BIZ এই পেজের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইল।

ছবির মাঝখানে যাকে দেখছেন - চোখে চশমা, গায়ে মালা। তিনি আর কেউ নন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ...
25/08/2026

ছবির মাঝখানে যাকে দেখছেন - চোখে চশমা, গায়ে মালা।
তিনি আর কেউ নন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ভাই।

১৯৮৪ সালের ২ ডিসেম্বর।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, এরশাদবিরোধী আন্দোলন।
পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন, সেদিন তাকে মৃত ঘোষণাও করা হয়েছিল।
ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও বরণ করতে হয়েছে পঙ্গুত্ব।

রক্ত, ত্যাগ আর জেল-জুলুম দিয়ে বড় হওয়া নেতৃত্বই আজ দলের হাল ধরে আছে।
এটাই ছাত্রদল। এটাই বিএনপি।

"রাজপথের যোদ্ধারা কখনো বৃদ্ধ হয় না"

কিভাবে পাওয়ারফুল মানুষের সাথে সহজে মিশে যাবেন:১. Value First Approach-বেশিরভাগ মানুষ powerful কারো সাথে connect করার সময়...
15/08/2026

কিভাবে পাওয়ারফুল মানুষের সাথে সহজে মিশে যাবেন:

১. Value First Approach

-বেশিরভাগ মানুষ powerful কারো সাথে connect করার সময় শুরুতেই সাহায্য বা job চেয়ে বসে। এটা সবচেয়ে বড় ভুল।

-তাদের recent কোনো work, project বা content এর genuinely প্রশংসা করুন।

-তাদের problem solve হতে পারে এমন কোনো resource, data বা creative idea share করুন।

-মনে রাখবেন, আপনি যখন কোনো expectation ছাড়া তাদের কাছে value add করবেন, তারা নিজে থেকেই আপনাকে notice করবে।

২. Clear & Concise Message

ব্যস্ত ও successful মানুষদের রচনা পড়ার সময় থাকে না। আপনার message হতে হবে to the point.

-আপনি কে, কেন লিখছেন এবং কীভাবে connect হতে চান - এই ৩টি বিষয় সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ লাইনে শেষ করুন।

-অহেতুক কথা না বলে direct কাজের কথায় আসুন। professionalism এর সবচেয়ে বড় শর্ত হলো, অন্যের সময়কে Respect করা।

৩. Show Proof of Work

Reference ছাড়া কারো বিশ্বাস অর্জন করার সবচেয়ে বড় source হলো আপনার portfolio বা previous work.

-social media বিশেষ করে LinkedIn বা Facebook এ নিজের learning, case study এবং project share করুন।

-আপনি যখন public space এ consistent কাজ দেখাবেন, তখন বড় কোনো মানুষের নজর কাড়তে রেফারেন্সের দরকার পড়বে না। আপনার কাজই আপনার identity হয়ে উঠবে।

৪. Respectful Follow-up

একবার message দিয়ে reply না পেলে হতাশ হয়ে বারবার মেসেজ দেওয়া যাবে না।

-অন্তত ৫ থেকে ৭ দিন wait করে একটি polite follow-up দিবেন।

-"Did you check my previous message?" এভাবে না লিখে, নতুন কোনো context বা update দিয়ে follow-up দিন।

-তারা reply না দিলে সেটাকে personally না নিয়ে professional boundaries সম্মান করুন।

ভাবীর রেজাল্ট কি কারোর জানা আছে?
11/08/2026

ভাবীর রেজাল্ট কি কারোর জানা আছে?

19/07/2026

গার্ড মুলার যখন ১৪ গোলের রেকর্ড করছিলো, তখন বিশ্বকাপে দল খেলতো হাতেগোণা কয়েকটা‌।

২৪ দল থেকে ৩২ দলের বিশ্বকাপ হলো এই সেদিন। বিশ্বকাপে দল যত বাড়ছে, গোল/অ্যাসিস্ট ইত্যাদির রেকর্ড করা তত সহজ হয়েছে। যেহেতু লুথা প্রতিপক্ষ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া ম্যারাডোনাদের যুগের মতো এখন আবার ফাউল‌ও তেমন একটা হয় না।‌

ফলে এমবাপ্পের বিশ্বকাপের গোলের রেকর্ড এক যুগ টেকে কি না, আমার সন্দেহ আছে। সামনে যেহেতু আবার ৬৪ দলের বিশ্বকাপ। আরো বড় বড় লুথারা আসবে।

