Sanaullah Nuri 2.0

Sanaullah Nuri 2.0 মানুষ মানুষের জন্য।ভালোবাসা দিয়ে জয় করতে হবে।

31/07/2025
31/07/2025

‎জামায়াতের সাথে আঁ'তাত করেনি কোন দল? ২০০১ সালে জামায়াত বন্ধু ছিল, ২০২৫ সালে এসে তারা রা'জা'কার হয়ে গেল।

30/07/2025

♥️♥️♥️দল ♥️♥️♥️
, "তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকবে" এই কথাটি সূরা আলে ইমরানের (আল-ইমরান) ১০৪ নম্বর আয়াতে আছে। এই আয়াতে বলা হয়েছে, "তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহবান করবে, সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম।"
এই আয়াতের মাধ্যমে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরা হয়েছে, যা "আমর বিল মারুফ ও নেহি আনিল মুনকার" নামে পরিচিত। এর অর্থ হলো, সৎ কাজের আদেশ করা এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।
এই আয়াতের মূল বার্তা হলো, মুসলিম সমাজের একটি অংশ সবসময় ভালো কাজের দিকে মনোযোগ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখার চেষ্টা করবে।
আরও কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য:
এই আয়াতে একটি বিশেষ দলের কথা বলা হয়েছে, যারা এই কাজটি করবে। এর মানে হলো, সমাজের সকল মানুষের এই দায়িত্ব না থাকলেও, একটি অংশ সবসময় এই কাজে নিয়োজিত থাকবে।
"সৎ কাজের আদেশ করা" মানে হলো, ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করা এবং মানুষকে ভালো কাজের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করা।
"অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা" মানে হলো, অন্যায় কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখা এবং তাদের ভুল পথে যাওয়া থেকে বাধা দেওয়া।
এই কাজটি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত এবং যারা এটি করবে, তারা সফলকাম হবে।

29/07/2025

রাজনীতির সাথে কুরআনের সম্পর্ক:
৩টি আয়াত ২টি হাদিস

সমাজ ও রাষ্ট্রে যদি জুলুম ও দুঃশাসন মুক্ত ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা রাজনীতির উদ্দেশ্যে হয় তাহলে বলতে হবে কুরআনের সাথে রাজনীতির গভীর সম্পর্ক সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন। কুরআনের ভাষায়,
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ.
নিশ্চয় আল্লাহ তা'য়ালা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে নির্দেশ দিয়েছেন। (সূরা নাহল ১৬/৯০)

মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
إِنَّا أَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ بِمَا أَرَاكَ اللَّهُ.
(হে নবী) নিশ্চয় আমি তোমার প্রতি যথাযথভাবে কিতাব (আল কুরআন) নাযিল করেছি, যাতে তুমি মানুষের মধ্যে শাসনকার্য পরিচালনা কর সে অনুযায়ী যা আল্লাহ তোমাকে দেখিয়েছেন। (সূরা নিসা ৪/১০৫)

মুমিনগণ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে তাদের করণীয় কি, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
الَّذِينَ إِنْ مَكَّنَّاهُمْ فِي الْأَرْضِ أَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ وَأَمَرُوا بِالْمَعْرُوفِ وَنَهَوْا عَنِ الْمُنْكَرِ ۗ وَلِلَّهِ عَاقِبَةُ الْأُمُورِ.
তারা এমন যাদেরকে আমি পৃথিবীর বুকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দান করলে তারা সালাত কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে এবং সৎকাজের আদেশ দেবে ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে; আর সব কাজের পরিণাম আল্লাহরই অধিকারে। (সূরা হজ্জ ২২/৪১)

