Zamuna TV

Zamuna TV It is a personal page for getting profit from Facebook

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়পাঠ পরিকল্পনা ২০২৬মাস: জুলাইশ্রেণী: চতুর্থবিষয়: প্রাথমিক বিজ্ঞান।আহমেদ এইচ. এম. জুলহাশ @সরকারি...
29/06/2026

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
পাঠ পরিকল্পনা ২০২৬
মাস: জুলাই
শ্রেণী: চতুর্থ
বিষয়: প্রাথমিক বিজ্ঞান।
আহমেদ এইচ. এম. জুলহাশ
@সরকারি_প্রাথমিক_বিদ্যালয়

ইজরায়েলের বৃহত্তম বিমানবন্দর গুড়িয়ে দিলো ইরান।।
08/03/2026

ইজরায়েলের বৃহত্তম বিমানবন্দর গুড়িয়ে দিলো ইরান।।

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডে...
08/03/2026

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডেকে তুলে।
ঘুম থেকে তুলে বলে একটু বাইরে বের হব চল।

মেয়েটা ঘুমঘুম চোখে অবাক হয়। এতরাতে কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে থাকে। বাবা-মা কোন প্রকার উত্তর না দিয়েই বাইরে যাওয়ার জন্যে জোর করতে থাকে।

যেহেতু বাবা-মা বলছে তাই মেয়েটা আর না করে না। চোখে ঘুম আর কৌতূহল নিয়েই বের হয় তাদের সাথে।

কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা লক্ষ্য করে তার চাচি শাহিনা বেগমও তাদের সাথে যাচ্ছেন। মেয়েটা মনে করেছিল হয়তো সবাই একসাথে কোন দরকারি কাজে যাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা খেয়াল করে তার বাবা-মা বসতবাড়ির রাস্তা ছেড়ে কৃষি জমির দিকে যাচ্ছে।

মেয়েটা অবাক হয়েই জানতে চেয়েছিল তারা এখানে কেন এসেছে। কিন্তু বাবা-মা আর চাচি তাকে চুপ করে থাকতে বলে। মেয়েটার চোখেমুখে তখনও ঘুমঘুম ভাব ছিল।

কিছুক্ষণ পরই তারা একটা ভুট্টা ক্ষেতের কাছাকাছি আসে। এখানে এসেও কৌতূহলী হয়ে বাবা-মা আর চাচিকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল তারা এত রাতে এখানে কেন এসেছে।

কিন্তু তার আগেই পেছন থেকে জান্নাতীর হাত এবং মুখ জাপটে ধরে, যাতে চিৎকার করতে না পারে। তারপর মাথায় এবং শরীরে রড দিয়ে জোরে অঘাত করে।

মেয়েটা ছুটে দৌড় দিতে চেয়েছিল কিন্তু আকস্মিক আঘাতের কারণে আর পারে না।

তারপর বাবা-মা এবং চাচি শাহিনা বেগম মিলে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকে মেয়েটাকে। মেয়েটা তখন অনেকটাই নিস্তেজ, তীব্র যন্ত্রণায় গোঙ্গাচ্ছিল শুধু।

তিনজন মিলে অনবরত কোপাতে থাকে মেয়েটাকে, চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর সেখানেই মারা যায় মেয়েটা।

পূর্ব পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে বাবা-মা এবং চাচি মিলে মেয়েটাকে মেরে ওই ভুট্টা খেতেই রেখে চলে আসে। এ ঘটনা শনিবারের।

পরদিন সকালে স্থানীয় কৃষকেরা যখন জমিতে কাজ করতে যায় তখন সেখানে জান্নাতীর লা*শ দেখতে পায়।

লা*শ দেখতে পেয়ে খোঁজ দেয় বাবা-মাকে। তারা এসে কতক্ষণ কান্নাকাটির নাটক করে যাতে কেউ বুঝতে না পারে।

তারপর মেয়ের চাচা এবং বাবা-মা মিলে প্রতিবেশী ২৭ জনের নামে মামলা করে। তারপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই প্রতিবেশীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

কিন্তু পুলিশ কিছুতেই সুরাহা করতে পারছিল না। সবাই অস্বীকার করছিল। পুলিশ আরও জোর দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু কাজ হয় না।

এর দুইদিন পর পুলিশ লাশের ময়নাতদন্ত করে কিছু ক্লু পায়। সেই ক্লু ধরে পুলিশ মেয়েটার বাবা-মা এবং চাচা চাচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে আসে।

তারা থানায় এসেই ওই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে থাকে এবং তাদেরকে ফাঁসি দিতে বলে।

বাবা-মা বারবার বলতে থাকে আমার মেয়েটাকে ওই প্রতিবেশীরাই মিলে মেরেছে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যেতে শুরু করে।