অন্য সব রেকর্ডের মতো গোলের কোনো রেকর্ড‌ই টিকবে না। চ্যাম্পিয়স লীগে রোনালদোর ১৪০ গোলের রেকর্ড‌ও আট/নয় বছর পর এমবাপ্পে/হাল্যান্ডসহ আনেকে ভেঙে ফেলবে। ১১ গোল‌ পিছনে থাকা মেসি আর এক/দেড় মৌসুম ইউরোপে খেললে বছর দুই আগেই এটা ভেঙে যেত। কিন্ত মেসি জানে এইসব রেকর্ডের গুরুত্ব নাই।
যে কারণে অল্প কয়েকটা গোল করেও ম্যারাডোনা পেলের কাতারে, আবার প্রচুর গোল করেও অনেকের কোনো খবর নাই।

গোল করা যে আগের চেয়ে কত সহজ হ‌ইছে, এটা বোঝা যায়, সর্বকালের সেরা গোলদাতাদের তালিকা দেখলে। দেখা যায়, দুই/একজন বাদে উপরের দিকে সবাই এই জেনারেশনের ফুটবলার।

সেরা ফুটবলার নির্বাচনে গোলের সংখ্যার গুরুত্ব অতীতে বিশেষ ছিলো‌ না, যে কারণে গার্ড মুলাররে মোটামুটি গোণায় ধরলেও বিশ্বকাপে পেলের চেয়ে অনেক কম ম্যাচ খেলে বেশি গোল করা ফন্টেইনরে কেউ অতটা গুরুত্ব দেয় না। যেমন এই বিশ্বকাপের আগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী ক্লোজার ঐ রেকর্ডটা ছাড়া আর কোনো গুরুত্ব ছিলো‌ না । অথবা ক্লাব ফুটবলে শত শত গোল‌ করা বাইকনের।

তো, কাল‌ মেসির রেকর্ড এমবাপ্পে ভাঙায় যে এই কথাগুলো বললাম তা, না, ক্লোজার রেকর্ড যেদিন মেসি ভাঙছিলো সেদিন‌ও বলছিলাম।

লোকজন মেসির সব রেকর্ড ভেঙে ফেললেও মেসি মেসিই থাকবে, যেমন ম্যারাডোনা ম্যারাডোনা আছে, পেলে পেলে আছে। তবে রেকর্ড ভেঙে গেলে অন্য একজনরে খুব মলিন দেখাবে, আশঙ্কা আছে, লোকটা তখন বাইকন/ফন্টেইন লেভেলে নেমে যাবে। সেই লোকটা এমবাপ্পে না, যেহেতু সেও অলরেডি ব্রাজিলের রোনালডো, বা তার স্বদেশী জিদানর লেভেলের গ্রেট হয়ে গেছে। আমি অন্য একজনার কথা বলছি।‌ তার নাম বললাম না। শুধু ইশারা দিলাম। বাকিটা বুঝে নিয়েন।

মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, শেষ মুহূর্তে একটি তিল বা আঁচিলে ধরা খেলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খুনি মোজাফফর নামের বা...
17/07/2026

মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, শেষ মুহূর্তে একটি তিল বা আঁচিলে ধরা খেলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খুনি মোজাফফর নামের বাংলাদেশের মিরজাফর!

দীর্ঘ ৪৫ বছর নিজের পরিচয় গোপন রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন। তবে শেষ মুহূর্তে নিজের পরিচয় জানাতে গিয়ে করা একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটায়। সেই সূত্র ধরে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

মোজাফফর হোসেন তার আসল পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলেছিলেন। তিনি সম্পূর্ণ নতুন একটি ছদ্মনাম ধারণ করেন এবং নিজের চেহারা ও বেশভূষায় পরিবর্তন আনেন। দীর্ঘ ৪৫ বছরে তার পারিবারিক যোগাযোগ এবং পুরোনো চেনা পরিমণ্ডলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিলেন, যাতে কোনোভাবেই কল ট্র্যাকিং বা নজরদারির মাধ্যমে তার সন্ধান না মেলে। জীবনের শেষভাগে এসে তিনি অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বসবাস শুরু করেন রাজধানীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও অভিজাত এলাকাগুলোর একটি বনানী ডিওএইচএসে।

একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসাবে ডিওএইচএস এলাকাটি তার চেনা পরিবেশ হলেও, সেখানে তিনি নিজেকে একজন সাধারণ, বয়োবৃদ্ধ এবং রাজনীতিবিমুখ নাগরিক হিসাবে পরিচিত করে তুলেছিলেন। আশপাশের মানুষ বা প্রতিবেশীরা কেউই কল্পনাও করতে পারেনি যে, তাদের পাশে বসবাসকারী এই বৃদ্ধই আসলে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম চাঞ্চল্যকর রাষ্ট্রপতি হত্যাকাণ্ডে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান ঘাতক।

এতদিন পর কীভাবে ধরা পড়ল ইতিহাসের এই খলনায়ক— জানতে চাইলে অভিযানে থাকা ডিবির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়াতে অপরাধীরা কত ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে পারে, তার অন্যতম উদাহরণ এই মোজাফফর। নিজের অবয়ব, চালচলন, এমনকি পেশা ও বাসস্থান পরিবর্তন করে সে দীর্ঘদিন একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিচয়ে ছদ্মবেশে অবস্থান করছিল। এ কারণে পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ক্লু ছিল না। তবে অপরাধ যতই নিখুঁত হোক না কেন, অপরাধীর কোনো না কোনো চিহ্ন বা সূত্র থেকেই যায়। এটাই নির্মম নিয়তি। আর সেই সূত্র ধরেই এত বছর পর তাকে ডিবি গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

গ্রেফতারের সূত্র জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, ডিবির বিশ্বস্ত টিম জানতে পারে, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে তার মেয়ের কর্মস্থলের সূত্র ধরে অনুসন্ধান শুরু করেন। জানা যায়, তার মেয়ে একটি বেসরকারি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে (এয়ারটেল) চাকরি করেন। কয়েক মাস ধরে মেয়ের কর্মস্থল এবং গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে গোয়েন্দারা একটি সম্ভাব্য বাড়ির ঠিকানা চিহ্নিত করেন। বাড়িটি চিহ্নিত করার পর ডিবি কর্মকর্তারা বেশ কিছুদিন ধরে দূর থেকে লক্ষ্য রাখেন এবং ছদ্মবেশে সার্বিক পরিবেশ ও মোজাফফরের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন। গোয়েন্দাদের কাছে মোজাফফরের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের একটি ক্লু আগে থেকেই নথিবদ্ধ ছিল। তার নাকের ঠিক নিচে একটি আঁচিল বা তিল সদৃশ কালো দাগ রয়েছে। চেহারা পরিবর্তন করলেও এই জন্ম চিহ্নটি পরিবর্তনের সুযোগ তার ছিল না। অভিযানে যাওয়ার আগে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এই চিহ্নটিকে তাদের প্রধান শনাক্তকরণ সূত্র হিসাবে নির্ধারণ করেন।

বুধবার গভীর রাতে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। করা হয় অভিযানের চূড়ান্ত পরিকল্পনা। গোয়েন্দা দল ছদ্মবেশে বাসার দরজায় কড়া নাড়ে। ভেতর থেকে দরজা খোলার পর অত্যন্ত নাটকীয় ও সুকৌশলে এগোয় পুরো প্রক্রিয়া। দরজা খেলার পর গোয়েন্দারা সরাসরি কোনো অভিযান বা গ্রেফতারবিষয়ক কোনো ভয়ভীতি না দেখিয়ে অতিথির মতো স্বাভাবিক আচরণ করেন। মেয়ের নাম ধরে জানতে চান অমুক (তার মেয়ে, যিনি এয়ারটেলে কাজ করেন) বাসায় আছেন কিনা। এ সময় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিজেদের ‘এয়ারটেল অফিস’ থেকে আসা কর্মী হিসাবে পরিচয় দেন।