যদি রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে কুরআনকে বিচ্ছিন্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কুরআনকেই আঁকড়ে ধরতে হবে এবং নিজের জীবন বাজি রেখে হলেও কুরানের শাসনব্যবস্থা কায়েম করার জন্য রাজনৈতিক কর্ম তৎপরতা চালিয়ে যেতে হবে। হযরত মু'আয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন,
أَلَا إِنَّ رَحَى الْإِسْلَامِ دَائِرَةٌ ، فَدُورُوا مَعَ الْكِتَابِ حَيْثُ دَارَ، أَلَا إِنَّ الْكِتَابَ وَالسُّلْطَانَ سَيَفْتَرِقَانِ، فَلَا تُفَارِقُوا الْكِتَابَ، أَلَا إِنَّهُ سَيَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ يَقْضُونَ لِأَنْفُسِهِمْ مَا لَا يَقْضُونَ لَكُمْ، إِنْ عَصَيْتُمُوهُمْ قَتَلُوكُمْ، وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ أَضَلُّوكُمْ .قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، كَيْفَ نَصْنَعُ؟ قَالَ: كَمَا صَنَعَ أَصْحَابُ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ، نُشِرُوا بِالْمَنَاشِيرَ، وَحُمِلُوا عَلَى الْخَشَبِ، مَوْتٌ فِي طَاعَةِ اللهِ خَيْرٌ مِنْ حَيَاةٍ فِي مَعْصِيَةِ اللهِ.
জেনে রাখো, ইসলামের চাকা প্রতিনিয়ত ঘুর্নায়মান অতএব তোমরা আল্লাহর কিতাব কুরআনের সাথে ঘুর্নায়মান হও। মনে রাখবে, আল্লাহর কিতাব আল কুরআন ও শাসনক্ষমতা উভয়ই অচিরেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তবে সাবধান, তোমরা কুরআনের সঙ্গ ত্যাগ করবে না। ভবিষ্যতে এমন সব ব্যক্তি তোমাদের শাসক হয়ে বসবে যারা তোমাদের উপর (কুরআন বিরোধী) শাসন ফায়সালা প্রতিষ্ঠা করবে। তোমরা যদি তাদের মেনে চলো তবে তারা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে। আর যদি তোমরা তাদের অমান্য করো তোমাদের মৃত্যুর মুখে নিক্ষেপ করবে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ) তখন আমরা কী করব? জবাবে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তখন তোমরা তাই করবে, যা হযরত ঈসা (আঃ) এর সাথীরা করেছেন। তাঁদেরকে করাত দিয়ে দীর্ণ করা হয়েছে, তাঁরা শুলবিদ্ধ হয়েছেন (তবুও আল্লাহর নাফরমানী করেননি)। কেননা আল্লাহর নাফরমানীতে লিপ্ত জীবনের চেয়ে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্যে মৃত্যুবরণ অনেক উত্তম। (তাবারানী ফিল মু'জামুল কাবীর ২০/৯০, ১৭২; মু'জামুস সাগীর ২/৪২; হিলয়াতুল আউলিয়া ৫/১৬৫; মাজমাউজ জাওয়ায়িদ ৫/২৪১)

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
الْإِسْلَامُ وَالسُّلْطَانُ أَخَوَانِ تَوْأَمٌ، لَا يَصْلُحُ وَاحِدٌ مِنْهُمَا إِلَّا بِصَاحِبِهِ، فَالْإِسْلَامُ أُسُّ وَالسُّلْطَانِ حَارِسٌ، وَمَا لَا أُسَّ لَهُ مُنْهَدِمٌ، وَمَا لَا حَارِسَ لَهُ ضَائِعٌ.
ইসলাম ও রাষ্ট্রব্যবস্থা দুই সহোদর ভাইয়ের ন্যায়। তাদের একজন অপরজনকে ছাড়া সংশোধন ও পরিপূর্ণ হতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ইসলাম হচ্ছে কোন অট্টালিকার ভিত। আর রাষ্ট্রশক্তি তার পাহারাদার। যে অট্টলিকার ভিত নেই তা যেমন পড়ে যেতে বাধ্য, তেমনি যার পাহারাদার বা রক্ষক নেই তাও ধ্বংস হয়ে যেতে বাধ্য। (ইমাম দাইলামী, আল ফিরদাউস ১/১১৭; ইমাম সুয়ূতী, জামউল জাওয়ামি হাঃ ১০১২২; কানযুল উম্মাল হাঃ ১৪১৬১৩)

সুতরাং যারা বলে রাজনীতির সাথে কুরআনের কোনো সম্পর্ক নেই; আমরা বলবো, তাদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।

28/07/2025

কে এই সাদিক কাইয়ুম???

