Dr. Zakir Howlader

Dr. Zakir Howlader আমি ড. জাকির হাওলাদার। 'দর্শন' বিষয়ে অধ্যাপনা করি। জন্মের পর থেকেই মৃত্যুর দিকে দৌড়াচ্ছি।
(5)

08/06/2026
08/06/2026

আড়াই বছর ধরে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মেজর জাহিদের লাশ পড়ে থাকলেও, তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি!

মেজর "জাহিদুল ইসলাম", বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম একজন ডিসিপ্লিন, চৌকস,আর মেধাবী সেনা অফিসার হিসেবে তার পরিচিতি ছিল! ২০০০ সালে ৪৩-তম বিএমএ লং কোর্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে কমিশন পান তিনি।

২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার রূপনগরে, নিজের ভাড়া বাসায় নিচেই তাকে জঙ্গি বানিয়ে বন্দুক যুদ্ধের নাটক সাজিয়ে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়! দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জাতির কাছে জঙ্গি হিসেবে পরিচয় পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বেরিয়ে, আসে এক নির্মম সত্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি অভিযোগ ঘটনার পেছনের কাহিনী বের করে জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল!

এটি ছিল পিলখানা হত্যাকান্ডের অন্যতম সাক্ষীকে চিরতরে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার নীল নকশা! অথচ এই সেনা অফিসার কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন,পাকিস্তানে মিড ক্যারিয়ার কোর্স, কানাডায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষ করে হয়ে উঠেন দক্ষ এক অফিসার।

২০০৯ সালে তাকে পিলখানায় পোস্টিং দেওয়া হলেও তিনি ত যোগদান করেননি। ওই সময় পিলখানায় পোস্টিংয়ে ছিলেন তারই বন্ধু ক্যাপ্টেন শহীদ মাজহারুল হায়দার। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সেই নৃশংস হত্যাকান্ডের সময় মেজর জাহিদ কে ফোন করেন ক্যাপ্টেন মাজহারুল।

মাজহারুল বলেন বন্ধু আমাদের সব অফিসারদের মেরে ফেলছে! কারা মেরেছে মেজর জাহিদ জানতে চাইলে ক্যাপ্টেন মাজহারুল বলেন কিছু হিন্দুভাষী ব্যাক্তি যাদের তিনি কখনোই পিলখানায় দেখেন নি!

পিলখানা ঘটনার পরও মেজর জাহিদ অনেক বেশি সোচ্চার ও প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি জানতেন অনেক গোপন আর স্পর্শকাতর সত্য! সত্যের পথে অবিচল থাকা এই সেনা অফিসারকে কোনোভাবে কেনা, আর দমানো সম্ভব না হওয়ায় তাকে ২০১৫ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যেতে বাধ্য করা হয়।

অবসরের পরেও তিনি নিরাপদ ছিলেন না, তার কাছে থাকা তথ্য তৎকালীন সরকারের ভীত নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। সেজন্যই সাজানো হয় এক ভয়ংকর জঙ্গি নাটক! আর সেটা মঞ্চায়িত করা হয় ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর।

রাত ১০টায় মেজর জাহিদের বাসা থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ভয়ানক নির্যাতন করে, তার হাত দু'টো পেছন থেকে বেঁধে হাতগুলো কে পিটিয়ে কাঁধ থেকে আলাদা করা হয়! তার মুখমণ্ডল বিকৃত করে বাসার নিচে নামিয়ে খুব কাছ থেকে ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করা হয় তার বুক।সেদিন পুলিশ এতোটাই হিংস্র ছিল যে, মেজর জাহিদের চোখ দুটোও কোটর থেকে বের করে ফেলে!

