়ের দিকে ঝুঁকছে, কিংবা পরকীয়ায় জড়াচ্ছে। এটা যে খারাপ কাজ, সন্দেহ নেই। কিন্তু কখনো কি নিজেকে প্রশ্ন করেছি—স্বামীর মন যে দূরে সরে যাচ্ছে, তার পেছনে আমারও দায় আছে?

পুরুষদের স্বভাবগতভাবেই সুন্দর জিনিসের প্রতি টান থাকে। তারা চায়, ঘরে ফিরলে এক টুকরো প্রশান্তি পাবে—একটা হাসিমাখা মুখ, সুন্দর আচরণ আর সাজানো মনোভাব। কিন্তু যদি স্ত্রী তার প্রতি উদাসীন থাকে, ভালোবাসা প্রকাশে কৃপণ হয়, কিংবা নিজের যত্ন না নেয়—তখন সে ধীরে ধীরে বাইরে ভালোবাসা খুঁজে ফিরবে।

শয়তানের ধোঁকায় পড়ে সে হয়তো ভুল পথেও পা বাড়াতে পারে।

যখন সে দেখে, তার স্ত্রী তার জন্য সাজে না, বাইরের কেউ তার জন্য পরিপাটি হয়ে এসেছে— তখন সে তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাকে দেখে মুগ্ধ হয়।

আরেকজনের সাজগোজে যদি সে মুগ্ধ হয়, তাহলে দাম্পত্য জীবনে ফাঁটল তৈরি হবে না?

আমি কখনো বলছি না, স্বামীর ভুল আচরণ গ্রহণযোগ্য। কিন্তু আমাদেরও তো দায়িত্ব আছে—নিজের পক্ষ থেকে সবটুকু দিয়ে সম্পর্ককে আগলে রাখার।

তাই সাজগোজ কেবল অনুষ্ঠানের জন্য নয়; প্রথমেই হওয়া উচিত স্বামীর জন্য। প্রতিদিন না হোক, অন্তত সপ্তাহে একদিন নিজেকে তার জন্য সাজিয়ে তুলুন।
হালকা একটু প্রসাধন, পরিপাটি পোশাক, আর মিষ্টি করে বলুন—"তোমার জন্য সেজেছি।"

দেখবেন, আপনার প্রতি তার ভালোবাসা যেন নতুন করে জেগে উঠেছে।

পুরুষরা চায়, তার জীবনসঙ্গিনী তার দিকে তাকাক, যত্ন নিক, ভালোবাসায় ভরিয়ে দিক। আপনার সাজ, আপনার মনোভাব, আপনার ভালোবাসাই—তাকে বেঁধে রাখার সবচেয়ে শক্তিশালী বাঁধন।

তাই নিজেকে শুধরে নেওয়ার সময় এখনই।
পরপুরুষের প্রশংসা নয়, নিজের স্বামীর প্রশংসাই হোক আমাদের সাজের আসল উদ্দেশ্য।
~সংগৃহীত
#হাদিস #حديث

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।হাত লাগলেই শেষ। সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।এই হাত লাগা শুধু শারীরিক...
15/01/2026

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।
হাত লাগলেই শেষ।
সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।
এই হাত লাগা শুধু শারীরিক স্পর্শে না,
পুরুষের সঙ্গতায়ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে,
তার লজ্জা তত কমবে।
যেমন-চিত্র নায়িকারা।
বিকিনি পড়তেও দ্বিধা করেনা।
পুরুষের মাঝে থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে।
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া
দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
ইদানিং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের ভূমিকা পালন করছে।-
ফেসবুকে বন্ধু বেশি।
অতি-আধুনিকরা ছেলে বন্ধুর সঙ্গে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে।
ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা বলে- মাইন্ড করলে বলে 'জাস্ট কিডিং, টেক ইট ইজি।'
ইজিলি নিতে নিতে সেই অশালীন বিষয় আর অশালীন লাগে না।
লজ্জা শেষ !
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি!!
কেউ প্রেমে পড়েছে তো,
প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়।
আবার কারো প্রেমে পড়ে।
আবারো চুম্মা-চাটি, আরো কত কি করে !!
আবার ব্রেকাপ।
লজ্জা -শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ হয়ে যায়।
'প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে,
পুরুষের সব বিলীন হয়ে যায়।
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো।
প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে।
পরে ২০-২৫ টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যস !
এক সময় পুরুষের প্রতি ফিলিংস কাজ করেনা।
প্রেমিকের ভালবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে।
কিন্তু স্থির হতে পারে না।
জানাশোনা শেষ হলেই - আর ভালো লাগে না।
বোরিং লাগে।
কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতে ভালবাসার
অনুভূতিই শেষ !
মুরব্বীরা বলতেন বিয়ের পরে মেয়ের
লজ্জা কমে।
বাচ্চা হবার পরে আরো কমে যায়।
তখন বুঝতাম না।
ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
tongue emoticon
এখন বুঝি।
আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিলো পুরুষ।
তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে।
এখন বিয়ে লাগে না পুরুষের কাছে আসতে- ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুক সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।

লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন,
তারপরে মন্তব্য করুন।

আর যাদের এই লেখা পড়ে গায়ে লাগবে লেখাটা বিশেষ ভাবে তাদের জন্য..

আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন যেনো আমাকে তার প্রেমের আসক্তি হবার তৌফিক দান করেন..আমিন

আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন...

আমিন সুম্মা আমিন।
[সংগৃহীত]

নারীর পর্দা এমনই হওয়া উচিত। কিন্তু আজকাল নারীরা পর্দা করতেই চায় না চাইলেও ফ্যাশন করার চেষ্টা করে।।
12/01/2026

নারীর পর্দা এমনই হওয়া উচিত। কিন্তু আজকাল নারীরা পর্দা করতেই চায় না চাইলেও ফ্যাশন করার চেষ্টা করে।।

10/01/2026

😥যারা মেয়েদেরকে স্বাবলম্বী করতে চায় তাদের জন্য||ডক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আবু বকর যাকারিয়া||

Address

Nawabganj, Rajshahi Division, Dhaka
Patgram

Telephone

+8801732565562

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OMAR FARUK TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to OMAR FARUK TV:

Share

Category