তবে এত রাতে অফিসের লোক বাসায় আসায় স্বাভাবিকভাবেই ঘরের ভেতর থেকে কৌতূহল ও কিছুটা সন্দেহ তৈরি হয়। এজন্য বাসার ভেতর থেকে একজন বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি দরজা খুলে এগিয়ে এসে জানতে চান, ‘এত রাতে অফিসের কাজ কেন? আমাকে বলুন কী বিষয়। গোয়েন্দারা তখন কৌশলগতভাবে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটির চেহারা পর্যবেক্ষণ করেন। বাড়ির অল্প আলোতেও কর্মকর্তাদের চোখ এড়ায়নি তার নাকের নিচে থাকা সেই পরিচিত তিল বা আঁচিলটি। এ সময় কর্মকর্তারা বলেন, ‘মুরব্বি, আমরা তো আপনাকে চিনি না, আপনি কে? আমরা যার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি, তার সঙ্গে দেখা করতে দিন।’ সরল বিশ্বাসে এবং কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেই ব্যক্তি উত্তর দেন ‘আমি মোজাফফর। মেয়ের বাবা’।

মোজাফফরের মুখ থেকে একথা শোনার পর আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করেনি ডিবির চৌকশ দল। পলকের মধ্যে পকেট থেকে বের হয়ে আসে হ্যান্ডকাফ। অতঃপর মোজাফফরের দুই হাত বন্দি হয়ে যায় ডিবির শিকলে। চোখের পলকে দীর্ঘদিনের ছদ্মবেশী ও সুচতুর পলাতক আসামির হাতজোড়া অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে আইনের খাঁচায়। এরপর হতভম্ব চাহনি আর অপ্রস্তুত আত্মসমর্পণ বুঝিয়ে দেয়, ডিবির এই নিখুঁত অপারেশন কতটা নিঁখুত ও পরিপক্ব ছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন ১৯৮১ সালের ৩১ মে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। তিনি ছিলেন কিলিং স্কোয়াডের সক্রিয় সদস্য।

প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালের ৩০ মে গভীর রাতে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হামলা চালিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের সামরিক তদন্তের পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় যে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, মোজাফফর হোসেন ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। ঘটনার পর থেকেই তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে ফেরারি ছিলেন।
মামলার নথি, তদন্তের বিবরণী থেকে জানা যায়, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সেই কালরাতে মেজর মোজাফফরের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত ভয়ংকর। আক্রমণের সময় সার্কিট হাউজে হানা দিয়ে মেজর মোজাফফর ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন সরাসরি রাষ্ট্রপতির কক্ষের দিকে অগ্রসর হন।

মোজাফফরই প্রথম ব্যক্তি ছিলেন যিনি সশরীরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে কক্ষের বাইরে এনে শনাক্ত করেন। শুধু শনাক্ত করাই নয়, ঠান্ডা মাথায় তিনি রাষ্ট্রপতিকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পরপরই মোজাফফর চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে ফোনে ইংরেজিতে নৃশংস বার্তাটি দেন, ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিল্ড’। ১৯৮১ সালের ৩১ মে যখন সরকারি বাহিনী পুনরায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়, তখন বিদ্রোহের মূল হোতা মেজর জেনারেল মঞ্জুরসহ অনেকেই গ্রেফতার হন এবং পরে মঞ্জুর নিহত হন। তবে মেজর মোজাফফর হোসেন এবং মেজর এসএম খালেদ কৌশলে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

গোয়েন্দা সূত্রে মোজাফফরের সাড়ে চার দশকের পলাতক জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে। গ্রেফতার এড়াতে মোজাফফর দীর্ঘদিন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ছদ্মনামে আত্মগোপন করেছিলেন। নিজেকে আড়াল করতে তিনি নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি ভুয়া নাম, পরিচয় এবং জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে চলতেন। এতদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ বনানী ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘তিনি একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা এবং কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন। তাই প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে সেনাবাহিনীর নিজস্ব জুডিশিয়াল প্রসেস বা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

১৯৮১ সালের ৩১ মে যখন সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয় এবং সেনাবাহিনীর তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর নিহত হন, তখন মোজাফফর বুঝতে পারেন তার বাঁচার কোনো পথ নেই। তাই তিনি তার আরেক সহযোগী মেজর এসএম খালেদ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে কৌশলে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রবেশ করেন।

গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে তিনি দীর্ঘ সময় কাটান। ১৯৯৭-১৯৯৮ সালের দিকে তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করেন এবং সেখান থেকেই পরবর্তী জীবনের ছক আঁকেন।............….................…...............................................

