Explore with Tarek

Explore with Tarek I keep on finding paradise wherever I go. Born to explore

"ভাঙ্গা মনে আমার ও আছে কত আশা"বিদায় প্রিয় জুবিন গার্গ। 💜
05/10/2025

"ভাঙ্গা মনে আমার ও আছে কত আশা"
বিদায় প্রিয় জুবিন গার্গ। 💜

"প্রতিটি আলো একটা গল্প, আর প্রতিটি ছায়া—একটা গোপন ব্যথা।"
29/06/2025

"প্রতিটি আলো একটা গল্প, আর প্রতিটি ছায়া—একটা গোপন ব্যথা।"

কম্বোডিয়া টুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশ থেকে ঘরে বসে মাত্র ৪২ ডলারে করা যায়। ৭ দিন ভ্রমণের জন্য সব মিলিয়ে মোট খরচ ৮৫ হাজার থেকে ...
29/06/2025

কম্বোডিয়া টুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশ থেকে ঘরে বসে মাত্র ৪২ ডলারে করা যায়। ৭ দিন ভ্রমণের জন্য সব মিলিয়ে মোট খরচ ৮৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে। জেনে নিন ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ প্রসেস + আনুমানিক খরচসহ বিস্তারিত

১. ভিসার ধরন:

e-Visa (Tourist Visa – T class)
কম্বোডিয়া সরকার eVisa অফার করে যা অনলাইনে ঘরে বসেই করা যায়।

ভিসার মেয়াদ: ৩০ দিন
সিঙ্গেল এন্ট্রি

২. অনলাইনে আবেদন করার ধাপ:

🔹 যেভাবে আবেদন করবে:

1. ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করো। (ওয়েবসাইট ১ম কমেন্ট এ)
2. অনলাইন ফর্ম পূরণ করো (পাসপোর্ট ইনফো, ঠিকানা ইত্যাদি)
3. পাসপোর্ট সাইজ ছবি আপলোড করো (JPG format)
4. পাসপোর্ট স্ক্যান কপি আপলোড করো (কমপক্ষে 6 মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
5. ফি পরিশোধ করো (MasterCard/Visa দিয়ে)

কম্বোডিয়ার e-Visa আবেদন করার পর এম্বাসিতে যেতে হয় না।

🔸 পুরো ভিসা প্রসেস অনলাইনে হয়। কোনো সাক্ষাৎকার বা ফিজিক্যাল ডকুমেন্ট সাবমিট করার দরকার নেই। Approved ভিসা ইমেইলে PDF ফাইল আকারে পেয়ে যাবে। শুধু ওই e-Visa প্রিন্ট করে সাথে নিতে হবে

✅ ৩. ভিসা ফি:

eVisa Fee USD 36
Processing Fee USD 6
মোট USD 42 (প্রায় ৫,০০০ টাকা)

✅ ৪. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:

1. পাসপোর্ট – কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে
2. পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সফট কপি)
3. ফ্লাইট বুকিং কনফার্মেশন (ডামি দিলেও চলবে, তবে ভালো যদি কনফার্ম থাকে)
4. হোটেল বুকিং কনফার্মেশন (Booking ডট com বা Agoda থেকে ফ্রি ক্যানসেল অপশন সহ বুক করা যায়)

✅ ৫. ব্যাংক স্টেটমেন্টে কত টাকা থাকা উচিত?

কমপক্ষে ৭০,০০০ থেকে ১,২০,০০০ টাকা থাকলে ভালো।এটি শুধু ভিসার জন্য, তবে পুরো ট্রাভেলের জন্য খরচ ভেবে নিতে হবে।

✅ ৬. বিমান ভাড়া (ঢাকা → নমপেন / সিয়াম রিয়াপ):
রুট আনুমানিক টিকিট মূল্য (রিটার্ন)

ঢাকা → নমপেন (Phnom Penh) ৳৪৫,০০০ – ৳৬৫,০০০
ঢাকা → সিয়াম রিয়াপ (Siem Reap) ৳৫০,০০০ – ৳৭০,০০০

✈️ AirAsia, Thai Airways, Malaysia Airlines – এসব দিয়ে ট্রানজিটসহ ফ্লাইট পাওয়া যায়।

