কাব্যকানণ

কাব্যকানণ "যেখানে কল্পনারা ছুঁয়ে যায় শব্দের পাতা — কাব্যকানন।"
(11)

23/09/2025

এই জীবনে আমার ততোটাও অপরাধ ছিল না যতটা আমি শাস্তি পেয়েছি!😊🌸

22/09/2025

In a world full of noise, music is my peace.🌸🎶

20/09/2025

দিন শেষে সবাই আসক্ত!!🙂
কেও ধোঁয়ায় আর কেও মায়ায়""💔🫡

14/09/2025

জীবণের প্রাপ্তি হিসাব কষতে বসেছিলাম,,দেখলাম আমার জীবনে প্রাপ্তির পরিমান একদমি অল্প,,শুণ্য বললেই চলে,,,,আমার জীবণে সুখ আসে ক্ষণিকের জন্য!!আবার ছুটে পালিয়ে দূরে সরে যায়😅সুখ যেন ছায়ার মতো -কিছুক্ষণ থেমে আবার হারিয়ে যায়।
আমার জীবন টা আসলেই অদ্ভুত, বারবার প্রশ্ন জাগে, নিজেরেই বলি,
কেন আমি সুখকে নিজের কাছে বন্দি করতে পারি না?
আমি হাত বাড়ালেই যেনো সুখ গুলো গলে আঙুলের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যায়।
জীবন কেন এমন?
নাকি এটাই জীবনের সত্য,,
সুখ আসলে বন্দি করার বস্তু নয়, সুখ হলো ভ্রমণশীল এক অতিথি।
আজ আমার পড়ান পাখি টা বড্ড ক্লান্ত😅,
তবুও একফোঁটা শান্তির উদ্দেস্যে উন্মাদ পাগলের ন্যায় ছটফট করছে😅পড়ান পাখি টা ডানা মেলে খুঁজে ফিরছে একটু শান্তির আকাশ!!
কোথায় গেলে পাবো সেইশান্তি??
নদীর কলতানে, নাকি সকালের রোদে,
নাকি নিঃশব্দ কোনো নির্জনে,
শান্তি কি এসবের বাইরে কোথাও??আকাশের নীরবতায়, নাকি অন্য কারো চোখে??হ্যা এটা চরম এবং ভয়ঙ্কর একটা সত্য কথা!!সুখ আসলেই অন্য কারো চোখেই পাওয়া যায়😅

এছাড়া আর কি শান্তি কেথাও খুজে পাওয়া যায়??
নাকি আসলে সুখ টা ভেতরেরই কোনো কোন অজানা সুর,,
যেটা আমি এই যান্ত্রিক শহরের পাথর ও কনক্রিটের শব্দের কোলাহলে শুনতে পাই না!!
আচ্ছা এসব বাদ
আমি আজ মাইনাই নিলাম শান্তি মানে সব পাওয়া নয়,,অপ্রাপ্তিতেও শান্তি খুইজা পাওয়া যায়😅
বরং আমি আজ এই অপ্রাপ্তিকেই গ্রহণ করলাম সাহসের সহিত🌸
আমি ও দেখি না,,জীবণ কোথায় গিয়ে থামে,,প্রাপ্তি কি আদৌ আসবে না কখনো,,অপেক্ষায় রইলাম....

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫!!

14/09/2025

আমার ভবিষ্যতের চেয়ে জোনাকি পোকার পু*ট*কি বেশি উজ্জ্বল..!🤧

ধন্যবাদ🙂🫡

 #কাঠ_গোলালের_প্রেম (২)পরদিন অধরা আমায় এমন কথা বলবে আমি কল্পনাও করিনি_______!অধরা : আমার এক্সাম আমি কাল থেকে প্রায় অনেক...
13/09/2025

#কাঠ_গোলালের_প্রেম (২)

পরদিন অধরা আমায় এমন কথা বলবে আমি কল্পনাও করিনি_______!

অধরা : আমার এক্সাম আমি কাল থেকে প্রায় অনেকদিন তোমার সাথে কথা বলতে পারব না, তুমি প্লিজ আমাকে ভুলে যেও না মনে রেখো আমার কথা।

আমি : আমি কিছু বললাম না তবে, তাকে খুব মনে পরছে তাই, অধরের সাথে যে ঘোরাফেরা করেছিলাম, সেই নিয়ে আমি একটা কবিতা লেখার চেষ্টা করতেছিলাম! এবং কবিতায় রূপান্তরিত করতেছিলাম।

"দিন টা ছিলো শুক্রবার ঘড়ি'র কাটায় ঠিক যেনো বেলা ১:৩২ মিনিট"

'চারি দিকে যান্ত্রিক কোলাহলে'র মাঝে দেখা পেলাম এক মহিয়শী রমনী'র।

"ইশ কী তার চাহনী, তাহার চোখে'র দিকে তাকিয়ে গোটা একটা উপন্যাস লেখা যাবে।

" তাহার চাহনী আর মধুর্য্য দেখে আকাশ লজ্জা পেয়ে নীল হয়ে বৃষ্টি কে ঠেলে দিলো আমাদের দিকে।

"ভয়ে ভয়ে শুরু করলাম কথা বলা, যখন দেখলাম একটা বাচ্চা' মেয়ের সাথে বাচ্চামো করতেছিলে।

" আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম তোমার ওই উপন্যাস এর গভীর মহা সমুদ্রে'র মত মায়া ভড়া আঁখি প্রাণে।

"আমি দেখছি তোমাকে! দেখছি বারংবার, মহাবিশ্বের সমস্ত কোলাহল আর সমস্ত নিয়ম কে পিচু ফেলে স্পর্শ পেলাম তোমার ওইইই কোমল হাতে'র।

