Sajek24

Sajek24 সবাইকে স্বাগতম আমাদের পেইজে �সর্বদা ?

07/10/2022
সাজেকে এক ত্রিপুরা ‍কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা জরিমানায় মীমাংসার অভিযোগ--Paharnewsসাজেক প্রতিনিধি।।রাঙামাটি জেলার সাজেক ইউনিয়...
13/05/2022

সাজেকে এক ত্রিপুরা ‍কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা জরিমানায় মীমাংসার অভিযোগ--Paharnews

সাজেক প্রতিনিধি।।রাঙামাটি জেলার সাজেক ইউনিয়নের পর্যটন এলাকা কংলাক পাড়ায় সেটলার বাঙালি (দোকানদার) কর্তৃক ১৭ বছর বয়সী এক ত্রিপুরা কিশোরীকে ধর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি সামাজিক বিচারে অভিযুক্ত ও ভিকটিমকে জরিমানা করে মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (১০ মে ২০২২) ভোররাতে উক্ত ঘটনাটি ঘটে বলে জানা যায়।

অভিযুক্ত সেটলার বাঙালির নাম মো. রায়হান (২৭), পিতা- মো. হাসান, গ্রাম- বোয়ালখালি, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি। সে দীঘিনালা থেকে পর্যটন এলাকায় গিয়ে মালামাল বিক্রি করে থাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. রায়হান দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীর সাথে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করে আসছিল। ঘটনার দিন (১০ মে) ভোররাত ৩টার সময় ওই কিশোরী প্রাকৃতিক কাজে টয়লেটে গেলে মো. রায়হান সেখানে উপস্থিত হয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি বুঝতে পেরে স্থানীয় গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে মো. রায়হানকে ধরে ফেলে।

এরপর ঐদিন দুপুরের সময় স্থানীয় মৌজার হেডম্যান লাল তং পাংখোয়া সামাজিকভাবে উক্ত ঘটনার বিচার করেন। বিচারে উভয়ের স্বীকারোক্তিমূলে অভিযুক্ত সেটলার মো. রায়হানকে ১৫ হাজার টাকা ও ভিকটিম কিশোরীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে ঘটনাটি মীমাংসা করে দেয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে উক্ত ঘটনাটি এতদিন প্রকাশ না করে গোপন রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরস্পরের মধ্যে জানাজানি হওয়ার ফলে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে খোঁজ নিয়ে ঘটনাটির সত্যতা পাওয়া যায়।

এদিকে, ঘটনায় অভিযুক্ত মো. রায়হান এখনো পর্যটন এলাকায় দোকানদারি করে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা অভিযুক্ত মো. রায়হানকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিনন্দন!! অভিনন্দন!! অভিনন্দন!!AD Scientific Index-2022 - এ প্রকাশিত বিশ্ব সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ...
26/04/2022

অভিনন্দন!! অভিনন্দন!! অভিনন্দন!!

AD Scientific Index-2022 - এ প্রকাশিত বিশ্ব সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম ব্যাচের ফরেস্ট্রি এণ্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স(Forestry & Environmental Science) বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ড.নিখিল চাকমা। তিনি বর্তমানে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন।
সমগ্র আদিবাসীর পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=380508426666804&id=101273234590326
25/04/2022

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=380508426666804&id=101273234590326

উপজাতি বলার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন নিজেকে ছোট মনের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন নাতো???

আদিবাসী কে?

আদিবাসী হতে হলে আদি বাসের রীতি জানতে হবে। মানতেও হবে। এই রীতিটা কি? রীতিটা সহজ বনের সঙ্গে, নদীর সঙ্গে, পাহাড়ের সঙ্গে থাকবার অভ্যাস। পাহাড় আপনার আহার জোগাবে, বসবাসের জায়গা দেবে, কিন্তু আপনি পাহাড় কেটে সমতল ভূমি বানাবেন না। বনকে আপনার মনমতো বাগান বানাতে যাবেন না, যেমন করা হচ্ছে, মধুপুরের শালবনে অ্যাকাশিয়া রোপন করে। নদীর মৃত্যু হয়, নদী মরে যায়, গতিপথ বদলায়, জনপদ নিশ্চিহ্ন করে দেয়— এই সবই প্রকৃতির নিয়মে হতে পারে। তাই বলে আপনি-আমি তো নদীর মৃত্যুর কারণ হতে পারি না। নদী কাঁদে, নদীর কান্না শোনার মতো সংবেদনশীলতা থাকতে হবে।

