Ayariyat pet Official

Ayariyat pet Official My greetings to everyone. This is an entertaining page. Here you will find many funny videos. We have a popular YouTube channel called Ayariyat pet. Thanks �

I hope you will stay by the side by sharing like comments on the page.

25/04/2026

আগামীকাল যদি আমার ক্যান্সার ধরা পড়ে, তবে আমি ঠিক কী কী করব তা আপনাকে বলছি। এর মধ্যে কিছু বিষয় আপনাকে অবাক করে দিতে পারে।

ক্যান্সার দুর্ভাগ্য থেকে হয় না; এটি আসলে একটি মেটাবলিক বা বিপাকীয় রোগ, যার অর্থ হলো আপনার শরীরের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়ার শক্তির সাথে এর সবকিছু জড়িত। ক্যান্সার আপনাকে ফাঁকি দিয়ে টিকে থাকার জন্য সব ধরণের কৌশল অবলম্বন করে। এটি আসলে আপনার শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশকে কবজা করে ফেলে, ঠিক যেভাবে একটি পরজীবী বা প্যারাসাইট করে থাকে। প্যারাসাইট এবং ক্যান্সারের বেঁচে থাকার পদ্ধতির মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। আমি এখানে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ফাঁকি দেওয়া এবং আপনার বেঁচে থাকার রসদ ও জ্বালানি চুরি করে বেঁচে থাকার কথা বলছি।

ক্যান্সারের ব্যাপারে আপনার আরেকটি বিষয় জানা দরকার তা হলো এটি অত্যন্ত অসুস্থ এবং কোনোমতে টিকে থাকে। একই সাথে, এটি নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে খুব দক্ষ। আর এই কারণেই ক্যান্সার দূর করতে আমি কেবল একটি জিনিসের ওপর নির্ভর না করে একসাথে অনেকগুলো পথ অবলম্বন করতাম, কারণ ক্যান্সার খুব সহজেই অন্য কোনো বিকল্প পথ খুঁজে বের করে ফেলে।

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আপনি সবচাইতে শক্তিশালী যে অস্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন এবং আমি নিজেও যা করতাম, তা হলো দীর্ঘায়িত উপবাস বা ফাস্টিং! কেন? কারণ আমি আগেই বলেছি যে ক্যান্সার খুব নাজুক অবস্থায় টিকে থাকে। আপনি যখন কোনো কিছু না খেয়ে কেবল পানি এবং পুষ্টি গ্রহণ করে শরীরের সমস্ত রসদ সরবরাহ বন্ধ করে দেবেন, তখন আপনি ক্যান্সারকে এক চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে ফেলে দেবেন, কারণ সে তখন জ্বালানি সংগ্রহ করতে হিমশিম খাবে। আপনার সুস্থ কোষগুলো সহজেই ফাস্টিংয়ের সাথে মানিয়ে নিতে পারে, কিন্তু ক্যান্সার কোষগুলো তা পারে না।

আমি কতদিন এই দীর্ঘায়িত ফাস্টিং করতাম তা নির্ভর করত আমার ক্যান্সারের ধরণের ওপর। যদি আমার ক্যান্সার খুব অ্যাডভান্সড পর্যায়ের হতো, তবে আমি স্টেজ-টু ক্যান্সারের তুলনায় অনেক বেশি সময় ধরে ফাস্টিং করতাম। আমি তিন দিন থেকে শুরু করে এমনকি দুই সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ফাস্টিং করতাম যদি পরিস্থিতি স্টেজ-ফোর পর্যায়ে থাকত। আমি যে খাবারগুলো খেতাম সেগুলোকেও ক্যান্সার-বিরোধী হতে হবে।
যেমন:
- ক্রুসিফেরাস সবজি (শালগম, মুলা, সর্ষে শাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি ইত্যাদি)
- ফারমেন্টেড খাবার যাতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল থাকে (কম্বুচা, কিমচি, সাওয়ারক্রাউট ইত্যাদি)
- সালফোরাফেন, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করার জন্য পরিচিত, অথবা কুয়ারসেটিন, রেসভেরাট্রল এবং বারবেরিন

