Shamima Akter Atika

Shamima Akter Atika Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shamima Akter Atika, Digital creator, Mithapukur, Rangpur.

শামীমা আক্তার অতিকা - কল্পনার সীমাহীন জগৎ

রহস্য, রোমাঞ্চ, ভূতুড়ে কাহিনি ও সিনেমাটিক গল্পের অনন্য দুনিয়া। আমার লেখায় মিলবে শিহরণ, ভালোবাসা ও অজানা সত্যের সন্ধান। কল্পনার পথে হারিয়ে যেতে আমার সঙ্গে থাকুন! 📖✨

যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়, জানবেন সে শু...
15/11/2025

যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়, জানবেন সে শুধু প্রেমিক নয়, সে একজন নিঃসন্দেহে নার্সিসিস্ট। এমন মানুষ নিজের আনন্দ আর তৃপ্তির জন্য আপনার মনকে খেলনার মতো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে, আপনার কষ্ট দেখেও শান্তির নিশ্বাস ফেলে।

নার্সিসিস্টদের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, প্রথম দেখায় আপনি বুঝতেও পারবেন না। তারা চমৎকারভাবে কথা বলতে জানে, আপনাকে মুহূর্তেই মুগ্ধ করবে, আপনার চোখে চোখ রেখে এমনভাবে হাসবে যে মনে হবে পৃথিবীর সেরা মানুষটিকে পেয়েছেন। তারা হয়তো খুবই স্মার্ট, বুদ্ধিমান, আর সবার মন জয় করতে ওস্তাদ।

কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, এরা আসলে ভয়ংকর এক ধরণের খেলোয়াড়। আপনার অনুভূতিগুলো আস্তে আস্তে তারা তাদের মুঠোয় পুরে নেয়, আপনাকে নিজের মতো করে ভাঙে গড়ে। যখন এদের আসল রূপ দেখবেন, তখন আবিষ্কার করবেন একেবারে ভিন্ন একজন মানুষ—যার মনে দয়া নেই, যিনি কেবল নিজের স্বার্থটুকু দেখে।

বিশ্ববিখ্যাত মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, নার্সিসিস্টরা একধরনের দ্বিমুখী জীবনযাপন করে। বাইরে মানুষকে দেখায় তারা কত মানবিক, কত সৎ আর কেয়ারিং। কিন্তু নিজের ঘরের দরজার ভেতর তারা হয়ে ওঠে হৃदयহীন, স্বার্থপর, আর নির্মম এক স্বত্বা—যা শুধু প্রিয় মানুষকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়।

এরা ভালোবাসা দিয়েই আপনাকে আটকাবে, আবার সেই ভালোবাসার নামেই আপনার মন ভেঙে ফেলবে। যখন আপনি এদের কথার বা ইচ্ছের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন, তখনই বুঝতে পারবেন তাদের আসল রূপ। আপনার চোখের জল, কাকুতি-মিনতি কিছুই তখন আর ওদের কাছে দাম পাবে না।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হলো, এরা কখনো পরিবর্তন হয় না। এরা মনে করে, তাদের কথাই সঠিক, তারা সবার চেয়ে আলাদা আর বিশেষ। আর সবচেয়ে কাছের মানুষটিকেই তারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়, মানসিক খেলায় পরিণত করে।

তাই যদি এমন কারো প্রেমে পড়েন, খেয়াল রাখবেন, যেন তার সুন্দর মুখোশের আড়ালে লুকোনো অন্ধকার আপনাকে গিলে না ফেলে।

✍️সংগৃহীত

“ছেলেরা কেন বিবাহিত নারীদের সঙ্গে প্রেম করে?” — জানলে কাঁপবে মন!আপনার স্বামীর অগোচরে কারো ‘I miss you’ মেসেজে বুক কেঁপে ...
01/11/2025

“ছেলেরা কেন বিবাহিত নারীদের সঙ্গে প্রেম করে?” — জানলে কাঁপবে মন!

