Sumon Rahman

Sumon Rahman Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sumon Rahman, Publisher, বাংলাদেশ, Rangpur.

হে আল্লাহ তুমি আমাকে দ্বিনদার, পরহেজগার,আল্লাহ ওয়ালি,চক্ষুসিতলকারী অর্ধাঙ্গিনী দান করো।
আমি এই দুনিয়াতে আমার আহলিয়ার সাথে
একটু শারিরীক,মানসিক শান্তিতে
তোমার ইবাদত করতে চাই 🤲

“নরসিসিস্ট পার্টনার” সম্পর্কের ভেতরের এক নীরব যুদ্ধ আপনি কি কখনো এমন কারও সাথে সম্পর্কে ছিলেন,যেখানে সব দোষ যেন আপনারই?আ...
25/04/2026

“নরসিসিস্ট পার্টনার” সম্পর্কের ভেতরের এক নীরব যুদ্ধ

আপনি কি কখনো এমন কারও সাথে সম্পর্কে ছিলেন,
যেখানে সব দোষ যেন আপনারই?
আপনি যতই চেষ্টা করেন, তবুও আপনি “ভুল”?

এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই
কিন্তু আমরা অনেক সময় নামটা জানি না।
এটাই হতে পারে নরসিসিস্টিক সম্পর্কের বাস্তবতা।

নরসিসিস্ট পার্টনার কেমন হয়???

- সবসময় নিজেকে ঠিক ভাবে
- আপনার অনুভূতিকে ছোট করে দেখে
- আপনার কষ্টকে “ড্রামা” বলে উড়িয়ে দেয়
- ভালোবাসার নামে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে
- আর সবচেয়ে বড় কথা—
কখনো নিজের ভুল স্বীকার করে না

আপনি (পার্টনার) কীভাবে ভোগেন?

বাংলাদেশের অনেক সম্পর্কেই এটা “স্বাভাবিক” ভেবে মেনে নেওয়া হয়।

কিন্তু ভেতরে ভেতরে,

আপনি নিজের উপর বিশ্বাস হারাতে থাকেন
সবসময় মনে হয় “আমি হয়তো যথেষ্ট না”
আপনি কথা বলার আগে ভয় পান, ঝগড়া হবে কিনা
ধীরে ধীরে নিজের ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন
একসময় আপনি চুপ হয়ে যান।

কারণ কথা বললেও তো লাভ হয় না

তাদের সব থেকে বড়ো শক্তিশালী একমাত্র অস্ত্র হলো

“Blaming Game”!!!
কারন এদের নিজের কোনো যোগ্যতা ই নেই আপনার মুখোমুখি হওয়ার।।।

নরসিসিস্টরা খুব চতুরভাবে দোষ আপনার উপর চাপিয়ে দেয়,

“তুমি এমন না হলে আমি রাগ করতাম না”
“সবকিছু তোমার জন্যই খারাপ হচ্ছে”
“তুমি আমাকে বুঝো না”

এমনকি তারা এমনভাবে কথা বলে,
যাতে আপনি নিজের বাস্তবতাকেই সন্দেহ করতে শুরু করেন

এটাকে বলা হয় Gaslighting
যেখানে আপনি ভাবেন, “সমস্যা কি আসলেই আমার?”

কেন আপনি বের হতে পারেন না?

- আপনি আশা করেন,একদিন সে বদলাবে
- আপনি পুরোনো ভালো সময়গুলো আঁকড়ে থাকেন
- সমাজ, পরিবার, বাচ্চা,সবকিছু আপনাকে আটকে রাখে
- আর সবচেয়ে বড় কথা,
আপনি নিজেকেই দোষ দিতে শুরু করেন

কিন্তু সত্যিটা হলো,

আপনি সমস্যার মূল নন।
আপনার অনুভূতি অমূল্য।
আপনার কষ্ট বাস্তব।

একটি সুস্থ সম্পর্ক কখনো আপনাকে
ছোট করবে না
চুপ করাবে না
নিজের পরিচয় ভুলিয়ে দেবে না

কী করতে পারেন?

- নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন
- বিশ্বাসযোগ্য কারও সাথে কথা বলুন
- প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা নিন
- নিজের সীমারেখা (boundaries) তৈরি করুন

শেষ কথা,
ভালোবাসা মানে কষ্ট সহ্য করা না,
ভালোবাসা মানে নিরাপদ থাকা ❤️

যদি আপনি এই লেখার মধ্যে নিজেকে খুঁজে পান,
তাহলে জানবেন,
আপনি একা নন।

সম্পর্কে কি সত্যিই ঝগড়া হচ্ছে,নাকি ঝগড়ার আড়ালে ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে respect, understanding আর emotional connection?অনেক...
24/04/2026

সম্পর্কে কি সত্যিই ঝগড়া হচ্ছে,
নাকি ঝগড়ার আড়ালে ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে respect, understanding আর emotional connection?

অনেক সম্পর্কেই ঝগড়া শুধু একটা ঘটনা না এটা একটা pattern হয়ে যায়। যেখানে ভালোবাসা থাকলেও শান্তি থাকে
না, আর কথা থাকলেও বোঝাপড়া থাকে না।

🔵 ১. ছোট বিষয় থেকেই বড় ঝগড়া শুরু হয়, কারণ ভেতরের জমে থাকা কষ্ট কখনো বের হয় না।
অনেক সময় ঝগড়ার শুরুটা খুব সাধারণ একটা বিষয় দিয়ে হয় একটা কথা, একটা tone, একটা ভুল বোঝাবুঝি। কিন্তু আসল সমস্যা সেই মুহূর্তের না, বরং আগের জমে থাকা hurt, অবহেলা আর unmet expectation। এই জমে থাকা emotions যখন একসাথে বের হয়, তখন ছোট বিষয়ও বড় conflict হয়ে যায়।

🔵 ২. কথা বলার চেষ্টা না হয়ে শুরু হয় একে অপরকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা।
ঝগড়ার সময় অনেকেই আসলে বুঝতে চায় না, শুধু প্রমাণ করতে চায় -“আমি ঠিক, তুমি ভুল।” ফলে conversation আর conversation থাকে না, সেটা হয়ে যায় competition।
এবং এই জায়গা থেকেই understanding পুরোপুরি হারিয়ে যায়।

🔵 ৩. একজন explain করতে চায়, আরেকজন already defensive হয়ে যায়। একজন নিজের কষ্ট বোঝাতে চায়, কিন্তু অন্যজন সেটা attack হিসেবে নেয়। ফলে যে জায়গায় শান্তভাবে কথা হওয়ার কথা ছিল, সেখানে শুরু হয় defensive reaction আর counter argument। এই cycle relationship-কে emotionally exhausting করে তোলে।

🔵 ৪. না শোনার অনুভূতি মানুষকে আরও বেশি harsh করে তোলে।
যখন কেউ মনে করে তার কথা গুরুত্ব পাচ্ছে না, তখন সে শান্তভাবে বোঝানোর চেষ্টা কমিয়ে দেয়। বরং সে আরও জোরে কথা বলে, emotionally intense হয়ে যায়, কারণ সে চায় অন্তত এবার তাকে বোঝা হোক। এই misunderstanding থেকেই অনেক ঝগড়া আরও বড় হয়ে যায়।

🔵 ৫. ego relationship এর সবচেয়ে silent damage creator
“আমি কেন আগে sorry বলবো?”
“আমি তো ভুল না”
এই ego-based thinking ধীরে ধীরে relationship এর softness নষ্ট করে দেয়। কারণ এখানে কেউ solution খুঁজছে না, সবাই শুধু নিজের অবস্থান ধরে রাখতে চাইছে।

🔵 ৬. trust কমে গেলে ছোট বিষয়ও বড় সন্দেহে পরিণত হয়
যখন trust weak হয়ে যায়, তখন simple কথা, late reply, বা normal behaviourও ভুলভাবে interpret হয়। এই overthinking আর insecurity থেকেই অনেক unnecessary ঝগড়া তৈরি হয়, যেটা আসলে বাস্তবে এত বড় কিছু ছিল না।