21/06/2025

ইসলাম ও পাশ্চাত্য গণতন্ত্র

প্রকৃতপক্ষে ইসলাম ও পাশ্চাত্য গণতন্ত্রে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ইসলামে সার্বভৌমত্ব আল্লাহর, আর পাশ্চাত্য গণতন্ত্রে জনগণই সার্বভৌমত্বের অধিকারী। সার্বভৌমত্ব মানে আইন রচনার চূড়ান্ত ক্ষমতা। আইন সার্বভৌম শক্তিরই ইচ্ছা ও মতামত। পাশ্চাত্য গণতন্ত্রে জনগণ বা তাদের নির্বাচিত আইনসভাই সকল ক্ষেত্রে আইন-দাতা। আইনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা তাদেরই হাতে। ইসলামে আল্লাহর দেওয়া আইন ও বিধানের বিপরীত কোনো সিদ্ধান্ত নেবার বৈধ অধিকার জনগণের বা পার্লামেন্টের নেই। ইসলাম ও পাশ্চাত্য গণতন্ত্রের এ মৌলিক পার্থক্য অত্যন্ত বিরাট ও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকৃতপক্ষে আইনের নিরপেক্ষ শাসন একমাত্র আল্লাহর আইনের অধীনেই চালু হওয়া সম্ভব। মানব রচিত আইনের এমন নৈতিক মর্যাদা সৃষ্টি হতে পারে না যা পালন করার জন্য মানুষ অন্তর থেকে উদ্বুদ্ধ হতে পারে। মানুষের তৈরি আইনকে ফাঁকি দিয়ে পুলিশ থেকে বেঁচে যাওয়ার চেষ্টাকে কেউ বড় দোষ মনে করে না। কিন্তু আল্লাহর আইনের বেলায় পুলিশ থেকে বেঁচে গেলেও আল্লাহর হাত থেকে রক্ষা নেই বলে এ নৈতিক প্রভাব গভীর। এদিক বিবেচনা করলে আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সার্থক রূপ ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময়।

পরিশেষে
আল্লাহ মানুষকে তাঁর খলিফা বানিয়ে পাঠিয়েছেন পৃথিবীতে ।

সুতরাং আল্লাহ্‌র অনুগত মানুষই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস । তবে নিরংকুশ নয় । একটি মুসলিম রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য জনগনের মধ্য থেকে যে প্রক্রিয়ায় দায়িত্বশীল নির্বাচন করতে হয় তাকেও গনতন্ত্রই বলতে হবে ।

যে গনতন্ত্রে জনগনের খেয়াল-খুশীর ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয় তা হারাম । তবে মুসলমানদের সে স্বাধীনতা নেই । জনপ্রতিনিধি নির্বাচন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতা নিজেদের হাতে থাকলেও মুসলমানরা আল্লাহ্‌র বেঁধে দেয়া নীতির বাইরে পা রাখতে পারে না ।

গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছাড়া খিলাফত প্রতিষ্ঠার আর কোন উপায় নেই । ইসলামের ইতিহাসের অধিকাংশ সময় জুড়েই ছিল রাজতন্ত্র । চার খলিফার পর ইসলামে কখনেই গনতন্ত্র ছিল না । ছিল শুধুমাত্র রাজতন্ত্র । আর রাজতন্ত্রকে নিশ্চয় বৈধ খিলাফত বলা যায় না ?

03/06/2025
03/06/2025

আমাকে দিয়ে "জামায়াত" কি করবে?
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""'''''""""""""""""
قُلِ اللّٰهُمَّ مٰلِکَ الۡمُلۡکِ تُؤۡتِی الۡمُلۡکَ مَنۡ تَشَآءُ وَ تَنۡزِعُ الۡمُلۡکَ مِمَّنۡ تَشَآءُ ۫ وَ تُعِزُّ مَنۡ تَشَآءُ وَ تُذِلُّ مَنۡ تَشَآءُ ؕ بِیَدِکَ الۡخَیۡرُ ؕ اِنَّکَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۲۶﴾
অনুবাদঃ
বল, ‘হে আল্লাহ, রাজত্বের মালিক, আপনি যাকে চান রাজত্ব দান করেন, আর যার থেকে চান রাজত্ব কেড়ে নেন এবং আপনি যাকে চান সম্মান দান করেন। আর যাকে চান অপমানিত করেন, আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান’।
সূরা আল ইমরান-২৬

ইনশাআল্লাহ বদলে যাবে ইতিহাস
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
১-মহান আল্লাহর ইচ্ছায় ও দেশবাসীর সহযোগিতায় জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে রাজনীতিতে চিরতরে প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ ও বৈষম্যের অবসান ঘটাবে।

