04/02/2026
🇮🇳" স্বপ্নের রাষ্ট্রকাঠামো "💒
Rnr Chandana
স্বপ্ন কে না দেখে ! আমিও দেখি --- "দেশকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ,
সকলের বেচেঁ থাকার বাসযোগ্য করার ,
সকলের প্রতি সকলের ভালোবাসার বন্ধন গড়ার ।"
সেরকমই কিছু স্বপ্ন ------------------- 🇮🇳💒
(১) ➖ ভিন্ন ধর্মগুলোকে এক বা একাত্মবোধে রূপান্তর করা ➖ রাষ্ট্র সংবিধান রচনা করার মাধ্যমে ।
-------------- যদি প্রমাণ করতে পারে ভিন্ন ধর্ম অনুসারীরা নিজেদের স্রষ্টা আলাদা আলাদা - এক প্রকৃতি স্বত্বা নয় , তারজন্য সময় দেওয়া হবে প্রয়োজনে একবছর । সেই সময় অনুযায়ী যদি সকলের সামনে প্রত্যক্ষ প্রমাণ করতে পারে ➖ সকলের স্রষ্টা ভিন্ন । তাহলেই ভিন্নতা নামকরণ সম্পর্কে ভাবা যাবে ।
----------------- আর যদি সকলের প্রত্যক্ষ অনুভব অনুভূতিতে এক প্রমাণিত হয়, তাহলে ভিন্ন ধর্মের নামে ভিন্ন নামে স্রষ্টাকে ডাকনাম দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত বা কোনরকম ক্ষতিকারক দ্বন্দ্বে লিপ্ত হওয়া যাবে না । এখানে এক স্রষ্টা বা প্রকৃতি রচিত মানুষ হিসাবে মানুষজাত একজাত হিসাবে চিহ্নিত করে , সংবিধান অনুসারে সেই ধারা রচনা করতে হবে ।
(২) ➖ ভিন্ন ধর্মের নামে ভিন্ন আচার ব্যবহার নিয়মগুলোকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ক্ষতিকারক অসত্য - অন্যায়ের মূল নীতিগুলো বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে । ধর্মের নামে শোষণনীতিকে দূর করতে হবে । সে হোক নারীশোষণ , কিংবা পুরুষশোষণ, কিংবা ভিন্ন স্তরের শ্রমজীবী মানুষ ।
(৩) ➖ ধর্মের রীতিনীতির নামে জোর করে কোন পোশাক আচার ইত্যাদি চাপিয়ে দেওয়া যাবে না কারুর উপর ।
(৪) ➖ স্বাধীন মতামত জানানোর অধিকার তো আছেই সকলের, সেটা বজায় রাখতে হবে ।
(৫) ➖ অভাব দূরীকরণে ও হিংসা বিদ্বেষ ঘোচাতে ➖ সকল প্রকার শ্রমজীবী ( শিক্ষক , ডাক্তার, অভিনেতা, পুলিশ , আইনজীবী , কৃষক , ব্যবসায়ী , সমস্ত প্রকার শ্রমজীবী মানুষ ) - কে সমান মর্যাদার আসন দিতে হবে ।
➖ প্রতিটি স্তরে প্রয়োজন মত কর্মী নিয়োগ করতে হবে । যার যার দক্ষতা অনুযায়ী সেই সেই কাজে নিয়োগ করতে হবে । আর সেই কর্মী নিয়োগ পদ্ধতি দেখাশুনা করার দায়িত্ব নেবে সরকার - বিশেষ কর্মী নিয়োগ করেই ।
--------------- সমমর্যাদার প্রয়োজন এখানেই ➖ ভিতর থেকে একে অপরের প্রতি তুচ্ছতার ভাবকে দূর করবে । কেউ বড় সম্মানজনক কর্মী আর কেউ ছোট - তেমন সম্মান থাকবে না সমাজে ➖ সেখানেই আসবে মনের মাঝে ধিক্কার , আর অপমান তুচ্ছতার বোধ ।
সেটাই মন থেকে শরীরের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে বিদ্বেষ , হানাহানি , মারামারিতে রূপান্তর করবে , ছড়াবে হিংসার আগুন । আর সেই হিংসার আগুনে পুড়বে সমাজের মানুষ আমরা সকলেই । ➖ তাই এখানে সমমর্যাদার মাধ্যমে এক শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ন্যায় একেকটি কর্মী থাকবে । যারা সমাজ - রাষ্ট্রশরীরকে সুস্থ্য সবল রাখার কাজ করবে ও দেশে শান্তি বজায় রাখবে ।
(৬) ➖ সহজাত প্রবৃত্তি হিসাবে যৌনতা আমাদের আছে ,থাকবে । কিন্তু যৌনতার দিক থেকে কারুর উপর জোর চলবে না । নির্দিষ্ট বয়সে যে কোনো ব্যক্তি তার যৌন সঙ্গী বেছে নিতে পারবে উভয়ের সম্মতিতে ।
