JUMMO TV

JUMMO TV Chittagong Hill Tracts online jummo Aboriginal TV channel. Jummo TV is a media and news channel all Jummo people

পানছড়ি মরাটিলা এলাকায় ১৩ পরিবারে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, অন্য দিকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে ক্ষোভ...
07/09/2026

পানছড়ি মরাটিলা এলাকায় ১৩ পরিবারে সেনাবাহিনীর তল্লাশি, অন্য দিকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে ক্ষোভ।

​পানছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নে ইউপিডিএফ সদস্যদের খোঁজে সেনা বাহিনীর ব্যাপক তল্লাশি চালানোর খবর পাওয়া গেছে। সকাল ভোর সাড়ে ৪ টা থেকে সেনাসদস্যদের ৭টি গাড়ির একটি বহর মরাটিলা দোকান, পদ্মনি পাড়া ও চিংসা পাড়া এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালায়।

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেনাবাহিনী বাহিনীর সদস্যরা ওই তিন গ্রামে অবস্থান নিয়ে স্থানীয়দের কাছে ইউপিডিএফ -এর সদস্যরা কোথায় থাকেন বা অবস্থান করছেন কি না তা জানতে চান। জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন সেনাসদস্যরা অন্তত ১৩টি পাহাড়ি পরিবারে বিস্তারিত তল্লাশি চালান।

​তল্লাশি চালানো বাড়ি ও বাসিন্দাদের পরিচয়:
​পদ্মনি পাড়া: ১. কর্নমিনি ত্রিপুরা (৩৫), পিতা মৃত কিরন মনি ত্রিপুরা; ২. সুরেন্দ্র ত্রিপুরা (২৮), পিতা মৃত সুইচা মনি ত্রিপুরা; ৩. রইবালা ত্রিপুরা (৫৫, বিধবা), স্বামী মৃত ধিব্বাজয় ত্রিপুরা; ৪. চাকরাংমনি ত্রিপুরা (২৮), পিতা রুব্বান ত্রিপুরা; ৫. বালাতি ত্রিপুরা (৪৭, বিধবা), স্বামী মৃত দেব রঞ্জন ত্রিপুরা।

​মরাটিলা (কারবারি বাদশা কুমার ত্রিপুরা এলাকা): ১. ধনঞ্জয় ত্রিপুরা (৩৭), পিতা মৃত উরি কুমার ত্রিপুরা; ২. মলেন কুমার ত্রিপুরা (২৮), পিতা তৃণ কুমার ত্রিপুরা; ৩. অলিন ত্রিপুরা (২৭), পিতা সংঘাত ত্রিপুরা; ৪. মহন ত্রিপুরা (২৬), পিতা রাজেন্দ্র ত্রিপুরা।

​চিংসা পাড়া (কারবারি রবীন্দ্র ত্রিপুরা এলাকা): ১. তপিন্দ্র ত্রিপুরা (৬২), পিতা মৃত পূর্ণ কুমার ত্রিপুরা; ২. নিখিল ত্রিপুরা (৩০), পিতা অলিন্দ্র ত্রিপুরা; ৩. অমৃত ত্রিপুরা (৫৫), পিতা মৃত তরুণ কুমার ত্রিপুরা; ৪. বিপিন জ্যোতি ত্রিপুরা (৪৮), পিতা মৃত ফেলা কুমার ত্রিপুরা।
​হঠাৎ করে বাড়ি বাড়ি এই তল্লাশির ঘটনায় আক্রান্ত পাড়াগুলোর সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে, উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা পাড়াগুলোতে সেনাবাহিনীর বাহিনীর এই বাড়ি বাড়ি কঠোর তল্লাশি অভিযানের বিপরীতে পানছড়ির লোগাং ইউনিয়নের দুদুকছড়া, রুপসেনপাড়া, কুরুল্ল্যছড়ি এলাকার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুদুকছড়ায় জেএসএস সন্তু প্রকাশ্য সশস্ত্র মহড়া ও সমাবেশ করে চলেছে। তা সত্ত্বেও সেখানে সেনাবাহিনী বাহিনীর পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো অভিযান চালানো হচ্ছে না বা তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করা হচ্ছে।

