02/08/2026
শ্রীশ্রী শনিদেবের ব্রতকথা: প্রথম অধ্যায়
ধ্যান মন্ত্র:
ওঁ নীলাঞ্জনচয়প্রখ্যং রবিপুত্রং মহাগ্রহম্।
ছায়ামার্তণ্ডসংভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্॥
পাঁচালী:
শুন সবে শনিদেবের মাহাত্ম্য অপার।
যাঁহার কৃপায় ঘুচে দুখ পরিবার॥
সূর্যদেব পিতা যাঁর, ছায়াদেবী মাতা।
ত্রিভুবনে বিদিত যাঁর মহিমার কথা॥
একদিন সূর্যদেব ছায়াকে হেরিয়া।
জিজ্ঞাসেন মৃদুস্বরে কাছেতে ডাকিয়া॥
কহ মোরে কান্তা তুমি কাহার নন্দন।
কার তপে তুষ্ট হয়ে লভিলে রতন॥
ছায়া বলে শুন নাথ করি নিবেদন।
তব রূপ মনে ভাবি করি যে তপন॥
তপস্যার ফলে জন্ম লইল নন্দন।
কালবরণ শোভা পায় সুরূপ কেমন॥
সূর্য বলে কালো রূপ কেনবা হইল।
কোন্ অপরাধে মোরে ছলনা করিল॥
ক্রোধভরে সূর্যদেব বাক্য যে শুনায়।
ছায়াদেবী মস্তক নোয়াইয়া রয়॥
শনিদেব পিতা-মাতার বন্দনা করিয়া।
তপস্যায় গেলেন চলি কাশী যে ধাইয়া॥
কাশীতে গিয়া শনি ঘোর তপ করে।
মহাদেব তুষ্ট হন ভক্তের উপরে॥
বর মাগো শনিদেব শিব তখন কয়।
যে বর মাগিবে তুমি তাহাই যে হয়॥
শনি বলে বর দাও প্রভু বিশ্বেশ্বর।
গ্রহগণের মাঝে যেন হই শ্রেষ্ঠতর॥
আমার দৃষ্টিতে যেন ঘুচে পাপ রাশি।
মোর ভয়ে ভীত যেন থাকে বিশ্ববাসী॥
তুষ্ট হয়ে মহাদেব বর যে দিলেন।
নবগ্রহের শ্রেষ্ঠ করি শনিকে করলেন॥
এইমতে শনিদেব বর লাভ করি।
আনন্দে থাকেন নিজ ভবনেতে ফিরি॥
ইতি শ্রীশনিদেবের পাঁচালীর প্রথম অধ্যায় সমাপ্ত।