" ৩৩হাজার ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ চমকিয়ে উঠলো পুরো শরিরে, মনে ভয় কাজ করলো, সেই সাথে মনে হলো তুমি একমাত্র আমার।

"আমার সেই প্রিয় অধরা' মুঠো ফোন টা হাতে নিয়ে দেখছে আর আমি মিঠি মিঠি হাসসি।

" যমুনার'র বুকেতে ডিঙ্গি নৌকা'য় তুমি আমি, নদীর হাওয়া বইতেছিল শান্তশিষ্ট'
আমি তোমার দিকে চাইলাম,
তুমি ফুল লইয়া লাজুক ভঙ্গিমায় হেসে উঠলে"

ঐ হাসির ভেতরেই লুকাইয়া আছে আমার সব সুখ, আমার সব স্বপ্ন। তোমার চোখের মায়ায় ধ্বংস হয়েছি।
পরেছি নিদারুণ প্রেমও মালার গোলকধাঁধা'য়।

"তোমার হাত কেপে উঠেছিলো আমার পরশ পেয়ে, থমকে গিয়েছিলো আমার মহাবিশ্ব "
কাব্য' তখন কেদেছিলো কিন্তু বুকে চেপেছিলো হিমালয়ের নীল পাথর, চোখে জমেছিলো ভয়ানক অশ্রু জল মস্তিষ্ক তখন হিসাব মিলাচ্ছিলো।

"নিকৃষ্ট মানব যেখানেই যায় নদীও শুখিয়ে চরে পরিনত হয়। কী মায়া আর কি ভালোবাসা তোমার!
" এক নিমিষেই যেনো থমকে যায় আমার এ হৃদয়।

" প্রিয় অধরা' ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি।

"চলে গেলো ২দিন - খালামণি কল দিয়ে বলল কাব্য আমাদের এখানে আয়, আমরা অনেকদিন তো তাকে দেখি না, তোকে দেখতে খুব ইচ্ছে করতেছে,।

আমি : খালামণি যাব কিন্তু রাস্তাঘাটের অবস্থা তো জানোই, চারিদিকে রাজনৈতিক হাঙ্গামা চলতেছে, কি একটা অবস্থা না। তো আমি চলে আসতেছি তোমার কাছে।

খালামণি : ওকে আমি অপেক্ষায় থাকলাম তোর জন্য।

-কিছু না ভেবে আম্মুর থেকে টাকা নিয়ে রওনা দিলাম গাজীপুরের উদ্দেশ্য, যান্ত্রিক কোলাহল আনা গোনার মাঝে, গিয়ে পৌঁছালাম সেই গাজীপুরের একটা রাস্তায়। খালামণি বাসা চেঞ্জ করায় তাদের বাসাটা চেনা হয়ে উঠলো না।

- তারপর আমি কল দিলাম আমার খালামনি কে সে রিসিভ করলো আমায়। আমি বেশ আনন্দ মুখরিত ভাব নিয়েই বাসায় চলে এলাম, এসে দেখি পিচ্চি টা পরতেছে,
-পিচ্চি :ভাইয়া কেমন আছো আমাদের ত ভুলেই গিয়েছো মনেও পরে না।
-আমি: আরে পিচ্চু ভুলবো কেন হুহ।

মা দেখো না এখনো আমায় পিচ্চু বলে।
খালামণি :কত বড় হয়েছিস যে পিচ্চু বললে প্রব্লেম হুহ।

আমি : খালামণি ওরে বিয়ে দিয়ে দাও।
পিচ্চু আমার কথা শুনে বল্লো, রাখো ত চলো তোমাকে গাজিপুরের গ্রাম দেখাই।

তারপর আমি ব্যাগটা রেখে পিচ্চু বোন টা'র সাথে ঘুরতে বের হলাম গ্রাম দেখার জন্য, প্রাকৃতিক পরিবেশে টা বেশ আনমনে বটেই!

"একটু পরে এমন ঘটনা ঘটবে আমি কখনো ভাবি নি, পিছন থেকে হুট করে একটা মেয়ে এসে আমার হাতটা ধরে ফেলল, ।

আমি হাত একটা টান দিয়ে বললাম, একি কে আপনি, কিছুহ্মন নীরাবতা, কি হলো আজব ত কথা বলছেন না কেনো, মেয়ে টা আমার দিকে তাকিয়ে আছে কোন কথা বলছে না, পাস থেকে ফাহমিদা আপু বলতেছে আরেহ এটা ত মাহদীবা’র ফ্রেন্ড নাম টা পরে বলছি,

ফাহমিদা আমার খালাতো বোনের নাম, আর মাহদীবা তার ছোট বোন, আর সে হলো মাহদীবা’'র স্কুল ফ্রেন্ড।
যাইহোক মূল কাহিনি তে আসি।

তারপর আমি মেয়ে তাকে পাগলি বলে ওখান থেকে বিদায় নিলাম, আর সে হতভম্ব হয়ে গেছে সে আসলে, মাহদীবা’'র চাচাতো ভাই সাকিব ভেবে পিছন থেকে হাত ধরে ফেলছে, তাই সে আমার কাছে দুঃখ প্রকাশ করলো, আমি পাত্তা না দিয়ে চলে আসলাম বাসার উদ্দেশ্য।

মাঝে পুরন্ত বিকেলে গাজিপুর এর রাস্তায়, আহা জীবনের তাগিতে কত মানুষ ই কত দিকে চলতেছে, কত কিছু করে নিজেদের সংস্যার বাচানোর চেষ্টা করতেছে সেটা রাস্তায় বের না হলে বুঝা যাবে না, এই গুলা ভাবতে ভাবতে, মুঠোফোন টিং টিং করে বেজে উঠলো, এমন সময় আবার কে স্বরণ করলো আমায়, একি এটা ত আমার প্রিয়তমা অধরা'র কল।