---------------- ধর্ষণ থেকে বাঁচতে হলে ➖ একশ্রেণীর দৃষ্টিমতো - নোংরা দৃষ্টির নজর বলে দেখা বন্ধ করতে হবে । এটাকে মানুষের স্বাভাবিক একটি সহজাত প্রবৃত্তি ক্রিয়া হিসাবেই বিবেচিত করতে হবে । ------------- নারী কিংবা পুরুষ যৌনতায় নষ্ট হয় না , নষ্ট হয় অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার করলে , মানুষের চরিত্র নষ্ট হয় অসৎ পথ অবলম্বন করলে - মিথ্যায় , ছল ,অন্যায় কাজে ।
➖ এই বোধ সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আনতে হবে ।
--------------- বিয়ে বা সন্তানের জন্য কাউকে জোর করে সিদ্ধান্ত চাপানো যাবে না । বিয়েতেই যৌনতা সীমাবদ্ধ থাকবে না । একটি মেয়ে যেন বিবাহ না করেও সন্তান নিতে পারে, ইচ্ছা থাকলে , উপযুক্ত বয়সে । তার জন্য যেন সমাজের পক্ষ থেকে কোন কুমন্তব্য করা না হয় । এবং আইনিভাবে সন্তান পালনে পূর্ণ সমর্থন করা হয় । মেয়েদের বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে থাকা বাধ্যতামূলক করা যাবে না ।
(৭) ➖ খাদ্য সমস্যা মেটাতে কৃষিতে দেখাশুনার কর্মী নিয়োগ করতে হবে । কোনো জমি যেন অনাবাদি পড়ে না থাকে - সেদিকে নজর দিতে হবে । প্রয়োজন মত কোন এলাকায় কোন ফসল ভালো হয়, সে অনুযায়ী আবার কোন কোন ফসল কতটা প্রয়োজন দেশবাসীর জন্য ➖ সে সমস্ত দিক খেয়াল রেখে কর্মীরা দেখাশুনা করবে ।
-------- আর সে ফসল যেন পরিবার ভিত্তিক যতটা প্রয়োজন ➖ সেটুকু ছাড়া , কোথাও যেন মজুত না করা হয় । বাকিটা সরকারি ব্যবস্থা মত দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রয়োজন অনুযায়ী সমবন্ঠন করতে হবে । সেখানেও কর্মী নিয়োগ থাকবে ।
(৮) ➖ পরিশ্রমের দিক থেকে কারুর যেন অত্যধিক পরিশ্রম না হয়, কিংবা এমন না হয় যেন - কেউ সুস্থ্য সবল উপযুক্ত মানুষ বসে দিন কাটায়, আর কেউ অত্যধিক পরিশ্রম করে ।➖ কেউ অত্যধিক পরিশ্রম করবে আর কেউ উপযুক্ত সত্ত্বেও কর্মছাড়া থাকলে চলবে না ।
➖ উপযুক্ত সুস্থ্য সবল সকল মানুষকে নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট কর্মে নিয়োগ করতে হবে । দক্ষতা অনুযায়ী কর্মের দিক থাকবে ।
➖ কাজ অনুযায়ী অর্থ নয় , অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে দেশের সকল নাগরিকের জন্য । - শুধুমাত্র বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থ ব্যবহার হবে । যে - যেকাজে বিদেশ যাবে না কেন - সরকারি কোষাগার থেকে তাকে প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে হবে ।
➖ দেশের প্রতিটি কর্মীর কর্মের বিনিময়ে থাকবে প্রাপ্য হিসাবে ➖ তার বা তাদের পরিবারের খাদ্য ,বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা । এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক জিনিসপত্র আদান প্রদানের মাধ্যমে , কর্ম দিয়ে , একে অপরের পরিপূরক হিসেবে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক জিনিসপত্র নিতে হবে ।
➖ অর্থকে কিন্তু জিনিসপত্র আদান প্রদানের একটা মাধ্যম করেছি , তাছাড়া অর্থ আমরা খাই না,পড়ি না । এই অর্থের মাধ্যমে একশ্রেণী লুট করছে আরেকশ্রেণীকে । যার ফলে ধনী গরীব !
