Shamima Akter Atika

Shamima Akter Atika Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shamima Akter Atika, Digital creator, Mithapukur, Rangpur.

শামীমা আক্তার অতিকা - কল্পনার সীমাহীন জগৎ

রহস্য, রোমাঞ্চ, ভূতুড়ে কাহিনি ও সিনেমাটিক গল্পের অনন্য দুনিয়া। আমার লেখায় মিলবে শিহরণ, ভালোবাসা ও অজানা সত্যের সন্ধান। কল্পনার পথে হারিয়ে যেতে আমার সঙ্গে থাকুন! 📖✨

06/01/2026

আমার মেয়ের খুনসুটি মাশাআল্লাহ!

স্বামী বাসায় ঢোকে, কিন্তু মনটা ঢোকে না তার বাসায় অনেক অনেক বছর। মনটা যেন অন্য কোথাও রেখে আসে। একই বিছানায় ঘুমায়, তবু দু’...
04/12/2025

স্বামী বাসায় ঢোকে, কিন্তু মনটা ঢোকে না তার বাসায় অনেক অনেক বছর। মনটা যেন অন্য কোথাও রেখে আসে।

একই বিছানায় ঘুমায়, তবু দু’জনের মাঝখানে থাকে বিশাল এক দূরত্ব। এমন দূরত্ব, যা চোখে দেখা যায় না- কিন্তু হৃদয় ছিন্নভিন্ন করে দেয় প্রতিদিন। ফোনটা হাতে নিয়ে সে (স্ত্রী) বসে থাকে অনেক রাত অবধি। আগের মতো আর কেউ জিজ্ঞেস করে না, “খেয়েছো?”, “ঘুমাবে না?”

যেভাবে যাপিত হচ্ছে পরকীয়া আক্রান্ত স্বামীর ঘরে ভুক্তভোগী স্ত্রীর জীবন........

তিনি (স্ত্রী) ভাবেন, “আমার কি তবে বিয়ে ভেঙে গেছে?” কিন্তু আবার পরক্ষণেই নিজেকে নিজেই বলেন, “না তো, কোর্টকাচারিতে তো কেউ যায়নি। নোটিশ, কাজী অফিস, সালিশি বোর্ড ইত্যাদি করা হয়নি কখনও। তালাক তো হয়নি আমাদের!”

তবু সে জানে, মানুষটিকে হারিয়েছে সে; দিনের আলোয়, সংসারের মধ্যেই আস্ত মানুষটাকে! একই ছাদের নিচে থেকেও, সে একা, সম্পূর্ণ একা। এই অবস্থাকে বলে সাইলেন্ট ডিভোর্স (Silent Divorce)। রাষ্ট্রিয় আইনে এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিয়ে টিকে আছে, কিন্তু সম্পর্ক মৃত।

সাইলেন্ট ডিভোর্সের লক্ষণগুলো

• উভয়ের প্রতি আগ্রহের অভাব।
• কথোপকথন নেই বললেই চলে।
• মানসিক দূরত্ব আকাশ সমান।
• নীরব অবহেলা।
• সব রকম শারীরিক সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া।
• শুধু সাংসারিক দায়িত্বগুলো টিকে আছে, কিন্তু অনুভূতি নেই।
• কখনো কখনো বাসায় থাকলেও ‘স্বামী’ হিসাবে তিনি যেন চুড়ান্ত ভূমিকাহীন, নির্লিপ্ত।

অনেক নারী এই অবস্থায় বছরের পর বছর কাটিয়ে দেন, কারণ সমাজ বলে, “বিয়ে আছে, তাই সংসার আছে।” কিন্তু আসলে, যেখানে ভালোবাসা নেই, সেখানে সংসার শুধু একটি কাঠামো, দিন পার করবার অপচেষ্টা মাত্র।

আইন কী বলে? এই অবস্থায় নারীর করণীয়?
বাংলাদেশের আইন নীরব তালাক বা Silent Divorce বলে কোন শব্দ নেই। এই শব্দের ব্যবহার না করলেও, মানসিক-দাম্পত্য বিচ্ছিন্নতা আইনি ভিত্তি তৈরি করে বিভিন্ন প্রতিকার পাওয়ার:

- বিবাহ বিচ্ছেদ (Dissolution of Marriage)- ন্যায়সঙ্গত কারণ। স্বামী দীর্ঘদিন সম্পর্কহীন, অবহেলা, দাম্পত্য অধিকার লঙ্ঘন করলে এটি বিবাহ বিচ্ছেদের একটি বৈধ কারণ।

