Omi's Creations

Omi's Creations ​"Welcome to Omi's Creations! ✨
Where Art meets Life. Exploring the beauty of cooking, embroidery, gardening, and home decor.
(26)

Let’s create beautiful moments together. 🎨🌿🍲"

মৃ'ত্যু''র ঠিক আগে, সে একবার চোখ মেলে তাকিয়েছিল। মাত্র দুই সেকেন্ড।হয়তো ভেবেছিল, এই দুই সেকেন্ডের তাকানোয় কারো মনে এক...
17/09/2026

মৃ'ত্যু''র ঠিক আগে, সে একবার চোখ মেলে তাকিয়েছিল। মাত্র দুই সেকেন্ড।
হয়তো ভেবেছিল, এই দুই সেকেন্ডের তাকানোয় কারো মনে একটু মা"য়া জাগবে। কারো হা*ত থেমে যাবে। কেউ বলবে, "থা'মো, এ তো মানুষ।"

কিন্তু তার ধারনা ভু'ল, কেউ থা'মেনি। সেই দুই সেকেন্ড শেষ হতেই তার মা'থা আবার নি'স্তে'জ হয়ে ঝু’’লে পড়লো।

বৈদ্যুতিক খুঁ’টি’’র সাথে বাঁ’’ধা ছিল দু*টো হা*ত। পি**ঠের ওপর চা’*পি’’য়ে দেওয়া হয়েছিল ইটের পর ইট — যেন একটা মা'নুষ নয়, একটা ব’’স্তা। চারপাশে দাঁড়িয়ে পনেরো-বিশ জন — কেউ চু’’ল টে’’নে ধরছে, কেউ ঘু’’’ষি মা**রছে মুখে। মুখে ফে’’’না উঠে এলো, তবু থামেনি হাত।

আহ, ফয়সালের অ’প’রা’’ধ ছিল শুধু একটা স'ন্দেহ — চু"রি'র অ’ভি’যো’’গ। প্র'মাণ নেই, বি'চার নেই, আ*দা*লত নেই। শুধু একটা "স"ন্দেহ" আর একদল মানুষের হাতে তুলে নেওয়া "আ"ইন।"

প্রশ্ন করি — এই দেশে কি সত্যিই আ"ইন আছে? থা"না আছে, আ/দা/লত আছে, পুলিশ আছে — কিন্তু একজন মানুষকে প্রকাশ্য রাস্তায়, খুঁ**টির সাথে বেঁ’’**’ধে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পি’টি’’’য়ে মে’’রে ফেলার সময় সেই আ"ইন কোথায় ছিল? কেন এতজন মানুষ দাঁড়িয়ে দেখলো, অথচ কেউ থামালো না?

ফয়সালের মৃ’’ত্যু শুধু একটা খবর নয়। এটা প্রশ্ন তুলে দেয় — আমরা কোন স"মাজে বাস করছি, যেখানে স"ন্দে"হই যথেষ্ট মৃ’**ত্যু’দ’’’ণ্ড দেওয়ার জন্য? যেখানে মানুষ নিজেই বি"চারক, নিজেই জ"ল্লাদ?

এই হ’**ত্যা’’’র বি'চার হতে হবে — জড়িত প্রত্যেকের বি’চা’র। শুধু একজনকে আ’ট’’ক করেই যেন এই ঘটনা থেমে না যায়।’

ফয়সাল আর নে"ই। কিন্তু তার সেই দুই সেকেন্ডের তাকানো আমাদের বিবেককে প্রশ্ন করে যায় বারবার ,

'স্থানীয়রা জানিয়েছেন ক্সবাজারের মহেশখালীতে ফয়সালকে চো’’র স’’ন্দে’হে আ’ট’’ক করে মা’র’’ধ’র করা হয়। পরে অবস্থার অ"বন"তি হলে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ ‘’’ত ঘোষণা করেন
©
#কক্সবাজার #মহেশখালী #ফয়সাল

প্রকৃতির সাথে বিলাসিতা 😍 প্রকৃতির টানে বারে বারে ছুটে যায় ❤️        Omi's Creations
17/09/2026

প্রকৃতির সাথে বিলাসিতা 😍 প্রকৃতির টানে বারে বারে ছুটে যায় ❤️
Omi's Creations

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর বিরুদ্ধে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে কণ্ঠস্বর। AI-এর উপর শুধুমাত্র লাগাম পরানোর দাবিই নয়, সম্পূর্ণ ভা...
16/09/2026

