Naznin Khatun

Naznin Khatun l am Rose from Rajshahi,.Never compere me to others,I'm just me,not they!

06/07/2025

- "পৃথিবীতে বহু সম্পর্ক আছে, যেখানে ভালোবাসা নাই ,
আবার পৃথিবীতে বহু ভালোবাসা আছে, যেখানে সম্পর্ক নাই।

03/07/2025

২০১৬ সালে প্রসেনজিৎ আর ঋতুপর্ণাকে প্রোটাগোনিস্ট করে 'প্রাক্তন' নামে একটা সিনেমা খুব হইচই ফেলেছিলো। কেউ এ সিনেমায় খুঁজে পেয়েছিলো রেখা আর নাসিরউদ্দিন শাহ এর 'ইজাজত' এর ছায়া, কেউবা পেয়েছিলো বার্গম্যানের 'Scenes from a Marriage' কে। এ সিনেমায় ম্যাসেজ নামে যে মেডিসিন খাওয়ানো হয়েছিলো তাতে আমার দ্বিমত আছে। সেসব নিয়ে বহুজন বহু সুন্দর করে লিখেছেন। আমি তাই ওদিকে না যাই।

প্রাক্তন সিনেমার একদম শেষে প্রসেনজিৎ এর চরিত্র 'উজান' এর সাথে ঋতুপর্ণা, মানে সিনেমার 'সুদীপা' একটা একান্ত একা ট্রিপে যেতে চায়। সুদীপা একদিন আগে গিয়ে পৌঁছে। পরদিন উজানের আসার কথা। সন্ধ্যেবেলা উজান ফোন করে জানায় তার বন্ধুর মা
মা রা গেছে, তাই সে শ্মশানে। উজান আসতে পারে না। সুদীপার কণ্ঠে আমরা কেবলই শুনি, "তুমি একটা condolence জানিয়ে তো চলে আসতে পারতে উজান।", "আমি তোমার প্রায়োরিটি কোনোদিনও হতে পারবো না?" তার ভালোবাসা আর সংসার ম রে গেছে এ কথা উজানকে জানিয়ে সুদীপা ডিভোর্স লেটার পাঠায়। একটা ট্রিপ। একটা সমুদ্রতীরে স্বামীকে পাশে না পাওয়ায় একটা সংসার ভেঙে গেলো? না। হিসেবটা ততটা সোজা নয়। সেই সমুদ্রতীরে উজানের অনুপস্থিতি ছিলো সুদীপার ব্রেকিং পয়েন্ট। এটা সেই মুহূর্ত যে মুহূর্তে মানুষ খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যায় কারণ অনেকগুলো বছর সে অনেক বড় বড় বোঝা নিয়ে বেঁচে থাকার যুদ্ধ করেছে। বাবার বাড়ি যাবার জন্যেও সুদীপাকে স্বামীর অনুমতি নিতে হতো। নিজের পয়সায় ট্রেনের টিকেট কাটলে তার মধ্যবিত্ত স্বামী মেইল ইগোর ভারে তাকে চোখ দিয়ে খু ন করতো। নিজের সাজানো ফ্ল্যাটের স্বপ্ন দেখা যেন পাপ। প্রেগন্যান্ট স্ত্রীকে রেখে মাসের পর মাস কাজে ব্যাস্ত থেকে অবহেলায় স্ত্রীর মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়া জায়েজ হলেও অফিস থেকে ফিরতে স্ত্রীর খানিক দেরী হলেই তার চরিত্র ধুয়ে দেয়া যায়। স্ত্রীর জন্মদিন ফুরিয়ে রাত বারোটা পেরিয়ে যায়, ঘরে ফেরার খেয়াল হয় না। স্ত্রীর প্রমোশনে হাসা যায় না। স্ত্রীর টাকায় ঘুরতে যাওয়া যায় না। উজানের চোখে সুদীপা কখনোই সেই জায়গাটা পায়নি যেটা একজন মানুষ আরেকজন মানুষের চোখে 'সম্মান' কিংবা 'সহমর্মীতা' কিংবা 'প্রায়োরিটি' নামে খোঁজে। সমুদ্রতীরের নামে সুদীপা কেবল বোকা মেয়ের মতো সেই প্রায়োরিটিটুকু খুঁজতে চেয়েছিলো। যখন সে তা পায়নি সে চিৎকার করে বলেছে, "তোমার কাছে কি জীবনের প্রায়োরিটিগুলো কোনোদিনও পরিষ্কার হবে না?"।২০১৬ সালে প্রসেনজিৎ আর ঋতুপর্ণাকে প্রোটাগোনিস্ট করে 'প্রাক্তন' নামে একটা সিনেমা খুব হইচই ফেলেছিলো। কেউ এ সিনেমায় খুঁজে পেয়েছিলো রেখা আর নাসিরউদ্দিন শাহ এর 'ইজাজত' এর ছায়া, কেউবা পেয়েছিলো বার্গম্যানের 'Scenes from a Marriage' কে। এ সিনেমায় ম্যাসেজ নামে যে মেডিসিন খাওয়ানো হয়েছিলো তাতে আমার দ্বিমত আছে। সেসব নিয়ে বহুজন বহু সুন্দর করে লিখেছেন। আমি তাই ওদিকে না যাই।

