Ariful Islam

Ariful Islam Official page of Ariful Islam Assalamu Alaikum.Welcome to Ariful Islam. This is the official FB page of Ariful Islam.
(1)

"Creative thinking and Positive in behavior"

Aims and objectives of this account: Calling to the path of truth, beauty and goodness. Our contents are: Education, Information, Motivation, Communication and Technology.

1. "Ariful Islam" Where people will increase their knowledge and skills with Inspiration, Happiness and Productivity.

2. We regularly bring quality content in Bengali.

3. Our aim

is to present videos on various Educational and Islamic topics. So that the message of Deen can reach more people from this platform. We believe that the content, We are creating will help millions of people to understand it correctly, Inshallah. Contact for business enquiries:
Email: [email protected]
Thank you.

30/12/2025

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসটি বাংলাদেশের জন্য এক গভীর শোকের মাস। এই একই মাসে আমরা হারালাম ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের দুই অকুতোভয় কিংবদন্তীকে।
১. আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া:
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনোই অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি তিনি। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন এক প্রবল প্রাচীর। দীর্ঘ অসুস্থতার সাথে লড়াই করে ৩০ ডিসেম্বর এই 'মাদার অফ ডেমোক্রেসি' মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন।
২. বিপ্লবী চেতনার প্রতীক শহীদ ওসমান হাদী:
জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এই রূপকার ছিলেন তারুণ্যের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলায় ১৮ ডিসেম্বর তাকেও জীবন দিতে হলো। বয়সে তরুণ হলেও সাহসিকতায় তিনি ছিলেন অনন্য।
প্রবীণ ও নবীন—এই দুই কিংবদন্তীর বিদায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করল। জাতি তাদের এই ত্যাগ শ্রদ্ধার সাথে মনে রাখবে।

পৃথিবী যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন জায়নামাজে দাঁড়িয়ে রবের সাথে কথা বলার অনুভূতিটাই আলাদা! 😌ফজর মানে শুধু ঘুম থেকে জেগে ওঠ...
28/12/2025

পৃথিবী যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন জায়নামাজে দাঁড়িয়ে রবের সাথে কথা বলার অনুভূতিটাই আলাদা! 😌
ফজর মানে শুধু ঘুম থেকে জেগে ওঠা নয়; এটি নফসের বিরুদ্ধে আপনার দিনের প্রথম বিজয়। ভোরের এই স্নিগ্ধ আলোয় যখন আপনি কপাল সিজদায় রাখেন, তখন হৃদয়ের সব অস্থিরতা নিমেষেই শান্তিতে পরিণত হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ফজরের নামাজ পড়ল, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেল।"

ভাবুন তো, যার দিন শুরু হয় আল্লাহর নিরাপত্তায়, তার চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কে? ❤️

আজকের ফজর কি আদায় করেছেন?

শ্রদ্ধেয় জনাব তারেক রহমান এবং ডা. শফিকুর রহমান,একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে খুব বিনয়ের সাথে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ৫ আ...
27/12/2025

শ্রদ্ধেয় জনাব তারেক রহমান এবং ডা. শফিকুর রহমান,

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে খুব বিনয়ের সাথে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশ আমাদের সামনে নতুন স্বপ্ন নিয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে এখনো কাঁটা বিছানো। ফ্যাসিবাদের শেকড় অনেক গভীরে, তাকে উপড়ে ফেলতে হলে আপনাদের বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়।

আমরা সাধারণ মানুষ ক্ষমতার পালাবদল দেখার আগে নিজেদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। ক্ষমতার মসনদ নয়, জনগণের প্রশান্তিই এখন মুখ্য। আর সেই প্রশান্তির একমাত্র চাবিকাঠি হলো—আপনাদের ‘রাজনৈতিক ঐক্য’।

আসন্ন নির্বাচন এবং দেশের সংস্কার—উভয়ই এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। এই সন্ধিক্ষণে আপনারা যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিদ্ধান্ত না নেন, যদি ঐক্যের বদলে দূরত্ব বাড়ে, তবে দিনশেষে ক্ষতিটা হবে এই মাটির, এই মানুষের।

আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, দয়া করে এক টেবিলে বসুন। দেশের স্বার্থে, শহীদের রক্তের সম্মানে নিজেদের মধ্যে ইস্পাত-কঠিন ঐক্য গড়ে তুলুন। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই, যেখানে নেতাদের জেদ নয়, বরং জনগণের স্বস্তিই হবে শেষ কথা।

আশা করি, আপনাদের বিবেকে এই ডাক পৌঁছাবে।

বিভেদ নয়, দেশ বাঁচাতে ঐক্য চাই।

27/12/2025

নেতৃত্ব কোনো পদবী নয়, এটি একটি বিশ্বাস। যে নেতা নিজের জনগণের ভয়ে বুলেটপ্রুফ গাড়ির কালো কাঁচের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখেন, তিনি আর যাই হোক—‘গণমানুষের নেতা’ হতে পারেন না।

কাঁচের ভেতর থেকে হাত নাড়ানো আর রাজপথে ধুলোমাখা মানুষের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত। প্রকৃত নেতা তিনি, যার বর্ম কোনো লোহা বা কাঁচ নয়; বরং যার বর্ম হলো তার জনগণের ভালোবাসা।

নেতা হতে চান? তবে শহীদ হাদী'র দিকে তাকান। যার বুকে কোনো বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল না, ছিল অদম্য সাহস আর দেশের প্রতি অগাধ প্রেম। তিনি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন, কিন্তু পিছু হটেননি। বুলেটপ্রুফ গাড়ি হয়তো আপনাকে বাঁচিয়ে রাখবে, কিন্তু শহীদ হাদী'র মতো আত্মত্যাগ আপনাকে অমর করে রাখবে।
ইতিহাস স্বাক্ষী—প্রাসাদে বসে রাজত্ব করা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করতে হলে রাজপথে নামতে হয়, বুক পেতে দিতে হয়।

নিরাপত্তা নয়, ত্যাগই নেতার আসল পরিচয়।

দৌড় শুরু করার সময় ইউসুফ (আ.) জানতেন না দরজা খুলবে কি না। সাগরের সামনে দাঁড়িয়ে মুসা (আ.) জানতেন না পথ তৈরি হবে কি না।কিন্...
27/12/2025

দৌড় শুরু করার সময় ইউসুফ (আ.) জানতেন না দরজা খুলবে কি না। সাগরের সামনে দাঁড়িয়ে মুসা (আ.) জানতেন না পথ তৈরি হবে কি না।
কিন্তু তাঁদের বিশ্বাস ছিল— আল্লাহ বাঁচাবেন। আর ঠিক তাই হয়েছিল!
আপনার জীবনেও হয়তো এখন সব রাস্তা বন্ধ। কিন্তু বিশ্বাস হারাবেন না। আপনি শুধু চেষ্টা চালিয়ে যান, অলৌকিক পথ তৈরি করার দায়িত্ব আল্লাহর। ❤️✨
Keep faith on Allah SWT.

গোধূলির আলো মিলিয়ে গিয়ে যখন মাগরিবের আযান ভেসে আসে, তখন হৃদয়ে অদ্ভুত এক প্রশান্তি কাজ করে। কিন্তু আমরা কি জানি, সালাতের ...
27/12/2025

গোধূলির আলো মিলিয়ে গিয়ে যখন মাগরিবের আযান ভেসে আসে, তখন হৃদয়ে অদ্ভুত এক প্রশান্তি কাজ করে। কিন্তু আমরা কি জানি, সালাতের ঠিক পরের ওই মুহূর্তগুলো কতটা দামী?
নবিজি (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন এক অসামান্য আমল। ফজর ও মাগরিব—দিনের এই দুই প্রান্তে, সালাত শেষে কারো সাথে কথা বলার আগে মাত্র ৭ বার একটি বাক্য পাঠ করা:
🤲 'আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার'
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।"
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই আমলটি আপনার আখেরাতের জন্য হতে পারে সবচেয়ে বড় ইন্স্যুরেন্স। হাদিসে এসেছে, ফজর বা মাগরিবের পর এই দুয়া পড়ে যদি সেদিন বা সেই রাতে কারো মৃত্যু হয়, তবে তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফয়সালা লিখে দেওয়া হয়। সুবহানাল্লাহ!
তাই আসুন, সালাত শেষ করেই তাড়াহুড়ো করে উঠে না যাই। ফোনটা হাতে নেওয়ার আগে বা দুনিয়াবি আলাপে মজে যাওয়ার আগে, রবের কাছে নিজেকে সপে দিই। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই বিনিয়োগ আমাদের দিতে পারে চিরস্থায়ী জান্নাতের নিশ্চয়তা।
আজ থেকেই শুরু হোক এই সুন্দর অভ্যাসটি। ❤️