পলাতক অবস্থায় তিনি কেবল ভারতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। ভারতের ভুয়া নাগরিকত্ব বা জাল নথির সাহায্যে তিনি পাসপোর্ট তৈরি করেছিলেন। এই ভুয়া আন্তর্জাতিক নথির ওপর ভর করে তিনি বিশ্বের একাধিক দেশ সফর করেছেন এবং বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল) বা বাংলাদেশের গোয়েন্দারা তার আসল নামে খোঁজ করেও দীর্ঘদিন কোনো হদিস পাননি।

রোনালদোর দিকে তাকান। আধুনিক ফুটবলে তাঁর চেয়ে বড় 'মেশিন' বা পারফেক্ট অ্যাথলেট আর দ্বিতীয়টি নেই। কিন্তু তাঁর ক্যারিয়ারের স...
16/07/2026

রোনালদোর দিকে তাকান। আধুনিক ফুটবলে তাঁর চেয়ে বড় 'মেশিন' বা পারফেক্ট অ্যাথলেট আর দ্বিতীয়টি নেই। কিন্তু তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে ভয়ংকর ট্র্যাজেডি হলো...তিনি ফুটবল নামক এই আবেগের খেলাটিকে সবসময় একটি 'কর্পোরেট জব' হিসেবে দেখেছেন।

তাঁর কাছে ড্রেসিংরুম কোনো পরিবার নয়, ড্রেসিংরুম হলো একটি অফিস। সতীর্থরা তাঁর কাছে বন্ধু বা ভাই নয়, তারা হলো তাঁর 'কলিগ'l

আপনি রোনালদোর ব্যক্তিগত জীবনের দিকে একটু তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালে দেখবেন...তিনি বড্ড একা! তাঁর বেস্ট ফ্রেন্ড বা অন্তরঙ্গ বন্ধুদের তালিকায় ফুটবল অ্যারেনা বা ফুটবল দুনিয়ার কেউ নেই। তিনি যখন ছুটিতে যান বা ইয়টে চড়ে সমুদ্রে ভাসেন, তখন সেখানে তাঁর কোনো সতীর্থকে দেখা যায় না। তিনি নিজেকে সবসময় বাকিদের থেকে আলাদা, এক অস্পৃশ্য দেবতার আসনে বসিয়ে রেখেছেন।

আর এই কর্পোরেট দর্শনের ফল কী হয়েছে?

পর্তুগাল দলে রোনালদোকে কেউ পাস দিতে চায় না! এটি কোনো ট্যাকটিক্যাল ভুল নয়; এটি হলো বছরের পর বছর ধরে জমিয়ে রাখা এক মনস্তাত্ত্বিক দূরত্বের বিস্ফোরণ। সংবাদ সম্মেলনে যখন পর্তুগিজ সতীর্থরা আসেন, তখন তাঁদের মুখে রোনালদোর প্রতি কোনো অকৃত্রিম ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা দেখা যায় না। তাঁরা মেপে মেপে কথা বলেন, যেমন করে কর্পোরেট অফিসের কর্মচারীরা তাদের রাগী, দাম্ভিক সিইও-এর ব্যাপারে কথা বলে।

এবার আয়নার ঠিক উল্টো দিকে তাকান। লিওনেল মেসি।

এই মানুষটি অনেক আগেই প্রকৃতির সেই অমোঘ সত্যটি বুঝতে পেরেছিলেন..."আমি একা বড় হতে পারব না।" তাঁর বাঁ পায়ে হয়তো ঈশ্বরপ্রদত্ত জাদুর ছড়ি আছে, কিন্তু তিনি জানেন, বাকি দশজন সতীর্থ যদি তাঁর জন্য নিজেদের রক্ত না ঝরায়, তবে তাঁর ওই জাদুর কোনো মূল্য নেই।

মেসি ফুটবল দুনিয়াটাকে কোনো কর্পোরেট অফিস হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে দেখেছেন তাঁর 'এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলি' বা বর্ধিত পরিবার হিসেবে। লুইস সুয়ারেজ, সার্জিও আগুয়েরো, রদ্রিগো ডি পল, নেইমার, জর্দি আলবা...তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধুরাই হলো তাঁর সতীর্থ। তিনি যখন হ্যাং-আউট করেন, যখন ভ্যাকেশনে বা ছুটিতে যান, তখন তাঁর এই ফুটবলীয় পরিবার সবসময় তাঁর সাথেই থাকে। তিনি তাঁর সতীর্থদের সাথে মাংস পোড়ান, একসাথে হাসেন, একসাথে কাঁদেন। তিনি তাদের কলিগ হিসেবে দেখেন না, তিনি তাদের নিজের রক্তের ভাই হিসেবে দেখেন।

আর এই দর্শনের ফলাফল?

