27/08/2026
বিজ্ঞানীরা এটিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। আর একজন মুমিন হিসেবে আমরা এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে পারি, কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত কিয়ামতের ভয়াবহতার কথা স্মরণ করতে পারি।
কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর আদেশে পৃথিবীর পরিচিত এই স্থিতিশীলতা আর থাকবে না। পাহাড়, আকাশ, সমুদ্র—সবকিছুই তাঁর নির্দেশে এক ভয়াবহ পরিবর্তনের মুখোমুখি হবে। কোরআনে পাহাড়কে ধুনিত তুলার মতো হয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
আজ আমরা দুনিয়ার সামান্য লাভের জন্য নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলছি, নদী-নালা ও জলাশয় নষ্ট করছি, প্রাণী ও পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস করছি। অথচ এই জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণীরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তাই প্রতিটি দুর্যোগকে নিজের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে দেখা উচিত। কোনো নির্দিষ্ট দুর্যোগকে নিশ্চিতভাবে আল্লাহর শাস্তি বা কিয়ামতের আলামত বলে ঘোষণা করার আগে আমাদের সতর্ক থাকা দরকার। কিন্তু এসব ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানুষ যত শক্তিশালীই হোক, আল্লাহর সৃষ্টির সামনে সে কতটা অসহায়!
একদিন সত্যিই সেই দিন আসবে, যেদিন পাহাড়গুলো তুলার মতো উড়ে যাবে। তাহলে এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার জন্য এত অহংকার, এত লোভ, এত ধ্বংসযজ্ঞ—কিসের?
আসুন, প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হই, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করি এবং একই সঙ্গে আখিরাতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন, সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন এবং কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
#আমাদেরগল্প