​একপক্ষে সেনাবাহিনীর সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো এবং অন্যপক্ষের প্রকাশ্যে জেএসএস সন্তু সশস্ত্র কার্যক্রমের প্রতি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

05/09/2026

পানছড়িতে প্রতিরোধ কমান্ডারের কৌশলগত অভিযান: বাঙ্কার ও সরঞ্জাম ফেলে পালাল জাত বিরোধী জেএসএস (সন্তু) গ্রুপ সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা

​বিশেষ প্রতিনিধি, পানছড়ি: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নভুক্ত চাম্মে আদাম এলাকায় জুম্ম জনতার ‘প্রতিরোধ কমান্ডার’-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে আস্তানা ও বাঙ্কার ফেলে পালিয়ে গেছে জেএসএস (সন্তু) পক্ষের সশস্ত্র সদস্যরা। অভিযানে প্রতিপক্ষের ব্যবহৃত জেএসএসের সামরিক আস্তানা ধ্বংসের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সামরিক পোশাক ও রসদপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

​প্রাপ্ত সামরিক সংবাদ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব-পরিকল্পিত তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় চাম্মে আদামের চিহ্নিত আস্তানা লক্ষ্য করে বিশেষ অভিযান শুরু করে প্রতিরোধ কমান্ডারের অধীনস্থ দল।

প্রতিরোধ যোদ্ধারা অত্যন্ত নিখুঁত কৌশলে সশস্ত্র দলটির পুরো গুদাম ও সম্ভাব্য রুট চতুর্দিক থেকে কর্ডন (ঘেরাও) করে ফেলে। প্রতিরোধ বাহিনীর আকস্মিক ও সুসংগঠিত আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে জেএসএস সশস্ত্র সদস্যরা নিজেদের আস্তানা ও রণপ্রস্তুতি ফেলেই গহীন জঙ্গলে আত্মগোপন করতে বাধ্য হয়।

​পরবর্তী ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ’ অভিযানে সশস্ত্র দলটির ব্যবহৃত স্থায়ী বাঙ্কার, সাবেক ‘শান্তিবাহিনী’র পোশাক, রেশকিন, মাদু পোশাক এবং বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রীসহ বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার পর প্রতিরোধ যোদ্ধারা উক্ত গোপন আস্তানা ও বাঙ্কার পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।

​অভিযান শেষে চাম্মে আদাম ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় পাহাড়ি বাসিন্দারা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই সফল পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এলাকাটি বর্তমানে সম্পূর্ণ প্রতিরোধ কমান্ডারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

#পানছড়ি #চেঙ্গীইউপি #চাম্মেআদাম #খাগড়াছড়ি
#জেএসএস #সন্তুলর্মা #সশস্ত্রসংঘাত #বাঙ্কার #অভিযান #প্রতিরোধ #পার্বত্যচট্টগ্রাম #জুম্মজনতা
#নিরাপত্তা #স্থানীয়বাসিন্দা #সংবাদ #খাগড়াছড়িসংবাদ

পানছড়িতে গণপ্রতিরোধে জেএসএস-এর ৪ সশস্ত্র সদস্য নিহত: বঙ্কার ধ্বংস, নোম্যানস ল্যান্ডে দাহক্রিয়া ও ভারতে জেএসএস শীর্ষ কমান...
05/09/2026

পানছড়িতে গণপ্রতিরোধে জেএসএস-এর ৪ সশস্ত্র সদস্য নিহত: বঙ্কার ধ্বংস, নোম্যানস ল্যান্ডে দাহক্রিয়া ও ভারতে জেএসএস শীর্ষ কমান্ডার সমাজ প্রিয় চাকমা পলায়ন।