প্রাক্তন সিনেমার একদম শেষে প্রসেনজিৎ এর চরিত্র 'উজান' এর সাথে ঋতুপর্ণা, মানে সিনেমার 'সুদীপা' একটা একান্ত একা ট্রিপে যেতে চায়। সুদীপা একদিন আগে গিয়ে পৌঁছে। পরদিন উজানের আসার কথা। সন্ধ্যেবেলা উজান ফোন করে জানায় তার বন্ধুর মা
মা রা গেছে, তাই সে শ্মশানে। উজান আসতে পারে না। সুদীপার কণ্ঠে আমরা কেবলই শুনি, "তুমি একটা condolence জানিয়ে তো চলে আসতে পারতে উজান।", "আমি তোমার প্রায়োরিটি কোনোদিনও হতে পারবো না?" তার ভালোবাসা আর সংসার ম রে গেছে এ কথা উজানকে জানিয়ে সুদীপা ডিভোর্স লেটার পাঠায়। একটা ট্রিপ। একটা সমুদ্রতীরে স্বামীকে পাশে না পাওয়ায় একটা সংসার ভেঙে গেলো? না। হিসেবটা ততটা সোজা নয়। সেই সমুদ্রতীরে উজানের অনুপস্থিতি ছিলো সুদীপার ব্রেকিং পয়েন্ট। এটা সেই মুহূর্ত যে মুহূর্তে মানুষ খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যায় কারণ অনেকগুলো বছর সে অনেক বড় বড় বোঝা নিয়ে বেঁচে থাকার যুদ্ধ করেছে। বাবার বাড়ি যাবার জন্যেও সুদীপাকে স্বামীর অনুমতি নিতে হতো। নিজের পয়সায় ট্রেনের টিকেট কাটলে তার মধ্যবিত্ত স্বামী মেইল ইগোর ভারে তাকে চোখ দিয়ে খু ন করতো। নিজের সাজানো ফ্ল্যাটের স্বপ্ন দেখা যেন পাপ। প্রেগন্যান্ট স্ত্রীকে রেখে মাসের পর মাস কাজে ব্যাস্ত থেকে অবহেলায় স্ত্রীর মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়া জায়েজ হলেও অফিস থেকে ফিরতে স্ত্রীর খানিক দেরী হলেই তার চরিত্র ধুয়ে দেয়া যায়। স্ত্রীর জন্মদিন ফুরিয়ে রাত বারোটা পেরিয়ে যায়, ঘরে ফেরার খেয়াল হয় না। স্ত্রীর প্রমোশনে হাসা যায় না। স্ত্রীর টাকায় ঘুরতে যাওয়া যায় না। উজানের চোখে সুদীপা কখনোই সেই জায়গাটা পায়নি যেটা একজন মানুষ আরেকজন মানুষের চোখে 'সম্মান' কিংবা 'সহমর্মীতা' কিংবা 'প্রায়োরিটি' নামে খোঁজে। সমুদ্রতীরের নামে সুদীপা কেবল বোকা মেয়ের মতো সেই প্রায়োরিটিটুকু খুঁজতে চেয়েছিলো। যখন সে তা পায়নি সে চিৎকার করে বলেছে, "তোমার কাছে কি জীবনের প্রায়োরিটিগুলো কোনোদিনও পরিষ্কার হবে না?"। পরমুহূর্তেই সে বলে, "আমি প্রাণপণে চেয়েছিলাম, উজান"।

যা আমাদের সহ্য করা উচিৎ না, অথবা যেটুকু প্রশ্রয় দিলে আত্মসম্মান হারিয়ে যায়, কখনো কখনো আমরা সেসব সহ্য করি--অথবা প্রশ্রয় দেই। কারণ, আমরা প্রাণপণে চাই। উচিৎ না। তবু চাই। এরপর আমাদের সামনে আসে সেই ব্রেকিং পয়েন্ট যেখানে আমরা ম রে যাই। যে অসুখে মৃ ত্যু অকল্পনীয় সে অসুখই আমাদের মে রে ফেলে। পৃথিবীর বাকি সবাই দেখে একটা একরোখা জেদী মৃ ত্যু অথচ আমরা জানি এর চেয়ে ক্লান্ত হওয়া সম্ভব না। এর চেয়ে এগিয়ে বেঁচে থাকা যায় না। এসব মৃ ত্যুকে ভালোবেসেই বোধহয় হুমায়ুন আজাদ লিখে রেখে গেছেন,

"আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মা রা যাবো

খুব ছোট একটি স্বপ্নের জন্যে

খুব ছোট দুঃখের জন্যে

আমি হয়তো মা রা যাবো কারো ঘুমের ভেতরে

একটি ছোটো দীর্ঘশ্বাসের জন্যে

একফোঁটা সৌন্দর্যের জন্যে।"


#সংগৃহিত

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naznin Khatun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share