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর বিরুদ্ধে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে কণ্ঠস্বর। AI-এর উপর শুধুমাত্র লাগাম পরানোর দাবিই নয়, সম্পূর্ণ ভাবে AI-এর গতিরোধ করার দাবি উঠছে। AI-এর ভয়াবহত আঁচ করে সম্প্রতি Anthropic থেকে পদত্যাগ করেছেন জেকব কক্সন। এবার Google-এর DeepMind AGI সেফটি টিম থেকে সরে দাঁড়ালেন জশ এঙ্গেলস। তিনি জানিয়েছেন, ঝুঁকির মাত্রা অত্যধিক হয়ে গিয়েছে। তাই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। (Artificial Intelligence Risks)

মাইক্রোব্লগিং সাইট X-এ Google-এর DeepMind AGI থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন জশ। জানিয়েছেন, তিন সপ্তাহ আগে পদত্যাগ করেছেন তিনি। বর্তমানে অলাভজনক সংস্থা METR-এ যোগ দিয়েছেন। AI-এর ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য বিপদ ঠেকাতে কাজ করে ওই সংস্থা। জশ লেখেন, ‘GDM-এ নিডের কাজ উপভোগ করতাম আমি। Anthropic, OpenAI-এর অফারও ফিরিয়েছি দিয়েছিলাম। কিন্তু বিপদের আঁচ পেয়ে এই সিদ্ধান্ত নিলাম’। (AI Risks)

মানুষের চেয়ে বেশি দক্ষ এবং বুদ্ধিমান AI বানানোর দৌড়ে নেমে মানবসভ্যতার জন্য বিপদ ডেকে আনা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জশ। তাঁর কথায়, ‘আমাদের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার কথা ছিল AI-এর। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে, ততই অসামঞ্জস্য চোখে পড়ছে। গত কয়েক সপ্তাহে এমন সব মডেলের কথা জানতে পেরেছি, যারা আমাদের ফাঁকি দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে আঁতাত গড়েছে। সিস্টেম হ্যাক করেছে বিভিন্ন সংস্থার। নিজেদের কর্মকাণ্ডের চিহ্ন মুছে ফেলেছে নিজেরাই। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে মানুষকে। আমার মনে হয়, আগামী পাঁচ বছরে AI-এর দরুণ ব্য়াপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। যথেষ্ট কারণ রয়েছে ভীত হওয়ার। ঝুঁকি এতটাই বেশি যে আমার মনে হয় বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমস্যা এটাই’।

AI-কে নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষে সওয়াল করেছেন জশও। তিনি জানিয়েছেন, অসামঞ্জস্যগুলি খতিয়ে দেখা দরকার। সঠিক পথে এগোচ্ছে কি না সবকিছু, মূল্যায়ন করে দেখতে হবে। AI সংস্থাগুলির জবাবদিহি করা উচিত, সমাজের সকলের সচেতন হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ঘটনাচক্রে সম্প্রতি Anthropic থেকে পদত্যাগের সময় একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন জেকব। তাঁর দাবি ছিল, চলতি দশকের শেষেই মানুষকে মেরে মেরে ফেলতে পারে AI. এর পর স্যাম অল্টম্যান থেকে ইলন মাস্ক, AI-এর গতিরোধ করার দাবি সরব হয়েছেন একে একে অনেকেই।

©
Omi's Creations

16/09/2026

মরার জন্য বিষ লাগে না 💔😭

Omi's Creations

মহামূল্যবান জিনিস কোথাও রাখা যাবে না
16/09/2026

মহামূল্যবান জিনিস কোথাও রাখা যাবে না

কোনটি আপনার 🤔
16/09/2026

কোনটি আপনার 🤔

"মানুষ না বাঁচলে জরায়ু দিয়ে কি করুম স্যার?"—কাঁদতে কাঁদতে এমনটাই বলছিলেন রোগীর স্বামী।মহিলা ২৭ সপ্তাহের গর্ভবতী। কিন্ত...
16/09/2026

"মানুষ না বাঁচলে জরায়ু দিয়ে কি করুম স্যার?"—কাঁদতে কাঁদতে এমনটাই বলছিলেন রোগীর স্বামী।

মহিলা ২৭ সপ্তাহের গর্ভবতী। কিন্তু হঠাৎ মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্তপাত হচ্ছিলো।