পানছড়ি প্রতিনিধিঃ।৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। শনিবার।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে পার্বত্য জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) সশস্ত্র ক্যাডারদের আক্রমণ ভেস্তে দিয়ে তীব্র কাউন্টার-অফেনসিভ চালিয়েছে স্থানীয় জুম্ম জনতা ও গণপ্রতিরোধ যোদ্ধারা। গত তিন দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও তীব্র মুখোমুখি লড়াইয়ে জেএসএস-এর চারজন সশস্ত্র সদস্য নিহত এবং চারজন গুরুতর আহত হয়েছে। ভারী ক্যাজুয়াল্টি ও কৌশলগত বিপর্যয়ের মুখে দলটির একটি শক্ত ঘাঁটি চাম্মে আদাম (বঙ্কার) ধ্বংস হয়েছে এবং জেএসএস শীর্ষ কমান্ডার সমাজ প্রিয় চাকমাসহ বেশ কয়েকজন সশস্ত্র সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আত্মগোপন করেছে বলে জানা গেছে।

​জগ পাড়ায় আকস্মিক হামলা ও নো ম্যানস ল্যান্ডে দাহক্রিয়া সামরিক ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, পানছড়ি উপজেলার জগ পাড়া এলাকায় প্রতিপক্ষ ইউপিডিএফ-এর পজিশনে আকস্মিক কৌশলগত হামলা চালাতে আসে জেএসএস (সন্তু)-এর একটি সশস্ত্র দল। কিন্তু আগাম বার্তা পেয়ে স্থানীয় জুম্ম জনতা ও প্রতিরোধ যোদ্ধারা দ্রুত একত্রিত হয়ে পাল্টা হামলা চালায়। প্রবল প্রতিরোধে ঘটনাস্থলেই জেএসএস-এর ৩ সশস্ত্র ক্যাডার নিহত এবং ৪ জন গুরুতর আহত হয়।

​নিহতদের মরদেহ প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুধুকছড়া হারু বিল এলাকায় সৎকার করার কথা থাকলেও, নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং সামরিক গোপনীয়তা বজায় রাখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড (কজইছড়ি-বোয়ালখালি সীমান্ত) এলাকায় নিয়ে গিয়ে দাহক্রিয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

​রাজ কুমার পাড়ায় দ্বিতীয় দিনের সংঘাত
প্রথম দিনের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই পরদিন সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের রাজ মোহন পাড়ায় (রাজ মোহন পাড়া সংলগ্ন) পুনর্গঠিত হওয়ার চেষ্টা চালায় জেএসএস। সেখানেও স্থানীয় গণপ্রতিরোধের মুখে পড়ে তারা। তীব্র আক্রমণে তাদের আরও এক সদস্য মারাত্মক আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে রূপসেন পাড়ায় নিয়ে যাওয়া হলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের (Exsanguination) কারণে তার মৃত্যু হয়।

​কৌশলগত বাঙ্কার ধ্বংস ও কমান্ড কাঠামোতে ধস
অপারেশন চলাকালে চাম্মে আদাম এলাকায় জেএসএস (সন্তু)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষিত সশস্ত্র বাঙ্কার ধ্বংস করে দিয়েছে গণপ্রতিরোধ যোদ্ধারা। এর ফলে ওই অঞ্চলে জেএসএস-এর মূল প্রতিরক্ষা ব্যূহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে।

​বাঙ্কার পতন ও ধারাবাহিক ক্ষয়ক্ষতির ফলে জেএসএস-এর ফিল্ড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল পুরোপুরি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। জানা গেছে, জেএসএস-এর শীর্ষ ফিল্ড কমান্ডার সমাজ প্রিয় চাকমা ওরফে 'প্রিয়' রণক্ষেত্র ছেড়ে পলায়ন করেছে। অন্যদিকে, তারাবন এলাকায় জেএসএস কমান্ডার জয়দেব চাকমাসহ তার বাহিনীকে চারদিক থেকে কৌশলগতভাবে ঘেরাও করে রেখেছে প্রতিরোধ যোদ্ধারা। রসদ ও খাদ্য সরবরাহ (লজিস্টিকস) বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় অবরুদ্ধ সদস্যরা চরম ক্লান্তি ও খাদ্যাভাবে ভুগছে এবং অনেকেই সুযোগ বুঝে অস্ত্র ফেলে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নের চেষ্টা করছে।

