04/08/2026
বিবৃতি
সম্প্রতি পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের সোনালী বাজার এলাকার ৪১ নম্বর স্লুইস গেটের নাঁসি (পাইপ) সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টি সম্পর্কে জনমনে সঠিক তথ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে আমার এই বক্তব্য।
বিগত ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে সোনালী বাজার এলাকার ৪১ নম্বর স্লুইস গেটের নাঁসিটি হঠাৎ ভেঙে যায়। তখন মগনামাবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এবং তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মৌখিক অনুরোধের ভিত্তিতে আমি কোনো ধরনের সরকারি বরাদ্দ বা আর্থিক সহায়তা ছাড়াই নিজ উদ্যোগে লবণচাষিদের স্বার্থে নাঁসিটি স্থাপন করে লবণ পানি চলাচলের ব্যবস্থা করি। আমার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল মগনামাবাসীর লবণচাষ যাতে ব্যাহত না হয় এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘব করা।
পরবর্তীতে নাঁসিটি আবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকারি বরাদ্দের আওতায় জরুরি সংস্কারকাজের দায়িত্বও আমি পাই এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করি। এ সময় নতুন সরকারি নাঁসি স্থাপন করা হয়। ফলে পূর্বে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্থাপন করা নাঁসিটির আর প্রয়োজন ছিল না। তাই আমার নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপন করা পুরোনো নাঁসিটি আমি নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিয়ে আসি।
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে চাই—প্রথমবার যে নাঁসিটি আমি স্থাপন করেছিলাম, তার জন্য আমি কোনো সরকারি বরাদ্দ বা বিল গ্রহণ করিনি। এটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপন করা হয়েছিল। তাই সেটি সরকারি সম্পদ নয়, বরং জনস্বার্থে আমার নিজস্ব অর্থে স্থাপিত একটি নাঁসি। সেটি আমি সরিয়ে নেব কি না, তা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।
দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি কুচক্রী মহল প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এ ধরনের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমি বিশ্বাস করি, সচেতন এলাকাবাসী সত্য-মিথ্যা যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি অনুধাবন করবেন এবং কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। ভবিষ্যতেও ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিংবা সরকারি দায়িত্বে এলাকার উন্নয়ন ও জনস্বার্থে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। আমার অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রইল।