10/09/2025
ঘড়ির কাটায় এখন ঠিক যেনো রাত ১২:৫১ মিনিট, হেটে চলেছি নিজ গন্তব্যে "
ছুটছি মুঠো-ফোন টার ফ্ল্যাশলাইটে'র আলোয়।
"পাখিঁ'রাও যেনো ঘুমিয়ে গিয়েছে নিজ পরিবারে'র কাছে, আমি ছুটছি, বেশ আনমনে,!
' লিখে চলেছিলাম জীবনের হিসেব নিকেশ করে।
পাখিঁ গুলা কত সুখী মনে ঘুমিয়ে আছে " মৃগ ডালের লতা-পাতায় মুড়ানো সেই বাসস্থানে"
"ইশ নিজ প্রাণ কত টা বেহায়া, আমার প্রাচুর্যে খাম'খেয়ালিতে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম,
সেই 'ন্যাকাবোকা ছেলে টা আজ' বিষাক্ত নগরী'র নেশাখোর নামে বেশ নাম হ্ম্যাতি কামিয়েছে।
'পুরো বর্ষা'র মাস চলে গেলো, কিন্তু আমার লেখা'র হাত টা যেনো কাচাই রয়ে গেলো আর তোমাকে নিয়ে লেখা হলো না, "কী করবো বলো পান্ডুলিপি'র খোজ করতে গিয়ে নিজে'ই যেনো নিখোঁজ হয়েছিলাম "কিছু!দিন বেশ কিছু দিন।
"এই দেখো'না এখন লিখছি তবুও যেনো শব্দ গুলো ধরা দিচ্ছে না, কেনো'ই বা দিবে বলো তারাও ত তোমার মত অভিমানে'র বায়না ধরেছে'! ধরবে'ই না কেনো? আমি ত এখন বেশ হাসি খুসি তাই তোমাকে ভুলে গেয়েছি! দেখেছো আমি কত টা স্বার্থপর"।
`চারিদিকে বেশ নিস্তব্ধতার কালো ধোয়া,
কুয়াশায় মিলিয়ে চলেছে, ছুটে চলা'র পথ"
"আমি আভাস পাচ্ছি কোন একজনে'র"
সস্পষ্ট হচ্ছে! স'শরিরে, কোন এক মায়াবী সপ্ন"পুরি'র রাজকীয় বেশ নিয়ে!
"আমি থম'কে দাঁড়িয়ে পরলাম" আবিস্কার করলাম সেই ঘন কুয়াশায় বেশ স্পষ্ট মুখ খানা,
'আমার চোখে'র অশ্রু' গড়িয়ে পরছে বিরতিহীন! -নিকৃষ্ট মানব এই পাপিষ্ঠ জগতের অপাপিষ্ট মানবি'কে দেখে হতভম্ব নিস্তব্ধ হয়ে' দাড়িয়ে রয়েছে এখনো, চোখে'র অশ্রুপাত যেনো থাম'ছেই না।
"এ যেনো মহাবিশ্বের সমস্ত সুখ " আমার আঁখি'তে দেখা দিয়েছে,!
আঁখি আনন্দে মুখরিত হয়ে তাকিয়ে রয়েছে, যত দেখি ততই দেখার ইচ্ছে যাগে, কী এক অদ্ভুত কোলাহল সৃষ্টি হলো। যার কোন উৎস খুজে পাচ্ছিনা।
"পরদিন বিকেলে আবার বের হলাম কিছু উপন্যাস এর বই, আর আমার গানে'র ডাইরি টা নিয়ে।
আর শ্যমলতা'র মামার দেওয়া সেই গিটার কাধে নিয়ে " শ্যমলতা' তার আসল নাম হলো সুমাইয়া' তাকে আমি শ্যমলতা বলতাম, আর সে হলো আমার সেই স্কুল ফ্রেন্ড যার সঙ্গে জরিয়ে আছে আমার শৈশবে'র হাসি খুসি -রাগ অভিমান, দিন টা ছিলো রবিবার।
"সিরাজগঞ্জের পাইকোশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ফাইভে'র বিদায় অনুষ্ঠান ছিলো প্রতি বছরের মতই সে দিন টা ছিলো বেশ হাস্যজ্বল কিশোরীরা নিজেদের প্রিয় ফুল নিয়ে হেটে চলেছে বারংবার স্টেজের নৃত্ব পরিবেশণ করছে অনেকেই। আমাদের প্রিন্সিপাল (মোঃ ইয়ামিন আহমেদ) সে আমাকে ডেকে পাঠালো স্কুলের দপ্তরি হাফসা খালা বল্লো কাব্য' তোমাকে প্রিন্সিপাল ডেকেছেন।
"তার সাথে বেশ আমাদের বেশ ভালোই সম্পর্ক বটে।
আমরা সবাই তাকে টাকলা বলে উপাধি দিতাম, কিন্তু সে ছিলো বেশ মিষুক আর রাগে'র সময় বদমেজাজী যাইহোক তাকে নিয়ে অন্য একদিন বলবো।
" আমাকে প্রিন্সিপাল স্যার যা বললেন এটা সোনার জন্য মোটেও প্রস্তুত নই আমি। স্যার বললেন.