অভিযানকালে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে জেএসএস-এর একটি দল একটি গুদাম ঘরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে কোনোক্রমে জীবন বাঁচিয়ে উদ্ধার হতে পারলেও ক্যাডারদের অনেকেই মারাত্মক আহত হয়।
​পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে এবং চরম পরাজয়ের মুখে দুদুকছড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সহায়তায় জেএসএস-এর একাধিক সশস্ত্র সদস্য ভারতে প্রবেশ করেছে। বর্তমানে তারা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গণ্ডাছড়া লক্ষ্মীন্দর পাড়ার (গাড়িটানা) জমাতিয়া গ্রামে আত্মগোপন করে আছে।

​ভারতে আশ্রয় নেওয়া চিহ্নিত ক্যাডারদের মধ্যে রয়েছে ছক্কা পেদা চাকমা, নাক্কো চাকমা, আবু চাকমা, জিপিন চাকমা, কালী চাকমা, বিজয় জয় চাকমা, কৃষ্ণ চাকমা, সোহেল মণি চাকমা, মোরদ চোহবু চাকমা, বকির চাকমা ও বালি চাকমা।

​বর্তমানে পানছড়ির কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এবং শেষ পর্যন্ত জেএসএস সন্তুপন্থীদের পরাজয় নিশ্চিত বলে সাধারণ জনগণ বলাবলি করছে।

সেনা-গোয়ালে বন্দী জেএসএস নেতৃত্ব: জুম্ম ঐক্যের বিকল্প কোথায়? গরুর কাছে কম্বল আর সন্তু লারমার কাছে ঐক্য চাওয়া একই কথা!শ্র...
05/09/2026

সেনা-গোয়ালে বন্দী জেএসএস নেতৃত্ব: জুম্ম ঐক্যের বিকল্প কোথায়? গরুর কাছে কম্বল আর সন্তু লারমার কাছে ঐক্য চাওয়া একই কথা!

শ্রদ্ধেয় বনভান্তে একটি দেশনায় বলেছিলেন, ”গোয়াল ঘরে গিয়ে গরুর কাছে কম্বল-কাপড়চোপড় চাইলে কি পাওয়া যাবে?” ধারণকৃত অডিওতে তার এই দেশনা শুনেছিলাম বেশ কয়েক বছর আগে। যতদূর মনে পড়ে খালেদা জিয়ার আমলে শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি তোলা হলে তিনি এই কথাগুলো বলেছিলেন।

আসলে তাঁর কথা খুবই সঠিক। কোন কিছু পেতে হলে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় সেটা চাইতে হয়। গরুর কাছে যেমন কম্বল চাইলে পাওয়া যায় না, ঠিক তদ্রুপ সন্তু লারমার কাছেও ঐক্য, আন্দোলন চাইলে পাওয়া যাবে না। গত ২৯ বছর ধরে “ঐক্য-সমঝোতা” জন্য তার কাছে কাতর হয়ে আবেদন-নিবেদন, অনুনয়-বিনয় কম করা হয়নি – কিন্তু তারপরও পাওয়া যায়নি।

কেন পাওয়া যায়নি? এই প্রশ্ন কি কেউ করেছেন?

