Cinebuddy

Cinebuddy Rise up humanity - মনুষত্ব্যকে করো জাগ্রত

যারা স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়।
যারা ভুলে গেছে, তাদেরও স্বপ্ন দেখার এবং স্বপ্ন পূরনের অধিকার আছে।
আমরা তাদের স্বপ্ন পূরেনর দায়ীত্ব নিতে চাই।
আমরা চাই আপনার একান্ত সহযোগীতা।
আপনি যদি আমাদের সাথে থাকতে চান।
সুবিধা বঞ্চিত ঐ সব মানুেষর পাশে দারাতে চান।
তবে আসুন Bee Unit Bangladesh এ যোগ দেই।
আপনার কিঞ্চিত সহযোগীতা আমাদের কঠিনতম মূহুর্তে সাহায্য করেব।

ধন্যবাদান্তে

নাঈম রেজা কথা
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
বি ইউনিট বাংলাদেশ

27/08/2014

:(

আট বছরের শিশু সাইদ কাজকরে বুড়িগঙ্গা নদীরতীরে একটি বেলুন তৈরিরকারখানায়। বাবা ময়লারভ্যানচালক।মা বাসাবাড়িতে কাজ করেন।সাইদ স...
31/03/2014

আট বছরের শিশু সাইদ কাজ
করে বুড়িগঙ্গা নদীর
তীরে একটি বেলুন তৈরির
কারখানায়। বাবা ময়লার
ভ্যানচালক।
মা বাসাবাড়িতে কাজ করেন।
সাইদ সকাল
থেকে সন্ধ্যা অবধি কাজ করার
পর বড় ভাইয়ের
সঙ্গে রাতে বাড়ি ফেরে। এত
পরিশ্রমের পর
সপ্তাহে জোটে মাত্র ৩০০
টাকা। অর্থাৎ মাসে এক
হাজার ২০০ টাকা। সাজেদের
বড় ভাই মো. রিটু (১৬) পাশের
আরেকটি বেলুন তৈরির
কারখানায় কাজ করে। বয়সে বড়,
তাই শরীরে শক্তিও বেশি আর
কাজেও দক্ষ
বলে প্রতি সপ্তাহে ৫০০
টাকা করে পায় জানায়। সাইদ
বলে, ‘মজুরি কম হইলে কি আর
করতাম। যা দেয় তাতেই খুশি।
আর কাম না করলে তো না খাই
থাকন লাগে।’
ময়না (১২)
গৃহকর্মী হিসেবে কাজ
করে রাজধানীর আজিমপুরের
একটি বাড়িতে। ঘর মোছা,
কাপড় ধোয়া,
ঘরবাড়ি গোছানো,
থালাবাসন ধোয়া,
বাচ্চা দেখাশোনা—এসব কাজ
তাকে করতে হয়। মাস
শেষে তাকে দেওয়া হয় এক
হাজার টাকা। বেতন
বাড়াতে বললে গৃহকর্ত্রী বলেন,
‘তোর খাওয়া আর জামা-
কাপড়ের পেছনে অনেক
টাকা যায়। এর
বেশি দেওয়া সম্ভব নয়।’
তবে লাইলির অবস্থা আরও
খারাপ। শান্তিবাগের
একটি বাসায়
গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ
পেয়েছিল আট মাস আগে। এই
আট মাসে তাকে কোনো বেতন
দেওয়া হয়নি।
রাজধানীর ধানমন্ডির
একটি বাড়িতে কাজ
করে ফরিদ (৮)। গৃহকর্তার
ছেলে জিসানের (ছদ্মনাম)
স্কুলের ব্যাগ বহন করা তার
প্রধান কাজ। স্কুল
শেষে জিসানের
সঙ্গে সে হেঁটেই
বাড়ি ফেরে। প্রায় একই বয়সের
দুই শিশু একজন ব্যাগ টানার কাজ
করে, আর অন্যজন স্কুল