আপনার স্বামীর অগোচরে কারো ‘I miss you’ মেসেজে বুক কেঁপে ওঠে?
রাতের নীরবতায় অন্য পুরুষের কণ্ঠে “একবার দেখা করবে?” শুনে শরীরে এক অজানা স্রোত বইতে থাকে?
ভেবে দেখেছেন, এই উত্তেজনাটাই কি আসল প্রেম — নাকি এক ভয়ঙ্কর ফাঁদ? 😶‍🌫️

অনেক বিবাহিত নারী একাকীত্বে ভুগে অন্য পুরুষের সঙ্গ খোঁজেন।
কিন্তু সত্যটা হলো — বেশিরভাগ পুরুষই প্রেম নয়, একটা খেলা খেলছে!
তারা চায় নিষিদ্ধ সম্পর্কের রোমাঞ্চ, কিন্তু চায় না দায়িত্ব, ভালোবাসা বা ভবিষ্যৎ।
আপনি তার কাছে প্রেমিকা নন, আপনি কেবল একটা ‘Ego Boost’ —
একটা জেতার ট্রফি, এক রাতের গল্প।

একবার ভাবুন তো —
🔹 যে পুরুষ অন্যের সংসার ভাঙতে পারে, সে কি আপনার প্রতি বিশ্বস্ত হবে?
🔹 যে আপনাকে ভালোবাসার নামে শরীর চায়, সে কি আপনার জীবনের ঝড় সামলাবে?
🔹 আজ আপনি তার উত্তেজনা, কাল আপনি তার অতীত — এই সত্যটা মেনে নিতে পারবেন?

💡 Solution (উপায় ও বুদ্ধিদীপ্ত দিকনির্দেশনা)
❤️ নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের মর্যাদা চিনুন।
❤️ আপনার সংসার নিস্তেজ মনে হলেও, যোগাযোগ আর বোঝাপড়ার পথ এখনো খোলা।
❤️ অন্যের বাহুতে আশ্রয় খোঁজার আগে নিজের মনের ভেতর শক্তির জায়গা খুঁজে নিন।
❤️ কাউকে ভালো লাগতেই পারে, কিন্তু মনে রাখুন — নিষিদ্ধ সম্পর্ক কখনো শান্তি দেয় না, শুধু পুড়িয়ে দেয় ভেতরটা।

“জেলখানা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, কিন্তু এই প্রেমিকের রঙিন ফাঁদ — সেটাই আসল জাহান্নাম।” 🔥

👉 আপনি কি মনে করেন, বিবাহিত নারীর সাথে প্রেম মানেই প্রতারণা?
👉 নাকি কখনও সত্যিকারের অনুভূতিও থাকতে পারে?
কমেন্টে লিখে জানান আপনার মতামত 💬👇

এই লেখাটা যদি একজন নারীকে ভুল সিদ্ধান্ত থেকে বাঁচাতে পারে,
তাহলে Share করুন — কারও জীবন হয়তো বদলে যাবে আজই। 🙏

🔸 নিজের জীবনকে কখনো অন্যের অস্থিরতার হাতে তুলে দেবেন না।
🔸 সম্পর্ক নয়, সম্মানই হোক ভালোবাসার শুরু।
🔸 শরীরের চেয়ে মন জয় করতে পারে এমন মানুষকেই আসল প্রেমিক বলার যোগ্য।

#বিবাহিত_নারী #সম্পর্কের_বাস্তবতা #প্রেম_নাকি_প্রতারণা #নারীর_আত্মসম্মান

১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথা ব্যথা বা দাঁতের সমস...
26/10/2025

১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথা ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হয়নি। তিনি বলেছিলেন, "কলকাতায় রেললাইনের কাজ করার সময় একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি আমাকে শিখিয়েছিলেন যে, ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।"

