BIZ এই পেজের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইল।

পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, ডিজিটাল বাংলাদেশ, নানা রকম ভাতা শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে পারে নি।পদ্মা ব্যারেজ, হরেক রকম হাজার কোট...
15/05/2026

পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, ডিজিটাল বাংলাদেশ, নানা রকম ভাতা শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে পারে নি।
পদ্মা ব্যারেজ, হরেক রকম হাজার কোটির সেতু, খাল খনন, বিভিন্ন কার্ড ক্ষমতাসীন দলের ক্ষমতা রক্ষা করতে পারবে না।

আপনারা জনগণের পালস বুঝতে পারেন নি, তাদের চাওয়া বুঝতেও পারবেন না। যেদিন পারবেন সেদিন আর ফেরার উপায় থাকবে না।

বাংলাদেশের এক নাম্বার সমস্যা কর্মসংস্থান- মানুষ কাজ চায়।

বাংলাদেশের একজন কৃষক বলে নি ঋণ মওকুফ করেন, একজন বেকারও বলে নি ভাতা দেন, কোন মা বলে ভাতা দেন। তারা সবাই যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চায়, উপার্জনের পথ যেন সহজ হয় সেই সুন্দর পরিবেশ চায়। কোটা আন্দোলন ছিল সেটারই একটা ছদ্ম আন্দোলন। সরকার ভুয়া ভুয়া উন্নয়ন প্রজেক্ট করে লক্ষ কোটি টাকা আমলা আর ক্ষমতাসীনরা লুটে ব্যস্ত, কিন্তু সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ দিতে গেলে পয়সা পকেটে থাকে না। এমন কি নিজের কর্মচারীদের অনাহারে রাখার মত বেতন দেয়। এসব ভন্ডামি জনগন বুঝে। ভুয়া ভাউচার - রিসিভ দিয়ে কোটি কোটি লুট করে যাচ্ছে মামলা আর ক্ষমতাসীনরা। হাসিনা চলে গেছে কিন্তু যাদের দিয়ে লুটতরাজ করেছে সে সমস্ত আমলারা মহাসুখে আছে। এসব আমলারা নিজেদেএ সুবিধার জন্যই নতুন "হাসিনা" তৈরি করে নিচ্ছে।

আর বাংলাদেশের দুই নাম্বার সমস্যা- আমলা ও ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতি।

এই দুইটা সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য জনগন শয়তানকে
পর্যন্ত ক্ষমতায় আনতে দ্বিধা করবে না সেটা জামাত হোক বা তালেবান হোক।
আম্লীগের মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়ন নামের মুলা যেমন তার গদি রক্ষা করতে পারে নি, বিএনপির জাতীয়তাবাদ ও উদার উন্নতির মুলাও তাকে রক্ষা করতে পারবে না।

সময় থাকতে বিএনপি নিজেদের প্রায়োরিটি ঠিক করে - কর্মসংস্থান ও দুর্নীতি দূরীকরণ করতে ব্যর্থ হলে, তাদেরও ব্যর্থ - হতাশ হয়ে হাসিনার মত রাজনৈতিক আত্মহত্যা করতে হবে। আমরা চাই ব্যর্থ যেন না হয়। সফল হোক মানুষের প্রকৃত অর্থনৈতিক স্বাধীনতায়।

পশ্চিম বঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের বড় অংশই মুসলিম এবং বিজেপির মুসলিমবিরোধী ক্যাম্পেইনে যখন মুসলিমরা ভীত তখন তাদের একতাবদ্ধ থা...
07/05/2026