আর্জেন্টিনার সংবাদ সম্মেলনগুলোতে কান পাতলে দেখবেন, কোচ থেকে শুরু করে সাইডবেঞ্চের খেলোয়াড়...সবার মুখে শুধু একটাই রব, "মেসি! মেসি! মেসি!" তারা শুধু তাঁকে কেন্দ্র করে খেলেই না, তারা তাঁকে আক্ষরিক অর্থেই পুজো করে। মেসি যখন ঘাসের ওপর পড়ে যান, তখন রদ্রিগো ডি পল বা ওটামেন্ডিরা শুধু ট্যাকটিক্যাল কারণে ছুটে আসেন না; তাঁরা ছুটে আসেন কারণ তাঁদের মনে হয় কেউ তাঁদের বড় ভাইয়ের গায়ে হাত তুলেছে!

এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনদর্শনের সবচেয়ে নগ্ন, সবচেয়ে হাড়হিম করা প্রমাণ আমরা পেয়েছি বিশ্বকাপ জার্নির শেষ ম্যাচগুলোতে।

যখন রোনালদো মেক্সিকোর বা কাতারের ঘাসে তাঁর শেষ ম্যাচটি হেরে হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদছিলেন, তখন কী ঘটেছিল? পুরো পর্তুগাল দল এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। একটা লোকও... হ্যাঁ, একটা সতীর্থও ছুটে আসেনি তাঁকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিতে! তিনি একা কাঁদছিলেন, একা মাথা নিচু করে টানেলের অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সেই কান্নার ভার নেওয়ার মতো কোনো 'মাটি' সেখানে ছিল না, কারণ তিনি সারাজীবন নিজেকে মাটি থেকে দূরেই রেখেছিলেন।

আর অন্যদিকে মেসি? মেসি যখন মাঠে হাসেন, পুরো আর্জেন্টিনা তাঁর সাথে হাসে। তিনি যখন কাঁদেন, এগারো জন গ্ল্যাডিয়েটর এসে তাঁকে মানব-প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলে।

এখানেই লুকিয়ে আছে গ্রেটনেসের বা শ্রেষ্ঠত্বের আসল রহস্য, যা কোনো স্কোরলাইন, কোনো ফিফা স্ট্যাটস বা কোনো অ্যালগরিদমে লেখা থাকে না।

আমরা প্রায়ই একটা ভুল করি। আমরা ভাবি, শুধু অনেক গোল করা, অনেক রেকর্ড ভাঙা আর অনেক ট্রফি জেতাটাই বোধহয় গ্রেটনেস।

না। গ্রেটনেস বা মহত্ত্ব শুধু তৈরি করলেই হয় না, সেটির 'মেইনটেন্যান্স' বা রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মানবিক সম্পর্ক, আপনার চারপাশের মানুষের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি, আপনার বিনয়...এগুলোই হলো আপনার লিগ্যাসি বা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার আসল সিমেন্ট।

লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো...খেলাটাকে এবং জীবনটাকে দেখার এই দুটি ভিন্ন ফিলোসফি বা দর্শন, আজ তাঁদের লিগ্যাসিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি গন্তব্যে নিয়ে গেছে।

একজনের গন্তব্য শেষ হয়েছে এক একাকী, নিঃসঙ্গ টানেলের অন্ধকারে, যেখানে তাঁর কান্নার শব্দ শোনার মতো কেউ নেই। আর অন্যজনের গন্তব্য শেষ হতে যাচ্ছে এক উৎসবমুখর, ভালোবাসায় মোড়ানো বিশাল পরিবারের আলিঙ্গনে।

মেসি আমাদের শিখিয়েছেন...তুমি যতই বড় হও না কেন, শিকড়কে কখনো ভুলে যেও না। কারণ বিশাল একটা বটগাছ হয়ে উঠতে, ওই মাটিটুকুর, তোমাকে বুকে টেনে নেওয়া বড্ড জরুরী।

এক ব্যক্তি একটা বই লিখেছিল। বইটির নাম ছিল "How to Change Your Life"।কিন্তু ছাপার সময় ভুলবশত মাত্র একটি বানান ভুল হয়ে ব...
11/07/2026

এক ব্যক্তি একটা বই লিখেছিল। বইটির নাম ছিল "How to Change Your Life"।

কিন্তু ছাপার সময় ভুলবশত মাত্র একটি বানান ভুল হয়ে বইটির নাম ছাপা হয় "How to Change Your Wife"। 🤭😝🤣

শোনা যায়, সেই ভুল নামের বইটিই নাকি এক দিনেই ২০ লক্ষ কপি বিক্রি হয়ে গিয়েছিল!