আসল কথা হলো, তিনি কিভাবে ঐক্য করবেন, আন্দোলন করবেন? তিনি তো সেনাবাহিনীর গোয়ালে আটকে আছেন। তাদের হাতের মুঠোই আছেন। কাজেই সেনাবাহিনীর অনুমতি ছাড়া তার পক্ষে কীভাবে ঐক্য, সমঝোতা ও আন্দোলন করা সম্ভব? আর সেনাবাহিনীর কাছে কি জুম্ম ঐক্য পছন্দনীয় কোন বিষয়? তারা তো জুম্মদের ভাগ করে দেওয়ার জন্য, তাদের মধ্যে বিভেদ জিইয়ে রাখার জন্য দিনরাত কাজ করছে।

যে জাতির জনগণ বিশেষত ছাত্র ও যুব সমাজ জাতীয় জীবনে এমন দুরাবস্থার সময়ে তার করণীয় ঠিক করতে পারে না, তখন আন্দোলন হাবুডুবু খায়। আমরা দেখেছি বিপ্লব সফল হওয়ার আগে চীনেও জাতীয়তাবাদী (কুওমিনতাং) ও কমিউনিস্টদের মধ্যে গৃহযদ্ধ চলেছিল। গৃহযুদ্ধ চলার সময় ১৯৩৭ সালে জাপান চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণ করলে কমিউনিস্ট পার্টি গৃহযুদ্ধ বন্ধ করে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক দেয়। এই আহ্বান জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে। কিন্তু চিয়াংকাইশেক (কুওমিনতাং দলের নেতা ও সরকার প্রধান) জাপানকে প্রতিরোধ না করে কমিউনিস্ট নিধন নীতি অব্যাহত রাখেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে ছাত্র-জনতা চিয়াংকাইশেকের মন্ত্রীদের ওপর চড়াও হয়, তাদের লাঞ্ছিত করে, তাদের অফিস ভাঙচুর করে। জনগণের চাপে চিয়াংকাইশেকের কয়েকজন জেনারেল তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন ও তাকে বন্দী করেন। ফলে চিয়াংকাইশেক কমিউনিস্ট পার্টির সাথে ঐক্য করতে বাধ্য হয়।

আমরা কেন চীনের জনগণের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারি না?






পানছড়িতে জেএসএসের বলির পাঁঠা বানানোর ছক আর তরু-সমাজপ্রিয়দের বাজেট হাতানোর ফন্দি: এখন ‘সেয়ানে সেয়ানে’ খেলা। "গত জাতীয় সং...
05/09/2026

পানছড়িতে জেএসএসের বলির পাঁঠা বানানোর ছক আর তরু-সমাজপ্রিয়দের বাজেট হাতানোর ফন্দি: এখন ‘সেয়ানে সেয়ানে’ খেলা।

"গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে সেনা ও ডিজিএফআই সিদ্ধান্ত নেয় যে, পতিত ফ্যাসিস্ট আমলে তাদেরই তৈরি করা তথাকথিত ‘মুখোশ বাহিনী’ থেকে বাছাই করে তরু, মিটনদের ক্রসফায়ারে দেওয়া হবে। কারণ এদের ব্যবহার করে যা আদায় করার, তা ডিজিএফআই ততদিনে পুরোপুরি হাসিল করে ফেলেছিল। এই গোপন ছকের খবর পেয়েই তরু-মিটন গং নিজেদের বাঁচাতে অনুসারী এবং সেনাবাহিনীর দেওয়া অস্ত্রশস্ত্রসহ রাতারাতি জেএসএস (সন্তু) দলে যোগ দেয়।

কিন্তু জেএসএসে যোগ দিয়ে তরু-মিটন যা ভেবেছিল, বাস্তবতা তেমন হয়নি। মুখোশ বাহিনীতে থাকতে তারা যেভাবে সর্বেসর্বা ছিল, যা খুশি তা-ই করত আর চাঁদাবাজির ফান্ড নিজেদের খেয়ালখুশিমতো ওড়াত, জেএসএসে এসে সেই সুবিধা আর পায়নি। কারণ জেএসএস তাদের শুরু থেকেই এক কানাকড়িও বিশ্বাস করেনি।