আদিবাসী কে? সে প্রশ্নের উত্তরে কথা বলতে গিয়ে আমাদের এক বন্ধু এই রকমই কিছু কথা বলছিলেন। আদি বাসের রীতি নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যাটা সুন্দর। তার মনপছন্দ এই ব্যাখ্যা নৃতত্ত্ব ও ইতিহাস নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা হয়তো মানবেন, হয়তো মানবেন না। আমার কাছে বেশ কিছুদিন ধরে যাঁরা আদিবাসী বলতে আমি কি বুঝি জানতে চেয়েছেন, তাঁদেরও হয়তো আদি বাসের এই রীতিনীতির ব্যাখ্যা দিয়ে খুশি করা যাবে না।

দু’দিন আগে আমার শিক্ষকতুল্য এক সহকর্মী ‘উপজাতি অঞ্চলে’ যেতে চাইলেন? আমি তাঁর কাছে জানতে চাইলাম, ‘উপজাতি মানে কি স্যার উপনদীর মতো কিছু? কোন্ জাতির উপজাতি কে?’ তিনি আমাকে বললেন, ‘আমি অত সংজ্ঞা জানি না।’ আমি ওই শিক্ষককে অনুরোধ করেছি, ‘স্যার, আমরা ভুল শিখেছি বলে আমার ধারণা। কিন্তু, আপনি তো শিক্ষক। আপনি একবার ভাবেন না। কোনো জাতি কি অন্য কোনো জাতির উপ হয়?’ বাংলাদেশের আদিবাসীরা ‘উপজাতি’ শব্দটি পছন্দ করছিলেন না, এখন আমরা ওই শব্দ বিতাড়নের নামে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ জাতীয় যে সব শব্দ ব্যবহার করছি, তা আদিবাসীদের জন্য আরো বেশি বেদনাদায়ক হয়েছে।

আমরা যদি বসতি স্থাপনের ইতিহাস ধরে জানতে চাই বাংলার আদিবাসী কারা, তাহলেও এটা নিশ্চিত যে এই অঞ্চলের আদিবাসী বাঙালি নয়। জাতি হিসেবে বাঙালির ইতিহাস নেহায়েত কম দিনের নয়, তবে তারও আগে অনেক জাতি বর্তমানকালের বাংলায় বাস করত। বাঙালি একটি সংকর জাতি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বসবাসকারী আদিতম মানবগোষ্ঠীগুলোর একটি। অন্তত দেড় হাজার বছর আগে আর্য-অনার্য মিশ্রিত প্রাকৃত ভাষা থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে এবং ব্রাহ্মী লিপি থেকে সিদ্ধম লিপি হয়ে বাংলা লিপির সৃষ্টি। এর আগে-পরে অস্ট্রিক ও নিগ্রিটো জাতির মানুষসহ বহু জাতির রক্ত এসে মিশেছে বাঙালির সঙ্গে। তাই বাঙালিদের কেউ একটু বেশি লম্বা, কেউ মাঝারি, কেউ আবার বেঁটে। কারও গায়ের রং খুব ফরসা, কেউ শ্যামবর্ণ, কেউ বা কালো। কারও নাক খাড়া, কারও অতটা নয়। মাথার চুল কারও সোজা, কারও অল্প বা বেশি কোঁকড়ানো।

বাঙালির জাতিতাত্ত্বিক ইতিহাসের সঙ্গে আর্য-অনার্যের লড়াই জড়িয়ে আছে। আর্যদের আদিবাস ছিল উত্তর ইরানে, কাস্পিয়ান সাগরের তীরে। আর্যরা এসে দ্রাবিড়দের অধিকার করে নিল। দ্রাবিড় কারা? আর্য আগমনের অনেক আগে থেকে বাংলায় যে আদি মানুষের অস্তিত্ব ছিল তাদের দ্রাবিড় বলা হয়, নৃবিজ্ঞানের ভাষায় এরাই অস্ট্রিক বা অস্ট্রোলয়েড গোত্রের মানুষ, আরো সহজ করে বললে বলা যায় কোল, ভীল, মুন্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি জাতি। এই জাতিগুলো শুধু বাংলার নয়, গোটা ভারতবর্ষের আদি বাসিন্দা। বাংলাদেশে এখনো সাঁওতালরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যা রয়েছে। ভারতে আসার পর আর্যরা ঠিকই বাংলায় প্রবেশ করতে চেয়েছিল। উর্বর ভূমির সন্ধানে খ্রিস্টের জন্মের দুই হাজার বছর আগে উত্তর ভারতে আসে আর্যরা। ভারতবর্ষের সবচেয়ে উর্বর জমির অঞ্চল বাংলাকে আর্যরা দখল করতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেকালে বাংলায় বসবাসকারী কোল, ভীল, মুন্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি জাতির লড়াকু মানুষগুলো প্রতিরোধ তৈরি করেছে। ফলে অহংকারী আর্যরা বারবার পরাজিত হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