আমি: হ্যালো
অধরা' : কি করছেন আমার মহারাজা শুনলাম অন্য নগরীতে চলে গেছেন।

আমি : এই আর কী খালামণি'র বাসায়।
অধরা: তা অন্য নগরিতে গিয়ে, শহরের মেমসাহেব দের সঙ্গ পেয়ে, রাজ্যের মহারানী টাকে ভুলে গিয়েছেন বুঝি।

আমি: একি মহারানী কি বলছেন, আপনকে ভুলে গেলে ত গোটা রাজ্য টাই হারিয়ে ফেলবো।
অধরা' : ওমাহ হয়েছে থাক এত ঢং করতে হবে না, মেমসাহেব দের পাল্লায় পরে, একটি বার কল ও দেননি, দিবেন ই বা কেনো সুন্দরী সুন্দরী মেমসাহেব থাকলে কি আর সামান্য দাষি কে কেও মনে রাখে।

আমি: কি বলছেন মহারানী আপনাকে কষ্ট দিলে ত" রাজ্যের মানুষ সব বিদ্রোহ করবে তাইনা,
অধরা' : হয়েছে হয়েছে আর ভাব নিতে হবে না, তা কেমন আছো।

আমি : ভালো নেই, তোমায় ছাড়া কিভাবে ভালো থাকি বলো,
অধরা' : আমিও ভালো নেই, শুনো ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করবা, আর শহরের মেমসাহেব দের থেকে দূরে দূরে থাকবা, নাহলে কিন্তু....

আমি: নাহলে কি হু!
অধরা' : খবর আছে

আমি: আচ্ছা এখন একটা পাপ্পি দেও!
অধরা' : না এখন না, বাসায় আছি,,পাশে আম্মু আছে!

আমি: দেও না ১টা! তারপর অধরা' একটা আলতো আদর দিয়ে দিলো আহহহ! এটার একশন সারা দিন রয়েগেলো মনটা হুট করেই এত টা ভালো হয়ে গেলো যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়, মনে হচ্ছে যেনো একটা মেঘলা আকাশের বুকে চাঁদের আলোয় ঝলমল করছে।

আমি ফোন টা রেখে, দোকানে গিয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে বাসার উদ্দেশ্য রউনা হলাম, ১০ পা যেতে না যেতেই রাস্তায় ওই মেয়ে টা তাকিয়ে রয়েছে, একি ওই মেয়ে টা না, হ্যা তাই ত" ওই মেয়ে টাই।

কিছুহ্মন যাওয়ার পর, কি বেপার মেয়ে টা আমার দিকে ওই ভাবে তাকিয়ে আছে কেনো, কিছু কি বলবে, না থাক আমি ত" চিনি না এমনি কি কথা বলবো, এই বলে সিগারেট টা শেষ করে বাসায় গেলাম, খালা মনি বলতেছে কিরে তোর ঘোড়াঘুড়ী হয়নি কখন বের হইছিস খাবিনা নাকি।

আমি: বললাম খাবো তো!
খালা মনি : হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে আয় আমি খাবার দিচ্ছি,,

খালামণি আমার প্রিও, বিরিয়ানি আর পায়েস রান্না করেছে, আহহ! খালামনির হাতের রান্না, আমি তৃপ্তি করে খাচ্ছি তারপর মাহদীবা এসে বলতেছে, কি গো আম্মু শুধু কি ভাইয়াকেই খাওয়াবা আমাদের দিবানা, খালামনি তখন বলছে তোরা তো রোজ ই আমার হাতের রান্না খেয়ে নিস, ও এসেছে একটু ঠিক মত খেতে দে,
আমি: তখন বললাম খালামনি তুমি তারা তারি ওরে বিয়ে দিয়ে দেও , তাইলেই তো তোমার ভালোবাসা আমার প্রতি কমতি থাকবে না।

মাহদীবা তখন, বলছে হুম ঠিক বলছো তারা তারি বিয়ে দিলেই তো আমি অন্য বাড়ি চলে যেতে পারি, খালামনি তখন বলছে, শয়তান মাইয়া তরে কে বিয়ে করবে, আমি বললাম চিন্তা করো না ওর চেয়ে বড় একটা শয়তান হয়তো কোন যায়গায় আছে সে নিশ্চয় আসবে, এইরকম ভাবেই হাসি খুনসুটি চলে গেলো।

পরের দিন সকাল ৯টায়, একটা মেয়ে আসসে ছোট একটা টিফিন বাটি হাতে নিয়ে, একি এটা তো কালকের সেই মেয়ে টি, মাহদীবা আসলো তাকে ভিতরে নিয়ে গেলো, তারপর আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো, ওপাশ থেকে মাহদীবা বল্লো ভাইয়া এটা আমার ফ্রেন্ড "রাকা" , আর "রাকা" কে বল্লো এটা, আমার ভাইয়া

আমি পরিচিত হয়ে নিলাম, অনেক আড্ডা দিলাম ফোন কোথায় ছিলো আমার যানা নেই, টানা ২ ঘন্টার মত আড্ডা দিয়ে, আমি আমার রুমে গিয়ে ফোন হাতে নিয়ে দেখি অধরা' কল দিয়েছে ৭৭ বার মিস কল উঠে আছে, আমি তখন ভাবতে লাগলাম হায় হায় তার মানে কি একটা মেয়ের জন্য আমার মহারানী কে ভুলে যাচ্ছি না না এ কি ভাবছি আমি।