পশ্চিম বঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের বড় অংশই মুসলিম এবং বিজেপির মুসলিমবিরোধী ক্যাম্পেইনে যখন মুসলিমরা ভীত তখন তাদের একতাবদ্ধ থাকার কথা ছিল। কিন্তু মুসলিমরা এতটাই বেকুব আর অন্ধ আবেগী যে তারা এই ভয়াবহ মুহুর্তে স্বপ্ন দেখতে শুরু করল বাবরি মসজিদ বানাবে, তারা শরীয়া আইন আনবে। যা সং খ্যা গরিষ্ঠ অতি শক্তিশালী উগ্র হিন্দুদের দেশে কোন সুস্থ মানুষ এটা চিন্তা করে কিভাবে এটা নিয়ে গবেষণা করা যেতে পারে। নিজেরা ভোটার লিস্ট থেকে মুছে যাচ্ছে, নিজের অস্তিত্ব যখন হুমকিতে তখন কিভাবে এরা মসজিদ বানানোর স্বপ্ন দেখে, ইসলামি দলের শাসন চায়!!!!! এই বিপদে মুসলিমরা একতাবদ্ধ না থেকে তারা বহু ভাগে ভাগ হয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি, আই এস এফ, কংগ্রেস, মিম, বাম, টিএমসি নানা দলে ভোট দিয়েছে ইচ্ছেমতে। ভোট বিভক্তির সুযোগে বিজেপি বেশ কিছু আসন বাড়িয়ে নিয়েছে। নিজেদের বিপক্ষ শক্তিকে অধিকতর শক্তিশালী করার জন্য মুসলিমরা মরিয়া হয়ে উঠেছিল নিজেদের অজান্তেই। সামনের দিনে কড়ায় গন্ডায় বিজেপি তাদের বুঝিয়ে দেবে। বাবরি মসজিদ ভাঙার পর থেকে চরম ফর্মে থাকা বিজেপি এবার এদের পিছন দিয়ে ঢুকিয়ে দেবে এদের স্বপ্ন ডুপ্লিকেট বাবরি বানোনোর স্বপ্নকে। বেকুবদের কিভাবে শায়েস্তা করতে হয়, লাইনে আনতে হয় বিজেপির চেয়ে ভালো মাস্টার ভারতে নেই। হয়তো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

কথা কি সইত্য!?
22/04/2026

কথা কি সইত্য!?

19/04/2026
১৯৩৭ সালে নেপোলিয়ন হিল যখন Think and লিখলেন, তিনি ২০ বছর ধরে ৫০০+ ধনী মানুষকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। অ্যান্ড্রু কার্নেগি,...
18/04/2026

১৯৩৭ সালে নেপোলিয়ন হিল যখন Think and লিখলেন, তিনি ২০ বছর ধরে ৫০০+ ধনী মানুষকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। অ্যান্ড্রু কার্নেগি, হেনরি ফোর্ড, থমাস এডিসন - এদের সবার মধ্যে একটি মিল ছিল। তারা কিছু কথা কখনোই বলতেন না। অথচ সাধারণ মানুষ প্রতিদিন এই কথাগুলো বলে এবং নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই লিখে ফেলে।

আজ আমি তোমাকে সেই ৫টি বাক্য দেখাব যা ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে দেয়াল তৈরি করে।

১. আমার সময় নেই

গরিবরা যা বলে:

আমার সময় নেই নতুন কিছু শিখার। সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকি।

ধনীরা যা জানে:

ওয়ারেন বাফেট দিনে ৫-৬ ঘণ্টা পড়েন। বিল গেটস বছরে ৫০টি বই পড়েন। ইলন মাস্ক রকেট সায়েন্স শিখেছেন শুধু বই পড়ে।

গভীর সত্য:

সময় সবার কাছে সমান - দিনে ২৪ ঘণ্টা। কিন্তু গরিবরা সময় ব্যয় করে, ধনীরা সময়ে বিনিয়োগ করে।

একজন দিনমজুর ১২ ঘণ্টা কাজ করে ৫০০ টাকা পায়। একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার ৬ মাস শিখে ১২ ঘণ্টা কাজ করে ৫০,০০০ টাকা পায়। পার্থক্যটা সময়ে নয়, সময়ের ব্যবহারে।

যা বলা উচিত:

আমি এর জন্য সময় তৈরি করব।

কার্ল নিউপোর্টের Deep Work থিওরি:

মানুষ দিনে গড়ে ৪৭% সময় নষ্ট করে - সোশ্যাল মিডিয়া, অপ্রয়োজনীয় আড্ডা, মানহীন কন্টেন্ট দেখে। এই সময়টা যদি স্কিল ডেভেলপমেন্টে দাও, ১ বছরে তুমি অন্য মানুষ হয়ে যাবে।

