Alokito

Alokito প্রতিভা আপনার প্রকাশিত করবো আমরা
প্রতিযোগিতা নয় সত্যতা জানুন

08/10/2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রংপুরবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান জহির আলম নয়ন

08/10/2026

বগুড়ায় নিশিন্দারা ফকির উদ্দিন স্কুল ও কলেজে বিজ্ঞান মেলা

08/10/2026

রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কেউ যাচ্ছিলেন বাসায়, কেউবা ঘুরছিলেন রাস্তায়। এমন সময় একটি কুকুরের কামড়ে শিশু, নারী ও পুরুষসহ অন্তত ৩৩ জন আহত হয়ে কুষ্টিয়...
08/10/2026

কেউ যাচ্ছিলেন বাসায়, কেউবা ঘুরছিলেন রাস্তায়। এমন সময় একটি কুকুরের কামড়ে শিশু, নারী ও পুরুষসহ অন্তত ৩৩ জন আহত হয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কুমারখালী শহরের হলবাজার, আমতলা, ইন্দ্রা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সহকারী সার্জন প্রত্যয় বিশ্বাস জানান, সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অন্তত ৩৩ জন হাসপাতালের এসেছিল। অনেকের বড় ধরণের ক্ষত দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ২৭ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। অন্যদের বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ) সকালে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যা থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে পথচারীদের কামড় দেয় একটি কুকুর। পরে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কালো রঙের কুকুরটি শহরের আমতলা, হলবাজার, ইদ্রাক মোড় হয়ে সবশেষ নন্দলালপুর ইউনিয়নের চড়াইকোল এলাকার হয়তাপাড়া দেখা গেছে।

রাতে হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের ক্ষতস্থান সাবান ও পানি দিয়ে ধৌত করছেন কেউ। আবার কাউকে দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন। জরুরি বিভাগের সামনে স্বজন ও রোগীদের উপচেপড়া ভিড়।

আহত মো. রোকনুজ্জামান জানান, তিনি কুমারখালী হলবাজার এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি কালো কুকুর এসে কামড় দিয়ে চলে যায়। তার পায়ে ক্ষত রয়েছে। চিকিৎসক তাকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ বলেন, সন্ধ্যায় হাসপাতালে এসে দেখি বিভিন্ন জায়গা থেকে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে রোগীরা আসছেন। দ্রুত কুকুরটি শনাক্ত করা না গেলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) নাভিদ সারওয়ার ফোনে বলেন, একটি কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। কুকুরটিকে শনাক্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

07/10/2026

বগুড়ায় মেধাবী শিক্ষার্থী ও হতদরিদ্রদের মাঝে বাইসাইকেল, হুইলচেয়ার ও সেলাই মেশিন বিতরণ

দুই হাত নেই। অথচ পা দিয়েই ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে প্রতিদিন শিশুদের পাঠদান করেন আলতাফ হোসেন। এলাকায় তিনি পরিচিত ‘দুঃখু মিয়া’ ন...
07/10/2026

দুই হাত নেই। অথচ পা দিয়েই ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে প্রতিদিন শিশুদের পাঠদান করেন আলতাফ হোসেন। এলাকায় তিনি পরিচিত ‘দুঃখু মিয়া’ নামে। জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকলেও শারীরিক এই সীমাবদ্ধতা তাকে থামাতে পারেনি। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ঘুরেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে। চাকরি না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের পৈতৃক জমিতে গড়ে তুলেছেন একটি বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ে এখন পড়াশোনা করছে ১৪৫ শিশু।

নরসিংদী সদর উপজেলার নগর পাঁচদোনা এলাকায় ১৯৬২ সালে জন্ম আলতাফ হোসেনের। তার বাবা তমিজ উদ্দিন। জন্মের পর থেকেই দুই হাত না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন ছিলেন তার মা-বাবা। দাদা আদর ও আক্ষেপ মিশিয়ে নাতির নাম রাখেন দুঃখু মিয়া। তবে নামের সঙ্গে দুঃখ জড়িয়ে থাকলেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি তিনি।

পাঁচদোনা ইউনিয়নের দিঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার পড়াশোনার শুরু। ছোটবেলাতেই পা দিয়ে লেখার অভ্যাস গড়ে তোলেন। দুঃখু মিয়া জানান, তার বাবা তাকে পা দিয়ে লিখতে শেখান। পাতিলের কালি ও পানি মিশিয়ে কঞ্চি কলাপাতায় রেখে দুই পায়ের আঙুলের ফাঁকে ধরে লেখার অনুশীলন করানো হতো তাঁকে। সেই থেকে পা দিয়েই লিখে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রি পাস করেন তিনি। ১৯৮২ সালে মাধ্যমিক, ১৯৮৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক এবং ১৯৮৬ সালে নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে ডিগ্রি পাস করেন।

