Exam Aid

Exam Aid An ultimate solution for diploma 1st year viva and Bsc admission and English.

31/10/2015

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাসায় বড় বড়
কবিদের আড্ডা হচ্ছে।
বল্টু সেখানে সবার জন্যে চা বানিয়ে
নিয়ে গেছে। বল্টুর বানানো চা খেয়ে
প্রথমে "কবিগুরু" বললেন, 'আমারো পরাণো যাহা চায়, তার কিছু
নাই, কিছুই নাহি
এই চায়ে গো......'এটা শুনে
বিদ্রোহী কবি নজরুল লাফ দিয়ে
উঠে বললেন,
"আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি
সেইদিন হব শান্ত! যদি ভালো করে
কেউ চা বানিয়ে আনতো!"
নজরুলের কথা শুনে.. উদাস মুখে জীবনানন্দ
দাস
বললেন,
'আর আসিবনা ফিরে,রবি ঠাকুরের
নীড়ে,
গরম চায়ে মুখ দিয়ে ঠোঁট গিয়েছে
পুড়ে... ' খানিক পরেই
কবি সুকান্ত বললেন,
'কবিতা তোমাকে দিলাম বিদায়,এক
কাপ চা যেনো ঝলসানো ছাই! '
হেলাল হাফিজ তখন গুমরে বললেন, 'নষ্ট
পাতির সস্তা
চায়ে মুখ হয়েছে
তিতা!
কষ্ট চেপে নষ্ট চায়ে, মুখ দিয়েছি
কিতা?'
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নরম কন্ঠে বললেন,
'ভালো আছি,ভালো থেকো!
চায়েতে চিনি বেশি মেখো! দিও
তোমার...... ---তাকে থামিয়ে
দিয়ে..... __ কবি নির্মলেন্দু গুণ বললেন,
'আমি হয়তো মানুষ না, মানুষগুলো
অন্যরকম!
মানুষ হলে এমন চায়ে চুমুক দিতাম
না!' পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ অসহায় চোখে
বল্টুর পানে তাকিয়ে বললেন..
"ওরে অধম, ওরে কাচা! ভালো করে
চা
বানিয়ে,
আমাকে তুই বাচা...!!