-কাব্য' সুমাইয়া নাকি নৃত্য দিবেন আমি শুনে হতভম্ব হয়ে পরেছি,
-কীহ স্যার আমি ত এটা জানিনা আর আমি জানিও না সুমাইয়া নৃত্য পারে।
এটা বলেই ওখান থেকে বিদায় নিলাম, আর মনে মনে ভাবতে লাগলাম জীবনে কত কিছুই আমাদের অজানা" আমি যাকে যত টুক যানতে দিবো সে তত টুকুই যানবে তার বেশি নয়।
সুমাইয়া যখন Performance করতে স্টেজ এ উঠলো আমি বেশ আকর্ষণীয় ভাব নিয়ে দেখতে লাগলাম কত টা বিশ্বময়কর তাহার রুপ।
অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে তাদের বাসায় আমিও গেলাম তাকে এগিয়ে দিতে পারার কিছু বখাতে ছেলে আছে বিরক্ত করবে সেই ভয়ে। সুমাইয়া দের বাড়ি বেশ কাছেই ৫মিনিটের রাস্তা পায়ে হেটে চলেছি তার বাসার গন্তব্যে, গিয়ে দেখি তার মামা (রায়ান সাহেব) এসেছেন রায়ান হলো একজন গিটারিস্ট সে সবাই কে গিটার শিহ্মা দেন। আমি যাওয়া তে বললাম মামা আমার খুব শখ গিটার শেখার কিন্তু আমার ত নেই। আমার এই কথা শুনে মামা কিছু না ভেবেই তার একটা সিগ্নেচার করা গিটার আমায় দিলেন। আমি খুসি মনে তাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম।
" যাইহোক ভয়েজ দিয়ে উপন্যাস পরবো আর সাথে গিটার এর টিউন করবো সেই আসায়, যানো আমার কি যেনো হয়েছে সব সময় শুধু গিটার নিয়ে পরে থাকি না খাওয়া না ঘুমানো।
আর আমার ত বাইক নেই তাই, রিক্সসা ভারা দিয়ে একটু নির্জন রাস্তায় বসে,
বই পরছিলাম আর গিটার এর টিউন করছিলাম,
হটাৎ করেই দেখলাম একটা, দোল খেলানো বেশ পরি পার্টি আর বিলাসবহুল ভাব নিয়ে একটা প্রাইভেট কার এসে থামলো চোখের সামনে বলে উঠলো, আচ্ছা যমুনার মেইন পাড় টা কোন দিকে। আমি তার দিকে না তাকিয়ে বললাম ডান দিকে যান, সে বেশ আকর্ষণীয় ভাব নিয়ে উকি দিয়ে দেখছে আমার দিকে তাকিয়ে আমি কি করছি, প্রায় ১০ মিনিট পর সে চলে গেলো। আমি ওইদিকে পাত্তা না দিয়ে কিছুহ্মন পর চলে এলাম আমার বন্ধুর মত বোন খাদিজা তোমার ওখানে তারপর ত তুমি যানোই তোমাদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি আর মনে মনে উপলব্ধি করছি মেয়ে টা অনেক মায়াবী তার চোখের চাহনী মারাত্মক, আমি একটা কবিতা' আবিস্কার করলাম -আমি সুখের সন্ধান করছিলাম অতঃপর তোমার চোখের দিকে তাকালাম। তোমাকে ত এই কথা বলছিলাম ই সেদিন যা হয়েছিলো।
তোমার ওখানে আড্ডা শেষ করে বারিতে গেলাম গিয়ে মা কে বললাম, মা আমায় কিছু টাকা দিবা, মা আমার কাছে ত বেশি নেই আর টাকা দিয়া কি করবা, এইটা বলে তারপর ২০০ টাকা দিলো, এই সময় ২০০টাকা নিয়া আমি, খেয়ে দেয়ে ঘুমাতে গেলাম, কথায় আছে মস্তিষ্ক যদি ঘুমাতে না দেয় তবে কী করে ঘুম আসবে। ওই মেয়ের কথা খুব মনে পরছে,