🔵 ৭. emotional safety না থাকলে ভালোবাসা থাকলেও শান্তি থাকে না।
ভালোবাসা থাকলেই relationship healthy হয় না।
যদি কেউ নিজের feelings express করেও safe feel না করে, তাহলে সে ধীরে ধীরে closed হয়ে যায় বা aggressive হয়ে যায়। এই emotional imbalance থেকেই constant conflict তৈরি হয়।

🔵 ৮. ঝগড়া শেষ হলেও emotional distance ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। অনেক সময় ঝগড়া মিটে যায়, কিন্তু ভেতরের connection আগের মতো থাকে না। কথা হয়, দেখা হয়, কিন্তু সেই আগের warmth আর comfort ধীরে ধীরে কমে যায়।
এই silent distance অনেক সময় relationship-কে weak করে দেয়।

🔵 ৯. ঝগড়ার সময় একজন আরেকজনকে blame করতে শুরু করে, বোঝার চেয়ে দোষ প্রমাণ করাই বড় হয়ে যায়
ঝগড়ার মুহূর্তে focus থাকা উচিত সমস্যা solve করা, কিন্তু অনেক সময় সেটা হয়ে যায় blame game।
কে আগে ভুল করেছে, কে বেশি hurt দিয়েছে এই লড়াই relationship-কে repair না করে বরং আরও damage করে।
কারণ তখন কেউ আর “আমরা ঠিক হচ্ছি” ভাবছে না, সবাই ভাবছে “আমি ঠিক প্রমাণ করবো।”

🔵 ১০. ঝগড়ার সময় শুধু বর্তমান সমস্যা না, বরং পুরোনো কষ্টও টেনে আনা হয় এমনকি ব্যক্তিগত আঘাতও দেওয়া হয়
অনেক সম্পর্কেই ঝগড়া সীমা ছাড়িয়ে যায়, যেখানে আগের ভুল, পুরোনো কষ্ট, এমনকি একে অপরের sensitive বিষয় পর্যন্ত টেনে আনা হয়। এটা শুধু argument না, এটা emotional wound deepen করে দেয়। যেটা relationship এর trust আর respect দুটোই ভেঙে দেয়, কারণ তখন আর কেউ safe feel করে না।

মনে রাখবেন:
সম্পর্কে ঝগড়া আর অভিমান হওয়াটা একদম স্বাভাবিক। কিন্তু যখন এই ঝগড়ার মধ্যে ego ঢুকে যায়, তখন আর বোঝাপড়া থাকে না শুধু একজন আরেকজনকে blame করতে থাকে। ধীরে ধীরে কথার মাঝেই দূরত্ব তৈরি হয়, feelings কমে যায়। আর এই pattern যদি বারবার চলতে থাকে, তাহলে সম্পর্কটা ভাঙার দিকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই শুরুতেই বিষয়টা বুঝে নেওয়া জরুরি আর যদি সবসময় ঝগড়া লেগেই থাকে এমন অবস্থায় professional guide অথবা couple counselling করা উচিত যাতে সম্পর্কটা আবার ঠিক পথে ফিরানো যায়।

23/04/2026
23/04/2026

আমার চেয়েও ভালো কাউকে পেয়ে যদি
কেউ আমাকে ছেড়ে যায়,
তাতে আমার কোনো দুঃখ নেই।
আমি কখনোই চাই না,
কেউ আমাকে পেয়ে পিছিয়ে যাক,
হার মানুক, আফসোসে ভুগুক
বা মন ছোট করে বাঁচুক।
আমি চাই—প্রত্যেকেই জিতুক,
জীবন এগিয়ে যাক নিজের মতো করে,
আর সবাই মন খুলে বাঁচুক।

লজ্জাস্থানের লোম কাটার মাসয়ালা—নখ কাটা, নাভির নিচের লোম, বোগলের লোম এবং মোছ কাটার ইসলামী বিধি-বিধান এবং কতিপয় ভ্রান্ত ব...
17/04/2026

লজ্জাস্থানের লোম কাটার মাসয়ালা—
নখ কাটা, নাভির নিচের লোম, বোগলের লোম এবং মোছ কাটার ইসলামী বিধি-বিধান এবং কতিপয় ভ্রান্ত বিশ্বাস—

১) প্রশ্ন:
৪০ দিনের মধ্যে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার না করলে কি নামাজ-রোজা ইত্যাদি কোনও ইবাদত কবুল হবে না?