তবে এখন আমি এমন একটি কথা বলব যা মানুষ সম্ভবত আমার কাছ থেকে আশা করবে না। আমি দুটি ফার্মাসিউটিক্যাল ওষুধ গ্রহণ করার কথা বিবেচনা করতাম! এগুলো সাধারণ কেমোথেরাপির ওষুধ নয়, কিংবা রেডিয়েশন থেরাপিও নয়। আর বলে রাখি, আমি আপনাকে কী করতে হবে তা বলছি না, আমি কেবল বলছি আমি নিজে কী করতাম। আমি যে দুটি ওষুধের কথা বলব সেগুলো হলো সস্তা এবং চমৎকার সেফটি প্রোফাইল সম্পন্ন অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধ - আইভারমেকটিন (Ivermectin) এবং ফেনবেনডাজল (Fenbendazole)।

কেন আমি এই ওষুধগুলো বেছে নিতাম?
মনে আছে? আমি বলেছিলাম যে ক্যান্সার এবং পরজীবীদের টিকে থাকার কৌশল একই রকম? এই ওষুধগুলো ঠিক সেই কাজটাই করে। এরা পরজীবীর বেঁচে থাকার পথগুলো রুদ্ধ করে দেয়। আর দেখা যায় যে, ক্যান্সারও ঠিক একই পথ অবলম্বন করে বেঁচে থাকে এবং আপনি সেই পথগুলোই বন্ধ করে দিচ্ছেন।
এই দুটি অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধ 'গ্লাইকোলাইসিস' নামক প্রক্রিয়াটি বন্ধ করে দেয়, যা ক্যান্সারের জ্বালানি পাওয়ার প্রধান বিপাকীয় পথ। যা পরজীবীকে মেরে ফেলে, তা টিউমারের বৃদ্ধিকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে ফেনবেনডাজল সেই মাইক্রোটিউবিউলগুলোকে ধ্বংস করে যা একটি টিউমারের মূল কাঠামো তৈরি করে।

আমি জানি অনেকে প্রশ্ন করবেন, "তবে আধুনিক চিকিৎসায় এগুলোর রেকমেন্ড কেন করা হয় না?"
আসলে এই ওষুধগুলোর কোনো পেটেন্ট নেওয়া সম্ভব নয়, আর তাই এগুলোতে মুনাফার পরিমাণ খুব কম। অন্যদিকে কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশনে প্রচুর মুনাফা রয়েছে।

সবমিলিয়ে, আমি এখানে কোনো কিছু দাবি করছি না, আমার ক্যান্সার হলে আমি নিজে যা করতাম তাই শুধু জানালাম।

ড. এরিক বার্গ

02/04/2026

আপডেট খবর:
আজ থেকে দোকান পাট মার্কেট শপিংমল বন্ধ করতে হবে সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে।
(খোলা থাকবে জরুরি ওষুধ ও খাবারের দোকান)

08/03/2026

এক মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২ কোটি টাকা) কামানোর সবচেয়ে দ্রুত উপায় কী?
তুমি হয়তো ভাবছো—একটা ব্যবসা শুরু করা। কিন্তু সত্যিটা হলো, এর চেয়েও দ্রুত এবং নিশ্চিত একটি পথ আছে। আর সেটি হলো—নিজের ভেতর এমন জ্ঞান বা দক্ষতা তৈরি করা যার মূল্য এক মিলিয়ন ডলারের সমান।

অধিকাংশ মানুষ মনে করে ব্যবসা শুরু করাই হলো ধনী হওয়ার একমাত্র রাস্তা। কিন্তু মনে রেখো, তোমার জীবনের সেরা ইনভেস্টমেন্ট কোনো শেয়ার বাজার বা রিয়েল এস্টেট নয়; বরং সেরা ইনভেস্টমেন্ট হলো তুমি নিজে।