থেকে আইসক্রিম
খেতে খেতে বাসায় ফেরে।
জিসানের যখন স্কুল চলছিল, তখন
কথা হয় ফরিদের সঙ্গে।
সে জানায়, কাজ
করে মাসে ৫০০ টাকা পায় সে।
দুই বেলা খেতে দেয়।
সকালে স্কুলে চলে আসে। তাই
একবারে দুপুরে খায়, সকালে আর
খাওয়া হয় না তার।
স্কুলে যাতায়াত করা ছাড়াও
ফরিদকে প্রতিদিন
ময়লা ফেলা, ঘর মোছাসহ
বিভিন্ন কাজ করতে হয়। ফরিদ
বলে, ‘টেকার জন্যি বাবা-
মায়ে কামে পাডাইছে। সেই
টেকাই পাই না।’
হিরণ মিয়া লেগুনায়
হেলপারের কাজ করে। তার
গ্রামের
বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
বাবা বসিলায় রিকশা চালান।
বাবার ইচ্ছায়
স্কুলে না গিয়ে সে কাজে এস
বেতন কত জিজ্ঞেস করতেই
হিরণ বলে, ‘বেতন কী আফা?’
প্রতি ট্রিপে ২০
টাকা করে দেয়। আবার
যাত্রী বেশি না হলে তা-ও
পায় না কখনো। হিরণ বলে, ‘এসব
টাকায় সংসার চলবার চায় না।
কিন্তু কী করুম। এই কাম
না করলে তো আরও বিপদ। খামু
কী।’ হিরণ জানায়, একবার
লেগুনার হ্যান্ডেল থেকে হাত
ফসকে পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত
পেয়েছিল। তখন দুই মাস পঙ্গু
হাসপাতালে থাকতে হয়েছি
তাকে।
রাজধানী কারওয়ান
বাজারের
একটি দোকানে কাজ করে ১০
বছরের শিশু শিপন। মাস
শেষে সে পায় ৮০০ টাকা।
সারা দিন কাজ করলেও মালিক
তাকে কোনো বেলায়ই
খেতে দেন না। শিপন বলে,
‘সংসারে যাতে টেকা দিবা
পারি, হের
লাইগ্যা এইহানে কাম
করতে আইছি। কিন্তু যে বেতন
পাই, এই
দিয়া তো ঠিকমতো খাওনই
জুডে না।’
বাংলাদেশ শিশু অধিকার
ফোরামের (বিএসএএফ)
চেয়ারপারসন এমরানুল হক
চৌধুরী বলেন, শিশুরা ভোটার
নয়, তাই শিশুদের
ব্যাপারে রাজনৈতিক
দলগুলোর খুব
একটা মাথাব্যথা নেই।
রাজনৈতিক
কর্মকাণ্ডে শিশুদের ব্যবহার
হলেও তাদের উন্নয়ন নিয়ে কেউ
খুব একটা চিন্তিত নয়। কিন্তু এ
ব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আস
১৪ বছরের নিচে বয়স, এমন
শিশুদের শ্রমে নিয়োগ
দেওয়া নিষিদ্ধ হলেও
অনেকে এ বিষয়ে জানে না।
আবার জানলেও তারা শ্রমিক
হিসেবে শিশুদের নিয়োগ
দিতেই পছন্দ করে। এ
ব্যাপারে সরকারকে ব্যাপক
প্রচার-
প্রচারণা চালাতে হবে।
শিশুশ্রমিকেরা যাতে যথাযথ
মজুরি পায়,
সে ব্যাপারটি নিশ্চিত
করতে আইনি পদক্ষেপ
নিতে হবে।

মাথার ওপর প্রচণ্ড রোদ। এ রোদমাথায় নিয়ে ইট ভাঙছিল মো.নাজমুল (১০)। শরীরথেকে ফোঁটায় ফোঁটায়ঝরে পড়ছিল ঘাম। ১৯ মার্চদুপুরে নাজ...
31/03/2014