যাইহোক কল ব্যাক করলাম আমি, রিং হতে হতে কেটে গেলো, আবার দিলাম একটু পর ভারী কন্ঠে বিশাল আহ্মেপ নিয়ে কান্না স্বরে বলে উঠলো, শহরের মেমসাহেব দের রূপবতী চেয়ারার জালে পরে, মায়াবতী কে ভুলে গিয়েছেন বুঝি, আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না, তারপর খুব আতঙ্কের শরে বললাম, রাগ করো না প্রিয়তমা আমার ফোন টা ছিলো না কাছে।

দেখলাম সে ভিষণ মন ভারী করে আছে, তার রাগ ভাঙ্গাতে বললাম,

"রাজ্যের মহারানী যদি মুখ ভারী
করে থাকে রাজ্যে তো কিছু দিন
এর মধ্যে দেউলিয়া হয়ে যাবে
তখন কাকে আর মহারানী বলে
ডাকবো, ওগো আমার মহারানী
আর মুখ ভারী করে বসে থেকো না
এবার সকল মান অভিমান ভুলে
এই ছোট্ট মালি কে তার ফুল
বাগানের যত্ন নেওয়ার অনুমতি দিন প্লিজ"

আমার এই কথা শুনে অধরা' পৃথিবীর সকল কালো ছায়া ছুরে ফেলে দিয়ে,একটা মিষ্টি হাসি দিলো, তখন সকল ক্লান্তি আমার এক নিমিষেই মিটে গেলো, কিছুহ্মন কথা বলে, রেখে দিলাম।

তারপর আবার রুমে গেলাম, একটু পর "রাকা' আমার ঘরে এসে এমন একটা কাজ করবে আমি কখনো কল্পনাও করিনি........?

চলবে........🖋️

#রাতজাগা_লেখক____🖋️

#কাব্যকানণ #কাঠগোলাপের_প্রেম

13/09/2025

বিয়ে করলে তো বাররি চুলওয়ালা ছেলে কেই করবো,,কারণ ঝগড়ার সময় চুলের মুঠি ধরে টান দিতে সুবিধা হবে 🙂🥲🐸👀👍

ঘড়ির কাটায় এখন ঠিক যেনো রাত ১২:৫১ মিনিট, হেটে চলেছি নিজ গন্তব্যে "‎ ছুটছি মুঠো-ফোন টার ফ্ল্যাশলাইটে'র আলোয়।‎‎ "পাখিঁ'রাও...
10/09/2025

ঘড়ির কাটায় এখন ঠিক যেনো রাত ১২:৫১ মিনিট, হেটে চলেছি নিজ গন্তব্যে "
‎ ছুটছি মুঠো-ফোন টার ফ্ল্যাশলাইটে'র আলোয়।

‎ "পাখিঁ'রাও যেনো ঘুমিয়ে গিয়েছে নিজ পরিবারে'র কাছে, আমি ছুটছি, বেশ আনমনে,!
‎' লিখে চলেছিলাম জীবনের হিসেব নিকেশ করে।

‎ পাখিঁ গুলা কত সুখী মনে ঘুমিয়ে আছে " মৃগ ডালের লতা-পাতায় মুড়ানো সেই বাসস্থানে"
‎"ইশ নিজ প্রাণ কত টা বেহায়া, আমার প্রাচুর্যে খাম'খেয়ালিতে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম,

‎সেই 'ন্যাকাবোকা ছেলে টা আজ' বিষাক্ত নগরী'র নেশাখোর নামে বেশ নাম হ্ম্যাতি কামিয়েছে।

‎ 'পুরো বর্ষা'র মাস চলে গেলো, কিন্তু আমার লেখা'র হাত টা যেনো কাচাই র‍য়ে গেলো আর তোমাকে নিয়ে লেখা হলো না, "কী করবো বলো পান্ডুলিপি'র খোজ করতে গিয়ে নিজে'ই যেনো নিখোঁজ হয়েছিলাম "কিছু!দিন বেশ কিছু দিন।

‎"এই দেখো'না এখন লিখছি তবুও যেনো শব্দ গুলো ধরা দিচ্ছে না, কেনো'ই বা দিবে বলো তারাও ত তোমার মত অভিমানে'র বায়না ধরেছে'! ধরবে'ই না কেনো? আমি ত এখন বেশ হাসি খুসি তাই তোমাকে ভুলে গেয়েছি! দেখেছো আমি কত টা স্বার্থপর"।

‎ `চারিদিকে বেশ নিস্তব্ধতার কালো ধোয়া,
‎ কুয়াশায় মিলিয়ে চলেছে, ছুটে চলা'র পথ"

‎"আমি আভাস পাচ্ছি কোন একজনে'র"
‎ সস্পষ্ট হচ্ছে! স'শরিরে, কোন এক মায়াবী সপ্ন"পুরি'র রাজকীয় বেশ নিয়ে!

‎"আমি থম'কে দাঁড়িয়ে পরলাম" আবিস্কার করলাম সেই ঘন কুয়াশায় বেশ স্পষ্ট মুখ খানা,
‎'আমার চোখে'র অশ্রু' গড়িয়ে পরছে বিরতিহীন! -নিকৃষ্ট মানব এই পাপিষ্ঠ জগতের অপাপিষ্ট মানবি'কে দেখে হতভম্ব নিস্তব্ধ হয়ে' দাড়িয়ে রয়েছে এখনো, চোখে'র অশ্রুপাত যেনো থাম'ছেই না।

‎"এ যেনো মহাবিশ্বের সমস্ত সুখ " আমার আঁখি'তে দেখা দিয়েছে,!
আঁখি আনন্দে মুখরিত হয়ে তাকিয়ে রয়েছে, যত দেখি ততই দেখার ইচ্ছে যাগে, কী এক অদ্ভুত কোলাহল সৃষ্টি হলো। যার কোন উৎস খুজে পাচ্ছিনা।