দুঃখু মিয়া বলেন, ‘জীবন মানে হলো যুদ্ধ। যুদ্ধ করতে হলে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আমি যুদ্ধ করেই জীবন পরিচালনা করছি। এই যুদ্ধে আমি জয়ী হতে চাই। কারণ যুদ্ধ করে জীবন মানেই হলো কারও কাছে হাত না পাতা।’

শিক্ষাজীবন শেষে শুরু হয় তার কর্মসংস্থানের সংগ্রাম। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও বারবার ভাইভা থেকে বাদ পড়েন। চাকরির আশায় বিভিন্ন মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তার কাছেও গিয়েছেন। কিন্তু কোথাও চাকরি পাননি।

একপর্যায়ে হতাশ না হয়ে টিউশনি ও কোচিং করানো শুরু করেন তিনি। সেখান থেকে কিছু টাকা সঞ্চয় করেন। পরে বাবার দেওয়া জমিও বিক্রি করেন। সেই অর্থ দিয়ে ২০০৭ সালে নিজের পৈতৃক জমিতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’।

বিদ্যালয়টিতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। বর্তমানে ১০ শিক্ষক ১৪৫ শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছেন। রয়েছেন আরও দুজন কর্মচারী। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, টিনশেড ভবনের একটি শ্রেণিকক্ষে পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লিখছেন দুঃখু মিয়া। কখনো গল্পের ছলে, কখনো হাসিমুখে শিক্ষার্থীদের পাঠ বুঝিয়ে দিচ্ছেন। দুই হাত না থাকা তার পাঠদানের পথে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

তার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের স্মৃতিগুলোর একটি শৈশবের। ছোটবেলায় বাবা তাকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুই হাত না থাকায় পা দিয়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পড়তে হবে—এমন কারণ দেখিয়ে তাকে ভর্তি করা হয়নি। সেই বঞ্চনার স্মৃতিই পরবর্তী সময়ে তাঁকে নিজের বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয়।

দুঃখু মিয়া বলেন, ‘আমি এলাকার শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো বিলিয়ে যেতে চাই। চাই, কোনো প্রতিবন্ধী শিশু যেন শিক্ষা নিতে এসে আমার মতো হেয় প্রতিপন্ন না হয়। এমন ইচ্ছা থেকেই এই উদ্যোগ।’

বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেই এটি পরিচালনা করছেন তিনি। অনেক সময় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রত্যাশিত সম্মানীও দিতে পারেন না। তবু তার প্রতি সহানুভূতিশীল শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে বিদ্যালয়টিকে একটি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে রূপ দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটি একদিন বড় পরিসরে গড়ে উঠবে এবং এর দায়িত্ব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাই নেবেন—এমন প্রত্যাশাও তার।

তবে দীর্ঘদিন বিদ্যালয় পরিচালনা করলেও সরকারি কোনো সহযোগিতা না পাওয়ার আক্ষেপ রয়েছে দুঃখু মিয়ার। তিনি বলেন, ‘এত কাজের পরও আজ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। এমনকি আমার স্কুলের জন্যও কোনো সহযোগিতা পাইনি।’

তার এই সংগ্রামে এখন পাশে রয়েছেন ছেলে মোহাইমিনুল ইসলাম। তিনি বাবার প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। মোহাইমিনুল বলেন, ‘শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাবা সমাজে শিক্ষার প্রসারে কাজ করছেন। এর থেকে আনন্দের আর কী হতে পারে।’

স্থানীয় বাসিন্দা করিম বলেন, দুই হাত না থাকলেও দুঃখু মিয়া সমাজে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তার এই উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কাওছার বলে, ‘আমাদের স্যার পা দিয়ে লেখেন। কিন্তু অনেকের হাতের লেখার চেয়েও সুন্দর। স্যার খুব যত্ন করে পড়ান। তার জীবনসংগ্রাম আমাদের অনুপ্রাণিত করে।’

সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের কাছে দুঃখু মিয়া সাহসের প্রতীক। তিনি বলেন, ‘স্যারের জীবন আমাদের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এগিয়ে চলার সাহস জোগায়।’