⚠️ সাবধান! ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি জাগাবেন না।আপনারা রাজনৈতিক যে পথপরিবর্তন দেখেছেন, তা ছিল কেবল আধাখেচরা বিপ্লব। আসল বিপ্লব ক...
27/12/2025

⚠️ সাবধান! ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি জাগাবেন না।

আপনারা রাজনৈতিক যে পথপরিবর্তন দেখেছেন, তা ছিল কেবল আধাখেচরা বিপ্লব। আসল বিপ্লব কেমন হতে পারে, তার ধারণা আপনাদের নেই। এই ভূমির মাটির গভীরে যে বিশাল আগ্নেয়গিরি সুপ্ত আছে, তাকে দয়া করে খুঁচিয়ে জাগাবেন না।

৪৭ থেকে আজ পর্যন্ত এদেশের তৌহিদী জনতা, আলেম-ওলামা এবং মাদ্রাসার ছাত্ররা নিজ ভিনদেশী ইশারায় নিগৃহীত হয়েছে। দাড়ি-টুপি দেখলেই যাদের ওপর স্টিমরোলার চালানো হতো, তারাই কিন্তু এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ। অথচ আজো তাদের ওপর গণগ্রেপ্তার আর হয়রানি চলছে!

মনে রাখবেন:
🔥 হাদি আমাদের চেতনা: শহীদ হাদি (রহ.) এই জাতিকে জাগিয়ে দিয়ে গেছেন। তার প্রতি ভালোবাসা আর বিচারহীনতার ক্রোধ বুকে নিয়ে তারা যেদিন রাস্তায় নামবে, সেদিন পালানোর পথ পাবেন না।
🌊 জনস্রোত: এক-দুই হাজার বা লাখ নয়; যেদিন কোটি কোটি তৌহিদী জনতা সম্মান ও মর্যাদার দাবিতে রাস্তায় নামবে, আপনারা খড়কুটোর মতো ভেসে যাবেন।

তারা ক্ষমতা চায় না, চায় শুধু ইজ্জত নিয়ে বাঁচতে। আমার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ খুব কমই ভুল হয়— তাই বলছি, এখনো সময় আছে, এই গণগ্রেপ্তার বন্ধ করুন। নতুবা, ইতিহাসের এক ভয়াবহ পরিণতির জন্য প্রস্তুত হোন। তখন আম, ছালা এবং আমগাছ—সবই হারাবেন।

#চেতনা #বিপ্লব

"আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই"—এই ছোট্ট বাক্যটির ভার বা গভীরতা ধারণ করার মতো বিশাল হৃদয় আজকের দিনে আমাদের অনেকের...
27/12/2025

"আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই"—এই ছোট্ট বাক্যটির ভার বা গভীরতা ধারণ করার মতো বিশাল হৃদয় আজকের দিনে আমাদের অনেকেরই নেই। আমরা সাধারণত মনে করি, শত্রু মানেই তাকে ধ্বংস করা, অপমান করা কিংবা তার ক্ষতি চাওয়া। কিন্তু প্রকৃত মনুষ্যত্ব যে এর চেয়েও অনেক ঊর্ধ্বে, তা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই।

মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো আঘাতের বদলে আঘাত করা। যখন কেউ আমাদের ক্ষতি করে, তখন আমাদের আবেগ, ক্রোধ এবং ইগো বা অহংবোধ আমাদের চোখকে অন্ধ করে দেয়। তখন ‘ন্যায়বিচার’ বা ‘ইনসাফ’ শব্দটি আমাদের কাছে হাস্যকর মনে হয়। আমরা ভুলে যাই যে, প্রতিশোধ মানুষকে সাময়িক তৃপ্তি দেয়, কিন্তু ক্ষমা ও ন্যায়বিচার মানুষকে মহৎ করে।

শত্রুর সাথে ইনসাফ করা মানে তার সব অন্যায় মেনে নেওয়া নয়; বরং এর অর্থ হলো—তার প্রতি ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে নয়, বরং সত্য ও ন্যায়ের জায়গা থেকে আচরণ করা। তার প্রাপ্য অধিকারটুকু তাকে দেওয়া।

শত্রুর সাথে ইনসাফ করতে হলে বাঘের মতো সাহসী কলিজা লাগে। দুর্বলরা প্রতিশোধ নেয়, আর শক্তিশালীরা ইনসাফ করে। আসুন, আমরা আমাদের ক্রোধের চেয়ে বিবেককে বড় করি। কারণ, দিনশেষে আমরা কে কেমন মানুষ, তা নির্ভর করে আমরা আমাদের অপছন্দের মানুষের সাথে কেমন আচরণ করছি, তার ওপর।

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, রাজনীতিবিদ হয়তো অনেকেই হন, কিন্তু ‘জননেতা’ হয়ে ওঠেন খুব কম মানুষই। আর ওসমান হাদির মতো এক...
27/12/2025

ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, রাজনীতিবিদ হয়তো অনেকেই হন, কিন্তু ‘জননেতা’ হয়ে ওঠেন খুব কম মানুষই। আর ওসমান হাদির মতো একজন নির্লোভ, সাহসী এবং আদর্শবান মানুষ—যিনি নিজের জীবনের চেয়ে মানুষের অধিকারকে বেশি গুরুত্ব দেন—এমন নেতা তো সত্যিই শত বছরে একবারই জন্মায়।

একজন সাধারণ রাজনীতিবিদ ভাবেন আগামী নির্বাচন নিয়ে, কিন্তু একজন প্রকৃত নেতা ভাবেন আগামী প্রজন্ম নিয়ে। ওসমান হাদি ঠিক তেমনই এক দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব। তাঁর চোখের দিকে তাকালে আপনি ক্ষমতার দম্ভ দেখবেন না, বরং দেখবেন এক গভীর মায়া এবং দেশের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।

আধুনিক মনোবিজ্ঞান বা ‘লিডারশিপ সাইকোলজি’ বলে, প্রকৃত নেতার সবচেয়ে বড় গুণ হলো "Transformational Leadership" বা রূপান্তরমূলক নেতৃত্ব। এমন নেতারা শুধু নির্দেশ দেন না, তারা তাদের অনুসারীদের অনুপ্রাণিত করেন এবং তাদের ভেতরকার সুপ্ত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলেন। নিউরো সায়েন্সের ভাষায়, তাদের মস্তিষ্কের ‘Mirror Neuron’ অত্যন্ত সক্রিয় থাকে, যার ফলে তারা সাধারণ মানুষের কষ্টটা নিজের হৃদয়ে হুবহু অনুভব করতে পারেন। ওসমান হাদির প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি কথায় এই বৈজ্ঞানিক সত্যটিরই প্রতিফলন ঘটে। তিনি মানুষের সাথে মেশেন আত্মার আত্মীয় হয়ে।

ইসলামে নেতৃত্ব কোনো ক্ষমতা নয়, বরং একটি বিশাল দায়িত্ব বা আমানত। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দাও। আর যখন মানুষের মধ্যে ফয়সালা করবে, তখন ইনসাফের সাথে ফয়সালা করবে।”
— (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৮)