✅ ৭. মোট আনুমানিক খরচ (১ সপ্তাহের ভ্রমণ ধরে):

খরচের ধরণ আনুমানিক টাকা (BDT)

ভিসা ফি ৳৫,০০০
বিমান ভাড়া (রিটার্ন) ৳৫০,০০০
হোটেল (৭ রাত) ৳১২,০০০ – ৳২০,০০০
খাবার ও ঘোরাঘুরি ৳১০,০০০ – ৳১৫,০০০
অন্যান্য (ট্রান্সপোর্ট, সিম, ইত্যাদি) ৳৫,০০০
মোট আনুমানিক খরচ ৳৮৫,০০০ – ৳১,০০,০০০

হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং আগে করলেই সুবিধা – ভিসা দ্রুত আসবে। Visa approval সাধারণত ৩-৫ কর্মদিবসে আসে। eVisa প্রিন্ট করে রাখতে হবে

ইমিগ্রেশনে দেখাতে হতে পারে: হোটেল বুকিং, রিটার্ন টিকিট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

ঘরে বসে সহজেই আবেদন করুন থাই টুরিস্ট ভিসা।নিজে থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা আবেদন করলে খরচ কম হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাব...
22/06/2025

ঘরে বসে সহজেই আবেদন করুন থাই টুরিস্ট ভিসা।
নিজে থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসা আবেদন করলে খরচ কম হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে আপনি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আপনি কোন ঝামেলা ছাড়াই আবেদন করতে পারেন। প্রক্রিয়া গুলো ধাপে ধাপে দেখে নিন।

✅ থাইল্যান্ড টুরিস্ট ভিসার প্রকার (বাংলাদেশিদের জন্য):
Single Entry Tourist Visa (SETV):
মেয়াদ: ৩ মাস
থাকবার অনুমতি: সর্বোচ্চ ৬০ দিন

✅ যোগ্যতা:
আপনার বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস)
পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে (ব্যাংক স্টেটমেন্টে প্রমাণ)
ভ্রমণ শেষের পর বাংলাদেশে ফিরে আসার প্রমাণ থাকতে হবে (যেমন: রিটার্ন টিকিট)
সঠিক উদ্দেশ্য (টুরিজম)

✅ ভিসা আবেদনের ধাপসমূহ:

🟠 ধাপ ১: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত করুন:

1. পাসপোর্ট (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস, পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে সেটিও)
2. পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ৩.৫ x ৪.৫ সেমি)
3. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বনিম্ন ২০,০০০ – ৩০,০০০ টাকা প্রতিজনের জন্য, শেষ ৩ মাসের)
4. এয়ার টিকিট রিজারভেশন (যাওয়া ও আসার)
5. হোটেল বুকিং রিজারভেশন
6. ভিসা আবেদন ফর্ম
(ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে)
7. NOC / চাকরির প্রমাণপত্র (কর্মজীবীদের জন্য)
8. ব্যবসা সংক্রান্ত কাগজপত্র (ব্যবসায়ী হলে: ট্রেড লাইসেন্স, ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট)
9. Covid-19 ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট (যদি প্রয়োজন হয়)

✅ ধাপ ২: ভিসা ফি
Single Entry Tourist Visa Fee: প্রায় ৪০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫,০০০ টাকা)
প্রসেসিং ফি সহ এজেন্সি মাধ্যমে করলে খরচ হবে প্রায় ৭,০০০ - ৯,০০০ টাকা

✅ ধাপ ৩: আবেদন পদ্ধতি (ঘরে বসে)

অনলাইন ই-ভিসা (E-Visa on Arrival):
থাইল্যান্ড ই-ভিসা ওয়েবসাইট: লিংক কমেন্ট এ

1. সাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলুন
2. ফর্ম পূরণ করুন
3. প্রয়োজনীয় স্ক্যান কপি আপলোড করুন
4. অনলাইনে পেমেন্ট করুন
5. ভিসা অ্যাপ্রুভ হলে ইমেইলে ই-ভিসা পাবেন (প্রিন্ট করে নিতে হয়)
6. সাধারণত ৬/৭ দিনের মধ্যেই ভিসা কপি মেইল করবে। সেটি প্রিন্ট করে থাইল্যান্ড এয়ারপোর্টে দেখাতে হবে।