একসময় যে সমাজের দরজায় শিক্ষা ও চাকরির সুযোগের আশায় বারবার ঘুরেছেন আলতাফ হোসেন, আজ সেই সমাজের শিশুদেরই শিক্ষা দিচ্ছেন তিনি। দুই হাত না থাকলেও থেমে নেই তার পথচলা। পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লেখা প্রতিটি অক্ষর যেন তার দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প, আর বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন সেই সংগ্রামের একেকটি অর্জন।

07/10/2026

বগুড়ায় ছোট বেলাইলে সাজ্জাদ নামের একজনের লাশ উদ্ধার

একটি নির্বাচিত সরকারকে বিপাকে ফেলতে এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে ‘পতিত দোসররা’ নানা ধরনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে...
07/10/2026

একটি নির্বাচিত সরকারকে বিপাকে ফেলতে এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে ‘পতিত দোসররা’ নানা ধরনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, এসব ব্যক্তিরা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। প্রধানমন্ত্রী কোনো ধরনের নৈরাজ্য বা অপরাধকে প্রশ্রয় দেবেন না।

সম্প্রতি পুলিশের ভ্যান থেকে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর পালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, পুলিশের ভ্যান থেকে কীভাবে শীর্ষ সন্ত্রাসী পালিয়ে যেতে পারে? এ ঘটনায় যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, আগে থেকে সচেতন হওয়া গেলে ডেঙ্গু অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে বাসার আশেপাশে পচা ও জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। যাতে করে ডেঙ্গু বাসা না বাঁধতে পারে। আগে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য টাকা নেওয়া হতো, এখন তা বিনামূল্যে করে দেওয়া হয়েছে।

07/10/2026

গঙ্গাচড়ায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

বিদায়ের মঞ্চে আরও একটি আবেগঘন গল্প লিখলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেই গোল করলেন এই ডি...
07/10/2026

বিদায়ের মঞ্চে আরও একটি আবেগঘন গল্প লিখলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেই গোল করলেন এই ডিফেন্ডার। আর সেই গোলের কারিগর আর কেউ নন, তার সতীর্থ ও দীর্ঘদিনের বন্ধু। মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন ওতামেন্দি। শেষ পর্যন্ত বেনিনকে ৩-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৪৮ মিনিটে আর্জেন্টিনার আক্রমণের বাম দিক থেকে কর্নার নেন মেসি। তার নেওয়া বল সরাসরি গিয়ে পড়ে পেনাল্টি স্পটের কাছে। দৌড়ে এসে অসাধারণ অ্যাক্রোবেটিক ভলিতে সেটিকে জালে পাঠান ওতামেন্দি।

গোলের পরই আবেগঘন দৃশ্য। ওতামেন্দি ছুটে যান কর্নার পতাকার কাছে, আর তাকে জড়িয়ে ধরেন মেসি। জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ ম্যাচে গোল- তার ওপর সেই গোলের সহায়তাকারী মেসি।

ম্যাচ শেষে নিজের শেষ গোল নিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ওতামেন্দি। তিনি বলেন, “অবিশ্বাস্য এক সমাপ্তি। এই ম্যাচটি ছিল বাড়তি পাওয়া, আমি আগেই বিদায় জানিয়েছিলাম। কিন্তু ১০ নম্বরের ডাকে এখানে এসে তার বিদায় উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছি। এটি তার জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। জাতীয় দলের সঙ্গে আমার ১৭ বছর কেটেছে এবং তার সঙ্গে এই মুহূর্তটি উপভোগ করতে পারাটা দারুণ ছিল। শেষ ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে শেষ গোল করা এমন কিছু, যা আমি সারাজীবন সঙ্গে নিয়ে চলব।”

গোল করার পর অবশ্য বেশি সময় মাঠে থাকেননি ওতামেন্দি। চার মিনিট পরই তাকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারিতে ওঠে করতালির ঝড়। জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো সমর্থকদের অভিবাদন গ্রহণ করেন ওতামেন্দি। বিদায়ের মুহূর্তে আর্জেন্টিনার ব্যাজে চুমুও দেন তিনি।

এরপর মেসির প্রশংসায় ওতামেন্দি বলেন, ‘সবচেয়ে সাধারণ ও বিনয়ী মানুষদের একজন হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। তোমার ফুটবল প্রতিভা দেখানোর জন্য এবং আর্জেন্টিনার পতাকাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরার জন্যও ধন্যবাদ।’

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটিই ছিল আর্জেন্টিনার হয়ে ওতামেন্দির শেষ ম্যাচ। ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ১৪০ ম্যাচ। করেছেন ১০ গোল। জিতেছেন চারটি বড় শিরোপা- ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা।

Address

Rangpur Sadar
Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokito posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category