কেন ব্যবসা শুরুর আগে নিজেকে তৈরি করবে?
যদি তুমি আজ নতুন শুরু করো এবং তোমার কোনো বিশেষ দক্ষতা না থাকে, তবে ব্যবসার পেছনে অন্ধের মতো না ছুটে কোনো একটা বিষয়ে এক্সপার্ট হও।
আজকের যুগের ডিমান্ড দেখো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, বা এমন যেকোনো কিছু যা মানুষের সমস্যার সমাধান করে—সেগুলো নিয়ে পড়াশোনা করো।
ভ্যালু তৈরি করো। তোমার ব্যবসায় এক মিলিয়ন ডলার আসার আগে, তোমার নিজের ভেতর সেই পরিমাণ 'ভ্যালু' বা গুরুত্ব তৈরি করতে হবে যার জন্য মানুষ তোমাকে সানন্দে টাকা দেবে। এটাই হলো আসল প্রাচুর্যের পথ।

দুনিয়া 'জেনারেল নলেজ' বা সাধারণ জ্ঞানের জন্য কাউকে পুরস্কৃত করে না। সাধারণ জ্ঞান দিয়ে তুমি বড়জোর কোনো কুইজ প্রতিযোগিতায় জিততে পারো, কিন্তু আসল জীবনে বড় অংকের টাকা কামাতে পারবে না।
আসল দুনিয়া রিওয়ার্ড দেয় 'স্পেসিফিক নলেজ' বা বিশেষায়িত জ্ঞানের জন্য। যখন তুমি কোনো একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের গভীরে যাবে এবং সেই বিষয়ে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে, তখনই সম্পদ তোমার কাছে ধরা দেবে।

তাই ব্যবসার পেছনে না ছুটে, আগে নিজের দক্ষতার জোর বাড়াও। বই পড়ো, কোর্স করো, প্র্যাকটিস করো। নিজেকে এমন এক সম্পদে পরিণত করো যেন মানুষ তোমাকে খুঁজতে বাধ্য হয়।

08/03/2026

তুমি কি কখনও ভেবে দেখেছো, কেন কিছু মানুষ আজীবন অভাব আর সংগ্রামের মধ্যে আটকে থাকে, আর কিছু মানুষ অঢেল সম্পদ আর ক্ষমতার চূড়ায় বসে থাকে?
তুমি হয়তো ভাবো এটা ভাগ্য, কিন্তু আসল রহস্য লুকিয়ে আছে তোমার মস্তিষ্কের গভীরে।

বিলিয়নেয়ার, ক্ষমতাবান এলিট বা পর্দার আড়ালে পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করা মানুষদের মস্তিষ্ক কি আমাদের চেয়ে আলাদাভাবে কাজ করে?
উত্তর হলো—হ্যাঁ, অবশ্যই। বিজ্ঞান আজ প্রমাণ করেছে যে, আমাদের মস্তিষ্ক শুধু চিন্তা করে না, এটি একটি রেডিওর মতো ফ্রিকোয়েন্সি গ্রহণ করে এবং প্রেরণ করে।

তোমার ব্রেন বর্তমানে কোন তরঙ্গে বা ফ্রিকোয়েন্সিতে আছে, সেটাই ঠিক করে দিচ্ছে তুমি ধনী হবে নাকি আজীবন অভাবী থাকবে:

১. বিটা ওয়েভ:
তুমি যদি আর্থিক টানাপোড়েন, মানসিক অস্থিরতা বা সম্পর্কের সমস্যায় ভোগো, তবে বুঝে নিও তোমার মস্তিষ্ক অধিকাংশ সময় 'বিটা' (Beta) ফ্রিকোয়েন্সিতে থাকে। একে বলা হয় Poverty Wave বা 'দাসত্বের তরঙ্গ'।
এই অবস্থায় তোমার মস্তিষ্ক বাইরের জগতের নেতিবাচক প্রভাবে খুব সহজে প্রভাবিত হয়। তুমি অনেকটা ঘোরের মধ্যে থাকো এবং অন্য কেউ তোমাকে যা বোঝায়, তুমি তাই বিশ্বাস করো।
ইতিহাসের প্রভাবশালী এলিটরা সবসময় চেয়েছে সাধারণ মানুষ যেন এই বিটা তরঙ্গের মধ্যেই আটকে থাকে। কারণ এই অবস্থায় মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা সবথেকে সহজ!