অথচ রূপনগর থানার এজাহারে উল্লেখ করা হয় পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নাকি মেজর জাহিদ চাকু আর পিস্তল নিয়ে চড়াও হয়েছিল! আত্মরক্ষার্থে তারা নাকি ২৯ রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করে মেজর জাহিদের বুক।

ফরেনসিক রিপোর্ট আর প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী এটি ছিল সম্পুর্ন একটি নাটক। মেজর জাহিদ হত্যার পর সবচেয়ে নির্মম ব্যাপার হচ্ছে, আড়াই বছর ঢাকা মেডিকেলের মর্গে মেজর জাহিদের লাশ পড়ে থাকলেও, তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

এরপর পরিবার লাশটাও খুঁজে পায়-নি! আহ! মেজর জাহিদ হত্যার সত্য যেনো বের হয়ে না আসে তাই পরিবারের উপরও চালানো হয় রোলার কোস্টার! মেজর জাহিদকে হত্যার রাতেই তার স্ত্রী আর দুই শিশু সন্তানকে, চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় মেজর জাহিদ কে হত্যার পূর্বেই।

প্রায় ৪ মাস সাত দিন দুনিয়ায় আলো দেখতে না দিয়ে ডিবির কথিত আয়নাঘরে বন্দী রাখা হয় স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা আর ১ বছরের ছোট মেয়েকে! ৫ বছরের বড় মেয়েকে নানা নানুর কাছে দেবার কথা বলে, ৭ দিন পর নেওয়া হলেও ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে তৈরি করা হয় আরেক জঙ্গি নাটক!

মেজর জাহিদ হত্যার ৯ দিন পর বড় মেয়েকে ঢাকার আজিমপুরে কথিত জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৩ শিশু উদ্ধারের নামে তাকে উদ্ধার দেখানো হয়। সেদিন ৩ শিশু আটকের মধ্যে ছিল মেজর জাহিদের ৫ বছরের নিষ্পাপ বড় মেয়ে, ৫ বছরের শিশু জুনাইরা বিনতে জাহিদও!

আর ২০১৬ সালে ২৪ ডিসেম্বর ৪ মাসের অধিক সময় নির্যাতনের পর আরেক জ-ঙ্গি নাটক সাজিয়ে, মেজর জাহিদের স্ত্রী আর ছোট মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়! এরপর স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলার ভাগ্যে জুটে একের অধিক জঙ্গি মামলা!

সবচেয়ে দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে মেজর জাহিদকে হত্যার এক বছরের মধ্যে ছেলের মৃত্যু সইতে না পেরে, মেজর জাহিদের বাবা-মা দু'জনই স্টোক করে মৃত্যু বরন করেন!

দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর কারাবরণের পর মেজর জাহিদের স্ত্রীর জামিন মিললেও কোন এক অজানা শঙ্কায় তার জামিন বাতিল করে দুই বছর পর আবার হাজতে প্রেরণ করা হয়!

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ৩১ আগস্ট তার আবার জামিন হয়! কিন্তু মুক্তি মেলেনি অভিশপ্ত জঙ্গি মামলা থেকে, এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন এই বোঝা। একটা পরিবারকে ঠিক নিজের ক্ষমতা টিকেয়ে রাখার স্বার্থে এতো নির্মমভাবে ধ্বংস করে দেওয়ায় চেয়ে নৃশংস আর কি হতে পারে?

এটা বিএনপির দিনকাল কিংবা জামাতের সংগ্রাম পত্রিকার নিউজ নাহ! আপনাদের পত্রিকায় আপনাদের আত্মীয়ের বক্তৃতা!
16/12/2025

এটা বিএনপির দিনকাল কিংবা জামাতের সংগ্রাম পত্রিকার নিউজ নাহ!
আপনাদের পত্রিকায় আপনাদের আত্মীয়ের বক্তৃতা!

সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ রইল:- একটু সময় দিয়ে নিচের এই বিশ্লেষন টি পড়ুন। " ( সংগ্রিহীত ) "জাপান – একটি দেশ, যাকে দুটি পরম...
30/11/2025

সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ রইল:- একটু সময় দিয়ে নিচের এই বিশ্লেষন টি পড়ুন।
" ( সংগ্রিহীত ) "

জাপান – একটি দেশ, যাকে দুটি পরমাণু বোমা ধ্বংস করেছিল।
কিন্তু তারা কখনও ভিক্ষা চায়নি । কখনোও দয়া ভিক্ষা করে হাত পাতেনি ।
নিজেদের আত্মসম্মান ও অটল ইচ্ছাশক্তি দিয়ে তারা আবার গড়ে তুলেছে নিজেদের।
আজও ইতিহাসে কোথাও নেই যে , জাপান আমেরিকার কাছে ভিক্ষা চেয়েছে ।

একজন ভারতীয়, যিনি কয়েক বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানে বাস করছিলেন, একটি অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করলেন।
মানুষজন সদয়, ভদ্র, সাহায্যপ্রবণ।
কিন্তু একজনও তাকে বাড়িতে ডেকে এক কাপ চা খাওয়াল না।

তিনি অবাক ও কষ্ট পেলেন ।
অবশেষে তিনি এক জাপানি বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলেন:
“কেন ?”

দীর্ঘ নীরবতার পর জাপানি বন্ধু বললেন :
“আমরা ভারতীয় ইতিহাস পড়ি… অনুপ্রেরণার জন্য নয়, সতর্কবার্তা হিসেবে।”

ভারতীয় হতভম্ব হয়ে বললেন: “সতর্কবার্তা ?”

জাপানি উত্তর দিলেন:
“ তুমি জানো, কতজন ব্রিটিশ ভারতে শাসন করেছিল ?”
তিনি একটু ভেবে বললেন: “হয়তো… ১০ হাজার?”
জাপানি গম্ভীরভাবে মাথা নাড়লেন ।
“আর ভারতের জনসংখ্যা? ৩০ কোটির বেশি, তাই না?”

“ তাহলে আসল শাসক কারা ছিল ? কে তোমাদের মারল , শোষণ করল, গুলি চালাল ? কেবল ব্রিটিশ নয়। তোমাদের নিজেদের মানুষ।”

“যখন জেনারেল ডায়ার চিৎকার করে বলল ‘ফায়ার’, তখন কারা ট্রিগার টিপেছিল ? ব্রিটিশ নয় — ভারতীয় সৈন্যরা।
একজনও বন্দুক ফিরিয়ে অত্যাচারীর দিকে তাক করেনি।”

“দাসত্বের কথা বলছ ? দাসত্ব ছিল দেহের নয়, আত্মার।”

জাপানি আবার বললেন :
“কতজন মোগল ভারতে এসেছিল ? কয়েক হাজার মাত্র।
তবুও তারা শতাব্দীর পর শতাব্দী শাসন করেছে। সংখ্যার জোরে নয়, তোমাদের নিজেদের দাসত্বের কারণে।
বাঁচার জন্য … কিংবা রূপোর মুদ্রার জন্য, তোমরাই মাথা নোয়ালে ।”

“তোমাদের নিজেদের মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে।
নিজের ভাইরাই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
নিজেরাই তোমাদের বীরদের ধরিয়ে দিয়েছে।
চন্দ্রশেখর আজাদকে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল।
ভগত সিংকে ফাঁসি দেওয়া হল, অথচ তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের মধ্যে একজনও এগিয়ে এল না।”

“তোমাদের শত্রুর দরকার নেই ।
বারবার তোমাদের নিজেদের মানুষই বিক্রি করে দেয় ক্ষমতার জন্য , পদমর্যাদার জন্য, স্বার্থের জন্য।
এই কারণেই আমরা দূরত্ব বজায় রাখি ।”

“ যখন ব্রিটিশরা হংকং বা সিঙ্গাপুরে গিয়েছিল , স্থানীয়রা কখনও তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়নি ।
কিন্তু ভারতে ? তোমরা শত্রুর সেনায় যোগ দিয়েছিলে।
তাদের সেবা করেছিলে । তাদের পূজা করেছিলে।
নিজেদের মানুষ হত্যা করেছিলে তাদের খুশি করার জন্য।