২. এটা আমার জন্য না (বা আমি পারব না)

গরিবরা যা বলে:

বিজনেস আমার জন্য না, আমি চাকরি করেই ভালো আছি।

ইংরেজি শেখা আমার দ্বারা হবে না।

টেকনোলজি বুঝি না, আমার জন্য না।

ধনীরা যা জানে:

জেফ বেজোস প্রথমে ছিলেন একজন হেজ ফান্ডের কর্মচারী। অনলাইন বইয়ের ব্যবসা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। শিখে নিয়েছেন।

স্টিভ জবস প্রোগ্রামিং জানতেন না যতটা স্টিভ ওজনিয়াক জানতেন। কিন্তু ডিজাইন এবং ভিশন দিয়ে অ্যাপল তৈরি করেছেন।

ক্যারল ড্যুয়েকের Mindset থিওরি:

দুই ধরনের মানসিকতা আছে:

Fixed Mindset (স্থির মানসিকতা): আমার যা আছে তাই আছে। পরিবর্তন হবে না।

Growth Mindset (বৃদ্ধির মানসিকতা): আমি শিখতে পারি। আমি বদলাতে পারি।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ৩০ বছরের গবেষণায় দেখা গেছে - যাদের Growth Mindset আছে, তারা ৮০% বেশি সফল হয়েছে।

যা বলা উচিত:

আমি এখনও এটা পারি না, কিন্তু শিখব।

প্রাচীন জাপানি দর্শন - Kaizen:

প্রতিদিন ১% উন্নতি। ১ বছরে ৩৭ গুণ উন্নত হয়ে যাবে (গাণিতিকভাবে)। কিন্তু প্রতিদিন ১% অবনতি হলে? ১ বছরে প্রায় শূন্যে নেমে যাবে।

৩. টাকা সব নয় (যখন তোমার টাকা নেই)

গরিবরা যা বলে:

টাকায় সুখ কেনা যায় না।

টাকা থাকলেই কি সব পাওয়া যায়?

আমরা গরিব কিন্তু সৎ।

ধনীরা যা জানে:

হ্যাঁ, টাকা সব নয়। কিন্তু টাকা হলো বিকল্প (Options)।

চার্লি মুঙ্গার (ওয়ারেন বাফেটের পার্টনার) বলেছেন: যে বলে টাকায় সুখ কেনা যায় না, সে জানে না কোথায় কিনতে হয়।

নিষ্ঠুর সত্য:

- মা-বাবা অসুস্থ হলে ভালো চিকিৎসা টাকায় কেনা যায়

- সন্তানের ভবিষ্যৎ শিক্ষা টাকায় নিশ্চিত হয়

- সময় কিনতে পারো টাকা দিয়ে (গাড়ি, সাহায্যকারী)

- স্বাধীনতা কিনতে পারো (চাকরির দাসত্ব থেকে মুক্তি)

মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল কাহনেম্যানের গবেষণা:

একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত (বছরে প্রায় ৭৫,০০০ ডলার বা ৬০-৭০ লাখ টাকা) টাকা বাড়লে সুখও বাড়ে। কারণ মৌলিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা নিশ্চিত হয়।

টাকা সব নয়, কিন্তু টাকা ছাড়া অনেক কিছুই অসম্ভব।

যা বলা উচিত:

টাকা একটা টুল। আমি এই টুল ব্যবহার করে জীবন সুন্দর করব।

দরিদ্রতা মহিমান্বিত করা বন্ধ করো। দারিদ্র্য কোনো গুণ নয়, এটা একটা সমস্যা যা সমাধান করতে হয়।

৪. ভাগ্যে যা আছে তাই হবে (নিয়তিবাদ)

গরিবরা যা বলে:

আল্লাহ/ভগবান যা দিয়েছেন তাতেই সন্তুষ্ট।

কপালে না থাকলে কিছু হবে না।

ধনী হওয়া আমার ভাগ্যে নেই।

ধনীরা যা জানে:

জ্যাক মা ৩০ বার চাকরির ইন্টারভিউতে বাদ পড়েছিলেন। KFC-তে আবেদন করেছিলেন ২৪ জন, ২৩ জন নেওয়া হয়েছিল, একমাত্র জ্যাক মা বাদ পড়েছিলেন। কিন্তু তিনি বলেননি ভাগ্যে নেই। আলিবাবা তৈরি করলেন।

ওপরাহ উইনফ্রে জন্মেছিলেন অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে, শৈশবে নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু বলেননি ভাগ্যে নেই। আজ বিলিয়নেয়ার।

স্টোইক দর্শন - মার্কাস অরেলিয়াস:

You have power over your mind - not outside events. Realize this, and you will find strength.

তুমি বাইরের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারো না, কিন্তু তোমার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারো।

যা বলা উচিত:

আমি আমার ভাগ্য নিজে তৈরি করব।

বৈজ্ঞানিক সত্য - Locus of Control:

মনোবিজ্ঞানী জুলিয়ান রটার দেখিয়েছেন:

- External Locus of Control: যারা মনে করে সবকিছু বাইরের শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে - তারা কম সফল, বেশি হতাশাগ্রস্ত

- Internal Locus of Control: যারা বিশ্বাস করে নিজের কর্মেই ফল নির্ভর করে - তারা বেশি সফল, মানসিকভাবে শক্তিশালী

৫. সরকার/সিস্টেম/সমাজ দায়ী

গরিবরা যা বলে:

এই দেশে কিছু হয় না।

সরকার যদি সুযোগ দিত...

ধনীদের ছেলেমেয়েরা সব পায়, আমরা কী করব?

দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি না থাকলে সফল হওয়া যায় না।

ধনীরা যা জানে:

হ্যাঁ, সিস্টেম অন্যায্য। হ্যাঁ, দুর্নীতি আছে। কিন্তু এই অজুহাতে বসে থাকলে কিছু হবে না।

প্রাক্তন US প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট বলেছিলেন:

Do what you can, with what you have, where you are.

যা পারো তাই করো, যা আছে তাই দিয়ে, যেখানে আছো সেখান থেকেই।

উদাহরণ:

- মার্ক জুকারবার্গ ধনী পরিবারের ছিল? না। হার্ভার্ড ছেড়ে দিয়ে Facebook তৈরি করেছে

- ধীরুভাই আম্বানি পেট্রোল পাম্পে কাজ করতেন

- রতন টাটা এতিম শিশু ছিলেন (adopted)

প্রতিটি দেশে, প্রতিটি সিস্টেমে কিছু মানুষ সফল হয়। প্রশ্ন হলো - তুমি কি অজুহাত খুঁজবে নাকি পথ খুঁজবে?

যা বলা উচিত:

সিস্টেম যেমনই হোক, আমি আমার জায়গা থেকে সেরাটা দেব।

জর্ডান পিটারসনের ১২ নম্বর নিয়ম:

নিজের ঘর গোছাও তারপর বিশ্ব পরিবর্তনের কথা ভাবো।

তুমি সরকার বদলাতে পারবে না আজ। কিন্তু তুমি নিজেকে বদলাতে পারো আজই। নিজের স্কিল বাড়াও, নিজের মূল্য বাড়াও। তারপর দেখবে সিস্টেম নিজেই তোমাকে জায়গা দেবে।

বোনাস: ধনীরা গোপনে যা বলে, গরিবরা জানেই না

ধনীদের আসল ভাষা:

১. আমি কীভাবে এটা করতে পারি? (সমস্যা = সুযোগ)

গরিবরা বলে: এটা সম্ভব না।

২. আমি এর থেকে কী শিখতে পারি? (ব্যর্থতা = পাঠ)

গরিবরা বলে: আমার ভুল হয়ে গেছে, শেষ।

৩. এই টাকা কীভাবে আরও টাকা বানাবে? (টাকা = বীজ)

গরিবরা বলে: এই টাকা দিয়ে কী কিনব?

