Entertainment Hub

Entertainment Hub this is an educational page

24/05/2025
22/05/2025
20/05/2025

20/05/2025
17/05/2025
15/05/2025
ঢাকায় রিকশার সংখ্যা বাড়ার পেছনের একটি ব্যবসায়িক মডেল!ব্যবসার ধরন: রিকশা রেন্টাল বিজনেসঢাকায় রিকশার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে,...
14/05/2025

ঢাকায় রিকশার সংখ্যা বাড়ার পেছনের একটি ব্যবসায়িক মডেল!
ব্যবসার ধরন: রিকশা রেন্টাল বিজনেস
ঢাকায় রিকশার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, যার একটি বড় কারণ হচ্ছে রিকশা রেন্টালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা লাভজনক ব্যবসায়িক মডেল। নিচের কেস স্টাডিটি সেটির একটি উদাহরণ।

বিনিয়োগ কাঠামো:
• প্রতি রিকশার মূল্য: ৬০,০০০ টাকা
• মোট রিকশা: ৬০টি
• এই রিকশাগুলো ভাড়ায় দেওয়া হয় দরিদ্র মানুষদের, যারা প্রতিদিন তাদের আয় থেকে মালিককে নির্ধারিত ভাড়া প্রদান করে।

ইনভেস্ট:
• দুইজন প্রভাবশালী ব্যক্তি যৌথভাবে এই উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন।
• ব্যাংক থেকে ৩৬,০০,০০০ টাকা লোন নেওয়া হয় (বাড়ি বা জমি জামানতের মাধ্যমে)।
• এই অর্থ দিয়ে রিকশা ক্রয় এবং একটি গ্যারেজ নির্মাণ করা হয়।

আয়ের বিশ্লেষণ:
• প্রতি রিকশা থেকে গড় দৈনিক আয় (খরচ বাদে): ৪০০ টাকা
• মোট দৈনিক আয়: ৪০০ × ৬০ = ২৪,০০০ টাকা
• মাসিক আয়: ২৪,০০০ × ৩০ = ৭,২০,০০০ টাকা
• বাৎসরিক আয়: ৭,২০,০০০ × ১২ = ৮৬,৪০,০০০ টাকা

প্রথম বছরের অর্থনৈতিক ফলাফল:
• মোট আয়: ৮৬,৪০,০০০ টাকা
• মোট বিনিয়োগ (রিকশা + গ্যারেজ + লোন): ৩৬,০০,০০০ টাকা
• প্রাথমিক লাভ: ৮৬,৪০,০০০ - ৩৬,০০,০০০ = ৫০,৪০,০০০ টাকা
যদিও প্রথম বছরে রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যাংক সুদ, রিকশা না চলা দিন, এবং অন্যান্য পরিচালন খরচ থাকবে, তবুও প্রায় ৫০ লাখ টাকার উপরে নিট লাভ অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই কেস স্টাডিটি দেখায়, কীভাবে রিকশা রেন্টাল একটি কার্যকর ও লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে ঢাকায়। স্বল্প মূলধনে বড় আয়ের সম্ভাবনা থাকায় অনেকেই এই খাতে বিনিয়োগ করছে। যার ফলে শহরে রিকশার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ভবিষ্যতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে যদি না শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়।

😄😄
14/05/2025

😄😄

বাচ্চা মেয়েটা খেলতে বের হয়েছিল। প্রতিদিন বিকালেই পাশের বাসার অন্যান্য বাচ্চাদের সাথে খেলে। তারপর সন্ধ্যার আগে আগেই বাসা ...
14/05/2025

বাচ্চা মেয়েটা খেলতে বের হয়েছিল। প্রতিদিন বিকালেই পাশের বাসার অন্যান্য বাচ্চাদের সাথে খেলে। তারপর সন্ধ্যার আগে আগেই বাসা ফিরে আসে।

তাই মা ও আর অতটা চিন্তা করেনি।

কিন্তু গতকাল বিকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা হয়, তারপর সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত। কিন্তু মেয়েটা ঘরে ফিরার কোন নামগন্ধ নেই।

মায়ের মনে সন্দেহ ঢুকে, আশেপাশে হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে কিন্তু পায় না।

মেয়েটা একদমই বাচ্চা, বয়স মাত্র পাঁচ বছর। এত ছোট মেয়ে কোথায় যাবে বুঝে উঠতে পারে না মা।
চারদিকে খুঁজা শুরু করে।

কিন্তু না পেয়ে এবারে বিলাপ করে কেঁদে কেঁদে বলতে থাকে- আমার রোজা মনি, কোথায় গেলি রে মা।