২। একজন ছাত্র জানিয়েছে, তার মায়ের পরামর্শে সে তেল লাগানোর অভ্যাস করেছিল। তার মায়ের দৃষ্টিশক্তি একসময় কমে গিয়েছিল, কিন্তু তেল লাগানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৩। এক ব্যবসায়ী চিত্রালে একবার ঘুমাতে না পারায় এক বৃদ্ধ রাত্রিকালীন প্রহরী তাকে পায়ের তলায় তেল লাগানোর পরামর্শ দেন। ফলস্বরূপ, তিনি গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন।

৪। ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে ক্লান্তি দূর হয় এবং গভীর ঘুম আসে।

৫। আমার পেটের সমস্যাও পায়ের তলায় তেল লাগানোর মাধ্যমে দুই দিনের মধ্যে সেরে গেছে।

৬। তেল লাগানোর এই অভ্যাসে সত্যিই জাদুর মতো কাজ করে!

৭। আমি ১৫ বছর ধরে এটি করছি। আমার সন্তানদেরও পায়ের তলায় তেল লাগাই, এতে তারা সুস্থ থাকে।

৮। পায়ে ব্যথা ছিল, তেল লাগিয়ে ব্যথা দূর হয়েছে।

৯। পায়ের ফোলাভাবও মাত্র দুই দিনে কমে গেছে।

১০। এটি ঘুমের ওষুধের থেকে ভালো কাজ করে।

১১। একজন থাইরয়েড রোগী তেল লাগানোর অভ্যাসে ধীরে ধীরে সুস্থতা লাভ করেছেন।

১২। বয়স ৯০-এর এক হাকিম আমাকে বাওয়াসিরের চিকিৎসায় তেল লাগানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। এটি শুধু বাওয়াসিরই নয়, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের ক্লান্তিও দূর করেছে।

পদ্ধতি

রাতে ঘুমানোর আগে সরিষার তেল, জলপাই তেল বা যে কোনো তেল পায়ের তলায় ২-৩ মিনিট ধরে ভালোভাবে মালিশ করুন। শিশুদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন।

প্রাচীন চীনা চিকিৎসা মতে, পায়ের নিচে প্রায় ১০০টি এক্যুপ্রেশার পয়েন্ট রয়েছে, যেগুলো মালিশের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখে।

শেয়ার করুন:

এই সহজ অথচ কার্যকর পদ্ধতিটি সবার সাথে শেয়ার করুন। এটি আপনার জন্য সওয়াবের কাজ হবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন।

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন প্লিজ।

মা হওয়া নিঃসন্দেহে এক অনন্য অনুভূতি। তবে এই অনুভূতির মাঝেই নিজের ভেতরে এক নীরব যুদ্ধ শুরু হয় নতুন মায়েদের।নতুন মা হওয়ার ...
24/10/2025

মা হওয়া নিঃসন্দেহে এক অনন্য অনুভূতি। তবে এই অনুভূতির মাঝেই নিজের ভেতরে এক নীরব যুদ্ধ শুরু হয় নতুন মায়েদের।

নতুন মা হওয়ার পর হঠাৎই অনেকের মনে হয়, “আমি কি ভালো মা হতে পারছি?”, “বাচ্চাকে ঠিকভাবে সামলাতে পারছি তো?”, “সবাই তো খুশি, শুধু আমারই কেন মন খারাপ লাগছে?”- এই প্রশ্নগুলোই ধীরে ধীরে একটা অপরাধবোধে পরিণত হয়।

Postpartum Depression (PPD) বা মাতৃত্বের পরের বিষণ্ণতায়- নিজের প্রতি রাগ, আবার কান্না চলে আসে। অকারণে মনে হয়, সবাই বিচার করছে, আমি ব্যর্থ, আগের মতো কোনো কিছুরই আনন্দ লাগে না। ঘুমাতে পারছেন না, ক্লান্ত লাগছে সারাদিন, নিজের শরীরের পরিবর্তনেও অসহায় লাগে। সব কিছু যেন কেমন অসহ্য লাগে।

এগুলো এক মানসিক অবস্থা, যা অনেক নতুন মায়ের হয়, কিন্তু খুব কমজনই সাহস করে এইটা নিয়ে কথা বলেন।

কেন অপরাধবোধ তৈরি হয়?