28/10/2015

২১ পদ মজাদার ভর্তার রেসিপি শিখে
নিন !
ভর্তার রেসিপি :
০১। আলু ভর্তা:
আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন।
এবার পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে
শুকনা মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন।
পেঁয়াজ বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ
লবণ দিয়ে চটকে আলু দিন এবার
ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে মেখে ভর্তা
বানিয়ে নিন।
০২। বেগুন ভর্তা:
উপকরণ: বড় গোলবেগুন ১টি, সরিষা বাটা
১ চা চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা
চামচ, টমেটো কুঁচি১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি
আধা কাপ, মেথি আধা কাপ, রাধুনী
সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ
কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে
পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে
খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে
তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ
কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো
সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ
দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন।
কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু
আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।
০৩। মসুর ডালের ভর্তা:
উপকরণ: মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে
সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ,
পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা
চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা
চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ
করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে
হবে।
০৪। টমেটো ভর্তা:
উপকরণ: ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ
মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ
২টা, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ
পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের
তেল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল
চামচ।
প্রণালী: শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে
বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর
গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর
ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায়
তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে
হবে। ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে
পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস,
ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।
০৫। টাকি মাছের ভর্তা:
উপকরন: টাকিমাছ ১ কাপ,পেঁয়াজ,স্লাইস
৩ টে.চা ,আদা,রসুন,বাটা ১ চা.
চা,পেঁয়াজ পাতা ২ টে. চা ,জিরা,বাটা
১ চা. চা,রসুন,ছেঁচা ২ টে. চা,ধনে,বাটা ১
চা. চা ,লবণ,স্বাদ অনুযায়ী,হলুদ,বাটা ১/২
চা. চা ,মরিচ,বাটা ১ /২ চা. চা
প্রনালী: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১
কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে
হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা
মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে
কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ
কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে
নেড়ে নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ
হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ
যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।এর পর আপনি
চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল
বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি
মাছের ভাজা ভর্তা।
০৬। কালিজিরা ভর্তা:
উপকরণ: কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের
কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি,
পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ
পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-
চামচ।
প্রণালী: রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ
কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল
বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে
মেখে ভর্তা করুন।
০৭। আলু ডিম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি
সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ,
পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা
কুঁচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন।
খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম
আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ
কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার
তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে
মেখে ভর্তা তৈরি করুন।
০৮। পালংশাক ভর্তা:
উপকরনঃ পালংশাক ২০০ গ্রাম , কাঁচা
মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি
পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ ও
সরিষার তেল -নিজের পছন্দ মত।
প্রনালীঃ প্রথমে পালংশাক ভাল করে
ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে
সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে
পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে
চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার
তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন।
শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে
শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।
০৯। লাউশাক ভর্তা:
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল
কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ,
সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো
লবণ।
প্রণালী: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে
সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও
সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে
নিন। এবার নারকেল কুড়ানো, সরিষা,
লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ
পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি
করুন।
১০। কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ: কাচকি মাছ এক কাপ, পেঁয়াজ
কুঁচি ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ,
কাঁচামরিচ ৪টি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল
চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে
পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ,
পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প
তেলে কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন।
ভাজা হলে লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে
পাটায় বেটে ভর্তা তৈরি করুন।
১১। করল্লার ভর্তা
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে
নিন। এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে
পেঁয়াজ, কাচা মরিচ, লবন এবং তেল
দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।
১২। ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা
কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের
গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো,
চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা
চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা
চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া
১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ,
তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা
করে কাটা ৬টি।
প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ
করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে
আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি
দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া,
তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে
৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে
হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর
রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ
নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।
১৩। ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন
২ কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ।
কাঁচামরিচ ১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা
বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।
ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও
চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে
কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক
স্বাদ হবে।
১৪। সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ,
কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে
কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায়
বেটে নিন।
১৫। কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা:
উপকরণ : কাঁচকলা ২টি (মাঝারি), ভাজা
ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো),
শুকনো মরিচ ভাজা ২টি, কাঁচামরিচ কুচি
২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
সরিষার তেল ২ চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ
করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন।
এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ,
লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে
কাঁচকলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম
গরম পরিবেশন করুন।
১৬। কচু নারকেল ভর্তা:
উপকরণ : কচু কিমা ১ কাপ, নারকেল বাটা
আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি, সরিষার তেল
১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি অল্প
পরিমাণ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : প্রথমে এক টুকরো কচুকে
পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে ভালো করে
মাখিয়ে কিমা তৈরি করুন। একটি
ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ
কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে বাদামি
করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও নারকেল
বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার
পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে
ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে
পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল
ভর্তা।
১৭। থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ,
কাঁচামরিচ ২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ
স্বাদ মতো, তিল ২ টেবিল চামচ,
কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা
ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি
করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে
পরিবেশন করুন।
১৮। পেঁয়াজ পাতা ভর্তা:
উপকরণ: ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা
পেঁয়াজ পাতা ২ কাপ,সরিষার তেল ১
টেবিল চামচ,পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল
চামচ,শুকনামরিচ ২টি,কাশুন্দি ১ চা
চামচ,লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে
তেল গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে
দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন।
পেঁয়াজপাতা নরম হয়ে এলে নামিয়ে
নিন। এবার শুকনামরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও
লবণ ভালোভাবে ডলে পেঁয়াজ পাতা ও
কাশুন্দি দিয়ে হালকাভাবে মেখে ভর্তা
তৈরি করুন। গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা
খেতে মজা ।
১৯। লাউ এর সিলকা ভর্তা :
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা
মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ
মতো, ধনে পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ
কুচি-সিকি কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ
চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি
দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের
মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা
মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন।
ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর
সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে
পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি
করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর
সিলকা ভর্তা।
২০। চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: চিনাবাদাম ভাজা (খোসা
ছাড়া) ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ,
কাঁচামরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি,
সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, লবণ
পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে
নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে
তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে।
কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার
তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা
কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা
দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে
পরিবেশন করা যায়।
২১। মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ, লবণ
পরিমাণমতো, পানি ১ কাপ, ধনেপাতা
কুঁচি, ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২
টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।
প্রণালী: মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে
কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব
উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে
গেল মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

11/10/2015

তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে
শতবার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয় গাঁথিয়াছে গীতহার–
কত রূপ ধরে পরেছ গলায়, নিয়েছ সে উপহার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
যত শুনি সেই অতীত কাহিনী, প্রাচীন
প্রেমের ব্যথা,
অতি পুরাতন বিরহমিলন কথা,
অসীম অতীতে চাহিতে চাহিতে দেখা
দেয় অবশেষে
কালের তিমিররজনী ভেদিয়া তোমারি
মুরতি এসে
চিরস্মৃতিময়ী ধ্রুবতারকার বেশে।
আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি যুগলপ্রেমের
স্রোতে
অনাদি কালের হৃদয়-উৎস হতে।
আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা কোটি
প্রেমিকের মাঝে
বিরহবিধুর নয়নসলিলে, মিলনমধুর লাজে–
পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।
আজি সেই চির-দিবসের প্রেম অবসান
লভিয়াছে,
রাশি রাশি হয়ে তোমার পায়ের কাছে।
নিখিলের সুখ, নিখিলের দুখ, নিখিল
প্রাণের প্রীতি,
একটি প্রেমের মাঝারে মিশেছে সকল
প্রেমের স্মৃতি–
সকল কালের সকল কবির গীতি।