🔻 ব্যাংক স্টেটমেন্ট:
অন্তত ২০,০০০/৩০০০০ টাকা থাকতে হবে এবং সেটা গত ৩ মাসের নিয়মিত লেনদেনসহ হওয়া উচিত,বেশি থাকলে আরো ভালো।
🔸সত্য তথ্য দিন: মিথ্যা বা ভুয়া কাগজপত্র দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে
🔸রিটার্ন টিকিট ও হোটেল বুকিং ভিসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✅ ধাপ ৪: ভ্রমণের প্রস্তুতি

ভিসা প্রিন্ট কপি
ফ্লাইট টিকিট ও হোটেল বুকিং কপি
ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রিন্ট কপি
কোভিড ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট (যদি চায়)

---

📌 সংক্ষিপ্ত চেকলিস্ট (প্রিন্ট করে রাখতে পারেন):

✅ পাসপোর্ট (স্ক্যান কপি)
✅ পাসপোর্ট সাইজ ছবি
✅ ব্যাংক স্টেটমেন্ট (৩ মাসের)
✅ হোটেল বুকিং
✅ ফ্লাইট রিজার্ভেশন
✅ চাকরির NOC/পে-স্লিপ (প্রযোজ্য হলে)
✅ আবেদন ফর্ম পূরণ
✅ অনলাইন পেমেন্ট (Visa Fee)
✅ ই-মেইলে পাওয়া ভিসা প্রিন্ট কপি

ধন্যবাদ।

সিঙ্গাপুর — পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা আর উন্নয়নের অনন্য এক উদাহরণ। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্টের অধিকারী এই দেশের প্রতি...
09/06/2025

সিঙ্গাপুর — পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা আর উন্নয়নের অনন্য এক উদাহরণ। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্টের অধিকারী এই দেশের প্রতি রয়েছে হাজারো বাংলাদেশীর স্বপ্নজয়ী দৃষ্টিভঙ্গি। কর্মসংস্থানের আশায়, এক উন্নত ভবিষ্যতের খোঁজে সিঙ্গাপুরের পথে যাত্রা অনেকের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔸বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে কাজের ভিসায় (Employment Pass, S Pass, অথবা Work Permit) যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। আসুন ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া, খরচ, সময় এবং পেশাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়

🔹 ১. সিঙ্গাপুরের কাজের ভিসার ধরনসমূহ

Employment Pass (EP) উচ্চ শিক্ষিত পেশাজীবী (ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজার, আইটি, একাউন্টেন্ট ইত্যাদি) বেতন SGD 5,000+

S Pass মধ্যম পর্যায়ের দক্ষ কর্মী (টেকনিশিয়ান, সুপারভাইজার ইত্যাদি) বেতন SGD 3,150+

Work Permit (WP) অদক্ষ/আংশিক দক্ষ শ্রমিক (কন্সট্রাকশন, ক্লিনার, হোটেল কর্মচারী, কারখানা শ্রমিক ইত্যাদি) কোন নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার নেই

🔹 ২. কোন কোন কাজের জন্য যাওয়া যায়
(Work Permit বা সাধারণ শ্রমিকদের জন্য)

নির্মাণ শ্রমিক (Construction Worker)
মেইড বা গৃহকর্মী (Domestic Helper)
ম্যানুফ্যাকচারিং / ফ্যাক্টরি শ্রমিক
রেস্টুরেন্ট / হোটেল স্টাফ
ক্লিনার / কেয়ারটেকার
শিপইয়ার্ড / ওয়েল্ডার / ইলেকট্রিশিয়ান
কৃষি ও খামারের কাজ

> Note: বাংলাদেশ থেকে মূলত Work Permit-এর মাধ্যমে অধিকাংশ শ্রমিক সিঙ্গাপুরে যায়।

🔹 যাওয়ার প্রক্রিয়া (ধাপে ধাপে)