কারণ মা হওয়ার পর সবাই আপনার কাছে আশা রাখে, আপনি সব সামলাবেন হাসিমুখে, কখনও ভাঙবেন না, ক্লান্ত হবেন না।

সবাই বাচ্চার যত্ন নেই খোঁজ-খেয়াল রাখে, যত্ন করে কিন্তু নতুন মা কে কেউ জিজ্ঞেস করে না, সে কেমন অনুভব করছেন?

ঘুমহীন রাত, শরীরের ব্যথা, বাচ্চার কান্না, হরমোনের পরিবর্তন, নিজের আবেগ, সব মিলিয়ে এক সময় মনে হয়, নতুন মায়ের মনে হয় সে যথেষ্ট নন।

আপনি যতটা পারেন, ঠিক ততটাই দিচ্ছেন।

আপনি দুর্বল নন, আপনি ক্লান্ত এক যোদ্ধা, যে প্রতিদিন নিজের সীমা ছুঁয়ে যায় মায়া আর ভালোবাসার টানে।

কীভাবে সামলাবেন এই অনুভূতি?

নিজেকে সময় দিন – সবকিছু একসাথে করতে না পারলে কোনো সমস্যা নেই।

খোলামেলা কথা বলুন – স্বামী, পরিবার বা একজন অভিজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন।

ঘুম ও খাবারের প্রতি খেয়াল রাখুন – শারীরিক ক্লান্তি মানসিক অবস্থাকে আরও খারাপ করে।

দৈনিক ছোট ছোট সেলফ-কেয়ার রুটিন তৈরি করুন – যেমন বাচ্চা ঘুমালে নিজেও একটু ঘুমানো, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, হাঁটাহাঁটি, প্রার্থনায় মন দেয়া, পরিবারের সাথে সময় কাটানো, ভালো লাগার কোনো কাজ করা- যেমন - আপনার স্কিন অথবা চুলের যত্ন নেয়া।

অপরাধবোধ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন, আপনি আপনার বেষ্ট চেষ্টা করছেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মানুষ বলে এতো দোয়া করে কি লাভ, যা হবার তা তো এমনিতেই হবে,তাকদীরে যা আছে তাই হবে।কিন্তু আপনি কি জানেন, দোয়া তাকদীর পর্যন্...
22/10/2025

মানুষ বলে এতো দোয়া করে কি লাভ, যা হবার তা তো এমনিতেই হবে,তাকদীরে যা আছে তাই হবে।কিন্তু আপনি কি জানেন, দোয়া তাকদীর পর্যন্ত বদলে পারে।তাই আপনার যা যা চাওয়ার তা অবশ্যই চাইবেন,কল্যাণের সাথে চাইবেন।আল্লাহ অবশ্যই সহজ করে দিবেন।হয়তো যা চাইছি তা সাথে সাথেই আমরা পেয়ে যাবো না কারণ এটা দুনিয়া এটা জান্নাত নয়।এই দুনিয়াতে হয়তো চাওয়া মাত্রই আপনি সব পেয়ে যাবেন না কিন্তু আল্লাহ আপনাকে ফিরিয়েও দিবেন না।
আল্লাহ জীবনটাকে সহজ করে দিবেন।জীবনে অনেকখানি স্বস্তি দিবেন।হয়তো আপনার পথ চলাটা কঠিন তবুও আল্লাহ তো সাথে আছেন।এর চেয়ে স্বস্তি আর কি হতে পারে বলতে পারেন? আর আল্লাহ সাথে থাকলে আপনার পথ চলা যতোই কঠিন হোক দিনশেষে তার একটা সুন্দর সমাপ্তি আপনি পাবেনই।তাই আশা হারাবেন না, নিজেকে আল্লাহর কাছে সঁপে দিন, আল্লাহর সাহায্য আসবেই আসবে।