06/10/2015


Robert boshu আমার ছাত্রি,। ঈদের পর নাকি ওর
ব্রেন খুব সার্প হয়ে গেছে!!উদ্ভট শব্দ
আবিষ্কারে তার তুলনা হয়না। ওর ব্রেনের
সার্পনেস টা যাচাই করতে খনিজ লবন
সম্পর্কে পড়িয়ে তাৎক্ষনিক খনিজ লবনের
নাম জিজ্ঞেস করলাম।ছাত্রি উত্তর দিল:
১.ক্যালসাপ
২.ফসফস লবন!!(ফসফরাস)
৩.আয়োডিন ও
৪.পটপটাস লবন!!(পটাসিয়াম) কোন মতে হাসি
আটকে আয়োডিনের কাজ জিজ্ঞেস করলাম।
জবাব আসিল,আয়োডিন গন্ডগোল প্রতিরোধ
করে!!(গলগন্ড)।
লেখা লেখি তার একদম পছন্দ না,এজন্য
কয়েকদিন আরো বেশি করে লেখাচ্ছি
ওকে,সে ও এই নুতুন নিয়ম থেকে পরিত্রান এরর
জন্য অদ্ভুত কাজ কারবার করে যাচ্ছে। কলমে
তেল মেখে বলছে স্যার কলম হাতে থাকছে
না,মুখে বলি!! বুঝতে পেরে বললাম এর পর
কিনতু একি কাজ করলে হাতে ছাই মাখিয়ে
দেয়া হবে!!,এর পর সে ফাকি দেয়ার নতুন
টেকনিক বব
বের করল,লিখতে লিখতে এমন একটা ভাব
করবে যেন কিছু মনে পরছে না,এর পর
পরিকল্পনা মত তেলজবে মাথা থেকে
কলমের নিব ডুবিয়ে আনবে,ভাবখানা এমন
কলম দিয়ে খুচিয়ে যেন বিদ্যা বের করছে!!
ফলাফল কলমের লেখার ক্ষমতা
হরন,পরিস্থিতি বুঝিয়া ফরমান জারি
করিলাম,আমার পড়ানোর দিন চুলে তেল
সিঞ্চন বন্ধ!! এবারেও মাষ্টারকে নাকাল
করিতে ব্যার্থ হয়ে তার মুখখানা হল দেখার
মত!!
আজ লিখতে লিখতে বলছে,প্লিজ স্যার আজ
আর লিখবনা,প্রচুর হাত বেথা করছে,বুঝলাম এটা বসু সাহেবের নুতুন চাল। বললাম,ঠিক আছে তোমার হাতের একটা এক্সরে করতে হবে। শুনে লাফিয়ে উঠে বলছে কেন স্যার? আমার তো মনে হচ্ছে আল্লাহ তোমার হাতের মধ্য হাড়ের বদলে পাঠকাঠি দিয়া দিছে,!! মুখ ভেংচি দিয়ে বসু আবার লেখায় মন দিল। কিছুক্ষন পর, স্যার? বল। আর মনে পরছেনা,যতটুকু লিখছি ততটুকুই দেখেন? প্লিজ...ওহ বুঝতে পারছি,আরেক টা তোমার মাথার আরেকটা এক্সরে করতে হবে,।কেন স্যার? মাথায় ঘিলু আছে নাকি গোবর সেটা কনফার্ম হবার জন্য! আপনি আমার মাথা নিয়ে এত বড় কথা বললেন?মুখটা বাংলা ৫ এর মত করে বলল লিখতে লিখতে মরে গেলেও আপনাকে আর কিছু বলবনা।। আলহামদুলিল্লাহ লেখ। কয়েক মিনিট পর,প্লিজ স্যার আর এনার্জি নেই,কলম নড়ানোর শক্তি নেই স্যার!! এবার ওর আম্মুকে ডেকে বললাম,আপু মেয়ে কি খেতে টেতে দেন? কেন ভাইয়া? না,মানে দু লাইন লিখে আর নাকি কলম নড়াতে পারছে না,এনার্জি নাই!, মেয়ে দিন দিন যে কি ফাঁকিবাজি শিখছে ভাই,এই মেয়েকে আমি যে কি করে সামলাই!! আজকে আসুক ওর আব্বু তারপর দেখেন ওর কি হাল করি।। ছাত্রি তখন বলছে,আপনি এত খারাপ স্যার!! আমাদের সুখের সংসারে মা বেটির মধ্য এমন ঝগরা লাগিয়ে দিলেন!! অভিষাপ দিলাম আজ আপনার ঘুম হবেনা?? কে জানে,বসুর অভিষাপ লেগেই গেল নাকি??

