Mamata's Vlog

Mamata's Vlog 'Mamata's Vlog' is a channel on vloging, cooking, roaming and other activities. Hope to get you.

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে রবার্ট লিস্টন এক অবিস্মরণীয় নাম, তবে সেটি কোনো যুগান্তকারী সাফল্যের জন্য নয়, বরং অভাবনীয় এক ট্...
13/12/2025

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে রবার্ট লিস্টন এক অবিস্মরণীয় নাম, তবে সেটি কোনো যুগান্তকারী সাফল্যের জন্য নয়, বরং অভাবনীয় এক ট্র্যাজেডির কারণে। ১৮৪৭ সালের সেই ঘটনাটি আজও আমাদের অবাক করে দেয়। সেই যুগে অ্যানেসথেসিয়া বা চেতনা নাশক ওষুধের প্রচলন ছিল না, তাই সার্জনের প্রধান লক্ষ্য থাকত কত দ্রুত অস্ত্রোপচার শেষ করা যায়। দ্রুত গতির জন্য বিখ্যাত লিস্টন গর্ব করে বলতেন, তিনি চোখের পলকেই রোগীর অঙ্গচ্ছেদ করতে পারেন।

​সেদিনও তিনি তেমনই এক অপারেশন শুরু করেছিলেন। চারিদিকে উৎসুক দর্শক আর সহকারীদের ভিড়ে ঠাসা অপারেশন থিয়েটার। লিস্টন ঘড়ি ধরে নিজের দ্রুত গতির স্বাক্ষর রাখতে চাইলেন। কিন্তু অতি দ্রুত কাজ করতে গিয়ে তিনি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। ক্ষিপ্রগতিতে অস্ত্রোপচার করার সময় তিনি এতটাই বেসামাল হয়ে পড়েছিলেন যে, রোগীর পায়ের পাশাপাশি অসাবধানতাবশত তার পাশে থাকা সহকারীর হাতের আঙুলও কেটে ফেললেন। চারদিকে তখন রক্ত আর চিৎকারে এক বীভৎস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

​লিস্টন তার অপারেশন শেষ করেছিলেন মাত্র দুই মিনিটের সামান্য বেশি সময়ে, কিন্তু এর পরিণতি ছিল ভয়াবহ। কয়েক দিনের মধ্যেই সেই অস্ত্রোপচারের ক্ষত থেকে সংক্রমণের সৃষ্টি হয়ে রোগী মারা যান। একই ভাগ্য বরণ করতে হয় তার সেই সহকারীকেও; আঙুল কাটার ফলে রক্তে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে তিনিও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

​তবে গল্পের সবচেয়ে অদ্ভুত অংশটি ছিল একজন দর্শককে নিয়ে। ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি অপারেশন থিয়েটারের সেই রক্তাক্ত বিশৃঙ্খলা দেখে এতটাই আতঙ্কিত হয়েছিলেন যে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে। ফলে একটি মাত্র সাধারণ অস্ত্রোপচার শেষ পর্যন্ত তিন-তিনটি তাজা প্রাণ কেড়ে নেয়। ইতিহাসের পাতায় এটিই একমাত্র অপারেশন যেখানে মৃত্যুর হার ছিল গাণিতিকভাবে অসম্ভব ‘৩০০ শতাংশ’। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এই ঘটনাটি আজও এক করুণ এবং অদ্ভুত বিড়ম্বনার উদাহরণ হয়ে টিকে আছে।

দুই বছরের শিশু সাজিদকে পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু কষ্টের বিষয় হল শিশুটি আর জীবিত নেই। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আ...
11/12/2025

দুই বছরের শিশু সাজিদকে পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু কষ্টের বিষয় হল শিশুটি আর জীবিত নেই। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ শিশুটির পরিবারকে ধৈর্য দান করুন।আমিন

11/12/2025

দুই বছরের শিশু সাজিদকে পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু কষ্টের বিষয় হল শিশুটি আর জীবিত নেই। আল্লাহ শিশুটির পরিবারকে ধৈর্য দান করুন।

ছেলের জন্য রাতভর অপেক্ষার পর রুনা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের প্রচণ্ড জ্বর ছিল। দাদার সঙ্গে হাটখোলায় যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জ্ব...
11/12/2025

ছেলের জন্য রাতভর অপেক্ষার পর রুনা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের প্রচণ্ড জ্বর ছিল। দাদার সঙ্গে হাটখোলায় যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জ্বর থাকায় দাদা নিয়ে যায়নি। সকালে আমি ওষুধ এনে তাকে খাইয়ে দিয়েছি। কে জানত এমন সর্বনাশ অপেক্ষা করছে! আমার অসুস্থ ছেলেটা এখন ৪০ ফুট মাটির নিচে। এই তীব্র শীতে...