মাথার ওপর প্রচণ্ড রোদ। এ রোদ
মাথায় নিয়ে ইট ভাঙছিল মো.
নাজমুল (১০)। শরীর
থেকে ফোঁটায় ফোঁটায়
ঝরে পড়ছিল ঘাম। ১৯ মার্চ
দুপুরে নাজমুলের দেখা পাই
রাজধানীর
হাতিরপুলে একটি নির্মাণাধ
বাড়ির সামনে। নাজমুল জানায়,
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত
সারা দিন ইটের
খোয়া ভাঙলে ১০০
টাকা পাওয়া যায়।
সকালে বাড়ি থেকে বের
হওয়ার সময় তার
মা একটি বাটিতে খাবার
দিয়ে দেয়। সেই খাবার
সে দুপুরে খায়। নাজমুলের
বাবা আরেকটি বিয়ে করেছে
বলে তাদের আর খোঁজখবর নেন
না তিনি। নাজমুলের
মা বিভিন্ন বাড়িতে গৃহকর্মীর
কাজ করেন। লেখাপড়ার
প্রতি আগ্রহ থাকলেও অভাবের
কারণে নাজমুলের আর
বিদ্যালয়ে যাওয়া হয়ে ওঠেন
‘সকাল নয়টার সুময় আসি।
হারা দিন কাম করি।
দোকানে মাল উঠাই,
কাস্টমারগো মাল রিকশা,
গাড়ি পর্যন্ত আউগায়
দিয়া আসি’। কথাগুলো বলছিল
১২ বছরের শিশু ফজল মিয়া।
শান্তিনগর বাজারের
একটি দোকানে কাজ করে সে।
সকাল নয়টায় আসে। বাসায়
ফেরে রাত নয়টায়। মাস
শেষে বেতন পায় দেড় হাজার
টাকা।
জীবিকার তাগিদে নাজমুল ও
ফজল মিয়ার মতো অসংখ্য শিশু
আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের
শ্রমে নিয়োজিত।
যে বয়সে তাদের বই-
খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার
কথা, সেই
বয়সে তারা টাকা রোজগারে
জন্য কাজ করছে।
বাংলাদেশের শ্রম আইন (২০০৬)
অনুসারে শ্রমিকের বয়স ১৪
বছরের নিচে হওয়া যাবে না।
কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
শ্রমে নিয়োজিত বহু শিশুরই বয়স
১৪ বছরের নিচে।
শিশুদের নিয়ে কাজ করে এমন
সংস্থাগুলো বলেছে, দেশে ৭৪
লাখের বেশি শিশু বিভিন্ন
ধরনের শ্রমে নিয়োজিত।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
শিশুরা ব্যাটারি নির্মাণ
কারখানা, প্লাস্টিক
সামগ্রী তৈরির কারখানা,
চামড়ার কারখানা,
মোটরগাড়ি ও
রিকশা সারাইয়ের গ্যারেজ,
সাইকেল নির্মাণ কারখানা,
ইটভাটা, চায়ের দোকানসহ
বিভিন্ন দোকান, হোটেল,
রেস্তোরাঁ, পোশাক
কারখানা, জাহাজশিল্প,
চিংড়ির হ্যাচারি,বেলুন
কারখানা,জুটমিল ও
বাসাবাড়িতে কাজ
করে জীবন-জীবিকার পথ
খোঁজে। অনেক শিশু
রাজমিস্ত্রির
সাহায্যকারী হিসেবে কাজ
করে। এ ছাড়া অনেক শিশু বাস,
টেম্পো, হিউম্যান হলার এসব
যানবাহনে সাহায্যকারী হিস
করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
শিশুদের অল্প পারিশ্রমিক
দিয়ে বেশি কাজ
করে নেওয়া যায়
বলে মালিকেরাও তাদের
নিয়োগ করেন। নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক এক
ব্যাটারি নির্মাণ কারখানার
মালিক বলেন, ‘শিশু
শ্রমিকেরাই ভালো।
যা মজুরি দেই
বাড়াবাড়ি করে না। কামও
ভালো করে। আর ওগোও
তো টেকা দরকার। দুই পক্ষেরই
লাভ। লোকসান নাই।’
কয়েকজন শিশুশ্রমিকের
সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,
তাদের অনেকেই অল্প বয়স
থেকে কাজ করছে। কেউ দুই-তিন
বছর বিদ্যালয়ে গেলেও
অভাবের তাড়নায় তাদের
বাবা-
মা কাজে পাঠাতে বাধ্য
করছেন।
সরকারি হিসাবে সারা দেশে
৯৯ শতাংশের বেশি শিশুর
বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত
করা হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক
শিক্ষা শেষ করার আগেই প্রায়
৪০ শতাংশ শিশু বিদ্যালয়
থেকে ঝরে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই
ঝরে পড়া শিশুদের একটি বড়
অংশ বিভিন্ন শ্রমের
সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরো সর্বশেষ ২০১০
সালে শ্রম জরিপ করে। এরপর
সম্প্রতি তারা আবারও এই
জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে।
জরিপের সঙ্গে জড়িত একজন
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান,
মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ শেষ
হয়েছে। ওই জরিপে শিশুশ্রমের
ওপর আলাদাভাবে গুরুত্ব
দেওয়া হয়েছে। জরিপের
বিষয়ে আগাম কোনো তথ্য
প্রকাশ না করলেও
তিনি জানান, দিন দিন
বিভিন্ন কাজে শিশুদের
ব্যবহার বেড়েই চলেছে।
জরিপের ফলাফলে এই অবস্থার
বাস্তব চিত্র
ফুটে উঠবে বলে তিনি আশা প্র
করেন।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়
২০১১ সালের জাতীয়
শিশুনীতিতে ঝুঁকিপূর্ণ ও নিকৃষ্ট
ধরনের শ্রমসহ বিভিন্ন ধরনের
শ্রমে নিয়োজিত শিশুদের
প্রত্যাহারের কথা বলেছে। এ
ছাড়া তাদের দারিদ্র্যের চক্র
থেকে বের করে আনার
লক্ষ্যে পিতা-মাতাদের আয়
বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা,
বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার
জন্য বৃত্তি ও আনুতোষিক প্রদান
করার কথা বলেছে।
ওই
শিশুনীতি অনুসারে শিশুশ্রমের
ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে পিতা-
মাতা, সাধারণ জনগণ ও সুশীল
সমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি,
২০১৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন
ধরনের শিশুশ্রম নির্মূলের
লক্ষ্যে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্ত
কৌশল ও কর্মসূচি নেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এর
বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে অনেকেই
প্রশ্ন তুলেছেন।
বিভিন্ন কাজে শিশুদের
ব্যবহারের
বিষয়ে মানবাধিকার
সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের
নির্বাহী পরিচালক
সুলতানা কামাল বলেন,
আইনে শিশুশ্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
শিশুশ্রম বন্ধ করতে আইনের সুষ্ঠু
প্রয়োগ হওয়া দরকার। আইনের
সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে কি না,
এটি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এ
জন্য আরও আরও বাজেট ও জনবল
বাড়াতে হবে।
শ্রমবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব
লেবার স্টাডিজের (বিলস)
সহকারী নির্বাহী পরিচালক
সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ
বলেন, ‘শ্রম আইন আমাদের
দেশে পুরোপুরি মানা হয় না।’
তিনি জানান, গত বছর শ্রম
মন্ত্রণালয় ৪৬ ধরনের
কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ
হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যার
অনেক কাজই শিশুরা করছে। অথচ
আইন অনুসারে ১৪ বছরের
নীচে বয়স এমন
শিশুরা কোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ
কাজ করতে পারবে না। এ
ছাড়া তাদের পাঁচ ঘণ্টার
বেশি কাজ করানো যাবে না।
বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ
দিতে হবে। কিন্তু
এগুলো মানা হয় না। মালিক ও
শ্রমসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোও এ
বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক নয়।
শিশুশ্রম বন্ধে সরকারের
কড়া নজরদারির
পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্প
হাতে নেওয়ার প্রতি জোর
দেওয়া উচিত বলে মনে করেন
তিনি।