- ভরণপোষণ (Maintenance) দাবি। স্বামী যদি আর্থিক, মানসিক বা দাম্পত্য দায়িত্ব না নেন, স্ত্রী Family Court-এ খোরপোষ মামলা করতে পারেন।

- দাম্পত্য সম্পর্ক পূনরুদ্ধার (Conjugal Rights Restoration) মামলা। স্বামী ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী থেকে দূরে থাকলে, এই মামলা দাম্পত্য দায়িত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য করা যায়।

- পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ (Domestic Violence Act, 2010) “মানসিক নির্যাতন” এই আইন অনুযায়ী একটি শারীরিক নয় এমন সহিংসতা এবং স্ত্রী সুরক্ষা আদেশ/পৃথক বসবাসের আদেশ/আর্থিক সমায়তা (Protection Order/Residence Order/Monetary Relief) চাইতে পারেন।

কিন্তু প্রশ্ন- সবকিছু কি বিচ্ছেদেই শেষ?

না। অনেক সময় Silent Divorce শুরু হয়, ভুল বোঝাবুঝি, যোগাযোগের অভাব, মানসিক চাপ এবং সবথেকে বেশি সেই অতিপরিচিত কারণ “পরকীয়া”। সঠিক সময়ে কথা বলা, কাউন্সেলিং ও আইনি পরামর্শ, অনেক সম্পর্ক রক্ষা করতে পারে।

সোজা কথা:
নীরব তালাক বা Silent Divorce মানে বিয়ে ভাঙেনি, কিন্তু সম্পর্ক বেঁচে নেই। একে অবহেলা করবেন না। সমস্যাটাকে চেনা, বোঝা, তারপর আইনি ও মানসিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া, এটাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

পোস্টটি শেয়ার করুন, তাতে আপনার কাছের মানুষজন সচেতন হবেন, উপকৃত হবেন।

#পরকীয়াপ্রতিরোধআন্দোলন #পারিবারিক_আইন

আপনি কি অতিরিক্ত 'ভালো মানুষ' হওয়ার ট্র্যাপে আটকে আছেন?এই পৃথিবীতে আপনি ১০০% ভালো মানুষ হয়ে কি আদৌ টিকে থাকতে পারবেন? বা...
29/11/2025

আপনি কি অতিরিক্ত 'ভালো মানুষ' হওয়ার ট্র্যাপে আটকে আছেন?

এই পৃথিবীতে আপনি ১০০% ভালো মানুষ হয়ে কি আদৌ টিকে থাকতে পারবেন?

বাস্তবতা হলো- পারবেন না। আপনাকে হতে হবে ভালো আর খারাপের মাঝামাঝি- একটু সাদা, একটু কালো মিলে একটা ‘গ্রে’ বা ধূসর রঙের মানুষ।

বেঁচে থাকার জন্য কিছু স্কিল আপনার থাকা খুব জরুরি। লিস্ট করে দিচ্ছি, মিলিয়ে নিন আপনি এই সিচুয়েশনগুলো হ্যান্ডেল করতে পারেন কিনা…

১. বিচার করার ক্ষমতা
আপনাকে জানতে হবে রাস্তার বয়োবৃদ্ধ ভিক্ষুককে কীভাবে সম্মান দিয়ে ২০ টাকা দিতে হয়। আবার এটাও জানতে হবে, কীভাবে নেশাখোর ভিক্ষুককে দেখামাত্র এড়িয়ে যেতে হয়। সহানুভূতি ভালো, তবে অন্ধ সহানুভূতি নয়।

২. আত্মীয়-স্বজনের সাথে ডিল করা
ফ্যামিলি ফাংশনে যে আঙ্কেল-আন্টি আপনাকে আসলেই আদর করেন, তাঁদের কদমবুসি করে সম্মান জানানোটা যেমন জরুরি, ঠিক তেমনই জরুরি- যে আঙ্কেল-আন্টি সবসময় আপনাকে জাজ করেন, তাদের দেখেও না দেখার ভান করা।

৩. বুলিং বা খোঁচা মারা মানুষদের চিনে রাখা
ক্লাসে বা কলিগদের মধ্যে কেউ যদি আপনাকে সারা বছর এগ্রেসিভ বা প্যাসিভ ওয়েতে খোঁচা দেয়, তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং জানতে হবে, কীভাবে একদিন তাকে পাকড়াও করে উচিত শিক্ষাটা দেওয়া যায়। সব সময় হজম করতে নেই।