একপর্যায়ে যখন জোরলো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং ক্লু গুলো সামনে নিয়ে আসে তখন চাচি শাহিনা বেগম পুলিশের কাছে স্বীকার করে ফেলে যে তারাই মেয়েটাকে শনিবার রাতে মেরেছে।

বাবা-মা তখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু চাচি শাহিনা বেগমের স্বীকারোক্তির পর বাবা-মা ও বুঝে যায় বাঁচার আর কোন পথ নেই।

তারপর মেয়েটার বাবা জাহিদুল ইসলাম এবং মা মোর্শেদা বেগমও স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলেই মেয়েটাকে নির্মমভাবে মেরেছে।

তারপর মারার কারণ জিজ্ঞেস করায় তারা জানায়- প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীদের ফাঁসাতেই তারা নিজ মেয়েকে মেরেছে।

প্রতিবেশীদের সাথে তাদের একটা ৩২ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই চাচি শাহিনা বেগম তাদেরকে প্ল্যান দিয়েছিল নিজ মেয়েকে মেরে ওই জমিতে রেখে আসতে।

তারপর তারা মামলা করবে প্রতিবেশীদের নামে।

এতে করে মামলায় প্রতিবেশীদের জেল হলে তারা সহজেই ৩২ বিঘা জমিটা দখল দিয়ে নিজেদের করে নিতে পারবে।

এজন্যেই তারা ২৭ জন প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছিল যাতে ওই পরিবারের সবার জেল হয়।

এ স্বীকারোক্তি গুলো কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুল্লাহ সংগ্রহ করেছেন এবং ভেরিফাই করে সত্যায়িত করেছেন।

তাছাড়া মেয়েটাকে কিভাবে কিভাবে মারা হয়েছিল সে ঘটনার স্বীকারোক্তিও বাবা-মায়ের কাছ থেকেই পুলিশ নিয়েছে।

জান্নাতী মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, ১৫ বছর বয়স মাত্র। পড়াশোনা করত ক্লাস নাইনে।

গ্রামের সবাই এ ঘটনায় খুবই অবাক হয়েছে এবং মেয়েটার জন্যে শোকাহত হয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল- মেয়েটার আচার ব্যবহার খুবই ভালো ছিল।

মেয়েটার স্কুলের শিক্ষক এবং সহপাঠীরাও জানিয়েছে- মেয়টা পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। বেঁচে থাকলে সামনের বছরই এইচএসসি পরীক্ষা দিতো। হয়তো ভালো একটা রেজাল্টও করতো।

আমাদের চারপাশে কতশত দম্পতির সন্তান হয়না বিধায় এ হসপিটাল থেকে ও হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে দিন পার করে। একটা সন্তানের জন্যে কত হাহাকার করে।

অথচ সামান্য কিছু জমির জন্যে নিজ বাবা-মা আর চাচির হাতেই খুন হতে হলো হাসিখুশি মেয়ে জান্নাতির

লোভ মানুষকে কোথায় নিয়ে গেছে !!!

হায়রে সম্পদ, হায়রে বিবেক

সংগৃহীত পোস্ট অরবিন্দ দাদুর থেকে 🙏

30/12/2025
"উত্তম ও অধম"---সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকুকুর আসিয়া এমন কামড় দিল পথিকের পায়কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে বিষ লেগে গেল তায়।ঘরে ফিরে ...
14/06/2025

"উত্তম ও অধম"
---সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
কুকুর আসিয়া এমন কামড়
দিল পথিকের পায়
কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে
বিষ লেগে গেল তায়।

ঘরে ফিরে এসে রাত্রে বেচারা
বিষম ব্যথায় জাগে,
মেয়েটি তাহার তারি সাথে হায়,
জাগে শিয়রের আগে।

বাপেরে সে বলে ভৎসনা ছলে
কপালে রাখিয়া হাত,
তুমি কেন বাবা, ছেড়ে দিলে তারে
তোমার কি নাই দাঁত?

কষ্টে হাসিয়া আর্ত কহিল
তুইরে হাসালি মোরে,
দাঁত আছে বলে কুকুরের গায়ে
দংশি কেমন করে?

কুকুরের কাজ কুকুর করেছে
কামড় দিয়েছে পায়,
তা বলে কুকুরে কামড়ান কি রে
মানুষের শোভা পায়?

Collected

19/05/2025

শিক্ষক মানুষ চুপচাপ ক্লাস নেবেন, ট্রেনিং করবেন আবার ক্লাস নেবেন। এত কথার দরকার কি?