30/03/2014

আজ বিমান বন্দর বিদ্যালয়ে কুইজ প্রতিজোগীতার পুরস্কার বিতরনি। সর্বমোট ৫টি পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

হিজড়া কথাটা শুনতে আমরা কেমন জানি কুন্ঠিত বোধ করি । এদের দেখলে প্রথমেই ভাবতে থাকি তারা যেন আমাদের থেকে ১০ হাত দূরেয় অবস্থ...
29/03/2014

হিজড়া কথাটা শুনতে আমরা কেমন জানি কুন্ঠিত বোধ করি । এদের দেখলে প্রথমেই ভাবতে থাকি তারা যেন আমাদের থেকে ১০ হাত দূরেয় অবস্থান করে । কেনো না এই শিক্ষিত সুশীল সমাজ তাদের মেনে নিতে শেখাই নি আমাদের । তবুও তারা আল্লাহর সৃষ্টি , তাদের হেও করার অধিকার আমাদের নাই । ভ্রন এর বিকাশ কালে নিসিক্ত করন ও বিভাযনের ফলে বেশ কিছু আসাভাবিক গঠনের সৃষ্টি হয় যেমন XX Y আথবা XY Y এর ফলেই যে শিশুর জন্ম হয় তাকেই আমরা হিজড়া বলে জানি । এই সব শিশু দের যদি জন্মের সাথে সাথে সনাতক করে উপযুক্ত চিকিৎসা দেওয়া যাই তাহলে তারা সাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে , অন্যথাই তাদের বাড়ী পরিবার ছেড়ে ঠাই হই কোন হিজড়া পল্লী তে । আর জীবন ধারন করতে হয় বাজারের দোকানে দোকানে চাদা তুলে অথাবা সমাজের বাড়ি বাড়ি চাল , টাকা, অন্য আনুসাংগীক জোগাড় করে । একটা বড় রীতি আছে আমাদের সমাজে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশু দের গানের তালে কোলে নিয়ে নাচিয়ে বোকশিস নিয়ে থাকে এরা। যাওয়া যাক একটু মোঘল আমলে , তখন এই হিজড়া দের ব্যাবহার ছিল রাজাদের রানী আর সদ্য সন্তান দের দেখাসুনা জন্য ।কেন না তারা নারী পুরুষ উভয় সমাজে চলাচল করত । বাংলাদেশের পরিসঙ্খান অনুসারে প্রায় ৬০ হাজার হিজড়া আছে তা মদ্ধে রাজধানী ঢাকাতেই ১৫০০ এর বসবাস আশার কথা হল ৬০ হাজারের মদ্ধে এখন ও নিজের পরিবারের সাথে বসবাস করে প্রায় ৫০০০ জন । বর্তমানে তারা সমাজ চুতো , না আছে তাদের সংবিধানিক সিকৃতী । শারিরীক দিক দিয়ে তারা না ছেলে না মেয়ে তাই নাই নাম কোণ অধিকারের লিস্টএ ও । কেউ কেউ তাই নিজে থেকে বাহিরের জগতের সাথে পরিচিতি ও করতে চান না । কিন্তু নিজের এই অসাভাবিক্তা কে উপেক্ষা করে সাবলম্বি হয়েছেন অনেকেই এমন নজির ও কম নাই। আবার অনেকে চলেছে অপরাধ মুলক কাজেও। শুধু যে মধ্য প্রার্চ্য তা নই আমাদের বাংলা দেশে চলে হিজড়া দের যৌন ব্যাবসা । কোথাউ শুনেচিলাম এই হিজড়া দের যৌনতা ভোগকে নাকি শাহী ভোগ মানে রাজকীয় চাহিদা বলা হয় । ভারতে ও এদের চাহিদা অনেক । আমাদের সমাজে ৩ ধরনের হিজড়া আছে ১) যারা শারিরিক ভাবে পূরুষ কিন্তু মানসিক ভাবে নারি তাদের ডাকা হয় - ( আকুয়া ) ২) যারা শারিরিক ভাবে নারী কিন্তু মানসিক ভাবে পুরুষ তাদের -( জেনানা) ৩) যারা নিজের ইচ্ছাই বা যোর করে তাদের লিঙ্গ পরিবরতন করেছে তাদের ডাকা হয় -(চিন্নি) । আমরা এদের জন্য হইত বড় কিছু করতে পারব না কিন্তু যারা (হিজড়া ) পরিবর্তন চাই হইত তাদের একটু সাহায্য করতে পারব । অনেক হইয়ত আমার সাথে এক মত নাও হট্যাঁ পারেন কিন্তু অনেক হিজড়া আছে তারা তাদের এই শারীরিক পরিবর্তন কে কাজে লাগিয়ে অনেক অপরাধ মুলক কাজ করে পার পেয়ে যান কিন্তু অপরাধ তো অপরাধ এটাকে প্রশ্রয়ই দেওয়া কোন ভাবেই কাম্য নয় । সে সাভাবিক মানুষ হোক বা শারিরিক অক্ষম মানুষই হোক ।

