Nabil Hasan Atik

Nabil Hasan Atik আসসালামু আলাইকুম আমি মোঃ নাবিল হাসান আতিক। নতুন এবং পুরাতনদের পাশে সব সময় আমি আছি থাকবো ইনশাআল্লাহ।
(1)

আশুলিয়ায় স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে এনসিপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত...
14/08/2026

আশুলিয়ায় স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে এনসিপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য কমেন্টে… 👇

বোনদের নিরাপত্তা আর কতদিন প্রশ্নের মুখে থাকবে? আমরা কি এখনও নীরব থাকব? অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি ...
13/08/2026

বোনদের নিরাপত্তা আর কতদিন প্রশ্নের মুখে থাকবে? আমরা কি এখনও নীরব থাকব? অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই। আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং বিষয়টি সবার নজরে আনতে পোস্টটি শেয়ার করুন। ✊📢

জমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার সময়ই মারা যান তাদের মা। ছোট্ট দুই সন্তানকে মায়ের আদর-যত্নে বড় করে তুলতে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। শ...
13/08/2026

জমজ সন্তান জন্ম দেওয়ার সময়ই মারা যান তাদের মা। ছোট্ট দুই সন্তানকে মায়ের আদর-যত্নে বড় করে তুলতে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। শুরুতে সৎমা তাদের ভালোবাসলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নাকি সেই ভালোবাসায় ভাটা পড়ে। একপর্যায়ে ছোট্ট দুই শিশুর প্রতি তিনি বিরক্ত হয়ে ওঠেন এবং মাঝে মাঝে তাদের বেঁধে রাখার মতো ঘটনাও ঘটে।

ভাবতেই কষ্ট হয়—এত ছোট দুটি শিশুর কী-ই বা অপরাধ? তারা হয়তো দুষ্টুমি করে, হয়তো সামলাতে কষ্ট হয়; কিন্তু তাই বলে তাদের বেঁধে রেখে কষ্ট দেওয়া কি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য?

মায়ের ভালোবাসা নিঃস্বার্থ—এ কথা আমরা সবাই জানি। তবে জন্ম না দিলেও একজন শিশুকে মায়ের মতো করে ভালোবাসা যায়, আগলে রাখা যায়। একজন সৎমা মানেই যে ভালোবাসার অভাব হবে, এমনটা নয়। বরং মায়ের স্নেহের অভাবে বেড়ে ওঠা এই দুই শিশুর আরও বেশি যত্ন ও মমতা প্রয়োজন।

শিশুদের প্রতি একটু মায়া, একটু ভালোবাসা—এটুকুই তো তাদের প্রাপ্য। তাদের শাস্তি নয়, প্রয়োজন নিরাপদ আশ্রয় আর একজন মমতাময়ী মানুষের ভালোবাসা। 😢

মা অসুস্থ। তাঁকে বাঁচাতে হবে—এই একটাই চিন্তা এখন মা-ছেলের। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন অসহায় মা। মানুষের কাছে হাত পেতে...
13/08/2026

মা অসুস্থ। তাঁকে বাঁচাতে হবে—এই একটাই চিন্তা এখন মা-ছেলের। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন অসহায় মা। মানুষের কাছে হাত পেতে সাহায্য চাইছেন, আর পাশে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো মায়ের কষ্ট দেখছে তাঁর সন্তান। কিন্তু করার কিছুই নেই—মাকে তো বাঁচাতেই হবে!

মায়ের করুণ চাহনি দেখলে সত্যিই মনটা ভারী হয়ে আসে। সন্তানের জন্য বাঁচতে চান এই মা, আর সন্তানও কোনোভাবেই মাকে হারাতে চায় না। কারণ মা হারানোর কষ্ট কতটা গভীর, তা শুধু তারাই বোঝে, যারা মাকে হারিয়েছে।

অনেকের কাছে গোপনে সাহায্য চেয়েছেন তিনি। কিন্তু পর্যাপ্ত সহায়তা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ক্যামেরার সামনে এসে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানাতে বাধ্য হয়েছেন। সারাদিন মানুষের কাছে হাত পেতে যে সামান্য অর্থ পাবেন, তা দিয়েই নিজের চিকিৎসা করাতে চান এবং সন্তানকে একটু ভালোভাবে বড় করতে চান।

মায়ের একটাই স্বপ্ন—সন্তানকে নিজের পায়ে দাঁড় করিয়ে তবেই যেন পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারেন। একজন মায়ের এই আকুতি কি আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় না? 😢

সমাজের সামর্থ্যবান মানুষগুলো যদি এই মা-ছেলের পাশে দাঁড়ান, হয়তো একটি জীবন বাঁচবে, আর একটি সন্তান তার মাকে হারানোর কষ্ট থেকে বেঁচে যাবে।

দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করেছিলেন অঞ্জলি খাতুন ও জিয়াবুল ইসলাম। নিয়মিত মুঠোফোনে কথা বলা ও ভবিষ্যৎ সংসারের স্ব...
13/08/2026

দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করেছিলেন অঞ্জলি খাতুন ও জিয়াবুল ইসলাম। নিয়মিত মুঠোফোনে কথা বলা ও ভবিষ্যৎ সংসারের স্বপ্ন দেখার মধ্য দিয়ে তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে চলতি বছরের ১৯ জুন ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে তাদের বিয়ে হয়।

অঞ্জলির দাবি, বিয়ের আগে জিয়াবুল তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণের আশ্বাস দেন। বিয়ের পর তারা কাহালু উপজেলার একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কিছুদিন একসঙ্গে বসবাসও করেন। শুরুতে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকলেও বিয়ের কয়েক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বদলে যায়।

অঞ্জলি অভিযোগ করেন, গত এক সপ্তাহ ধরে জিয়াবুল তাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং এখন স্ত্রী হিসেবে সম্পর্কটি স্বীকার করতে চাইছেন না। সামাজিকভাবে অনুষ্ঠান করে তাকে ঘরে তুলে নেওয়ার কথা বলে জিয়াবুল তাকে বাবার বাড়িতে রেখে যান। এরপর ধীরে ধীরে যোগাযোগ কমিয়ে দিয়ে একপর্যায়ে তাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন।

অঞ্জলির আরও অভিযোগ, সম্পর্ক শেষ করার জন্য জিয়াবুল তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। পাশাপাশি তাদের ঘনিষ্ঠ সময়ের ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তার কথা না শুনলে ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি অঞ্জলির। এ ঘটনায় তিনি বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ করেছেন।

অঞ্জলির মা বলেন, তার মেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। মেয়েটির পড়াশোনার ভবিষ্যৎ ছিল। তার অভিযোগ, ছেলেটি পরিকল্পিতভাবে এসব করেছে। এমনকি তারা বাড়িতে এসে ভয়ভীতি ও হামলার চেষ্টা করছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ কারণে আতঙ্কে তারা বাড়ির গেট খুলতেও ভয় পাচ্ছেন।

দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে হলেও স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অঞ্জলি। তিনি স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি, নিরাপত্তা এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান দাবি করেছেন।

সার্জারি করে মানুষ থেকে কুকুরে রূপান্তর—এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বাস্তবে প্লাস্টিক সার্জারি বা কোনো অপারেশনে...
12/08/2026

সার্জারি করে মানুষ থেকে কুকুরে রূপান্তর—এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বাস্তবে প্লাস্টিক সার্জারি বা কোনো অপারেশনের মাধ্যমে কোনো মানুষ কুকুরে পরিণত হয়েছেন—এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।
জাপানের টোকো (Toco) নামের এক ব্যক্তি কুকুরের মতো দেখতে একটি বিশেষ কস্টিউম পরে কুকুরের রূপ ধারণ করেছিলেন। তিনি কোনো ধরনের সার্জারি করাননি বা নিজের শরীরে স্থায়ী কোনো পরিবর্তনও করেননি।
টোকো প্রায় ২০ লাখ জাপানি ইয়েন খরচ করে একটি বাস্তবসম্মত কোলি (Collie) কুকুরের কস্টিউম তৈরি করেছিলেন। শখের বশেই তিনি ওই পোশাক পরে কুকুরের মতো চলাফেরা করেন।
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘জাসো’ নামে কোনো কোটিপতি যুবক কোটি টাকা খরচ করে সার্জারির মাধ্যমে কুকুরে পরিণত হয়েছেন—এমন যে দাবি ও ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
সত্য হলো—এটি সার্জারি নয়, বরং কস্টিউম ব্যবহার করে কুকুরের মতো সেজে ওঠার ঘটনা। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন চটকদার তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস বা শেয়ার না করাই উচিত।

শিশু রামিসা ধর্ষ_ণ ও হ_ত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে অ্যা...
12/08/2026

শিশু রামিসা ধর্ষ_ণ ও হ_ত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বামীর মর্যাদা ও শেষবারের মতো মুখ দেখার আকুতি লিজারসৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রবাসী কর্মী...
12/08/2026