২) প্রশ্ন:
শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা সম্পর্কে ইসলামের বিধান কি? আমি জানি, ৪০ দিনের মধ্যে পরিষ্কার করতে হয়। তার মানে কি, যদি কোন কারণে ৪০ দিন পার হয়ে যায় তাহলে কি নামাজ, রোজা, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি কোনও ইবাদত কবুল হবে না?

❑ ১ ও ২ এর উত্তর :
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
নিঃসন্দেহে ইসলাম অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, শুদ্ধ ও পবিত্র জীবনাদর্শের নাম। পাক-পবিত্রতা ইসলামের এক অনন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একে ঈমানের শাখা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাই ইসলামে, নখ কাটা এবং মোচ, বগল, নাভির নিচের পশম ইত্যাদি শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৪০ দিন নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যেই তা পরিষ্কার করা সুন্নত।

❂ আনাস ইবনে মালেক রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন,
وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ وَنَتْفِ الإِبْطِ وَحَلْقِ الْعَانَةِ أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
“গোঁফ ছাটা, নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভির নিচের লোম ছেঁচে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যেন আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি।” [মুসলিম, অধ্যায়: পাক-পবিত্রতা, হা/৪৮৭]

❂ রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
الْفِطْرَةُ خَمْسٌ : الْخِتَانُ وَالاِسْتِحْدَادُ وَنَتْفُ الإِبْطِ وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ وَقَصُّ الشَّارِبِ
‘পাঁচটি জিনিস মানুষের স্বভাবজাত বিষয়: খতনা করা, ক্ষৌরকার্য করা (নাভির নিম্নের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা), বগলের চুল উপড়ানো, নখ কাটা ও গোঁফ ছোট করা।" [সহিহ বুখারি ও মুসলিম]
সুতরাং কেউ যদি অবহেলা বশত: ইচ্ছাকৃত ভাবে এই মেয়াদ অতিক্রম করে তাহলে সে গুনাহগার হবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, অলসতা, ব্যস্ততা, ভুলে যাওয়া ইত্যাদি কোনও কারণে ৪০ দিনের মধ্যে এগুলো পরিষ্কার করা না হলে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি কোন এবাদত কবুল হবে না। বরং যথানিয়মে সঠিক পদ্ধতি ইবাদত করা হলে, আশা করা যায় আল্লাহ তাআলা তা কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ। অবশ্য, ময়লা জমে পবিত্রতা অর্জনে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে তাতে সালাত ও পবিত্রতা সংশ্লিষ্ট ইবাদতগুলো শুদ্ধ হবে না।

এ ক্ষেত্রে করণীয় হলো, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রম করার কারণে আল্লাহর নিকট তওবা করা এবং অনতি বিলম্বে এসব নোংরামি থেকে পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা। আল্লাহ তৌফিক দান করুন। আমীন🤲
——————————————••••

৩) প্রশ্ন:
নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করার সময় যদি ২/১ টা অবশিষ্ট থেকে যায় তাহলে কি নামাজ হবে?

❑ উত্তর :
▬▬▬▬☞
হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চল্লিশ দিনের মধ্যে ভালোভাবে নাভির নিচের লোম, বগলের পশম (পুরুষদের মোচ) ইত্যাদি পরিষ্কার করা জরুরি। অন্যথায় গুনাহগার হতে হবে। তবে কেউ যদি এ সময়ের মধ্যে অলসতা, ব্যস্ততা, ভুলে যাওয়া ইত্যাদি কোনও কারণে তা না পরিষ্কার করে বা অসতর্কতা বশত: কিছু লোম অবশিষ্ট থেকে যায় তাহলে এ অবস্থায় যথারীতি পবিত্রতা অর্জন করত: সালাত আদায় করলে তাতে সালাতের কোনও ক্ষতি হবে না। তবে ইচ্ছাকৃত যেন এমনটি না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা কর্তব্য।
———————————————••••

৪) প্রশ্ন:
নাভির নিচের লোম কি নাপাক?