,হয়তো " মন তাকে নিয়ে ভাবার জন্য বিরতিহীন জীবন ত্যাগ করেছে, বা মস্তিষ্ক থেকে সে চলে গেছে ঘুন নামক অধ্যায়, আচ্ছা সত্যি কি একজন মস্তিষ্ক থেকে মুছে যায়, আমায় যানিও ত। এই গুলা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম।
কিছু দিন পর
একদিন আমার গিটার নিয়ে গান করছিলাম শিশু পার্কের সামনে। একটু পর দেখি একটা মেয়ে এসে বসলো, গান শেষ এ মেয়ে টা বলছে,, কেমন আছেন আমি কিছু না বুঝে চুপ থাকলাম, একটু পর, আবার জিজ্ঞ্যেস করলো কি হলো শুনছেন না,।
আমি বললাম হ্যা, কিন্তু বলেন আপনি কি আমায় চেনেন,কারন অনেক দিন হলো ত তাই আর রাস্তার কোন অচেনা অতিথি ভেবে আর তাকে নিয়ে ভাবিনি, রোজ কত মানুষের সাথেই ত দেখা হয় চলতে গেলে সবাইকেই কি আর মনে রাখা যায় যাজ্ঞে।
সে বল্লো হ্যা, আমি বললাম কিভাবে, সে উত্তর দিলো চিনি এক ভাবে,
তারপর এই একটু একটু পরিচয়, আমি জিগাইলাম আপনার নাম কি,
সে বল্লো, আপনি রেখে দেন,
আমি ভাবলাম মেয়েটার মাথায় কি কোন প্রব্লেম আছে, হয়তো প্রথম বার না হলেও ২য় বার দেখায় এমন কথা বলবে কোন দিন ভাবিনি। আর ভাব্বোই বা কেন এমন কথা ত না বলাটাই সাভাবিক, যাইহোক
আমি, বললাম, আমি কেন রাখবো।
আপনার কোনো নাম নেই নাকি, সে বলল আপনি একটা রেখে দিলে ভালো লাগবে। আমি কিছু বললাম না, সে আমার নাম্বার চাইলো আমি কিছু না ভেবেই কেনো যানি দিয়ে দিলাম হয়তো মনও চায় তাকে, সে চলে যাওয়ার পর আমি নিজে নিজেই ভাবছি আচ্ছা, একবার বলাতেই নাম্বার টা দেওয়া কি ঠিক হলো।
যাজ্ঞে আমি বারিতে ফিরলাম রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘুমাতে যাবো এমন সময় মুঠো ফোন টা টিং টিং করে বেজে উঠলো মনেমনে ভাবলাম এই সময় আবার কে কল দিলো, হয়তো অফিস থেকে কল দিয়েছে এটা ভেবে ইগ্নোর করলাম, কারণ আমার বিছানা থেকে ফোন চার্জ এর যায়গা ৫হাত দূরে উঠে যেতে হবে, শুয়ে পরার পর আবার পুনরায় উঠা বিষাল একটা কঠিন কাজ বলে মনে করি,।
,,একটু পর আবার কল আসলো এইবার উঠলাম উঠে দেখি একটা ,unknown নাম্বার থেকে কল আসসে, ভাবতেছি ধরবো কিনা, ধুর ধরেই ফেলি দেখি কোন প্রয়োজন নাকি হয়তো কোন আপণ জন ই শরন করেছে, ফোন ধরেই দেখি মেয়ের কণ্ঠস্বর শুনে আমি ইতিমত থমকে গেলাম।
আসসালামু আলাইকুম কে আপনি,
সে : ওয়ালাইকুম আসসালাম আমি বলতেছি।
-আমি কে পরিচয় দেন নাহলে চিনবো কিভাবে,
সে: বাব্বাহ দিনে কত গুলো রমণীর সাথে কথা বলেন চিন্তেই পারতেছেন না,
-ও আচ্ছা আপনি, এইতো খোজ খবর নিতে নিতেই। আসলে আমি এই ভাবে কোন মেয়ের সাথে কথা বলিনি আর কারো সাথে কথা বলেছি তবে সর্বচ্চ ২মিনিট, কিন্তু ওর সাথে Already ৩০ মিনিট এর মত হয়ে গেছে, এখন বুঝলাম মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা কিভাবে কথা বলে।
এই ভাবে কিছু দিন ক্থা হলো, যাজ্ঞে