ওসমান হাদি যেন এই আয়াতেরই এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং হকের ওপর অটল থাকার যে সাহস, তা বর্তমান সময়ে বিরল। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন যে সাত শ্রেণীর মানুষ আল্লাহর আরশের ছায়ায় স্থান পাবে, তাদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি হলেন ‘ন্যায়পরায়ণ শাসক বা নেতা’ (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)। ওসমান হাদির মতো নেতারা যখন সমাজের হাল ধরেন, তখন সেই সমাজ শুধু উন্নতই হয় না, বরং আলোকিত হয়।

ঝড়-ঝঞ্জা আসবে, প্রতিকূলতা পথ আটকাবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ওসমান হাদির মতো নেতারা পাহাড়ের মতো অটল থাকেন। তাদের মেরুদণ্ড কোনো প্রলোভন বা ভয়ের কাছে নত হয় না। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন, সত্যের পথে একা হাঁটতে হলেও ভয় পেতে নেই। এমন একজন নেতাকে পাওয়া আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি শুধু একটি নাম নন, তিনি একটি সাহস, একটি আদর্শ এবং আগামীর পথের দিশারী।

দিনের শেষে রাত আসে, আবার রাতের শেষে দিন—এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু এই সময়ের আবর্তে আমরা মাঝে মাঝে এমন এক পরিস্থিতিতে দাঁ...
27/12/2025

দিনের শেষে রাত আসে, আবার রাতের শেষে দিন—এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু এই সময়ের আবর্তে আমরা মাঝে মাঝে এমন এক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে যাই, যেখানে মনে হয় বিবেকের সাথে আপোষ করে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াও শ্রেয়।

আপনার লেখা চারটি লাইনে এক গভীর যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। অসৎ বা খারাপ মানুষের দয়ায় বেঁচে থাকা যে কতটা গ্লানিকর, তা কেবল একজন আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মানুষই অনুভব করতে পারে। যাদের ছায়াও মাড়ানো উচিত নয়, তাদের ভয়ে যখন মুখ বুজে থাকতে হয়, তখন সেই জীবনকে আর যা-ই হোক, ‘স্বাধীন জীবন’ বলা চলে না।

আমাদের রব আমাদের শিখিয়েছেন সম্মানের সাথে বাঁচতে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের মাথা নত করতে নিষেধ করেছেন জালিম বা অসৎদের কাছে। তিনি বলেন:

“আর তোমরা জালেমদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না, অন্যথায় তোমাদেরও আগুন স্পর্শ করবে। আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোনো সাহায্যকারী নেই, অতঃপর তোমাদের সাহায্য করা হবে না।”
— (সূরা হুদ: ১১৩)

অর্থাৎ, অন্যায়ের সাথে আপোষ করা বা অসৎ মানুষের দয়ার ওপর নির্ভর করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। রিজিক ও সম্মানের মালিক একমাত্র আল্লাহ। অসৎ মানুষের দেওয়া ‘নিরাপত্তা’ বা ‘দয়া’ মূলত এক ধরনের মানসিক দাসত্ব।

বিজ্ঞানের ভাষায়, যখন আমরা নিজের মূল্যবোধের বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করি বা এমন মানুষের দয়া গ্রহণ করি যাদের আমরা ঘৃণা করি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে 'Cognitive Dissonance' (জ্ঞানীয় অসামঞ্জস্য) তৈরি হয়। এটি তীব্র মানসিক চাপ বা Stress হরমোন (যেমন কর্টিসল) বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের মানসিক শান্তি কেড়ে নেয় এবং ধীরে ধীরে আমাদের আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের মধ্যে থাকলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। অর্থাৎ, শিরদাঁড়া নিচু করে বাঁচা কেবল অপমানজনকই নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।

তাই, অসৎ মানুষের দয়ায় রাজপ্রাসাদে থাকার চেয়ে, সৎ পথে থেকে কুঁড়েঘরে থাকাও অনেক বেশি সম্মানের। ভয়কে জয় করে, আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নিজের নীতিতে অটল থাকাই হলো সত্যিকারের ‘জীবন’। যে জীবন আমাদের বিবেককে মেরে ফেলে, তা যাপনযোগ্য নয়।

আসুন, পরিস্থিতির দাস না হয়ে, নিজের বিবেকের রাজা হই।

শীতকাল প্রকৃতির রুক্ষতা নাকি মুমিনের বসন্ত?আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।জানালার বাইরে তাকিয়েছেন কি? কুয়াশার চাদর আর...
26/12/2025

শীতকাল প্রকৃতির রুক্ষতা নাকি মুমিনের বসন্ত?