এতটুকু বলেই কাঁপতে কাঁপতে বারবার অজ্ঞান হয়ে পড়ছিলেন তিনি। প্রতিবার জ্ঞান ফিরেই আবার তাকাচ্ছিলেন সেই গর্তের দিকে—চোখে একমাত্র প্রশ্ন, ‘আমার ছেলেটাকে কি আমি আবার জড়িয়ে ধরতে পারব?’

মায়ের অপেক্ষা, সন্তানের বাঁচার সংগ্রাম, আর মানুষের দোয়া,সব মিলেই রাতটি হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, নিঃশ্বাস বন্ধ করা প্রতীক্ষার রাত।

কিন্তু কষ্টের বিষয় হল শিশুটি আর জীবিত নেই। আল্লাহ শিশুটির পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন।

11/12/2025

স্ত্রীদের কখনো বাপ তুলে গালি দিবেন না তাদের গায়ে হাত তুলবেন না #আহসান

ভারতে এক অদ্ভুত মানুষ আছেন, যার নেশা হলো ইট খাওয়া! হ্যাঁ, ঠিকই পড়লেন। তার নাম পাক্কিরাপ্পা হুনাগুন্ডি।ভারতের কর্ণাটক রাজ...
09/12/2025

ভারতে এক অদ্ভুত মানুষ আছেন, যার নেশা হলো ইট খাওয়া! হ্যাঁ, ঠিকই পড়লেন। তার নাম পাক্কিরাপ্পা হুনাগুন্ডি।
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে এক অত্যন্ত অদ্ভুত মানুষের বাস, যাঁর নেশা শুনে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য—তাঁর প্রিয় খাদ্য হলো ইট! তিনি হলেন পাক্কিরাপ্পা হুনাগুন্ডি। তাঁর বিশ্বাস, এই অস্বাভাবিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমেই একদিন তিনি বিখ্যাত হবেন এবং প্রচুর অর্থ রোজগার করবেন।

​পাক্কিরাপ্পার এই অদ্ভুত খাদ্যাভ্যাস শুরু হয়েছিল মাত্র দশ বছর বয়সে। এখন চল্লিশ পেরিয়ে গেলেও এই অভ্যাস তিনি ধরে রেখেছেন। জানা যায়, তিনি প্রতিদিন প্রায় একটি আস্ত ইট এবং তিন কিলোগ্রামের মতো নুড়ি ও মাটি খেয়ে থাকেন। তাঁর কাছে যেন এগুলোই স্বাভাবিক খাবার।

​নিজের এই অভ্যাসের ব্যাখ্যা দিয়ে পাক্কিরাপ্পা বলেছিলেন, “আমার ভালো লাগে শুধু মাটি আর ইট। অন্য কিছু নয়। এটা আমার অভ্যাস… আমার প্রতিদিনই চাই! আপনারা আমাকে চিকেন দিলেও কোনো লাভ নেই, আমি মাটি চাই-ই চাই!”
​চিকিৎসকদের মতে, পাক্কিরাপ্পা সম্ভবত 'পাইকা' (Pica) নামক একটি বিরল খাদ্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বাভাবিক খাবারের পরিবর্তে সম্পূর্ণ অখাদ্য বস্তু গ্রহণ করে থাকে।

​পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব—সবার বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও পাক্কিরাপ্পা তাঁর এই অদ্ভুত অভ্যাস ত্যাগ করেননি। বরং, তিনি এখন আরও এক ধাপ এগিয়ে ভাবছেন, সারা ভারত ঘুরে ইট ও নুড়ি-মাটি খাওয়ার প্রদর্শনী করবেন!

​আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো, এত বছর ধরে ইট-পাথর খেয়েও তিনি দাবি করেন যে, তাঁর শরীরে এখনও পর্যন্ত কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি। পাক্কিরাপ্পার এই কাহিনি সত্যিই দেখিয়ে দেয় যে, মানুষের জীবনে নেশা বা আসক্তি কত রকমের এবং কত অদ্ভুত হতে পারে

08/12/2025

অই সংসারে কখনো আল্লাহর রহমত আসেনা যে সংসারে স্বামীর কথায় স্ত্রীর চোখ পানি আসে।

অদম্য লিসা: ২৮ দিনের বনবাস থেকে ফেরা 🌳​২০১৭ সালের আগস্ট মাস। যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা রাজ্যের মিডল্যান্ডের ঘন জঙ্গলে হঠাৎই...
08/12/2025