03/10/2015

সত্যটি আজ মুখ ফুটে বলে দিব আরাদ্ধা,
ভালবাসি।
বাউলের চোখে মুখে গায়ে গতরে যতই
বৈরাগ্য থাক তার হৃদয়ের নির্বাক
ভালবাসাটুকু তুমি ছাড়া আর কে বুঝবে বল??
শুধু গানের তারনায় তার নির্ঘুম রাত
কাটেনা,চোখ জোরা বন্ধ করে তাকাও
দেখ ওখানেও তোমার সাধনা,!ধ্যান মগ্ন এক
অক্ষ্যাত কবি শুধু তোমারি আরাধোনায়
নীল জোছনা,সাদামেঘ,সাগরের অতল
জলরাশি, দক্ষিণা বাতাসের স্পর্শে
কম্পমান লাজুক দুর্বা ঘাসের দুয়ারে অহর্নিশ
ভালবাসার শব্দ খুজে ফিরছে। এই যে শব্দের
পর শব্দ দিয়ে বোনা কবিতার মালাখানি
দেখছো, এ অঞ্জলি শুধু তোমারি জন্য দেবি!!
তোমার ভালবাসা বজ্র থেকে কবিতায়
আগুন জ্বালায়, নিস্তব্ধ সবুজ প্রকৃতি থেকে
সাজায় একাকিত্বের প্রহর,চৈত্রে খোজে
কাছে পাবার তৃষ্ণা, বর্ষাতে পায়
সঞ্জিবনি!
আমার কবিতারা আষাঢ়ের ঝুম বৃষ্টিতে
ভেসে যাওয়া দপুরেু কদমের গুচ্ছ হাতে
দাড়ায় শুধু তোমারি অপেক্ষায়! পিচ্ছিল কচু
পাতার বুকে আমার সময় গুলো দাঁড়িয়ে থাকে
শুধু তোমারি প্রতিক্ষায়।

13/09/2015

সবাই পড়ুন চোখের
পানি ধরে
রাখতে পারবেন না।
,
হজরত ফাতিমা (রাঃ)
এর
ইন্তেকালের পর তাঁর
লাশের খাটিয়া বহন
করার মানুষ
মাত্র তিনজন।
হজরত আলী (রাঃ) ও
শিশু
হাসান ও হোসাইন (রাঃ)

হজরত আলী
ভাবছিলেন
যে, খাটিয়া বহন করার
জন্য মানুষ
আরও একজন
প্রয়োজন তবেই চার
কোনায় চারজন কাঁধে
নিতে
পারবেন।
এমন সময় হজরত আবু
জর গিফারী (রাঃ)
এলেন ও খাটিয়ার এক
কোনা বহন করলেন

হজরত আলী প্রশ্ন
করলেন, "আমি
তো কাউকে
জানাইনি,আপনি
জানলেন কিভাবে?
"হজরত আবু জর
গিফারী (রাঃ) বললেন,
"আমি আল্লাহর রসুল
(সঃ) কে স্বপ্নে
দেখেছি । তিনি
বললেন,হে আবু জর!
আমার ফাতিমার লাশ
বহন করার
লোকের অভাব। তুমি
গিয়ে একটু ধর।
"হজরত আবু জর
গিফারী (রাঃ)
কবরের কাছে গিয়ে
বললেন, "হে
কবর, আজ তোমার
মধ্যে কে
আসছে জান?
দো জাহানের বাদশাহের
মেয়ে,হজরত
আলীর স্ত্রী,
হাসান হোসাইনের মা,
জান্নাতের সর্দারনী,
খবর্দার
বেয়াদবি
করোনা ।
"আল্লাহ্ কবরের
জবান খুলে দিলেন।
কবর
বলল,
"আমি দো জাহানের
বাদশাহের
মেয়েকে চিনিনা,
হজরত আলীর
স্ত্রীকে চিনিনা,
হাসান
হোসাইনের মাকে
চিনিনা,
জান্নাতের
সর্দারনীকে
চিনিনা, আমি শুধু
চিনি ঈমান আর
আমল।"
একটু চিন্তা করেন
যদি নবী (সঃ) এর
আদরের মেয়ে যাকে
জান্নাতের
সর্দারনী বলা হয়েছে ।
তার জন্য
কবর এমন হয় তা হলে
আমরা কিসের
আশায় কি চিন্তা করে
আল্লাহর হুকুম
থেকে এতো গাফেল
(ভুলে) আছি।
আল্লাহ আমাদের
ঈমান ও নেক
আমল নিয়ে কবরে
যাবার তওফীক
দান করুন।। আমিন

20/05/2015

আমি আর কিছুতেই অবাক হইনা,
খুরিয়ে চলা মানুশ যখন সুযোগ বুঝে লাথি মারে নিতম্বে!! আমি চমকাই না।

