11/10/2022
#ভালো_তোকে_বাসতেই_হবে
#পাঠ_১
বড়লোক বাপের একমাত্র সন্তান অজান্তা। প্রচন্ড জেদি, বদমেজাজি তার সাথে আগুন ঝড়া
সুন্দরী ।
বি.বি.এ তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ।
এটাও বলা যায় যে, সে তার ভার্সিটির সেরা সুন্দরীর খেতাব পেয়েছে ।
কিন্তু দিন দিন মেয়েটা আদর পেয়ে পেয়ে বাদরে পরনতি হচ্ছে দেখে, তার মা বাবার চিন্তার শেষ নেই ।
সারাদিন, হই হুললা আর আড্ডা মেরে পার
করে ।
আর কথায় কথায় বাজি ধরে সবার সাথে ,,
বাজিটা সে জিতবেই জিতবে ।
তার মা বাবা তাকে, অনেক চেষ্টা করেও বসে আনতে পারে নি ।
কারণ তাদের একটাই মাত্র সন্তান
তাই আদর পেয়ে পেয়ে অনেকটা বেয়াদা হয়ে গেছে । আর এখন এটা এতোই বেশি যে, তাদের পক্ষে কন্টোল করা অসম্ভব হয়ে গেছে ।
তাই তার মা বাবা ঠিক করলো, মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিবে ।
কিন্তু এই মেয়ের সম্পর্কে জানার পর কেউ তাকে বাড়ির বউ বানাতে
চাইবে না ।
শেষে এক গভীর চিন্তায় পড়লো তারা ।
শেষে অজন্তার মা সামিহা বেগম এর মনে হলো তার গ্রামের বান্ধবীর কথা ।
ওরা গ্রামে থাকে ,, ওদের তো একটাই ছেলে আছে । আর তাকে এই অবস্থায় থেকে, একমাত্র তার বান্ধবীই উদ্ধার করতে পারে ।
সানিহা বেগম তার বান্ধবীর সাথে কথা বলপ জানতে পারলো , তার ছেলের লেখাপড়া প্রায় শেষ ।
তাই বিয়েতে আপত্তি নেই তার ।
আর তার ছেলেও,, সেও কথা দিলো কথা ফেলবে না ।
আর তার অজান্তা কে বেশ পছন্দ ।
তাই তিনি সামিহা বেগমকে পাকা কথা দিলেন ।
সামিহা বেগম গ্রামে গিয়ে তার বান্ধবীকে বুঝিয়ে বললো, আর তার সাথে তার বান্ধবীর ছেলেকেও দেখে আসলো ।
ছেলে দেখতে মাশাল্লাহ ।
সবদিক থেকেই পারফেক্ট । কিন্তু একটা সমস্যা ।
ছেলে গ্রামে লিখাপড়া করেছে তাই অজন্তার সাথে মানিয়ে নিতে পারবে না হয়তো ।
ছেলেকে সব বলে অজন্তার নাম্বারটা দিয়ে চলে আসে ।
তারা বাসায় এসে অজান্তাকে বিয়ের কথা বলে
কিছুদিনের জন্য ভার্সিটিতে যাওয়া অফ করে দিতে বলে ৷।
অজান্তা তো রেগে আগুন ।
এভাবে থাকার পর অজন্তার প্রায় দম বন্ধ হয়ে আসছিলো ।
তাই সে আর পারছিলো না । সে তার আম্মুর কাছে জানতে চাইলো ছেলের সম্পর্কে ।
সব জেনে অজন্তার চোখ লাল হয়ে গেল ।
সে আব্বু আম্মুর মুখ চেয়ে বিয়ে করতে পারে কিন্তু একটা গাইয়া খ্যাত ছেলেকে কখনো তার স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারবে না ।
যে করেই হোক বিয়েটা ভাঙতেই হবে ।
তাই অজান্তা ছেলেটির নাম্বার তার আম্মুর কাছ থেকে চেয়ে নিলো যে, সে ছেলেটির সাথে কথা বলে পরিচয় হতে