অদম্য লিসা: ২৮ দিনের বনবাস থেকে ফেরা 🌳

​২০১৭ সালের আগস্ট মাস। যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা রাজ্যের মিডল্যান্ডের ঘন জঙ্গলে হঠাৎই হারিয়ে গেলেন পঁচিশ বছর বয়সী তরুণী লিসা থেরিস। চরম প্রতিকূলতার মুখে পড়লেন তিনি; জুতো, ফোন, খাবার বা কোনো জরুরি সরঞ্জাম ছাড়াই তিনি ঠাঁই নিলেন প্রকৃতির রূঢ় কোলে। চারদিকে কেবল ঘন অন্ধকার, অচেনা পথ আর নানা অজানা বন্য শব্দ।

​প্রথম কয়েকটা দিন তিনি ছিলেন দিশেহারা, বুঝতে পারছিলেন না কোন দিকে গেলে আলোর মুখ দেখা যাবে। এরপর শুরু হলো এক কঠিন জীবন সংগ্রাম। বেঁচে থাকার জন্য লিসা ভরসা রাখলেন বনের ওপর। যা পেয়েছেন তাই খেয়ে টিকে রইলেন—বন্য বেরি, কিছু মাশরুম, আর ঝর্ণার জলই ছিল তাঁর একমাত্র আহার।
​দিনের পর দিন পেরোতে লাগল, এক সপ্তাহ গড়িয়ে মাস ছুঁইছুঁই। দীর্ঘ এই বনবাসে তাঁর শরীর ক্ষয় হতে শুরু করে, ওজন কমে যায় অস্বাভাবিকভাবে। হাত-পায়ে আঘাতের চিহ্ন, আর চামড়ায় চিরে যাওয়ার দাগ—সবমিলিয়ে লিসা প্রায় এক জীবন্ত কঙ্কালে পরিণত হয়েছিলেন।

​এতকিছুর পরেও, তিনি হাল ছাড়েননি। জঙ্গলের গভীরেও তাঁর ভেতরে ছিল বেঁচে থাকার এক দুর্বার আকাঙ্ক্ষা। এই ইচ্ছেটাই তাঁকে প্রতিনিয়ত সামনের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।

​অবশেষে, দীর্ঘ আটাশ দিন পর মিলল মুক্তি। ক্লান্ত, ক্ষীণদেহ, ধুলো-মাটি মাখা লিসাকে দেখতে পেলেন এক পথচারী, গ্রামীণ রাস্তার ধারে। তিনি দ্রুত পুলিশে খবর দিলেন। এভাবেই প্রায় এক মাস পর লিসা থেরিস আবার প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে ফিরতে সক্ষম হলেন—তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক জ্বলন্ত প্রমাণ রেখে।

মানবসেবার এক মহাকাব্য: ৩২ ঘণ্টার সার্জারি 👇​২০১৪ সালের জুন মাসে চীনের সোশ্যাল মিডিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য সাড়া ফেলেছিল। এ...
08/12/2025

মানবসেবার এক মহাকাব্য: ৩২ ঘণ্টার সার্জারি 👇

​২০১৪ সালের জুন মাসে চীনের সোশ্যাল মিডিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য সাড়া ফেলেছিল। এই দৃশ্যটি ছিল নিছক কোনো সেলিব্রিটি বা ঘটনার নয়, বরং একদল নিঃস্বার্থ চিকিৎসকের চরম আত্মত্যাগের মুহূর্ত। ফুঝো শহরের ফুজিয়ান মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ইউনিয়ন হাসপাতাল থেকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিই জন্ম দিয়েছিল এই প্রশংসার বন্যায়।

​ছবিগুলোতে দেখা যায়, অপারেশন থিয়েটারের কঠিন যুদ্ধের শেষে ক্লান্ত সার্জনরা। মেঝেতে শুয়ে আছেন, কেউ বা দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে আছেন—যেন প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশ্রামের জন্য হাহাকার করছে। তবে ক্লান্তি সত্ত্বেও, এক চিকিৎসকের চোখে ছিল বিজয়ের দীপ্তি; তিনি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে দেখাচ্ছিলেন 'ভিক্টরি' সাইন।

​এই দৃশ্যের পটভূমিতে রয়েছে এক অবিশ্বাস্য মানবিক গল্প। ২১ জুন ভোরে শুরু হয়েছিল এক রোগীর জীবন-মৃত্যুর লড়াই, যার মাথা থেকে একের পর এক টিউমার অপসারণ করতে হতো। এটি ছিল এক অত্যন্ত জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