তারপর অটো ভাড়া করে পুরো তেজগাঁও এলাকায় মাইকিং করা হয়৷

মাইকিং এ যখন বলা হচ্ছিল - মেয়েটার বয়স পাঁচ বছর, পড়নে জামা ছিল মা টা তখন মেয়ের নাম ধরে বিলাপ করে কাঁদছিল। সহ্য করতে না পেরে অটোর পেছন পেছন চলে আসতে চাচ্ছিল।

এভাবেই গতকাল রাতটা পার হয়। এত কান্নার মধ্যেও মা ভেবেছিলেন যেহেতু মাইকিং করা হয়েছে তাহলে বোধহয় সকালে পাওয়া যাবে।

একটা ক্ষীণ আশা বুকে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতেই ঘুমিয়ে পড়েন মা। আজকেও সকাল থেকে মাইকিং করা হচ্ছিল।

মা টা এদিক ওদিক দৌড়ে মেয়েটার খোঁজ করতেছিল আর যাকে পাচ্ছিল তাকেই জিজ্ঞেস করছিল - আমার রোজা মনিকে তোমরা কেউ দেখছো?

সবাই যখন মাথা নেড়ে না করে তখন মা দৌঁড়ে গিয়ে আরেকজনকে জিজ্ঞেস করে। এভাবে দুপুর গড়ায়।

বিকালের দিকে কয়েকজন লোক দেখতে পায় তেজগাঁও জামে মসজিদের গলিতে কাপড় দিয়ে পেঁচানো কিছু একটা পড়ে আছে, বি-চ্ছিরি গ-ন্ধ আসতেছে।

সবাই কৌতূহলী হয়ে কাছে গিয়ে দেখতে পায় ছোট একটা মে-য়ের লা--শ।

তারপর এলাকায় জানাজানি হলে খবর পেয়ে ওই মা টাও ছুটে আসে। আসতে আসতে মনে মনে দোয়া করতে থাকে যাতে এটা তার আদরের মেয়ে রোজা না হয়।

কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস!

মা টা এসে কা-পড় উ-ল্টেই দেখতে পায় এটা তো তার মেয়েটাই, এ তো তার আদরের রোজা মনি।

একদম জুবুথুবু হয়ে ম-রে পড়ে আছে। শ-রীরে ক্ষ-তের চিহ্ন। প্রথমে ধ--র্ষ-ণ করা হয়েছে, তারপর গ-র-ম পানি ঢেলে শ-রীরের কিছু অংশ পু-ড়ি-য়ে ফেলা হয়েছে যাতে কেউ চিনতে না পারে।

কিন্তু মা দেখেই চিনে ফেলে তার আদরের মেয়ে রোজা মনিকে। মেয়ের এ বী-ভ-ৎস অবস্থা দেখে ঘটনাস্থলেই কাঁদতে কাঁদতে অ-জ্ঞান হয়ে পড়ে দুঃখিনী মা টা।

একটা বাচ্চা মেয়ে, ৫ বছর বয়স মাত্র। যৌ-ন-তার কিছুই বুঝেনি এখনো। হাড়ি পাতিল নিয়ে খেলার বয়স তার। সেও শিকার হলো হা-য়-নাদের।

দেশের বিচার ব্যবস্থা এতটাই ঠুনকো যে ধ-র্ষ-ণের এ বিচার পাবে কি-না তা নিয়েও দুঃখিনী মায়ের মনে সন্দেহ।

অথচ আমাদের রাজনীতিবিদরা প্রতিদিন স্লোগানে স্লোগানে চারদিক মুখরিত করে ফেলে। বুঝাতে চায় দেশে উন্নয়ন হবে, ব্রীজ হবে।

দয়া করে এ বুলি বাদ দিন। দরকার হলে দুইটা ব্রীজ কম হোক, তবুও আর দুইটা বাচ্চা মেয়ে ধ-র্ষ-ণ না হোক, লা-ঞ্চিত না হোক।

জনগণ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের পাশাপাশি নিশ্চিন্তে বাঁচতে চায়, নিরাপত্তা চায়।

মিথ্যা বুলি না আওড়িয়ে নিরাপত্তা জোরদার করুন যাতে আর একটা মাও তার ধ-র্ষি-ত মেয়ের শোকে কাঁদতে কাঁদতে অ-জ্ঞান না হয়।

বিচার ব্যবস্থা কঠোর করুন যাতে আর কোন মাকে ধ-র্ষি-ত মেয়ের লা-শে-র পাশে বসে অসহায়ভকবে জিজ্ঞেস করতে না হয়- আমার বাচ্চা মেয়েটার ধ-র্ষণের বিচার কি পাব? 🙂

- শাওন

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Entertainment Hub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share