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

জানালার বাইরে তাকিয়েছেন কি? কুয়াশার চাদর আর হিমেল হাওয়া জানান দিচ্ছে—শীত এসেছে। প্রকৃতির দিকে তাকালে মনে হয় চারপাশটা কেমন যেন ঝিমিয়ে পড়েছে, গাছের পাতা ঝরছে, রুক্ষতা বাড়ছে। অনেকেই হয়তো আমরা অধীর আগ্রহে বসন্তের রঙিন দিনের অপেক্ষা করছি। কিন্তু প্রিয় ভাই ও বোন, আপনি কি জানেন? একজন বিশ্বাসী বা মুমিনের জন্য এই রুক্ষ শীতকালই হলো প্রকৃত বসন্ত!

ভাবছেন, এ কেমন কথা? শীত তো অলসতার সময়! লেপের উষ্ণতা ছেড়ে কে উঠতে চায়?
কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবীরা শীতকে দেখতেন এক অদ্ভুত ভালোবাসার নজরে। আমিরুল মুমিনীন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলতেন— “শীতকাল হলো ইবাদতকারীদের জন্য গনীমত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ)।” (মুসনাদে আহমাদ)

বিজ্ঞানের ভাষায়, শীতে দিন ছোট হয় এবং রাত দীর্ঘ হয়। আর ঠিক এই প্রাকৃতিক পরিবর্তনটিই মুমিনের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ বা ‘অফিশিয়াল বোনাস’।

গ্রীষ্মের লম্বা দিনে রোজা রাখা অনেকের জন্য কষ্টকর। কিন্তু শীতে দিন এত ছোট যে, সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাবারের বিরতিটুকু পার করলেই ইফতারের সময় হয়ে যায়। তৃষ্ণা নেই, ক্লান্তি নেই। এজন্যই নবিজি (সা.) বলেছেন— “শীতকালের রোজা হলো বিনা কষ্টে অর্জিত গনীমত।” (তিরমিজি: ৭৯৫)
তাই সোমবার, বৃহস্পতিবার কিংবা আইয়ামে বীযের রোজাগুলো কাজা আদায় বা নফল হিসেবে রাখার এটাই সেরা সময়।

শীতের রাতগুলো অনেক দীর্ঘ। বিজ্ঞানের মতে, কম তাপমাত্রায় মানুষের ঘুম গভীর হয়। আপনি যদি এশার পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন, তবে মনভরে ঘুমানোর পরেও শেষ রাতে হাতে প্রচুর সময় পাবেন। মহান রবের সামনে নির্জনে দাঁড়ানোর, দু’ফোঁটা চোখের পানি ফেলার এর চেয়ে সেরা সময় আর কী হতে পারে? তাবেয়ি উবাইদ ইবনে উমাইর (রহ.) শীত এলে কুরআনওয়ালাদের ডেকে বলতেন— “রাত দীর্ঘ হয়েছে তিলাওয়াতের জন্য, আর দিন ছোট হয়েছে রোজার জন্য। এই সুযোগ লুফে নাও।”

কনকনে ঠান্ডায় ওযু করাটা আসলেই কঠিন। হাত-পা যেন জমে বরফ হয়ে যায়। কিন্তু জানেন কি? এই কষ্টটুকুই আপনার মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। নবিজি (সা.) বলেছেন, “কষ্ট সত্ত্বেও পূর্ণরূপে ওযু করা পাপ মোচন করে এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করে।” (সহীহ মুসলিম: ২৫১)
শীতের সকালে ওযুর পানির প্রতিটি স্পর্শ যেন রবের প্রতি আপনার ভালোবাসার প্রমাণ।