যার প্রয়োযনে বহুবার বিপদের সামনে মুখ খুলেছি,
সে যখন সুযোগ বুঝে তার জীভ টাকে চাবুক বানিয়ে রক্তাত্ব করে এই বুক আমি একটুও অবাক হইনা।

মরতে বসা মানুষ যাকে বাচার শক্তি দিয়েছিলাম একদিন, সে যখন আমার বাচার অবলম্বন কেরে নেয় নির্লজ্জ প্রতাপে আমি অবাক হইনা।

বিশ্বাস নিয়ে খেলে খেলে নর বানরেরা যাকে বিশ্বাসের অর্থ শিখিয়েছিল প্রতারনা! সে যখন আমার নিশ্বাসকে কে বিষ বাস্পে ভরে দেয়, আমি এতটুকু ও অবাক হইনা...
মানুষের সার্থপরতায় বিরক্ত হয়ে যখন পুরো দুনিয়াকে সার্থপর বলে গালাগাল করছিলে,..তখন যে মানুষটা একটু হেসে বলেছিল এখন ও পিথিবিতে একজন মানুষ কে ভরসা করতে তোমার বাকি আছে, তাকে নিস্ব করতে তোমার স্বার্থে এতটুকু লাগলো না ?
আর ভালবাসা.......????আমার দু চোখের বিশ... ঘেন্না করি.....।