​তিনজন নিউরোসার্জন, ছয়জন অ্যানেস্থেসিয়োলজিস্ট এবং আটজন নার্স—মোট সতেরো জন চিকিৎসাকর্মী অংশ নিয়েছিলেন এই মহাযজ্ঞে। একটানা ছয়টি আলাদা সার্জারি সম্পন্ন করতে তাদের সময় লেগেছিল পুরো ৩২ ঘণ্টা!
​অবশেষে, যখন শেষ সেলাইটি পড়ল, চিকিৎসকদের মুখমণ্ডলে ফুটে উঠল জীবনের জয়গাথা আর রাজ্যের ক্লান্তি। এই ছবিগুলো প্রমাণ করে, পৃথিবীর কিছু কঠিনতম পেশা শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য নয়, বরং অন্যের জীবন রক্ষার পবিত্র ব্রত হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

প্রতিশোধের পথ ছেড়ে ক্ষমার পথে আমেনেহ বেহরামী👇​২০০৪ সালে ইরানের ২৭ বছর বয়সী তরুণী আমেনেহ বেহরামী এক ভয়াবহ পরিস্থিতির শি...
06/12/2025

প্রতিশোধের পথ ছেড়ে ক্ষমার পথে আমেনেহ বেহরামী👇

​২০০৪ সালে ইরানের ২৭ বছর বয়সী তরুণী আমেনেহ বেহরামী এক ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হন। তার এক ক্লাসমেটের প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় প্রতিশোধ নিতে সেই ছেলেটি তার মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে। এই বর্বর হামলায় তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যায় এবং তিনি তার দু'চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান। এরপর শুরু হয় আমেনেহর দীর্ঘ, কষ্টদায়ক অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসার সংগ্রাম।

​দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর, ২০১১ সালে ইরানের আদালত আমেনেহকে এক কঠিন অধিকার প্রদান করে: দেশের 'তালিওন' বা কিসাস আইন অনুযায়ী, তিনি চাইলে তার হামলাকারী মাজিদ মোভাহেদির দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিয়ে "চোখের বদলে চোখ" নিতে পারতেন।

​যখন অভিযুক্ত মোভাহেদিকে হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় আনা হলো এবং গোটা বিশ্ব আমেনেহর সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছিল, তখন এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত আসে। আমেনেহ শেষ মুহূর্তে থেমে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, "তার চোখ নষ্ট করলে আমার মুখ বা দৃষ্টি তো আর ফিরে আসবে না।" প্রতিশোধের কঠিন পথ ছেড়ে তিনি ক্ষমা ও সহানুভূতির পথ বেছে নিলেন।

​এই ক্ষমার ফলস্বরূপ, মোভাহেদি ১১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেন এবং ২০১৫ সালে মুক্তি পান। অন্যদিকে, আমেনেহ বেহরামী স্পেনে গিয়ে নতুন জীবন শুরু করেন। পরে তিনি ইরানে ফিরে আসেন এবং তার জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে "Auge um Auge" (চোখের বদলে চোখ) বইটি লেখেন।

​আমেনেহর এই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। একদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইরানের এই প্রতিশোধমূলক 'তালিওন' আইনের কঠোর সমালোচনা করে। অন্যদিকে, আমেনেহর ক্ষমাশীলতা মানবতাকে নতুন বার্তা দেয়। এটি মনে করিয়ে দেয় যে, ইরানে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবার এখনও প্রতিশোধ অথবা আর্থিক ক্ষতিপূরণের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারে।

মেরিন সার্জেন্ট টাইলার জিগেল, মাত্র চব্বিশ বছরের এক তরুণ, যার জীবনগাথা প্রেম, যন্ত্রণা, এবং এক নীরব বিদায়ের সাক্ষী।​২০০৬...
04/12/2025

মেরিন সার্জেন্ট টাইলার জিগেল, মাত্র চব্বিশ বছরের এক তরুণ, যার জীবনগাথা প্রেম, যন্ত্রণা, এবং এক নীরব বিদায়ের সাক্ষী।

​২০০৬ সালে তিনি রেনে ক্লাইনকে বিয়ে করেন। বিয়ের ছবিতে ফুটে উঠেছিল এক নতুন সূচনার প্রতিজ্ঞা—দু'জন তরুণ-তরুণী যেন সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে এক সুন্দর জীবন শুরু করতে চলেছেন। কিন্তু সেই আনন্দের প্রতিশ্রুতির আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক ভয়াবহ বাস্তবতা।