আমরা কেমন মানুষ হতে চাই।নিচের গল্পটা পড়ে দেখুন।কবার ট্রেনে ওঠারসময় মহাত্মা গান্ধীর পায়ের একপাটি জুতো খুলে পড়ে গেল।ট্রেন ...
29/03/2014

আমরা কেমন মানুষ হতে চাই।
নিচের গল্পটা পড়ে দেখুন।

কবার ট্রেনে ওঠার
সময় মহাত্মা গান্ধীর পায়ের এক
পাটি জুতো খুলে পড়ে গেল।
ট্রেন ততক্ষণে চলতে শুরু করেছে।
নেমে জুতোটা তুলে নেওয়ার
উপায়ও নেই। গান্ধী চটজলদি তাঁর
আরেক পায়ের জুতোও
খুলে ফেলে দিলেন।
সহযাত্রীরা অবাক হয়ে এর কারণ
জানতে চাইলেন।
গান্ধী বললেন, ‘কোনো গরিব
লোক
হয়তো জুতোটা খুজে পাবে। এক
পায়ের জুতো পেয়ে তো তাঁর
কোনো লাভ নেই। তাই দুই
পায়েরটাই দিয়ে গেলাম।’

বসে আছে এই শিশু দুটি তাদেরমায়ের অপেক্ষায় তাদেরমা গিয়েছে রাস্থায় মানুষেরকাছে ভিক্ষা করতে।এদের কি দেখার কেও নেই???
28/03/2014

বসে আছে এই শিশু দুটি তাদের
মায়ের অপেক্ষায় তাদের
মা গিয়েছে রাস্থায় মানুষের
কাছে ভিক্ষা করতে।
এদের কি দেখার কেও নেই???

শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ’- এধরণেরআপ্তবাক্য আমরা লেখায়, বক্তৃতায়হারহামেশা পড়ি ও শুনি। কিন্তু‘জাতির ভবিষ্যৎ’ সবাইকে, বিশেষকরে...
28/03/2014

শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ’- এ
ধরণের
আপ্তবাক্য আমরা লেখায়, বক্তৃতায়
হারহামেশা পড়ি ও শুনি। কিন্তু
‘জাতির ভবিষ্যৎ’ সবাইকে, বিশেষ
করে নিম্নবর্গীয়দের
নিয়ে মোটেই
মাথা ঘামাই না। শাসনযন্ত্র এদের
অস্তিত্ব সম্বন্ধে মনে হয় অসচেতন।
অথচ দেশে, বিশেষ
করে রাজধানী ঢাকার সর্বত্র
নানা শ্রমের জীবিকায় এদের
দেখা যায়। কিন্তু
শাসকশ্রেণি দেখে না।