জীবনে মাঝে মাঝে ভুল হওয়া জরুরী।

10/07/2026

আচ্ছা, আপনাদের যাদের চাকরি, বিয়ে,
বাচ্চা সব হয়ে গেছে আপনাদের এখন মানুষ কি জিজ্ঞেস করে?

২৮ বছর পর দলরে কোপা জিতাইছেন তিনিই,আক্ষেপ ঘোচাইছেন ৩৬ বছর পর ওয়ার্ল্ড কাপ জয়ের! আর্জেন্টিনারে অজেয় বানাইয়া ব্যাক টু ব্যা...
08/07/2026

২৮ বছর পর দলরে কোপা জিতাইছেন তিনিই,

আক্ষেপ ঘোচাইছেন ৩৬ বছর পর ওয়ার্ল্ড কাপ জয়ের!

আর্জেন্টিনারে অজেয় বানাইয়া ব্যাক টু ব্যাক কোপা জয়ের মহানায়কও তিনি। দলটার ক্যাপ্টেন।

সেই মেসি মিসরের এগেইন্সটে জয়ের পর এইভাবে শিশুর মতো কেন কাঁদলেন?

একটা কারণ তো এইখানে অবশ্যই আছে...

না, সেইটা এত কষ্টে, এত নাটুকে জয়ের জন্য না!

মেসি পেনাল্টি মিস করছিল। একের পর এক বল লুজ করতাছিল। মেসি শিওর ভাবতেছিল, সাপোর্টাররা চিটেড ফিল করতেছে!

মেসি কি চিটার?

এই যে গ্লানি, এই গ্লানি নিয়া বিদায়ের আশংকাই মেসিকে ঘিরা ধরছিল।

ফাইনালি তা হয় নাই। মেসির কারণেই হয় নাই।

মেসি ক্ষতিপূরণ দিলেন-এসিস্ট করলেন, গোল করলেন, ড্রিবল করতে করতে মিসরের রক্ষণ ছাতু বানাইয়া ফেললেন!

আর তাতে ৩৯ বছরের এক বুড়ো হাফ ছেড়ে বাঁচছেন। সেই বাঁচার কান্নাই ছিল এইটা। দায়মুক্তির কান্না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অশ্লীল ভাষার জন্য ক্ষমা করবেন। আপনার বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের মাঝে এমন লোক আছে যার রাতের যৌ*ন সঙ্গী হ...
05/07/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অশ্লীল ভাষার জন্য ক্ষমা করবেন। আপনার বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের মাঝে এমন লোক আছে যার রাতের যৌ*ন সঙ্গী হয় র ও লীগের মালগুলো!!! আর দিনের বেলাতে ঐ মালগুলো হয়ে যায় বিএনপি সরকারের জন্য বোঝা!!!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে এক খান* কির সাথে পিএমের ছবি তুলতে হয়েছিল সেই উপদেষ্টার কারনে। আর এবার লীগের সি ক‍্যাটাগরির মডেল দিয়ে উপস্থাপনা করানো হচ্ছে এমন অনুষ্ঠান যেখানে তারেক রহমান উপস্থিত!!! সিআরআইয়ের প্রডাক্ট রিপ্রেজেন্ট করছে জুলাই চেতনা!!!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার উপদেষ্টা ও দি*ল্লিতে সকল তথ্য পাচার করা টেকনোক্রেট প্রতিমন্ত্রীর দায় বিএনপির কেন বহন করতে হবে??? সবাই বলে আপনি জানেন না, বোঝেন না!!! কিন্তু আমি বলি “আপনি কি বাবু না বোকা???”

হয় বা*লটারে সরান, নয়তো পরিনতির অপেক্ষায় থাকুন। ফুলস্টপ।

Address

Puran Bogra
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BIZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BIZ:

Shortcuts

Share