24/05/2026
২০২৪ সালের ১৭ জুলাই (বুধবার) বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন এক উত্তাল রূপ নেয়। এদিন সরকারি ছুটি (পবিত্র আশুরা) থাকা সত্ত্বেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকায় তীব্র বিক্ষোভ, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ, গায়েবানা জানাজা, কফিন মিছিল এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ভোর থেকেই আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের তাড়িয়ে দেয় ও ক্যাম্পাসকে ‘রাজনীতিমুক্ত’ ঘোষণা করে। এই ঘটনার পর, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করে ও শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল খালি করার নির্দেশ দেয়। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করে, সরকার ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় যা আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
এই সংঘাতময় দিনে, আন্দোলনকারীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে ও তাদের মাগফেরাত কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে গায়েবানা জানাজা আদায় করে। এই ঘটনা আন্দোলনের তীব্রতা ও জনসমর্থনের এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
১৬ জুলাই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলায় রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ সারাদেশে অন্তত ছয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুজন ঢাকায় সায়েন্সল্যাব এলাকায় ও চট্টগ্রামে ছাত্রদলের নেতা ওয়াসিম আকরামসহ আরও তিন জন নিহত হন।
নিহতদের মাগফেরাত কামনায় ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গায়েবানা জানাজার শুরু হওয়ার আগেই পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে বিকেল চারটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসভবনের সামনে জানাজা পড়েন আন্দোলনকারীরা। সেই জানাজা পড়ান তারেক রেজা যাকে আজকে বিম্পি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।।
তারেক রেজা কে .....যারা জানেন না, তাদের জন্য ।।🤐🤐🤐 এই পুলিশ সেই ২৪ এর পুলিশ।