❑ উত্তর :
▬▬▬▬☞
ইসলামে নাভির নিচের লোম, বগলের নিচের পশম, নখ ইত্যাদি পরিষ্কারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ ৪০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এর অতিরিক্ত সময় নখ ও শরীরের অতিরিক্ত লোম পরিষ্কার না করা গুনাহ।
তবে নখ, চুল, পশম, অতিরিক্ত চামড়া এগুলো নাপাক নয় ইত্যাদি শরীরের উপরিভাগে থাকা জিনিসগুলো নাপাক নয়। কেননা হাদিসে এগুলোকে নাপাক বলা হয় নি। তবে পেশাব, পায়খানা, পুঁজ, প্রবাহিত রক্ত ইত্যাদি শরীরের ভেতর থেকে বাইরে বের হয়ে আসা বস্তু সমূহ নাপাক।
———————————————••••

৫) প্রশ্ন:
শনিবার ও বুধবার কি চুল কাটা কি নিষেধ?

❑ উত্তর :
▬▬▬▬☞
নখ কাটার জন্য বিশেষ কোন দিন, ক্ষণ বা পদ্ধতি সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত নয়। হাদিসের নাম দিয়ে এ সংক্রান্ত কিছু কথা সমাজে প্রচলিত আছে। কিন্তু মুহাদ্দিসগণের দৃষ্টিতে এগুলো সব জাল-জঈফ কথা। সুতরাং তাতে বিশ্বাস করা বা সে আলোকে আমল করা বৈধ নয়।

বলা হয়ে থাকে, “শনি, ও বুধবার নখ ও চুল কাটা যাবে না। নিশ্চয়ই তা শ্বেত কুষ্ঠ হওয়ার কারণ।” কিন্তু হাদিসের নামে এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যাচার ও কুসংস্কার পূর্ণ কথা।

এ ছাড়াও উমুক দিন নখ কাটলে এই হবে-সেই হবে। উমুক দিন কাটলে এই রোগ-ব্যাধি বা ক্ষয়-ক্ষতি হবে। উমুক দিন কাটলে এই উপকার হবে-এ জাতীয় কথাবার্তা কুসংস্কার পূর্ণ হিন্দুয়াবী বিশ্বাস থেকে উৎসারিত। কোন মুসলিমের জন্য এ সব কথায় বিশ্বাস পোষণ করা জায়েজ নাই।

➧ কোন দিন নখ-চুল কাটলে কী হয়?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
অনেক হিন্দুদের মধ্যে সপ্তাহের দিন হিসেবে নখ-চুল কাটাকে শুভ-অশুভ মানা হয়। যেমন—

◆ শনিবারে চুল বা নখ কাটা অনেক বিপদ ডেকে আনতে পারে। এমনকি হঠাৎ মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে!
◆ রবিবারে চুল-নখ কাটাকে অশুভ বলে মনে করা হয়। সম্পত্তি, মানসিক স্থিতি এবং ধর্মের উপর প্রভাব পড়ে এই দিন চুল বা নখ কাটলে!
◆ সোমবারে চুল কাটলে মানুষের মানসিক অবস্থার উপর এবং শিশুর শারীরিক অবস্থার উপর এর প্রভাব পড়ে!
◆ মঙ্গলবার চুল বা নখ কাটলে আয়ু কমে যায়!
◆ বুধবারে নখ বা চুল কাটলে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া যায়!
◆ বৃহস্পতিবার চুল-নখ কাটা মানে লক্ষ্মীকে অপমান করা হয়!
◆ শুক্রবার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। এদিন চুল বা নখ কাটলে সাফল্য আসে!
◆ সূর্যাস্তের পর নখ কাটলে ভয়াবহ বিপদ আসতে পারে!