ঠিক একই রকম ভাবে বাঙ্গালী কখনো আমেরিকার,কখনো পাকিস্তানের, কখনো ভারতের দাসত্বের বলয় থেকে বের হতেই পারছেনা।আগামী কয়েক শতকেও বের হতে পারবে বলে মনে হয় না।
©

দাড়ি কি ইসলামের প্রতীক? মুসলমান হইতে হলে অবশ্যই দাড়ি থাকতে হবে এমন কথা ইসলামের কোথাও আছে? (হ্যা আমাদের প্রিয় নবীজীর দাড়ি...
05/10/2025

দাড়ি কি ইসলামের প্রতীক? মুসলমান হইতে হলে অবশ্যই দাড়ি থাকতে হবে এমন কথা ইসলামের কোথাও আছে? (হ্যা আমাদের প্রিয় নবীজীর দাড়ি ছিলো বলে সুন্নত হিসেবে আমরাও দাড়ি রেখে থাকি, তবে ফরজ নয়।)

যদি দাড়ি ইসলামের নিজস্ব সম্পদ না হয়ে থাকে তাহলে বর্তমানে মুসলমানগণ দাড়ি নিয়ে এতো বাড়াবাড়ি কেন করতেছে?
এ বছর দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু মুর্তিতে অসুরের মুখ দাড়ি থাকায় চাপ প্রয়োগ করে বিভিন্ন মন্দিরে দাড়ি সরিয়ে ফেলতে বাধ্য করা হয়। যারা চাপ প্রয়োগ করলেন তারা আবু জাহেল, আবু লাহাবের দাড়ি কেটে ফেলতে চাপ দিয়েছিলেন, নাস্তিক লেলিন, কার্লমার্কস, অমুসলিম বিজ্ঞানী নিউটন, কবি রবীন্দ্রনাথের দাড়ি রাখার প্রতিবাদ করছিলেন? দেখি সাহস থাকলে নরেন্দ্র মুদির দাড়ি কেটে ফেলার দাবী তোলেনতো?

আল্লাহ মুসলমানদেরকে শীশা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ থাকা ফরজ করেছেন অথচ আমরা বাংলাদেশের মুসলমানরা দাড়ি-টুপি, আকিদা-মানহাজ ইত্যাদি ধুয়া তুলে নিজেরা ৭০ ভাগে বিভক্ত! আছি কেবল সুন্নত নিয়ে বাড়াবাড়িতে ব্যাস্ত!

ছবি: গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর গ্রামে একটি দুর্গা মন্দিরে অসুরের মুখে দাড়ি থাকায় প্রশাসনের নির্দেশে দাড়ি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আর হিন্দু ভাইদের উদ্দেশ্যে বলব, আগে কখনো অসুরের মুখে দাড়ি লাগানো হয়নি, এ বছর হটাৎ করে এই স্পর্শকাতর বিষয়টির অবতারণা করে আমাদের হিন্দু-মোসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার কেউ অপচেষ্টা চালাচ্ছে কিনা আপনারা ভেবে দেখবেন।

Dr. Zakir Howlader
Chittagong, 05.10.25

এবার পাক-ভারত যুদ্ধে ভারতের মুল মাস্টারমাইন্ড  কর্নেল সুফিয়া। এই যুদ্ধে ভারতের জন্য প্রাণ দিয়েছে অনেক মুসলিম সৈনিক। কিন্...
15/05/2025

এবার পাক-ভারত যুদ্ধে ভারতের মুল মাস্টারমাইন্ড কর্নেল সুফিয়া। এই যুদ্ধে ভারতের জন্য প্রাণ দিয়েছে অনেক মুসলিম সৈনিক। কিন্তু এরপরও ভারতে মুসলমানরা ট্রলের শীকার হচ্ছে।
অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ভারতের জন্য যদি মুসলমানরা কলিজাও কেটে দিয়ে দেয় তবুও উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা তাদের বিশ্বাস করবে না।

Address

Chomohony
Pekua
4770

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Zakir Howlader posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Zakir Howlader:

Share