প্রায় প্রতিদিন-ই বহু পথ শিশুদেখি ।এদেরআমরা কখনো দেখি টোকাইরূপে,কখনো দেখি ভিক্ষুকরূপে,কখনো বা দেখি কোনওয়ার্কশপের ওয়েল্ডার...
28/03/2014

প্রায় প্রতিদিন-ই বহু পথ শিশু
দেখি ।এদের
আমরা কখনো দেখি টোকাই
রূপে,কখনো দেখি ভিক্ষুক
রূপে,কখনো বা দেখি কোন
ওয়ার্কশপের ওয়েল্ডার
রূপে,ঢাকা রাজপথের
পত্রিকা বিক্রেতা রূপে,দেখি বাসের
হেলপার রূপে,আবার
কখনো দেখি ছিচকে চোর রূপে।
কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন,এরা যে বয়সে এই
কাজ
গুলো করছে সে বয়সে আমরা কি করেছি ?
আমি চিন্তা করে দেখেছি,আমি এদের
বয়সে বাবা-মা এর আদরে লালিত
হতাম ও পড়াশোনা করতাম।
এরা এদের বেঁচে থাকার
মৌলিক অধিকারের ছিটে-
ফোটা ও পায় না। এরা জন্মের পর
হতে-ই পায় অবহেলা আর অবজ্ঞা।
এরা প্রতিনিয়ত
অনাহারে,অর্ধাহারে প্রতিদিন
জীবন যাপন করে আর থাকার জন্য
স্থান হচ্ছে ঢাকা শহরের প্রশস্ত
ফুটপাত গুলো বা ঘুপছি কোন
বস্তি ।

প্রকৃতির কোন কিছুই নিজের জন্যবাঁচে না-নদী কখনো তার নিজেরপানি খায় না,গাছ কখনো তার নিজের ফল খায়না,সূর্য নিজের জন্য তাপ ব...
27/03/2014

প্রকৃতির কোন কিছুই নিজের জন্য
বাঁচে না-
নদী কখনো তার নিজের
পানি খায় না,
গাছ কখনো তার নিজের ফল খায়
না,
সূর্য নিজের জন্য তাপ বিলায় না,
চাঁদ কখনো হানিমুনে যায় না
ফুল কখনো নিজের জন্যে সুগন্ধ
ছড়ায় না,
তাহলে আমরা কেন শুধু নিজেদের
নিয়ে ভাববো?
অন্যের জন্যে বাঁচাই
হলো প্রকৃ্তির নিয়ম।

ওরা আমাদের মুখের খাবার চায়না।আমরা খেয়ে যা প্রতিনিয়ত নষ্টকরি তা দিলেই ওরা ভালো মতখেয়ে পরে বাঁচতে পারে।এটুকু কি করতে পারি ...
27/03/2014

ওরা আমাদের মুখের খাবার চায়
না।
আমরা খেয়ে যা প্রতিনিয়ত নষ্ট
করি তা দিলেই ওরা ভালো মত
খেয়ে পরে বাঁচতে পারে।
এটুকু কি করতে পারি না??

আপনি পাঁচতলা বিল্ডিংরউপর থেকে নিচের ছোট একটিইট বা পাথর চোখে দেখতেপাবেননা দেখতে হলে আপনাকেনিচে নেমে আসতেআসতে হবে..!আমি সম...
27/03/2014

আপনি পাঁচতলা বিল্ডিংর
উপর থেকে নিচের ছোট একটি
ইট বা পাথর চোখে দেখতে
পাবেন
না দেখতে হলে আপনাকে
নিচে নেমে আসতে
আসতে হবে..!
আমি সমাজের বিত্তবানদের
অনুরোধ করবো দয়া করে
গরিবদের দূর থেকে না দেখে
কাছে এসে দেখুন সাহায্য করুন...
ওরা খুব অসহায়...!!

Address

Road #1, Block #A, House #53, Nikaton
Ramna
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cinebuddy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Cinebuddy:

Share