"পরদিন বিকেলে আবার বের হলাম কিছু উপন্যাস এর বই, আর আমার গানে'র ডাইরি টা নিয়ে।
আর শ্যমলতা'র মামার দেওয়া সেই গিটার কাধে নিয়ে " শ্যমলতা' তার আসল নাম হলো সুমাইয়া' তাকে আমি শ্যমলতা বলতাম, আর সে হলো আমার সেই স্কুল ফ্রেন্ড যার সঙ্গে জরিয়ে আছে আমার শৈশবে'র হাসি খুসি -রাগ অভিমান, দিন টা ছিলো রবিবার।

"সিরাজগঞ্জের পাইকোশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ফাইভে'র বিদায় অনুষ্ঠান ছিলো প্রতি বছরের মতই সে দিন টা ছিলো বেশ হাস্যজ্বল কিশোরীরা নিজেদের প্রিয় ফুল নিয়ে হেটে চলেছে বারংবার স্টেজের নৃত্ব পরিবেশণ করছে অনেকেই। আমাদের প্রিন্সিপাল (মোঃ ইয়ামিন আহমেদ) সে আমাকে ডেকে পাঠালো স্কুলের দপ্তরি হাফসা খালা বল্লো কাব্য' তোমাকে প্রিন্সিপাল ডেকেছেন।

"তার সাথে বেশ আমাদের বেশ ভালোই সম্পর্ক বটে।
আমরা সবাই তাকে টাকলা বলে উপাধি দিতাম, কিন্তু সে ছিলো বেশ মিষুক আর রাগে'র সময় বদমেজাজী যাইহোক তাকে নিয়ে অন্য একদিন বলবো।

" আমাকে প্রিন্সিপাল স্যার যা বললেন এটা সোনার জন্য মোটেও প্রস্তুত নই আমি। স্যার বললেন.
-কাব্য' সুমাইয়া নাকি নৃত্য দিবেন আমি শুনে হতভম্ব হয়ে পরেছি,
-কীহ স্যার আমি ত এটা জানিনা আর আমি জানিও না সুমাইয়া নৃত্য পারে।

এটা বলেই ওখান থেকে বিদায় নিলাম, আর মনে মনে ভাবতে লাগলাম জীবনে কত কিছুই আমাদের অজানা" আমি যাকে যত টুক যানতে দিবো সে তত টুকুই যানবে তার বেশি নয়।
সুমাইয়া যখন Performance করতে স্টেজ এ উঠলো আমি বেশ আকর্ষণীয় ভাব নিয়ে দেখতে লাগলাম কত টা বিশ্বময়কর তাহার রুপ।

অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে তাদের বাসায় আমিও গেলাম তাকে এগিয়ে দিতে পারার কিছু বখাতে ছেলে আছে বিরক্ত করবে সেই ভয়ে। সুমাইয়া দের বাড়ি বেশ কাছেই ৫মিনিটের রাস্তা পায়ে হেটে চলেছি তার বাসার গন্তব্যে, গিয়ে দেখি তার মামা (রায়ান সাহেব) এসেছেন রায়ান হলো একজন গিটারিস্ট সে সবাই কে গিটার শিহ্মা দেন। আমি যাওয়া তে বললাম মামা আমার খুব শখ গিটার শেখার কিন্তু আমার ত নেই। আমার এই কথা শুনে মামা কিছু না ভেবেই তার একটা সিগ্নেচার করা গিটার আমায় দিলেন। আমি খুসি মনে তাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম।

" যাইহোক ভয়েজ দিয়ে উপন্যাস পরবো আর সাথে গিটার এর টিউন করবো সেই আসায়, যানো আমার কি যেনো হয়েছে সব সময় শুধু গিটার নিয়ে পরে থাকি না খাওয়া না ঘুমানো।

আর আমার ত বাইক নেই তাই, রিক্সসা ভারা দিয়ে একটু নির্জন রাস্তায় বসে,

বই পরছিলাম আর গিটার এর টিউন করছিলাম,
হটাৎ করেই দেখলাম একটা, দোল খেলানো বেশ পরি পার্টি আর বিলাসবহুল ভাব নিয়ে একটা প্রাইভেট কার এসে থামলো চোখের সামনে বলে উঠলো, আচ্ছা যমুনার মেইন পাড় টা কোন দিকে। আমি তার দিকে না তাকিয়ে বললাম ডান দিকে যান, সে বেশ আকর্ষণীয় ভাব নিয়ে উকি দিয়ে দেখছে আমার দিকে তাকিয়ে আমি কি করছি, প্রায় ১০ মিনিট পর সে চলে গেলো। আমি ওইদিকে পাত্তা না দিয়ে কিছুহ্মন পর চলে এলাম আমার বন্ধুর মত বোন খাদিজা তোমার ওখানে তারপর ত তুমি যানোই তোমাদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি আর মনে মনে উপলব্ধি করছি মেয়ে টা অনেক মায়াবী তার চোখের চাহনী মারাত্মক, আমি একটা কবিতা' আবিস্কার করলাম -আমি সুখের সন্ধান করছিলাম অতঃপর তোমার চোখের দিকে তাকালাম। তোমাকে ত এই কথা বলছিলাম ই সেদিন যা হয়েছিলো।

তোমার ওখানে আড্ডা শেষ করে বারিতে গেলাম গিয়ে মা কে বললাম, মা আমায় কিছু টাকা দিবা, মা আমার কাছে ত বেশি নেই আর টাকা দিয়া কি করবা, এইটা বলে তারপর ২০০ টাকা দিলো, এই সময় ২০০টাকা নিয়া আমি, খেয়ে দেয়ে ঘুমাতে গেলাম, কথায় আছে মস্তিষ্ক যদি ঘুমাতে না দেয় তবে কী করে ঘুম আসবে। ওই মেয়ের কথা খুব মনে পরছে,
,হয়তো " মন তাকে নিয়ে ভাবার জন্য বিরতিহীন জীবন ত্যাগ করেছে, বা মস্তিষ্ক থেকে সে চলে গেছে ঘুন নামক অধ্যায়, আচ্ছা সত্যি কি একজন মস্তিষ্ক থেকে মুছে যায়, আমায় যানিও ত। এই গুলা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম।

