TMTE Shamima Akhter

TMTE Shamima Akhter Teacher, TMTE Trainer under British Council & writer. Empowering through education & words.

03/06/2026

সব অবহেলিত মা-বাবার জন্য একটি আর্তনাদ 😭

আমরা মাঝে মাঝে এমন কিছু ঘটনা দেখি, যা আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। কোনো বৃদ্ধ মা একা পড়ে আছেন, কোনো অসুস্থ বাবা সন্তানের অপেক্ষায় দিন গুনছেন, আবার কোনো মা মৃত্যুর পর দিনের পর দিন লাশ হয়ে পড়ে থাকেন। তখন আমরা ক্ষুব্ধ হই, প্রতিবাদ করি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এমন অসংখ্য মা-বাবার কান্না আমাদের চোখের আড়ালেই থেকে যায়।
আজ এমন অনেক সন্তান আছে, যারা বাবা বেঁচে থাকতে তাঁর খোঁজ নেয় না, কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার পর পেনশন, জমি, বাড়ি কিংবা সম্পত্তির ভাগ নেওয়ার জন্য সবার আগে হাজির হয়। বাবা-মায়ের ওষুধের খরচ দিতে চায় না, চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চায় না, নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থাও করে না। অথচ সম্পদের ভাগ পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহের কোনো কমতি থাকে না।
অনেক বৃদ্ধ মা আছেন, যাঁরা স্বামীর পেনশনের টাকায় কোনোভাবে জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সেই টাকাতেও সন্তানের লোভ। ভাগ না পেলে শুরু হয় মানসিক নির্যাতন। কেউ মায়ের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয়, কেউ অপমান করে, কেউ ভয়ভীতি দেখায়। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি এতটাই নির্মম যে পানির লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়, বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়, বৃদ্ধ মা-বাবাকে একঘরে করে রাখা হয়। গভীর রাতে বিদ্যুতের লাইন কেটে দিয়ে অন্ধকার ঘরে অসহায় মানুষগুলোকে কষ্ট পেতে বাধ্য করা হয়।
আমরা কয়জন এসব খবর জানি?
কত মা-বাবা আছেন, যাঁরা সন্তানদের সম্মানের কথা ভেবে মুখ খুলতে পারেন না। সমাজের কাছে সন্তানদের ছোট করতে চান না বলে নিজের কষ্ট বুকের মধ্যে চেপে রাখেন। চোখের পানি লুকিয়ে বলেন, "আমার ছেলে-মেয়েরা ভালো আছে।" অথচ বাস্তবে তাঁরা অবহেলা, অপমান আর নিঃসঙ্গতার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন।
সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয় হলো, এই নির্যাতন অনেক সময় অপরিচিত কেউ নয়, নিজের রক্তের সম্পর্কের মানুষই করে। যাদের জন্য মা না খেয়ে থেকেছেন, বাবা নিজের প্রয়োজন বিসর্জন দিয়েছেন, সেই সন্তানেরাই কখনো কখনো বৃদ্ধ বয়সে মা-বাবাকে বোঝা মনে করে।
এ কথা সত্য, সব সন্তান এমন নয়। এখনও অসংখ্য সন্তান আছেন, যারা মা-বাবার সেবাকে ইবাদত মনে করেন। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল। কিন্তু যারা মা-বাবার অধিকার নষ্ট করছে, তাঁদের মনে রাখা উচিত—জীবন একটি প্রতিদানের নাম। আজ যে আচরণ তুমি তোমার মা-বাবার সঙ্গে করছ, আগামী প্রজন্ম তোমার সঙ্গেও সেই আচরণ করতে পারে।
মা-বাবার দোয়ার মতো বড় সম্পদ পৃথিবীতে খুব কমই আছে। আবার তাঁদের দীর্ঘশ্বাসের মতো ভয়ংকর অভিশাপও খুব কম আছে। তাই আসুন, আমরা সম্পত্তির হিসাবের আগে দায়িত্বের হিসাব করি। উত্তরাধিকারের দাবির আগে ভালোবাসার দায় পূরণ করি। মা-বাবা বেঁচে থাকতে তাঁদের পাশে দাঁড়াই, তাঁদের প্রয়োজন বুঝি, তাঁদের সম্মান করি।
কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় মানুষ সেই মা-বাবা, যাঁদের সন্তান আছে—কিন্তু সন্তানের স্নেহ নেই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে মা-বাবার প্রতি দায়িত্বশীল, কৃতজ্ঞ ও মানবিক হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী,  অভিভাবক, বন্ধু  ও শুভাকাঙ্খীরা আসসালামু আলাইকুম। ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক আমাদের আত্মা,ভ্রাতৃত...
27/05/2026

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্খীরা আসসালামু আলাইকুম।
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক আমাদের আত্মা,
ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা আর মানবতার বন্ধনে আরও দৃঢ় হোক পৃথিবী।
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা বয়ে আনুক শান্তি, সুখ ও অনন্ত কল্যাণ।
সবাইকে পবিত্র "ঈদ -উল -আযহা"র শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক। ❤️

24/05/2026

“শ্রেষ্ঠ” হওয়ার মঞ্চ, নাকি সাজানো অভিনয়ের প্রতিযোগিতা?