ভাগবাঁটোয়ারায় বনিবনা না হওয়ায় প্রায় মাসখানেক আগে তরু-মিটনরা নতুন দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। ততদিনে ডিজিএফআই-ও তাদের আবার কাছে টানতে শুরু করেছে এবং পুরনো দূরত্ব অনেকটাই কমে এসেছে। এই ভেতরের খবর জেএসএস নেতৃত্বের কানে পৌঁছে যেতেই তারা পাল্টা চাল চালে। তরু, সমাজপ্রিয়, প্রতুত্তর ও সঞ্জয়দের হাতে তুলে দেওয়া হয় পানছড়ির উত্তরাঞ্চলে ইউপিডিএফের ওপর হামলার তথাকথিত ‘প্রজেক্ট’।

জেএসএস যে এদের কতটা অবিশ্বাস করে, তার প্রমাণ মেলে সম্প্রতি রাঙামাটি শহরে এক নিমন্ত্রণে গিয়ে খোদ উষাতন তালুকদারের করা মন্তব্যে। তিনি স্পষ্টই বলে ফেলেন যে, সমাজপ্রিয় ও তরুদের পানছড়িতে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে নামাতে হবে। এরা কোনোকালেই আমাদের আপন ছিল না, তাই এরা মরলেও পার্টির লাভ, বাঁচলেও লাভ। সোজা কথায়, ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’।

চালাকিটা তরু-সমাজপ্রিয়রাও ভালো বোঝে। তাই ভারতের নিরাপদ ও নিশ্চিত জীবন ছেড়ে পানছড়িতে ইউপিডিএফের ওপর আক্রমণ চালাতে এলেও, তারা কোনোভাবেই নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে না। তাদের প্ল্যান খুব পরিষ্কার। দূর থেকে ফাঁকা ফায়ার করে গুলির হিসাব মেলাবে, জেএসএসের মূল কর্মীদের কৌশলে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দেবে, কিন্তু নিজেরা নিরাপদে থাকবে। অর্থাৎ ময়দানে এখন খেলা চলছে পুরোপুরি ‘সেয়ানে সেয়ানে’।

জেএসএস চাইছে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো করে সমাজপ্রিয়-তরুদের খাঁড়ায় ফেলে ইউপিডিএফ নিকেশ করতে। অন্যদিকে তরু-সমাজপ্রিয়দের ফন্দি হলো লোকদেখানো সংঘাত দেখিয়ে জেএসএসের ‘যুদ্ধের বাজেট’ পুরোটা পকেটে ঢোকানো।

এদিকে খবর চাউর হয়েছে যে, তরু-সমাজপ্রিয়দের এই চালাকি জেএসএস হাইকমান্ডও টের পেয়ে গেছে। ফলে বাচ্চু, দিপেন ও পাভেলকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এদের চোখে চোখে রাখতে। একটু এদিক-ওদিক বা বেশকম দেখলেই হাইকমান্ডের অনুমতির তোয়াক্কা না করে সরাসরি স্পটেই ব্যবস্থা নেওয়ার সবুজ সংকেত দেওয়া আছে।

দলীয় সংঘাত নয়, জাতীয় স্বার্থই প্রথম: চিনের গৃহযুদ্ধ ও প্রতিরোধ ঐক্যের শিক্ষা  বিপ্লব সফল হওয়ার আগে চীনেও জাতীয়তাবাদী ...
04/09/2026

দলীয় সংঘাত নয়, জাতীয় স্বার্থই প্রথম: চিনের গৃহযুদ্ধ ও প্রতিরোধ ঐক্যের শিক্ষা

বিপ্লব সফল হওয়ার আগে চীনেও জাতীয়তাবাদী (কুওমিনতাং) ও কমিউনিস্টদের মধ্যে গৃহযদ্ধ চলেছিল। গৃহযুদ্ধ চলার সময় ১৯৩৭ সালে জাপান চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণ করলে কমিউনিস্ট পার্টি গৃহযুদ্ধ বন্ধ করে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক দেয়। এই আহ্বান জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে। কিন্তু চিয়াংকাইশেক (কুওমিনতাং দলের নেতা ও সরকার প্রধান) জাপানকে প্রতিরোধ না করে কমিউনিস্ট নিধন নীতি অব্যাহত রাখেন।

এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে ছাত্র-জনতা চিয়াংকাইশেকের মন্ত্রীদের ওপর চড়াও হয়, তাদের লাঞ্ছিত করে, তাদের অফিস ভাঙচুর করে। জনগণের চাপে চিয়াংকাইশেকের কয়েকজন জেনারেল তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন ও তাকে বন্দী করেন। ফলে চিয়াংকাইশেক কমিউনিস্ট পার্টির সাথে ঐক্য করতে বাধ্য হয়।

আমরা কেন চীনের জনগণের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারি না?