২--জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় যেতে চায় না বরং ইসলামকে ক্ষমতায় নিয়ে যেতে চায়। আসমান,জমিন,চন্দ্র,সূর্য,বৃষ্টির পানি,অক্সিজেন,ফসল,ফলমূল যেমন সবই আমাদের উপকারী, তেমনি ইসলাম জাতি ধর্ম-বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে সবার উপকারী।

৩-জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি,দুঃশাসন, চাঁদাবাজি,দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজি মুক্ত, একটি জনকল্যাণমূলক মানবিক সমাজ গড়ে তুলবে।

৪-আমরা যুবকদের জন্য কম টাকায় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করে বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতায় তাদের যুগের চাহিদায় দক্ষ করে গড়ে তুলবো।

৫- বেকারত্ব নিরসনে বেকার যুবক ও জনশক্তির হাতকে জনসম্পদে পরিণত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

৬- নারীদের সাথে যৌতুকের নামে কৌতুক করা বন্ধ করা হবে। নারী নির্যাতন বন্ধ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
মহিলারা তাদের যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী তাদের কর্ম ক্ষেত্রে কাজ করবেন। তারা তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলবেন।

৭-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির বন্দোবস্ত করা হবে। তাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে। শ্রমিকদের সাথে কোন রকমের তামাশা বরদাস্ত করা হবে না।

৮-গ্রামের দাতব্য চিকিৎসালয়/ক্লিনিক গুলোকে আধুনিকায়ন করা হবে এবং প্রসূতি মহিলারা এলাকাতেই তাদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা পাবেন।

৯-মুসলিমগন নির্বীঘ্নে আল্লাহর ইবাদত ও দাসত্ব করবেন। তাদের ধর্ম কর্ম পালনের সার্বিক সুযোগ সুবিধা পাবেন।

১০-অন্য ধর্মের ভাইদের নিজ নিজ ধর্ম কর্ম পালনে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

১১- গ্রামের হতদরিদ্র, গরিব দুঃখী মানুষের জন্য রাষ্ট্রীয় বরাদ্দকৃত সম্পদ আমানতদারীত্বের সাথে তাদের নিকট পৌঁছানো হবে।

১২- ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষা ও পরিবেশ বান্ধব শিক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

১৩- অশ্লীলতা ও নৈতিকতা বিবর্জিত সংস্কৃতির পরিবর্তে সুস্থ সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও জীবন ঘনিষ্ঠ বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে।

১৪-ন্যায় বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিা করা হবে।

১৫- প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও রাষ্ট্রের নাগরিকদের দায়িত্ব কর্তব্য পালনে। জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

প্রিয় বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বিগত সরকার গুলো ও দল গুলো দুর্নীতি ও দুঃশাসন বন্ধ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।
মানুষের উন্নয়নের নামে দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে। এখনো হচ্ছে। মানুষ নেতাদের চাপাবাজি দেখেছে। চাপা শিল্পের উন্নয়ন ঘটলেও জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেনি।
অতীতে ক্ষমতায় গিয়ে যারা প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন, তারা পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন জনগণের সাথে তামাশা করার জন্য।

তাই আসুন!
একটি সুখী সমৃদ্ধশালী কল্যাণময় মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আল্লাহর পথে জান ও মাল কোরবানি দিয়ে সে চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে।আপনিও শামিল হন আমাদের এই প্রিয় কাফেলায়।

মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন পঞ্চগড়।
মোবাইল: 01782-139637

12/05/2025
🔴🔴🔴🔴জালেমকে সহযোগিতার পরিণতি🔴🔴🔴🔴জুলুম কঠিন গুনাহের কাজ। মানবতার বিচারে জুলুম এতই অপছন্দনীয় যে, স্বয়ং আল্লাহ তাআলা নিজের ...
12/05/2025

🔴🔴🔴🔴জালেমকে সহযোগিতার পরিণতি🔴🔴🔴🔴
জুলুম কঠিন গুনাহের কাজ। মানবতার বিচারে জুলুম এতই অপছন্দনীয় যে, স্বয়ং আল্লাহ তাআলা নিজের জন্যও এটি হারাম করেছেন। হাদিসে কুদসিতে এসেছে, ‘হে আমার বান্দা, আমি নিজের ওপর জুলুম হারাম করেছি এবং তোমাদের জন্যও তা হারাম করেছি। অতএব তোমরা একজন অন্যজনের ওপর জুলুম করো না।’ (মুসলিম: ৬৭৩৭)