#নাহিদা_তুশি

20/10/2025

আমার ছোট মেয়ে মাশাআল্লাহ! সবাই দোয়া করবেন।

19/10/2025

আমার বাচ্চারা কি পরিমাণে অস্হির তা বলার বাহিরে।
এই ভিডিওটা দেখলে তা বোঝা যায়!!
আল্লাহুম্মা বারিক লাহু

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সচরাচর এমনই দেখা যায়।  কি বলেন আপনারা?
17/10/2025

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সচরাচর এমনই দেখা যায়। কি বলেন আপনারা?

একজন পুরুষ মানুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই মানসিক শান্তি আসে, আর অন্যদিকে একজন নারীর মানসিক চাহিদা পূরণ হলেই শারীরিক চা...
11/09/2025

একজন পুরুষ মানুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই মানসিক শান্তি আসে, আর অন্যদিকে একজন নারীর মানসিক চাহিদা পূরণ হলেই শারীরিক চাহিদায় আগ্রহী হয়।

📍এ ক্ষেত্রে পরস্পর পরস্পরকে বুঝতে হয়, পরস্পরের মনের অভিব্যক্তি বোঝার চেষ্টা করতে হয়। অযথা পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ না করে, পরস্পরের চাহিদা অনুযায়ী চললেই সংসারে শান্তি বিরাজ করে।

একটা বয়সের পর নারীদের শারীরিক চাহিদা কমতে থাকে। তাদের চিন্তাভাবনা শরীরকেন্দ্রিক না হয়ে, মানসিক দিকটা বিবেচনা করে।

📍এই বয়সে তারা চায়, গল্প করার মতো একটা বিশ্বস্ত মানুষ। সারাদিনের জমানো দুঃখ-কষ্ট, অনুভূতি অভিব্যক্তি সবটা উজার করে বলার মতো একজন বিশ্বস্ত মানুষ।

📍শারীরিক চাহিদা এই বয়সে তাদের কাছে কোনো Matter ই করে না। তারা মূলত সঙ্গীর কাছ থেকে একান্ত কিছু মূহুর্ত চায়, তারা গল্প করতে চায়, প্রিয় মানুষটার সাথে সারাক্ষণ বকবক করতে চায়। কারণে– অকারণে অভিমান করতে চায়, প্রিয় মানুষটা অভিমান ভাঙ্গাবে বলে।

📍তবে নারীদের শারীরিক চাহিদা কমার ক্ষেত্রে বয়সের থেকে পরিস্থিতি বেশি দায়ী! মানসিক অশান্তি, পারিবারিক কলহ, অভাব-অনটন, দুশ্চিন্তার কারণে অনেক সময় নারীরা তাদের অনুভূতি হারিয়ে ফেলে!

📍আর যখন তারা মানসিক অশান্তি থাকে, তখন কেবলই চায় গল্প করার মতো একটা মানুষ। প্রতিটা হাজব্যন্ডের উচিত এই সময়টাতে স্ত্রীকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া, মানসিক সাপোর্ট দেয়া। সম্ভব হলে স্ত্রীকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া।

📍কেননা পুরুষ মানুষের শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকলে, সংসারে অশান্তি অনিবার্য! তবে এটাও খেয়াল রাখতে হবে; এই সময়ে স্ত্রীর মন যদি ভালো না থাকে তবে শারীরিক চাহিদা তার মনে কখনোই জাগবে না।

📍নারীরা সরাসরি মুখে কিছু বলে না, তবে তার পুরুষ সঙ্গীকে অবশ্যই তার মনের আকুলতা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। একজন নারী যখন মানসিক দিকে সাপোর্ট পাবে, মানসিক শান্তিটা তার মধ্যে বিরাজ করবে, ঠিক তখনই সে শারীরিক ভাবে প্রস্তুত। নতুবা মনে অশান্তি রেখে কোনো নারী কখনো সঙ্গীর ধারে কাছেও যেতে চায় না!