আর্য অহঙ্কার, আর্যদের জাতিগত উদ্ধত্যের কথা নৃতত্ত্ববিদ এ কে এম শাহনাওয়াজের ছোটদের জন্য একটি লেখায় খুব সুন্দরভাবে এসেছে, ‘নিজেদের লেখা বেদ গ্রন্থে তারা অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলেছে। অন্যের দেশ দখল করেছে—এ নিয়ে পরে যদি কথা ওঠে, তাই নিজেদের বাঁচানোর জন্য গল্প ফেঁদেছে। এমনিতে আর্যরা নিজেদের খুব উঁচু জাতের মনে করত। তারা দেখতে ছিল সুন্দর। আগুনের পূজা করত তারা। সে যুগে অগ্নি উপাসকদের সেরা জাতের মনে করা হতো। এই নাক উঁচু আর্যরা লিখেছে, ভারত অপবিত্র দেশ। এখানে বর্বর মানুষেরা বাস করে। আর্যরা অমন দেশে থাকতে পারে না। তবে তাদের একটি সুবিধা ছিল। বিদেঘ নামে একজন মুনি বা পুরোহিত ছিলেন। তাঁর এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল। বিদেঘের মুখ দিয়ে আগুন বের হতো। তিনি হেঁটে যেতেন আর মুখের আগুনে চারপাশ পুড়িয়ে খাঁটি করা হতো। আর সেই পবিত্র মাটিতে বসত করেছিল আর্যরা।

বাংলার আদি বাসিন্দাদের তুলনায় নবীন হলেও আমরা বাঙালিরা বোধ হয় আর্যদের জাত্যাভিমানে আক্রান্ত হচ্ছি। আর্যরা ভাবত এবং অন্যদের ভাবাতে চাইত, তাদের তৈরি ‘সোমরস’ হচ্ছে শ্রেষ্ঠ পানীয়, সাঁওতালদের ‘হান্ডি’ হচ্ছে পঁচা ভাত। আর্য অহঙ্কার, আর্যদের জাতিগত উদ্ধত্যের উত্তরাধিকারীর মতো কাজ হয়েছে আমাদের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। বাংলাদেশে সরকারিভাবে আদিবাসীদের ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বলার প্রচলন শুরু হয় ২০১০ সালে প্রণীত একটি আইন দিয়ে, যা পরের বছর সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। ক্ষুদ্র কি? ওদের সংখ্যা, না আমাদের মানসিকতা? অভিধানে ‘ক্ষুদ্র’ বলতে বোঝায় ছোট, নীচ, সামান্য, অল্প ইত্যাদি। ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বলাটা যে তুচ্ছার্থে হয়ে যাচ্ছে, সেটা আমরা বুঝতে পারি না।

এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংখ্যালঘু জাতি হলো চাকমা। অন্তত হালের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বিবেচনায় তো বটেই, পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসী হিসেবে বিবেচনা করলেও চাকমাসহ সেখানকার অন্য আদিবাসীরা পাহাড়ের আদি বাসিন্দা বলেই বিবেচিত হবে। অনেককাল আগে সেখানে কিছু বাঙালি, বিশেষ করে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বাঙালির বসবাস ছিল। পরে সামরিক শাসকদের আমলে পাহাড়ে বাঙালিদের নিয়ে রোপন করা হয়েছে, এই সেটেলাররাই পাহাড়ে কুতর্কের আগুন জ্বালিয়েছে, যাতে তাদের বাস প্রশ্নহীন হয়।

© লেখক: ফারহা তানজিম তিতিল, সহকারী অধ্যাপক, ইবি।

সূত্র : ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

আমার হ্দয় ক্ষরণ হয় যখন দেখি ন্যায় কখনও অসহায় দের পক্ষে নয়। ন্যায় কখনও অসহায় জুন্মদের পক্ষে নয়।আমি বারবার বলি আমার জাতি এ...
24/04/2022