৪. অফিসের পলিটিক্স
অফিসে বসের সামনে কীভাবে 'গুড বুক'-এ থাকতে হয় সেটা যেমন শিখবেন, ঠিক তেমনই যে কলিগ আপনাকে সারাক্ষণ বুলি করে, তাকে কীভাবে চিপায় ফেলে সাইজ করতে হয়- সেই বিদ্যাও জানা থাকা চাই।

সব সময় কি চিল্লাপাল্লা করার দরকার আছে?

না।

সাইলেন্স বা নীরবতা এই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী শব্দ। কিন্তু সমস্যা হলো, দুনিয়ার সবাই এই ‘সাইলেন্স থেরাপি’ বোঝে না। কিছু মানুষ এতটাই বোকা যে তারা আপনার নীরবতাকে দুর্বলতা মনে করে।

তখন কী করবেন?

তখন আপনাকে ‘স্পিক আপ’ করতে হবে। এটা অন্য কারো জন্য নয়, এটা আপনার নিজের জন্য দরকার।

নিজের মেন্টাল হেলথ, নিজের নার্ভাস সিস্টেম রিসেট করার জন্য দরকার। নিজের ইমোশন বা ক্ষোভ যদি দিনের পর দিন চেপে রাখেন, তবে সেগুলো আস্তে আস্তে ট্রমাতে পরিণত হবে।

মনে রাখবেন… এই দুনিয়া যদি একটা পাগলাগারদ হয়, তবে আপনাকে হতে হবে সবচেয়ে বড় পাগল।

আর যদি ভাবেন, ওরা যা করছে তা না বুঝে করছে- তবে আপনি ভুল।

ওরা জেনেশুনেই আপনাকে আঘাত করছে। তাই এখানে টিকে থাকার জন্য যা যা করা দরকার, তার প্রতিটি কাজ আপনাকে করতে হবে। মেন্টালি স্ট্রং থাকা খুব জরুরী, তবে ইসলামী নিয়ম অনুসারে মেয়েদের নমনীয় হয়ে চলাটাই শ্রেয় বলে আমি মনে করি। বুদ্ধিমত্তার সাথে অন্যায়কে দমন করতে পারলে আপনি ভাল থাকতে পারবেন। চারদিকে টক্সিক মানুষের অভাব নেই।

(collected)

যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়, জানবেন সে শু...
15/11/2025

যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়, জানবেন সে শুধু প্রেমিক নয়, সে একজন নিঃসন্দেহে নার্সিসিস্ট। এমন মানুষ নিজের আনন্দ আর তৃপ্তির জন্য আপনার মনকে খেলনার মতো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে, আপনার কষ্ট দেখেও শান্তির নিশ্বাস ফেলে।

নার্সিসিস্টদের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, প্রথম দেখায় আপনি বুঝতেও পারবেন না। তারা চমৎকারভাবে কথা বলতে জানে, আপনাকে মুহূর্তেই মুগ্ধ করবে, আপনার চোখে চোখ রেখে এমনভাবে হাসবে যে মনে হবে পৃথিবীর সেরা মানুষটিকে পেয়েছেন। তারা হয়তো খুবই স্মার্ট, বুদ্ধিমান, আর সবার মন জয় করতে ওস্তাদ।

কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, এরা আসলে ভয়ংকর এক ধরণের খেলোয়াড়। আপনার অনুভূতিগুলো আস্তে আস্তে তারা তাদের মুঠোয় পুরে নেয়, আপনাকে নিজের মতো করে ভাঙে গড়ে। যখন এদের আসল রূপ দেখবেন, তখন আবিষ্কার করবেন একেবারে ভিন্ন একজন মানুষ—যার মনে দয়া নেই, যিনি কেবল নিজের স্বার্থটুকু দেখে।

বিশ্ববিখ্যাত মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, নার্সিসিস্টরা একধরনের দ্বিমুখী জীবনযাপন করে। বাইরে মানুষকে দেখায় তারা কত মানবিক, কত সৎ আর কেয়ারিং। কিন্তু নিজের ঘরের দরজার ভেতর তারা হয়ে ওঠে হৃदयহীন, স্বার্থপর, আর নির্মম এক স্বত্বা—যা শুধু প্রিয় মানুষকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়।