(৯) ➖ মানুষের সাথে সাথে বিভিন্ন স্তরের প্রাণীদের প্রতি সমব্যথী মনোভাব রেখে তাদের প্রতি হিংস্র ভাবকে বর্জন করতে হবে । মনে রাখতে হবে আমাদের যেমন ব্যথাবোধ আছে , তাদেরও মাঝে সন্তান হারানোর ব্যথা , মারার - আঘাত লাগার ব্যথাবোধ হয় । তাই যতটা সম্ভব তাদের ব্যথা না দিয়ে মিলেমিশে থাকার সংকল্প করতে হবে ।
➖ পৃথিবীটা শুধু মানুষের নয় , সকল জীবের । ব্যথা দিলে ব্যথা ফিরে আসার সম্ভবনা থেকেই , ব্যথা না দিয়ে প্রেমভাব বজায় রাখতে হবে সকল জীবের প্রতি ।
➖ পশুহত্যা - পশুখাদ্যের মাধ্যমে মানুষকে বিভাজন করা যাবে না ।
(১০) ➖ প্রাকৃতিক পরিবেশ সুস্থ্যসবল রাখতে যথাসম্ভব সুবন্দোবস্ত করতে হবে ।
(১১) ➖ রাজনৈতিক বিভিন্ন নামকরণ তুলে দিতে হবে । সমগ্র ভারতে একটাই দল হিসাবে নামকরণ রাখতে হবে । - প্রধানমন্ত্রী , মুখ্যমন্ত্রী পদে যেই যেই থাকুক ➖ সমগ্র ভারতে একটাই নাম থাকবে ।
➖ শুধুমাত্র কোথায় কোথায় গলদ হচ্ছে কাজে , সেগুলো দেখে - গলদ দূর করতে হবে ।
➖ প্রধানমন্ত্রী , মুখ্যমন্ত্রী ও বিভিন্ন স্তরের নেতকর্মীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ সকল নাগরিকের কর্তব্য বলে বিবেচিত হবে । তাদের ভুল হলেও সম্মানের সহিত তাদের ভুল দর্শিয়ে সঠিক পথ দেখাতে হবে ।
(১২) ➖ সর্বপরি রাষ্টকাঠামো দাঁড়িয়ে থাকবে সকলের প্রতি সকলের ভালোবাসার উপর ভিত্তি করে। ➖ নিজের শরীর ও মনের মতো হয়ে উঠবে গোটা রাষ্ট্রকাঠামো । তাই নিজের শরীর ও মনকে যেভাবে ভালোবাসি - সেরকম ভালোবাসা রাষ্ট্রের প্রতি থাকবে, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের প্রতি থাকবে ।
(১৩) ➖ কমনওয়েলথ রাষ্ট্র থেকে মুক্ত করতে হবে আমাদের ভারতবর্ষকে ।
(১৪) ➖ বিদেশি আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে মনোবল ও বাহুবল সম্পন্ন যথেষ্ট কর্মী নিয়োগ করতে হবে ।
(১৫) ➖ শিক্ষা ব্যবস্থায় আদান - প্রদান নীতি, একই অঙ্গের ন্যায় সমস্ত রাষ্ট্র - সেই শিক্ষা প্রথম ধাপ থেকেই দিতে হবে সকল নাগরিককে । জাতিভেদ , ধর্মবিভেদের কোনো কু - প্রভাব যেন শিক্ষার্থীদের উপর না পরে, নজর দিতে হবে ।
🇮🇳💒
➖ সংবিধানের কিছু রীতিনীতি বদলানোর এই পদক্ষেপ ➖ সংবিধানের অপমান কিংবা সংবিধান রচয়িতার অপমান করা হয় না ।
➖ সংবিধান হলো রাষ্ট্রীয় কাঠামো ।
🇮🇳💒 ➖ এই কাঠামোর মধ্যে দেশবাসী নির্ভর করে, জীবন পদ্ধতি রচনা করে । এই কাঠামোর ছায়াতলে দেশবাসী সু - বাসস্থান পায় । জীবনধারণ করে ।