22/09/2014

ভীষণ সুন্দর একটি শিক্ষামূলক সত্য
ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করছি।
এই
ঘটনা যদি আগে শুনে না থাকেন
তাহলে এই ঘটনা আপনার মনকে এত
বেশি স্পর্শ করবে যে আপনার
গায়ের পশম খাড়া হয়ে যাবে ...
আশা করি আমরা জীবনে সবকিছু
একটু অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করব।
আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন
সাহাবী, নাম ছা’লাবা ( ﺛﻌﻠﺒﻪ ) ।
মাত্র ষোল বছর বয়স। রাসূল (সা) এর
জন্য বার্তাবাহক
হিসেবে এখানে সেখানে ছুটোছুটি করে বেড়াতেন
তিনি। একদিন উনি মদীনার পথ
ধরে চলছেন, এমন সময় একটা বাড়ির
পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময়
তাঁর চোখ পড়ল
দরজা খুলে থাকা এক ঘরের মধ্যে।
ভিতরে গোসলখানায়একজন
মহিলা গোসলরত ছিলেন,
এবং বাতাসে সেখানের
পর্দা উড়ছিল, তাই ছা’লাবার
চোখ ঐ মহিলার উপর যেয়ে পড়ল।
সঙ্গে সঙ্গে উনি দৃষ্টি নামিয়ে নিলেন।
কিন্তু ছা’লাবার মন এক গভীর
অপরাধবোধে ভরে গেল। প্রচন্ড
দুঃখ তাকে আচ্ছাদন করল। তার
নিজেকে মুনাফিক্বের মত
লাগছিল। তিনি ভাবলেন,
‘কিভাবে আমি রাসূল (সা) এর
সাহাবী হয়ে এতোটা অপ্রীতিকর
কাজ করতে পারি?! মানুষের
গোপনীয়তাকে নষ্ট করতে পারি?
যেই আমি কিনা রাসূল (সা) এর
বার্তা বাহক হিসেবে কাজ করি,
কেমন করে এই ভীষণ আপত্তিজনক
আচরণ তার পক্ষে সম্ভব?’ তাঁর মন
আল্লাহর ভয়ে কাতর হয়ে গেল।
তিনি ভাবলেন,
‘না জানি আল্লাহ আমার এমন
আচরণের কথা রাসূল সা এর
কাছে প্রকাশ করে দেয়!’ ভয়ে,
রাসূল (সা) এর মুখোমুখি হওয়ার
লজ্জায়, তিনি তৎক্ষণাৎ ঐ স্থান
থেকে পালিয়ে গেলেন।
এভাবে অনেকদিন চলে গেল।
রাসূল সাল্লাল্লাহু
ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য
সাহাবাদের কে ছা’লাবার
কথা জিজ্ঞেস করতেই থাকতেন।
কিন্তু সবাই জানাল কেউ-ই
ছা’লাবাকে দেখেনি।
এদিকে রাসূল (সা) এর
দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়ছিল।
তিনি উমর (রা), সালমান আল
ফারিসি সহ আরো কিছু
সাহাবাদের পাঠালেন
ছা’লাবার খোঁজ আনার জন্য।
মদীনা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও
ছা’লাবার দেখা মিলল না।
পরে মদীনার
একেবারে সীমানাবর্তী একটা স্থানে,
মক্কা ও মদীনার মধ্যখানে অবস্থিত
পর্বতময় একটা জায়গায়
পৌঁছে কিছু বেদুঈনের
সাথে দেখা হল তাদের।
দেখানে এসে তারা ছা’লাবার
সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে শুরু
করলেন। ‘তোমরা কি লম্বা, তরুণ, কম
বয়সী একটা ছেলেকে এদিকে আসতে দেখেছ?’
বেদুঈনগুলো মেষ চড়াচ্ছিল।
তারা জবাব দিল, সে খবর
তারা জানেনা,
তবে তারা জিজ্ঞেস করল,
‘তোমরা কি ক্রন্দনরত বালকের
সন্ধানে এসেছ?’
একথা শুনে সাহাবারা আগ্রহী হয়ে উঠলেন
এবং তার বর্ণনা জানতে চাইলেন।
উত্তরে ওরা বলল, ‘আমরা প্রতিদিন
দেখি মাগরিবের সময়
এখানে একটা ছেলে আসে,
সে দেখতে এতো লম্বা, কিন্তু খুব
দুর্বল, সে শুধুই কাঁদতে থাকে।
আমরা তাকে খাওয়ার জন্য এক
বাটি দুধ দেই, সে দুধের
বাটিতে চুমুকদেয়ার সময় তার
চোখের পানি টপটপ
করে পড়ে মিশে যায় দুধের
সাথে, কিন্তু সেদিকে তার হুঁশ
থাকেনা!’
তারা জানালো চল্লিশ দিন
যাবৎ ছেলেটা এখানে আছে।
একটা পর্বতের গুহার
মধ্যে সে থাকে, দিনে একবারই
সে নেমে আসে,
কাঁদতে কাঁদতে;
আবার কাঁদতে কাঁদতে, আল্লাহর
কাছে সর্বদা ক্ষমা প্রার্থনা করতে করতে উপরে চলে যায়।
সাহাবারা বর্ণনা শুনেই বুঝলেন, এ
ছা’লাবা না হয়ে আর যায় না।
তবে তাঁরা উপরে যেয়ে থা’লাবা ভড়কে দিতে চাচ্ছিলেন
না, এজন্য নিচেই
অপেক্ষা করতে লাগলেন।
যথাসময়ে প্রতিদিনের মত আজও
ছা’লাবা ক্রন্দনরত অবস্থায়
নেমে আসলেন, তাঁর আর
কোনদিকে খেয়াল নাই। কী দুর্বল
শরীর হয়ে গেছে তাঁর!
বেদুঈনদের
কথামত তাঁরা দেখতে পেলেন,
থা’লাবা দুধের
বাটিতে হাতে কাঁদছে, আর তাঁর
অশ্রু মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে।
তাঁর চেহারায় গভীর বিষাদের
চিহ্ন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।
সাহাবারা তাকে বললেন,
‘আমাদের সাথে ফিরে চল’; অথচ
থা’লাবা যেতে রাজি হচ্ছিলেন
না। তিনি বারবার
সাহাবাদেরকে জিজ্ঞেস
করতে লাগলেন, ‘আল্লাহ
কি আমার মুনাফেক্বী বিষয়ক
কোন সূরা নাযিল করেছে?’
সাহাবারা উত্তরে বললেন,
‘না আমাদের জানামতে এমন
কোন আয়াত নাযিল হয় নাই।’ উমর
(রা) বললেন, রাসূল (সা)
আমাদেরকে তোমাকে নিয়ে যাওয়ার
জন্য পাঠিয়েছেন। তুমি যদি এখন
যেতে রাজি না হও,
তাহলে তোমাকে আমরা জোর
করে ধরে নিয়ে যাব। রাসূল (সা)
এর কথা অমান্য করবেন এমন কোন
সাহাবা ছিল না। কিন্তু
ছা’লাবা এতোটাই লজ্জিত
ছিলেন
যে ফিরে যেতে চাচ্ছিলেন
নাহ। এরপর
সাহাবারা তাকে রাসূল (সা) এর
কাছে মদীনায় নিয়ে আসেন।
মহানবী (সা) এর