বলা বাহুল্য যে, ইসলামের দৃষ্টিতে নখ-চুল কাটার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনও দিন বা ক্ষণকে শুভ-অশুভ মনে করা হারাম। ইসলামের দৃষ্টিতে এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভ্রান্ত কুসংস্কার ছাড়া অন্য কিছু নয়।
— (আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমিন)

মোটকথা, হাত বা পায়ের নখ লম্বা হলে বা কাটার প্রয়োজন অনুভব হলে যে কোন মুহূর্তে তা কাটা যাবে। তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নখ, মোচ, বগলের লোম পরিষ্কার ও নাভির নিচের লোম কাটার জন্য সর্বোচ্চ ৪০ দিন সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন-যেমনটি পূর্বোক্ত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং ইচ্ছাকৃতভাবে এর ব্যতিক্রম করা যাবে না।
————————————————•••

৭) প্রশ্ন:
আমি লন্ড্রিতে কাজ করি। সে ক্ষেত্রে হাতের নখ ছোট রাখলে আঙুলের সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে কি আমি কিছুটা বড় রাখতে পারবো?

❑ উত্তর :
▬▬▬▬☞
কা ফির-মু শরিক এবং ফাসেক নায়ক-নায়িকাদের অনুকরণে নখ বড় রাখা জায়েজ নাই (যেমনটি অনেক যুবক-যুবতি আধুনিক ফ্যাশনের নামে করে থাকে)। বরং ইসলামের নির্দেশ হল, সর্বোচ্চ ৪০ দিনের মধ্যে নখ ও শরীরের অতিরিক্ত পশম কাটাতে হবে; অন্যথায় গুনাহগার হতে হবে। হাদিসে এসেছে:
আনাস ইবনে মালেক রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন,
وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ وَنَتْفِ الإِبْطِ وَحَلْقِ الْعَانَةِ أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
“গোঁফ ছাটা, নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভির নিচের লোম ছেঁচে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যেন আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি।” [মুসলিম, অধ্যায়: পাক-পবিত্রতা, হা/৪৮৭]

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন,
“ফিতরাত (স্বভাবজাত ধর্ম) পাঁচটি অথবা পাঁচটি জিনিস স্বভাবজাত বিষয়:
ক. খতনা করা,
খ.নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা,
গ. নখ কাটা,
ঘ. বগলের পশম তুলে ফেলা
ঙ. এবং মোচ কাটা।”
(বুখারি ৫৮৮৯, ৫৮৯১, ৬২৯৭; মুসলিম ২৫৭/১-২)

তবে-যেমনটি আপনি বলেছেন-বিশেষ দরকারে যদি নখ বড় রাখার প্রয়োজন হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ গুনাহ হবে না। নিশ্চয় আল্লাহ বান্দার নিয়ত সম্পর্কে সম্যকভাবে অবগত।
দু’আ করি, আল্লাহ আপনার ইনকামে বরকত দান করেন। আমীন🤲

📌 এই পেইজটি আপনার মহা-উপকারের জন্য। ঘুরে আসবেন এবং Follow দিয়ে রাখবেন ইংশাআল্লাহ্।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

যোগাযোগ দক্ষতা বা ‘Communication Skills’ মানুষের ব্যক্তিত্বের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুন্দরভাবে কথা বলে সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট...
17/04/2026

যোগাযোগ দক্ষতা বা ‘Communication Skills’ মানুষের ব্যক্তিত্বের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুন্দরভাবে কথা বলে সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট করা সম্ভব। মানুষকে আকৃষ্ট করার ৭টি কার্যকরী টিপস নিচে তুলে ধরা হলো

কথায় আছে, ‘আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী’। কিন্তু কথা বলার ধরনই বলে দেয় আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন। অন্যদের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে নিচের কৌশলগুলো মেনে চলুন:

✅✍️১. নাম জিজ্ঞাসা করুন ও মনে রাখুন 🚶🏽‍♂️

কারও সাথে কথা বলার শুরুতে তার নাম জেনে নেওয়া এবং তা মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। মানুষের কাছে তার নিজের নাম পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ। যখন আপনি কাউকে নাম ধরে ডাকেন, তখন সে আপনার প্রতি আলাদা এক টান অনুভব করে এবং নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।

✅👉২. আলোচনার মাঝে মাঝে নাম ব্যবহার করুন 🌻

শুধু নাম মনে রাখলেই হবে না, কথা বলার সময় মাঝেমধ্যে তার নাম উচ্চারণ করুন। যেমন— "রোহিত, আপনার এই পরিকল্পনাটা দারুণ!" এটি কথোপকথনে এক ধরণের ব্যক্তিগত স্পর্শ যোগ করে এবং সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।