এরা ভালোবাসা দিয়েই আপনাকে আটকাবে, আবার সেই ভালোবাসার নামেই আপনার মন ভেঙে ফেলবে। যখন আপনি এদের কথার বা ইচ্ছের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন, তখনই বুঝতে পারবেন তাদের আসল রূপ। আপনার চোখের জল, কাকুতি-মিনতি কিছুই তখন আর ওদের কাছে দাম পাবে না।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হলো, এরা কখনো পরিবর্তন হয় না। এরা মনে করে, তাদের কথাই সঠিক, তারা সবার চেয়ে আলাদা আর বিশেষ। আর সবচেয়ে কাছের মানুষটিকেই তারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়, মানসিক খেলায় পরিণত করে।

তাই যদি এমন কারো প্রেমে পড়েন, খেয়াল রাখবেন, যেন তার সুন্দর মুখোশের আড়ালে লুকোনো অন্ধকার আপনাকে গিলে না ফেলে।

✍️সংগৃহীত

“ছেলেরা কেন বিবাহিত নারীদের সঙ্গে প্রেম করে?” — জানলে কাঁপবে মন!আপনার স্বামীর অগোচরে কারো ‘I miss you’ মেসেজে বুক কেঁপে ...
01/11/2025

“ছেলেরা কেন বিবাহিত নারীদের সঙ্গে প্রেম করে?” — জানলে কাঁপবে মন!

আপনার স্বামীর অগোচরে কারো ‘I miss you’ মেসেজে বুক কেঁপে ওঠে?
রাতের নীরবতায় অন্য পুরুষের কণ্ঠে “একবার দেখা করবে?” শুনে শরীরে এক অজানা স্রোত বইতে থাকে?
ভেবে দেখেছেন, এই উত্তেজনাটাই কি আসল প্রেম — নাকি এক ভয়ঙ্কর ফাঁদ? 😶‍🌫️

অনেক বিবাহিত নারী একাকীত্বে ভুগে অন্য পুরুষের সঙ্গ খোঁজেন।
কিন্তু সত্যটা হলো — বেশিরভাগ পুরুষই প্রেম নয়, একটা খেলা খেলছে!
তারা চায় নিষিদ্ধ সম্পর্কের রোমাঞ্চ, কিন্তু চায় না দায়িত্ব, ভালোবাসা বা ভবিষ্যৎ।
আপনি তার কাছে প্রেমিকা নন, আপনি কেবল একটা ‘Ego Boost’ —
একটা জেতার ট্রফি, এক রাতের গল্প।

একবার ভাবুন তো —
🔹 যে পুরুষ অন্যের সংসার ভাঙতে পারে, সে কি আপনার প্রতি বিশ্বস্ত হবে?
🔹 যে আপনাকে ভালোবাসার নামে শরীর চায়, সে কি আপনার জীবনের ঝড় সামলাবে?
🔹 আজ আপনি তার উত্তেজনা, কাল আপনি তার অতীত — এই সত্যটা মেনে নিতে পারবেন?

💡 Solution (উপায় ও বুদ্ধিদীপ্ত দিকনির্দেশনা)
❤️ নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের মর্যাদা চিনুন।
❤️ আপনার সংসার নিস্তেজ মনে হলেও, যোগাযোগ আর বোঝাপড়ার পথ এখনো খোলা।
❤️ অন্যের বাহুতে আশ্রয় খোঁজার আগে নিজের মনের ভেতর শক্তির জায়গা খুঁজে নিন।
❤️ কাউকে ভালো লাগতেই পারে, কিন্তু মনে রাখুন — নিষিদ্ধ সম্পর্ক কখনো শান্তি দেয় না, শুধু পুড়িয়ে দেয় ভেতরটা।

“জেলখানা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, কিন্তু এই প্রেমিকের রঙিন ফাঁদ — সেটাই আসল জাহান্নাম।” 🔥

👉 আপনি কি মনে করেন, বিবাহিত নারীর সাথে প্রেম মানেই প্রতারণা?
👉 নাকি কখনও সত্যিকারের অনুভূতিও থাকতে পারে?
কমেন্টে লিখে জানান আপনার মতামত 💬👇

এই লেখাটা যদি একজন নারীকে ভুল সিদ্ধান্ত থেকে বাঁচাতে পারে,
তাহলে Share করুন — কারও জীবন হয়তো বদলে যাবে আজই। 🙏