কাছে এসে ছা’লাবা আবারও একই
প্রশ্ন করে, ‘আল্লাহ
কি আমাকে মুনাফিক্বদের
মধ্যে অন্তর্গত করেছেন অথবা এমন
কোন আয়াত নাযিল করেছেন
যেখানে বলা আমি মুনাফিক্ব?’
রাসূল (সা) তাকে নিশ্চিত করলেন
যে এমন কিছুই নাযিল হয়নি।
তিনি ছা’লাবার দুর্বল পরিশ্রান্ত
মাথাটা নিজের কোলের উপর
রাখলেন।
থা’লাবা কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন,
‘হে আল্লাহর রাসূল, এমন
গুনাহগারব্যক্তির মাথা আপনার
কোল থেকে সরিয়ে দিন।’ উনার
কাছে মনে হচ্ছিল যেন সে এসব
স্নেহের যোগ্য নাহ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
তাকে সান্ত্বনা দিতেই
থাকলেন। আল্লাহর রহমত আর দয়ার
উপর ভরসা করতে বললেন। আল্লাহর
কাছে ক্ষমা চাইতে বললেন। এমন
সময় ছা’লাবা বললেন,
‘হে আল্লাহর রাসূল আমার এমন
মনে হচ্ছে যেন আমার হাড় আর
মাংসের
মাঝখানে পিঁপড়া হেঁটে বেড়াচ্ছে।’
রাসূল (সা) বললেন, ‘ওটা হল মৃত্যুর
ফেরেশতা। তোমার সময়
এসেছে ছা’লাবা, শাহাদাহ পড়’।
ছা’লাবা শাহাদাহ
বলতে থাকলেন, ‘আল্লাহ
ছাড়া ইবাদাতের যোগ্য আর কোন
ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর
রাসূল’
উনি শাহাদাহ বলতে থাকলেন...
বলতেই থাকলেন... এমনভাবে তাঁর
রুহ শরীর থেকে বের হয়ে গেল।
মহানবী (সা) ছা’লাবাকে গোসল
করিয়ে জানাজার পর কবর
দিতে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
আরো অনেক
সাহাবা ছা’লাবাকে বহন
করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
মহানবী (সা)
পা টিপে টিপে অনেক
সাবধানে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।
উমর রাদিয়ালাহু আনহু অবাক
হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
‘হে আল্লাহর রাসূল,
আপনিএভাবে কেন হাঁটছেন যেন
ভিড়ের মাঝে হেঁটে চলেছেন..
কতো রাস্তা ফাঁকা পরে আছে,
আপনি আরাম করে কেন চলছেন
না ইয়া রাসুল?’
উত্তরে রাসূল (সা) বললেন,
‘হে উমর, আমাকে অনেক
সাবধানে চলতে হচ্ছে। সমস্ত
রাস্তা ফেরেশতাদের
দ্বারা ভরে গেছে । ছা’লাবার
জন্য
এতো ফেরেশতা এসেছে যে আমি ঠিকমত
হাঁটার জায়গা পাচ্ছি না’।
সুবহানল্লাহ !
এই সেই
ছা’লাবা যে ভুলক্রমে একটা ভুল
করার জন্য এতো প্রায়শ্চিত্য
করেছেন। গুনাহ-র কাজ
করা তো দূরের কথা, গুনাহ
নাকরেও আল্লাহর
কাছে ক্ষমা চেয়ে চেয়ে ব্যাকুল
হয়েছেন। কত উঁচু ছিলেন
তিনি আল্লাহর
চোখে যে তাকে নেয়ার জন্য
ফেরেশতাদের
আগমনে রাস্তা ভরে গিয়েছিল!
এই সব
ফেরেশতারা নেমে এসেছে শুধু
থা’লাবার জন্য, তাঁর জন্য দুআ
করারজন্য, তাকে নিয়ে যাবার
জন্য। আর আমরা সারাদিন
জেনে না জেনে এতো ভুল
করেও,
এতোগুনাহ করেও
অনুশোচনা করি না!
উলটা আমাদের পছন্দ মত কিছু
না হলেই আল্লাহর আদেশের উপর
অসন্তোষ প্রকাশ করতে থাকি,
জীবন নিয়ে নালিশ
করতে থাকি।
একটা হাদীস আছে, ‘মু’মিন
বান্দার কাছে তার
গুনাহগুলো এমন যেন এখনই পাহাড়
ভেঙ্গে তার মাথার উপর পড়বে;
আর একজন দুর্বৃত্তকারীর
কাছে গুনাহ এরকম
যে মাছি এসে তার নাকের উপর
উড়াউড়ি করছে, আর সে হাত
নাড়িয়ে সেটা সরিয়ে দিল’।
[বুখারি, বইঃ৭৫, হাদীস নং ৩২০]
আমরা আমাদের
গুনাহগুলোকে দেখেও না দেখার
ভান করি। স্বীকার করতে চাইনা।
কতো রকম যুক্তি দিয়ে জাস্টিফাই
করার চেষ্টা করি। একটু ফ্যাশন, শখ,
মনের ইচ্ছা পূরণ, মানুষের
সামনে বড় হওয়া, যুগের
সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য
আমরা গুনাহ-র
কাজে জড়িয়ে পরি। কিন্তু
আল্লাহর কাছে বিনয়ের
সাথে ক্ষমা চাওয়ার
কথা ভাবতে পারিনা। আমাদের
যুক্তি, অহংকার, শয়তানের মতই
আমাদেরকে ক্ষমা প্রার্থনা থেকে বিরত
রাখে। কিয়ামতের দিন এক
আল্লাহর রহমত আর দয়া ছাড়া কিছুই
আমাদেরকে আগুন
থেকে বাঁচাতে পারবে না।
জান্নাত তাদেরজন্যই
যারা আল্লাহর কাছে মাথা নত
করে। আত্মসমর্পণ করে পূর্ণভাবে।
নিজের ইচ্ছা, অহম বোধের
কাছে মাথা নত করেনা। তাই
ঈমানদার ব্যক্তিই বিনয়ী। তার
রবের
সামনে কাঁদতে সে লজ্জা পায়
না। ভুলের জন্য
ক্ষমা চাইতে কুন্ঠাবোধ করেনা।
সততার
সাথে ক্ষমা চেয়ে দৃড়ভাবে সেই
কাজ থেকে বিরত থাকে।
আল্লাহ সুবহানাহু
ওয়া তা’আলা বলেন,
‘যেতওবা করে এবং ঈমান আনে ও
পুণ্য-পবিত্র ক্রিয়াকর্ম করে।
সুতরাং তারাই, -- আল্লাহ্ তাদের
মন্দকাজকে সৎকাজ
দিয়ে বদলে দেবেন। আর আল্লাহ্
সতত পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত
ফলদাতা’।
[সূরাহ ফুরক্বানঃ ৭০]
আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের
জেনে না জেনে করা গুনাহগুলো থেকে ক্ষমা করে দিক !
আমাদেরকে সঠিকভাবে মনের
অন্তঃস্থল থেকে অনুতাপ করার,
ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দান করুক।
আমাদেরকে নিজেদের ভুলবুঝার
আর স্বীকার করে নিয়ে খারাপ
কাজগুলো থেকে দূরে থাকার
তওফিক দিক... আমীন।

