07/03/2025
মাগুরার ধর্ষিতা শিশু মেয়েটির মৃত্যুর খবর আমায় স্বস্তি দিয়েছে। মরে যাওয়ায় এক দিক থেকে মন্দের ভালো হয়েছে। বেঁচে থাকলে ট্রমা, শারীরিক ক্ষত, সামাজিক ও পারিবারিক অপমানের বোঝা নিয়ে তিলেতিলে মরতে হত পূজার মতন।
শিশু পূজা ধর্ষিত হবার পর, ওর প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা হারিয়েছে। সর্বদা প্রস্রাব করে, তাই পড়ালেখা ও বাহিরে যাওয়া বন্ধ। অন্যদিকে ওদের চোখের সামনে মাইক্রোবাসে করে ধর্ষক জামিনে বের হয়ে আসে। সাইফুল বাহিরে ঘুরবে, রাতে বউ নিয়ে ঘুমাবে আর পূজা ঘরে পঁচে পঁচে মরবে।
সুতরাং পূজার মতন জঘন্য জীবন যন্ত্রণা থেকে মেয়েটি বেঁচে গেছে।
আমি আশংকা করি, যারা যারা ধর্ষণ ও বর্বরতার পক্ষে সাফাই গায়, এই সাইকোলজি ও কালচারকে রক্ষা করার চেষ্টা করে, তাদের ঘরের সন্তান ও নাতি পুতিরা কি নিরাপদে থাকবে!! ওদের উপর যেন পূজাদের অভিশাপ না আসে।
✍️ রেজা খান