🔸 নিজের জীবনকে কখনো অন্যের অস্থিরতার হাতে তুলে দেবেন না।
🔸 সম্পর্ক নয়, সম্মানই হোক ভালোবাসার শুরু।
🔸 শরীরের চেয়ে মন জয় করতে পারে এমন মানুষকেই আসল প্রেমিক বলার যোগ্য।

#বিবাহিত_নারী #সম্পর্কের_বাস্তবতা #প্রেম_নাকি_প্রতারণা #নারীর_আত্মসম্মান

১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথা ব্যথা বা দাঁতের সমস...
26/10/2025

১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথা ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হয়নি। তিনি বলেছিলেন, "কলকাতায় রেললাইনের কাজ করার সময় একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি আমাকে শিখিয়েছিলেন যে, ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।"

২। একজন ছাত্র জানিয়েছে, তার মায়ের পরামর্শে সে তেল লাগানোর অভ্যাস করেছিল। তার মায়ের দৃষ্টিশক্তি একসময় কমে গিয়েছিল, কিন্তু তেল লাগানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৩। এক ব্যবসায়ী চিত্রালে একবার ঘুমাতে না পারায় এক বৃদ্ধ রাত্রিকালীন প্রহরী তাকে পায়ের তলায় তেল লাগানোর পরামর্শ দেন। ফলস্বরূপ, তিনি গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন।

৪। ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে ক্লান্তি দূর হয় এবং গভীর ঘুম আসে।

৫। আমার পেটের সমস্যাও পায়ের তলায় তেল লাগানোর মাধ্যমে দুই দিনের মধ্যে সেরে গেছে।

৬। তেল লাগানোর এই অভ্যাসে সত্যিই জাদুর মতো কাজ করে!

৭। আমি ১৫ বছর ধরে এটি করছি। আমার সন্তানদেরও পায়ের তলায় তেল লাগাই, এতে তারা সুস্থ থাকে।

৮। পায়ে ব্যথা ছিল, তেল লাগিয়ে ব্যথা দূর হয়েছে।

৯। পায়ের ফোলাভাবও মাত্র দুই দিনে কমে গেছে।

১০। এটি ঘুমের ওষুধের থেকে ভালো কাজ করে।

১১। একজন থাইরয়েড রোগী তেল লাগানোর অভ্যাসে ধীরে ধীরে সুস্থতা লাভ করেছেন।

১২। বয়স ৯০-এর এক হাকিম আমাকে বাওয়াসিরের চিকিৎসায় তেল লাগানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। এটি শুধু বাওয়াসিরই নয়, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের ক্লান্তিও দূর করেছে।

পদ্ধতি

রাতে ঘুমানোর আগে সরিষার তেল, জলপাই তেল বা যে কোনো তেল পায়ের তলায় ২-৩ মিনিট ধরে ভালোভাবে মালিশ করুন। শিশুদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন।

প্রাচীন চীনা চিকিৎসা মতে, পায়ের নিচে প্রায় ১০০টি এক্যুপ্রেশার পয়েন্ট রয়েছে, যেগুলো মালিশের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখে।

শেয়ার করুন:

এই সহজ অথচ কার্যকর পদ্ধতিটি সবার সাথে শেয়ার করুন। এটি আপনার জন্য সওয়াবের কাজ হবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন।

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন প্লিজ।

মা হওয়া নিঃসন্দেহে এক অনন্য অনুভূতি। তবে এই অনুভূতির মাঝেই নিজের ভেতরে এক নীরব যুদ্ধ শুরু হয় নতুন মায়েদের।নতুন মা হওয়ার ...
24/10/2025

মা হওয়া নিঃসন্দেহে এক অনন্য অনুভূতি। তবে এই অনুভূতির মাঝেই নিজের ভেতরে এক নীরব যুদ্ধ শুরু হয় নতুন মায়েদের।

নতুন মা হওয়ার পর হঠাৎই অনেকের মনে হয়, “আমি কি ভালো মা হতে পারছি?”, “বাচ্চাকে ঠিকভাবে সামলাতে পারছি তো?”, “সবাই তো খুশি, শুধু আমারই কেন মন খারাপ লাগছে?”- এই প্রশ্নগুলোই ধীরে ধীরে একটা অপরাধবোধে পরিণত হয়।