কাচালং নদীতে দাদার পিঠ থেকে ছিটকে তীব্র স্রোতে তলিয়ে গেল নাতি, শিশু কালায়ন চাকমার নিথর দেহ উদ্ধার। বাঘাইছড়ি (রাঙামাটি) প...
03/09/2026

কাচালং নদীতে দাদার পিঠ থেকে ছিটকে তীব্র স্রোতে তলিয়ে গেল নাতি, শিশু কালায়ন চাকমার নিথর দেহ উদ্ধার।

বাঘাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় কাচালং নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানির তীব্র স্রোতে ভেসে কালায়ে চাকমা (৮) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
​বিকেলে উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু কালায়ে চাকমা ওই গ্রামের লক্ষ্মণ চাকমার ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে দাদার সাথে কাচালং নদীতে মাছ ধরতে যায় কালায়ে চাকমা। নদী পার হওয়ার সময় সে তার দাদার পিঠে চড়েছিল। এ সময় হঠাৎ নদীর তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে তারা দুজনই বিপাকে পড়েন এবং একপর্যায়ে স্রোতের ধাক্কায় শিশুটি দাদার পিঠ থেকে ছিটকে পানিতে তলিয়ে যায়।
​ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। দীর্ঘক্ষণ নদী ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গলতলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মিসেস শেফালী চাকমা জানান, শিশুটির এমন আকস্মিক ও হৃদয়বিদারক মৃত্যুতে পুরো এলাকা জুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢোকার চেষ্টা: লংগদুতে নারীসহ ৯ রোহিঙ্গা আটক। লংগদু (রাঙামাটি) II বৃহস্পতিবার II ...
03/09/2026

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢোকার চেষ্টা: লংগদুতে নারীসহ ৯ রোহিঙ্গা আটক।

লংগদু (রাঙামাটি) II বৃহস্পতিবার II ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ বাজারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে নারীসহ নয় রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন লংগদু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) স্বরজিৎ দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আটকরা হলো- মো. সাব্বির, নুমাইর, শাওন, আব্দুল হাফেজ, নুরুল আমিন, মো. হোসেন, তৈয়ব, সাবিকুন, তহুরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার থেকে স্পিডবোটে ১২ জনের একটি দল লংগদুর উদ্দেশে রওনা হয়ে মাইনীমুখ বাজারে এসে অবস্থান নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান। এ সময় নয়জনকে আটক করা হয়। তবে তিনজন ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে সক্ষম হন বলে জানা গেছে।

আটকরা নিজেদের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বের হয়ে আসার কথা স্বীকার করেছেন এবং নিজেদের রোহিঙ্গা হিসেবে দাবি করেছেন। আটক ব্যক্তিরা কী উদ্দেশ্যে লংগদুতে এসেছিলেন এবং তাদের সঙ্গে থাকা অন্য তিনজনের পরিচয় কী, এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

লংগদু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) স্বরজিৎ দে জানান, আটকদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

゚ #সংবাদ #লংগদু #রাঙামাটি

পানছড়িতে জেএসএস সন্তুপন্থীদের কর্তৃক পঙ্কজয় চাকমা নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণের অভিযোগ   খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়ন...
02/09/2026

পানছড়িতে জেএসএস সন্তুপন্থীদের কর্তৃক পঙ্কজয় চাকমা নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণের অভিযোগ

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের হলধর পাড়া থেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এক ব্যক্তিকে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে এ অপহরণ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।

