25/04/2026
গ্রামের সবাই জানে এরা নাকি বড় সফল ফ্রিল্যান্সার। মাসে মাসে নতুন গাড়ি, নতুন বাড়ি, ট্যুর… লাইফ একদম সেট।
বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, সফলতার গল্প যেন সপ্নের মতো সাজানো।
বাবা মা বুক ফুলিয়ে হাঁটে গ্রামে। ছেলের “সাফল্যে” গর্বে ভরে থাকে পুরো পরিবার। মসজিদে নিয়মিত দান, সব মিলিয়ে একেবারে পারফেক্ট রাজার ছেলে টাইপ একটা ইমেজ তৈরি হয়ে যায়।
আর পাশের বাড়ির বাবা মা?
নিজের সন্তানকে দাঁড় করায় তুলনার কাঠগড়ায় ,ওরা পারলো, তুই পারলি না কেন?
কিছু শিখ তাদের কাছ থেকে....কথাগুলো ধীরে ধীরে চাপ হয়ে বসে যায় আরেকটা জীবনের উপর।
তারপর গতকাল, সব হিসাব বদলে যায়।
হঠাৎ গভীর রাতে ডিবি পুলিশের হানা।
অভিযোগ প্রতারণা। হাজার হাজার মানুষের টাকা নিয়ে পণ্য দেয়নি, অন্যের ভিডিও চুরি করে অফার দেখিয়ে চালিয়েছে স্ক্যাম।
এক রাতেই “সফল ফ্রিল্যান্সার” গল্পটা শেষ। যেই মুখটা নিয়ে এতদিন বুক ফুলিয়ে চলা, আজ সেই মুখ দেখানোর উপায় নেই।
কিন্তু খারাপটা লাগে অন্য জায়গায়।
বয়সটা প্রায় একই। আমি যেখানে পরিশ্রম করে, রক্ত ঘাম ঝরিয়ে টাকা কামাই করি, ওরা সেখানে আমার মতো মানুষের ভিডিও চুরি করে, মানুষ ঠকিয়ে টাকা বানায়। উল্টো শেষে আমাকেই খারাপ বানিয়ে দেয় সবার চোখে।
তবু একটা কথা ঠিক, চোরের দশদিন, গৃহস্থের একদিন। মানুষের হক মেরে কেউ শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে না। হিসাব একদিন না একদিন মিলবেই।
আর সত্যি বলতে, শুধু ছেলেগুলো না, দায় পরিবারেও আছে। রাতারাতি গাড়ি, ফোন, বিলাসী জীবন… কিন্তু সেই টাকার উৎস কোথা থেকে, সেটা জানার প্রয়োজনই তারা মনে করে না। এখানেই শুরু হয় আসল ভুলটা।অনেকেই ভালো ভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে ভাগ্যের চাকা সচল রাখতেছে কিন্তু ইদানিং এলাকার এবং হারাগাছের কর্মকাণ্ডে খুবই বিরক্ত