৪. আমার নেটওয়ার্কে কে এটা জানে? (সম্পর্ক = সম্পদ)

গরিবরা বলে: আমি একা একাই করব।

৫. আমি কাকে ভ্যালু দিতে পারি? (দান = পাওয়া)

গরিবরা বলে: আমি কী পাব?

উপসংহার: শব্দ থেকে ভাগ্য তৈরি হয়

নিউরোসায়েন্টিস্ট অ্যান্ড্রু নিউবার্গ এবং মার্ক ওয়াল্ডম্যান তাদের Words Can Change Your Brain বইয়ে প্রমাণ করেছেন:

তুমি যে শব্দ বারবার বলো, তোমার মস্তিষ্ক সেই অনুযায়ী পুনর্গঠিত হয়।

তুমি যদি প্রতিদিন বলো আমি পারব না - তোমার মস্তিষ্ক সেভাবে তৈরি হবে।

তুমি যদি প্রতিদিন বলো আমি পারব - তোমার মস্তিষ্ক সেভাবে কাজ করবে।

আজ থেকে তোমার কাজ:

পরবর্তী ৩০ দিন একটি এক্সপেরিমেন্ট করো:

১. এই ৫টি বাক্য সম্পূর্ণ বন্ধ করো:

- আমার সময় নেই

- এটা আমার জন্য না

- টাকা সব নয় (যখন তোমার টাকা নেই)

- ভাগ্যে নেই

- সিস্টেম দায়ী

২. এই ৫টি বাক্য প্রতিদিন বলো:

- আমি এর জন্য সময় তৈরি করব

- আমি শিখব এবং আয়ত্ত করব

- টাকা একটি টুল, আমি এটা ব্যবহার করব

- আমি আমার ভাগ্য নিজে লিখব

- আমি আমার অবস্থান থেকে সেরাটা দেব

৩০ দিন পর তুমি নিজেই পার্থক্য দেখবে।

শেষ কথা:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন: যা বলবে তাই হবে।

বিজ্ঞান এখন প্রমাণ করেছে - এটা শুধু কবিতা নয়, এটা সত্য।

তোমার শব্দ তোমার চিন্তা তৈরি করে।

তোমার চিন্তা তোমার কর্ম তৈরি করে।

তোমার কর্ম তোমার অভ্যাস তৈরি করে।

তোমার অভ্যাস তোমার ভাগ্য তৈরি করে।

তুমি কি ধনীর ভাষা শিখবে, নাকি গরিবের ভাষা বলতে থাকবে?

পছন্দটা তোমার। কিন্তু মনে রাখবে - প্রতিটি শব্দ একটি বীজ। তুমি যা বুনবে, তাই কাটবে।

এই পোস্টটি সেভ করো। প্রতি সপ্তাহে পড়ো। নিজেকে চেক করো - তুমি কোন ভাষায় কথা বলছো।

ছবিটা তুরস্কের Akkuyu নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের স্যাটেলাইট ইমেজ। আর ছবিটা পোস্ট করেছে Shay Gal। ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্...
15/04/2026

ছবিটা তুরস্কের Akkuyu নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের স্যাটেলাইট ইমেজ। আর ছবিটা পোস্ট করেছে Shay Gal। ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির এক্সটার্নাল রিলেশন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট।

ছবিটার সাথে সে লিখেছে:

ইরান ছিল শুধু ট্রায়াল। কিন্তু এখন তুরস্কের ফাইলও ওপেন করা হয়েছে।

আক্কুইউ, সাইপ্রাস, সোমালিয়া, হামাস - এসব জায়গায় তুরস্কের উপস্থিতি এবং ফান্ডিংকে থ্রেট হিসেবে বর্ণনা করে সে দাবি করেছে, এগুলো কোনো সাময়িক এক্সাইটমেন্ট না। এগুলো হচ্ছে তুরস্কের দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতির অংশ।

সে লিখেছে, এরদোয়ান লিবিয়া এবং কারাবাখে তার অতীত ভূমিকার মাধ্যমে তার পরিকল্পনা স্পষ্ট করেছেন। ফলে এগুলোকে ইসরায়েল এখন আর শুধু কথা হিসেবে না, বাস্তব অপারেশনাল ইনপুট হিসেবে দেখছে।