২. আলফা-থিটা:
বিপরীতে, যারা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ করছে, যারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের মালিক, তাদের ব্রেন কাজ করে এক বিশেষ স্তরে—যা আলফা (Alpha) এবং থিটা (Theta) ফ্রিকোয়েন্সির ঠিক মাঝামাঝি একটি জায়গা।
কোয়ান্টাম ফিজিক্স এবং আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, যখন তোমার ব্রেন এই 'ওয়েলথ ওয়েভ' বা সম্পদের তরঙ্গে থাকে, তখন এটি কেবল চিন্তা করে না, বরং বাস্তব জগতের শক্তি এবং অণুকে প্রভাবিত করতে পারে। অর্থাৎ, তুমি তোমার ইচ্ছা দিয়ে ভৌত জগতকে (Physical Matter) নাড়ানোর ক্ষমতা অর্জন করো!
এই বিদ্যা সাধারণ মানুষের জন্য নয়। ইয়েল ইউনিভার্সিটির 'স্কাল অ্যান্ড বোনস', বোহেমিয়ান গ্রোভ বা 'ব্রাদারহুড'-এর মতো গোপন সংগঠনগুলো বহু আগে থেকেই এই রহস্য জানত।
নেপোলিয়ন হিল যখন তার বিখ্যাত বই 'Think and Grow Rich' লিখেছিলেন, তখন তিনি অ্যান্ড্রু কার্নেগি, জেপি মরগান এবং রকফেলারের মতো ধনী ব্যক্তিদের জীবন বিশ্লেষণ করেছিলেন। তারা সবাই জানতেন কীভাবে নিজেদের ব্রেনকে বিটা স্টেট থেকে সরিয়ে এই বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সিতে নিয়ে আসতে হয়। তারা হাত-পা ছুড়ে কাজ করার বদলে মস্তিষ্ককে সঠিক তরঙ্গে রেখে সম্পদকে নিজেদের দিকে আকর্ষণ করতেন।

যদি তুমি আজীবন বিটা তরঙ্গে বা 'দাসত্বের তরঙ্গে' ব্রডকাস্ট করতে থাকো, তবে তোমার জীবন কখনোই বদলাবে না। তুমি কেবল অন্যদের সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে থাকবে। কিন্তু যখন তুমি এই বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সিতে (আলফা এবং থিটার মাঝামাঝি) তোমার মস্তিষ্ককে অপারেট করতে শিখবে, তখন তুমি সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত এবং সহজে নিজের ইচ্ছা পূরণ করতে পারবে। তোমার চারপাশের মানুষ এবং পরিস্থিতি তোমার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

মনে রেখো, তোমার মস্তিষ্ক একটি শক্তিশালী ট্রান্সমিটার। তুমি ভুল স্টেশনে টিউন করে রেখেছো বলেই তোমার জীবনে ভুল ফলাফল আসছে। ফ্রিকোয়েন্সি বদলে ফেলো, জীবন বদলে যাবে।

নিজের মস্তিষ্ককে সেই বিশেষ 'ওয়েলথ ফ্রিকোয়েন্সি' বা আলফা-থিটা স্টেটে টিউন করার কোনো জাদুর খেলা নেই। বরং এটি একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। তুমি যদি নিয়মিত অভ্যাস করো, তবে তোমার ব্রেন ডিফল্টভাবেই এই স্তরে কাজ করা শুরু করবে।

কীভাবে এটা শুরু করবে?
এখানে ৩টি সবথেকে কার্যকর এবং সহজ উপায় দিলাম যা এলিটরা ব্যবহার করে থাকে:

১. 'গোল্ডেন আওয়ার' ব্যবহার করা (Hypnagogic State)
দিনের মধ্যে দুটি সময় থাকে যখন তোমার মস্তিষ্ক প্রাকৃতিকভাবেই আলফা এবং থিটা তরঙ্গের মাঝামাঝি থাকে: ঠিক ঘুমানোর আগের মুহূর্ত এবং ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরের মুহূর্ত।
রাতে বিছানায় শুয়ে যখন তোমার শরীর শিথিল হয়ে আসে কিন্তু তুমি পুরোপুরি ঘুমিয়ে পড়োনি, তখন তোমার লক্ষ্য বা তুমি যে জীবনটি চাও, তা মনে মনে কল্পনা করো। এই সময়ে তোমার 'ক্রিটিক্যাল মাইন্ড' বা যুক্তিদাতা মন ঘুমিয়ে থাকে, ফলে তোমার অবচেতন মন বা সাবকনশাস সরাসরি তোমার নির্দেশ গ্রহণ করে।

২. ৪-৭-৮ ব্রিদিং টেকনিক (Breathing for Brainwave Shift)
তুমি যখন স্ট্রেস বা চিন্তায় থাকো, তোমার ব্রেন তখন 'হাই-বিটা' (High-Beta) স্টেটে থাকে। এই অবস্থায় কোনো ক্রিয়েটিভ কাজ করা বা সম্পদ আকর্ষণ করা সম্ভব নয়। ব্রেনকে দ্রুত আলফা স্টেটে নিয়ে আসতে এই ব্রিদিং টেকনিকটি ব্যবহার করো—
* ৪ সেকেন্ড ধরে নাক দিয়ে শ্বাস নাও।
* ৭ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখো।
* ৮ সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ো।
এটি তোমার নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করে এবং মস্তিষ্ককে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিটা থেকে আলফা তরঙ্গে নামিয়ে আনে।

৩. RAS (Reticular Activating System) রিপ্রোগ্রামিং
তোমার মস্তিষ্কে RAS নামক একটি ফিল্টার আছে। এটি ঠিক করে তুমি চারপাশে কী দেখবে। যদি তুমি নিজেকে বলো "আমি গরিব", তবে RAS কেবল অভাবের প্রমাণগুলোই তোমার সামনে আনবে।
কীভাবে এটি বদলাবে?
প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বর্তমান কালে (Present Tense) নিজের সাফল্যের কথা বলো। যেমন: "আমার ইনকাম দিন দিন বাড়ছে" বা "আমি প্রতিদিন নতুন নতুন সুযোগ খুঁজে পাচ্ছি"।
যখন তুমি বিশ্বাসের সাথে এগুলো বলো, তখন তোমার ব্রেন ফ্রিকোয়েন্সি আলফা-থিটা ব্রিজে চলে যায় এবং তোমার RAS বাস্তব জগতে সেই সুযোগগুলো খুঁজতে শুরু করে যা আগে তোমার নজরে পড়ত না।

এটি একদিনের কাজ নয়। তোমার ব্রেন বছরের পর বছর ধরে 'বিটা' বা 'স্লেভ ওয়েভ'-এ অভ্যস্ত হয়ে আছে। এটাকে রিপ্রোগ্রাম করতে অন্তত ২১ থেকে ৩০ দিন সময় লাগে। কিন্তু একবার যখন তোমার ব্রেন এই ফ্রিকোয়েন্সি ধরতে শিখবে, তখন দেখবে সুযোগগুলো তোমার কাছে নিজে থেকেই আসছে!