একসময় “শ্রেষ্ঠ শিক্ষক” প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠও হয়েছিলাম। তখন মনে হয়েছিল—এখনো হয়তো যোগ্যতা, পরিশ্রম আর শিক্ষার্থীদের জন্য নিবেদন কিছুটা হলেও মূল্য পায়।
কিন্তু বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে বুঝলাম, এখানে শিক্ষা কম, অভিনয় বেশি; মেধা কম, লবিং বেশি; আদর্শ কম, তোষামোদ বেশি।
সেখানে কে কত ভালো শিক্ষক, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন—কে কত ভালো “ম্যানেজ” করতে পারে!
যে শিক্ষক বছরের পর বছর শ্রেণিকক্ষে ঘাম ঝরিয়ে মানুষ গড়েন, তিনি হয়তো পিছিয়ে পড়েন। আর যে ব্যক্তি করিডোর রাজনীতি, তেলবাজি আর সম্পর্কের অংকে পারদর্শী, তিনিই হয়ে যান “শ্রেষ্ঠ”!
তাই আর এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার দৌড়ে নামতে ইচ্ছা করে না। কারণ আমি বিশ্বাস করি—
সার্টিফিকেটে “শ্রেষ্ঠ” লিখে দিলেই কেউ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হয়ে যায় না।
একজন শিক্ষকের প্রকৃত পরিচয় থাকে তার শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায় এবং মানুষ গড়ার ক্ষমতায়।
মঞ্চের সাজানো করতালি আর ফটোসেশনের হাসিতে নয়।

22/05/2026

অবশেষে রাত ১১ টার খবরে টিভি স্ক্রলে দেখে নিশ্চিত হলাম 😐

ঈদ কি হঠাৎ আসে? নাকি প্রাথমিক শিক্ষাকে নিয়েই চলছে চরম তামাশা!

ঈদের ছুটি যেন আমাদের দেশে হঠাৎ আকাশ থেকে পড়ে! প্রতি বছর একই দৃশ্য—শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত, আর সেই সিদ্ধান্তের চাপে বিপাকে পড়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে বলা হলো, অথচ রাত ১০টার পর ফেইসবুকে জানা গেল পরদিন ২৩ তারিখ শনিবার আবার স্কুল বন্ধ! এ কেমন দায়িত্বহীনতা? একটি সিদ্ধান্ত কি ৩ দিন বা অন্তত ৫ দিন আগে নেওয়া যেত না? প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে যাতায়াত করেন, শিক্ষার্থীরাও প্রস্তুতি নিয়ে স্কুলে আসার জন্য মানসিকভাবে তৈরি হয়। এখন যদি কোনো শিশু ভুল তথ্যের কারণে খালি স্কুলে এসে বিপদের সম্মুখীন হয়, তার দায়ভার কে নেবে? সরকার নাকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়? বারবার একই বিশৃঙ্খলা প্রমাণ করে, প্রাথমিক শিক্ষাকে এখনো গুরুত্বের সাথে দেখা হয় না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সময়, নিরাপত্তা ও ভোগান্তির কোনো মূল্য যেন কারও কাছে নেই। ঈদ তো হঠাৎ আসে না, তাহলে ছুটির সিদ্ধান্ত কেন প্রতি বছর এমন নাটকীয় ও অপরিকল্পিতভাবে আসে? দায়িত্বশীল প্রশাসন হলে এমন হাস্যকর ও ভোগান্তিমূলক পরিস্থিতি কখনো সৃষ্টি হতো না।