প্রথমে একটা প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলো। কিন্তু অবস্থা খারাপ দেখে রোগীকে মুগদা মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়।

তখন বাজে প্রায় দুপুর ২:৩০। সিনিয়র ম্যাডামরা বের হয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রোগী আসার সাথে সাথেই আমাদের গাইনীর ট্রেইনী আপুরা দেখে রোগীর অবস্থা খারাপ। Central placenta previa. অর্থাৎ গর্ভফুল একেবারে জরায়ুর মুখে অবস্থিত। বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে গর্ভফুল দিয়ে।

সাথে সাথেই সিনিয়র ম্যাডামদের জানানো হয়। সিজারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। ইমিডিয়েটলি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। সিনিয়র ৪ জন ম্যাডাম বাড়ি যাওয়া বাদ দিয়ে অপারেশন রুমে চলে গেলেন।

এই ধরনের অপারেশনের জটিলতা অনেক। একদিকে বাচ্চা মাত্র ২৭+ সপ্তাহ। এতো ছোট বাচ্চাকে বাঁচানো টাফ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাঁচানো যায় ই না। তার উপর গর্ভফুল এসে জরায়ুর মুখে ঢেকে ফেলেছে। সুতরাং গর্ভফুল ছাড়ানোর সময় অনেক বেশি পরিমাণ রক্তপাত হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোগী মারাও যেতে পারে‌।

সবকিছু রোগীর স্বামীকে বুঝিয়ে বলা হলো, পারমিশন নেওয়া হলো। আমরা আগে থেকেই ICU কল লিখে রাখলাম, ৬-৭ ব্যাগ রক্ত রেডি করে রাখতে বললাম।

অবস্থা খারাপ দেখে আমি ২ বার ICU তে গেছি খোঁজ নিতে যে বেড খালি আছে কিনা। ৬ তলার ICU তে খালি নাই, ৩ তালার ICU তে খালি নাই, ইমারজেন্সির OESC ICU তেও খালি নাই। সব জায়গায় খোঁজ নিয়েছি নিজে সরাসরি গিয়ে।

রোগীর লোকজন ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে কিভাবে কি করবে বুঝতেছে না। পরে ম্যাডাম আমাকে বললো তুমি ৩ তালায় ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে কথা বলে আসো দ্রুত যেন রক্তের ব্যবস্থা করে দেয়, গেলাম ব্লাড ব্যাংকে। ব্লাড ব্যাংকের স্টাফ দের সবকিছু বলে আসলাম যে ইমারজেন্সি ব্লাড যেনো টেনে দেওয়া হয়। তারাও সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেছে দ্রুত রক্ত টেনে দেয়ার জন্য।

এরপর আমি উপরে আসলাম। ম্যাডামরা প্লাজমাসল দিয়ে অপারেশন শুরু করলেন আল্লাহ্‌'র নাম নিয়ে। ৪ জন সিনিয়র ম্যাডাম, ২ জন রেজিস্ট্রার ম্যাডাম—টোটাল ৬ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে একজন অভিজ্ঞ এ্যানেসথেসিয়া বা অজ্ঞানের ডাক্তার।

আর বাইরে রোগীর লোকের সাথে যোগাযোগ, রক্ত ম্যানেজ, ICU এসব ম্যানেজের জন্য অপারেশন রুমের বাইরে আমরা ২ জন ডাক্তার।

দৌড়াদৌড়ি করতে করতে শেষ। তার উপর দুপুরে খাওয়ার সময়ও হয়নি, তখন বাজে বিকাল ৪ টা, সকালে ১ টা সিঙ্গারা খেয়েছিলাম কেবলমাত্র।

রোগীর স্বামীকে কল দিয়ে বারবার খোজ নিচ্ছি রক্ত জোগাড় হইছে কিনা।

এরপর হঠাৎ নার্স কোলে করে কাপড় প্যাঁচানো বাচ্চা কে নিয়ে বের হলো। দেখতে সুন্দর, তাকাচ্ছে কতো সুন্দর। কান্না ও করছে, শ্বাস নিচ্ছে। কিন্তু বাচ্চার ওজন অনেক কম। সাধারণত ২৮ সপ্তাহের আগে বাচ্চা শ্বাস নিতে না পারার কারণে মারা যায়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে এই বাচ্চার বয়স প্রায়ই ২৮ সপ্তাহ এবং শ্বাস ও নিচ্ছে।