📍সংসারে একজন স্বামীর জন্য যেমন শারীরিক চাহিদা মিটানো জরুরী, ঠিক তেমনি একজন স্ত্রীর মানসিক চাহিদা মিটানো আরও বেশি জরুরী

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ভালোকে আমরা এসোশিয়েট করি কে কতোটুকু অনাচার মুখ বুজে সহ্য করে নিতে পারে তার উপর।ঘরের বড় মেয়ে ...
23/07/2025

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ভালোকে আমরা এসোশিয়েট করি কে কতোটুকু অনাচার মুখ বুজে সহ্য করে নিতে পারে তার উপর।
ঘরের বড় মেয়ে নীতা ভালো। কারণ তাকে ভালো টিউশন দেয়া হয়না তবুও সে ভালো রেজাল্ট এনে দেয়, তার খাওয়া নিয়ে বাছবিচার নেই, তাকে বাসি আলুভাজি দিয়ে ভাত খেতে দিলেও সে দোষ ধরেনা।
মেঝো মেয়ে রীতা ভালো না কারণ সে তার পছন্দ অপছন্দ সম্বন্ধে যথেষ্ট লাউড এবং সহজে সে তার নিজের জায়গা থেকে নড়ে না।

শাহেদ ভাই ভালো কারণ সে কখনো তার মায়ের বিপক্ষে কথা বলেনা এবং বউ এর বিপক্ষেও কথা বলেনা। দরজার ওপাশে বউয়ের আর এপাশে মায়ের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলের ভিকটিম হতে হতে শাহেদ ভাইয়ের দুইচোখই গর্তে ঢুকে গেছে কিন্তু যেহেতু শাহেদ ভাই ভালো, সে কিছুতেই এই সাইকেল থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না। অন্যদিকে শাফীন ভাই, যেকোনো ঝামেলায় আগে বিচার করেন বউ অথবা মা কার কথায় যুক্তি বেশি। দুইপক্ষের আলোচনা শুনার পর নিজের ক্যালকুলেশনকে প্রায়োরিটাইজ করে শাফীন ভাই নিজের দিকের স্টেটমেন্ট দিয়ে দেন এবং তাতেই অনড় থাকেন। এতে করে বউ বা মা যেকোনো একজন সবসময় প্রথমে অসন্তুষ্ট হলেও ইন দ্যা লং রান ফ্যামলিতে শাফীন ভাইয়ের জায়গাটা ফিক্সড থাকে৷ তবে এর প্রাইস পে করতে গিয়ে শাফীন ভাই কখনোই নিজে একজন শতভাগ ভালো ছেলে অথবা ভাল স্বামী হয়ে উঠতে পারেন না।

টুম্পা ভাবীর মতো ভালো মানুষ পৃথিবীতে দুইটা নাই। যখন তখন কোনো রকম ডিসক্লেইমার ছাড়া তার ঘরে গিয়ে হাজির হওয়া যায়। এমনকি বাচ্চাদের পরীক্ষার সময় ঘরভর্তি মেহমান থাকলেও টুম্পা ভাবী তার বাচ্চাদেরকেই ম্যানেজ করান মেহমানদের উপস্থিতি ইগনোর করে ১০০% মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার জন্য। অথচ তিনি তো রূম্পা ভাবীর মতোও হতে পারতেন, যিনি কিনা আগে থেকে ইনফর্ম করে না আসলে একটু বিরক্তই হন! তার ভাষ্যমতে মেহমান আসার জন্য নাকি আগে থেকে প্রিপারেশন নেয়া লাগে!
ক্যাম্পাসের নাদিয়া আপু। কোনোভাবে যেদিন ওনার সাথে একসাথে ভার্সিটি যাওয়া যায় ভাড়াটা উনিই দিয়ে ছাড়েন! অথচ সাদিয়া আপু ডিরেক্ট বলে ফেলেন "এর আগেরবার আমি দিয়েছিলাম, এবার তুমি দাও।"