আর নিম্নের কাজগুলো একটু করবেন--

১. সকালে ৯ টার আগে স্কুলে হাজির হয়ে ঝাড়ুদারের কাজ করবেন, নিয়ম করে টয়লেটও পরিস্কার করবেন। কারণ, শিশুদের দিয়ে শিশুশ্রম করানো যাবেনা। আবার এ খাতে কোন বরাদ্দও থাকবে না। থাকলেও সেটা ম্যানেজিং কমিটি নামক দয়ালু জিনিসটার জিম্মায় থাকবে।

২. দপ্তরী হয়ে পতাকা উত্তোলন করবেন, ও ঘন্টায় ঘন্টায় নিষ্ঠার সাথে নিয়ম মেনে ঘন্টা দেবেন। তাছাড়া এলাকাবাসী পাতি নেতা থেকে শুরু ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও আরো গণ্যমান্য লোকজন আসলে চা নাস্তা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন। নাহলে, তাদের সম্মান থাকবে না।

৩. স্কুলের আগে ও পরে হোম ভিজিট করে শিশুর উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন। কারণ, স্কুল টাইমে ওসব করা নিষেধ।

৪. মাসে মাসে মা সমাবেশ- অভিভাবক সমাবেশ- ম্যানেজিং কমিটির মিটিং করবেন।

৫. ঝড়ে পড়া শিশুর হার রোধ কল্পে কাজ করবেন।

৬. পড়তে পারা না পারার ছক তৈরী করবেন।

৭. বছরে অন্তত দুবার উপবৃত্তির সার্ভারে তথ্য আপলোড করতে গিয়ে ঘুল্লা খাবেন,(কারণ অযোগ্য শিক্ষক ডিজিটাল বাংলা সার্ভারের চেয়ে বেশি ফাস্ট)

৮. সময়ে অসময়ে চাহিবামাত্র বিভিন্ন তথ্য দিতে প্রস্তুত থাকবেন।

৯. ছেলে মেয়েদের মারামারির নালিশ সামলাবেন

১০. ৭০ শতাংশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক না থাকায় দাপ্তরিক একগাদা কাজ করবেন ভারপ্রাপ্ত কোটায় প্রধান শিক্ষক।

১১. স্কুলের মাঠ ও আশপাশ নিয়মিত পরিস্কার করাবেন, যদিও ওই জায়গাগুলো নিষ্ঠার সাথে নোংরা করবে এলাকাবাসি।

১২. এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ক্লাস নেবেন এবং ধারাবাহিক (প্রতিদিন অন্তত ১০০ ছাত্রছাত্রীর শিখন অগ্রগতির রেকর্ড সংরক্ষণ) ও সামষ্টিক মূল্যায়ন (বছরে তিনবার) করবেন।

আপাতত আর মনে পড়ছে না।

আর সামান্য এসব কাজের জন্য উনি একগাদা টাকা বেতনও নেবেন। এক্কেবারে পাক্কা ৩৬৬.৬৭ টাকা প্রতিদিন হারে মূলবেতন বা ৫৮৩.৩৪ টাকা প্রতিদিন হারে মোট বেতন পাবেন। যা একজন দিন মজুরের আয়ের চেয়েও অন্তত ৩৩৩.৩৪ টাকা কম। অবশ্য, দিন মজুরের কায়িক শ্রম করা লাগে আর উনি তো বসেই থাকেন। সে হিসাবে বেতনের টাকা আরো বেশিই মনে হয়। পারলে এদের বেতন আরো কমিয়ে দেওয়া যায়। বসে বসে এত বেতন দেওয়ার কোন মানেই হয় না। জাস্ট রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়।

Collected

“সবাই সফলতা দেখে। চাকরি পাওয়ার আগে সেই লড়াইটা কেউ দেখে না...”নির্ঘুম রাত, বইয়ের স্তূপ, বারবার হতাশ হয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেল...
18/05/2025

“সবাই সফলতা দেখে। চাকরি পাওয়ার আগে সেই লড়াইটা কেউ দেখে না...”

নির্ঘুম রাত, বইয়ের স্তূপ, বারবার হতাশ হয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার মুহূর্তগুলো—এটাই একজন স্বপ্নবাজ তরুণ বা তরুণীর প্রতিদিনের গল্প।

চোখের নিচে কালি পড়ে, শরীরের চেয়ে মনটাই বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
তবুও থেমে যায় না কেউ, কারণ—এই লড়াইটা নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য।

চাকরি পাওয়ার পর সবাই শুধুই সাফল্য দেখে। কেউ দেখে না এই অজস্র ‘না-পাওয়ার’ কষ্ট, চোখের পানি, একাকীত্ব আর হতাশার রাতগুলো।
এমনকি খুব কাছের মানুষগুলোও কখনো বুঝে না এই যন্ত্রণা।

যারা এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছেন, নিজের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, আপনার এই স্ট্রাগল একদিন গল্প হবে, অনুপ্রেরণা হবে।

হাল ছাড়বেন না। আপনার সময় আসবেই।
Collected

Address

গলাচিপা, পটুয়াখালী
Patukhali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zamuna TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share