সে দাবি করেছে, ইরানের ক্ষেত্রে যে কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল, সেটাই এখন তুরস্কের দিকেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, কৌশলগত অবস্থান এবং সম্ভাব্য আক্রমণের প্রস্তুতি - সব মিলিয়ে এগুলোকে সে শুধু আঞ্চলিক ইস্যু নয়, বরং ইউরোপীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।

ইরানের পর ইসরায়েল যে বাকি মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর উপর নজর দিবে - বিশেষ করে পাকিস্তান এবং তুরস্কের উপর - এটা জানাই ছিল। কিন্তু তাদের অ্যাকাউন্টগুলো যে ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই তুরস্কের বিরুদ্ধে ন্যারেটিভ নির্মাণ করতে শুরু করবে, সেটা আশা করিনি।
তুরস্ক, পাকিস্থান হয়তো বড্ড দেরি করে ফেলবে সতর্ক হতে।

হুমায়ূন ফরিদী ৩ বছরের মেয়েকে ফেলে বিয়ে করেছিলেন সুর্বনাকে সেই মেয়ের কাছেই করুন মৃত্যু একটু পেছনে ফিরে যাওয়া যাক ১৯৮০ সাল...
13/04/2026

হুমায়ূন ফরিদী ৩ বছরের মেয়েকে ফেলে বিয়ে করেছিলেন সুর্বনাকে সেই মেয়ের কাছেই করুন মৃত্যু
একটু পেছনে ফিরে যাওয়া যাক ১৯৮০ সালে হুমায়ুন ফরিদী ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন - দীর্ঘ দিনের প্রেমিকা মিনুকে,। তারপর বছর না পেরুতেই একটি কন্যা সন্তানের জনক হন মিনু এবং ফরিদী, নাম রাখেন দেবযানী।
তারপর অভিনয় করতে গিয়ে প্রেমে পড়েন # বিখ্যাত অভিনেতা গোলাম মোস্তফার মেয়ে সুর্বনা মোস্তফার - তারপর ১৯৮৪ সালে মিনুকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন # সুর্বনা মোস্তফাকে - তখন তার মেয়ে দেবযানীর বয়স মাত্র তিন বছর, ফরিদী কাপড় চোপড় যখন ব্যাগে ভরছিলেন, তখন ছোট্ট দেবযানী মা মিনুকে জিজ্ঞেস করেন -
মা বাবা কই যায় তখন মিনু উত্তরে বলেন # তোমার বাবা একে বারে চলে যাচ্ছে আমাদের ছেড়ে - তখন ছোট্ট দেবযানী চিৎকার করে কাঁদছিলেন, যেওনা বাবা যেওনা বাবা বলে - কিন্তু হুমায়ূন ফরিদীর পাষান হৃদয় বিন্দু পরিমানে গলেনি।
তারপর ১৯৮৪ সালেই সুর্বনাকে বিয়ে করেন ফরিদী চলে সুখের হানিমুন - ঠিক ২৪ বছর পর ২০০৮ সালে - সুর্বনা ফরিদীকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন নাট্য পরিচালক সউত কে আর ফরিদী ফ্যাল ফ্যাল করে সুর্বনার দিকে তাকিয়ে ছিলো -
যেমন ভাবে মিনু তাকিয়ে ছিলো ফরিদী যখন চলে যাচ্ছিলেন সুর্বনা মোস্তফার কাছে - সেম সেম ঘটনা ঘটে।
তারপর ফরিদী পর পর দুই বার হার্ট এ্যাটাক করলে হাসপাতালে ছুটে চলে যান তার সেই ফেলে আসা ৩ বছরের ছোট্ট মেয়ে দেবযানী। তারপর ফরিদীকে তার বাসায় নিয়ে আসেন।
এরপর ধুকে ধুকে ফরিদী মারা যান তার মেয়ে দেবযানী বাসায় - একটি বাস্তব কাহিনীর গল্প এখানেই শেষ।
সময় কথা বলে।

Address

Puran Bogra
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BIZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BIZ:

Share