কিছু দিন পর

একদিন আমার গিটার নিয়ে গান করছিলাম শিশু পার্কের সামনে। একটু পর দেখি একটা মেয়ে এসে বসলো, গান শেষ এ মেয়ে টা বলছে,, কেমন আছেন আমি কিছু না বুঝে চুপ থাকলাম, একটু পর, আবার জিজ্ঞ্যেস করলো কি হলো শুনছেন না,।

আমি বললাম হ্যা, কিন্তু বলেন আপনি কি আমায় চেনেন,কারন অনেক দিন হলো ত তাই আর রাস্তার কোন অচেনা অতিথি ভেবে আর তাকে নিয়ে ভাবিনি, রোজ কত মানুষের সাথেই ত দেখা হয় চলতে গেলে সবাইকেই কি আর মনে রাখা যায় যাজ্ঞে।
সে বল্লো হ্যা, আমি বললাম কিভাবে, সে উত্তর দিলো চিনি এক ভাবে,
তারপর এই একটু একটু পরিচয়, আমি জিগাইলাম আপনার নাম কি,

সে বল্লো, আপনি রেখে দেন,
আমি ভাবলাম মেয়েটার মাথায় কি কোন প্রব্লেম আছে, হয়তো প্রথম বার না হলেও ২য় বার দেখায় এমন কথা বলবে কোন দিন ভাবিনি। আর ভাব্বোই বা কেন এমন কথা ত না বলাটাই সাভাবিক, যাইহোক
আমি, বললাম, আমি কেন রাখবো।
আপনার কোনো নাম নেই নাকি, সে বলল আপনি একটা রেখে দিলে ভালো লাগবে। আমি কিছু বললাম না, সে আমার নাম্বার চাইলো আমি কিছু না ভেবেই কেনো যানি দিয়ে দিলাম হয়তো মনও চায় তাকে, সে চলে যাওয়ার পর আমি নিজে নিজেই ভাবছি আচ্ছা, একবার বলাতেই নাম্বার টা দেওয়া কি ঠিক হলো।

যাজ্ঞে আমি বারিতে ফিরলাম রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘুমাতে যাবো এমন সময় মুঠো ফোন টা টিং টিং করে বেজে উঠলো মনেমনে ভাবলাম এই সময় আবার কে কল দিলো, হয়তো অফিস থেকে কল দিয়েছে এটা ভেবে ইগ্নোর করলাম, কারণ আমার বিছানা থেকে ফোন চার্জ এর যায়গা ৫হাত দূরে উঠে যেতে হবে, শুয়ে পরার পর আবার পুনরায় উঠা বিষাল একটা কঠিন কাজ বলে মনে করি,।

,,একটু পর আবার কল আসলো এইবার উঠলাম উঠে দেখি একটা ,unknown নাম্বার থেকে কল আসসে, ভাবতেছি ধরবো কিনা, ধুর ধরেই ফেলি দেখি কোন প্রয়োজন নাকি হয়তো কোন আপণ জন ই শরন করেছে, ফোন ধরেই দেখি মেয়ের কণ্ঠস্বর শুনে আমি ইতিমত থমকে গেলাম।

আসসালামু আলাইকুম কে আপনি,
সে : ওয়ালাইকুম আসসালাম আমি বলতেছি।
-আমি কে পরিচয় দেন নাহলে চিনবো কিভাবে,
সে: বাব্বাহ দিনে কত গুলো রমণীর সাথে কথা বলেন চিন্তেই পারতেছেন না,
-ও আচ্ছা আপনি, এইতো খোজ খবর নিতে নিতেই। আসলে আমি এই ভাবে কোন মেয়ের সাথে কথা বলিনি আর কারো সাথে কথা বলেছি তবে সর্বচ্চ ২মিনিট, কিন্তু ওর সাথে Already ৩০ মিনিট এর মত হয়ে গেছে, এখন বুঝলাম মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা কিভাবে কথা বলে।

এই ভাবে কিছু দিন ক্থা হলো, যাজ্ঞে

আজ খুব সুমাইয়া'র কথা মনে পরছে, ও হ্যা ও আমায় বিদায় অনুষ্টানে'র দিন একটা চিরকুট দিয়েছিলো ব্যাস্ততায় সেটা খোলা হয়নি খুলে দেখি কী লেখা।
প্রিয় শ্যামাঙ্গিনী'র শ্যাম
"প্রজাপতির ডানায় রূপান্তরিত করা
সেই রঙিন প্রচ্ছদে দেখা নাম টা হলো
তোমার,

আমি এই প্রথম তোমায় চিঠি
লিখছি, এর আগে আমি কাওকে
লিখিওনি কোনদিন।

আজ আমার ভিষণ মন খারাপ,
বোধহয়,মন খারাপের মনের অভাব।

আমার এই মন গ্রহীনে ছোট্ট একটা
যে মন আছে সেই খানে তোমার
নাম টা একে রেখেছি।

তুমি মানুষ টা অনেক ভাড়ী,
তোমার ওই শক্ত কথার আড়ালে
লুকিয়ে আছে হাজারো কোলাহল।

যেখানে নীরবতার নদী বয়ে চলে,
রোজ তোমার পরশ পাওয়ার জন্য।।

ঘাস ফুলে যেমন ভোর টিপটিপ বিন্দু,
লেগে থাকে, আমিও তোমার
মনে এই ভাবে লেগে থাকতে চাই, কি রাখবে ত।