আমার হ্দয় ক্ষরণ হয় যখন দেখি ন্যায় কখনও অসহায় দের পক্ষে নয়। ন্যায় কখনও অসহায় জুন্মদের পক্ষে নয়।
আমি বারবার বলি আমার জাতি এখন অভিভাবক শূন্য, কোন কিছু হলে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এগিয়ে আসেন না, এগিয়ে আসেননা মধ্যবিত্ত বুদ্ধীজীবি শ্রেনিরা, একশ্রেণীর বোবা ছাত্র মহলও এগিয়ে আসেননা।
এভাবেই আমার জাতি এগিয়ে যাচ্ছে!
প্রতিদিন শান্তি খোঁজা ছাত্র সমাজ অপেক্ষায় রত কবে চারটি দল এক হবে! তারপর জাতির জন্য কাজ করবে! এভাবেই ছাত্র সমাজ গড়ে উঠছে?
এভাবেই নাকি সমাজ জাতি এগিয়ে যাচ্ছে,,,

তোমরা জানো কি আমরা দিন দিন সরকারের দাসত্বে পরিনিত হচ্ছি! পৃথিবীর কোথাও আমাদের শক্ত অবস্থান নেই। কারণ হিসেবে ধরলে বলা যায় আমাদের বিভাজন ও এলিটদের সিদ্ধান্ত। কাপ্তাই বাধেঁর কোন প্রয়োজন ছিল না তারপরও ত্রিদিব রায় তার রাজনৈতিক কেরিয়ারের জন্য বাধঁ দিয়েছেন।
লক্ষ মানুষের স্বপ্ন ঘর - পুকুর -শস্য ধংব্বস করেছেন, কেউ রাস্তায় রাস্তায় মরে পচে গেছেন । তারপরও তারা এত দিন হিরো!
আমার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর বিভাজনের প্রয়োজন ছিল না তারপরও বিভক্ত হয়েছেন।
এভাবেই আমার জাতি এগিয়ে যাচ্ছে, অসহায়রা কখনও বিচার পাচ্ছে না,নারীবাদী নামদারী এনজিও কর্মীরাও চুপ করে দেখছে।
লন্ডন ইউনিভার্সটি থেকে নৃবিজ্ঞানে পিএইচডি করা শ্যামল বিকাশ চাকমা দা বলেন "আমাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতি,ঐতিহ্য রক্ষার্ত্তে ভাল (চর্চা)মানুষের সংখ্যা বাড়াতে হবে"
রাজনৈতিক দলগুলোর মুক্তি চিন্তার মানুষদের জন্য আরো জায়গা করে দিতে হবে। যারা পাহাড়িদের জন্য কাজ করে তাদের জন্য আরো পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে হবে।
না হলে আমার চিরকালের জন্য জাতি দাসত্বে পরিনিত হবে।
✅👇👇
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=4069901883135029&id=100003457731396

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এডিসি হলেন রামু'র ইউএনও প্রণয় চাকমারামু’র উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রণয় চাকমা (১৭২৩৮)-কে ব্রাহ্মণ...
22/04/2022

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এডিসি হলেন রামু'র ইউএনও প্রণয় চাকমা

রামু’র উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রণয় চাকমা (১৭২৩৮)-কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন এর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২৩০ নম্বর স্মারকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব কে.এম আল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে প্রণয় চাকমা সহ বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একই পদমর্যাদার তিন জন কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসাবে পদায়ন করা হয়।
রামু’র বর্তমান ইউএনও প্রণয় চাকমা ২০১৯ সালের ১৯ মে রামু’র ইউএনও হিসাবে যোগদান করেছিলেন। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ৩০ তম ব্যাচের একজন সদস্য। প্রজ্ঞাপনে পদায়নকৃত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকদের একইসাথে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এর ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে।
পোস্ট সংগৃহীত

অভিনন্দন বাঘাইছড়ি গ্রামের কৃতি শিক্ষার্থী পূর্বা চাকমা (তুলি)  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ভর্তি...
04/03/2022

অভিনন্দন
বাঘাইছড়ি গ্রামের কৃতি শিক্ষার্থী পূর্বা চাকমা (তুলি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে ভর্তির জন্যে মনোনীত হয়েছে।

04/03/2022

Address

Ruilui Para,Sajek,4570
Rangamati
RUILUI PARA,SAJEK,BAGHAICHHARI UPAZILA,RANGAMATI

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajek24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share