অপহৃত ব্যক্তির নাম পঙ্কজয় চাকমা (সুভাগ্য), বয়স: ৪৩, পিতা: মৃত শান্তি ময় চাকমা, গ্রাম: হলধর পাড়া, ২নং ওয়ার্ড, পানছড়ি সদর ইউনিয়ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১১টার সময় সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র কমান্ডার পাভেল চাকমার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হলধর পাড়ায় হানা দিয়ে সাধারণ গ্রামবাসী পঙ্কজয় চাকমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত তাকে মুক্তি দেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

পঙ্কজয় চাকমাকে অপহরণের কারণ জানা যায়নি। তবে সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ির সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করে প্রায়ই খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এতে সাধারণ জনগণও রেহাই পাচ্ছে না।

#খবর #ব্রেকিংনিউজ #অপহৃত_পঙ্কজয় #পঙ্কজয়চাকমা #পানছড়ি_অপহরণ #খাগড়াছড়ি_সংবাদ #পার্বত্য_চট্টগ্রাম #জেএসএস #সন্তু_গ্রুপ

ঘাগড়া-রাঙ্গুনীয়া সীমান্ত এখন নানুমরামুক্ত, সমঝোতা ভেঙে হামলা চালিয়ে ‘আদারা’ ঘাগড়া-রাঙ্গুনীয়া সীমান্তে চৌচালায় লুকিয়ে থাক...
02/09/2026

ঘাগড়া-রাঙ্গুনীয়া সীমান্ত এখন নানুমরামুক্ত, সমঝোতা ভেঙে হামলা চালিয়ে ‘আদারা’

ঘাগড়া-রাঙ্গুনীয়া সীমান্তে চৌচালায় লুকিয়ে থাকা নানুমরাদের সশস্ত্র গ্রুপটি গত ২০ জুলাই ভোরে হামলার শিকার হওয়ার পর সেখান থেকে ”লেজ উবো করে” পালিয়ে চলে গেছে। এলাকাটি এখন নানুমরামুক্ত হয়েছে। উক্ত হামলায় তাদের ৬ জন নিহত ও আরও ১১ জনের মত আহত হয়েছিল। এরপর ভয়ে ও আতঙ্কে তাদের আরও অনেকে দল ছেড়ে চলে গেছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনার পর নানুমরার সুপ্রিম কমান্ডার আরও এক গ্রুপ সশস্ত্র সদস্যকে সেখানে পাঠাতে চাইলে কেউ আর সেখানে যেতে চাইছে না বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তারা সাংঘাতিক ”আদারা” খেয়েছে বলে স্থানীয় জনগণের অভিমত প্রকাশ করেছে। অনেককে বলতে শোনা গেছে, ইউপিডিএফ তো নানুমরাদের এলাকায় মারামারি করতে যায় না, তারা সংঘাত চায় না, ঐক্য চায়। কিন্তু নানুমরারা কেন মিছেমিছি ইউপিডিএফের এলাকায় এসে মারামারি করতে আসে? মারামারি না করার জন্য দুই দলের মধ্যে সমঝোতাও হয়েছে। কিন্তু নানুমরারা কেন সেটা লঙ্ঘন করে? তারা আসলে ”আক্কলর শাস্তি” পেয়েছে। এক হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করলে কী হয়? ঘাগড়ার জনগণ এখন এভাবে মন্তব্য করছে।

তারা আরও মন্তব্য করছে: আমরা তো ইউপিডিএফের কোন দোষ দেখি না। তারা তো সরকারের, সেনাবাহিনীর দালালি করছে না। তারা তো সংগ্রাম করছে। এ কারণে সব সময় দেখা যায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর সেনাবাহিনী হামলা করছে, গ্রেফতার করছে, জেলে ঢোকাচ্ছে। তাহলে নানুমরাদের চোখে জনগণের পক্ষে সংগ্রাম করাই কি ইউপিডিএফের অপরাধ?

Address

Rajbari
Rangamati
4500

Telephone

+8801609512424

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JUMMO TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JUMMO TV:

Shortcuts

Share