প্রশান্তির অতলান্ত সাগরের মত
তোমার মায়ায় আটকে গিয়েছি,
পারবে কি আমায় এখান থেকে
মুক্ত করে নিয়ে যেতে।
ভালো থেকো
(ইতি-তোমার শ্যামলতা)°

চিঠির অপরপ্রান্তে লেখা ছিলো, তুমি খুব বেখেয়ালি একজন পুরুষ, ঘড়ি টা তোমার জন্য তোমার সামনে পরিহ্মা সময় যেনো না ভুলে যাও তাই তোমার জন্য এটা, রোজ সকালে এলার্ম দিবে তা শুনে তোমার সময় এর কথা মনে পরবে, আর হ্যা আমি যদি তোমার পাসে না থাকি ঘড়িটা দেখলেই তোমার আমার কথা মনে হবে তখন ভেবে নিবে আমি তোমার সাথেই আছি।
আজ শ্যামলতা'র একটা সংসার ও হয়েছে।
তাই আর মন খারাপ করে তাকে নিয়ে আর ভাবতে চায়নি এই মস্তিষ্ক।

বালিশে মাথা দিয়ে আমার প্রথম কাজ টা হলো ফোন টা হাতে নিতে না নিতেই।
" একটা কল আসলো মুঠোফোনে টা আবার কেপে উঠলো চেয়ে দেখি ওই মেয়ে টা কল দিয়েছে, আমি রিসিভ করে ক্থা বলতে লাগলাম,
কিছুহ্মন পর সে বলতেছে আচ্ছা শুনেন আমি যে আপনাকে বললাম একটা নাম রেখে দেন কি হলো সেটার,।
-আমি রেখে দিবো কেন সবাই আপনাকে কি বলে ডাকে।

-আপনি রেখে দিবেন ব্যাচ। তারপর আমি বললাম,
আমি: এই মেয়ে শুনো?

মেয়ে:জ্বী বলুন?

আমি:তোমাকে না আমি অধরা বলে ডাকবো তাতে কী তুমি রাগ করবে?

মেয়ে: রাগ করবো কেনো,তবে এই উপন্যাসিক যুগে এসে এত সহজ নাম কেনো দিলেন?

আমি:"কারণ তোমার সরলতার মহ্ মায়া কাটতে চায়না সব সময় যেনো তোমাকে নিয়ে ভাবায়, 'আচ্ছা মেয়ে তুমি এত "সরল কেনো?

মেয়ে: আমি কী সত্যি সরলতা নাকি অভিমানী মানবী?

আমি: তুমিই আমার সরলতা। তোমাকে অভিমানী বললে যে ভুল হবে।

মেয়ে: বাব্বাহ কবি কবি ভাব,

আমি আর কিছু বলতে পারলাম না " তাকে আমি অধরা' বলে ডাকি,

এই ভাবে কথা হতে হতে একদিন বলে উঠলো আচ্ছা আমরা কি দেখা করতে পারি না,।

আমি : বললাম দেখা করবে, আচ্ছা ওকে

তারপর দেখা করলাম একটা, বিকেল এ কোনো একটা রাস্তার পাসে,

আমি : কেমন আছো
অধরা' : ভালো

কিছুহ্মন নীরাবতার পর সে বলে উঠলো,

অধরা : আচ্ছা আপনি এমন কেন বলেন ত?
আমি : কেমন!

অধরা : এইজে গভীর সমুদ্রের জলের মত?
আমি : হটাৎ এমন কথা বলছো যে.

অধরা : না মানে, সব সময় হাসি খুসি থাকেন কিন্তু মুখ দেখলে মনে হয় অনেক কষ্ট আপনার ভিতরে,
আমি : ছেলেদের দুঃখ কষ্ট মাপতে চাইছো.

অধরা : না তেমন না, কিন্তু আপনাকে দেখলে কেন যানিনা মায়া কাজ করে, এমন কেন বলেন ত?
আমি : প্রেমে পরেছো?
লজ্জা মাখা মুখে বলে উঠলো,

অধরা : যানিনা, তবে আপনাকে না দেখলে মনে হয়, কি যেনো একটা missing, এইটাকে কি প্রেম বলে,

আমি : কিছু না বলে অন্য দিক এ চেয়ে রইলাম, আর ভাবতে লাগলাম পৃথিবীটা কত সুন্দর,
- হটাৎ দেখি একটা কাঠ গোলাপ ফুটে আছে স্নিগ্ধ রুপ নিয়ে হাওয়ায় দোল খাচ্ছে সে,

মনে মনে ভাবতেছি এই কাঠ-গোলাপ টা যদি ওর কানে গুজে দেওয়া যায় বেশ মানাবে,বটে।

- জলপাই কালার শারি কালো টিপ,মায়াবী চোখে কাজল, খোলা চুল মনে হচ্ছে, যেনো দেবি, হটাৎ অধরা বলে উঠলো,

অধরা : কি বেপার কি দেখেন ওই দিকে তাকিয়ে কি ভাবছেন?
আমি : না কিছু না,

অধরা : বলেন কি ভাবছেন?
আমি : ভাবতেছি আল্লাহর সৃষ্টি গুলো কত সুন্দর তাই না,

অধরা : হ্যা
আমি : আচ্ছা ২মিনিট এখানে বসো আমি আসসি,

এইটা বলে গাছ থেকে ফুল টা নিয়ে আসলাম, এনে ওর কানে গুজে দিলাম, মনে হচ্ছিলো কাঠ গোলাপ টা বলছে কানে কানে, আমি ত এর জন্যই ফুটে ছিলাম..!