সমাজে কিছু ভালো মানুষ এখনও আছে যারা জুলুম, অন্যায় ও অত্যাচারের প্রতিরোধ করে। জুলুমের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থাকে। আবার এমন কিছু লোক আছে তারা জুলুমকে রোধ করে না, বরং জালিম ও অত্যাচারীকে সহযোগিতা করে। হাদিস অনুযায়ী, এ ধরনের লোকও জালিমের অন্তর্ভুক্ত।

এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো জালিমের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে চলে অথচ সে জানে যে ওই ব্যক্তি জালিম, তখন সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেল।’ (মেশকাত: ৪৯০৮)
নবীজি (স.) আরও বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সেই বান্দাই মর্যাদায় নিকৃষ্ট সাব্যস্ত হবে, যে অন্যের পার্থিব কল্যাণে নিজের আখেরাত ধ্বংস করেছে। অর্থাৎ কোনো জালিমের কাজে সাহায্য করেছে।’ (ইবনে মাজাহ: ৪১০১)

ইসলামে ‘মজলুম’ খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। জালেম ধ্বংস হয় মজলুমের বদদোয়ায়। মহানবী (স.) যাদেরকেই বিভিন্ন অঞ্চলের শাসনকার্যের দায়িত্ব দিতেন, সবাইকে মজলুমের বদদোয়া থেকে সতর্ক করেছেন। অর্থাৎ সামান্য অসাবধানতার কারণে যেন কারো ওপর জুলুম না হয়ে যায়। মজলুমের আর্তনাদ আল্লাহর কাছে পৌঁছতে কোনো পর্দা ভেদ করতে হয় না।

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারিম (স.) যখন মুআজ (রা.)-কে ইয়েমেনে পাঠান, তাকে বলেন, ‘মজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মধ্যে পর্দা থাকে না।’(বুখারি: ২৪৪৮)

জালেমকে যারা সহযোগিতা করে, তাদের সঙ্গে প্রিয়নবী (স.) সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের হাউসে কাওসার থেকেও বঞ্চিত করা হবে। কাআব ইবনে উজারা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) আমাকে বলেছেন, ‘হে কাআব ইবনে উজরা, আমার পরে যেসব নেতার উদয় হবে আমি তাদের (অনিষ্ট) থেকে তোমার জন্য আল্লাহ তাআলার সহায়তা প্রার্থনা করি। যে ব্যক্তি তাদের দ্বারস্থ হলো (সান্নিধ্য লাভ করল), তাদের মিথ্যাকে সত্য বলল এবং তাদের স্বৈরাচার ও জুলুম-নির্যাতনে সহায়তা করল, আমার সঙ্গে ওই ব্যক্তির কোনো সম্পর্ক নেই এবং এ ব্যক্তির সঙ্গে আমারও কোনো সংস্রব নেই। ওই ব্যক্তি ‘কাওসার’ নামক হাউসের ধারে আমার কাছে আসতে পারবে না।

অন্যদিকে যে ব্যক্তি তাদের দ্বারস্থ হলো (তাদের কোনো পদ গ্রহণ করল) কিন্তু তাদের মিথ্যাকে সত্য বলে মানল না এবং তাদের স্বৈরাচার ও জুলুম-নির্যাতনে সহায়তা করল না, আমার সঙ্গে এ ব্যক্তির সম্পর্ক রয়েছে এবং এ ব্যক্তির সঙ্গে আমারও সম্পর্ক রয়েছে। শিগগিরই সে ‘কাওসার’ নামক হাউসের কাছে আমার সঙ্গে দেখা করবে। হে কাআব ইবনে উজরা, নামাজ হলো (মুক্তির) সনদ, রোজা হলো মজবুত ঢাল (জাহান্নামের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক) এবং সদকা (জাকাত বা দান-খায়রাত) গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেয়, যেভাবে পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়।’ (তিরমিজি: ৬১৪)
নাউজুবিল্লাহ, যার সুপারিশ ছাড়া কেয়ামতের মাঠে গোটা মানব জাতি অসহায় হয়ে পড়বে, সেই নবী (স.) যদি কারো সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন, তাহলে তার চেয়ে পোড়া কপাল আর কে হতে পারে? তাই আসুন, আমরা নিজেরা অত্যাচার থেকে বেঁচে থাকি এবং অত্যাচারীকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা থেকে বিরত থাকি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।

Address

Rajshahi

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanaullah Nuri 2.0 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category