আজ খুব সুমাইয়া'র কথা মনে পরছে, ও হ্যা ও আমায় বিদায় অনুষ্টানে'র দিন একটা চিরকুট দিয়েছিলো ব্যাস্ততায় সেটা খোলা হয়নি খুলে দেখি কী লেখা।
প্রিয় শ্যামাঙ্গিনী'র শ্যাম
"প্রজাপতির ডানায় রূপান্তরিত করা
সেই রঙিন প্রচ্ছদে দেখা নাম টা হলো
তোমার,
আমি এই প্রথম তোমায় চিঠি
লিখছি, এর আগে আমি কাওকে
লিখিওনি কোনদিন।
আজ আমার ভিষণ মন খারাপ,
বোধহয়,মন খারাপের মনের অভাব।
আমার এই মন গ্রহীনে ছোট্ট একটা
যে মন আছে সেই খানে তোমার
নাম টা একে রেখেছি।
তুমি মানুষ টা অনেক ভাড়ী,
তোমার ওই শক্ত কথার আড়ালে
লুকিয়ে আছে হাজারো কোলাহল।
যেখানে নীরবতার নদী বয়ে চলে,
রোজ তোমার পরশ পাওয়ার জন্য।।
ঘাস ফুলে যেমন ভোর টিপটিপ বিন্দু,
লেগে থাকে, আমিও তোমার
মনে এই ভাবে লেগে থাকতে চাই, কি রাখবে ত।
প্রশান্তির অতলান্ত সাগরের মত
তোমার মায়ায় আটকে গিয়েছি,
পারবে কি আমায় এখান থেকে
মুক্ত করে নিয়ে যেতে।
ভালো থেকো
(ইতি-তোমার শ্যামলতা)°
চিঠির অপরপ্রান্তে লেখা ছিলো, তুমি খুব বেখেয়ালি একজন পুরুষ, ঘড়ি টা তোমার জন্য তোমার সামনে পরিহ্মা সময় যেনো না ভুলে যাও তাই তোমার জন্য এটা, রোজ সকালে এলার্ম দিবে তা শুনে তোমার সময় এর কথা মনে পরবে, আর হ্যা আমি যদি তোমার পাসে না থাকি ঘড়িটা দেখলেই তোমার আমার কথা মনে হবে তখন ভেবে নিবে আমি তোমার সাথেই আছি।
আজ শ্যামলতা'র একটা সংসার ও হয়েছে।
তাই আর মন খারাপ করে তাকে নিয়ে আর ভাবতে চায়নি এই মস্তিষ্ক।
বালিশে মাথা দিয়ে আমার প্রথম কাজ টা হলো ফোন টা হাতে নিতে না নিতেই।
" একটা কল আসলো মুঠোফোনে টা আবার কেপে উঠলো চেয়ে দেখি ওই মেয়ে টা কল দিয়েছে, আমি রিসিভ করে ক্থা বলতে লাগলাম,
কিছুহ্মন পর সে বলতেছে আচ্ছা শুনেন আমি যে আপনাকে বললাম একটা নাম রেখে দেন কি হলো সেটার,।
-আমি রেখে দিবো কেন সবাই আপনাকে কি বলে ডাকে।
-আপনি রেখে দিবেন ব্যাচ। তারপর আমি বললাম,
আমি: এই মেয়ে শুনো?
মেয়ে:জ্বী বলুন?
আমি:তোমাকে না আমি অধরা বলে ডাকবো তাতে কী তুমি রাগ করবে?
মেয়ে: রাগ করবো কেনো,তবে এই উপন্যাসিক যুগে এসে এত সহজ নাম কেনো দিলেন?
আমি:"কারণ তোমার সরলতার মহ্ মায়া কাটতে চায়না সব সময় যেনো তোমাকে নিয়ে ভাবায়, 'আচ্ছা মেয়ে তুমি এত "সরল কেনো?
মেয়ে: আমি কী সত্যি সরলতা নাকি অভিমানী মানবী?
আমি: তুমিই আমার সরলতা। তোমাকে অভিমানী বললে যে ভুল হবে।
মেয়ে: বাব্বাহ কবি কবি ভাব,
আমি আর কিছু বলতে পারলাম না " তাকে আমি অধরা' বলে ডাকি,
এই ভাবে কথা হতে হতে একদিন বলে উঠলো আচ্ছা আমরা কি দেখা করতে পারি না,।
আমি : বললাম দেখা করবে, আচ্ছা ওকে
তারপর দেখা করলাম একটা, বিকেল এ কোনো একটা রাস্তার পাসে,
আমি : কেমন আছো
অধরা' : ভালো
কিছুহ্মন নীরাবতার পর সে বলে উঠলো,
অধরা : আচ্ছা আপনি এমন কেন বলেন ত?
