16/06/2026
সংসদে সাধারণত আমজনতার আসল সংকট নিয়ে কথা হতে কমই দেখা যায়। তবে গতকাল জামায়াত ইসলামীর সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজের বক্তব্যটি সত্যিই মন ছুঁয়ে গেছে। রাজনৈতিক আদর্শের উর্ধ্বে উঠে জনগণের বাস্তব সমস্যা নিয়ে এমন গঠনমূলক আলোচনা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি মূলত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের বৈষম্য।
দেশের বিশাল একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাধারা হওয়া সত্ত্বেও এবারের বাজেটে কওমি শিক্ষার উন্নয়নে কোনো দিকনির্দেশনা না থাকায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
কর্পোরেট সেক্টরের কর্মীদের জন্য সুনির্দিষ্ট পে-স্কেল না থাকায় সরকারি চাকরির প্রতি অন্ধ মোহ তৈরি হচ্ছে, যা পরোক্ষভাবে ঘুষ আর নিয়োগ বাণিজ্যের পথ খুলে দিচ্ছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, বেসরকারি খাতের মানুষগুলোও এদেশের ভোটার এবং তাদের কষ্টটা সবচেয়ে চরম। তিনি প্রধানমন্ত্রী কে উদ্দেশ্য করে বলেন যে তারাও আপনাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের কথাও ভাবতে হবে।
বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো আর কওমি শিক্ষার অগ্রগতির মতো সংবেদনশীল ও বাস্তব ইস্যুগুলো নিয়ে সংসদে আরও জোরালো আওয়াজ তোলা উচিত। দলমত নির্বিশেষে এমন জনমুখী বক্তব্যের প্রশংসা করতেই হয়।
#সংসদ #জনগণেরকথা #বেসরকারিচাকরিজীবী #কওমিশিক্ষা