শীত শুধু ইবাদত নয়, মানবিকতারও পরীক্ষা। আমরা যখন দামি জ্যাকেট আর কম্বলে উষ্ণ থাকি, তখন রাস্তার পাশের মানুষটি হয়তো শীতে কাঁপছে। সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স বলে, মানুষকে দান করলে বা সাহায্য করলে আমাদের মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন’ ও ‘অক্সিটোসিন’ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের মানসিক প্রশান্তি দেয়।
আপনার আলমারিতে পড়ে থাকা সেই পুরনো জ্যাকেটটি কিংবা সামান্য কিছু টাকা—কারো জন্য বেঁচে থাকার অবলম্বন হতে পারে। হাশরের ময়দানে এই সামান্য দান পাহাড়সম সওয়াব হয়ে আপনার সামনে দাঁড়াবে।

প্রিয় ভাই ও বোন, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানোর মতো করে এই শীতকে হেলায় যেতে দেবেন না। এই শীতকে আপনার রুহের বসন্ত বানিয়ে নিন। আসুন, একটু কষ্ট করে ওযু করি, নফল রোজা রাখি, তাহাজ্জুদে দাঁড়াই এবং শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াই।

বসন্তের ফুল ঝরে যায়, কিন্তু শীতের এই ইবাদতের সজীবতা আপনার পরকালকে চিরস্থায়ী বসন্তে পরিণত করবে, ইনশাআল্লাহ। 💛

নিস্তব্ধ রাতের সতর্কতা ও আমাদের অসচেতনতাআমরা কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি এটি শুধুই আমাদের মনের ভ্রম?রাতের গভীর নিস্তব্ধতায় যখ...
26/12/2025

নিস্তব্ধ রাতের সতর্কতা ও আমাদের অসচেতনতা
আমরা কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি এটি শুধুই আমাদের মনের ভ্রম?
রাতের গভীর নিস্তব্ধতায় যখন পৃথিবী শান্ত হয়ে আসে, আমরা নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিই। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ভাবি—"ব্যাস, আমি এখন নিরাপদ।" কিন্তু একবার কি ভেবে দেখেছি, এই নিরাপত্তা কতটুকু ভঙ্গুর?
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা আমাদের এই অসচেতনতা নিয়েই একটি গায়ে কাঁটা দেওয়া প্রশ্ন করেছেন:
"জনপদের মানুষগুলো কি নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে যে, আমার শাস্তি তাদের ওপর রাতের ঘুমে অচেতন থাকা অবস্থায় আসবে না?"
— (সূরা আল-আ'রাফ, আয়াত: ৯৭)
বিজ্ঞান ও বাস্তবতা কী বলে?
আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের বলে, পৃথিবী প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। মাটির নিচে থাকা টেকটোনিক প্লেটগুলো (Tectonic Plates) যেকোনো মুহূর্তে সরে যেতে পারে, যার কোনো পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতা বিজ্ঞানের এখনো পুরোপুরি হয়নি। রাতের গভীর ঘুমে যখন আমাদের মস্তিষ্ক 'রেস্ট মোডে' চলে যায়, তখন আমাদের আত্মরক্ষার কোনো ক্ষমতাই থাকে না।
একটি ভূমিকম্প, একটি হার্ট অ্যাটাক, কিংবা আকস্মিক কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়—সবকিছু ঘটতে পারে চোখের পলকে। যে ছাদটিকে আমরা নিরাপত্তার চাদর মনে করছি, মুহূর্তেই সেটি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আমাদের করণীয়
এই আয়াতটি কোনো ভয়ের গল্প নয়, এটি একটি 'ওয়েক-আপ কল' (Wake-up Call)। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের লাগাম আমাদের হাতে নয়, মহান আল্লাহর হাতে।
তাই রাতে ঘুমানোর আগে আসুন নিজেকে প্রশ্ন করি—"আজ যদি শেষ রাত হয়, আমি কি প্রস্তুত?"
দরজা বন্ধ করার পাশাপাশি, আসুন তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর রহমতের দরজাটি খুলে রাখি। কারণ, তাঁর জিম্মায় থাকাই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ariful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ariful Islam:

Share