22/05/2026

“মানুষের জীবন নিয়ে উপহাস বন্ধ করুন, জনগণ বিচার চায়!”😡
মানুষের জীবন আজ এতটাই সস্তা হয়ে গেছে যে, একটি শিশুকে ঘরের সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়, আর ক্ষমতাবানদের কথাবার্তায় সেই ব্যথার কোনো প্রতিফলনই দেখা যায় না।
জনগণ বিচার চাইলে তাদের অনুভূতিকে তুচ্ছ করা হয়, ক্ষোভকে ব্যঙ্গ করা হয়।
যে রাষ্ট্র শিশুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সেই রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের আগে নিজেদের ব্যর্থতার জবাব দেওয়া উচিত।
কারণ মানুষ আর মুখের বুলি শুনতে চায় না— মানুষ নিরাপত্তা চায়, বিচার চায়, অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দেখতে চায়।
বাংলার মানুষ আর দুর্বল আশ্বাসে বিশ্বাস করে না।
একটি শিশুর রক্তের দায় এড়িয়ে গিয়ে ক্ষমতার ভাষণ দিলে ইতিহাস কখনো ক্ষমা করবে না।
“নিরাপত্তাহীন জাতির কান্না যারা শুনতে পায় না, তারা জনগণের প্রতিনিধি হতে পারে না।😡

রামিচার জন্য বিচার চাইমাত্র ৭ বছরের শিশু রামিচা। যে বয়সে বই হাতে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই নিষ্পাপ শিশুকে এক নরপিশাচ নি...
20/05/2026

রামিচার জন্য বিচার চাই
মাত্র ৭ বছরের শিশু রামিচা। যে বয়সে বই হাতে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই নিষ্পাপ শিশুকে এক নরপিশাচ নির্মমভাবে নির্যাতন ও হত্যা করেছে। 🥲
এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো সমাজকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো। একজন মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে, একটি পরিবারের পৃথিবী অন্ধকার হয়ে গেছে।🥲
আজ আমরা প্রশ্ন করছি—আর কত রামিচার জীবন এভাবে ঝরে গেলে বিচার সত্যিকার অর্থে জাগ্রত হবে? কেন বছরের পর বছর বিচার ঝুলে থাকে? কেন অপরাধীরা আইনের ফাঁক গলে বের হওয়ার সুযোগ পায়? বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি।
আমি শিশু রামিচার হত্যার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি। অপরাধী যেই হোক, তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ একটি শিশুর জীবন কোনো পরিসংখ্যান নয়—এটি একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন, একটি ভবিষ্যৎ।
রামিচার জন্য বিচার চাই।
প্রতিটি শিশুর নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বিচার চাই।
বিচারের নামে দীর্ঘসূত্রতা নয়—দ্রুত ও কঠোর বিচার চাই।😡😡

প্রাথমিক  শিক্ষা পদক সাংস্কৃতিক  প্রতিযোগিতা ২০২৬।  পৌরসভা পর্যায়ে বিজয়ীদের  অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল।স্থান :লা...
20/05/2026

প্রাথমিক শিক্ষা পদক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬। পৌরসভা পর্যায়ে বিজয়ীদের অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল।
স্থান :লালমনিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ খ্রি:
17/05/2026

প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ খ্রি:

10/05/2026

মা শুধু একটি শব্দ নয়, পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের নাম।
জীবনের প্রতিটি সফলতার পেছনে থাকে মায়ের নীরব ত্যাগ, ভালোবাসা আর দোয়া।
পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা।
❤️ Happy Mother’s Day ❤️

07/05/2026

“শিক্ষককে হুমকি নয়, সম্মান দিন — শিক্ষা তখনই বদলাবে" 🥲
শিক্ষা শুধু শিক্ষকের একার দায়িত্ব নয়—এটি শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজ—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
যদি কোনো শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি রিডিংয়ে দুর্বল হয়, তাহলে শুধু শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করার হুমকি দেওয়া সমস্যার সমাধান নয়; বরং এটি শিক্ষকদের প্রতি অসম্মান ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করার শামিল।
একজন শিক্ষক প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু একটি শিশু বাসায় কতটুকু পড়ছে, অভিভাবক তার খোঁজ রাখছেন কি না, মোবাইল-আসক্তি থেকে দূরে রাখছেন কি না—এসব দায় কি শুধুই শিক্ষকের?
ভয় দেখিয়ে, অপমান করে কিংবা চাকরির অনিশ্চয়তা তৈরি করে কখনো মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায় না। একজন মানসিকভাবে চাপে থাকা শিক্ষক কখনো সৃজনশীল শিক্ষা দিতে পারেন না।
আজকাল মনে হয়, সম্মানহীন এই পেশায় থাকার চেয়ে ইউটিউবার বা ফেসবুক ব্লগার হওয়াই ভালো—অন্তত সেখানে নিজের পরিশ্রমের মূল্য ও সম্মান দুটোই পাওয়া যায়।
শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা অবশ্যই আছে, কিন্তু তাদের অপমান করার অধিকার কারও নেই।
কারণ, একজন শিক্ষককে ছোট করা মানে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকেই ছোট করা।

Address

Lalmonirhat
Rangpur
5500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TMTE Shamima Akhter posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share