নানীকে বাচ্চা দিয়ে শিশু বিভাগে পাঠায়ে দেওয়া হলো। জানি না আল্লাহ্‌ বাচ্চাটার কপালে কি লিখছে। আমরা যে পরিমাণ কষ্ট করেছি, দোয়া করেছি, সেই কষ্টের ওসিলায় আল্লাহ্‌ বাচ্চাটাকে বাঁচিয়ে দিও।

এরপর আবার অপারেশন রুমের কাছে ফিরে এলাম, মায়ের রক্তক্ষরণ বেশি হচ্ছে। ম্যাডামরা রোগীর জীবন বাচাতে শেষ পর্যন্ত জরায়ু কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলেন।

এতোক্ষণ স্বামী ব্লাড ম্যানেজ করতে ব্যস্ত ছিলো। কল করলাম। স্বামী ব্লাড ব্যাংক থেকে অপারেশন রুমের সামনে আসলো। বললাম "ভাই, আপনার বাচ্চা কে শিশু বিভাগে পাঠিয়েছি। কিন্তু আপনার স্ত্রীর রক্তপাত হচ্ছে। স্ত্রীর জীবন বাচাতে জরায়ু কেটে ফেলতে হচ্ছে।"
"স্যার, মানুষ না বাঁচলে জরায়ু দিয়ে কি করবো স্যার?"
কাঁদতে কাঁদতে স্বামী এটাই উত্তর দিলো আমাকে। কথাটা শুনে নিজেও শান্ত থাকতে পারলাম না। উনাকে স্বান্তনা দিয়ে চলে আসলাম আবার অপারেশন রুমে।

বিকাল ৫ ট বেজে গেছে। ৩ ব্যাগ রক্ত অলরেডি রোগীকে দেওয়া হয়ে গেছে অপারেশন টেবিলে।

অনেক কষ্টের পর ম্যামরা জরায়ু কেটে ফেলতে এবং রক্তপাত বন্ধ করতে সক্ষম হয়। কিন্তু প্রেশার বারবার কমে যাচ্ছিল এ্যানেসথেশিয়ার স্যারও আপ্রাণ চেষ্টা করেন। সবশেষে অপারেশন শেষ হয়।

রোগীকে পোস্ট-অপারেটিভ রুমে শিফট করা হয়। রোগীকে ফলোআপ দিয়ে আসলাম রাত ৮ টায়। আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালো আছে রোগী এখন। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে আল্লাহ্‌ উনাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ হয়তো চাননি বাচ্চা টা মা হারা হয়ে যাক, স্বামী টা স্ত্রী হারা হয়ে যাক।

পরে বাচ্চার খোজ নিলাম। বাচ্চা ও ভালো আছে। এটা আসলে আমাদের কাছেও অবিশ্বাস্য লাগছে। ২৭+ সপ্তাহের বাচ্চা বাঁচে কম। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় মিরাকেল ঘটেছে হয়তো। সবই আল্লাহর ইচ্ছা।

আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং করে থাকি। অপারেশন শেষ করে সেই ম্যাডামরা ৬ টার দিকে বাড়িতে গেছেন। অথচ তাদের ডিউটি টাইম ছিলো ২:৩০ পর্যন্ত। সকালে ১০ মিনিট লেটে আসলে মিডিয়ায় চলে যায়, অথচ ডিউটি টাইমের বাইরে ৪/৫ ঘন্টা ডিউটি করে, এটা মিডিয়ায় যাবে না।

অনেকে বলে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো হয় না। অথচ আমি দেখেছি আমাদের মেডিকেলে আমরা কতো ভালো ভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।

ICU এর জন্য আমরা নিজেরা ডাক্তাররা দৌড়াচ্ছি,ব্লাড ম্যানেজ করতে ব্লাড ব্যাংকে দৌড়াচ্ছি। আর্জেন্ট রোগী হলে নিজে সাথে গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে আল্ট্রা করায়ে আনতেছি। এরপরও ফেসবুকে লোকজন বলে আমরা কসাই।😀

~ডাঃ মেহেদী হাসান সাগর
C

16/09/2026

মা 🥺🥺

#মা Omi's Creations

কি হবে
15/09/2026

কি হবে

15/09/2026

বদনজর থেকে বাঁচার দোয়া 🤲

#দোয়া Omi's Creations

Address

Barisal
Patuakhali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Omi's Creations posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share