স্বামীর মর্যাদা ও শেষবারের মতো মুখ দেখার আকুতি লিজার
সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রবাসী কর্মী হাসিবুল হাসান শুভর মৃত্যুতে যখন স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, ঠিক তখনই তাঁর কথিত স্ত্রী লিজার করুণ আকুতি সামনে এসেছে। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তাঁকে লড়তে হচ্ছে নিজের স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য।
লিজার অভিযোগ, শুভর পরিবারের সদস্যরা তাঁদের বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করছেন। এমনকি তাঁকে স্বামীর মরদেহ দেখতেও নিষেধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এ অবস্থায় শেষবারের মতো স্বামীর মুখ দেখার সুযোগ এবং স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন লিজা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে লিজা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শুভর সঙ্গে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরিকল্পনা ছিল, শুভ দেশে ফিরে এলে আনুষ্ঠানিকভাবে কাবিনসহ বিয়ের অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন তাঁরা। চলতি বছরের ডিসেম্বরের আগেই শুভর দেশে ফেরার কথা ছিল। এরপরই তাঁদের প্রথমবার সামনাসামনি দেখা হওয়ার কথা ছিল।
লিজার ভাষ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের দিন সকালেও শুভর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। কিন্তু কিছু সময়ের ব্যবধানে ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনা তাঁদের সব স্বপ্নকে চিরতরে শেষ করে দেয়।
শুভর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন লিজা। তাঁকে শুভর গ্রামের বাড়িতে যেতে নিষেধ করার পাশাপাশি ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শুভ অবিবাহিত ছিলেন।
একদিকে স্বামী হারানোর শোক, অন্যদিকে স্ত্রী হিসেবে নিজের স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছেন লিজা। তাঁর আকুতি, অন্তত শেষবারের মতো যেন তিনি স্বামীর মুখটি দেখতে পারেন এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সম্পর্কের স্বীকৃতি পান।
নিহত হাসিবুল হাসান শুভ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার দুবাই গ্রামের চঞ্চলের ছেলে বলে জানা গেছে। :::

শিরোনাম: প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে কথিত পালিত সন্তানের হাত ধরে ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননীদীর্ঘদিন স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগ...
12/08/2026

শিরোনাম: প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে কথিত পালিত সন্তানের হাত ধরে ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী
দীর্ঘদিন স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে এক সন্তানের জননী বন্যার সঙ্গে কথিত পালিত সন্তানের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। যাকে ছোটবেলা থেকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করে বড় করেছিলেন, সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্কই ভিন্ন দিকে মোড় নেয় বলে দাবি পরিবারের।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন গোপনে তাদের মধ্যে কথিত প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। একপর্যায়ে প্রবাসী স্বামী দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে কথিত ওই প্রেমিকের হাত ধরে বন্যা বাড়ি থেকে চলে যান।
দেশে ফিরে স্ত্রীকে খুঁজতে গিয়ে কথিত প্রেমিকের সঙ্গে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন প্রবাসী স্বামী। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
বন্যার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি দাবি করেন, তিনি তার আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন এবং পরে কথিত প্রেমিককে বিয়ে করেছেন।
এদিকে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার সময় স্বামীর পাসপোর্ট, স্বর্ণালংকার, টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন বন্যা।
বন্যার ভাইয়ের দাবি, প্রবাসে থাকা তার বোনের স্বামী নিয়মিত টাকা-পয়সা পাঠাতেন। আর বোন কথিত প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার সময় সেই টাকা-পয়সা সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। এ ঘটনায় তিনি নিজের বোনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা বন্যাকে দীর্ঘদিনের সংসার, স্বামী এবং ৯ বছরের সন্তানের কথা বিবেচনা করে আবারও সংসারে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। কিন্তু পরিবারের অনেক অনুরোধ ও বোঝানোর পরও বন্যা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন বলে জানা যায়।

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে চাচার কথিত অ/নৈ/তি/ক সম্পর্ক—দরজায় বারবার নক করার পরও ভেতর থেকে কোনো সা/ড়া নেই। পরে গ্রামবাসী সবা...
12/08/2026

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে চাচার কথিত অ/নৈ/তি/ক সম্পর্ক—দরজায় বারবার নক করার পরও ভেতর থেকে কোনো সা/ড়া নেই। পরে গ্রামবাসী সবাই মিলে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করলে চাচাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, তিনি খা'টে'র নি'চে লুকিয়ে আছেন! 😳

কী ভ/য়া/ব/হ পরিস্থিতি! ইদানীং প'র'কী'য়া'র ঘটনায় বিভিন্নভাবে মানুষ আ'ট'ক হওয়ার খবর প্রায়ই সামনে আসছে। এভাবে চলতে থাকলে সামনে আরও ভ/য়া/ব/হ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মেয়েদের এ কেমন রু/চি, এ কেমন সিদ্ধান্ত! একজন ব'য়'স্ক পু/রু/ষে/র স*ঙ্গে কীভাবে কেউ অ/নৈ/তি/ক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে—বিষয়টি সত্যিই বোধগম্য নয়। বয়স, সম্পর্ক ও সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়গুলো উপেক্ষা করে এমন সম্পর্কে জড়ানোর পরিণতি শেষ পর্যন্ত কারও জন্যই ভালো হয় না।

প'র'কী'য়া কখনোই ভালো কিছু বয়ে আনে না। একটি সম্পর্কের কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে একটি পরিবার, ভেঙে যেতে পারে মানুষের বিশ্বাস ও সম্মান।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো—মানুষ কীভাবে নিজের বিবেক, মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্পর্ককে ভুলে গিয়ে এমন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, তা সত্যিই চিন্তার বিষয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এমন পাপ ও অ/নৈ/তি/ক/তা থেকে হেফাজত করুন এবং যারা এ ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন, তাদের হেদায়েত দান করুন। আমিন। 🤲
Rewrite

Address

Rangpur
5670

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nabil Hasan Atik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share