15/08/2014

বরাবর,
প্রধান শিক্ষক,
ফাঁকিবাজ উচ্চ
বিদ্যালয়।।
বিষয় : মনে নাই ।
জনাব,
সরাসরি কাজের
কথায় আসি!!
আব্বায়
আমারে ৫০০
টাকা দিছিল
ফিস
দেওয়ারজন্য!! ১০০
টাকা দিয়া সিনেমা দেখছি,
১৫০
টাকা দিয়া ক্যান্টিনেপার্ট
দিছি,
৫০ টাকা আমার
নতুন
জান
পাখির
মোবাইলে ফ্লেক্সি পাঠাইছি,
আর ২০০
টাকা বাজীতে হাইরা গেছি...
বাজির
বিষয়বস্তু
ছিলঃ “ইংরেজি ম্যাডাম
এর
লগে সমাজ স্যার
এর ইটিশ পিটিশ
চলতাছে!!"
এই
নিয়া বাজী ধরছিলাম
কিন্তু ম্যাডাম এর
লগে ইটিশ
পিটিশ
তো চলতাছে আপনার!!”
এখন
আপনার
কাছে দুইটা রাস্তা “ফিস
মাফ
নাইলে পর্দা ফাস!!”
ইতি আপনার
একান্ত অবাধ্যগত
ছাএ

23/06/2014

যার অল্প আছে সে দরিদ্র নয়,
যে বেশি আশা করে সে দরিদ্র |
___ড্যানিয়েল

30/05/2014

শিক্ষনিয় গল্প
*****-****---******-**-*****
ডেভিড এবং জন নামের দুই ব্যক্তি
সাহারা মরুভূমিতে হারিয়ে গিয়েছে...
ক্ষুধা আর তৃষ্ণায় তারা প্রায়
মৃতপ্রায়।
সকাল
থেকে খুঁজতে খুঁজতে দুপুরে তারা একটা মসজিদ
দেখতে পেল।
ডেভিড বলল “দেখ,
আমরা ওখানে গিয়ে যদি বলি আমরা মুসলিম
না... তাহলে খাবার আর
পানি নাও দিতে পারে...
আমি আমার নাম বলব ‘আহমেদ’... “
জন রাজি হল না। সে বলল
“আমি আমার নাম
পাল্টাবো না...আমি যা তাই
বলব”
মসজিদের ইমাম তাদের ২
জনকে আন্তরিকভাবে সমাদর
করল এবং তাদের নাম
জিজ্ঞেস করল
ডেভিড বলল “আমার নাম
আহমেদ”
জন বলল “আমার নাম জন”
ইমাম সাহেব তখন মসজিদের
খাদেমদেরকে বললেন শুধু জনের
জন্য খাবার আর
পানি আনতে বললেন।
এরপর ডেভিডের
দিকে ফিরে বললেন
“রমাজানুল মুবারক আহমেদ
সাহেব...”----

29/05/2014

Q- Tag Question:
1. Everyone wishes to be happy,.........?
2. Let's go for a walk,........?
3. Bangladesh is a small country,......?
4. She has a little knowledge about it,...?
5. Health is wealth,......?

Address

Rajshahi
6000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Exam Aid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category