​ইরাকে এক আত্মঘাতী বিস্ফোরণে জিগেলের জীবন মুহূর্তের মধ্যে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিনি তাঁর বাম হাত এবং ডান হাতের তিনটি আঙুল হারান। মাথার খুলির একটি অংশ উড়ে গিয়েছিল, এবং এক চোখের দৃষ্টিও চলে যায়। তাঁর মুখমণ্ডল এতটাই বিকৃত হয়েছিল যে, তিনি আয়নার সামনে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে বিস্ময়ে থমকে যেতেন।

​যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরে আসার পর কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা জিগেলের একমাত্র ভরসা ছিল সরকারের দেওয়া সহায়তা বা ভাতা। কিন্তু সেই সাহায্য নিয়েও বারবার সমস্যা হতে থাকল; কাগজপত্র, দীর্ঘসূত্রিতা, ভুল হিসাব, এবং হঠাৎ পেমেন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া—সব মিলিয়ে জীবনটা তাঁর কাছে ক্রমেই এক অসহনীয় বোঝা হয়ে উঠতে শুরু করে।
​রেনে তাঁর পাশে থাকার সবরকম চেষ্টা করলেও, সেই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বেশিদিন টেকেনি। বিয়ের মাত্র এক বছর পরই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

​পরবর্তী বছরগুলোতে জিগেল লড়াই চালিয়ে যান; যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, বরং নিজের শরীর ও মনের সঙ্গে। ভেতরে ভেতরে তিনিও ক্রমশ ভেঙে পড়ছিলেন। অবশেষে, ২০১২ সালে একদিন খবর এলো—ওষুধের ওভারডোজে টাইলার জিগেলের মৃত্যু হয়েছে। এইভাবেই এক নীরব বিদায়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটলো এক মেরিন সার্জেন্টের ট্র্যাজিক জীবনযুদ্ধের

মধ্যযুগের বক্স বেড: আরাম ও উষ্ণতার আশ্রয়👇​মধ্যযুগের বক্স বেড ছিল মূলত একধরনের কাঠের ছোট ঘরের মতো শোবার ব্যবস্থা। এটিকে দ...
04/12/2025

মধ্যযুগের বক্স বেড: আরাম ও উষ্ণতার আশ্রয়👇

​মধ্যযুগের বক্স বেড ছিল মূলত একধরনের কাঠের ছোট ঘরের মতো শোবার ব্যবস্থা। এটিকে দেখতে অনেকটা একটি আলমারির মতো কাঠের ঘর মনে হতো, যার ভেতরে নরম গদি পাতা থাকত এবং সামনে ব্যবহারের সুবিধার জন্য স্লাইডিং দরজা বা পর্দা লাগানো থাকত।

এই বিশেষ শয়ন ব্যবস্থাটি উত্তর ইউরোপে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল, যার প্রধান কারণ ছিল সেখানকার দীর্ঘ ও তীব্র শীতকাল। সেই সময়ে ঘরবাড়িগুলো সাধারণত ঠান্ডা এবং বাতাসে পূর্ণ থাকত, আর ঘরের ভেতরে মাত্র একটি চুলার তাপ পাওয়া যেত। বক্স বেডের কাঠের দেয়ালগুলো ঘুমন্ত মানুষের চারপাশে উষ্ণ বাতাস ধরে রাখতে সাহায্য করত, যা এই ঠান্ডা পরিবেশে একে এক আশীর্বাদ স্বরূপ করে তুলেছিল। উষ্ণতা ধরে রাখার পাশাপাশি, বক্স বেডের আরেকটি বড় সুবিধা ছিল গোপনীয়তা নিশ্চিত করা।

তখনকার দিনে মানুষজন প্রায়শই একটি মাত্র ঘরেই একসাথে কাজ করত, বাস করত এবং ঘুমাত; ফলে এই বদ্ধ কাঠের কাঠামোটি ছিল তাদের জন্য নিজেদের একটি ছোট্ট ব্যক্তিগত জগৎ। ব্যবহারিকতার দিক থেকেও এই বেডগুলো ছিল চিন্তাভাবনা করে তৈরি। অনেক বক্স বেড মেঝের ঠান্ডা এড়িয়ে চলার জন্য মাটির ওপর কিছুটা উঁচু করে বানানো হতো। আবার, কোনো কোনো বেডের নিচে স্টোরেজের জায়গা কিংবা বসার বেঞ্চের ব্যবস্থা থাকত, যা কার্যত এক বিছানার ভেতরেই একটি সম্পূর্ণ ছোট বাসার অনুভূতি দিত।

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mamata's Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mamata's Vlog:

Share