Postpartum Depression (PPD) বা মাতৃত্বের পরের বিষণ্ণতায়- নিজের প্রতি রাগ, আবার কান্না চলে আসে। অকারণে মনে হয়, সবাই বিচার করছে, আমি ব্যর্থ, আগের মতো কোনো কিছুরই আনন্দ লাগে না। ঘুমাতে পারছেন না, ক্লান্ত লাগছে সারাদিন, নিজের শরীরের পরিবর্তনেও অসহায় লাগে। সব কিছু যেন কেমন অসহ্য লাগে।

এগুলো এক মানসিক অবস্থা, যা অনেক নতুন মায়ের হয়, কিন্তু খুব কমজনই সাহস করে এইটা নিয়ে কথা বলেন।

কেন অপরাধবোধ তৈরি হয়?

কারণ মা হওয়ার পর সবাই আপনার কাছে আশা রাখে, আপনি সব সামলাবেন হাসিমুখে, কখনও ভাঙবেন না, ক্লান্ত হবেন না।

সবাই বাচ্চার যত্ন নেই খোঁজ-খেয়াল রাখে, যত্ন করে কিন্তু নতুন মা কে কেউ জিজ্ঞেস করে না, সে কেমন অনুভব করছেন?

ঘুমহীন রাত, শরীরের ব্যথা, বাচ্চার কান্না, হরমোনের পরিবর্তন, নিজের আবেগ, সব মিলিয়ে এক সময় মনে হয়, নতুন মায়ের মনে হয় সে যথেষ্ট নন।

আপনি যতটা পারেন, ঠিক ততটাই দিচ্ছেন।

আপনি দুর্বল নন, আপনি ক্লান্ত এক যোদ্ধা, যে প্রতিদিন নিজের সীমা ছুঁয়ে যায় মায়া আর ভালোবাসার টানে।

কীভাবে সামলাবেন এই অনুভূতি?

নিজেকে সময় দিন – সবকিছু একসাথে করতে না পারলে কোনো সমস্যা নেই।

খোলামেলা কথা বলুন – স্বামী, পরিবার বা একজন অভিজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন।

ঘুম ও খাবারের প্রতি খেয়াল রাখুন – শারীরিক ক্লান্তি মানসিক অবস্থাকে আরও খারাপ করে।

দৈনিক ছোট ছোট সেলফ-কেয়ার রুটিন তৈরি করুন – যেমন বাচ্চা ঘুমালে নিজেও একটু ঘুমানো, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, হাঁটাহাঁটি, প্রার্থনায় মন দেয়া, পরিবারের সাথে সময় কাটানো, ভালো লাগার কোনো কাজ করা- যেমন - আপনার স্কিন অথবা চুলের যত্ন নেয়া।

অপরাধবোধ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন, আপনি আপনার বেষ্ট চেষ্টা করছেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মানুষ বলে এতো দোয়া করে কি লাভ, যা হবার তা তো এমনিতেই হবে,তাকদীরে যা আছে তাই হবে।কিন্তু আপনি কি জানেন, দোয়া তাকদীর পর্যন্...
22/10/2025

মানুষ বলে এতো দোয়া করে কি লাভ, যা হবার তা তো এমনিতেই হবে,তাকদীরে যা আছে তাই হবে।কিন্তু আপনি কি জানেন, দোয়া তাকদীর পর্যন্ত বদলে পারে।তাই আপনার যা যা চাওয়ার তা অবশ্যই চাইবেন,কল্যাণের সাথে চাইবেন।আল্লাহ অবশ্যই সহজ করে দিবেন।হয়তো যা চাইছি তা সাথে সাথেই আমরা পেয়ে যাবো না কারণ এটা দুনিয়া এটা জান্নাত নয়।এই দুনিয়াতে হয়তো চাওয়া মাত্রই আপনি সব পেয়ে যাবেন না কিন্তু আল্লাহ আপনাকে ফিরিয়েও দিবেন না।
আল্লাহ জীবনটাকে সহজ করে দিবেন।জীবনে অনেকখানি স্বস্তি দিবেন।হয়তো আপনার পথ চলাটা কঠিন তবুও আল্লাহ তো সাথে আছেন।এর চেয়ে স্বস্তি আর কি হতে পারে বলতে পারেন? আর আল্লাহ সাথে থাকলে আপনার পথ চলা যতোই কঠিন হোক দিনশেষে তার একটা সুন্দর সমাপ্তি আপনি পাবেনই।তাই আশা হারাবেন না, নিজেকে আল্লাহর কাছে সঁপে দিন, আল্লাহর সাহায্য আসবেই আসবে।