আমি : কেমন!
অধরা : এইজে গভীর সমুদ্রের জলের মত?
আমি : হটাৎ এমন কথা বলছো যে.
অধরা : না মানে, সব সময় হাসি খুসি থাকেন কিন্তু মুখ দেখলে মনে হয় অনেক কষ্ট আপনার ভিতরে,
আমি : ছেলেদের দুঃখ কষ্ট মাপতে চাইছো.
অধরা : না তেমন না, কিন্তু আপনাকে দেখলে কেন যানিনা মায়া কাজ করে, এমন কেন বলেন ত?
আমি : প্রেমে পরেছো?
লজ্জা মাখা মুখে বলে উঠলো,
অধরা : যানিনা, তবে আপনাকে না দেখলে মনে হয়, কি যেনো একটা missing, এইটাকে কি প্রেম বলে,
আমি : কিছু না বলে অন্য দিক এ চেয়ে রইলাম, আর ভাবতে লাগলাম পৃথিবীটা কত সুন্দর,
- হটাৎ দেখি একটা কাঠ গোলাপ ফুটে আছে স্নিগ্ধ রুপ নিয়ে হাওয়ায় দোল খাচ্ছে সে,
মনে মনে ভাবতেছি এই কাঠ-গোলাপ টা যদি ওর কানে গুজে দেওয়া যায় বেশ মানাবে,বটে।
- জলপাই কালার শারি কালো টিপ,মায়াবী চোখে কাজল, খোলা চুল মনে হচ্ছে, যেনো দেবি, হটাৎ অধরা বলে উঠলো,
অধরা : কি বেপার কি দেখেন ওই দিকে তাকিয়ে কি ভাবছেন?
আমি : না কিছু না,
অধরা : বলেন কি ভাবছেন?
আমি : ভাবতেছি আল্লাহর সৃষ্টি গুলো কত সুন্দর তাই না,
অধরা : হ্যা
আমি : আচ্ছা ২মিনিট এখানে বসো আমি আসসি,
এইটা বলে গাছ থেকে ফুল টা নিয়ে আসলাম, এনে ওর কানে গুজে দিলাম, মনে হচ্ছিলো কাঠ গোলাপ টা বলছে কানে কানে, আমি ত এর জন্যই ফুটে ছিলাম..!
অধরা, মৃদু মৃদু হাসছে, আমি বুঝতে পারছি সে অনেক খুসি হয়েছে,
আমি তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি, তখন সে বলছে।
অধরা : কি দেখেন এমন ভাবে?
আমি : দেখতেছি একটা মানুষ কত টা মায়াবিনী হয়,
অধরা : কিহ আমি মায়াবিনী,
আমি : জি হ্যা,
দেখলাম লজ্জায় মুখ লুকোচ্ছে, আমি বললাম কি লজ্জা পেলে নাকি, অধরা : না লজ্জা পাবো কেনো, লজ্জা ত আপনি পাবেন, এই বলে ওখান থেকে একটা অজুহাত দিয়ে চলে গেলো, !
আমি আর কিছু না ভেবে, রাস্তায় দাড়া'লাম রিক্সার জন্য, কিছুহ্মন পর একটা রিক্সা এলো ভাড়া মিটিয়ে বাসায় চলে আসলাম। এসে আম্মু কে ডাকতে লাগলাম খুব খুদা লাগছে, আম্মু বললো সারা দিন টই টই করে ঘুরে আসসে খেতে, পড়ালেখা নেই শুধু ঘোড়া ফিরা,।
আম্মু কে বললাম আম্মু পড়ালেখা ছাড়াও কিন্তু বড় হওয়া যায়। দেখো না কাজি নজরুল ইসলাম সে কিন্তু ৫পাস তাও তাকে কত মানুষ চিনে, আমার কথা শুনে আম্মু আমার কান ধরে বললো খুব দুষ্টু হয়েছিস না, যা হাত মুখ ধুয়ে খেতে আয়, আইছে বড় হবে।
"আম্মু আমার বন্ধুর মত সব কথা শেয়ার করি তবে অধরা'র কথা এখনো কিছু বলিনি।
পরদিন অধরা আমায় এমন কথা বলবে আমি কল্পনাও করিনি_______!
চলবে_____✍️
#কাঠগোলাপের প্রেম