✅👉৩. শুধু বলবেন না, শুনতেও শিখুন🚶🏽‍♂️

যোগাযোগ মানে কেবল নিজে বলে যাওয়া নয়। একজন ভালো বক্তার আগে একজন ভালো শ্রোতা হওয়া প্রয়োজন। সামনের মানুষটির কথা মন দিয়ে শুনলে সে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এবং আপনার সাথে কথা বলতে আরও বেশি আগ্রহী হয়।

✅👉৪. নিজের মতামত স্পষ্টভাবে শেয়ার করুন

সবসময় অন্যের কথায় ‘হ্যাঁ’-তে ‘হ্যাঁ’ মেলাবেন না। নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখতে নিজের যুক্তি ও মতামত তুলে ধরুন। ভিন্নধর্মী কিন্তু সম্মানজনক মতামত আপনাকে একজন বুদ্ধিমান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে পরিচিত করবে।

✅৫. স্বাভাবিক দৃষ্টি বিনিময় (Eye Contact)👁️

কথা বলার সময় সামনের মানুষটির চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে। তবে মনে রাখবেন, দৃষ্টি যেন স্বাভাবিক হয়; একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবেন না বা চোখের ভাষা যেন ভীতিকর না হয়।

✅👉৬. অপ্রয়োজনীয় বিস্তারিত এড়িয়ে চলুন🥀

গল্প বলার সময় বা কোনো তথ্য দেওয়ার সময় ছোটখাটো বা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে বেশি সময় নষ্ট করবেন না। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর জোর দিন। খুব বেশি তথ্য মানুষকে বিরক্ত করতে পারে।

✅👉৭. মুখে সর্বদা হাসি রাখুন 🥰

একটি সুন্দর হাসি হাজারো শব্দের সমান। কথা বলার সময় মুখে মৃদু হাসি রাখলে সামনের মানুষটি আপনার সাথে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। হাসি কেবল আপনার আলোচনাকেই নয়, আপনার জীবনকেও আনন্দময় করে তোলে।

🥀🌻🥀শেষ কথা 🥀🥰🥀

সুন্দরভাবে কথা বলা একটি শিল্প। এই ৭টি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আপনার সামাজিক জীবনে এক বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে। আজ থেকেই এই টিপসগুলো চর্চা করুন এবং দেখুন মানুষ আপনার প্রতি কতটা আকৃষ্ট হয়!

আপনার কাছে কি কথা বলার অন্য কোনো বিশেষ কৌশল আছে? আমাদের কমেন্টে অবশ্যই জানান!

‎🔥ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন এবং জীবনের গূঢ় রহস্য জানতে এই পোস্টটি সেভ করে রাখুন এবং অন্যদের সাথেও শেয়ার করুন। প্রতিদিন নিজেকে ১% উন্নত করার লক্ষ্যে আমাদের এই পেজটিকে ফলো করে রাখুন। ❤️

‎👉🌻 এই পোষ্টের ফটো বা টেক্সট কেউ কপি করবেন না।কপিরাইট সচেতনতা বজায় রাখুন।



12/04/2026

আমার কাছে মুগ্ধতা হলো মানুষের ব্যবহার,
কথার ধরন ব্যাক্তিত্ব এবং দায়িত্বশীলতা
কারণ চেহারার মুগ্ধতার চেয়ে
ব্যবহারের মুগ্ধতা বেশি দীর্ঘস্থায়ী..!!🕊️

11/04/2026

জীবন ধ্বংসের কিছু ধাপঃ
১.ভুল মানুষকে বিয়ে করা।
২. প্রতারণার পরেও বার বার বিশ্বাস করা।
৩. ভালো হয়ে যাবে ভেবে অপেক্ষা করা।

10/04/2026

একজন মিস্ত্রি এবং একজন স্ত্রী 💔
এ দুজনের মধ্যে কি মিল আছে 🤔

একজন খারাপ মিস্ত্রি
পুরা ঘর টাই খারাপ বানাবে।
এবং একজন খারাপ স্ত্রী
পুরো জীবনটাই খারাপ বানিয়ে দিবে। 😅

Address

বাংলাদেশ
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sumon Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category