#নাহিদা_তুশি

20/10/2025

আমার ছোট মেয়ে মাশাআল্লাহ! সবাই দোয়া করবেন।

19/10/2025

আমার বাচ্চারা কি পরিমাণে অস্হির তা বলার বাহিরে।
এই ভিডিওটা দেখলে তা বোঝা যায়!!
আল্লাহুম্মা বারিক লাহু

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সচরাচর এমনই দেখা যায়।  কি বলেন আপনারা?
17/10/2025

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সচরাচর এমনই দেখা যায়। কি বলেন আপনারা?

একজন পুরুষ মানুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই মানসিক শান্তি আসে, আর অন্যদিকে একজন নারীর মানসিক চাহিদা পূরণ হলেই শারীরিক চা...
11/09/2025

একজন পুরুষ মানুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই মানসিক শান্তি আসে, আর অন্যদিকে একজন নারীর মানসিক চাহিদা পূরণ হলেই শারীরিক চাহিদায় আগ্রহী হয়।

📍এ ক্ষেত্রে পরস্পর পরস্পরকে বুঝতে হয়, পরস্পরের মনের অভিব্যক্তি বোঝার চেষ্টা করতে হয়। অযথা পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ না করে, পরস্পরের চাহিদা অনুযায়ী চললেই সংসারে শান্তি বিরাজ করে।

একটা বয়সের পর নারীদের শারীরিক চাহিদা কমতে থাকে। তাদের চিন্তাভাবনা শরীরকেন্দ্রিক না হয়ে, মানসিক দিকটা বিবেচনা করে।

📍এই বয়সে তারা চায়, গল্প করার মতো একটা বিশ্বস্ত মানুষ। সারাদিনের জমানো দুঃখ-কষ্ট, অনুভূতি অভিব্যক্তি সবটা উজার করে বলার মতো একজন বিশ্বস্ত মানুষ।

📍শারীরিক চাহিদা এই বয়সে তাদের কাছে কোনো Matter ই করে না। তারা মূলত সঙ্গীর কাছ থেকে একান্ত কিছু মূহুর্ত চায়, তারা গল্প করতে চায়, প্রিয় মানুষটার সাথে সারাক্ষণ বকবক করতে চায়। কারণে– অকারণে অভিমান করতে চায়, প্রিয় মানুষটা অভিমান ভাঙ্গাবে বলে।

📍তবে নারীদের শারীরিক চাহিদা কমার ক্ষেত্রে বয়সের থেকে পরিস্থিতি বেশি দায়ী! মানসিক অশান্তি, পারিবারিক কলহ, অভাব-অনটন, দুশ্চিন্তার কারণে অনেক সময় নারীরা তাদের অনুভূতি হারিয়ে ফেলে!

📍আর যখন তারা মানসিক অশান্তি থাকে, তখন কেবলই চায় গল্প করার মতো একটা মানুষ। প্রতিটা হাজব্যন্ডের উচিত এই সময়টাতে স্ত্রীকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া, মানসিক সাপোর্ট দেয়া। সম্ভব হলে স্ত্রীকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া।

📍কেননা পুরুষ মানুষের শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকলে, সংসারে অশান্তি অনিবার্য! তবে এটাও খেয়াল রাখতে হবে; এই সময়ে স্ত্রীর মন যদি ভালো না থাকে তবে শারীরিক চাহিদা তার মনে কখনোই জাগবে না।

📍নারীরা সরাসরি মুখে কিছু বলে না, তবে তার পুরুষ সঙ্গীকে অবশ্যই তার মনের আকুলতা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। একজন নারী যখন মানসিক দিকে সাপোর্ট পাবে, মানসিক শান্তিটা তার মধ্যে বিরাজ করবে, ঠিক তখনই সে শারীরিক ভাবে প্রস্তুত। নতুবা মনে অশান্তি রেখে কোনো নারী কখনো সঙ্গীর ধারে কাছেও যেতে চায় না!

📍সংসারে একজন স্বামীর জন্য যেমন শারীরিক চাহিদা মিটানো জরুরী, ঠিক তেমনি একজন স্ত্রীর মানসিক চাহিদা মিটানো আরও বেশি জরুরী

Address

Mithapukur
Rangpur
5460

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamima Akter Atika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share