01/03/2026

সকাল থেকেই একটার পর এক টা বিপদ ঘটে যাচ্ছে🥺 সারা টা দিন যে কেমন যাবে আল্লাহতালা জানে

❤️❤️❤️❤️“আমার কোনও চাকরি ছিল না… তাই আমি স্ত্রীকে বলেছিলাম, আমাকে বিশ্বাস করে এসো না।”কিন্তু উত্তরটা বদলে দিয়েছিল সবকিছ...
23/02/2026

❤️❤️❤️❤️
“আমার কোনও চাকরি ছিল না…
তাই আমি স্ত্রীকে বলেছিলাম, আমাকে বিশ্বাস করে এসো না।”
কিন্তু উত্তরটা বদলে দিয়েছিল সবকিছু। 💙
“তুমি ক্রিকেট খেলো, ৫-৬ হাজার রোজগার করো।
আমি ১৫ হাজার রোজগার করছি।
আমরা সামলে নেব।”
— Varun Chakravarthy
সাফল্যের পেছনে শুধু পরিশ্রম নয়,
থাকে একজন মানুষের অটুট বিশ্বাস। ❤️
আজ তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার,
কিন্তু তার গল্প মনে করিয়ে দেয়—
সত্যিকারের পার্টনার মানে
ঝড়ের দিনেও পাশে দাঁড়ানো মানুষ। 💫
এমন সম্পর্কই আসল শক্তি।

রমাদান মুবারাক 🌙
18/02/2026

রমাদান মুবারাক 🌙

18/02/2026

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজান মাসের ছুটি
কলেজ: ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত।

হাই স্কুল: ৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত।

প্রাইমারি: ৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত।

মাদ্রাসা: ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ মার্চ

আহ! ক্ষমতা!!
18/02/2026

আহ! ক্ষমতা!!

17/02/2026

রাষ্ট্রপতি - ড. খন্দকার মোশাররফ

স্পিকার - এডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী

১। প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা - তারেক রহমান
২। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন - মির্জা ফখরুল
২। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- সালাউদ্দিন আহমেদ
প্রতিমন্ত্রী - শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি
৩। পররাষ্ট্র - আমির খসরু
প্রতিমন্ত্রী - ড. হুমায়ুন কবির
৪। অর্থ- ড. রেজা কিবরিয়া
৫। শিক্ষা- আনম এহসানুল হক মিলন
প্রতিমন্ত্রী - সাঈদ আল নোমান
৬। আইন মন্ত্রনালয় - সাবেক এটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান
৭। তথ্য মন্ত্রনালয়- আন্দালিব রহমান পার্থ
প্রতিমন্ত্রী- ড. মাহদী আমিন
৮। পরিকল্পনা - ড. আব্দুল মঈন খান
৯। বানিজ্য মন্ত্রনালয় - আব্দুল মুক্তাদির
১০। শিল্প মন্ত্রণালয়- আব্দুল আউয়াল মিন্টু
১১। নৌ পরিবহন - মেজর হাফিজ
১২। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় - নজরুল ইসলাম খান
১৩। পানি সম্পদ - আসাদুল হাবিব দুলু
১৪। মুক্তিযুদ্ধ - ফজলুর রহমান
১৫। সড়ক পরিবহন ও সেতু- আমান উল্লাহ আমান
১৬। সংস্কৃতি - জোনায়েদ সাকি
১৭। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় - ডা: এ জেড এম জাহিদ
১৮। যুব ও ক্রীড়া- আলি আজগর লবি
১৯। ধর্ম মন্ত্রনালয় - শামীম কায়সার লিংকন
২০। বিমান পরিবহন ও পর্যটন - আলতাফ হোসেন চৌধুরী
২১। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি - ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
২২। কৃষিমন্ত্রী - শামসুজ্জামান দুদু
২৩। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত - মির্জা আব্বাস
২৪। ডাক ও টেলিযোগাযোগ - নুরুল হক নূর
২৫। রেলপথ - গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
২৬ জনপ্রশাসন - ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ
২৭। সমাজকল্যান - রুহুল কবির রিজভী
২৮। পার্বত্য চট্টগ্রাম- দীপেন দেওয়ান

Possible list!

Congratulations to everyone…

Let’s rebuild the Country!

Address

Satmatha Mahigonz
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayariyat pet Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ayariyat pet Official:

Share