বন্ধু মাহীন একদম মাটির মানুষ। পরীক্ষার আগের দিন রাত তিনটায় কল দিলেও ভিডিও কলে বসে বসে সব কিছু বুঝায় দেয়। অন্যদিকে তানভীর, মুখের উপর বলে দিবে, "দোস্ত এখন যদি তোকে বুঝাইতে যাই আমার পরীক্ষাটা খারাপ হবে। তোর উচিৎ ছিলো আমাকে দুইদিন আগে নক দেয়া।"

মানুষের চোখে পৃথিবীতে সবচেয়ে ভালো প্রাণী হচ্ছে গাধা। তাকে পোষ মানানো সহজ, তাকে দিয়ে নিজের বোঝা টানানো সহজ। গাধা প্রশ্ন করতে জানেনা, ক্যালকুলেট করতে জানেনা। গাধা কখনো, কোনো পয়েন্টে গিয়ে ভাবেনা "আমি কেন দিনের পর দিন অন্যের বোঝা টেনে যাচ্ছি।"
গাধা একসময় ক্লান্ত হয়ে যায়। সেদিন সে ইনিয়েবিনিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করে তাকে দিয়ে আর সম্ভব হচ্ছেনা। তখন মানুষ সেই গাধাকে ডিসকার্ড করে অন্য গাধা খুঁজে নেয়৷ কারণ, গাধার মুখে প্রশ্ন বেমানান। যুক্তি অকাম্য। যেই মুহূর্তে গাধা বুঝতে পারে All along, he has been only support, গাধার নিজেকে দেয়ার জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা।
অনাচার সহ্য করার মধ্যে কোনো ভালো নেই। কোনো সাহসিকতা নেই। একচেটিয়া সবার পোষ মেনে নেয়ার মধ্যে কোনো স্বকীয়তা নেই।

বয়স বাড়তে বাড়তে একদিন ঠিকই মাথায় হিট করে এসব। People pleasing is fun untill you realise people can, however, never be pleased.
তার চেয়ে বরং সিংহ হন, মানুষের চোখে রাগী ট্যাগ পাবেন, কিন্তু নিজের পারসোনাল একটা বাউন্ডারি তো থাকবে!
"ভালো" জিনিসটা আসলে বিশাল বড় একটা স্ক্যাম।
পৃথিবীতে যতো বেশি মানুষের কাছে আপনি ভালো, আপনি আসলে ততো ইজিলি কাস্টমাইজ্যাবল।

CP

একটা ভয়ংকর সত্যি যে, আগুনে পো*"ড়া রোগীর ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করে তার শরীরের কত শতাংশ পুড়েছে তার ওপর।শরীরে কতটুকু পুড়...
22/07/2025

একটা ভয়ংকর সত্যি যে, আগুনে পো*"ড়া রোগীর ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করে তার শরীরের কত শতাংশ পুড়েছে তার ওপর।

শরীরে কতটুকু পুড়ল, তা মাপার জন্য ডাক্তাররা “রুল অফ নাইনস” (Rule of Nines) নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেন।

একটা পুরো হাত (সামনে-পেছনে) পুড়ে গেলে ধরা হয় ৯%। একটা পুরো পা (সামনে-পেছনে) পুড়ে গেলে ধরা হয় ১৮%। শরীরের সামনের পুরো অংশ (বুক-পেট) ১৮% এবং পেছনের পুরো পিঠ ১৮%।


কারো যদি শুধু দুই হাত আর সামনের পুরো শরীরটা পুড়ে যায়, তাহলেই তার প্রায় (৯+৯+১৮) = ৩৬% পোড়া হয়ে যায়।

