27/06/2026
আমার প্রথম মেয়ে, নানাবাড়ি থেকে স্বর্ণের চেইন পেয়েছিল। এবার আমার যদি ছেলে হয় , স্বর্ণের চেইন রুপার কিছু জিনিস দেবে বলছিল। আম্মু স্বর্ণের জিনিস দিতে চাইলে আমি বলছিলাম স্বর্ণ লাগবে না।তারপর আমাকে টাকা দিতে চেয়েছিল। কি মনে করে যেন আমি আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম 'আমার মেয়ে বাচ্চাকে তো দিতেছো,(আমার ভাই) ছেলে-মেয়ে হলে তাদের কি দিবা?'।আম্মুর উত্তর 'তখনেরটা তখন দেখা যাবে'।আমি সাথে সাথে বললাম টাকা লাগবে না ।তখন আম্মুকে বলেছিলাম 'এই টাকাটা রেখে দাও আল্লাহ তোমাদের নেক হায়াত দিলে আমার ভাইয়ে ছেলে-মেয়ের মুখ দেখে দিও কারণ আল্লাহ না করুক তখন হয়তো অনেক দাদা-দাদির মত তোমাদের হাত শূন্য থাকতে পারে।😊হাসপাতালে এক বাটি ভাত দেয়ার মত সামর্থ্য থাকে না শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের,, এমনকি দেখতেও যেতে পারে না বাচ্চার প্রথম দিনের মুখটা 🥲
এই যে মেয়ের বেলায় যেই নানা-নানি নাতি-নাতনীদের মুখে দেখে স্বর্ণ দেয়,টাকা দেয়,দামী উপহার দেয় তারাই দাদা-দাদি হিসেবে ছেলের বেলায় নাতি-নাতনীদের একটা সুতাও দেয় না।সবাই বলে বাচ্চারা নানাবাড়ি থেকে গিফট পায় আমার কথা হল এই নানা-নানি ই তো আবার দাদা-দাদি হয় তাহলে অনেক বাচ্চারা দাদাবাড়ি থেকে গিফট পায় না কেন?এই বিষয়টাতে আমার কেন জানি মেয়েদেরকে দায়ী মনে হয়।মেয়েরা বাপের বাড়ি থেকে বাচ্চাকে কিছু না দিলে শ্বশুরবাড়িতে মুখ থাকবে না এটা বুঝে কিন্তু ভাইয়ের বউ পরের বাড়ির মেয়ে বিয়ের পর স্বামীর বাবা-মাকে এতো সেবা করার পর,ননদ-নোনাসের সন্তানরা এই বাড়ি থেকে এতোকিছু পেয়েছে এগুলো শুনার পর নিজের সন্তানের জন্য কিছু না পেলে তার খারাপ লাগে না?বাবা-মারা মেয়েদের বিয়ে দেয় ধুমধাম করে টাকা খরচ করে 😡অথচ তারাই ছেলের বিপদে থাকলেও একটা টাকা খরচ করতে চায় না,,, কারণ ছেলের বিপদ ,, ছেলে বুঝে নিবে,,🥲না হয় ছেলের শ্বশুর বাড়ি বুঝে নেবে 🥲।আমার এই বিষয়গুলোতে অনেক আপত্তি আছে।তাই আমার আব্বু-আম্মুর ক্ষেত্রে তাদের ছেলের বউ কিছু বলার আগে এসব বিষয়ে আমি বলি।আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে আমার ভাইয়ের বউকে আমরা সব খরচ দিয়ে বেবি বাসায় আনবো ইনশাআল্লাহ এবং আমার ভাইয়ের বউ বলতে পারবে শ্বশুরবাড়ি থেকে সে এটা,সেটা পেয়েছে।আমার ক্ষেত্রেও আমার একই অবহেলা হয়েছে,, কোনদিন একটা সুতাও পায়নি জীবনে ।বরং আমার মনে হয় বাবা-মা হিসেবে মেয়েদের যতটা করা হয়,,, একটা ছেলে,ছেলের বউ এবং নাতি-নাতনিদের এর থেকে বেশি করা উচিৎ।কারণ দিনশেষে তারাই থাকে,তারাই দেখে।অথচ বেশিরভাগ বাবা-মা ছেলে,ছেলের বউ এবং ছেলের ঘরের৷,,,, শ্বশুর বাড়ির লোকেরা অনেক স্বার্থপর হয় সব সময় ছেলের কাছ থেকে নিজেদের ষোল আনা বুঝে নিতে কি কি পারে অথচ ছেলের ছেলের বউ নাতি-নাতনিদের বেলায় শূন্য তখন তারা খেতে পায় না আরো অনেক রকমের অজুহাত 🥲 নাতি-নাতনিদের অবহেলা করে।আমি চাই না আমার বাবা-মা এই ভুলগুলো করুক তাই আমি আগে থেকেই তাদেরকে প্রায় সময় এসব বিষয়ে বলি।আমার মনে হয় প্রতিটা মেয়ের এসব বিষয়ে বলা উচিৎ কারণ এক ঘরের মেয়ে ই অন্য ঘরের বউ।✅ ゚