➖ কিন্তু এই কাঠামো দিয়ে আমরা সুস্থ্য সবল থাকতে পারছি না সমস্ত দেশবাসী । হিংসা , বিদ্বেষ,মারামারি, কলহ প্রতিনিয়ত চলছে ।
➖ তাই উপযুক্ত কাঠামো দরকার । যেখানে প্রতিটি নাগরিক, দেশবাসী ও পরিবেশ পরিস্থিতি সুস্থ্য সবল থাকবে ।
➖ সংসারে যেমন প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরের মেরামত করা হয় । পুরনো জীর্ণ ঘরে যখন থাকার অসুবিধা হয় ।
➖ পুরনো জীর্ণ অবস্থা ভেঙে তখন - পুরনো নতুন মিশিয়ে - ইট, কাঠ, সিমেন্ট, বালু, টিন ইত্যাদি মিশিয়ে নতুন করে থাকার উপযুক্ত করে তুলি ।
------------ তেমনিভাবে সংবিধানও সময় ও পরিস্থিতি অবস্থা বুঝে - পরিবর্তন প্রয়োজন হয় ।
➖ 💒🇮🇳 পূর্ব মুহূর্তে যেরকম কাঠামো প্রয়োজন ছিল , সেরকমভাবেই গড়ে তুলেছিলেন আমাদের দেশের বিশিষ্ট মহানরা ।
➖ তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা , সম্মান, ভালোবাসা রেখেই তাঁদের ছবির সামনে তাঁদের জানিয়ে আমরা এ প্রস্তুতি নেব ।
---------------- তাঁদের স্বরণ করে জানব --- হে মহাবীরগণ - আপনাদের মত পথ ( দেশের শান্তির , সাম্যের, শৃংখলার ) অনুযায়ী আমরাও দেশকে শান্তি, শৃঙ্খলা,সাম্য, ন্যায়ে দেশের কাঠামো যেগুলো পরিবর্তন প্রয়োজন ➖ সেগুলো পরিবর্তন করব । এতে আপনাদের আশীর্বাদ আমাদের কাম্য । 🙏❤️
--------- যারা এই মত দেশকে গড়ে তুলতে আগ্রহী , তাদের - 'জোট শক্তি বড় শক্তি ' - এই কথা মাথায় রেখে -- যার যার সাথে জোট ও একমত নামগুলো ঘোষণা করে জানান দিতে হবে রাষ্ট্র ও দেশবাসীকে ।
➖ জানান দিতে হবে সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে লেখা বা ভিডিও পোস্ট করে ।
➖ পরবর্তী ধাপে এক মাস সময় নিয়ে যার যার এলাকার প্রতিটি থানায় মতামতগুলো লিখিত আকারে জমা দিতে হবে রাষ্ট্রীয় নেতা নেত্রীদের জানানোর উদ্দেশ্যে । - যারা যারা যুক্ত , তাদের নাম সই করে লিখিত জমা দিতে হবে ।
➖ সোশাল মিডিয়ায় লিখিত বা ভিডিও পোস্ট করার সময় নেতা নেত্রীদের,জেলা পুলিশ ,রাজ্য পুলিশদের ট্যাগ বা মেনশন করতে হবে ।
➖ কোনো নেতা নেত্রীদের,পুলিশকর্মীদের , আইনজীবীদের অপমান করা যাবে না । এটা আমাদের দেশবাসীকে শান্তিময় করতে, শৃঙ্খলায় আনতে আমাদের দাবি তাদের কাছে ।
➖ কোনো নেতা নেত্রীদের পদত্যাগ চাওয়া যাবে না। আমরা নেতা নেত্রীদের আসনে বসতে চাই না , চাই শান্তি ,সাম্য ,শৃঙ্খলা সমস্ত দেশবাসীর ।
---------------- আমার স্বপ্নের রাষ্ট্রকাঠামো ।
আপনাদের কেমন স্বপ্ন ? জানান ।
আর কোথাও ঠিক কিংবা ভুল মনে হলে জানান ।