কারো শরীর যদি ৪০% এর বেশি পুড়ে যায় তবে তার মৃ*"ত্যু"ঝুঁকি ৯০% বেড়ে যায়। কারণ, পোড়া শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও দরকারি তরল বেরিয়ে গিয়ে শরীর পানিশূন্য (dehydration) হয়ে পড়ে। এরপরই হয় ইনফেকশন। এরপর মারাত্মক জীবাণু রক্তে মিশে গিয়ে সেপসিস (sepsis) ঘটায়।

আগুনে পোড়ার রোগীরা প্রথম কয়েকদিন কথা বলে, হাঁটাচলাও করতে পারে, দেখে মনে হয় সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু কিছুদিন যেতেই পানিশূন্যতা আর ইনফেকশনের কাছে শরীর হার মানতে শুরু করে। চিকিৎসা দিয়ে হয়তো ৪-৫ দিন বা তার কিছু বেশি সময় লড়াইটা চালানো যায়, কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না।

যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সামনের দিনগুলোতে প্রতিদিনের খবরে ২-৩ জন করে মৃ"ত্যু"র সংবাদ আসাটা এক অবধারিত ও হৃদয়বিদারক বাস্তবতায় পরিণত হতে পারে।

মহান আল্লাহ প্রতিটি পরিবারকে তাঁর কুদরতি রহমত দিয়ে এই ভয়াবহ শোক সামলানোর শক্তি দিন। তাদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

Written By: AH Abubakkar Siddique

আপনি যদি এমন কোন নারীকে জীবনসঙ্গী করতে চান—যিনি soft, surrendered, আর deeply connected থাকবেন আপনার সঙ্গে—তাহলে আপনাকেই ...
18/07/2025

আপনি যদি এমন কোন নারীকে জীবনসঙ্গী করতে চান—যিনি soft, surrendered, আর deeply connected থাকবেন আপনার সঙ্গে—তাহলে আপনাকেই হতে হবে সেই পুরুষ, যিনি lead করেন love দিয়ে, আর stability ও security provide করেন

একটা কথা মনে রাখবেন…

যদি তাকেও hustle করতে হয় আপনার মতো, বাইরে গিয়ে same burden carry করতে হয়, আর constant battle করতে হয় জীবন নিয়ে, তাহলে naturally সে feminine থেকে masculine energy-তে shift করবে।

সে তখন challenge করবে আপনার leadership! একারনে না যে, সে disrespect করছে, বরং এই কারণ যে সে তখন survival mode-এ আছে, surrender নয়।

একজন truly feminine woman তখনই bloom করে, যখন সে feel করে she is safe.
সে তখনই মন দিয়ে শুনে, যখন সে বুঝতে পারে she’s seen, she matters.

সে follow করে তখনই, যখন সে দেখে আপনার direction আসছে care থেকে, control থেকে না।

So, ask yourself honestly—

আপনি কি এমন একটা home বানাচ্ছেন, যেখানে সে নিজের softness নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারে?
নাকি আপনি নিজের অজান্তেই তাকে একটা warrior-এ পরিণত করছেন, যাকে নিজের protection নিজেকেই করতে হয়?

Lead করুন তবে not to dominate, but to create space for her to be in her feminine.

Provide করুন but not just টাকা দিয়ে, but with your presence, emotional safety, আর grounded support দিয়ে।

Because, যত বেশি সে feel করে সে secure আপনার leadership-এ, তত বেশি সে flow করবে grace, trust, আর deep devotion নিয়ে।

Often, a woman’s behavior reflects the environment she lives in—if her partner is emotionally unavailable, disrespectful, or unsupportive, it can deeply impact her attitude and mental well-being.

Cp@Sajiatonny

Address

Mithapukur
Rangpur
5460

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamima Akter Atika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share