✅ ধাপ ১: নিয়োগদাতা বা এজেন্সির মাধ্যমে চাকরি পাওয়া

আপনি সরাসরি সিঙ্গাপুরের কোম্পানি বা একজন অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরি পেতে পারেন।

বাংলাদেশে BMET (Bureau of Manpower, Employment and Training) অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেই যেতে হবে।

✅ ধাপ ২: কোম্পানির পক্ষ থেকে ওয়ার্ক পারমিট আবেদন

সিঙ্গাপুরের নিয়োগদাতা আপনার জন্য Work Permit-এর জন্য আবেদন করবে সিঙ্গাপুরের ম্যানপাওয়ার মন্ত্রণালয়ে (MOM)।

অনুমোদন পেলে In-Principle Approval (IPA) ডকুমেন্ট ইস্যু হয়।

✅ ধাপ ৩: মেডিকেল ও অন্যান্য কাগজপত্র প্রস্তুত

মেডিকেল চেকআপ
পাসপোর্ট
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
ফিঙ্গারপ্রিন্ট (BIOMETRIC)
প্রশিক্ষণ (BTTC বা TTC depending on job)

✅ ধাপ ৪: ভিসা ও টিকিট
ওয়ার্ক পারমিট পেলে ভিসা প্রসেস হয়
এরপর এজেন্সির মাধ্যমে ফ্লাইট বুক করে আপনি সিঙ্গাপুর যান।

🔹 খরচ কত লাগে? (আনুমানিক Breakdown)
খরচের ধরণ পরিমাণ (আনুমানিক)

রিক্রুটিং এজেন্সি চার্জ ৳ ১,৫০,০০০ – ৩,০০,০০০ (দক্ষতার ওপর নির্ভর করে)
মেডিকেল ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ৳ ৫,০০০ – ১০,০০০
প্রশিক্ষণ ও ডকুমেন্ট প্রসেসিং ৳ ১০,০০০ – ১৫,০০০
ফ্লাইট টিকিট ৳ ৫০,০০০ – ৬৫,০০০
মোট ৳ ২,৫০,০০০ – ৪,০০,০০০ (প্রথমবারের জন্য)

⚠️ সতর্ক থাকুন: অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা বা ভুয়া এজেন্সি থেকে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শুধুমাত্র BMET-অনুমোদিত এজেন্সি ব্যবহার করুন।

🔹কত সময় লাগে?

চাকরি নিশ্চিত হতে ১–২ মাস
IPA পেতে ২–৪ সপ্তাহ
মেডিকেল + প্রশিক্ষণ + প্রসেসিং ২–৩ সপ্তাহ
সব মিলিয়ে প্রায় ২–৩ মাস

অনুমোদিত এজেন্সির তালিকা: BMET সাইটে “Recruiting Agency” তালিকা খুঁজুন।

🔹 পরামর্শ ও সতর্কতা

✅ Always:

সঠিক এজেন্সি ব্যবহার করুন
চাকরির কনট্রাক্ট ভালোভাবে পড়ুন
ভিসা পাওয়ার আগে কোনো টাকা না দিন (যতটা সম্ভব)
স্বজন/পরিচিতদের রেফারেন্স নিন।

আসুন জেনে নেয় কিভাবে নিজে ঘরে বসে এপ্লাই করবেন মালোশিয়ার টুরিস্ট ভিসা। মালয়েশিয়ায় ট্রাভেল ভিসা (Tourist Visa) নিয়ে ভ্রমণ...
08/06/2025

আসুন জেনে নেয় কিভাবে নিজে ঘরে বসে এপ্লাই করবেন মালোশিয়ার টুরিস্ট ভিসা। মালয়েশিয়ায় ট্রাভেল ভিসা (Tourist Visa) নিয়ে ভ্রমণ করতে চাইলে একজন বাংলাদেশিকে কিছু ধাপ ও নির্দিষ্ট ডকুমেন্টস অনুসরণ করতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:

✅ Step 1: ভিসা টাইপ ও আবেদন প্রক্রিয়া নির্ধারণ

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মালয়েশিয়ার পর্যটন ভিসা (Single Entry Visa) আবশ্যক, যা সাধারণত ৩০ দিনের জন্য দেওয়া হয়।

🔸বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার ভিসার জন্য আবেদন করা যায়:

অনলাইন (eVisa) এর মাধ্যমে
ভিসা এজেন্ট / ট্রাভেল এজেন্সি এর মাধ্যমে
ভিএফএস (VFS Global) এর মাধ্যমে

✅ Step 2: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস (Required Documents)

1. পাসপোর্ট:কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে
পুরনো পাসপোর্ট থাকলে তাও যুক্ত করুন

2. সম্পূর্ণ পূরণ করা ভিসা আবেদন ফর্ম (অনলাইন বা অফলাইন)

3. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি,সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (সাম্প্রতিক)

4. ফ্লাইট বুকিং (এয়ার টিকিট) – রিটার্ন সহ

5. হোটেল রিজার্ভেশন বা স্পন্সর ইনভাইটেশন লেটার (যদি কেউ স্পন্সর করে)

6. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বশেষ 3-6 মাস) ব্যালেন্স থাকতে হবে কমপক্ষে ৭০,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা বা সমপরিমাণ টাকা,দেখাতে হবে যে আপনি ভ্রমণ ব্যয় সামলাতে পারবেন। ফান্ড সোর্স পরিষ্কার থাকতে হবে (অস্বাভাবিক ডিপোজিট পরিহার করুন) নিয়মিত লেনদেন থাকলে সেটি প্লাস পয়েন্ট।

7. এনওসি (যদি চাকরি করেন) বা ব্যবসা লাইসেন্স/ট্রেড লাইসেন্স (যদি ব্যবসায়ী হন)

8. ইনকাম সোর্স প্রুফ: সেলারি স্লিপ/ব্যবসার রিটার্ন
ট্যাক্স রিটার্ন (যদি থাকে)

9. ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট (Covid-19) – যদি প্রযোজ্য হয়

✅ Step 5: ভিসার জন্য আবেদন পদ্ধতি (অনলাইন)

👉 eVisa এর মাধ্যমে আবেদন:

1. প্রথমে এই ওয়েবসাইটে যান https://malaysiavisa.imi.gov.my/evisa/evisa.jsp

2. অ্যাকাউন্ট খুলে লগইন করুন

3. প্রয়োজনীয় তথ্য দিন ও ডকুমেন্টস আপলোড করুন

4. ফি প্রদান করুন (কার্ড/অনলাইন ব্যাংকিং)

5. আবেদন সাবমিট করুন

6. ২-৭ কর্মদিবসের মধ্যে ভিসা পেয়ে যাবেন (PDF ফরমেটে)

✅ Step 6: ভিসা পাওয়ার পর করণীয়

1. প্রিন্ট কপি রাখুন

2. ফ্লাইট ও হোটেল কনফার্মেশন কপি প্রস্তুত রাখুন

3. ইমিগ্রেশনে প্রয়োজনে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ভ্রমণের উদ্দেশ্য বোঝাতে পারেন।

🔸ফেক ডকুমেন্টস বা ভুল তথ্য দেবেন না,রিটার্ন টিকিট ও হোটেল রিজার্ভেশন যেন সত্য হয়,কেউ স্পন্সর করলে তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ইনভাইটেশন লেটার দরকার হবে।

শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশিদের প্রথম মালোশিয়া। লোভনীয় বেতনের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার আবহাওয়া অনেকটা বাং...
07/06/2025

শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশিদের প্রথম মালোশিয়া। লোভনীয় বেতনের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার আবহাওয়া অনেকটা বাংলাদেশের মতোই। এই আবহাওয়া বাংলাদেশি কর্মীদের দেশটিতে যাওয়ার আগ্রহের পেছনে আরেকটি কারণ।

✅ মালয়েশিয়ায় কাজের ভিসার ধরণসমূহ:

1. Employment Pass (EP):
পেশাদার কর্মীদের জন্য (ইঞ্জিনিয়ার, আইটি, ডাক্তার ইত্যাদি)।
উচ্চ বেতন এবং অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
সাধারণত কোম্পানি আপনাকে স্পন্সর করে।

2. Temporary Employment Pass (TEP) মূলত এই ভিসাতেই বাংলাদেশিরা মালোশিয়া তে আসে। নিম্নোক্ত তিনটি সেক্টরে কর্মীদের জন্য দেওয়া হয়:

🔸 Construction (নির্মাণ খাত)
🔸 Manufacturing (কারখানা/শিল্প খাত)
🔸 Plantation & Agriculture (চাষাবাদ ও বাগান)
🔸 Service Sector (রেস্টুরেন্ট, ক্লিনার, গার্ড ইত্যাদি) – নির্দিষ্ট অনুমতির ভিত্তিতে
সীমিত মেয়াদ (সাধারণত ২ বছর)।

3. Professional Visit Pass:
স্বল্পমেয়াদী কাজ বা ট্রেনিং/কনসালটেন্সির জন্য।

🔃 পুরো ভিসা প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ (Temporary Employment Pass-এর উদাহরণে):

1. নিয়োগ/চাকরি পাওয়া:
মালয়েশিয়ার কোনো অনুমোদিত এজেন্সি বা নিয়োগকর্তার মাধ্যমে চাকরি পাওয়া লাগে।
এই কোম্পানির মালয়েশিয়ান সরকার থেকে কর্মী নিয়োগের কোটা থাকতে হবে।

2. Job Offer Letter ও স্পন্সরশিপ:
কোম্পানি আপনাকে অফার লেটার দেবে।
কোম্পানিকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন থেকে “Approval of Quota” নিতে হয়।

3. Calling Visa (Visa With Reference - VDR):
কোম্পানি মালয়েশিয়া থেকে ইমিগ্রেশনে আবেদন করে Calling Visa অনুমোদনের জন্য।

4. বায়োমেট্রিক ও মেডিকেল চেক-আপ (বাংলাদেশে):
নির্ধারিত মেডিকেল সেন্টারে মেডিকেল পরীক্ষা দিতে হয় (GAMCA বা BMET অনুমোদিত)।
ফিট সার্টিফিকেট প্রয়োজন।

5. BMET Clearance:
বাংলাদেশ সরকারের বুরো অফ ম্যানপাওয়ার (BMET) থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়।
প্রশিক্ষণ, চুক্তিপত্র এবং স্মার্ট কার্ড ইস্যু হয়।

6. ভিসা স্ট্যাম্পিং:
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনে (ঢাকায়) পাসপোর্টে ভিসা লাগানো হয়।

7. টিকিট ও ফ্লাইট:
নিয়োগকর্তা বা এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ফ্লাইট টিকিট বুক করা হয়।

8. মালয়েশিয়ায় পৌঁছে FOMEMA মেডিকেল:
মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর পুনরায় মেডিকেল দিতে হয় (FOMEMA)।মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে কাজ শুরু করা যায়।

🔃প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:

পাসপোর্ট (কমপক্ষে ২ বছর মেয়াদি)
চাকরির অফার লেটার
মেডিকেল রিপোর্ট
BMET ক্লিয়ারেন্স
শিক্ষাগত যোগ্যতা (EP-এর জন্য)
ছবি, এনআইডি ইত্যাদি

⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
ভুয়া বা অবৈধ এজেন্সি থেকে সতর্ক থাকুন।
চুক্তিপত্র ভালোভাবে পড়ে নিন।
BMET রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মালয়েশিয়ায় গেলে তা অবৈধ কর্মসংস্থান ধরা পড়তে পারে।
চাকরির ধরণ ও বেতন নিশ্চিত করুন।

🔻 বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। এর প্রধান কারণ ২০২১ সালে স্বাক্ষরিত শ্রমচুক্তির মেয়াদ ৩১ মে ২০২৪ তারিখে শেষ হওয়া।

◽ মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পুনরায় চালু হলে, বাংলাদেশ সরকার তাৎক্ষণিকভাবে তা জানাবে। ততক্ষণ পর্যন্ত, আগ্রহী কর্মীদেরকে সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

On one occasion, we spent time together in various places. 💜
29/03/2025

On one occasion, we spent time together in various places. 💜

A problem is a chance for you to do your best.
24/09/2024

A problem is a chance for you to do your best.

Address

Jaleswaritola
Puran Bogra
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Explore with Tarek posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Explore with Tarek:

Share