20/05/2026
বি/কৃত যৌ’না-চার পছন্দ করতো প্রতিবেশী ধ/র্ষক। তাই রামিসাকে শিকার করা। আগের দিনে বিপদে পড়লে প্রতিবেশীরাই সবার আগে সাহায্য করতো। এখন সে প্রতিবেশীরাই বিপদের কারণ। ৭ বছরের একটা বাচ্চা মেয়ে ছিলো রামিসা। ক্লাস টুতে পড়তো। গতকালও মা-বাবার সাথে একসাথে ঘুম থেকে উঠেছে। আজ দুনিয়াতেই নাই।
সকালবেলা বড়বোনের সাথে প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা। তার আগেই বাসা থেকে গায়েব। বাসাতে অনেক্ষণ দেখতে না পেয়ে রামিসার মা তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলো। বাসা থেকে বের হয়েছে তখন খুব বেশি দেরিও হয় নি। আশেপাশের বাসায় জিজ্ঞেস করেছিলো মেয়ে রামিসাকে কোথাও দেখতে পেয়েছে কিনা। প্রায় বাসায় না শুনতে শুনতে এক বাসার দরজায় অনেক্ষণ টোকা দিয়েও কেউ দরজা খোলে নি। বাইরে রামিসার একটা জুতা দেখতে পেয়েছিলো। ভেতর থেকে দরজা আটকানো ছিলো তাই স্বাভাবিকভাবেই বাসায় কেউ আছে সেটা নিশ্চিত ছিলো! কিন্তু কেউ দরজা খোলে নি। খুলবেই বা কিভাবে। তখন ভেতরে রামিসাকে কা/টা/কু-টির কাজ চলছিলো! 😓
ভাবা যায়, একটা বাচ্চা মেয়েকে সে ঘরে থাকা ৩৪ বছরের সোহেল রানা নামের এই লোক প্রথমে ধ/র্ষ/ণ তারপর হয়তো নৃশংসভাবে* খু/ন করে। শুধু তাই নয়, পুরো শরীরটা কে/টে দু’ভাগ করে উল’ঙ্গ* অবস্থায়। তারপর শরীরের নীচের অংশ খাটের তলায় আর কা/টা ছোট্টো বাচ্চা মাথাটা বাথরুমের প্লাস্টিকের বালতিতে রাখে। সবচেয়ে ভয়ংক’র ব্যাপার হচ্ছে রানার এই অ’পরাধে তার স্ত্রীও শামিল ছিলো। ছিলো না সেটা বলা-ই বাহুল্য। কারণ দরজা ভেঙ্গে লোকেরা যখন তাদের বাসায় ঢুকলো, তখন রানা গ্রিল কেটে পালালেও স্ত্রী রান্নাঘরে লুকিয়েছিলেন।
রানার স্ত্রী স্বপ্নার জবানবন্দিতে সে জানায় রানা বিকৃ’ত যৌ*নাচার পছন্দ করতো। তাই তাকেও নি/র্যা/তন করতো। রামিসাকে দেখেই পছন্দ হয়েছিলো। তাই দু’মাস আগে বাসা বদলিয়ে এখানে আসে। তারপর থেকেই সুযোগের অনুসন্ধানে ছিলো। গতকাল সকালে সুযোগ পেয়েও গেলো। কিন্তু ধ/র্ষ?ণ করতে গিয়ে রামিসার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তারপরই তাকে খু/ন করে। আর দরজায় টোকা দেওয়ার পর ধরা পড়বে বুঝতে পেরে পালাতে সাহায্য করে স্ত্রী। এটাই রানার প্রথম অ’পরা*ধ না। আগেও অ’পরা/ধের দায়ে জে/ল হয়েছিলো। কিন্তু টাকা দিয়ে বাইরে বের হয়েছিলো। এবারও হয়তো ঠিকই উপায় করে বেরিয়ে এর চেয়েও বড় কোনো অ’পরাধের মাস্টারমাইন্ড হবে। কিন্তু,, রামিসার মা-বাবা?
বিচারের আশা করতে পারেন এদেশে?
শহরের জীবনযাত্রায় আমাদের ঘরের ছোটো সদস্যরাই সবচেয়ে অসহায়। অনেকে পাশের বাসাকে নিরাপদ মনে করে বাইরে গেলে বাচ্চা পাশের বাসায় দিয়ে যান। একবারও ভাবেন না কী থেকে কী হতে পারে! সেই যুগ শেষ, আশেপাশে থাকা কোন মানুষের ভেতরে হা’য়ানার বসবাস সেটা জানার উপায় নেই। মেয়ে বাচ্চা যে-ই বয়সেরই হোক, তার একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় আপনি ছাড়া কেউ না এইসময়ে। তাই প্রয়োজনে চোখের পলক কম ফেলুন, তারপরও বাচ্চাকে নিজের চোখের সীমানা পার হতে দিবেন না! 🙏
আল্লাহ রামিসাকে বেহেশতের ফুল করেই রাখুক! 🤲
ঘটনা: ঢাকার পল্লবীর
゚ ゚ #রামিসা