অধরা, মৃদু মৃদু হাসছে, আমি বুঝতে পারছি সে অনেক খুসি হয়েছে,
আমি তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি, তখন সে বলছে।

অধরা : কি দেখেন এমন ভাবে?
আমি : দেখতেছি একটা মানুষ কত টা মায়াবিনী হয়,

অধরা : কিহ আমি মায়াবিনী,
আমি : জি হ্যা,

দেখলাম লজ্জায় মুখ লুকোচ্ছে, আমি বললাম কি লজ্জা পেলে নাকি, অধরা : না লজ্জা পাবো কেনো, লজ্জা ত আপনি পাবেন, এই বলে ওখান থেকে একটা অজুহাত দিয়ে চলে গেলো, !

আমি আর কিছু না ভেবে, রাস্তায় দাড়া'লাম রিক্সার জন্য, কিছুহ্মন পর একটা রিক্সা এলো ভাড়া মিটিয়ে বাসায় চলে আসলাম। এসে আম্মু কে ডাকতে লাগলাম খুব খুদা লাগছে, আম্মু বললো সারা দিন টই টই করে ঘুরে আসসে খেতে, পড়ালেখা নেই শুধু ঘোড়া ফিরা,।

আম্মু কে বললাম আম্মু পড়ালেখা ছাড়াও কিন্তু বড় হওয়া যায়। দেখো না কাজি নজরুল ইসলাম সে কিন্তু ৫পাস তাও তাকে কত মানুষ চিনে, আমার কথা শুনে আম্মু আমার কান ধরে বললো খুব দুষ্টু হয়েছিস না, যা হাত মুখ ধুয়ে খেতে আয়, আইছে বড় হবে।

"আম্মু আমার বন্ধুর মত সব কথা শেয়ার করি তবে অধরা'র কথা এখনো কিছু বলিনি।

পরদিন অধরা আমায় এমন কথা বলবে আমি কল্পনাও করিনি_______!

চলবে_____✍️
#কাঠগোলাপের প্রেম

07/09/2025

Love in every lyrics😊😇

01/09/2025

Lost in the magic of his song, captivated by his voice.🌸🥀🌺

আচ্ছা এটা দেখে তো স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে বইয়ের পাতায় লুকোনো শুকনো গোলাপ!! হুহ!!ঠিক ধরেছেন কিন্তু এই ফুলটাও একজন চলে যাওয়া মা...
31/08/2025

আচ্ছা এটা দেখে তো স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে বইয়ের পাতায় লুকোনো শুকনো গোলাপ!! হুহ!!ঠিক ধরেছেন কিন্তু এই ফুলটাও একজন চলে যাওয়া মানুষের শেষ উপহারের নিশব্দ সাক্ষী!! ফুলটা ঠিক ই রয়ে গেছে কিন্তু সে আর থাকে নি!এই ফুল হলো তার চিরকালীন বিদায়ের স্বাক্ষর😊
এই ফুলটি একসময় লাল রঙে রঙীন হয়ে জ্বলেছিল, আজ ম্লান হয়ে গেছে ঠিক তার মতোই অর্থাৎ চলে যাওয়া মানুষটার মতো। তবুও এই শুকনো পাপড়িতে অদ্ভুত এক গন্ধের আভাস এখনো রয়ে গেছে!এখন কোন সুবাসও নেই,, রঙও নেই-তবু তার শেষ উপহার বলেই হয়তো ফুল টিকে আজও এত জীবন্ত মনে হয়!!

ব্যাক্তি টি দূরে চলে গেছে, অথচ তার ছোঁয়া রয়ে গেছে এই ফুলের প্রতি টি পাপড়ির ভাঁজে। ফুলটা তাই মৃত নয়,,ফুলটি এক নিঃশ্বাসহীন স্মৃতি!!এই শুকনো ফুলের পাপরির ফাঁকে লুকিয়ে আছে এক অবিনশ্বর ভালোবাসার প্রতিধ্বনি।

অধরা জানো তোমার অবাধ্য খোলা চুলের -উড়াউড়ি দেখতে বড্ড বেখেয়ালি হয়ে পরি'"সময়ের কোন খেয়ালী থাকে না আমার। তোমার ওই মিষ্টি ঠো...
29/08/2025

অধরা জানো তোমার অবাধ্য খোলা চুলের -
উড়াউড়ি দেখতে বড্ড বেখেয়ালি হয়ে পরি'"
সময়ের কোন খেয়ালী থাকে না আমার।

তোমার ওই মিষ্টি ঠোঁটের বিশ্লেষণ করতে
গেলে গোটা একটা ডাইরীর পাতা -
শেষ হয়ে যাবে।

" গোলাপি ঠোঁটের মিষ্টিমুখ দেখে যেনো -
এক নিমিষেই থমকে যাই।

আর তোমার ঠোঁটের উপরের-
গোলাপি কমলা বর্ণ টা যেনো আমায় বন্দুকের গুলির মত বুকে এসে আঘাত করে"

'তোমার কপালের কালো টিপ টা"
দেখে যেনো মনে হচ্ছে এক চিলতে পরস।
একে দেই তোমার ওই কপালে।

আচ্ছা মেয়ে তুমি ত শাড়ী পরতে পারো "
শুনেছি মেয়েরা নাকি তার জীবনের -
প্রথম শাড়ী পরা শিখে তার মায়ের কাছ থেকে,
তুমিও কী শিখেছো...?

আচ্ছা মেয়ে শুনো তোমায় না জল্পাই কালার শাড়ীতে বেস
মানাবে, পরবে কিন্তু, সাথে ম্যাচিং চুড়ি হালকা
গহণা, মনে হবে যেনো নিশীথে পূর্ণিমায় -
সপ্নমঁয়ী নেমে এসেছে ।

-কাব্য🌸

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাব্যকানণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কাব্যকানণ:

Share